Tag: Gyanvapi mosque

Gyanvapi mosque

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে (Gyanvapi mosque case) এবার সুপ্রিম কোর্টের (supreme court) দ্বারস্থ হল জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ (jamiat-ulama-i-hind)। তাদের দাবি, ঐতিহাসিক ভুলকে আদালতে ঠিক করা যায় না। ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় মসজিদ কমিটির তরফে পার্টি হল জমিয়ত।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ভাঙা হয়েছে মন্দির। মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুদের একাংশের। তাঁদের দাবি, এই এলাকায় পুজো হত শৃঙ্গার গৌরীর।

    এমতাবস্থায় পাঁচ মহিলা ওই এলাকায় উপাসনা করতে দেওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এর পরেই মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ ফাঁস হয়ে যায় বলে দাবি স্থানীয় কয়েকজনের। সেই ফুটেজ থেকে জানা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ।

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই শিবলিঙ্গ পুজোর অধিকার দিতে হবে তাঁদের। এর পরেই আদালেতর নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় ওজুখানার জলাধার। যদিও মসজিদে প্রতিদিন পাঁচবার নমাজ পাঠেরও অনুমতি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল আইন (Places of Worship Act, 1991) আনে নরসিমহা রাওয়ের সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আগে যে ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যেমন ছিল, তেমনই থাকবে। সম্প্রতি, এই আইনের সাংবিধানিরক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন অশ্বিনী উপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, মুঘল আমলে যেসব মন্দির মসজিদে পরিণত হয়েছিল, তাদের ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

    এর প্রেক্ষিতেই আইনজীবী ইজাজ মকবুলের মাধ্যমে জমিয়ত জানিয়ে দেয়, ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান আদালতে হতে পারে না। এ ব্যাপারে অযোধ্যা মামলার রায়ের উল্লেখ করেছে জমিয়ত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বিষয়বস্তু বা ঘটনাবলির সঙ্গে সহমত না হওয়া কোনও ব্যক্তিকে আইনি প্রতিকার দেওয়া বা অতীতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যম হতে পারে না আদালত।

     

  • Gyanvapi mosque survey: জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    Gyanvapi mosque survey: জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গের (shivling) অস্তিত্ব মিলেছিল বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের। এবার মসজিদ (mosque) চত্বরের দেওয়ালে ত্রিশূলের (trishul) মতো কোনও চিহ্ন খোদাই করা দেখা গিয়েছে। আদালতের নির্দেশে জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi mosque) সমীক্ষা করে এক প্রতিনিধি দল। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। সেই ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ চলে এসেছে প্রকাশ্যে। যদিও মাধ্যম ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।

    জ্ঞানবাপী-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির মামলা আদালতের বিচারাধীন। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) আমলে তাঁরই নির্দেশে বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ। সম্প্রতি পাঁচ মহিলা আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন জ্ঞানবাপী মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালের কাছে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো করার। এর পরেই আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে হয় ভিডিওগ্রাফি। সেই ভিডিওগ্রাফির ফুটেজই প্রকাশ্যে এসেছে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    চলতি মাসের প্রথম দিকে হিন্দু আবেদনকারীরা দাবি করেছিলেন, মসজিদ চত্বরের ওজুখানার জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, কাঠামোটি আদতে একটি পুরনো ফোয়ারা। হিন্দু আবেদনকারীদের তরফে এক মহিলা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মহিলাদের প্রবেশাধিকার না থাকায় আমাদের মসজিদের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি। এখন আমরা প্রথমবার ভিডিওটি দেখছি। এটি একটি মন্দির। যদিও মুসলিম পক্ষের আইনজীবী রইস আহমেদের যুক্তি, মসজিদ চত্বরে কোনও দেবতা নেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    তবে সমীক্ষার সময় তৈরি ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ওজুখানার জলাধারের জল কমানোর পর শিবলিঙ্গের আকৃতির মতো কিছু একটি দেখা যাচ্ছে। সেই আকৃতি দেখার পর ভিডিওটি করা হয়। সেটির মাপজোকও করা হয়। কমিশনের রিপোর্টে যা যা বলা হয়েছে, সেসবই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে শিবলিঙ্গের ওপর সিমেন্ট দেখা যাচ্ছে, যা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে, শিবলিঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা হয়েছিল। শিবলিঙ্গের মাঝখানে ছিদ্র করার চেষ্টাও হয়েছে।

    হিন্দুত্বাবাদীদের দাবি, তাঁদের আরাধ্য দেবতার ক্ষতি করার চেষ্টা হয়েছে। নন্দীর মূর্তির ঠিক সামনে মসজিদ এলাকায় টিনের শেডের নীচে রয়েছে জলাধার। এখানেই রয়েছে শিবলিঙ্গের আকৃতির মতো কিছু একটা। এখানেই ওজু করতেন নমাজ পড়তে আসা মুসলমানরা। একই সঙ্গে মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালের ছবিও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে। যার ওপর এমন অনেক কারুকার্য রয়েছে, যা দেখে দাবি করা হচ্ছে যে সেখানে মন্দির ছিল। ত্রিশূল ছাড়াও দেওয়ালে স্বস্তিকের চিহ্ন রয়েছে। এই ভিডিও প্রকাশ না করার জন্য মসজিদ কমিটির তরফে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের হাতে চলে এসেছে ভিডিওটি।

     

  • J P Nadda: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

    J P Nadda: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশী (Kashi) ও মথুরার (Mathura) বিষয়ে বিজেপির (BJP) কোনও রেজোলিউশন নেই। সিদ্ধান্ত নেবে আদালত ও সংবিধান (constitution)। নরেন্দ্র মোদি (Modi) সরকারের অষ্টম বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, দল সর্বদা সাংস্কৃতিক উন্নয়নের কথা বলেছে এবং আদালতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে।

    জ্ঞানবাপী মসজিদকাশী বিশ্বনাথ মন্দির বিতর্কে (Kashi Vishwanath Temple-Gyanvapi mosque dispute) সরগরম গোটা দেশ। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়া হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। ১ হাজার ৮৬২টি ‘অবৈধ’ মসজিদের তালিকাও প্রকাশ করেছে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন। তাদের দাবি, এই মসজিদগুলি নির্মাণ করা হয়েছিল মন্দির ভেঙে। এই তালিকায় রয়েছে কাশী মথুরার একাধিক মসজিদের নামও।

    আরও পড়ুন : মোদিময় জাপান! প্রধানমন্ত্রীকে দেখেই উঠল ‘মোদি মোদি’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান

    এদিন বিজেপি সভাপতি বলেন, আমরা সব সময় সাংস্কৃতিক উন্নয়নের কথা বলে আসছি। কিন্তু এসব বিষয় (মন্দির-মসজিদ) সংবিধান ও আদালতের রায় অনুযায়ী মোকাবিলা করা হয়। সুতরাং, আদালত এবং সংবিধান এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। বিজেপি সেই সিদ্ধান্ত অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবে।

    আরও পড়ুন : “গত ৮ বছরে এমন কিছুতে লিপ্ত হইনি যাতে লজ্জায় মাথা নোয়াতে হয়”, গুজরাতে মোদি

    কাশী এবং মথুরার মন্দিরগুলি পুনরুদ্ধার করা বিজেপির অ্যাজেন্ডায় ছিল কিনা, সে প্রশ্নের জবাবে নাড্ডা বলেন, রাম জন্মভূমি (Ram Janmabhoomi) ইস্যুটি পালমপুরে পার্টির জাতীয় কার্যনির্বাহী সংসদে পাস হওয়া প্রস্তাবের অংশ ছিল। কিন্তু এর পরে আর কোনও রেজুলেশন হয়নি। নাড্ডা বলেন, বিজেপি একটি শক্তিশালী জাতি গঠনে সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাজনৈতিকভাবে কাজ করি, তখন সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করি। বিজেপি সভাপতি বলেন, মোদি সরকার ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা প্রয়াস’ নীতি অনুসরণ করে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) নিয়ে উত্তরাখণ্ড সরকারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নাড্ডা। বলেন, এটা ঠিকই আছে। তারা (উত্তরাখণ্ড) এটা নিয়ে আলোচনা করছে। আমরা তো বলেই আসছি সকলের সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত। আমাদের সরকারের মূল কথাই হল সকলকে ন্যায়বিচারের সুবিধা প্রদান করা। এটাই আমাদের মৌলিক নীতি। এই নীতি মেনেই কাজ করছি আমরা।

    মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসাও শোনা যায় নাড্ডার মুখে। বিজেপি সভাপতি বলেন, মোদি সরকার ভারতের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন করেছে এবং একটি প্রতিক্রিয়াশীল, দায়িত্বশীল এবং সক্রিয় সরকারের সূচনা করেছে। তিনি বলেন, সেবা, সুশাসন এবং গরিব কল্যাণ হল মোদি সরকারের আত্মা।

    নাড্ডার মতে, অতিমারী এবং ইউক্রেন যুদ্ধ দুইই সমস্যা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু মোদি সরকার (Modi Sarkar) বৃদ্ধির হার অক্ষুণ্ণ রাখতে পেরেছিল। বেকারত্ব সমস্যার সমাধানেও যত্ন নিয়েছিল। এদিন বিজেপি ‘মোদি সরকার নয়া ভারতের স্থপতি’ শিরোনামে একটি থিম সং প্রকাশ করেছে। নমো অ্যাপের (NaMo app) একটি নতুন মডিউলও চালু করা হয়েছে এদিন। 

     

  • Gyanvapi Mosque: অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    Gyanvapi Mosque: অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সুরক্ষা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (communal harmony) বজায় রাখা প্রয়োজন। তাই জ্ঞানবাপী মসজিদ সমীক্ষার (Gyanvapi Mosque survey) ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ্যে না আনার দাবি জানালেন বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (VVSS) প্রধান জিতেন্দ্র সিং বিষেণ। শুক্রবার এই মর্মে বারাণসীর (Varanasi) ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে আবেদনও জানান তিনি।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) লাগোয়া জমিতেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque)। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) শাসনকালে বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়। সম্রাটের নির্দেশেই ধ্বংস করা হয়েছিল মসজিদ। পরে রানি অহল্যবাই নতুন করে তৈরি করেন বিশ্বেশ্বরের মন্দির।

    বিশ্বনাথ মন্দির এবং জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে এই বিবাদ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির কাজও হয়। আদালত নিযুক্ত একজন অ্যাডভোকেট কমিশনারের উপস্থিতিতে হয় ৬ থেকে ১৬ মে-র মধ্যে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ।

    আরও পড়ুন : শাহি ইদগাহ মসজিদ চত্বরে স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন মথুরা আদালতে

    এই সমীক্ষার কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে বলে দাবি স্থানীয় হিন্দুদের একাংশের। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গের (Shivling) ছবি রয়েছে বলেও দাবি করেন কেউ কেউ। এর পরেই মসজিদ চত্বরে করা  ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ্যে আনার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানান বিষেণ। জ্ঞানবাপী নিয়ে যাঁরা মামলা করেছেন, সেই আবেদনকারীদের একজন সমর্থক বিষেণও। তবুও তিনি চান না এখনই প্রকাশ্যে আসুক ভিডিও এবং ছবি। বিষেণ বলেন, এই ছবি নিয়ে দেশবিরোধী শক্তি অশান্তি পাকাবে। যার জেরে বিঘ্নিত হতে পারে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। তিনি বলেন, কেউ যদি ওই ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করে তাহলে জাতীয় সুরক্ষা আইনে তার সাজা হওয়া প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন : এবার নমাজ বন্ধের দাবি আগরা ফোর্টের ভিতরের বেগম কি মসজিদে

    এদিকে, নির্বিঘ্নেই জুম্মাবারের নমাজ পাঠ করেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ১৬ মে আদালতের নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় মসজিদ চত্বরে থাকা ওজুখানার জলাধার। তার পর এদিন উত্তর প্রদেশ পুলিশ এবং সিআরপিএফের (CRPF) কড়া প্রহরায় নমাজ পাঠ করেন মুসলিমরা।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কর্তৃপক্ষ (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। সেই কমিটিও জনসাধারণের কাছে অনুরোধ জানায় শান্তি বজায় রাখতে। এক সঙ্গে অনেকের নমাজ পাঠও নিয়ন্ত্রণ করে তারা। যার জেরে শান্তিপূর্ণভাবেই এদিন শেষ হয়েছে জুম্মার নমাজ।

     

  • Gyanvapi Mosque: “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    Gyanvapi Mosque: “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক :জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরে রয়েছে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) মন্দির। সেখানেই পুজোর অধিকার চেয়ে বারাণসী জেলা আদালতের (Varanasi district court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন পাঁচ মহিলা। সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়ার আবেদন জানালেন আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ (anjuman intezamia masjid committee) কমিটি। এই কমিটিই পরিচালনা করে জ্ঞানবাপী মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    পাঁচ হিন্দু মহিলার দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণের বিরোধিতা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির কৌঁসুলি অভয় নাথ যাদব বলেন, “আবেদনকারীরা তাঁদের ব্যক্তিগত ক্ষমতায় মামলাটি দায়ের করেছেন। কিন্তু তাঁদের পুরো আবেদনপত্র পড়ার পরে এটা স্পষ্ট যে তাঁরা সমস্ত হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের অনুসারীদের পক্ষে প্রার্থনা করেছেন। ব্যক্তিগত ক্ষমতায় এই ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধরনের মামলা একটি সরকারি মামলা হিসাবে দায়ের করা হয়। তাছাড়া কোনও পাবলিক মামলা দায়ের করার আগে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। তাই আমার যুক্তি, ওই পাঁচ মহিলার মামলা খারিজ করা উচিত।”

    মসজিদ কমিটির কৌঁসুলি আরও বলেন, “মামলায় ওই পাঁচ মহিলা দীন মহম্মদের ১৯৩৬ সালের দেওয়ানি মামলার উল্লেখ করেছিলেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন, সেই মামলায় ১২ জন সাক্ষী প্রমাণ করেছিলেন যে, সেখানে শৃঙ্গার গৌরী ও অন্য দেবতাদের পুজোর করা হয়েছিল। এবং বলেছিলেন, এটি একটি মন্দির।” 

    যাদব বলেন, “তাঁরা তাঁদের মামলাকে শক্তিশালী করতে সাক্ষীদের বক্তব্যের উল্লেখ করেছে। কিন্তু তাঁরা দীন মহম্মদের মামলায় আদালতের দেওয়া রায়ের কথা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেননি। ওই মামলার রায় ছিল, মসজিদ, তার আঙ্গিনা এবং তার জমি হানাফি মুসলমানদের ওয়াকফ সম্পত্তি। মুসলমানদের উরস অনুশীলন করার এবং সেখানে নামাজ পড়ার মতো ধর্মীয় কার্যকলাপ করার অধিকারও রয়েছে। কিন্তু আবেদনকারীরা এই গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি লুকিয়ে রাখেন। তিনি বলেন, আমাদের যুক্তি দেওয়া শেষ হয়নি।” এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে ৪ জুলাই।

    আরও পড়ুন : অশান্তির আশঙ্কা! জ্ঞানবাপী সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার আবেদন আদালতে

    এদিকে, ৮ জুলাই পর্যন্ত জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলার শুনানি স্থগিত করেছে বারাণসীর ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর ছড়ায়। সেই শিবলিঙ্গের পুজো করার অনুমতি চেয়ে জমা পড়ে পিটিশন। তারই মামলারই শুনানি হবে ৮ জুলাই।  

     

  • Hindu janajagruti samiti: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    Hindu janajagruti samiti: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque)-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi viswanath temple) বিতর্ক এখনও থিতু হয়নি। আগরা, মথুরা, দিল্লি, কর্নাটক সহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মসজিদ নিয়ে। এই আবহে ১ হাজার ৮৬২টি মসজিদের তালিকা প্রকাশ করল হিন্দু জন জাগৃতি সমিতি (Hindu janajagruti samiti)  নামে একটি সংগঠন। তাদের দাবি, মন্দির ভেঙে ওই মসজিদগুলি গড়ে তোলা হয়েছিল। রবিবার ওই ‘অবৈধ’ মসজিদের (illegal mosque) তালিকা প্রকাশ করেছে তারা।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। এই অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেছে একাধিক হিন্দু সংগঠন। তাদের দাবি, ষোড়শ শতকে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বিশ্বনাথের মন্দিরটি নতুন করে গড়ে দেন। সেই মন্দিরই রয়েছে আজও।

    ১৮০০ সালে মন্দির কর্তৃপক্ষকে একটি নন্দীর মূর্তি উপহার দেন নেপালের রাণা। সেই মূর্তিও আজও রয়েছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, নন্দীর মুখ শিবের দিকেই থাকে। এই নন্দীর মুখও রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। তাই মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়েই যে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল, হিন্দুত্ববাদীরা সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত। মন্দির-মসজিদ এই বিতর্কের অবসানে মামলা গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

    আরও পড়ুন : শাহি ইদগাহ মসজিদ চত্বরে স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন মথুরা আদালতে

    এই আবহে গোটা দেশে কতগুলি মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করল হিন্দু জন জাগৃতি সমিতি। সমিতির মতে, এই মসজিদগুলি ‘অবৈধ’। তালিকায় সব চেয়ে বেশি মসজিদ রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে ২৯৯টি মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। এর পর কর্নাটক। সেখানে ‘অবৈধ’ মসজিদের সংখ্যা ১৯১, তামিলনাড়ুতে ১৭২, রাজস্থানে ১৭০, গুজরাতে ১৬৯, মধ্যপ্রদেশে ১৫০, মহারাষ্ট্রে ১৪৩, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৪২।

    তালিকায় নাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও। সেখানে ‘অবৈধ’ মসজিদ রয়েছে ১০১টি। আর বিহারে ৭৭টি। এই তালিকায় রয়েছে দিল্লির নামও। সেখানে ৭০টি মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। এর মধ্যে রয়েছে কুতুব মিনার, আলাউদ্দিন খিলজির মাকবাবা, সিকান্দর লোধির সুন্দর বুর্জ মাকবারা, খিড়কি মসজিদ এবং রাজিয়া সুলতানের মাকবারাও।

    আরও পড়ুন :মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা দাসত্বের নিদর্শন, বলেছিলেন গান্ধীজি

    এই তালিকা প্রকাশের ঠিক একদিন আগেই সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে। ওই পিটিশনে ১০০ বছর বা তারও বেশি পুরনো মসজিদগুলি সার্ভে করার দাবি জানানো হয়েছে। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ (সাংবিধানিক প্রতিকারের অধিকার) এর অধীনে দায়ের করা রিট পিটিশনে বিতর্কিত সম্পত্তি সুরক্ষিত রাখার নির্দেশিকা এবং নির্দেশনা জারির আবেদনও জানানো হয়েছে। পিটিশনে বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধারের উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ওই জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে এতদিন লোকজন ওজু করত। আবেদনকারীদের মতে, এই ধরনের অভ্যাস হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী কোটি কোটি হিন্দুর পক্ষে সম্পূর্ণ অবমাননাকর।

     

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মামলার (gyanvapi case) পরবর্তী শুনানি হবে ৪ জুলাই। বিচারপ্রার্থীরা তাঁদের দাবির স্বপক্ষে ৮০ বছরের পুরনো একটি মামলার রায়কে হাতিয়ার করছেন। ১৯৪২ সালে ওই রায়ে দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বাদী ও বিবাদী— দু’পক্ষই তাদের নিজ নিজ যুক্তি সমর্থনে ওই রায়ের বিভিন্ন অংশকে তুলে ধরছেন।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরের বাইরের দেওয়ালে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। তাঁদের দাবি, ১৯৩৭ সালে সাক্ষীদের বক্তব্য প্রমাণ করে যে বিতর্কিত প্রাঙ্গণে হিন্দু দেবতার মূর্তি পুজো করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    জ্ঞানবাপী মসজিদটি পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। এই কমিটি মহিলাদের দ্বারা দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের যুক্তি, আদালত ঘোষণা করেছে যে মসজিদটি যে জমিতে গড়ে উঠেছে, সেটি ওয়াকফ সম্পত্তি। ‘রাখি সিং বনাম উত্তরপ্রদেশ’ দেওয়ানি মামলায় ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে আদালত বলেছে যে মসজিদের সম্পত্তিটি ওয়াকফ সম্পত্তি নয়।

    মামলাকারীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও মুসলিমপক্ষের দাবি, ওই জায়গায় মসজিদ ছিল অনেক আগে থেকেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    বর্তমান দেওয়ানি মামলায় আবেদনকারীরা ন’টি বিবৃতি তালিকাভুক্ত করেছেন। তারই একটি হল, ১৯৩৭ সালে দায়ের হওয়া “দীন মহম্মদ ও অন্যান্য বনাম সেক্রেটারি অফ স্টেট” মামলা। বর্তমান আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, ১৯৩৭ সালে মামলার সাক্ষীরা প্রমাণ করেছেন যে মা শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দেবতার ছবি এবং প্রতিদিনের পুজোর অনুষ্ঠান হত একই জায়গায়।

    তাঁদের আরও যুক্তি, এই বিবৃতি মুসলিমদের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। কিন্তু, হাইকোর্ট ১৯৪২ সালের রায়ে বলেছিল, যে কিছু সাক্ষী শ্রদ্ধেয় ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু, তাঁদের নির্দিষ্ট অভিপ্রায় ছিল। উপরন্তু, তাঁরা কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি।

    অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, সাক্ষীদের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর এখন নির্ভর করা যায় না। পাশাপাশি, তাদের আরও দাবি ছিল, মসজিদ চত্বরও যে জমিতে রয়েছে সেটিও ওয়াকফ সম্পত্তি। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছিল।

    ১৯৪২ সালের ওই রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিভিল জজ এই মসজিদের ইতিহাস ঘেঁটে দেখেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মসজিদটি একটি হিন্দু মন্দিরের জায়গায় নির্মিত হয়েছিল। যে মন্দির সপ্তদশ শতাব্দীতে ভেঙে দিয়েছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব। তাই মসজিদের উৎপত্তির প্রশ্নে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। 

  • Gyanvapi Mosque: ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Gyanvapi Mosque: ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মামলায় ধাক্কা খেল আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। বারাণসী (Varanasi) দায়রা আদালতের নির্দেশে হওয়া সমীক্ষার (videography survey) কাজ রদ করতে এবং মামলাটি বারাণসী থেকে সরিয়ে নিতে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme court) আবেদন করেছিল মসজিদ কমিটি। 

    এদিন কোনও আবেদনই গ্রাহ্য করল না সুপ্রিম কোর্ট। একদিকে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি  সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি পিএস নরসিমহাকে নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ যেমন জানিয়ে দিল সমীক্ষার কাজ চলবে। তেমনই মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হল বারাণসীর জেলা আদালতে। আবেদনকারী মসজিদ কমিটির দাবি ছিল, সমীক্ষার নির্দেশে ১৯৯১ সালে তৈরি উপাসনাস্থল আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই সমীক্ষার কাজ বন্ধ করা হোক। 

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “এক মুহূর্তের জন্য মন্দির-মসজিদ বিবাদ দূরে সরিয়ে রেখে ভাবুন। ধর্মস্থলের মিশ্র চরিত্র নতুন কিছু নয়।” আদালত তার পর্যবেক্ষণে আরও বলে, “একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় কাঠামোর উপস্থিতি ধর্মীয়স্থলের চরিত্র পরিবর্তন করবে না। শুধুমাত্র নামাজের মাধ্যমে জ্ঞানবাপী মন্দিরকে মসজিদে পরিবর্তন করা হবে না। তাই এক্ষেত্রে সমীক্ষার নির্দেশ উক্ত আইনের আওতায় পড়বে না।

    আবেদনকারী চাইছিল, মামলা বারাণসী থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু, এদিন শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, বারাণসী দায়রা আদালত মসজিদ চত্বরে সমীক্ষার যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে কোনওপ্রকার হস্তক্ষেপ করবে না তারা। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সমীক্ষা করা যাবে কিন্তু কোনো রিপোর্ট ফাঁস করা যাবে না। 

    আরও পড়ুন: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    এত দিন জ্ঞানবাপী মামলাটি ছিল বারাণসী দায়রা আদালতে। শুক্রবার জেলা আদালতকে মামলা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘এমন স্পর্শকাতর মামলার শুনানির জন্য আরও অভিজ্ঞ ও সিনিয়র বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের প্রয়োজন।’’ একইসঙ্গে বেঞ্চ জানিয়েছে, আপাতত সিল থাকবে মসজিদের ওজুখানা। তবে নমাজপাঠ করতে যাঁরা আসবেন, তাঁদের জন্য অন্য ব্যবস্থা করে দিত হবে। 

    ইতিহাস সাক্ষী আছে, অযোধ্যা মামলাও (Ayodhya case) নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত হয়ে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত পৌঁছেছিল। বিষয়টির নিষ্পত্তি হতে সময় লেগেছিল বেশ কয়েক দশক। এখন জ্ঞানবাপী মসজিদের ক্ষেত্রে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটে কি না সেটাই দেখার।

    আরও পড়ুন: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

  • RSS on Gyanvapi issue: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    RSS on Gyanvapi issue: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সত্যকে কখনও লুকিয়ে রাখা যায় না। সময় এসেছে ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সমাজের সামনে নিয়ে আসার। বুধবার একথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর(sunil ambekar)। বারাণসীতে জ্ঞানবাপী মসজিদের(Gyanvapi mosque) ওজুখানার জলাধারে ‘শিবলিঙ্গে’র(shivling) অস্তিত্ব মিলেছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। এই আবহে আরএসএসের প্রচার প্রধানের এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিন দেবঋষি নারদ পত্রকার সম্মান সমারোহ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন আম্বেকর। সেখানেই তিনি বলেন, জ্ঞানবাপী সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসছে। আমি বিশ্বাস করি, তাদের বেরিয়ে আসতে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, যাই হোক না কেন, সত্য সর্বদা একটি মুক্তির পথ খুঁজে পায়। তাঁর প্রশ্ন, কতদিন লুকিয়ে রাখতে পারবেন? আম্বেকর বলেন, আমি বিশ্বাস করি এটাই সময় যে আমরা ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করি।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যার পর কাশী? জ্ঞানবাপী নীতি ঠিক করতে বৈঠকে ভিএইচপি

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(kashi Viswanath temple) চত্বরে রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়া হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির দাবি। যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির ছিল। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি তাঁদের। হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষের বিবাদ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে তিন দিন ধরে মসজিদ চত্বরে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। প্রথম দিন মন্দির কমপ্লেক্সে ভিডিওগ্রাফিতে বাধা দেয় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ। আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অ্যাডভোকেট কমিশনার অজয় কুমার মিশ্রের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন তাঁরা। এর পরেই বন্ধ হয়ে যায় ভিডিওগ্রাফির কাজ। পরে ফের শুরু হয়। তিনদিন চলার পর কাজ শেষ হয় সোমবার।

    এর পরেই মামলায় হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্য দাবি করেন, ভিডিওগ্রাফি করতে গিয়ে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত সংস্থা একটি শিবলিঙ্গ খুঁজে পেয়েছে। মন্দিরের অস্তিত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। এর পরেই মসজিদ সংলগ্ন ওজুখানার জলাধারটিতে কড়া প্রহরার নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা যাতে নির্বিঘ্নে নমাজ পড়তে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে সমাজের সামনে নিয়ে আসার দাবি জানালেন আরএসএসের প্রচার-প্রমুখ। 

            

  • Shahi Idgah mosque: ভগবান কৃষ্ণের জন্মস্থান, নমাজ পড়া বন্ধের দাবি উঠল মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদে

    Shahi Idgah mosque: ভগবান কৃষ্ণের জন্মস্থান, নমাজ পড়া বন্ধের দাবি উঠল মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (Gyanvapi mosque) নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মন্দিরনগরী মথুরার (Mathura) শাহি ইদগাহ (Shahi Idgah Mosque) মসজিদে নমাজ পড়া বন্ধের আর্জি জানাল আইনজীবী এবং আইন পাঠরত ছাত্রদের একাংশ। আদালতে তাঁদের আবেদন, অতি সত্বর যেন শাহি ইদগাহ মসজিদে নমাজ পড়তে আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। হিন্দুত্বের প্রমাণ নষ্ট করা হতে পারে এই আশঙ্কায় মসজিদ চত্বর সিল করে দেওয়ার দাবিও তোলা হয়।

    আবেদনকারীদের দাবি শাহি ইদগাহ মসজিদ আসলে কৃষ্ণের জন্মস্থান। ওই স্থানে একটি প্রাচীন মন্দির ছিল। আবেদনকারী এক আইনজীবী শৈলেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘‘মসজিদের এই কাঠামো একটি হিন্দু মন্দিরের অবশিষ্টাংশের উপর তৈরি হয়েছে। এটি একটি মন্দির এবং এই কাঠামোর উপর মসজিদ হওয়ার কোনও যোগ্যতা নেই।’’হিন্দুত্ববাদী ওই সংগঠনের দাবি, ইদগাহের ১৩.৩৭ একর জমি মন্দিরের।

    হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি অনেক দিন ধরেই  দাবি জানিয়ে আসছে, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কৃষ্ণ মন্দিরের একাংশ ধ্বংস করে সেখানে তৈরি করেছিলেন ওই মসজিদ। ফলে ওই মসজিদ সরিয়ে দিতে হবে। এর আগেও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন মথুরার আদালতে মসজিদ সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ১০টি পিটিশন দাখিল করেছিল। এই মসজিদ লাগোয়া কৃষ্ণের একটি মন্দিরও রয়েছে। মন্দিরের নাম কাটরা কেশব দেব মন্দির।

    শুধু নমাজ বন্ধ নয়, মঙ্গলবার হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষ থেকে মথুরা আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে, জ্ঞানবাপী মসজিদের মতোই শাহী ঈদগাহেও রয়েছে ‘হিন্দুত্বের প্রমাণ’। সেগুলোর সমীক্ষা এবং ভিডিওগ্রাফির দাবিতে ইতোমধ্যেই একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে ইলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেই মামলার রায় ঘোষণার আগেই ঈদগাহ থেকে ‘হিন্দুত্বের প্রমাণ’ নষ্ট করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তাই অবিলম্বে পুরো চত্বরটি সিল করারও আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে। আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মহেন্দ্রপ্রতাপ সিংহ বলেন, “কাশীর তথাকথিত জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে সমীক্ষা এবং ভিডিওগ্রাফির প্রাথমিক রিপোর্ট দেখার পরে সোমবার আদালত ‘মা শৃঙ্গার গৌরিস্থল’ (মসজিদের ওজুখানা এবং তহখানা এলাকা) সিল করার নির্দেশ দিয়েছে। সেখানে প্রাচীন শিবলিঙ্গের সন্ধান মিলেছে। আমাদের আশঙ্কা, মথুরার শাহী ঈদগাহ থেকে এবার এমন ঐতিহাসিক প্রমাণগুলো নষ্ট করে ফেলার চেষ্টা হবে। “এই মামলায় পরবর্তী শুনানি জুলাই মাসের ১ তারিখ।

LinkedIn
Share