Tag: haimanti ganguly

haimanti ganguly

  • Haimanti Ganguly: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    Haimanti Ganguly: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে নতুন মোড়। এবার এই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের বেহালার ফ্ল্যাটের পাশে আবর্জনার স্তূপে মিলল রোল নম্বর লেখা কাগজ। কীসের নম্বর তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

    ঠিক কী রয়েছে ওই কাগজে?

    জানা যাচ্ছে, বেহালার রাজা রামমোহন রায় রোডে হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ের পাশে রাখা আবর্জনার স্তূপে ছিল বেশ কয়েকটি কাগজ। সেগুলো খুলতেই দেখা যায় তাতে সিরিয়াল নম্বর লেখা। যে সংখ্যাগুলি লেখা রয়েছে, সেগুলি প্রত্যেকটাই ৯ সংখ্যার। সাধারণত ৯ ডিজিটের রোল নম্বর হয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে। হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া কাগজে ৯টি নম্বরই লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    এর থেকেই রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে— এগুলি কি রোল নম্বরই? নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই নম্বরের কোনও সম্পর্ক আছে কি? ওই কাগজগুলি শিক্ষক পদে চাকরিপ্রার্থীদের রোল নম্বর কি? এও প্রশ্ন উঠছে যে, বন্ধ ফ্ল্যাটের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি? গোটাটাই ধোঁয়াশায় ভরা।

    আর কী কী পাওয়া গিয়েছে?

    এছাড়া ওই ফ্ল্যাটের বাইরে জঞ্জালের স্তূপে মিলেছে বেশ কিছু ফাইল। তাতে হৈমন্তী ও বিভিন্ন সংস্থার নাম লেখা। উদ্ধার হয়েছে— ২০১৩ সালের একটি ‘শেয়ার অ্যাপ্লিকেশন’ ফর্ম। তাতে হৈমন্তীর বাবা সাধনগোপাল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম লেখা। উদ্ধার হয়েছে কিছু শেয়ারের কাগজ যেখানে সই রয়েছে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। সেই কাগজে ঠিকানা হিসাবে উল্লেখ রয়েছে, কাঠুরিয়াপাড়া উত্তর বাকসাড়া। অর্থাৎ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের পৈত্রিক ঠিকানা। এই সিনেমার স্ক্রিপ্টও পড়ে সেখানে। যে ছবিতে হৈমন্তীর চরিত্রের নাম পারমিতা। আবর্জনার স্তূপে পড়ে ছিল বিয়ের কার্ডও। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    যত কাণ্ড বেহালায়…!

    ফের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বেহালা যোগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয় ভদ্রের ফ্ল্যাটও এই বেহালাতেই। এবার গোপাল দলপতি এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর ফ্ল্যাটও সেই বেহালায়। বেহালা চৌরাস্তার কাছে রামমোহন রায় রোডের ওপরেই রয়েছে গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী তথা হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট। ২০১৫ সালে গোপাল দলপতি এবং হৈমন্তী এই ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। মাঝে মধ্যে সেখানে আসতেনও তাঁরা। তার বাইরেই মিলল রহস্যে মোড়া কাগজ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Haimanti Ganguly: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    Haimanti Ganguly: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের মুখে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম আসার পর থেকে এই রহস্যময়ী নারীর সম্পর্কে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। 

    বৃহস্পতিবারই, যুব তৃণমূল নেতা দাবি করেছিলেন, হৈমন্তী হলেন গোপাল দলপতির স্ত্রী। তাঁর কাছে নাকি সব টাকা গচ্ছিত রয়েছে। শুক্রবার থেকেই হৈমন্তীর বিভিন্ন বিষয়-আশয় সম্পর্কে খোঁজ মিলতে থাকে। জানা যায়, পেশায় মডেল-অভিনেত্রী হৈমন্তীর বাপের বাড়ি হাওড়ার বাকসারা রোডে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    এছাড়া, তদন্তে খোঁজ মিলেছে হৈমন্তীর একাধিক ফ্ল্যাট ও অফিসের ঠিকানাও। জানা গিয়েছে, বেহালা ও টালিগঞ্জে ফ্ল্যাট রয়েছে হৈমন্তীর। এছাড়া, বিবাদি বাগ অঞ্চলে একটি অফিস রয়েছে। একটি অফিস রয়েছে বেহালাতেও। এছাড়া, মুম্বইতেও সম্ভবত একটি অফিস রয়েছে হৈমন্তীর। 

    কী দাবি করল ইডি?

    এরই মধ্যে, এদিন বিস্ফোরক দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে চাঞ্চল্যকর দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির কয়েক হাজার কোটি টাকা ‘রহস্যময়ী’র হেফাজতে গচ্ছিত রয়েছে। তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন, মডেল–অভিনেত্রী হিসেবে রাজ্যের শাসকদলের প্রভাবশালী অংশের ভাল যোগাযোগ রয়েছে হৈমন্তীর। সূত্রের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢুকেছে গোপালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে একটা মোটা অংশের টাকা আবার তাঁর স্ত্রী হৈমন্তীর মুম্বইয়ের সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    হৈমন্তী বা গোপাল দলপতি এখন কোথায়?

    এদিকে গোপাল দলপতি বা হৈমন্তী—কারও হদিশ এখনও পায়নি তদন্তকারী সংস্থা। গতকালও হাওড়ার বাড়িতে দেখা মিলেছিল হৈমন্তীর বাবা-মা-বোনের। অথচ, তারপর থেকে বেপাত্তা হৈমন্তীর পরিবারও। উত্তর বাকসারা রোডের বাড়িতে দেখা যায়নি পরিবারের সদস্যদের। বাড়ির দরজা বন্ধ। একইভাবে বেপাত্তা স্বামী গোপাল দলপতিও।

    এদিকে, সূত্রের খবর, গোপালের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সিবিআই। যদিও, একটি সংবাদমাধ্যমকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোপাল দলপতি দাবি করেন, তিনি বেপাত্তা হননি। একটি মামলার কাজে সিবিআইকে বলেই দিল্লি এসেছেন। তিন-চারদিনের মধ্যে ফিরবেন বলেও নিশ্চিত করেন গোপাল দলপতি।

  • Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর! মালদায় হৈমন্তী! তাও আবার এক তৃণমূল বিধায়কের আশ্রয়ে! অন্তত এমনটাই দাবি করছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই মালদার চাঁচলে একটি হোটেলে সোমবার রাতে খুব গোপনে ঢোকেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়ে আসেন এক তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকদিন ধরেই ‘নিখোঁজ’ হৈমন্তীকে খুঁজে পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা। কোথায় থাকতে পারেন নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) উঠে আসা এই চরিত্র? এই নিয়েই যখন জোর চৰ্চা চলছে সব মহলে, তখনই হঠাৎ জানা গেল হৈমন্তী রয়েছেন মালদায়।

    অবশেষে হৈমন্তীর খোঁজ!

    খগেন মূর্মূর আরও বিস্ফোরক দাবি, এক তৃণমূল বিধায়কের ব্যবস্থাতেই হোটেলে ওঠেন হৈমন্তী। হৈমন্তীকে চাঁচল থেকে বিহার বা ঝাড়খণ্ড হয়ে নেপালে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গোটা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানাতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গেরুয়া শিবির সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এদিন খগেন মুর্মু বলেন, “আমি হঠাৎ করে শুনলাম, আমাদের জেলার চাঁচলে, আমার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে, ওখানে একটা হোটেলে এসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খোঁজখবর করা হচ্ছে। ওখানে থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে চলে যেতে পারেন। কারণ এভাবেই তো পালিয়ে বেড়ান।”

    অন্যদিকে, সাংসদের বক্তব্যের পর সেই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা গোটা বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পরে। হোটেলের এক কর্মীকে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় কত নম্বর রুমে ছিলেন, এই প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বলেন, “আজ সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে। কালকে ছিলেন। আজকে সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে (Recruitment Scam)।”

    ১০৪টি সংস্থায় ৩০ কোটির লগ্নি!

    অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জোর গলায় কুন্তল বলেন (Recruitment Scam), “নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত টাকা গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর কাছে রয়েছে।” এর পরে ইডি ও সিবিআইয়ের বিশেষ নজরে গোপাল-হৈমন্তীর সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দু’টি বণিকসভার নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে থাকা কয়েকটি সংস্থার অধিকর্তা স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ গোপাল-হৈমন্তী। ওই নেটওয়ার্কে দেশের অন্তত ১১টি রাজ্যে থাকা ১০৪টি সংস্থা এবার সিবিআইয়ের নজরে। যদিও ওই ১০৪টি সংস্থার মধ্যে বেশিরভাগই এই রাজ্যের। সংস্থাগুলিতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লগ্নি হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ফলে কতগুলি সংস্থার মাধ‌্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা।

    কুন্তল টাকা পাঠিয়েছেন গোপালের অ্যাকাউন্টে

    আবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতিকে দফায় দফায় টাকা পাঠিয়েছে ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। গোপালের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখে এমটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৭-র ২৪ নভেম্বর, ৫০ হাজার, ২৫ নভেম্বর, আরও ৫০ হাজার, ২৭ নভেম্বর একলক্ষ টাকা গোপালের অ্যাকাউন্টে জমা করেছিলেন কুন্তল। এরপর ২০২১-এর ২৯ অক্টোবর, কুন্তল ৭০ হাজার টাকা পাঠান গোপালের অ্যাকাউন্টে। সিবিআইয়ের দাবি, এছাড়াও, গোপাল ওরফে আরমানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা জমা পড়েছে। ২০১৭-য় গোপালের আরমান ট্রেডিংয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় নগদ ২ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২১-এ গোপালের দিল্লির কেজি মার্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে।

    ফলে এত বার করে গোপালকে কেন টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল? তাহলে কি গোপাল দলপতিও কোনও ভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে? কোথা থেকে এত টাকা পেল কুন্তল? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই সব কিছুই এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haimanti Ganguly: সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গেল গোপালের অ্যাকাউন্টে, দুটিতেই নমিনি হৈমন্তী!

    Haimanti Ganguly: সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গেল গোপালের অ্যাকাউন্টে, দুটিতেই নমিনি হৈমন্তী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতিকাণ্ডে এবার সিবিআই-ইডি নজরে গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী হৈমন্তীর (Haimanti Ganguly) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন। তদন্তকারীদের দাবি, একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে লেনদেনে। পাশাপাশি, অ্যাকাউন্টের নমিনিতে থাকা নাম নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠছে। এছাড়া, গোপাল-হৈমন্তীর একাধিক শেল বা ভুয়ো সংস্থারও হদিশ মিলেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কী জানিয়েছেন তদন্তকারীরা?

    তদন্তকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতি চক্রে গোপাল যতই জড়িয়ে যেতে থাকেন, ততই জড়াতে থাকেন হৈমন্তী (Haimanti Ganguly)। গোপালের কাজকর্ম সম্পর্কে নাকি তিনি ভালই ওয়াকিবহাল ছিলেন। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, গোপাল-হৈমন্তীদের শেল কোম্পানি গুলির মাধ্যমেই চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া কালো টাকা সাদা করা হত। সূত্রের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঢুকেছে গোপালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে একটা মোটা অংশের টাকা আবার তাঁর স্ত্রী হৈমন্তীর মুম্বইয়ের সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: গোপালের সান্নিধ্যে আসতেই রকেটের গতিতে উত্থান হৈমন্তীর! সবই নিয়োগ দুর্নীতির টাকায়?

    নমিনি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    আরমানের অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, প্রথমে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় (Haimanti Ganguly) নামের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে ‘আরমান ট্রেডিং’ নামক একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে। তার পর ওই সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পৌঁছেছে আরমানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে। ঘটনাচক্রে, একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে আরমানের সেই অ্যাকাউন্টের নমিনি আবার হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়! সিবিআইয়ের একটি সূত্রের দাবি, গোপালেরই আর এক নাম আরমান। দুই নামে তাঁর দু’টি প্যান কার্ডের হদিসও মিলেছে।

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে জানা গিয়েছে, বড়বাজারের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে আরমান নামে অ্যাকাউন্ট খোলেন গোপাল দলপতি। আর সেখানে হৈমন্তীকে (Haimanti Ganguly) নমিনি করেছিলেন গোপাল দলপতি ওরফে আরমান। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ওই অ্যাকাউন্টের নমিনি ছিলেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। 

    আরও পড়ুন: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    সন্দেহজনক লেনদেন

    আবার সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৭ থেকে মুম্বইয়ের একটি সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে আরমান এবং হৈমন্তীর (Haimanti Ganguly)। নারিমন পয়েন্টে অফিস রয়েছে হৈমন্তী অ্যাগ্রো ফাউন্ডেশনের। জানা গিয়েছে, গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর মুম্বইয়ের সংস্থার অ্যাকাউন্টে ৬৮ লক্ষ টাকা গিয়েছিল এক সময়। আরেকবার হৈমন্তীর কাছে গিয়েছিল ১২ লক্ষ টাকা। গোপাল দলপতির নামে আরও ৫টি শেল কোম্পানির হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এই কোম্পানিগুলির মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে অনুমান করা হচ্ছে। স্ত্রী তথা হৈমন্তীকে যতই ‘ইনোসেন্ট’ বলে দাবি করুক না কেন গোপাল দলপতি, তদন্তকারীরা আসল সত্য উদঘাটন করেই ছাড়বেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Haimanti Ganguly: গোপালের সান্নিধ্যে আসতেই রকেটের গতিতে উত্থান হৈমন্তীর! সবই নিয়োগ দুর্নীতির টাকায়?

    Haimanti Ganguly: গোপালের সান্নিধ্যে আসতেই রকেটের গতিতে উত্থান হৈমন্তীর! সবই নিয়োগ দুর্নীতির টাকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে এখন একটা নাম নিয়েই তোলপাড় রাজ্য। তা হল— হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় (Haimanti Ganguly)। এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন হৈমন্তীর নাম। তারপর থেকেই প্রতিনিয়ত নিত্য-নতুন তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে হৈমন্তীর বিষয়ে। 

    কুন্তলের দাবি অনুযায়ী, পেশায় মডেল-অভিনেত্রী হৈমন্তী (Haimanti Ganguly) হলেন এই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত গোপাল দলপতির দ্বিতীয় স্ত্রী। হৈমন্তীর মা-ও একই কথা জানান যে, গোপালের সঙ্গে তাঁর বড় মেয়ে অর্থাৎ হৈমন্তীর বিয়ে হয়েছিল। যদিও, তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গোপাল ও হৈমন্তী একত্রবাস করতেন। অর্থাৎ, লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে, হৈমন্তীর সঙ্গে টলিউড যোগসূত্র রয়েছে৷ মডেলিংয়ের মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু হৈমন্তী গুটিকয়েক সিনেমাতেও কাজ করেছেন৷

    এত সম্পত্তির উৎস কী?

    প্রশ্ন হচ্ছে, এই ছুটকো-ছাটকা কাজ দিয়ে কী করে একজনের এত সম্পত্তি হল? স্বাভাবিকভাবেই মনে ঘুরে-ফিরে আসছে এই দুর্নীতিকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়া গ্ল্যামার দুনিয়ার প্রথম নারী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সান্নিধ্যে আসার পর থেকেই ভাগ্য ‘খুলে’ গিয়েছিল অর্পিতার। এখানেও তাহলে কেউ রয়েছেন হৈমন্তীর (Haimanti Ganguly) উত্থানের নেপথ্যে?

    সূত্রের খবর, মোট তিনটি ছবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হৈমন্তী(Haimanti Ganguly)। অভিনয় করেন ‘অচেনা উত্তম’, ‘জাল’ এবং ‘আনটোল্ড লাভ’ নামে তিনটি চলচ্চিত্রতে। এর মধ্যে জাল ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বাকি দুটি বি-গ্রেড ছবি। জানা গিয়েছে, এক সিরাজ নামে কাঠ মিস্ত্রির কথায় ‘অচেনা উত্তম’ ছবিতে নার্সের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ‌্যায়। ওই কাঠের মিস্ত্রির কথায় হৈমন্তীকে অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন টলিউডের এক নামী পরিচালক। কিন্তু, কাজের দ্বিতীয় দিনেই প্রযোজকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করায় তাঁকে বাদ দিয়ে দেন পরিচালক। 

    আবার অন‌্য একটি ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন হাওড়ার এক লোহালক্কড়ের ব‌্যবসায়ীর হাত ধরে। দু’জনই হাওড়ার বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে একে অন্যের পরিচিত। সেই সূত্র ধরে ওই ছবির পরিচালকের কাছে হৈমন্তীকে (Haimanti Ganguly) নিয়ে আসেন ব‌্যবসায়ী। পরিচালক ওই ব‌্যবসায়ীর অনুরোধে তাঁকে অভিনয়ের সুযোগ দেন। কিন্তু, এই তিনটে ছবি ও সামান্য মডেল হয়ে, কোথা থেকে পেতেন এত টাকা, সেখানেই দানা বাঁধছে প্রশ্ন। 

    উল্কাবেগে উত্থান

    সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৫-১৬ সালে গোপালের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয় হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। সেই সময় হৈমন্তী উঠতি মডেল হওয়ায় সেভাবে কাজ পাচ্ছিলেন না। এদিকে, তাপস মণ্ডল থেকে শুরু করে কুন্তল ঘোষের মতো একাধিক প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল গোপালের। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, গোপালের সঙ্গে পরিচয়ের পর রকেটের গতিতে উত্থান হয় হৈমন্তীর (Haimanti Ganguly)। শাসকদলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে টলিউডে জায়গা করেন তিনি। অল্প সময়ের মধ্যেই আর্থিক দিক দিয়ে লাভবান হতে শুরু করেন এই মডেল-অভিনেত্রী। হৈমন্তী রীতিমতো নিজের বিনোদন সংস্থা খুলে বসেছিলেন। বেহালায় সেই অফিস রয়েছে। কর্ণধার হিসেবে রয়েছে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম, যিনি কিনা গোপাল দলপতি নামেও পরিচিত। 

    আরও পড়ুন: বেহালায় হৈমন্তীর ফ্ল্যাটের সামনে উদ্ধার ‘রোল নম্বর’ লেখা কাগজ! শিক্ষক নিয়োগের কি?

    এখানেই শেষ নয়। সূত্রের খবর, সিনেমাতে প্রযোজক হিসেবে নাকি টাকাও ঢালতে চেয়েছিলেন হৈমন্তী (Haimanti Ganguly)। তদন্তকারীদের ধারণা, নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় সিনেমা প্রযোজনার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। গোয়েন্দাদের মতে, এসএসসি দুর্নীতির বিপুল টাকা ওই বিনোদন সংস্থার মাধ‌্যমে যেমন পাচার হয়েছে, তেমনই ওই সংস্থাটির মাধ‌্যমে হৈমন্তী কিছু গানের ভিডিও বা ছবিও তৈরি করার চেষ্টা করেন। আবার সংস্থাটি কোনও সিনেমার প্রযোজনা করেছিল কি না, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। 

    মিলল শেয়ারের কাগজ

    বেহালা, টালিগঞ্জে ফ্ল্যাটের সন্ধান ইতিমধ্যেই মিলেছে। এছাড়া, বেহালা ও বিবাদি বাগে দুটি অফিসের সন্ধানও পাওয়া গিয়েছে। মুম্বইতেও একটি সংস্থা রয়েছে, যার ডিরেক্টর পদে রয়েছেন হৈমন্তী (Haimanti Ganguly)। নরিম্যান পয়েন্টে তার একটা দফতর রয়েছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, নিয়োগ দুর্নীতি চক্রে গোপাল যতই জড়িয়ে যেতে থাকেন, ততই জড়াতে থাকেন হৈমন্তী। স্বামীর কাজকর্মের সম্পর্কে নাকি তিনি ভালই ওয়াকিবহাল ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: কত টাকা রয়েছে হৈমন্তীর কাছে? ইডি-র দাবি শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    শুধু তাই নয়। গতকাল, হৈমন্তীর (Haimanti Ganguly) বেহালার ফ্ল্যাটের বাইরে আস্তাকুঁড় থেকে কিছু কাগজ পাওয়া গিয়েছে। তার মধ্যে একটি কাগজ ছিল শেয়ার কেনার আবেদনপত্র। তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৩ সালে একটি আর্থিক সংস্থার ২ লক্ষ শেয়ার কেনার জন্য আবেদন করেছিলেন হৈমন্তী। যার দাম প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। আবেদনপত্রে পেশা হিসাবে ‘ব্যবসা’র কথা লিখেছিলেন তিনি।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো কি নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় করা? হৈমন্তীর এই বিপুল অর্থের উৎস সন্ধানে নেমেছেন তদন্তকারীরা।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    Recruitment Scam: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত সময় যাচ্ছে, ততই প্রকাশ্যে আসছে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (Recruitment Scam) নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনের বিভিন্ন টুকরো। 

    বৃহস্পতিবার কুন্তল দাবি করেন, গোপাল দলপতির স্ত্রী হলেন হৈমন্তী। পেশায় মডেল। হুগলির যুব তৃণমূল নেতার দাবি, সব টাকা নাকি আছে হৈমন্তীর কাছে। শুক্রবার জানা যায়, হৈমন্তীর বাড়ি হাওড়ায়। বাকসাড়া রোডের সেই বাড়ির সামনে শুক্রবার সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য। জানা গিয়েছে, এখান থেকে মডেল-অভিনেত্রী হিসেবে হৈমন্তীর উত্থান প্রায় উল্কার গতিতে। তাই সকাল থেকে সকলের নজরে তাঁর এই বাড়িই। সকলেরই মনে কৌতূহল, কী করতেন হৈমন্তী? 

    জানা গিয়েছে, মডেলিংয়ে হাতেখড়ি হওয়ার পর হৈমন্তী অভিনেত্রী হিসেবে টলিউডে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টায় ছিলেন। বছর আটেক আগে গোপাল দলপতির সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। তারপর ঘনিষ্ঠতা, সেখান থেকে প্রেম, বিয়ে। হৈমন্তীর বাপের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, গোপাল দলপতির সঙ্গে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন হৈমন্তী। কিন্তু পরে ডিভোর্স হয়ে যায়। এমনটাই জানিয়েছে তাঁর পরিবার।  তবে সিবিআই সূত্রে খবর, গোপালের সঙ্গে লিভ-ইন করতেন হৈমন্তী। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    হৈমন্তীর টলিপাড়ায় যোগ

    যতদূর জানা যাচ্ছে, পেশায় হৈমন্তী একজন মডেল। মডেলিং সহ দু’একটি অনামি সিনেমাতেও অভিনয় করেন হৈমন্তী। হৈমন্তীর টলিউড যোগ নিয়েও তথ্য মিলেছে। মডেলিং ছাড়াও বেশ কিছু ছবিতে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন গোপাল ওরফে আরমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে ‘জাল’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, দোলন রায় দের সঙ্গে ও অভিনয় জীবনে কাজ করেন হৈমন্তী। এই সিনেমায় সমীর কুমার পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। হাওড়ার লোহার ব্যবসায়ী এই ব্যক্তি আবার হৈমন্তীরই পরিচিত বলে জানা যাচ্ছে।

    এছাড়া, শোনা যায়, বাংলা ছবি ‘অচেনা উত্তম’-এ অভিনয় করেছিলেন হৈমন্তী। নার্সের চরিত্রের জন্য তাঁকে ভাবা হয়েছিল এই সিনেমায়। কিন্তু পরে এই সিনেমা নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হওয়ায় তা আর হয়ে ওঠেনি। বাড়ির পাশের ডাস্টবিন থেকে নাকি একটি চিত্রনাট্যও (Script) পাওয়া গিয়েছে, যেখানে হৈমন্তীর চরিত্র সম্পর্কে লেখা। হৈমন্তী অভিনীত আরও একটি ছবি ‘আনটোল্ড লাভ’, একটি ছোট চরিত্রে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যায় সেখানে।

    হৈমন্তীর টাকার উৎস কী?

    এদিকে, হৈমন্তী সম্প্রতি বেহালায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। মুম্বইয়ে কাজ খুঁজছিলেন। তবে সামান্য কাজ করে কীভাবে বেহালার মতো জায়গায় ফ্ল্যাট কিনলেন তিনি, টাকার উৎস কী, সেসব প্রশ্ন উঠছেই। কুন্তলের দাবি অনুযায়ী, গোপাল দলপতির কাছে নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা গিয়েছে। সেই টাকা মুম্বাইয়ে গোপাল দলপতির স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের কোম্পানির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে।

    এখন হৈমন্তী কোথায়, কেউ জানেন না। তাঁর খোঁজ চলছে। তাঁকে পাওয়া গেলে অনেক রহস্যের জট কাটবে বলে আশা করছেন তদন্তকারীরা। 

LinkedIn
Share