Tag: ham radio

ham radio

  • India: বাংলাদেশকে বার্তা দিল ভারত! ছোট শিশুর জীবন বাঁচাতে দিল্লি থেকে উড়ে গেল প্রাণদায়ী ওষুধ

    India: বাংলাদেশকে বার্তা দিল ভারত! ছোট শিশুর জীবন বাঁচাতে দিল্লি থেকে উড়ে গেল প্রাণদায়ী ওষুধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে (India) হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া জয়ী হয়েছিল। আর সেই ফাইনাল খেলায় ভারতকে হারতে দেখে বাংলাদেশিরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছিলেন। কেউ কেউ আবার পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেছেন বলে নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বিশ্ববাসী তা দেখেছেন। ভারতের প্রতি প্রতিবেশী দেশের এত ঘৃণা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। বাংলাদেশে ৬ বছরের এক শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (India)

    হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, আচমকা রেডিও তরঙ্গে এসএমএস  বাংলাদেশের এক হ্যাম রেডিওর সদস্য জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ছয় বছর বয়সী একটি শিশু। চিকিৎসক  যে ওষুধ লিখেছেন সমগ্র বাংলাদেশ তন্ন তন্ন করেও তার হদিশ মেলেনি। ওষুধ খুঁজে বের করার আর্জি জানান তিনি। ভারতীয় (India) হ্যামরা সেই ওষুধের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন। কলকাতায়  ওই ওষুধের সমগোত্রীয় একটি ওষুধ পাওয়া গেলেও একই ওষুধ না হওয়ায় তা দিতে চিকিৎসকরা রাজি হননি। ফের, ওষুধ খোঁজা শুরু হয়। দিল্লিতে পাওয়া যায় ওই ওষুধ। সেই ওষুধ অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে দিল্লি থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

    বাংলাদেশ হাই কমিশন  এগিয়ে আসেনি, আক্ষেপ হ্যাম কর্তার

    ওয়েস্ট বেঙ্গল হ্যাম রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, খগেন্দ্রনাথ জানা নামে এক হ্যামের সদস্য ওষুধ জোগাড় করেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনে যোগাযোগ করি আমরা। সেই সাহায্য করেনি। পরে, অহিরুজ্জামান খান নামে বাংলাদেশে এক নাগরিকের সন্ধান পাই আমরা। তাঁর মাধ্যমে ছোট্ট শিশুর আমরা প্রাণদায়ী সেই ওষুধ পাঠানোর ব্যবস্থা করি। ভারত (India) হারের জন্য বাংলাদেশিরা আনন্দে মেতে উঠেছিল তার যোগ্য জবাব দেওয়া হল। কারণ, ভারত ভালবাসতে জানে। এই ভারতের জন্য ওই দেশের ফুটফুটে এক শিশু কন্যা প্রাণে বাঁচবে। সেখানকার নাগরিকরা আমাদের দেশের প্রতি ঘৃণা ছেড়ে ভালোবাসা শুরু করবে, তত তাঁদের মঙ্গল। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আমরা চাই, ছোট্ট শিশুটির হাসিতে ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীর হাত আরও  শক্ত হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Missing: বারো বছর ধরে নিখোঁজ!  খুঁজে পেলেন বাড়ির ঠিকানা, কীভাবে?

    Missing: বারো বছর ধরে নিখোঁজ! খুঁজে পেলেন বাড়ির ঠিকানা, কীভাবে?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক বা দুবছর নয়, বারো বছরের বেশি সময় ধরে কোনও খোঁজ  ছিল না শিব নারায়ণ শর্মার। মধ্য প্রদেশের বরেথা গ্রামে তাঁর বাড়ির লোকজন ধরেই নিয়েছিলেন তিনি আর বেঁচে নেই। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ (Missing) ডায়েরি করা হয়েছিল। কিন্তু, আর তাঁর কোনও হদিশ মেলেনি। রবিবার হ্যাম রেডিওর পক্ষ থেকে তাঁদের পরিবারের লোকজনের কাছে ফোন যায়। তখনই তাঁরা জানতে পারেন, শিব নারায়ণ শর্মা রয়েছে। আর তাঁর বেঁচে থাকার খবর পৌঁছাতেই আনন্দে মেতে ওঠেন পরিবারের লোকজন। তাঁরা শিব নারায়ণবাবুকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কলকাতার উদ্দেশে ইতিমধ্যেই রওনা হয়েছেন।

    কী করে নিখোঁজ হয়েছিলেন শিব নারায়ণ? Missing

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিব নারায়ণবাবু পেশায় গাড়ির চালক ছিলেন। বাড়িতে মা, বাবা, ভাই সকলেই ছিলেন। তিনি তখনও বিয়ে থা করেন নি। ভাই ছোট ছিল। ট্রাক নিয়ে তিনি ভিন রাজ্যে যেতেন।  বারো বছর আগে তিনি ট্রাক নিয়ে মহারাষ্ট্রে কাজে গিয়েছিলেন। রাস্তার ধারে একটি ধাবায় খালাসির সঙ্গে তিনি খেতে বসেন। তারপর হাত ধুতে যাচ্ছি বলে তিনি চলে যান। আর তাঁর কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। গাড়ির মালিক বাড়ির লোকজনকে জানান। বাড়ির লোকজন থানায় মিসিং (Missing) ডায়েরি করেন। কিন্তু, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। শিব নারয়ণের ভাই ভগবান শর্মা বলেন, দাদা বেঁচে রয়েছে তা আমরা ভাবতে পারিনি। এখন মা, বাবা কেউ আর বেঁচে নেই। ওরা থাকলে আরও খুশি হত। এতদিন পর দাদাকে ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে।  দাদাকে আনার জন্য আমরা রওনা দিয়েছি।

    কী করে খোঁজ মিলল? Missing

    মহারাষ্ট্রে নিখোঁজ (Missing)  হওয়ার পর তিনি একাধিক রাজ্যে ঘুরে বেরিয়েছেন। পরে, ট্রেনে করে কলকাতায় আসেন। পরে, সেখান থেকে ট্রেনে করে হিঙ্গলগঞ্জ চলে যান। এই বিষয়ে হ্যাম রেডিওর ওয়েস্ট বেঙ্গল শাখার রাজ্য সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, শিব নারায়ণবাবুকে হিঙ্গলগঞ্জ বাজার থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বৃষ্টির মধ্যে ভিচ্ছিলেন। বাজার কমিটির সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। পরে, তাঁকে নতুন পোশাক পড়িয়ে তাঁর সম্পর্কে খোঁজ খবর করেন। পরে, তিনি আমাদের বিষয়টি জানান। আমরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তাঁর ছবি পাঠিয়ে দিই। পরে, মধ্য প্রদেশ থেকে তাঁর গ্রামের ঠিকানা পাই। পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি। আর শিব নারায়ণবাবুর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ১২ বছর আগে মানসিক অসুস্থতার কারণে তিনি হারিয়ে গিয়েছিলেন। গত ১২ বছরে তিনি বিহার, উত্তর প্রদেশ, আসামসহ একাধিক রাজ্য ঘুরে বেরিয়েছেন। এতদিন পর ফিরে পেলেন তাঁর বাড়ির ঠিকানা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share