Tag: H3N2 virus

H3N2 virus

  • H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    H3N2 Virus: দেশে আরও এক মারণ ভাইরাসের হদিশ, প্রতিরোধ কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনার প্রকোপ কমতে না কমতে ফের এক মারণ ভাইরাসের (H3N2 Virus) হদিশ পাওয়া গিয়েছে। কোভিডের পর নতুন আতঙ্কের নাম এইচ৩এন২। বিশেষ করে পুদুচেরিতে এই ভাইরাসের প্রকোপ সব থেকে বেশি দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে ‘ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভিল্যান্স প্রোগ্রাম নেটওয়ার্কের’ মাধ্যমে। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, এই ভাইরাস অনেকটাই ক্ষতিকারক ও মানব শরীরে খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। সাধারণ জ্বর-কাশির মতো উপসর্গ থাকলেও তা আস্তে আস্তে মারণ রোগের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে মানব শরীরকে।

    কী কী উপসর্গ রয়েছে এই H3N2 Influenza A Virus এ?

    এটি ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের একটি সাবটাইপ। এমনটাই গবেষণার মাধ্যমে জানিয়েছে মেডিক্যাল সংস্থা আইসিএমআর। আরও জানানো হয়েছে, এই ভাইরাস (H3N2 Virus) ডিসেম্বর থেকেই প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। সাধারণত ঠান্ডার সময় থেকেই এই ভাইরাসের প্রকোপের হার বেড়েছে। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভাইরাসের লক্ষণগুলি হল জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট। আবার কিছু মানুষের মধ্যে নিউমোনিয়া, খিচুনি, ডায়ারিয়া ও বমি ভাব থাকছে। বৃদ্ধ এবং শিশুদের সব থেকে বেশি আক্রমণ করছে এই ভাইরাস। উপসর্গগুলি প্রায় এক বা দুই সপ্তাহ ধরে চলতে থাকছে। যদিও মৃত্যুর হার অনেকটাই কম। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ১০ই মার্চের যে হিসেব পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই ভাইরাসের আক্রমণে দেশে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এঁদের মধ্যে একজন হলেন কর্ণাটকের এবং অন্যজন হরিয়ানার। এখনও পর্যন্ত মোট ৩০৩৮ জন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তারমধ্যে ১২৪৫ জন জানুয়ারিতে, ১৩০৭ জন ফেব্রুয়ারিতে এবং ৪৮৬ জন মার্চে।

    এই ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কী?

    যেহেতু এটি করোনার মতোই ছোঁয়াচে একটি ভাইরাস (H3N2 Virus), তাই এই রোগের প্রতিরোধের একমাত্র উপায় ভ্যাকসিন নেওয়া। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। মুখে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যাদের জ্বর ও ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় লক্ষণ রয়েছে, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো। কোনও রকম সন্দেহজনক উপসর্গ দেখলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খাওয়াই শ্রেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    New Covid Cases: ভাইরাল ফ্লু ঘরে ঘরে! বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও, আশঙ্কায় রাজ্যবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওষুধের দোকানে সহজে মিলছে না ওষুধ। অনলাইনে ওষুধ কিনতে গেলে ভেসে উঠছে, “সোল্ড আউট” লেখা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী এখন ঘরে ঘরে। দেশ জুড়ে বাড়ছে ভাইরাল ফ্লু-তে (Viral Flu) আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর (fever) সারলেও থেকেই যাচ্ছে কাশি, গলা খুসখুস। হাসপাতালেও বাড়ছে রোগীর ভিড়। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের কয়েকটি রাজ্যে H3N2 সংক্রমণ নিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১৩ দিন পরে রবিবার সারা দেশে একদিনে ৫২৪ জনের সংক্রমিত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর আগে ২০২২-এর ১৮ নভেম্বর সারা দেশে ৫০০ জন সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। রবিবারের সংখ্যা ধরে এই মুহূর্তে সরকারি হিসেবে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬১৮ জন। 

    বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

    কেরলে করোনার সংক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।  এই সংখ্যা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ৫,৩০, ৭৮১। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত সাত দিনে সংক্রমণের সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়েছে। গত সাত দিনে নতুন করে ২৬৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগেকার তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও স্বস্তির কথা এটাই যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাটা বৃদ্ধি পায়নি। সুস্থ হওয়ার হার ৯৮.৮০ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    চিন্তা বাড়াচ্ছে H3N2 ভাইরাস

    কোভিডের থেকে এই মুহূর্তে সারা দেশে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে H3N2 ভাইরাসের সংক্রমণের ঘটনা। সাধারণভাবে H3N2 ভাইরাসে কেউ সংক্রমিত হলে, তাঁর দুর্বলতা ও ক্লান্তি থেকে সেরে উঠতে সময় লেগে যায় প্রায় ২ সপ্তাহের মতো। এই ভাইরাসের আক্রমণে কাশি, নাক থেকে জল পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গলাব্যথা ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ লক্ষ করা যায়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়া, বমি, সারা শরীরে যন্ত্রণাও লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে অন্যান্য উপসর্গ কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি সময় লাগছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার অতি সাধারণ উপরূপ এইচ৩এন২-এর আক্রমণে শিশুদের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে পড়ছে। দিন দিন হাসপাতালে শিশু রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2 Virus: মার্চের শেষ থেকেই প্রকোপ কমতে পারে জ্বর-সর্দি-কাশির, বলছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    H3N2 Virus: মার্চের শেষ থেকেই প্রকোপ কমতে পারে জ্বর-সর্দি-কাশির, বলছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ বেশি হলেও দেশ জুড়ে রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জার আতঙ্ক। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আশ্বাস, চলতি মাসের শেষে দিকে প্রকোপ কমতে পারে জ্বর, সর্দি, কাশির।  গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দাপট দেখাচ্ছে H3N2 ইনফ্লুয়েঞ্জা। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মোদি সরকার। এই ইনফ্লুয়েঞ্জায় শিশু ও বয়স্করা বেশি পরিমাণে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

    কী বলছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতে মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা (Influenza) দুই উপপ্রজাতি H3N2 ও H3N1 প্রতি বছরই থাবা বসায়। মরশুমি জ্বরে আক্রান্ত হয় বহুমানুষ। এ বছরও তাই হয়েছে। মার্চের শেষ থেকেই ভাইরাসের উপদ্রব কমে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ইনফ্লুয়েঞ্জার হানায় কর্নাটক ও হরিয়ানায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জার এই সাবটাইপ সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে ও বিপজ্জনক। পাখি ও অন্য স্তন্যপায়ী প্রাণিদের শরীরেও ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। বহুবার জিনের বদল ঘটাতে পারে।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যাঁদের কোমর্বিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি এই ইনফ্লুয়েঞ্জার শিকার হচ্ছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক আধিকারিকের কথায়, “IDSP-র মাধ্যমে দেশের কে কোথায় ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁর বিস্তারিত তথ্য জমা রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন মতো রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হবে।” তবে এখন পর্যন্ত এই ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ কোনও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে দেখা যায়নি বলে খবর মিলেছে।

    আরও পড়ুন: ভয় ধরাচ্ছে নাইসেডের সমীক্ষা! অ্যাডিনো সংক্রমণে শীর্ষে বাংলা

    স্বাস্থ্য আধিকারিকরা বলছেন, জ্বর, কাশি, শ্বাসের সমস্যা হচ্ছে এই ভাইরাসের প্রভাবে। অন্তত মাস দুয়েক থাকছে উপসর্গ। এই ভাইরাসের সংক্রমণে যে জ্বর হচ্ছে তার নাম হংকং ফ্লু (Hong Kong Flu)। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর (fever) হলেই অযথা আতঙ্কিত হবেন না। ডাক্তারকে না জিজ্ঞেস করে মুঠো মুঠো অ্যান্টিবায়োটিকও খাবেন না। জ্বর (fever) আসার দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে বেসিক রক্তপরীক্ষাগুলি করান। জ্বর আসার সঙ্গে সঙ্গে রক্তপরীক্ষা করালে সমস্ত রিপোর্টই নেগেটিভ আসার সম্ভাবনা বেশি৷ ‘বেসিক পরীক্ষা’ মানে আগে রুটিন ব্লাড কাউন্ট দেখা দরকার৷ তা থেকেও বোঝা যায় কী কারণে জ্বর হয়েছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2 Virus: এবার এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু ২ জনের! জানেন এর উপসর্গ?

    H3N2 Virus: এবার এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু ২ জনের! জানেন এর উপসর্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার প্রকোপ কাটেনি এখনও। রয়েছে অ্যাডিনোর দাপট। তারই মধ্যে এবার এইচ৩এন২ (H3N2 Virus) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের মধ্যে প্রথম মৃত্যু হল দুই জনের। H3N2 ভাইরাসের প্রকোপে হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জায় মৃতদের মধ্যে একজন হরিয়ানার ও অপরজন কর্ণাটকের বাসিন্দা। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক সূত্র এমনই দাবি করেছে। কর্ণাটকের হাসানের বাসিন্দা ৮২ বছরের হীরে গৌড়াকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পয়লা মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়। দেশের মধ্যে তিনিই প্রথম H3N2 ভাইরাসের শিকার। তিনি ডায়াবেটিক ছিলেন এবং হাইপারটেনশনে ভুগছিলেন। 

    এইচ৩এন২ ভাইরাসের উপসর্গ

    দেশে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন। এ ছাড়াও এইচ১এন১ ভাইরাসে ৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। গত কয়েক মাস ধরে দেশে জ্বরে আক্রান্তের ঘটনা বেড়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই এইচ৩এন২ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যার পোশাকি নাম “হংকং ফ্লু”। দেশে অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্তের থেকে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেশি। H3N2 ও H1N1 উভয় ভাইরাসেরই কোভিডের মত উপসর্গ থাকছে। 

    আরও পড়ুন: সতেজ ও সুস্থ থাকতে আপনার শিশুকে দিন ‘হার্ট-হেলথি-ফুড’

    এইচ৩এন২ ভাইরাস প্রতিকারের উপায়

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দু’টি ভাইরাসেরই উপসর্গ হল কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট। তা ছাড়া গলা, শরীর ব্যথা, ডায়েরিয়ার মতোও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, এইচ৩এন২ ভাইরাস হল ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা এ’ ভাইরাসের উপরূপ। এই ভাইরাস মারাত্মক সংক্রামক। হাঁচি , কাশি বা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা করোনা পরিস্থিতির সময় আমরা যেসব বিধি-নিষেধ মেনে চলতাম, সেরকমই মেনে চলতে বলছেন। নিয়মিত হাত ধোয়া বা মাস্ক পরার মত ব্যবস্থাগুলি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ও মেডিক্যাল রিসার্চ আবেদন জানিয়েছে, হাঁচি-কাশির সময় সকলেই যেন নিজের নাক-মুখ ঢেকে রাখে। নাক বা চোখে হাত দেবেন না। জ্বর ও শরীরে যন্ত্রণা থাকলে প্যারাসিটামল খেতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Viral Infection: আবহাওয়ার পরিবর্তনে জ্বর-সর্দি-কাশিতে কাহিল সবাই, এই ভাইরালের প্রতিকার কী?

    Viral Infection: আবহাওয়ার পরিবর্তনে জ্বর-সর্দি-কাশিতে কাহিল সবাই, এই ভাইরালের প্রতিকার কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ব্যপকহারে বাড়ছে সংক্রমণ। পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনোভাইরাস বাড়বাড়ন্ত হয়েছে (Viral Infection)। বহু মায়ের কোল ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। এবাদেও ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্যারা ইনফ্লুয়েঞ্জা তো রয়েইছে। এই ভাইরাসগুলির প্রভাবে জ্বর, সর্দি, কাশি হয়।  

    আসলে ভাইরাল রোগগুলি খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। কোভিডের মতো এই রোগগুলিও (Viral Infection) একে অপরের সংস্পর্শে এলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে কোভিডের আর দাপট নেই। এই সুযোগে বাড়ছে অন্যান্য ভাইরাস। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া কোনও গতি নেই।

    আরও পড়ুন: বনিকে ফের তলব ইডির! সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে কোন নথি? 

    ভাইরাল ইনফেকশন অনেক ধরনের হয়। এই মুহূর্তে মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা, অ্যাডিনো নিয়েই সবার চিন্তা। এই রোগগুলির উপসর্গ কী? 

    ১. জ্বর
    ২. সর্দি
    ৩. কাশি
    ৪. মাথা ব্যথা
    ৫. শরীরে ব্যথা
    ৬. বমি, পায়খানা
    ৭. ক্লান্তি ইত্যাদি।

    কীভাবে এই রোগগুলি থেকে দূরে থাকবেন? 

    ১. হাত ধুয়ে খাবার খান 

    এপিআইসি.ওআরজি তরফে জানানো হয়েছে, এই সংক্রমণগুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে নিজের হাত দুটি সবসময় পরিষ্কার (Viral Infection) রাখুন। কারণ হাতের থেকে মুখ হয়ে বেশিরভাগ ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। তাই খাবার খাওয়ার আগে সবসময় হাত ধুয়ে রাখুন। কোভিডের সময় যে নিয়মগুলি মানতেন, সেই নিয়ম মেনে চলুন। ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত কছলে ধুয়ে নিন। ছোটদেরও এই শিক্ষা দিন। তবেই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন সহজে।

    ২. একে অপরের জিনিস ব্যবহার করবেন না 

    বাড়িতে কেউ সংক্রমিত থাকলে তার ব্রাশ, টাওয়েল ব্যবহার করবেন না। হয়তো শরীরে ভাইরাস থাকার পরও কোনও লক্ষণ আপনার দেখা দেয়নি। আপনি অ্যাসিম্পটোমেটিক। কিন্তু  অন্যরা আপনার জিনিস ব্যবহার করলে আদতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাঁদের শরীরেও ঢুকে যেতে পারে ভাইরাস। বিশেষত, ছোটদেরকে আরও সাবধানে রাখতে হবে। তবেই এই রোগকে আটকানো যাবে।

    ৩. মাস্ক ব্যবহার করুন

    হাঁচি, কাশির মাধ্যমে বেরিয়ে আসে ড্রপলেট। এই ড্রপলেটে থাকে অসংখ্য ভাইরাস (Viral Infection)। এই ভাইরাস শরীরে গেলেই রোগ হয়। তাই চেষ্টা করুন হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে হাত দিয়ে রাখার। মাস্ক পরুন। সাধারণ সার্জিকাল মাস্ক ব্যবহার করলে একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিন।

    ৪. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা বাড়ান। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি করে খান (Viral Infection)। প্রচুর ফল, শাক, সবজি খান। বিশেষত, লেবু খান। যে কোনও ধরনের লেবু মুখে তুলে নিতে পারেন। জুস নয়, শুধু মুখে খান। শুধু মুখে খেলে লেবুর উপকার বেশি পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেও ইমিউনিটি বৃদ্ধি পায়।

    ৫. টিকা নিন

    ছোটেদের ও বয়স্কদের টিকা নিতে হবে। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের টিকা নেওয়া উচিত। টিকা নিলে রোগ ভয়ঙ্কর দিকে যায় না। পরিবারে কারও হাঁচি, কাশি, জ্বর হলে তাঁকে অবশ্যই আলাদা রাখার চেষ্টা করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Hong Kong Flu: কোভিডের পর নয়া আতঙ্ক হংকং ফ্লু! কী এর উপসর্গ? কী জানাল আইসিএমআর?

    Hong Kong Flu: কোভিডের পর নয়া আতঙ্ক হংকং ফ্লু! কী এর উপসর্গ? কী জানাল আইসিএমআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর এবারে নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে হংকং ফ্লু (Hong Kong Flu)। দেশ জুড়ে এই ভাইরাসের দাপট বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ ও কর্নাটকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই উপরূপ এইচ৩এন২ (H3N2)। এই ভাইরাসের সংক্রমণে যে জ্বর হচ্ছে তার নামই হংকং ফ্লু। ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই দেশ জুড়ে বেড়েছে ভাইরাল ফ্লুয়ে আক্রান্তের সংখ্যা। জ্বর, সর্দি-কাশিতে ভুগছেন অনেকে। জ্বর সারলেও কাশি, গলা খুসখুস থেকেই যাচ্ছে। হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়। এই ভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষমতা অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি।

    কী এই হংকং ফ্লু?

    ইনফ্লুয়েঞ্জা এ সাবটাইপ এইচ৩এন২ কে ‘হংকং ফ্লু’ (Hong Kong Flu) বলা হয়। এই ভাইরাস আক্রান্তের শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। সাধারণভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জাকে এ, বি, সি, ডি এই চারভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ও বি সাধারণভাবে এর জন্য দায়ী। এইচ৩এন২ হল ইনফ্লুয়েঞ্জা এ-এর একটি সাবটাইপ। এই ভাইরাসের প্রভাবে যে ফ্লু হয়, তাকে বলা হয় ‘হংকং ফ্লু’।

    কী এর উপসর্গ?

    গলা ব্যথা, কাশি, জ্বর, সর্দি কিংবা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা ব্যথা, মাথা ব্যথার ক্লান্তি অনুভূত হওয়া এইচ৩এন২ ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলির মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির বমি কিংবা ডায়েরিয়াও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণভাবে একসপ্তাহ সময় লাগে এর থেকে সুস্থ হতে। অন্যান্য উপসর্গ ৩ দিনের মাথায় কমতে শুরু করলেও কাশির সমস্যা কমতে ১৫ দিনের বেশি লেগে যাচ্ছে। তবে কারও কারও এর থেকে বেশিই সময় লাগছে।

    আরও পড়ুন: অ্যাডিনো আতঙ্কের মধ্যেই ফের ৩ শিশুর মৃত্যু, বিসি রায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগ

    আইসিএমআর-এর তরফে কী বলা হল?

    এই ভাইরাস (Hong Kong Flu) নিয়ে সতর্ক করল আইসিএমআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানিয়েছে, জ্বর, কাশি, শ্বাসের সমস্যা হচ্ছে এই ভাইরাসের প্রভাবে। অন্তত মাস দুয়েক থাকছে উপসর্গ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের এইচ৩এন২-এর প্রকোপে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবে, তা হল- বারে বারে হাত ধুতে হবে, সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখতেই হবে। ফেস মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোবেন না। বারে বারে নাকে ও মুখে হাত দেবেন না। হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢেকে নিন। ধূম জ্বর, শুকনো কাশি, গায়ে ব্যথা বা হাল্কা শ্বাসকষ্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে টেস্ট করিয়ে নিতে হবে।

    আবার হাত মিলিয়ে হ্যান্ডশেক করা বা কোলাকুলি করবেন না। জনবহুল জায়গায় থুতু ফেলবেন না। নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না, উপসর্গ বুঝলে ডাক্তার দেখিয়ে সঠিক চিকিৎসায় থাকুন। বেশি ভিড়ে যাবেন না, বাসে বা গণপরিবহনে ঘেঁষাঘেঁষি করে বসা বা রেস্তোরাঁ ভিড় থাকলে সেখানে গিয়ে খাওয়া ঠিক হবে না।

    শিশু না বড়রা, কাদের জন্যবেশি ক্ষতিকারক এই ভাইরাস?

    ফ্লু-তে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয় শিশুদের ক্ষেত্রে। বড়রা নানা রকম সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেও ছোটদের এই সব নিয়ম মেনে চলতে বাধ্য করানো খুব কঠিন। তার উপর অপুষ্টিজনিত সমস্যা থাকলে এই রোগের সঙ্গে মোকাবিলা করা মুশকিল হয়। চিকিৎসকদের মতে, কোভিড পরবর্তী সময়ে শিশুদের ফ্লুয়ে আক্রান্তের হার প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ সময়ে শিশুদের প্রতি বাড়তি নজর রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share