Tag: Haldwani

Haldwani

  • Rahul Gandhi: খাড়গের সভার পর ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্ক, রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা

    Rahul Gandhi: খাড়গের সভার পর ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্ক, রাহুলের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদ্বানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভার পর রামলীলা ময়দানে তথাকথিত শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানকে (Purification Controversy) কেন্দ্র করে বিতর্কের জেরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, এই ঘটনাকে ঘিরে রাহুলের মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের পাশাপাশি শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদেরও অপমান করা হয়েছে।

    রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর (Rahul Gandhi)

    হলদ্বানি কোতোয়ালি থানায় এই মামলা দায়ের হয়েছে হলদ্বানির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অমিত কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে। তিনি ওই শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬ ও ২৯৯ ধারা এবং তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের ৩(১)(কিউ) ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

    অমিত কুমার এবং বিনোদ কুমার আর্য এর আগে রাহুলের মন্তব্য নিয়ে হলদ্বানি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি, রামলীলা ময়দানে তথাকথিত শুদ্ধিকরণ নিয়ে রাহুলের মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে মামলা রুজু করা হয়।

    খাড়গের সভার পর থেকেই বিতর্ক

    গত ৮ অগাস্ট হলদ্বানির রামলীলা ময়দানে একটি জনসভায় ভাষণ দেন খাড়গে। সভা শেষ হওয়ার পর বিজেপির নেতা ও কর্মীরা ওই ময়দানে শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ করেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি গোটা চত্বরে গঙ্গাজল ছড়ানো হয় বলেও জানা যায়।

    এই শুদ্ধিকরণ কর্মসূচির পক্ষে সওয়াল করেন বিজেপির উত্তরাখণ্ড সভাপতি মহেন্দ্র ভট্ট-সহ দলের একাধিক নেতা। এদিকে, কংগ্রেস এই ঘটনায় তীব্র আপত্তি জানায়। দলের অভিযোগ ছিল, খাড়গে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ার কারণেই তাঁর সভাস্থল শুদ্ধিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানায় কংগ্রেস।

    বিষয়টি নিয়ে সরব হন রাহুল

    পরবর্তী সময়ে রাহুলের বক্তব্যেও উঠে আসে রামলীলা ময়দানের শুদ্ধিকরণের প্রসঙ্গ। তিনি শুদ্ধিকরণ কর্মসূচির সঙ্গে দলিতদের মর্যাদার প্রশ্নটি যুক্ত করেন এবং খাড়গের সভার পর কেন এমন কর্মসূচির প্রয়োজন হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন (Rahul Gandhi)।

    কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, খাড়গের সভার পর অনুষ্ঠানস্থল শুদ্ধিকরণ করা আসলে দলিত সম্প্রদায়ের প্রতি অপমান এবং বৈষম্যের প্রকাশ।

    অন্যদিকে, রাহুলের মন্তব্যকেই অপমানজনক বলে অভিযোগ করেছেন মামলার অভিযোগকারী। তাঁর দাবি, ওই মন্তব্যে দলিত সম্প্রদায়ের পাশাপাশি শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষদেরও অসম্মান করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। এই ধারায় ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বসবাসের স্থান, ভাষা, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা কিংবা তা বাড়ানোর চেষ্টা-সহ সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারা ইচ্ছাকৃত ও বিদ্বেষপূর্ণ এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত, যার উদ্দেশ্য কোনও শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা বা তাদের ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপমান করে ক্ষোভ সৃষ্টি করা।

    অন্যদিকে, তফসিলি জাতি ও তফসিলি জনজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের ৩(১)(কিউ) ধারায় কোনও সরকারি কর্মচারীকে মিথ্যা বা জাল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার উদ্দেশ্য সেই কর্মচারীকে তাঁর আইনসিদ্ধ ক্ষমতা ব্যবহার করে তফসিলি জাতি বা তফসিলি জনজাতির কোনও সদস্যের ক্ষতি বা হয়রানি করার দিকে পরিচালিত করা।

    রাজনৈতিক বিতর্ক এবার আইনি লড়াইয়ে

    রামলীলা ময়দানের তথাকথিত শুদ্ধিকরণকে ঘিরে বিজেপি ও কংগ্রেসের পরস্পরবিরোধী অভিযোগ এবার আইনি লড়াইয়ের পর্যায়ে পৌঁছেছে। কংগ্রেস যেখানে ঘটনাটিকে দলিতদের মর্যাদা ও বৈষম্যের (Purification Controversy) প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেছে, সেখানে মামলার অভিযোগকারী রাহুলের মন্তব্যকেই দলিত সম্প্রদায় এবং শুদ্ধিকরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি অপমানজনক বলে দাবি করেছেন (Rahul Gandhi)।

     

  • Rahul Gandhi: হালদ্বানিতে ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, রাহুলের অভিযোগ খারিজ দলিত ব্যক্তির

    Rahul Gandhi: হালদ্বানিতে ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, রাহুলের অভিযোগ খারিজ দলিত ব্যক্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের হালদ্বানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভাস্থলে ‘শুদ্ধিকরণ’ যজ্ঞকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে নতুন মোড়। রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) যেখানে ঘটনাটিকে দলিতদের বিরুদ্ধে অস্পৃশ্যতার প্রকাশ বলে অভিযোগ করেছেন, সেখানে ওই যজ্ঞে অংশ নেওয়া দলিত সম্প্রদায়েরই এক ব্যক্তি সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন (BJP)।

    অঙ্কিত পাল নামে ওই ব্যক্তি বাল্মীকি সম্প্রদায়ের সদস্য এবং ‘শ্রী রাম সেবা ধর্মার্থ ন্যাসে’র সঙ্গে যুক্ত বলে খবর। সংগঠনটির সদস্যরাই গত ১০ অগাস্ট হালদ্বানির রামলীলা ময়দানে যজ্ঞ ও কথিত ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান করেছিলেন। এর দু’দিন আগে, ৮ অগাস্ট ওই একই জায়গায় কংগ্রেসের একটি জনসভা হয়েছিল। সভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, যিনি আবার দলিত সম্প্রদায়ের নেতা।

    ২৯ অগাস্ট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অঙ্কিত দাবি করেন, খাড়গে দলিত হওয়ার কারণে ওই যজ্ঞ করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেসের সভার পর রামলীলা আয়োজনের ঐতিহ্যবাহী ওই জায়গাটি নোংরা অবস্থায় পড়ে ছিল। সভায় আসা কিছু মানুষ সেখানে প্রস্রাব ভর্তি বোতলও ফেলে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। সেই কারণেই জায়গাটি পরিষ্কার করার পর পবিত্রতা ফিরিয়ে আনতে যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।

    অঙ্কিত আরও দাবি করেন, ওই কংগ্রেস সভায় হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হওয়ার জন্য ব্যবহৃত মঞ্চ থেকে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। তবে এই স্লোগান ঠিক কোথা থেকে এবং কী পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও, খবরের সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

    শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ! (Rahul Gandhi)

    অঙ্কিত বলেন, “শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ করা হয়েছিল কারণ ওই মঞ্চে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হয়েছিল। প্রথমত, এটি একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ এবং কোনও রাজনৈতিক দলকে ওই মঞ্চ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। ওই মঞ্চ থেকেই ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেওয়া হয়েছিল, আমরা যে ভিডিয়োগুলি পেয়েছি তাতে তা দেখা গিয়েছে। তাই জায়গাটির শুদ্ধিকরণের জন্য সেখানে যজ্ঞ করা হয়েছিল।”

    অঙ্কিতের এই বক্তব্য কংগ্রেসের সেই অভিযোগকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে ফেলেছে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে খাড়গে দলিত হওয়ার কারণেই সভাস্থলের ‘শুদ্ধিকরণ’ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে, যজ্ঞের সঙ্গে বিজেপির সরাসরি যোগ থাকার অভিযোগও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অঙ্কিত জানিয়েছেন, তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন; তিনি ‘শ্রী রাম সেবা ধর্মার্থ ন্যাসে’র সঙ্গে যুক্ত (Rahul Gandhi)।

    রাহুলের অভিযোগ, ‘শুদ্ধিকরণ’ আসলে অস্পৃশ্যতা

    এর আগে কংগ্রেস এই ঘটনাকে দলিত-বিরোধী মানসিকতার প্রকাশ বলে অভিযোগ করেছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, খাড়গের মতো একজন দলিত নেতা সভায় আসার পর মঞ্চের ‘শুদ্ধিকরণ’ করা আসলে অস্পৃশ্যতারই একটি রূপ।

    ২৯ অগাস্ট রাহুল এই ইস্যুতে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতির উপর অত্যাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করার দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাটি সংবিধানবিরোধী এবং বিজেপি-আরএসএসের মানসিকতার প্রতিফলন।

    রাহুল বলেন, “এটি একটি অপরাধ। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী এটি একটি অপরাধ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, দলিতরা যত বেশি সাফল্য অর্জন করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তত বেশি আক্রমণ হয়। তাঁর দাবি, হালদ্বানির ঘটনাটি শুধু খাড়গের বিষয় নয়, দেশের সমস্ত দলিত মানুষের সম্মানের সঙ্গে যুক্ত।

    বিজেপির পাল্টা দাবি

    কংগ্রেসের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠানটি খাড়গের জাতিগত পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। হালদ্বানি ময়দানে সভার পর (BJP) পড়ে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করার পর ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল (Rahul Gandhi)।

     

  • Congress: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করবে কংগ্রেস, জানালেন খাড়গে

    Congress: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করবে কংগ্রেস, জানালেন খাড়গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলের তীব্র বিরোধিতা করবে কংগ্রেস (Congress)। সোমবার বিরোধী দলগুলির সংসদীয় দলনেতাদের বৈঠকে বিলটি নিয়ে কৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। শনিবার উত্তরাখণ্ডের হালদোয়ানির (FCRA Bill) এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। পরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাড়গে জানান, আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের কর্মীদের চাঙা করতেই তাঁর উত্তরাখণ্ড সফর। রাজ্য সফরের সময় তিনি এদিন রুদ্রপুরে নবনিযুক্ত রাজ্য ও জেলা সভাপতিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

    বিলের বিরোধিতা করব! (Congress)

    সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে লোকসভায় বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলটি পেশ হতে পারে বলে খবর। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে বলেন, “আমরা বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংক্রান্ত এই উদ্যোগের বিরোধিতা করব। আগামীকাল সংসদীয় দলনেতাদের বৈঠকের পরে আমরা কৌশল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেব।” উত্তরাখণ্ডে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কংগ্রেস কর্মীরা কাজ করছেন বলেও দাবি করেন খাড়গে। দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করতে তাঁর নিয়মিত রাজ্য সফরের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সভাপতি। প্রতিদিন এখানে আসা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, কিন্তু আমাদের বাহিনী এখানে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি কি প্রতিদিন এখানে আসেন? অমিত শাহ কি এখানে আসেন? নাড্ডা, যিনি এই অঞ্চল থেকেই এসেছেন, তিনিও কি এখানে আসেন? নতুন বিজেপি সভাপতিও কি এখানে আসেন?”

    সরকার বিল চাপিয়ে দিতে পারে না

    তিনি এও বলেন, “দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করার প্রয়োজন হলে আমরা তখনই এবং সেখানেই যাই। তার অর্থ এই নয় যে পর্যটকের মতো এসে শুধু চলে যাই।” বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলের বিরোধিতা ইতিমধ্যেই একাধিক বিরোধী দল করেছে। কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল শুক্রবার জানিয়েছিলেন, দল এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করবে। তাঁর কথায়, “সরকার এই ধরনের বিল জোর করে চাপিয়ে দিতে পারে না।” ২০১০ সালের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের লক্ষ্যে বিলটি আনা হচ্ছে। বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোই এই সংশোধনের ঘোষিত উদ্দেশ্য।

    বিল নিয়ে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিক সুপারিশ এবং আঞ্চলিক উদ্বেগ তুলে ধরেন। পরে লালদুহোমা জানান, শাহের কাছে তিনি ছ’টি বিষয় উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে যে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, তা হল এই আইন অতীত থেকে কার্যকর হবে না। আমাদের সেই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বাকি বিষয়গুলিতে তিনি অনুচ্ছেদ ধরে মন্তব্য করবেন এবং চলতি মাসের ১২ তারিখ থেকে সংসদে আলোচনা শুরু করবেন (Congress)।” বিলের কয়েকটি বিধানের বিরোধিতা করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সংসদে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ।

    বিল প্রত্যাহারের দাবি

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমের সভাপতি এমকে স্টালিনও শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে ২০১০ সালের ওই আইনের ১৫ নম্বর ধারা বাতিলের দাবিও জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় স্টালিন জানান, সংখ্যালঘুদের যৌথ কর্মসূচি মঞ্চের একটি প্রতিনিধিদল ৬ আগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমের রাজ্যসভার সাংসদ পি উইলসন। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারাও ওই দলে ছিলেন। শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টিও এই বিলের বিরোধিতা করেছে।

    আত্মবিশ্বাসী খাড়গে

    এদিকে, শনিবার হালদোয়ানির জনসভায় খাড়গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস সরকার গঠন করবে (FCRA Bill)। দিল্লিতে প্রতিবাদী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশের দমন-পীড়ন নিয়েও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে মন্দিরের অনুদান, বেকারত্ব, নিয়োগ পরীক্ষা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো বিষয় নিয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন খাড়গে (Congress)।

     

  • Haldwani Violence: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    Haldwani Violence: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারের হিংসার পর কেটে গিয়েছে আরও দুদিন। এখনও থমথমে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি এলাকা (Haldwani Violence)। ফের অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা বনভুলপুরার বাসিন্দারা। ভয়ে তল্পিতল্পা গুটিয়ে ভিটে ছাড়ছেন অনেকে। যাঁদের সে উপায় নেই, তাঁরা রয়েছেন ঘরে সিঁটিয়ে।

    গ্রেফতার ৩০

    হিংসার ঘটনায় রবিবার বিকেল পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। এদিকে, রাজ্য সরকারের তরফে আরও মিলিটারি ফোর্স মোতায়েন করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। বনভুলপুরা এলাকায় এখনও জারি রয়েছে কারফিউ। কয়েকটি এলাকায় দোকানদানি খুলেছে। ইন্টারনেট পরিষেবাও মিলছে। ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। রবিবার তিনি (Haldwani Violence) বলেন, “দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হলদোয়ানিতে দুষ্কৃতীরা মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও অশালীন আচরণ করেছে। দুর্ব্যবহার করেছে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গেও। দুষ্কৃতীরা তাঁদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিল। দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করতে দেওয়া হবে না কোনওভাবেই। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    হিংসার নেপথ্যে

    প্রসঙ্গত, হলদোয়ানিতে সরকারি জমি দখল করে মাদ্রাসা ও মসজিদ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছিল। সেগুলি তুলে দিতে পদক্ষেপ করেছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। ওই মাদ্রাসা ও মসজিদকে বেআইনি নির্মাণ বলে ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। এর পরেই আদালতের নির্দেশে ওই নির্মাণ দুটি ভাঙতে যায় পুলিশ-প্রশাসন। তখনই ছড়ায় হিংসা। পুলিশের ওপর হামলা চালায় স্থানীয়দের একটা বড় অংশ। পুলিশকর্মী, পুরসভার কর্মীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। হামলায় জখম হয়েছেন পুলিশের কয়েকজন কর্মী। জখম হয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাইক এবং গাড়িতে।

    আরও পড়ুুন: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ কর্মী। দেরাদুন, হরিদ্বার ও উধম সিংহ নগরেও ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। গঠন করা হয়েছে টাস্কফোর্স। প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি রয়েছে নিয়ন্ত্রণে। দোষীদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ভয়ে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে চলে যাচ্ছেন স্থানীয়দের অনেকেই। ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবারই হলদোয়ানি এলাকায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলা পুলিশ আধিকারিক সহ যাঁরা জখম হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন (Haldwani Violence) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share