Tag: hanging

hanging

  • Supreme Court on Hanging: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ফাঁসিই বহাল, ‘আরও মানবিক’ পদ্ধতির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court on Hanging: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ফাঁসিই বহাল, ‘আরও মানবিক’ পদ্ধতির আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মৃত্যুদণ্ড (Supreme Court on Hanging) কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে আপাতত ফাঁসিই বহাল থাকল। ‘আরও মর্যাদাপূর্ণ ও কম যন্ত্রণাদায়ক’ বিকল্প পদ্ধতির দাবি জানিয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যতে বৃহত্তর পর্যালোচনা করার স্বাধীনতা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ বিদ্যমান পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই রায়ের ফলে কেন্দ্র সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক ও আইনি পর্যালোচনা করতে বাধাপ্রাপ্ত হবে না।

    ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে যন্ত্রণা

    আবেদনকারীদের মূল যুক্তি ছিল, ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় যন্ত্রণা ও কষ্টের সম্ভাবনা রয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পরও একজন বন্দির মানবিক মর্যাদা কতটা সুরক্ষিত থাকছে, সেই প্রশ্নই তাঁরা আদালতের সামনে তুলেছিলেন। ফাঁসির বিকল্প হিসেবে আবেদনকারীরা লেথাল ইনজেকশন, গুলি করে মৃত্যু এবং ইলেকট্রোকিউশন-সহ বিভিন্ন পদ্ধতি বিবেচনার দাবি জানিয়েছিলেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট এর মধ্যে কোনও পদ্ধতিকেই বিকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট বা অনুমোদন করেনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রকে ফাঁসির বদলে অন্য কোনও পদ্ধতি চালু করার নির্দেশও দেয়নি। বরং আদালত বিষয়টি কেন্দ্রের বিবেচনার উপর ছেড়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন কোনও বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য সামনে এলে এবং তাতে যদি প্রমাণিত হয় যে অন্য কোনও পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির যন্ত্রণা ও কষ্ট কমানো সম্ভব, তাহলে বিষয়টি ফের পর্যালোচনার সুযোগ থাকবে।

    মৃত্যুদণ্ড নয়, প্রশ্ন ছিল কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে

    এই মামলায় মূল প্রশ্ন ছিল না মৃত্যুদণ্ডের সাংবিধানিক বৈধতা। আবেদনকারীরা মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি বাতিলের দাবি জানাননি। তাঁদের আপত্তি ছিল কীভাবে সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে, তা নিয়ে। আবেদনকারীদের বক্তব্য ছিল, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির ক্ষেত্রেও মানবিক মর্যাদা বজায় রাখা প্রয়োজন এবং এমন কোনও পদ্ধতি থাকলে, যাতে মৃত্যুর সময় যন্ত্রণা কম হয়, তা বিবেচনা করা উচিত। এই মামলায় দীর্ঘ শুনানির পর গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ সুপ্রিম কোর্ট রায় সংরক্ষণ করেছিল। সেই রায়েই আপাতত দেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসিকে বহাল রাখা হয়েছে। ফলে এখনই ফাঁসির পদ্ধতিতে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। তবে কেন্দ্র চাইলে চিকিৎসাবিজ্ঞান, নতুন প্রযুক্তি এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে ভবিষ্যতে নতুন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নীতিগত পর্যালোচনা করতে পারবে।

  • Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর চোখের মণিতে গুলি! অভিযুক্ত শাহজাহানের ফাঁসি চান স্ত্রী

    Sandeshkhali: বিজেপি কর্মীর চোখের মণিতে গুলি! অভিযুক্ত শাহজাহানের ফাঁসি চান স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali), ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। জমিজমা, বাড়ি-ঘর, চাষের জমি থেকে শুরু করে মাছের ভেড়ি লুট করে অত্যাচার চালিয়েছে তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান-শিবু-উত্তমরা। শুধু তাই নয়, নিজেদের শারীরিক চাহিদা মেটাতে বাড়ির সুন্দরী বউদের রাতবিরেতে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন যৌননিগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামের মহিলারা। ঠিক একই অত্যাচারের কথা মনে করিয়ে দেয় ২০১৯ সালে এক বিজেপি কর্মীর নির্মম হত্যার ঘটনা। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে সরব হলেন এবার বিজেপির নির্যাতিত পরিবার। চোখের মণিকে লক্ষ্য করে পরপর ৮টি গুলি চালিয়ে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডলকে। এখন নিহত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী কঠোর শাস্তি চান এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

    জামাইষষ্ঠীর দিনেই নৃশংস হত্যাকাণ্ড (Sandeshkhali)

    নৃশংসতার বর্ণনা দিয়ে স্বামীহারা পত্নী এদিন বলেন, “দিনটি ছিল ২০১৯ সালের জামাইষষ্ঠী। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৫৬ নম্বর বুথের হাটগাছি অঞ্চলের ঘটনা। শেখ শাহজাহান প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লোক নিয়ে আক্রমণ করে আমাদের বাড়িতে। চারজন পুলিশ অন ডিউটি ছিল। আমার স্বামী প্রদীপকে লক্ষ্য করে চোখের মণিতে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। শরীরের সব জায়গায় অজস্র ভোজালির কোপ। আমার স্বামী এই ভয়ানক অত্যাচারের শিকার হন। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হলেন শেখ শাহজাহান, কাদের মোল্লা, আখের আলি গাইন, জিয়াউদ্দিন মোল্লা, আইফুল মোল্লা সহ আরও অনেকে।” কিন্তু পরে মামলার চার্জশিট হলে নিহত প্রদীপবাবুর স্ত্রী বলেন, “সিআইডি মামলার চার্জশিট জমা দিয়েছে, এফআইআর-এ এক নম্বরে নাম ছিল শাহজাহানের। কিন্তু এই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ষড়যন্ত্র করে। খুব নগণ্য দুই ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছে। আর তাই সিআইডি-কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি।”

    শাহজাহানের ফাঁসি চাই

    কিন্তু কেন স্বামীকে এইভাবে খুন হতে হল? প্রশ্ন প্রদীপের স্ত্রীর। প্রদীপ মণ্ডল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একজন সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভায় হাটগাছি অঞ্চলে বুথে বিজেপি জয়ী হয়েছিল। এই নির্বাচনের ফলাফলের পরই শাহজাহান বাহিনী আক্রমণ করে। স্বামীর এই নৃশংস হত্যার পর নিহত প্রদীপের স্ত্রী আতঙ্কে ছিলেন। ২০২১ সাল পর্যন্ত শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন প্রদীপের স্ত্রী। সেখানে মাছের ভেড়িতে ফিশারি চালাতেন। কিন্তু ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচনের ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে তাঁদের ফিশারিতে ব্যাপক লুটপাট চালায় তৃণমূলের গুন্ডারা। এরপর বাড়িছাড়া হন তাঁরা। দুই সন্তান নিয়ে অন্যত্র আত্মগোপন করে আছেন তাঁরা। শেখ শাহজাহানের ফাঁসি চান নিহত বিজেপি কর্মী প্রদীপবাবুর পত্নী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share