Tag: habra

habra

  • Habra Rape: থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করায় ‘খুন’ মহিলা, হাবড়ায় গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের কর্মীসহ ৩

    Habra Rape: থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করায় ‘খুন’ মহিলা, হাবড়ায় গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের কর্মীসহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মহিলাকে ধর্ষণ (Habra Rape) করার অভিযোগ ওঠে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এক কর্মীর বিরুদ্ধে। পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল আগেই। সেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলেও দাবি নির্যাতিতার পরিবারের। সালিশি সভায় মিটমাট করার জন্য দেওয়া হচ্ছিল ‘চাপ’। তা সত্ত্বেও ধর্ষণের অভিযোগ সালিশি সভায় না মিটিয়ে থানায় গিয়েছিলেন নির্যাতিতা। তার জেরেই তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল অভিযুক্ত ও নির্যাতিতার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় (Habra) ওই মহিলার শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার মূল পান্ডা কলকাতা পুলিশের এক কর্মী। ওই কর্মী, তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্য ও নির্যাতিতার স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Habra Rape)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর নির্যাতিতা কলকাতা পুলিশের ওই কর্মীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন। ওই কর্মী পুলিশের গাড়ির চালক। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুর আগে মহিলা জানান, মাস ছ’য়েক ধরে তিনি ওই পুলিশকর্মীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দু’জনের আত্মীয়তা আছে। ৫ সেপ্টেম্বর ভোরে ওই যুবক তাঁকে ধর্ষণ (Habra Rape) করে বলে অভিযোগ করেন নির্যাতিতা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার দুই ছেলেমেয়ে। শ্বশুরবাড়িতে অশান্তির কারণে মহিলা বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন। নির্যাতিতা অভিযোগ করেন, ৫ সেপ্টেম্বর রাত ২টো নাগাদ অভিযুক্ত পুলিশকর্মী (Kolkata Police) তাঁর ঘরে ঢোকে। মহিলা মেয়েকে নিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন। মহিলার মুখ চেপে ধরে তাঁকে পাশের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে নির্যাতিতা জানান, ধর্ষণের পরে তাঁকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, গ্রামে সালিশি ডেকে বিষয়টি মেটানোর জন্য ‘চাপ দেওয়া হয় অভিযুক্তের তরফে। তবে তাতে রাজি না হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা।

    আরও পড়ুন: হাওড়ার শ্যামপুরে মণ্ডপে ভাঙচুর, দুর্গা প্রতিমায় আগুন, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মৃতার পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃতার পরিবারের দাবি, পুরো বিষয়টা ধামাচাপা (Habra Rape) দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল দিনের পর দিন। কিন্তু কোনওভাবেই বিষয়টা মিটমাট করেননি নির্যাতিতা। সেই কারণেই খুন করা হয়েছে। অভিযুক্তের স্ত্রী পুরো বিষয়টাই জানতেন। মৃতের ভাই বলেন, “আমার দিদিকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিনই পুলিশ আমার দিদির স্বামী, ধর্ষণে অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) কর্মী এবং তাঁর পঞ্চায়েত সদস্য স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে। আসলে বিয়ের পর থেকেই আমার দিদিকে তাঁর স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। বাধ্য হয়ে দিদি ভাড়া বাড়িতে চলে গিয়েছিল। এ বারে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী এবং তার পঞ্চায়েত সদস্যা স্ত্রী মিলে দিদির স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে দিদিকে খুন করেছে।”

    তৃণমূল নেতৃত্বের সাফাই

    ধৃত ওই পঞ্চায়েত সদস্যা পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, তাঁর স্বামী ধর্ষণের ঘটনায় যুক্ত নয়। অন্য এক যুবক মহিলাকে ধর্ষণ (Habra Rape) করেছিল। খুনের অভিযোগও মিথ্যে বলে দাবি তাঁর। এলাকার তৃণমূল নেতা বাপি মজুমদার বলেন, “দল কোনও অন্যায় কাজ সমর্থন করে না। পঞ্চায়েত সদস্য দোষ করে থাকলে পুলিশ (Kolkata Police) পদক্ষেপ করুক। এখানে দল হস্তক্ষেপ করবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Habra: পুজোর মধ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Habra: পুজোর মধ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে প্রকাশ্যে গুলি করে টাকা ভর্তি ব্যাগ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া (Habra) এলাকায়। আক্রান্ত ব্যবসায়ীর নাম স্বপন সাহা। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Habra)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপনবাবু টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে হাবড়ায় (Habra) বাড়়ি ফিরছিলেন। দূর থেকে দুষ্কৃতীরা তাঁকে ফলো করছিল। রাস্তা কিছুটা নিরিবিলি হতেই আচমকাই টাকার ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ব্যবসায়ীর পথ আটকায় চার-পাঁচজন দুষ্কৃতী।  তারা প্রথমে ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ব্যবসায়ী তাতে বাঁধা দেন। বাধা পেয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পায়ের নিচে গুলি লাগে ওই ব্যবসায়ীর। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। গুলির আওয়াজ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসতেই দুষ্কৃতীরা ছুটে পালায়। যদিও বিষয়টি জানার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে, গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এমনিতেই পুজোর সময় রাস্তায় ঠাকুর দেখতে অনেকে বেড়িয়েছেন। ফলে, রাস্তায় ভিড়ও ছিল। এরমধ্যেই অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে পুলিশি টহল চলছে। নাকাও চলছে জোরকদমে। এরপরই দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় আমরা হতবাক। কারণ, প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় সকলেই আতঙ্কে রয়েছি।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কে বা কারা এই গুলি চালিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা দরকার। বাইরের কোনও গ্যাং রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুষ্কৃতীদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    Surendranath College: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার পাঁশকুড়ায়, রহস্য ঘনীভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় রেললাইনের ধার থেকে এক কলেজ পড়ুয়ার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম স্বাগত বণিক। তিনি কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায়। হাবড়া নয়, পাঁশকুড়ায় কী করে কলকাতার কলেজ পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Surendranath College)

    গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শিয়ালদা যাচ্ছেন বলে হাবড়ার বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) স্ট্যাটিস্টিক্স বিভাগের পড়ুয়া স্বাগত। তার পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ নেই। মোবাইলটিও বাড়িতে ফেলে যান তিনি। কোনও খোঁজখবর না পেয়ে স্বাগতর বাড়ির লোকেরা হাবড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। রবিবার গভীর রাতে পুলিশ জানায়, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার কাছে ক্ষীরাই স্টেশনে রেললাইনের পাশ থেকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় একটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে দেখা যায়, সেই দেহটিই স্বাগতর। এ খবর বাড়িতে আসতেই সকলে ভেঙে পড়েন। বাড়িতে শিয়ালদা যাচ্ছি বলে বেরিয়ে পাঁশকুড়ায় কেন তিনি পৌঁছেছিলেন, তা নিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য। মেধাবী ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছেন স্বাগতর বাড়ির লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, পাঁশকুড়ায় তাঁদের কোনও আত্মীয়-পরিজনও থাকেন না। স্বাগতর কোনও বন্ধুর বাড়িও ওই এলাকায় নয়। তা হলে শিয়ালদা থেকে প্রজেক্টের ‘বাইন্ডিং’ নিয়ে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্বাগত পাশকুঁড়ায় কী করে গেলেন? যদি আত্মহত্যার উদ্দেশ্য থাকত, তা হলে তো হাবড়া থেকে শিয়ালদা যাওয়ার পথেই করতে পারত। পাঁশকুড়ায় তাঁকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা চাই, প্রশাসন দয়া করে সত্যিটা বার করুক। তাঁদের আরও বক্তব্য, এর পিছনে ওর বন্ধুবান্ধবের কোনও পরিকল্পনা আছে। ও তো চলে গিয়েছে, আর ফিরবে না। কিন্তু, ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও মা-বাবাকে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে না হয়, সে জন্য প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে। প্রশাসনের পক্ষেই একমাত্র সত্য বের করা সম্ভব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Habra: যাদবপুরের পর হাবড়া! রাতে পাঁচিল টপকে হস্টেল ছেড়ে পালাল নবম শ্রেণির পড়ুয়া, কেন জানেন?

    Habra: যাদবপুরের পর হাবড়া! রাতে পাঁচিল টপকে হস্টেল ছেড়ে পালাল নবম শ্রেণির পড়ুয়া, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের পর এবার হাবড়ার (Habra) বাণীপুর। স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল উঁচু ক্লাসের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। প্রাণের ভয়ে গভীর রাতে হস্টেলের উঁচু পাঁচিল টপকে রাতের অন্ধকারে প্রায় ১০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বাড়ির দিকে পালায় ওই পড়ুয়া। কিন্তু, মাঝপথে ওই পড়ুয়াকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পথ আটকায় বাজারের নৈশপ্রহরীরা। পরে, হাবড়া থানার পুলিশের উপস্থিতিতে রাতেই ছেলেটির বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে নিন্দার ঝড় রাজ্য জুড়ে। এরই মধ্যে হাবড়া (Habra) পুরসভার ওই স্কুলে উঠল র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির এক পড়ুয়া র‍্যাগিং এর শিকার হন উঁচু ক্লাসের পড়ুয়াদের কাছে। প্রথমে ওই নবম শ্রেণির পড়ুয়াকে মারধর করা হয়। পরবর্তীতে জ্যামিতি বক্সের কম্পাস দিয়ে ওই পড়ুয়ার হাত কেটে দেওয়া হয়। এক প্রকার প্রাণ বাঁচতে বাদুড়িয়া থানার মাদ্রা এলাকার ওই পড়ুয়া গভীর রাতে হস্টেল থেকে পালিয়ে যায়। রাতের অন্ধকারে ১০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে যাওয়ার পরে হাবরা থানার কুমড়া বাজার এলাকায় বাজারের পাহারায় থাকা পাঁচ নৈশপ্রহরী যুবক স্কুল পড়ুয়ার পথ আটকায়। তখনই গোটা ঘটনা সে খুলে বলে। পরে, নৈশপ্রহরীদের পক্ষ থেকে হাবড়়া থানায় খবর দেওয়া হয়। একইসঙ্গে খবর দেওয়া হয় পড়ুয়ার বাড়িতে। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপরে ওই পড়ুয়াকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। নবম শ্রেণির পড়ুয়ার বক্তব্য, সামান্য বিষয় নিয়ে সিনিয়রা আমাদের উপর অত্যাচার করে। জল না নিয়ে আসার কারণে আমাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। কম্পাস দিয়ে আমার হাত কেটে দেওয়া হয়।

    কী বললেন নৈশ প্রহরীরা?

    হাবড়া (Habra) বাজারের দায়িত্বে থাকা নৈশ প্রহরীরা বলেন, আমরা না দেখলে হয়তো ওই স্কুল পড়ুয়ার বড় বিপদ হত। একদিকে যাদবপুরে এরকম ঘটনা ঘটেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে কি করে একটি ছেলে র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়ে হস্টেল থেকে বেরিয়ে এত বড় পাঁচিল টপকে দশ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে এলো? এত রাতে পালিয়ে আসতে গিয়ে পথেও তো ছেলেটির বড় কোনও বিপদ হতে পারত? স্কুল এবং হস্টেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের আক্রান্ত কর্মীকে দেখতে বসিরহাট হাসপাতালে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরে তিনি হাবড়ায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বেঙ্গলুরুর বৈঠক নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বেঙ্গালুরু সফর নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বেঙ্গালুরুতে গিয়েছেন। যেতেই পারেন। সেখানে গিয়ে দেখে আসুন কর্ণাটকের বিভিন্ন জায়গায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে কতজন পরিয়ায়ী শ্রমিক কাজ করছেন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি দেশের সেরা চোর বলে আখ্যা দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘ভাইপোকে দাঁড় করাতে বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকে গিয়েছেন মমতা। আর প্রধানমন্ত্রী মোদিজি সেটা জানেন। ভারতবর্ষের চুরিতে যদি কেউ নোবেল পেতে পারেন, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যত রকমের চুরি আছে, রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে. আকাশে চন্দ্রযান যাচ্ছে, চান্স পেলে ওটাও চুরি করে নিতে পারে, চান্স পায়নি তাই।’

    পঞ্চায়েতে বোমা-গুলি উদ্ধার নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এখন বোমা, গুলি, বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আমার তো মনে হয়, পঞ্চায়েত ভোটের আগেই তৃণমূলের এক জয়ী সদস্যের কাছে থেকে বিরাট পরিমাণ জিলেটিন স্টিক পাওয়া গিয়েছে। এর আগে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ২৭ হাজার কেজি ধরা পড়ল কলকাতার বুকে। এই নিয়ে বৃহত্তর একটি তদন্ত হোক। এনআইএ-র মাধ্যমে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তদন্ত হওয়া উচিত। এর সঙ্গে কী শুধু রাজনৈতিক কারণ রয়েছে, না দেশ বিরোধী যে সংগঠনগুলি কাজ করে তাদের যোগ রয়েছে তা তদন্ত হওয়া দরকার। না হলে আগামী দিনে এই রাজ্যের জন্য বিপদ অপেক্ষা করছে। এদিন বসিরহাটের বিস্তীর্ণ এলাকায় তৃণমূলের আক্রমণে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্তবাবু। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share