Tag: Happy Diwali 2022

Happy Diwali 2022

  • Kali Puja: কালীপুজোর দিন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মন্দিরে কী কী ভোগ দেওয়া হয় মাকে, জানেন?

    Kali Puja: কালীপুজোর দিন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মন্দিরে কী কী ভোগ দেওয়া হয় মাকে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কালীপুজা (Kali Puja)। দুর্গাপুজা শেষ হওয়ার পরেই কালী পুজোর প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে যায়। মা দুর্গা চলে গেলে সবার মন খারাপ থাকলেও আবার সবাই শ্যামা মায়ের অপেক্ষায় বসে থাকে। আর আজ সেই অপেক্ষার অবসান হল। প্রসঙ্গত, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম কালীপুজো আরম্ভ করেন। তারপর থেকেই সারা বাংলায় ধুমধাম করে শ্যামাপুজোর আরাধনা করা হয়।

    কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দীপান্বিতা কালীপুজা (Kali Puja) বিশেষ জাঁকজমক সহকারে পালিত হয়। দুর্গাপুজার পাশাপাশি কালী পুজোতেও বিভিন্ন আচার-নিয়ম থাকে। আর কালীপুজোর বিশেষ আকর্ষণই হল মায়ের ভোগ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শ্যামা মায়ের মন্দির। আর সেই এক এক মন্দিরের এক এক রকমের ভোগ মাকে ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়। কলকাতার সবচেয়ে বিখ্যাত কালীমন্দিরটি হল কালীঘাট মন্দির। এটি একটি সতীপীঠ। এছাড়া দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি, আদ্যাপীঠ, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, ফিরিঙ্গি কালীবাড়ি ইত্যাদি কলকাতা অঞ্চলের বিখ্যাত কয়েকটি কালী মন্দির। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সেবকেশ্বরী কালী মন্দিরও বেশ বিখ্যাত। কালী পুজোর সময় মায়ের যে ভোগ হয় তা অন্যান্য পুজোর থেকে বেশ কিছুটা আলাদা। একনজরে দেখে নিন, কোন মন্দিরে মাকে কী কী ভোগ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    কালীঘাট মন্দির

    সতীর একান্নপীঠের অন্যতম এই কালীঘাট (Kalighat)। সকালে মা-কে আমিষ পদ ভোগে দেওয়া হয়। সেই ভোগের মধ্যে রয়েছে বেগুনভাজা, পটলভাজা, কপি, আলু ও কাঁচকলা ভাজা, ঘিয়ের পোলাও, ঘি ডাল, শুক্তো, শাকভাজা, মাছের কালিয়া, পাঁঠার মাংস ও চালের পায়েস। তবে রাতে মা-কে নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। লুচি, বেগুনভাজা, আলু ভাজা, দুধ, ছানার সন্দেশ আর রাজভোগ থাকে কালীঘাটের ভোগে।

    সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির

    আনুমানিক ১৭০৩ সালে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী নামে এক তান্ত্রিক সন্ন্যাসী সেই সময় জঙ্গলের মধ্যে পঞ্চমুণ্ডির আসনে ও ঘটে পুজো (Kalipuja) শুরু করেন। কালীপুজোর রাতে ভোগ দেওয়া হয় লুচি, পটলভাজা, ধোঁকা বা আলুভাজা, আলুর দম ও মিষ্টি।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির

    ভোরে দেবী ভবতারিণীর বিশেষ আরতি দক্ষিণেশ্বরের পুজোর (Kalipuja) বিশেষ আকর্ষণ। আর ভোগে নিবেদন করা হয় সাদাভাত, ঘি, পাঁচরকমের ভাজা, শুক্তো, তরকারি, পাঁচরকমের মাছের পদ, চাটনি, পায়েস ও মিষ্টি।

    তারাপীঠ মন্দির

    কালী পুজোর (Kalipuja) দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তাঁরা। কালীপুজোর দিন তাঁরা মা-এর ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সেবকেশ্বরী কালী মন্দির

    শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক যাওয়ার পথে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এই কালী মন্দির। কালীপুজোর (Kalipuja) দিনগুলোতে এই সেবকেশ্বরী কালীমন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। সেবক পাহাড়ের নির্জনতায় হয় কালী মায়ের আরাধনা। অনেকেরই বিশ্বাস, দেবী অত্যন্ত জাগ্রতা। এখানে মা-এর ভোগে থাকে সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, তরকারি, পায়েস, লুচি, দই, মিষ্টি। আর এখানে ভোগের আকর্ষণ হল বোয়াল মাছ। এদিন এই মাছ দেবীর ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়।

  • Ekta Kapoor Diwali Party: জমজমাট একতা কাপুরের দিওয়ালি পার্টি, উপচে পড়েছিল পুরো বলিউড

    Ekta Kapoor Diwali Party: জমজমাট একতা কাপুরের দিওয়ালি পার্টি, উপচে পড়েছিল পুরো বলিউড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোর উৎসবে পুরো দেশ সাজতে শুরু করে দিয়েছে। সেখানে বলিউড কেন পিছনে থাকবে! বলিপাড়াতেও পুরোদমে চলছে দিওয়ালি সেলিব্রেশন। প্রায়ই তারকাদের ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যাচ্ছে দিওয়ালির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। গতকাল, শনিবার রাতে একতা কাপুর ধামাকাদার দিওয়ালি পার্টির আয়োজন করেছিলেন। সেই পার্টিতে যেন চাঁদের হাট বসেছিল। বলিপাড়ার কে না ছিলেন সেখানে! কিন্তু বাকি তারকাদের থেকে এই পার্টির অন্যতম আকর্ষণ ছিল যে, এই পার্টিতে দেখা গিয়েছিল করণ জোহার, কঙ্গনা রানাউত ও তাপসী পান্নুকে। তাঁদের একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক যে একেবারেই ভালো নয় তা সবারই জানা।

    গতকাল একতা কাপুরের জমজমাট পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বড় পর্দার তারকাদের থেকে শুরু করে ছোট পর্দার তারকারাও। এদিন উপস্থিত ছিলেন একতা কাপুরের বাবা জিতেন্দ্র, রাকেশ রোশন, আয়ুষ্মান খুরানা, রাজকুমার রাও, পত্রলেখা, কার্তিক আরিয়ান, অনন্যা পান্ডে, দিশা পাটানি, কৃতি শ্যানন, শমিতা শেট্টি, শিল্পা শেট্টি, করণ কুন্দ্রা, তেজস্বী প্রকাশ, মৌনি রায়, রিয়া কাপুর, হিনা খান, কারিশমা তান্না, অঙ্কিতা লোখান্ডে, তাঁর স্বামী ভিকি জৈন, নেহা ধুপিয়া, অঙ্গদ বেদি সহ আরও অনেকে।

    [insta]https://www.instagram.com/p/CkCw-_rI8m2/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    [insta]https://www.instagram.com/p/CkB0f22Bwww/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    তবে এদিন কঙ্গনা, করণ ও তাপসীকে একই পার্টিতে দেখে আলোচনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পার্টিতে বিশেষ কারও সঙ্গেই কথা বলতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে অঙ্কিতা লোখন্ডে ও স্বামী ভিকি জৈনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। কারণ তাঁদের সঙ্গে কঙ্গনার সম্পর্ক ভালো। তবে করণ ও তাপসীকে এড়িয়ে চলেছেন কঙ্গনা। ওঁরাও এড়িয়ে গিয়েছেন তাঁকে।

    [insta]https://www.instagram.com/reel/CkB0YylKqA3/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    এদিন একতার কাপুরের বাবা অভিনেতা জিতেন্দ্রর সঙ্গে রাকেশ রোশনকে ছবি তুলতে দেখা গিয়েছে। এদিনের সব ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ঝড়ের বেগে ভাইরাল। একাধিক ছবি, ভিডিও পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাপারাৎজিরা তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একের পর এক ভিডিও, ছবি পোস্ট করতেই থাকেন। পার্টিতে উপস্থিত সকলের সাজই ছিল নজরকাড়া।    

  • CAIT: উৎসবের মরশুমে কেনাকাটায় রেকর্ড! ব্যবসার পরিমাণ প্রায় ১.৫০ লক্ষ কোটি টাকা

    CAIT: উৎসবের মরশুমে কেনাকাটায় রেকর্ড! ব্যবসার পরিমাণ প্রায় ১.৫০ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুম বলতেই কেনাকাটা। এককথায় কেনাকাটা ছাড়া কি উৎসব উদযাপন করা যায়? অবশ্যই না। এবার এই কেনাকাটাকে ঘিরেই এক চমকপ্রদ খবর সামনে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, উৎসবের মরশুমে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে প্রায় ১.২৫ লাখ কোটি টাকারও বেশি জিনিসপত্র বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (সিএআইটি) (CAIT)। এই পরিমাণ আগের বছরের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। আগের বছর কেনাকাটা হয়েছিল প্রায় ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকার। অনুমান করা হয়েছে, এবছর প্রায় ১.৫০ লাখ কোটির বেশি কেনাকাটা হয়েছে।

    এই বছর CAIT-এর আহ্বানে, ব্যবসায়ীরা ভারতীয় পণ্য বিক্রির উপর জোর দিয়ে উৎসবটিকে “আপনি দিওয়ালি – ভারতীয় দিওয়ালি” হিসাবে উদযাপন করেছে। যার ফলে ক্ষুদ্র শিল্প, স্থানীয় ব্যবসা, কারিগর, শিল্পীদের ব্যবসাও ভাল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। CAIT-এর সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেছেন যে দিওয়ালি বিক্রির মোট ব্যবসা ১.৫০ লক্ষ কোটি অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে যা ভারতের খুচরো ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ব্যাপার।

    আরও পড়ুন: হোয়াইট হাউসে দীপাবলী পালন! প্রদীপ জ্বালালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, ধনতেরাসে মোট ২৫ হাজার কোটি টাকার সোনার ব্যবসা হয়েছে গত দু’দিনে। শুধুমাত্র ধনতেরাস উপলক্ষে সারা দেশে মোট ৪৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। CAIT-এর সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল আরও জানিয়েছেন, দু’বছর করোনার কারণে এই পরিমাণে কেনাকাটা হয়নি। ফলে এবার এই কেনাকাটার পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে বিক্রেতাদের মুখে হাসি। এর ফলে তাঁদের অবস্থাও কিছুটা উন্নতি হবে বলেই আশায় বুক বেঁধেছেন তাঁরা।

    প্রসঙ্গত, গত দুবছর করোনার দাপটে ভারতীয় অর্থনীতির অনেকটাই ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু এবছর কেনাকাটার পরিমাণ দেখে অনুমান করা হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও তার ক্ষতি পূরণ করতে পারবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে বিক্রি বাড়া যেহেতু অর্থনীতির সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতবাহী, তাই আর্থিক পুনরুজ্জীবন যে ঘটছে, তা স্পষ্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share