Tag: H3N2

H3N2

  • H3N2: এইচথ্রিএনটু-র আবহেই বাড়ছে করোনার দাপট, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    H3N2: এইচথ্রিএনটু-র আবহেই বাড়ছে করোনার দাপট, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে এইচথ্রিএনটু (H3N2) ইনফ্লুয়ে়ঞ্জার দাপট। এটি হংকং ফ্লু নামেও পরিচিত। এই আবহে দেশের কয়েকটি রাজ্যে বাড়ছে মারণ ভাইরাস করোনার (Covid 19) দাপটও। শনিবার এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে ওই রাজ্যগুলিকে। এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ (Rajesh Bhushan) দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ইনফ্লুয়েঞ্জা-লাইক ইলনেস কিংবা শ্বাসকষ্টজনিত সংক্রমণের ব্যাপারে কড়া নজরদারি চালানোর অনুরোধও করেছেন চিঠি লিখে।

    এইচথ্রিএনটু (H3N2) ইনফ্লুয়ে়ঞ্জার দাপট…

    শুধু তাই নয়, হাসপাতালগুলিতে যাতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত থাকে, সেই ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে। কোভিড ১৯ এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকাকরণ করানোর অনুরোধও করা হয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পাঠানো ওই চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব জানিয়েছেন, যখন কোভিড ১৯ এর প্রদুর্ভাব কমছে, তখন গত কয়েক মাসে করোনা পরীক্ষায় কিছু রাজ্যে পজিটিভ রিপোর্ট মিলেছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যদিও নতুন করে সংক্রমিতের (H3N2) সংখ্যা খুবই কম, এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও কম, তা সত্ত্বেও টিকাকরণের ওপর জোর দিতে হবে বলে জানান রাজেশ ভূষণ। টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিটের মতো ফাইভ ফোল্ড স্ট্র্যাটেজির ওপরও জোর দিতে বলা হয়েছে।

    প্রেস বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, অল্পবয়সি শিশু ও কো-মর্বিডিটি থাকা বয়স্কদের মরশুমি জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মরশুমি জ্বর বেশ কয়েক মাস ধরেই ছড়াচ্ছে। ভারত প্রতি বছর মরশুমি জ্বরের দুটো পর্যায় দেখতে পায়। প্রথমটি জানুয়ারি থেকে মার্চ ও দ্বিতীয়টি বর্ষা পরবর্তী মরশুমে। সেক্ষেত্রে মার্চের পর মরশুমি ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2) সংক্রমণের হার কমবে বলেই আশা করা হচ্ছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে নিয়ে সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বরাদ্দ প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা, তার পরেও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিবের চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এইচওয়ানএনওয়ান, এইচথ্রিএনটু এবং অ্যাডিনো ভাইরাসের কথা। কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ, এই সব ভাইরাসে শিশু এবং বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। জ্বর, সর্দি-কাশি ছাড়াও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন। এসব ক্ষেত্রে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করার যথাযথ পরিকাঠামো রয়েছে কি না, সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যসচিবের পাঠানো ওই চিঠিতে। এই জাতীয় ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে জোর দেওয়া হয়েছে জনসেচতনতা বাড়ানোর ওপরও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে এখন নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা। H1N1 ভাইরাস, সোয়াইন ফ্লু এবং H3N2 ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Health Ministry) তরফে সম্প্রতি  এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গোটা দেশ জুড়ে ৯৫৫ জন H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

     H3N2 ভাইরাসের দাপট

    থাবা চওড়া হচ্ছে  H3N2 ভাইরাসেরও। ক্রমেই দাপট বাড়ছে এই ভাইরাসের। এই পরিস্থিতিতে কী উপায়ে নিজেকে রক্ষা করবেন, তার পরামর্শও দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনার প্রকোপ কমেছে বলে যাঁরা মাস্ক ত্যাগ করেছেন, তাঁদের ফের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ইনফরমেশন প্ল্যাটফর্ম- এর তথ্য অনুসারে, সব রাজ্যে ৯ মার্চ পর্যন্ত H3N2 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি। H3N2 এবং H3N1 উভয় ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস, যা সাধারণত ফ্লু নামে পরিচিত। এই সমস্যা আটকাতে ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা মনে করছেন, অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়৷ অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ব্যাকটেরিয়াকে আটকাতে পারে, ভাইরাস বা ফাঙ্গাসকে নয়।  এই জ্বরের লক্ষণগুলি হল-দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া, শরীরে ব্যথা,গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট।

    বাতাসে সক্রিয় পাঁচ রকম ভাইরাস

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে পাঁচ রকম ভাইরাস (Virus) ছড়িয়েছে পরিবেশে যারা জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো অসুখের জন্য দায়ী। করোনার কিছু নতুন প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেই সঙ্গেই আরও কয়েকরকম রেসপিরেটারি ভাইরাস ছড়িয়েছে। করোনার প্রথম দিকের কিছু প্রজাতি, সোয়াইন ফ্লু (H1N1), ইনফ্লুয়েঞ্জা সাবটাইপ এ বা হংকং ফ্লু  (H3N2), সিজনাল ভিক্টোরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি প্রজাতির ভাইরাস ছড়িয়েছে। রেসপিরেটারি সিনসিটিয়াল ভাইরাসও (RSV) সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এইসব ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এই ধরনের রেসপিরেটারি ভাইরাস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার কোনও প্রজাতির সংক্রমণ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায়। ফলে পরিবারে একজনের হল তা থেকে বাকিদেরও রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের। 

    আরও পড়ুন: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা স্বাস্থ্যভবনের

    কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বাড়ছে, তাতে বেশিরভাগ আক্রান্তের মধ্যে রয়েছে শ্বাসের কষ্ট। বাচ্চা থেকে বড়, সবার মধ্যে ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। গোটা দেশ জুড়ে ৩,৯৭,৮১৪ জনের শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জ ধরা পড়েছে বলে খবর। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্চের শেষ থেকে গোটা দেশ জুড়ে ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share