Tag: hariharpara

hariharpara

  • Murshidabad: হরিহরপাড়ায় স্কুলের কাছেই মিলল দু’ ব্যাগ সকেট বোমা, খড়গ্রামেও উদ্ধার তাজা বোমা

    Murshidabad: হরিহরপাড়ায় স্কুলের কাছেই মিলল দু’ ব্যাগ সকেট বোমা, খড়গ্রামেও উদ্ধার তাজা বোমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটপর্ব মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলাতে বেশ কিছু দিন ধরে বিভিন্ন জায়গাতে উদ্ধার হচ্ছে তাজা বোমা। বুধবার ফের মুর্শিদাবাদের দুটি থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধার হল। হরিহরপাড়ায় স্কুল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। কে বা কারা এত বোমা মজুত করেছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    স্কুলের কাছে কত বোমা উদ্ধার হল?

    বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়া থানার সদানন্দপুর এলাকায় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সদানন্দপুর প্রাইমারি স্কুল থেকে ৩০ মিটারের মধ্যে দু’ ব্যাগ ভর্তি সকেট বোমা বাজেয়াপ্ত করে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা তাড়াতে ঘটনাস্থল পাহারা দিয়ে রয়েছে কেন্দ্র বাহিনীর জওয়ান ও হরিহরপাড়া থানার পুলিশ। ইতিমধ্যে বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম্ব স্কোয়াডের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা কী কারণে বোমা মজুত করে রেখেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্কুলের কাছে এভাবে বোমা রাখা ঠিক হয়নি। বোমা বিস্ফোরণ হলেই বড় বিপদ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। বিশেষ করে স্কুলের পড়ুয়াদের জখম হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। অবিলম্বে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।

    খড়গ্রামেও উদ্ধার হল প্রচুর বোমা

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রাম পঞ্চায়েতের সুন্দরপুর গ্রামে মাঠের মধ্যে থেকে দুই বালতি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। এলাকার বাসিন্দারা প্রথমে দুই বালতি তাজা বোমা মাঠের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে, পুলিশকে খবর দেওয়া হয়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই বালতি তাজা বোমা উদ্ধার করে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) প্রধান। স্বামী এলাকার বেতাজ বাদশা। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস নেই। তাই, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে একের পর এক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    হরিহরপাড়ার আমতলা রাজ্য সড়কের ধারে লাইন দিয়ে বড় বড় প্রচুর গাছ ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তার ধারে সেই গাছ কাটা চলছিল। রীতিমতো শ্রমিক লাগিয়ে এই গাছ কাটা হচ্ছিল। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দাঁড়িয়ে এই কাজ করায় কেউ গাছ কাটার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাননি। ফলে, গত কয়েকদিনে ১৪ থেকে ১৫ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এদিনও গাছ কাটা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিযোগ পেয়ে এদিন হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক সহ প্রশাসনের কর্তারা গজনীপুরে যান। তিনি গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, বন দফতরের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানি না। তবে, প্রধানের নির্দেশে আমরা গাছ কাটতে এসেছিলাম। যদিও এই ঘটনার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা।

    গাছ কাটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএম নেতা ইনসার আলি বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল (TMC) কোনও আইন মানে না। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যারা গাছ কেটেছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধান বা প্রধানের স্বামী বলে কেউ যেন ছাড়া না পায়। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গির শা বলেন, তৃণমূল মানে একটি চোরের দল। বিধায়ক গোটা বিধানসভার সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। আর এই প্রধান তার নিজের এলাকার সব গাছ কেটে ফেলছে। আমরা এই ঘটনার কঠোরতম শাস্তি চাই। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাতাদউদ্দিন শেখ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দল এসব বেআইনি কাজে পাশে নেই। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন জানাব। দলের পঞ্চায়েত প্রধান বলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী?

    তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রাকিবুল হক বলেন, কয়েকদিন আগে ঝড়ে ডাল ভেঙে পড়ায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। তাই, বিডিওর কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়ে আমরা গাছ কাটার কাজ শুরু করেছি। মূলত রাস্তার ধারে কয়েকটি গাছ কেটেছি। বড় গাছ কাটা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share