Tag: gym

gym

  • Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় পাঁচটি জিমকে কেন্দ্র করে চলা একটি ইসলাম ধর্মান্তর চক্রের (Mirzapur Gym Conversion Racket) পর্দাফাঁস করেছে পুলিশ। দুই হিন্দু নারী আলাদা আলাদা অভিযোগ (Police) দায়ের করে জানান, মুসলিম জিম প্রশিক্ষকেরা তাঁদের যৌন হয়রান করেছে, অর্থ আদায় করেছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ভাদোহির এক পুলিশ কনস্টেবল ইরশাদ খানও এই ধর্মান্তর চক্রের সঙ্গে জড়িত।

    ফরিদ আহমেদ (Mirzapur Gym Conversion Racket)

     জিআরপি  তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ ‘আয়রণ ফায়ার’ ও ‘কেজিএন ২.০’ নামের জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছিল বলে অভিযোগ। এর আগে মির্জাপুর কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। খারঞ্জা ফলসের কাছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলি গিয়ে লাগে ফরিদের পায়ে। ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মির্জাপুর পুলিশ।

    লাকি আলি খান 

    এদিকে, চক্রটির মূল হোতা আশফাক ওরফে লাকি আলি খান এবং তার ভাই ইমরান খানের বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। একই সঙ্গে পুলিশ দুই ভাইয়ের প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কনস্টেবল ইরশাদ খান অবৈধ তোলাবাজি থেকে অর্জিত অর্থে দামি গাড়ি চালাতেন এবং একাধিক জিমের একটি চেইন গড়ে তুলেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)। অভিযুক্ত মুসলিমদের পরিচালিত জিমে যেসব হিন্দু নারী যেতেন, তাঁদের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘সান্নো’ নামের এক মুসলিম নারীকে (Police)।

    ‘কেরালা স্টোরি’

    একটি তথাকথিত ‘কেরালা স্টোরি’ ধাঁচের ঘটনায়, সান্নো নামের ওই মুসলিম মহিলা চক্রটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করে তাঁদের ফাঁদে ফেলার কাজ করতেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। কোনও ‘শিকার’ যদি একটি জিমে ফাঁদে না পড়তেন, তাহলে তাঁকে ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব ন্যস্ত হত অন্য জিমের হাতে। ইসলামে ধর্মান্তরের লক্ষ্যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম— কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন ৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার সিল করে দিয়েছে, যাতে প্রমাণ লোপাট না করা যায় (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    জেলাশাসকের বক্তব্য 

    জেলাশাসক পবন কুমার গঙ্গওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব জিম পরিচালনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর জিমগুলি সিল করে দেওয়া হয় (Police)। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ শত শত ছবি, ভিডিও ও চ্যাট-সহ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে। পুলিশ এই জিম-কেন্দ্রিক ইসলামি ধর্মান্তর চক্রের আর্থিক লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখছে। কেজিএন ২.০ জিমের মালিক অমিত দুবে জানান, জিমটি এই ধরনের বেআইনি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা তিনি জানতেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই জিমের দামি যন্ত্রপাতি ধর্মান্তরের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে কেনা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাত পর্যন্ত জিমে যাতায়াত ছিল মহিলাদের এবং সেখানে পার্টির আয়োজনও হত (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    মির্জাপুরের পুলিশ সুপার সোমেন ভার্মা বলেন, “এটি কোতওয়ালি দেহাত এলাকার একটি মামলা। দুই মহিলা তাঁদের জিমের মালিক ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক ও অন্যদের বিরুদ্ধে নারীদের শোষণ, তোলাবাজি এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার সব অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, সিটি এএসপি নীতিশ সিং জানান, পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি পরিচালনা করতেন তিন ভাই ও তাঁদের এক জামাই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বহু ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর। মির্জাপুর পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তিনটি জিম সিল করে এবং মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Police)।

    পৃথক অভিযোগ

    কোতওয়ালি দেহাত থানায় পৃথক অভিযোগে দুই হিন্দু মহিলা জানান, মির্জাপুরে জিম ট্রেনার হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও তৈরি করেও ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হয় (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ২০ জানুয়ারি নটওয়ান মিল্লত নগরের বাসিন্দা মহম্মদ শেখ আলি আলম এবং গোসাই তালাব এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জাহির ও শাদাব নামের আরও দু’জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ও আটক সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি সংগঠিত ‘লাভ জেহাদ’ নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল।

    ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত

    অভিযুক্ত জাহির কেজিএন-১ জিমের মালিক। তবে তিনি যুক্ত ছিলেন কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সঙ্গেও। যাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁরা আগে কেজিএন জিমে যেতেন, সেখানেই অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। বি-ফিট জিমে যাওয়া এক অভিযোগকারী জানান, অভিযুক্ত শেখ আলি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। পরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করা হয়। এমনকি তার নামে ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত অভিযুক্তরা (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ভুক্তভোগীর দাবি, শেখ আলি আলম একাধিকবার তাকে বোরখা পরিয়ে ছবি তুলেছে এবং দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তে বাধ্য করেছে। তাকে দরগায় নিয়ে গিয়ে কালমা পড়তে বাধ্য করা হয় এবং জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে শেখ আলি আলম তাঁকে গালিগালাজ করে, অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জিম ট্রেনার ফয়সাল ও তার সহযোগীরাও এই ধর্মান্তর চক্রে যুক্ত।

    ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, এখন পর্যন্ত সিল করা পাঁচটি জিমে প্রায় ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে শোষণ ও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা চলছিল। এখন পুলিশ শুধু অভিযুক্তদের কল ডেটা রেকর্ডই নয়, জিমগুলির অর্থায়নের উৎসও তদন্ত করছে। যদিও জিম ট্রেনারদের বেতন ছিল মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবু তারা দামি ব্র্যান্ডের পোশাক ও জুতো এবং দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।  রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মির্জাপুরের কয়েকজন (Police) প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিও এসব জিমে বিনিয়োগ করেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

     

  • Obesity: কোন দিকে নজর দিলে দ্রুত কমবে ওজন? ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে কী পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Obesity: কোন দিকে নজর দিলে দ্রুত কমবে ওজন? ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে কী পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকের। আবার কেউ কেউ শরীরের অতিরিক্ত ওজনকে (Obesity) বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের ওজনে নজরদারি জরুরি। দুশ্চিন্তা নয়, বরং সতর্কতা দরকার। তবেই বড় বিপদ এড়ানো‌ যাবে। ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে একাধিক কর্মশালায় চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে পারে। হৃদরোগ থেকে কিডনির অসুখ, একাধিক শারীরিক সমস্যায় বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে স্থূলতা। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোন চারটি দিকে বাড়তি নজর দিলেই দ্রুত নিয়ন্ত্রণে থাকবে ওজন? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চারটি বিষয়ে বাড়তি বিশেষ নজরদারি জরুরি। তবেই দ্রুত শরীরের ওজন কমানো যাবে। স্থূলতার সমস্যার সহজে মোকাবিলা করা যাবে।

    সকালে নিয়মিত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো (Obesity)

    তরুণ প্রজন্মের একাংশ মারাত্মক স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন। আর তার অন্যতম কারণ অস্বাস্থ্যকর জীবন‌যাপন। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, স্বাস্থ্যকর জীবন‌যাপন জরুরি। স্থূলতা রুখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর জীবনের অভ্যাস। তাই নিয়মিত অন্তত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো দরকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত সকালে এই দৌড়ানোর অভ্যাস থাকলে দ্রুত শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ক্ষয় হবে। যার জেরে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমবে (Obesity)। পাশপাশি খোলা মাঠে দৌড়লে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীরের পেশি মজবুত হবে। তাই কম বয়সীদের সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত সকালে ঘুম থেকে উঠে অন্তত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ 

    শরীর সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের মধ্যেই এই সচেতনতার অভাব রয়েছে। তাই স্থূলতা থেকে হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা বাড়ছে। স্থূলতার (Obesity) দ্রুত মোকাবিলা করতে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত পরিমাণে মাংস জাতীয় খাবার কিংবা রাসায়নিক দিয়ে প্রিজারভেটিভ দেওয়া খাবার শরীরে স্থূলতার সমস্যাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই স্থূলতা রুখতে হলে পিৎজা, বার্গার, হটডগ কিংবা মটনকারির মতো পদ মেনু থেকে বাদ দিতে হবে।

    সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শারীরিক কসরত (Obesity)

    তরুণ প্রজন্মের অনেকেই কাজের চাপে নিয়মিত শারীরিক কসরত করতে পারেন না। অফিসে ল্যাপটপের সামনে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়। কিন্তু শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শারীরিক কসরত জরুরি। জুম্বা, অ্যারোবিক কিংবা যোগাভ্যাস, যে কোনও ধরনের শারীরিক কসরত করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্থূলতা রুখতে হলে অন্যান্য কাজের মতোই শারীরিক কসরতের জন্য সপ্তাহে কিছু সময় ব্যয় করতে হবে। কিন্তু সেটা হতে হবে নিয়মিত। তাই রুটিন জরুরি। অন্তত তিনদিন নির্দিষ্ট কিছু সময় শারীরিক কসরতের জন্য ব্যয় করতে হবে।

    দিনে একাধিকবার কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার নয়

    শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে লাগাম টানতে হবে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারে। ভাত, রুটি কিংবা আলুর তরকারি কতখানি পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে সেদিকে নজর জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে এনার্জির জোগান বজায় রাখতে দিনে অন্তত একবার ভাত, আলু জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তবে ওজন‌ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে একাধিকবার কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না।‌ তার পরিবর্তে শরীর সুস্থ রাখতে (Obesity) সব্জি, ফল কিংবা ড্রাই ফ্রুটস খেতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Zumba: তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়ছে জুম্বায়! এই শরীরচর্চায় উপকার কতখানি? 

    Zumba: তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়ছে জুম্বায়! এই শরীরচর্চায় উপকার কতখানি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জিমে গিয়ে ভারী ওজন তোলা অনেকের কাছেই কিছুটা একঘেয়ে। যন্ত্রের উপরে একটানা হেঁটে চলাতেও আগ্রহ কমছে।‌ তবে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আর সুস্থ থাকতে শরীরচর্চা জরুরি। তরুণ প্রজন্মের কাছে তাই আগ্রহের শরীরচর্চা হচ্ছে জুম্বা (Zumba)। তরুণ প্রজন্মের একাংশ তাই শরীরচর্চার অংশ হিসেবে জুম্বাকেই বেছে নিচ্ছেন।

    জুম্বা কী? (Zumba)

    জুম্বা এক ধরনের শরীরচর্চা। যদিও দক্ষিণ আমেরিকার এক ধরনের নাচের শৈলী হিসেবেই কয়েক দশক আগে জুম্বার পরিচিতি ছিল। কিন্তু বেশ কিছু রদবদল হয়ে এখন তা মূলত শরীরচর্চার এক ধরন হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে। গানের তালে নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করা হল জুম্বা (Zumba)।

    জিমের থেকে বাড়তি সুবিধা কী? (Zumba)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জিমে একঘেয়েমি মনোভাব তৈরি হয়। কিন্তু জুম্বায় সেটা নেই। জুম্বায় মানসিক চাপ অনেকটাই কমে। কারণ, গানের সঙ্গে এক সাথে অনেকে এই শরীরচর্চা করেন। ফলে, একঘেয়েমি থাকে না।‌ এর ফলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে। অবসাদ কমাতে বাড়তি সাহায্য করে জুম্বা। এই শরীরচর্চায় সৃজনশীলতা রয়েছে‌। তাই অবসাদ কমাতেও এই শরীরচর্চা উপকারী। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়ছে। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই শরীরচর্চা আগ্রহ বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    পাশপাশি জুম্বা রক্তচাপ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হৃদরোগের সমস্যাকে জটিল করে। জুম্বার শরীরচর্চার শৈলী রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এই শরীরচর্চা (Zumba) বিশেষ উপকারী। 
    ওজন কমাতে ও‌ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে এই শরীরচর্চা বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। জুম্বায় খুব দ্রুত ওজন কমে। নিয়মিত জুম্বা করলে অনেকটাই ক্যালোরি বার্ন হয়। পাশাপাশি দেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। কারণ, এই শরীরচর্চায় ওজন কমে, মানসিক অবসাদ কমে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। তাই হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। তার জেরে একাধিক হরমোন ঘটিত সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কাদের জন্য জুম্বা বিশেষ উপকারী? (Zumba)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও বয়সের মানুষ এই শরীরচর্চায় অংশ নিতে পারেন। তবে কম বয়সীদের জন্যই এই অভ্যাস বেশি কার্যকর বলে মনে করেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এই শরীরচর্চা অনেকটাই পরিশ্রমের। একটানা ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় গানের ছন্দে ক্রমাগত শরীরচর্চা চালিয়ে যেতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ের আগে থেমে গেলেই ঠিকমতো শরীরে প্রভাব পড়বে না। তাই কিছু ক্ষেত্রে প্রবীণদের পক্ষে অসুবিধার হতে পারে। 
    তবে কম বয়সীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে জুম্বা (Zumba) অত্যন্ত উপকারী শরীরচর্চা বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Exercise Caution: আপনি কি ‘ফিটনেস ফ্রিক’? অতিরিক্ত শারীরিক কসরত ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

    Exercise Caution: আপনি কি ‘ফিটনেস ফ্রিক’? অতিরিক্ত শারীরিক কসরত ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালে ঘুম ভাঙার পরই হাতে এক গ্লাস প্রোটিন সেক (Protein Shake)! সঙ্গে বাড়ির ট্রেডমিলে (Trademill) আধ ঘণ্টা সময় কাটানো। কিংবা সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে নিয়ম করে জিমে (Gym) যাওয়া। জিম ইনস্ট্রাক্টরের পরামর্শ মতো চলছে স্টেরয়েড! পেশিবহুল শরীরে ক্রমশ মারণ রোগ বাসা বাঁধছে না তো?

    ফিটনেস ফ্রিক…

    সিদ্ধার্থ শুল্কা, সিদ্ধান্ত সূরিয়াবংশীর মতো অভিনেতারা নিয়মিত জিম করতেন। প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েডে অভ্যস্ত ছিলেন। দেখে আপাদমস্তক ‘ফিট’। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁদের বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠও পেরোয়নি। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ‘ফিটনেস ফ্রিক’ (Fitness frick) এখন ট্রেন্ড। নিয়ম মতো জিমে যাওয়াতেই বিষয়টি আটকে নেই। অনেকেই প্রোটিন পাউডার খান। সঙ্গে চলে স্টেরয়েড। সব মিলিয়ে কতখানি স্বাস্থ্য সম্মত এই ‘ফিটনেস ফ্রিক’ জীবন?

    চিকিৎসকদের একাংশ কিন্তু জানাচ্ছেন, এতে বিপদ বাড়ছে। হৃদরোগ চিকিৎসক রবীন চক্রবর্তী বলেন, “নিজের শারীরিক ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা থাকা সবচেয়ে বেশি জরুরি। কোনও বন্ধু জিমে ভর্তি হয়েছে বলেই নিজেকে হতে হবে, এই মানসিকতা থেকে বেরতে হবে। আমি কতখানি কসরত করতে সক্ষম। কতখানি ওজন তুলতে পারবে আমার শরীর, এইগুলো জানা দরকার।” তবে, সবচেয়ে বেশি জরুরি নিজেকে সময় দেওয়া। চিকিৎসক চক্রবর্তীর কথায়, “কোনও কিছু চটজলদি করতে গেলেই বিপদ। আজকে জিমে ভর্তি হয়ে, কালকেই দারুণ পেশিবহুল হয়ে উঠবো, এই ভাবনাই বিপদ ডাকছে। অতিরিক্ত শারীরিক কসরত হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ধীরে ধীরে ওজন তোলার ক্ষমতা বাড়ানো কিংবা ট্রেডমিলে হাঁটার সময় বাড়ানোর অভ্যাস রপ্ত করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অনেকেই অতিরিক্ত শারীরিক কসরত করতে শুরু করেন। ফলে, তখনই শরীর নিতে পারে না। শরীরে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা তৈরি হয়।”

    আরও পড়ুন: বাড়িতেই করা যাবে ডেঙ্গির চিকিৎসা? ট্রিটমেন্ট সম্ভব কীভাবে?

    অতিরিক্ত প্রোটিন পাউডার, স্টেরয়েডে লুকিয়ে বিপদ!

    অতিরিক্ত জিমের পাশাপাশি প্রোটিন পাউডার আর স্টেরয়েড আরও বিপদ বাড়িয়ে তুলছে বলেই মনে করছেন মেডিসিনের চিকিৎসক রাজা ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “শরীরে অতিরিক্ত প্রোটিন ক্ষতিকারক। বিশেষত সেই প্রোটিন যদি কৃত্রিম হয়, তাহলে তো আরও সমস্যা তৈরি করতে পারে। টাটকা ফল, সবজি, মাছ, মাংস থেকে শরীর যেভাবে তার প্রয়োজনীয় উপাদান নেয়, সেটা এই কৃত্রিম পাউডার পূরণ করতে পারে না। বরং এই কৃত্রিম পাউডার লিভার, কিডনির জন্য ক্ষতিকর। তাই দ্রুত শক্তিশালী শরীর তৈরির জন্য নিয়মিত প্রোটিন পাউডারে অভ্যস্ত হলে নানান ক্রনিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও থাকছে।”

    তাছাড়া, অনেকেই নিয়মিত স্টেরয়েড নেন। জিমে অতিরিক্ত কসরতের ফলে পেশিতে টান ধরা কিংবা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। সেই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতেই তাঁরা এমন পেন কিলার খান, যাতে স্টেরয়েড আছে। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ধরণের স্টেরয়েডে নিয়মিত অভ্যস্ত হয়ে পড়ার জেরেই কিন্তু আরও সমস্যা বাড়ছে।

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, যাকে দেখে সম্পূর্ণ সুস্থ ও শারীরিক ভাবে ভীষণ শক্তিশালী মনে হচ্ছে, সেও হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। তার অন্যতম কারণ এই ধরণের স্টেরয়েড দীর্ঘদিন ব্যবহার করা। এতে একদিকে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়। তেমনি চোখ, কিডনি, লিভারের সমস্যা ডেকে আনে।

    চক্ষু রোগ চিকিৎসক দেবাশিস ভট্টাচার্য বলেন, “চিকিৎসক একজন রোগীর অনেক দিক পরীক্ষা করে, তারপরে স্টেরয়েড দেন। কিন্তু অনেক সময়েই জিম ইনস্ট্রাক্টরের সেই সব দিক বিবেচনা করার মতো অভিজ্ঞতা থাকে না। ফলে বিপদ কিন্তু সুদুর প্রসারি। দিনের পর দিন স্টেরয়েডের ব্যবহার অন্ধত্ব পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।”

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিজের শরীর কতখানি পরিশ্রম করতে পারছে, সেটা বিবেচনা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। তারপরে শারীরিক কসরতের সঙ্গে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। তবে, শরীর সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তারা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস কিন্তু শরীরকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখে। শুধু শরীর নয়। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও যোগ অত্যন্ত ভালো বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কৃত্রিম উপাদানের বাইরে নিয়মিত রাস্তায় হাঁটা, মাঠে দৌড়নো আর যোগাভ্যাসও সুস্থ এবং ‘ফিট’ শরীর গড়তে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share