Tag: Gyanvapi mosque

Gyanvapi mosque

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ওজুখানার জলাধারে  নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে জেলাশাসককে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। ওই জলাধারে শিবলিঙ্গ (Shivling) মিলেছে বলে দাবি। সেই কারণেই জলাধারে নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ।

    উত্তর প্রদেশ (Uttar Pradesh)  সরকারের পক্ষে এদিন সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবি জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। তিনি বলেন, বেঞ্চ উজুখানা এলাকাটি সিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে শিবলিঙ্গ রয়েছে। তুষার বলেন, যদি ওই জলাধারে মুসলমানদের অজু করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে হাত-পা-মুখ ধোয়া হবে। কেউ শিবলিঙ্গে পা রাখতেই পারেন। তাতে আইন-শৃঙ্খলার গুরুতর সমস্যা হবে। মসজিদের অন্য কোনও এলাকায় অবশ্য অজু করা যেতে পারে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kasi Viswanath Temple) লাগোয়া জমিতেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠীর দাবি, বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই ঔরঙ্গজেবের রাজত্বে গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি একটি সম্প্রদায়ের। হিন্দুদের একাংশের দাবি, পরে রানি অহল্যাবাই বর্তমান মন্দিরটি স্থাপন করেন। হিন্দু সংগঠনের এও দাবি, যেখানে এখন মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন।

    মন্দির-মসজিদ বিবাদের(mosque temple controvercy) নিষ্পত্তি করতে মসজিদে ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেওয়া হয় আদালত নিযুক্ত বিশেষ কমিশনকে। ভিডিওগ্রাফি চলাকালীন একটি পক্ষের দাবি, ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ মিলেছে। হিন্দুদের একটি সংগঠনের দাবি, ওই ওজুখানা ও সংলগ্ন এলাকা আদতে শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। এর পরেই ওজুখানার কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বারাণসীর জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি সিআরপিএফের একজন কমান্ডান্ট(সুপার) স্তরের আধিকারিককে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন : অ্যাডভোকেট কমিশনারকে সরাল সুপ্রিম কোর্ট, রিপোর্ট জমা করতে দু’দিন সময় কমিশনকে

    তবে বিচারক চন্দ্রচূড় ও নরসিমার বেঞ্চ জানায়, ওজুখানার জলাধার ব্যবহার করা না গেলেও, নমাজ পড়ায় কোনও বাধা নেই। মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা নির্দিষ্ট সময়েই গিয়ে নমাজ পড়তে পারবেন। অন্যান্য ধর্মীয় রীতিও পালন করতে পারবেন তাঁরা।

    হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করলেও, মসজিদ কমিটির দাবি, জলাধারে(pond) রয়েছে পুরানো একটি ফোয়ারা। তবে যাই হোক না কেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই ওজুখানার ওই জলাধারে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে।

     

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi mosque) যে শিবলিঙ্গটি (shivling) পাওয়া গিয়েছে, সেটি ভগবান বিশ্বেশ্বরের। মসজিদের ভিতরে শিবলিঙ্গের পুজো হত। পুজো বন্ধ করে দিয়েছিল মুলায়ম সিং যাদবের সরকার। সংবাদমাধ্যমের সামনে বিস্ফোরক দাবি কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (kashi viswanath temple) প্রধান মহন্ত কুলপতি তিওয়ারির। বিশ্বেশ্বরের মূর্তির পুজোর অধিকারও দাবি করেন তিনি। প্রধান মহন্ত বলেন, আগে মসজিদ চত্বরে সন্ন্যাসিনীরা বসতেন। এটিও একটি বড় প্রমাণ। সত্য বেরিয়ে আসা উচিত বলেও মনে করেন মোহন্ত।   

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া চত্বরে রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙেই মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। গড়ে ওঠে মসজিদ। পরে রানি অহল্যাবাই বিশ্বেশ্বরের মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন। মন্দিরের সামনে যে নন্দীর মূর্তি রয়েছে, সেটি মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দিয়েছিলেন নেপালের রানা, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে।

    মন্দির-মসজিদ বিবাদ (temple mosque controversy) গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে হয় তিনদিন ব্যাপী ভিডিওগ্রাফির কাজ। ওই সময় সোহন লাল আর্য নামে এক ব্যাক্তি দাবি করেন মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ মিলেছে। তার পরেই আদালতের নির্দেশে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় মসজিদ চত্বরে। যদিও মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, ওজুখানার জলাধারে যা পাওয়া গিয়েছে, সেটি একটি পুরানো ঝর্না, শিবলিঙ্গ নয়।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপীর ৫ মামলাকারী লক্ষ্মী, সীতা, রেখা, মঞ্জু আর রাখিকে চেনেন?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান মহন্ত দাবি করেন, শৃঙ্গার গৌরীর মন্দিরে অনাদিকাল থেকেই একটি শিবলিঙ্গ ছিল। প্রাচীরের উত্তর দিকে জ্ঞানবাপী কূপ রয়েছে। এরই পশ্চিমে বহু আগে থেকেই রয়েছে নন্দী। তিনি বলেন, মন্দিরের উত্তর দিকের দেওয়ালের পিছনে তিনটি দোকান ছিল। সেখানে একজন চা বিক্রেতা এবং একজন মুসলিম মহিলা থাকতেন। তিনি চুড়ি বিক্রি করতেন। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আক্রমণের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সেই সময় মহন্ত পান্না শিবলিঙ্গ নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ দেন। তাঁর দাবি, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে ফোয়ারা নয়, ওই শিবলিঙ্গই রয়েছে। এই শিবলিঙ্গের নিত্য পুজোর অধিকারও দাবি করেন প্রধান মহন্ত।

     

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বাংসাবশেষ। ঘণ্টার মতো হিন্দু (hindu) মোটিফও মিলেছে। বেসমেন্টের স্তম্ভে কলস, ফুল ও ত্রিশূল দৃশ্যমান ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ কমপ্লেক্সের ভিডিওগ্রাফির সমীক্ষার দুটি প্রতিবেদনে।

    বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (kashi Viswanath temple) একাংশ ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই তা হয়েছিল বলে ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার অনূদিত একটি বইয়ে দাবি করা হয়েছে। এমতাবস্থায় মসজিদ কমপ্লেক্সে ঘণ্টা, ফুল, কলস ও ত্রিশূলের খবর প্রকাশ্যে আসায় স্বভাবতই খুশি হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কের জল গড়ায় আদালত পর্যন্ত। তার পরেই আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে শুরু হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। প্রথমে মসজিদের ভিতরে ভিডিওগ্রাফিতে আপত্তি জানায় মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরে আদালতের নির্দেশে শুরু হয় তিনদিন ব্যাপী সমীক্ষার কাজ। সমীক্ষার কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য আইনজীবী অজয় কুমার মিশ্রকে অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগ করে আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। পরে অবশ্য তথ্য ফাঁসের অভিযোগে কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর ফের তিনদিন ধরে সমীক্ষার কাজ চলে মসজিদের ভিতরে। অতিরিক্ত তথ্য ও নথি রেকর্ডে আনার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অ্যাডভোকেট বিষ্ণু শঙ্কর জৈন। তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট কমিশনের দায়ের করা রিপোর্টের পরে এটা স্পষ্ট যে বিতর্কিত কাঠামোর মধ্যে হিন্দুধর্মীয় চরিত্র রয়েছে। তিনি বলেন, একটি ধর্মীয় স্থানকে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের জোরপূর্বক দখল নেওয়ায় বদলে যায় না সম্পত্তির প্রকৃতি ও বিদ্যমান দেবতার মালিকানার অধিকার।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    আইনজীবী অজয় কুমার দাবি করেছিলেন, ব্যারিকেডের বাইরে উত্তর ও পশ্চিম দেওয়ালের কোণে পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ ও দেবতার কাঠামো পাওয়া গিয়েছে। একটি ফলকে শেষনাগের নকশা ছিল। দেখা গিয়েছিল পদ্মও। তিনি বলেন, আমার কাজের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছি। প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে সেটি বিবেচনা করা বা না করা আদালতের ব্যাপার।

    সম্প্রতি সহকারি অ্যাডভোকেট কমিশনার অজয় প্রতাপ সিংয়ের উপস্থিতিতে বিশেষ আইনজীবী কমিশনার বিশাল সিং একটি রিপোর্ট জমা দেন আদালতে। লিখিত প্রতিবেদনের পাশাপাশি তিনটি সিল করা বাক্সে প্রমাণ হিসেবে তিনদিন ধরে চলা সমীক্ষার ভিডিও রেকর্ডিংও জমা দিয়েছেন তিনি। বিশাল জানান, প্রতিবেদনটি জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিতরের এলাকা নিয়ে।

    আরও পড়ুন : শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    এদিকে সার্ভে রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন জ্ঞানবাপী মসজিদ পরিচালনা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এসএম ইয়াসিন। তিনি বলেন, প্রতিবেদনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় জ্ঞানবাপী মসজিদ ও কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টেরও এদিকে নজর দেওয়া উচিত। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

     

  • Ujjain mosque: উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    Ujjain mosque: উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদ বদলে গেল মন্দিরে! মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে (Ujjain) একটি মসজিদের  শিব (Lord Shiva) ও গণেশের (Lord Ganesha) মূর্তি রয়েছে বলে দাবি উঠেছিল দিনকয়েক আগে। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। এবার প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (archaeological department) নিশ্চিত করে জানাল, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, এক সময় সেখানেই ছিল হিন্দু দেবতা শিবের মন্দির (Shiva temple)। প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের এই ঘোষণায় খুশি একাধিক হিন্দু সংগঠন।

    কিছুদিন আগে মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অতুলেশানন্দ জি মহারাজ দাবি করেছিলেন, উজ্জয়িনীর একটি মসজিদে (Ujjain mosque) শিব ও গণেশের মূর্তি রয়েছে। মসজিদটি দানি গেটে অবস্থিত। প্রতিদিন এখানে পাঁচবার নমাজ পাঠ করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। অতুলেশানন্দ মহারাজের দাবি ছিল, ২০০৭ সালে তিনি একবার ওই মসজিদে প্রবেশ করেছিলেন। তখনই দেখেছিলেন, মন্দিরে রয়েছে শিব ও গণেশের ছবি। মূর্তিগুলি রাজা ভোজের সময়কার বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি যে নিছক দাবি নয়, প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের শিলমোহরেই মিলল তার প্রমাণ।

    ঐতিহাসিকদের একাংশের মতে, মুঘল আমলের এদেশের অনেক মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বহু মন্দিরের বিগ্রহ সরিয়ে রূপদান করা হয় মসজিদের। মুসলমান শাসকের আমলে এসব নিয়ে খুব বেশি হইচই হয়নি। হইচই হয়নি স্বাধীনতা-উত্তর কালেও। সম্প্রতি একের পর এক মসজিদ এক সময় হিন্দুদের মন্দির ছিল বলে দাবি হিন্দুদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর। যেমন, আগরার তাজমহল নাকি এক সময় তেজো মহালয়া নামের শিব মন্দির ছিল। ওই স্মৃতিসৌধের বন্ধ থাকা ২০টি কক্ষ খুলে দেওয়ার দাবিও জানায় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

    বিবাদ বেঁধেছে বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়েও। কাশী বিশ্বনাথের মূল মন্দিরটি দু’হাজার বছরেরও বেশি আগে নির্মিত হয়েছিল বলে দাবি করেছেন হিন্দুদের একাধিক সংগঠন। তাদের দাবি, ১৬৬৯ সালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব মন্দিরটি ভেঙে ফেলেন। তার পরেই তৈরি হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque)। এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে এক সময় সেখানেই ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। মন্দির ফেরানোর দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কাশীর একটি হিন্দু সংগঠন।

     

     

  • Qutub Minar:   অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    Qutub Minar: অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির কুতুব মিনার (Qutub minar) চত্বরে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির (hindu jain idols) “আইকনোগ্রাফি” (মূর্তি শিল্পের অধ্যয়ন) করার বিবেচনা করার কথা ভাবছে সংস্কৃতি মন্ত্রক। সোমবার একথা জানান মন্ত্রকের এক প্রবীণ আধিকারিক। তিনি বলেন, কুতুব মিনার চত্বরে খনন কিংবা সেখানে কোনও ধর্মীয় অনুশীলন বন্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। তবে “অসম্মানজনক স্থানে”র কারণে কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদে পাওয়া দুটি গণেশ মূর্তিগুলি সরিয়ে ফেলা হবে বলেও জানা গিয়েছে। ওই আধিকারিক জানান, মূর্তিগুলির মধ্যে কয়েকটিকে প্রদর্শন করা যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করছে মন্ত্রণালয়। তবে সেগুলিকে পুনঃস্থাপন বা অন্য কোথাও স্থানান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    সম্প্রতি সংস্কৃতি মন্ত্রক ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগকে (ASI) কুতুব মিনার চত্বরে খননকার্য চালানোর নির্দেশ দিয়েছে বলে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবরটির যে কোনও সারবত্তা নেই, তা জানিয়ে দিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি। মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, এএসআই সম্প্রতি ওই স্থানে প্রার্থনা বন্ধ করার জন্য কোনও আবেদন করেনি।

    শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, আইএসআইয়ের দ্বারা কোনও স্থাপত্য অধিগ্রহণ করার সময় যাঁরা সেই জায়গায় উপাসনা করতেন, তাঁদের সেই অনুমতি দেওয়া হবে। তবে আইএসআই অধিগ্রহণ করার আগে পর্যন্ত কোনও সম্প্রদায় যদি উপাসনা না করে তবে তাঁদের নতুন করে আর উপাসনার অনুমতি দেওয়া হবে না। তাঁরা জানান, আইএসআই ওই স্থানে প্রার্থনা বন্ধ করার ব্যাপারে এখনও অবধি কোনও আবেদন করেনি।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) বিতর্কের অবসান এখনও হয়নি। মামলাটি আদালতের বিচারাধীন। সম্প্রতি শুরু হয়েছে মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদকে (Shahi Idgah mosque) ঘিরে বিতর্কও। এই আবহেই মাথাচাড়া দিয়েছে কুতুব মিনার। তবে কুতুব মিনারকে ঘিরে বিতর্ক এই প্রথম নয়। এর আগেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র বিনোদ বনশল দাবি করেছিলেন, কুতুব মিনারের প্রকৃত নাম বিষ্ণুস্তম্ভ। ২৭টি হিন্দু ও জৈন মন্দিরের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে এই মিনার গড়া হয়েছে। মিনারের নাম পরিবর্তন করে বিষ্ণু স্তম্ভ করার দাবি জানিয়ে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। হিন্দুদের একটি সংগঠনের আবার দাবি, কুতুব মিনার কুতুবউদ্দিন আইবকের আমলে তৈরি হয়নি। এটি তৈরি করিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

     

  • Gyanvapi mosque: মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    Gyanvapi mosque: মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দির ধ্বংস করেই মসজিদ গড়ে উঠেছিল! সাকি মুস্তাইদ খানের লেখা ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) শাসনের বিবরণ সম্বলিত একটি বই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, স্বয়ং মুঘল সম্রাটের নির্দেশেই ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়েছিল কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (kashi Vishwanath temple) একাংশ। বইটিতে দাবি করা হয়েছে, ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য বিধর্মীদের স্কুল ও মন্দির ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন ঔরঙ্গজেব নিজেই।

    জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিডিও সমীক্ষার রিপোর্ট চলতি সপ্তাহেই বারাণসী আদালতে জমা করেছেন আদালত-নিযুক্ত বিশেষ সহকারী কমিশনার। মসজিদের বাইরের দেওয়ালে অবস্থিত হিন্দু দেবদেবীর মূর্তির পুজো করার অনুমতি চেয়ে দায়রা আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন পাঁচ স্থানীয় মহিলা। সেই আবেদনের ভিত্তিতে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দেয় আদালত।

    এই প্রেক্ষিতে, কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের তরফে দাবি করা হয় যে, কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরের (Kashi Viswanath Temple) একাংশ ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) গড়ে তোলা হয়েছে। ঠিক যেমন মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তেমনভাবেই ভিডিও সমীক্ষায় মসজিদের ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গ মিলেছে বলে দাবি উঠেছে। সোহন লাল আর্য নামে এক হিন্দু শিবলিঙ্গ মেলার দাবি জানাতেই ওজুখানার জলাশয়ে কড়া পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে আদালতের নির্দেশে। যদিও মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, জলাশয়ে রয়েছে পুরানো একটি ফোয়ারা।

    বৃহস্পতিবার মসজিদ চত্বরে শেষনাগের ফনাওলা পাথরের ভাস্কর্যও মিলেছে বলে দাবি করেন আইনজীবী অজয় কুমার মিশ্রে। এই অজয় কুমার ছিলেন অ্যাডভোকেট কমিশনার। তথ্য প্রকাশ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন : শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    এমন আবহেই প্রকাশ্যে এল একটি ইতিহাস বই। ফরাসি ভাষায় লেখা “মসীর-ই-আলমগিরি” বইটির লেখক সাকি মুস্তাইদ খান। ব্রিটিশ আমলে বইটির অনুবাদ করেছিলেন ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার। এই বইতেই মন্দির ধ্বংসের স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে।

    বইটি লেখা হয়েছিল দুটি অংশে। একটি অংশ ঔরঙ্গজেব জীবিত থাকাকালীন। আর বাকি অংশটি লেখা হয়েছিল সম্রাটের মৃত্যুর পর। বইয়ে দাবি করা হয়েছে, ১৬৬৯ সালের ৪ এপ্রিল সম্রাট বেনারসে (বর্তমানে বারাণসী) গিয়ে “অবিশ্বাসীদের” শিক্ষা সম্পর্কে জানতে পারেন। তার পরেই মন্দির ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    বইটির একাংশ তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “বিশ্বাসের পালনকর্তা জানতে পারলেন যে, তেট্টা, মুলতান প্রদেশে এবং বিশেষ করে বেনারসে ব্রাহ্মণ অবিশ্বাসীরা তাদের প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ে তাদের মিথ্যা বই পড়াতেন এবং হিন্দু-মুসলিম উভয়ের ভক্ত ও ছাত্ররা দূরদুরান্ত থেকে এখানে আসতেন। বিপথগামী পুরুষরা এই জঘন্য শিক্ষা অর্জনের জন্য আসতেন।”

    বইয়ে আরও লেখা হয়েছে, “ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য উন্মুখ সম্রাট সমস্ত প্রদেশের গভর্নরকে আদেশ দেন বিধর্মীদের স্কুল ও মন্দির ভেঙে ফেলার এবং একইসঙ্গে এই অবিশ্বাসীদের ধর্মের শিক্ষা ও বিশ্বাসকে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে নিঃশেষ করার জন্য।”  

    আরও পড়ুন : ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

     

  • Qutub Minar: খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    Qutub Minar: খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুতুব মিনার (Qutub Minar) চত্বরে খননকার্যের কোনও নির্দেশ দেয়নি সরকার, এ নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী (Ministry of Culture) জি কিষাণ রেড্ডি (G Kishan Reddy)। রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, কুতুব মিনারের খনন কাজ শুরু হবে- এজাতীয় কোনও নির্দেশ এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার দেয়নি। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এমন কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি, বলে জানান তিনি। 

    প্রসঙ্গত, জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। সম্প্রতি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (ASI) প্রাক্তন কর্তা দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছে এমন অনেক তথ্য প্রমাণ রয়েছে যা দেখে তিনি নিশ্চিত এটি রাজা বিক্রামাদিত্য তৈরি করেছিলেন। তাঁর অভিমত, কুতুব উদ্দিন আইবকের নির্দেশে কুতুব মিনার তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। রাজা বিক্রমাদিত্য সূর্যের গতিবিধি নিয়ে চর্চার জন্য এই মিনার তৈরি করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    পাশাপাশি আরও অনেকে দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদ, বা মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদের (Shahi Idgah mosque) মতোই কুতুব মিনারের মধ্যেও হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে।  বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কুতুব মিনার আসলে বিষ্ণু মিনার। হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীরা এই মিনার নির্মাণ করেছিল। তাই সত্য অনুসন্ধানের জন্য  কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকায় খননকার্য চালানোর দাবিও জানিয়েছে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। 

    এ প্রসঙ্গে শনিবার এএসআইকে সংস্কৃতি মন্ত্রক তাদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনও করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব গোপিন্দ মোহন। শনিবার কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিন ইতিহাসবিদ ও চার এএসআই কর্তা। তাঁরা এ নিয়ে তাঁদের অভিমত জানাবেন। তবে খননকার্য নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি মন্ত্রক। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কুতুব মিনারের খনন কার্য ১৯৯১ সালের পর থেকে আর করা হয়নি।

  • Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ(shivlings) পাওয়া যেতে পারে। মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী সুদিন ধাবলিকর(sudin dhavalikar)। সোমবারই বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের(Gyanvapi mosjid) ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন। তার পরেই এই দাবি জানালেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এলাকায় রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। প্রতিদিন এই মন্দিরে নমাজও পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, এক সময় এখানেই ছিল শৃঙ্গার গৌরীদেবীর মন্দির। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়। সোমবার এই মসজিদের ওজুখানার জলাধারেই শিবলিঙ্গ মেলে বলে খবর। এদিন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যে মন্দিরগুলি ভেঙে ফেলা হয়েছিল সেই জায়গায় এই ধরনের শিবলিঙ্গ থাকতে পারে। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বিভাগকে তা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ মিলতে পারে।বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে ‘শিবলিঙ্গ আবিষ্কারে’র খবরে বিতর্ক শুরু হয়েছে গোটা দেশে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে কাশীতে মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছিল। তাই শিবলিঙ্গ পাওয়া যাওয়ার খবর নিছক অমূলক নয়। যদিও মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ ওখানেই রয়েছে সুদীর্ঘকাল। প্রতিদিন নমাজও পড়া হচ্ছে। তাদের দাবি, সেই কারণেই বিতর্কের অবকাশ নেই।

    গোয়ায় ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। সেই সরকারেরই মন্ত্রী ধাভালিকার। তিনি জানান, গোয়ায় পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ধ্বংস হওয়া মন্দিরগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ধাভালিকার এও বলেন, এই সব মন্দির পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কের অবসান ঘটেছে বছর কয়েক আগে। রামলালার জন্মস্থলেই গড়ে উঠছে মন্দির। অন্যত্র জমি দেওয়া হয়েছে বাবরি মসজিদ কমিটিকে। তার পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রার্থনাস্থলে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে মন্দিরের দাবি। তাজমহল(Tajmahal) এক সময় শিবের(Lord Shiva) মন্দির ছিল বলে দাবি হিন্দুদের কারও কারও। মথুরায় শাহি ইদগাহ মসজিদ এলাকাটি আসলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। এহেন আবহে গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রীর(power minister) দাবি তাৎপর্যপূর্ণ বই কি! 

    আরও পড়ুন : কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই

     

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন যেখানে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) রয়েছে, সেখানে এক সময় মন্দির ছিল। ১৯৩৬ সালের একটি হলফনামায় এই তথ্য মিলেছে। জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরেই ছিল হিন্দু উপাসনার স্থান।

    হলফনামা অনুযায়ী, মসজিদের পূর্বদিকে অবস্থিত পিপুল গাছের নীচে আমরা গঙ্গেশ্বরের পুজো করি। এরপর আমরা রাধাকৃষ্ণের মূর্তি পুজো করি। ভিয়াস যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়িতে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে আমরা আবার প্রাঙ্গনে আসি। গৌরীশঙ্কর নামে পরিচিত শিব এবং দশরথের যুগল মূর্তিও পুজো করি।  

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    পিটিশনের একটি অংশে লেখা, এর পরে আমরা গৌরী শঙ্করের মূর্তির কাছে তারকেশ্বর, তার পরে নন্দ কেশবস, তারপর মহাকালেশ্বর চবুতরের ওপর দক্ষিণ-পূর্ব কোণে পিপুল গাছের নীচে, তারপর জ্ঞানবাপী কূপ, তার পর মাদাদি পঞ্চ বিনায়ক নামে পরিচিত গণেশজির পুজো করি। তারপর তৃতীয় পিপুল গাছের নীচে মহেশ্বর, তারপরে মুক্তেশ্বর যা দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি লুকানো জায়গা, তারপরে আমরা শ্রীঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো করি…।

    আরও পড়ুন : মুসলমানরা আগে হিন্দু ছিলেন! আরএসএসের অনুষ্ঠানে দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    সিভিল মামলায় এই এলাকাটি ওয়াকফ (Wakf) সম্পত্তির অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। মামলার বাদী পক্ষ জানায়, মন্দিরের জমিতে তৈরি করা কোনও কাঠামোকে মসজিদ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তারা ভারতে মুসলমান শাসনের শুরুর অনেক আগে থেকেই প্রাঙ্গনে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তি ও মন্দিরের উল্লেখ করেছে। ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকারও নোটে উল্লেখ করেছিল, অমুসলিমরাও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ওই জমি ব্যবহার করছে।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    সোমবার বারাণসী জেলা আদালতে (Varanasi district court) শুনানি শেষ হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi Viswanath temple)-জ্ঞানবাপী মসজিদ  মামলার। আজ, মঙ্গলবার পর্যন্ত রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

    প্রসঙ্গত, কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরে রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মসজিদ কমিটির দাবি, দীর্ঘকাল মসজিদটি এই এলাকায়ই রয়েছে। যদিও হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছে। পরে রানি অহল্যাবাই বিশ্বনাথের মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন। সম্প্রতি মসজিদ এলাকায় ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। সোহন লাল আর্য নামে এক ব্যক্তির দাবি, ভিডিওগ্রাফি সমীক্ষা (Videography survey) করার সময় মসজিদের ওজুখানার (Wuzukhana) জলাধারে শিবলিঙ্গ (Shivling) মিলেছে। তার পরেই ওজুখানা সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

     

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) মিলল ‘শিবলিঙ্গ’ (Shivling)। অন্তত এমনই দাবি হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্যের। তাঁর দাবি, এই মামলায় চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।

    বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) সংলগ্ন জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বহুদিন ধরে চলছে বিতর্ক। বিতর্কের অবসানে গড়া হয় কমিটি। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষমেশ বারাণসী কোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়াকে (ASI) দায়িত্ব দেয়। দিন আগে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি করতে যান আদালত কর্তৃক নিয়োজিত কয়েকজন। মসজিদ কমিটি তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। পরে সুপ্রিম কোর্টে মসজিদ সার্ভের কাজ বন্ধ করার দাবি জানান প্রবীণ আইনজীবি হুজেফা আহমদি। কিন্তু অঞ্জুমান ইনতেজামিয়া মসজিদ কমিটির তরফে করা সেই আবেদন খারিজ করে শীর্ষ আদালত।

    হিন্দু সংগঠনের দাবি, এক সময় ওই এলাকায় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shringar Gauri Temple)। সেখানে পুজোর আবেদনও জানিয়েছিলেন পাঁচ মহিলা। বছর খানেক আগে প্রার্থনার জন্য এলাকাটিতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, ওই চত্বরে আরও দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এপ্রিল মাসে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় বারাণসী আদালত। দিন কয়েক ধরে চলছিল ভিডিও সার্ভের  (Videography survey) কাজ।

    মসজিদ কমিটির বাধার জেরে প্রথমে বন্ধ হয়ে গেলেও ফের শুরু হয় ভিডিওগ্রাফি সার্ভের কাজ। এদিন সেখানে শিবলিঙ্গের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি হিন্দুদের আবেদনকারীর।

    আরও পড়ুন : উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    আর্য বলেন, যে এলাকায় ভিডিও সমীক্ষার কাজ হচ্ছিল, সেখানকার একটি কুয়োয় শিবলিঙ্গ মিলেছে। শিবলিঙ্গটি নন্দীর প্রতীক্ষায় রয়েছে। যে মুহূর্তে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখনই উপস্থিত জনতা হর হর মহাদেব ধ্বনি দিতে থাকে। ঘটনার পরে ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্বনাথ মন্দিরের গায়েই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, বিশ্বেশ্বরের এই মন্দির বিদেশি হানাদারদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকবার। ১৬৬৯ সালে মূল মন্দির দখল করে জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) তৈরি করেন মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। এখনও মসজিদের গায়ে হিন্দু দেবদেবীর প্রতিকৃতি দেখা যায় বলে দাবি হিন্দু সংগঠনের। অষ্টাদশ শতকে হিন্দুদের আবেগকে মান্যতা দিয়ে মসজিদের কাছেই আজকের বিশ্বনাথ মন্দিরটি তৈরি করেন মারাঠা রাজ্য মালওয়ার রানি অহল্যাবাই হোলকর।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

     

LinkedIn
Share