Tag: Haryana

Haryana

  • Haryana: হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    Haryana: হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানাতে (Haryana) প্রথম কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে টানা তিনবার জিতল বিজেপি (BJP)। গেরুয়া ঝড়ে ধুলিসাৎ হল কংগ্রেস-আপ। মুখে লম্বা-চওড়া কথা বলার পরেও আম আদমি পার্টির অবস্থা সেখানে আরও করুণ। দেখা যাচ্ছে, ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৪৬ আসন। বিজেপি একাই সেখানে পৌঁছে গিয়েছে ৪৯-এ। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টি খাতাই খুলতে পারল না। বহু আসনে দেখা যাচ্ছে, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়েছে তারা। হরিয়ানার পড়শি রাজ্য পঞ্জাবে সরকার রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের। কংগ্রেসের সমর্থনে চণ্ডীগড়ের মেয়রও কেজরিওয়ালের দলের। এমন অবস্থায়, আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন পাওয়ার পরে হরিয়ানা জিততে তেড়েফুঁড়ে নেমেছিলেন কেজরিওয়াল। কৃষক আন্দোলন থেকে শুরু করে বিনেশ ফোগাটের বঞ্চনা-এমন নানা ইস্যু হরিয়ানাতে (Haryana) সামনে এনেছিল আম আদমি পার্টি। তবে এমন মিথ্যাচার যে ধোপে টেকেনি, তা ফলাফল বের হতেই পরিষ্কার হয়ে গেল। ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এনিয়ে।

    হরিয়ানার (Haryana) ফলাফল প্রভাব ফেলতে পারে দিল্লির নির্বাচনেও

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই রয়েছে দিল্লি বিধানসভার ভোট। হরিয়ানার (Haryana) ফলাফলের প্রভাব সেখানে পড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আপ-কংগ্রেস জোট হলে কি চিত্র বদলে যেত হরিয়ানাতে? এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে সাতটি আসনে জোট হয়, আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের। কিন্তু সাতটি আসনেই বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় আপ-কংগ্রেসের জোট।

    অপ্রতিরোধ্য বিজেপি (BJP)

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, টানা এক দশক ধরে ক্ষমতায় থাকার পরেও কোনও প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া কাজই করেনি হরিয়ানাতে। এর কারণ বিজেপির উন্নয়ন। সদ্য সমাপ্ত হওয়া নির্বাচনের আগেও ইস্তেহারে একাধিক আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি। শিল্পশহর গড়ে তোলা, মহিলাদের প্রতিমাসে ভাতা প্রদান ইত্যাদি। হরিয়ানার (Haryana) মানুষ যে আগামী দিনেও বিজেপির উন্নয়নে ভরসা রাখতে চান, তা ফলাফলেই পরিষ্কার হয়েছে। অন্যদিকে অগ্নিপথ প্রকল্প ঘিরে ক্ষোভের ছায়া, কুস্তিগীরদের তোলা যৌন নিগ্রহ কাণ্ড-এ সমস্ত কিছুর ছায়াও পড়েনি হরিয়ানার বিধানসভা ভোটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি বুথ লেভেল ম্যানেজমেন্ট দুর্দান্ত করতে পেরেছে। হরিয়ানাতে (Haryana) জাঠ ভোট রয়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। তপশিলি জাতির ভোট ২১ শতাংশ, ওবিসি সম্প্রদায়ের ভোট রয়েছে ৩৩ শতাংশ। এদের মধ্যে উচ্চবর্ণ ও ওবিসি ভোটের বেশিরভাগটাই গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি ওবিসি জনগোষ্ঠীর। এক্ষেত্রে বিজেপি অনেকটাই সুবিধা পেয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result: বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পথে বিজেপি!

    Election Result: বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পথে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলা বাড়তেই বদলে গেল ছবি। প্রথম দুই ঘণ্টা পিছিয়ে থাকলেও তার পরই পালাবদল ঘটে। কমিশনের দেওয়া শেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি আবারও এগিয়ে গিয়েছে। বিজেপি বর্তমানে এগিয়ে ৫১টি আসনে এবং কংগ্রেস এগিয়ে ৩৪টি আসনে। এদিন সকালে পোস্টাল ব্যালট (Election Result) গণনার সময় এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। কিন্তু বেলা বাড়তেই ঘুরে যায় খেলা। ইভিএম-এর ভোট গণনা শুরু হলে দেখা যায় ধীরে ধীরে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপি।

    টানটান লড়াই

    সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে হরিয়ানার ৯০ আসনের গণনা। শুরুতে কংগ্রেস এগিয়ে গিয়েছিল ৬৫ আসনে। উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছিল কংগ্রেসের দিল্লির সদর দফতরে। প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবে চলার পর প্রবণতায় ঘটল আমূল পরিবর্তন। জয়ের পথে ফিরে আসে বিজেপি। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ গেরুয়া শিবির এগিয়ে ছিল ৪৬ আসনে। আর কংগ্রেসের এগিয়ে থাকা আসনের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৩৭-এ। এক এক করে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে ভোটগণনার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। জুলানায় জয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের ফোগাট। খড়খুদায় জয়ী হয়েছে বিজেপি। জিন্দ থেকেও জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    আহিরওয়াল ভোট-ব্যাঙ্ক

    তিন ধাপে ভোটগ্রহণ হয়েছে হরিয়ানায় (Haryana)। গত দুই নির্বাচনেই জয়ী হয়েছিল বিজেপি। ২০১৯ সালে বিজেপিই ছিল বৃহত্তম দল, কিন্তু, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৬টি আসন কম পেয়েছিল তারা। জেজেপির ১০ বিধায়কের সমর্থনে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। এবার অবশ্য বুথ ফেরত সমীক্ষায় অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থাই ইঙ্গিত দিয়েছিল, রাজ্যে এবার ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে কংগ্রেস। তবে, ফলফলের প্রবণতা এখনও পর্যন্ত তার সঙ্গে মিলছে না। হরিয়ানায় আহিরওয়াল বেল্ট দু’হাত তুলে সমর্থন করে বিজেপিকে। মূলত গুরুগ্রাম , রেওয়ারি এবং মহেন্দরগড় নিয়ে এই আহিরওয়াল বেল্ট। ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের বাসিন্দারা বিজেপি-র অনুগত ভোটার। ট্রেন্ড বলছে এ বারের বিধানসভা ভোটে এই বেল্ট থেকে সবচেয়ে ভালো ফলাফল হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে এবার কংগ্রেসের দিকে পাল্লা ভারী বলে একাধিক এক্সিট পোল দাবি করেছে। কিন্তু, তাতে বিন্দুমাত্র বিচলতি নন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি। বরং, ফের বিজেপি (BJP) হরিয়ানায় (Haryana) সরকার গঠন করতে চলেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবে চাঙ্গা গেরুয়া শিবির।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (BJP)  

    মুখ্যমন্ত্রী (BJP) নয়াব সিং সাইনি শনিবার বলেন. “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী। হরিয়ানার মানুষ গত কয়েক বছরের কাজ দেখেছেন। আমরা প্রতিটি এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমরা হরিয়ানাকে আঞ্চলিকতা এবং স্বজনপ্রীতি থেকে মুক্ত করেছি”। পঞ্চকুলা বিধানসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী গিয়ান চাঁদ গুপ্ত বলেন, “পঞ্চকুলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। লোকেরা আমাদের কাজের প্রশংসা করেছে। সরকারে থেকে মানুষের জন্য আমরা যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি তার জন্য ভোট দিয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৯০টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে জিতেছিল। জেজেপি-র সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। জেজেপি সেবার ১০টি আসন জিতেছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৩১টি আসন। যদিও জেজেপি পরে জোট থেকে বেরিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: “নারী সুরক্ষা কোথায়”? জয়নগরকাণ্ডে সরব আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী দাবি করলেন?

    কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি আবার পাল্টা বলেছেন, “এগজিট পোলে আমার খুব একটা বিশ্বাস নেই। কিন্তু হরিয়ানায় এবার বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ঢেউ ছিল। কংগ্রেস দল সেখানে (হরিয়ানায়) ৬০-৭০টি আসন জিততে পারে। দশ বছরে বিজেপি কোনও উন্নয়ন করেনি। সমাজকে বিভক্ত করেছে। হরিয়ানায় বিজেপির এমন কোনও নেতৃত্ব ছিল না যেখানে মানুষ আস্থা রাখতে পারে।” পঞ্চকুলা বিধানসভা আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী চন্দর মোহন আস্থা প্রকাশ করেছেন যে, কংগ্রেস পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস ৭০টি আসন জিতবে এবং বিজেপি ১৭টি আসন পাবে। আমরা পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব”। একই দাবি করেন কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের পক্ষে মানুষ ভোট দিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানায় ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। উনিশের বিধানসভা  নির্বাচনে (Haryana Assembly Elections) বিজেপি জিতেছিল ৪০টি আসনে। হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজন ৪৬টি আসন। সেবার কংগ্রেস জিতেছিল ৩১টি আসনে, জেপিপি জয়ী হয়েছিল ১০টি আসনে। সরকার গড়েছিল বিজেপি।

    হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে (Haryana Assembly Elections)

    বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, হরিয়ানার রাশ এবার যাবে কংগ্রেসের হাতেই। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, ৯০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই পেতে পারে ৫৫টি আসন। ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে প্রায় ৯টি বেশি আসন। ধ্রুব রিসার্চের সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় কংগ্রেস জিততে পারে ৫৭ থেকে ৬৪টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ২৭ থেকে ৩২টি আসন। একটি আসন পেয়ে এ রাজ্যে খাতা খুলতে পারে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি।

    কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    দৈনিক ভাস্করের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় (Haryana Assembly Elections) ৪৪ থেকে ৫৪টি আসনে জয়ী হতে পারে কংগ্রেস। পদ্ম ফুটতে পারে ১৯ থেকে ২৯টি আসনে। জিস্ট-টিআইএফ রিসার্চ সমীক্ষার ফল বলছে, জাঠদের রাজ্যে কংগ্রেস পেতে পারে ৫৩টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চে ৩৭টি আসন। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কেজরির দল এখানে দাঁত ফোটাতে পারবে না।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে হরিয়ানায় ৫৫ থেকে ৬২টি আসনে জয়ী হবে সোনিয়া গান্ধীর দল। গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১৮ থেকে ২৪টি আসন। প্রসঙ্গত, আজ, শনিবারই এক দফায় নির্বাচন হয়েছে হরিয়ানার ৯০টি আসনেই। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। ৮ অক্টোবর হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। এদিনই ফল ঘোষণা হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনেরও। এই দুই রাজ্যের রাশ কোন পার্টির হাতে যায়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত (Haryana Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

     

  • Haryana: হরিয়ানায় চলছে ভোটগ্রহণ, এক দফাতেই ৯০ বিধানসভা আসনে নির্বাচন

    Haryana: হরিয়ানায় চলছে ভোটগ্রহণ, এক দফাতেই ৯০ বিধানসভা আসনে নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তায় ভোট গ্রহণ চলছে হরিয়ানায় (Haryana)। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া, চলবে সন্ধ্যে ছ’টা পর্যন্ত। প্রসঙ্গত সম্প্রতি ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরেও। আজ শনিবার হরিয়ানার ভোট পর্ব মিটলেই দুই রাজ্যের বুথ ফেরত সমীক্ষা সামনে আসবে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানাতে বিধানসভার আসন রয়েছে ৯০টি। সে রাজ্যে এক দফাতে ভোট করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, হরিয়ানাতে (Haryana) পাল্লা ভারী রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। বিজেপির ইস্তাহারে মহিলাদের প্রতি মাসে একুশশো টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘লাডো লক্ষ্মী যোজনা’। এর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেরাজ্যে একাধিক শিল্প শহর গড়া হবে বলেও জানিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    ৯০ কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,০২৭ জন (Haryana) 

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিয়ানাতে (Haryana) মোট ভোটারের সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। ৯০ কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,০২৭ জন। জানা গিয়েছে, হরিয়ানাতে ভোট করতে মোতায়েন করা হয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী ও ২২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি বুথেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর মিলেছে, তাতে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে (Assembly Elections)।

    উল্লেখযোগ্য প্রার্থী কারা?

    হরিয়ানার (Haryana) বিধানসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি (বিজেপি, লডওয়া), প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা ভূপেন্দ্র সিংহ হুডা (কংগ্রেস, গারহি সাম্পলা-কিলোই), প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌতালা (জেজেপি, উচানা কালান) প্রমুখ। নির্বাচনের (Assembly Elections) মুখে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মহিলা কুস্তিগির বিনেশ ফোগাট। কংগ্রেস তাঁকে জুলানা থেকে প্রার্থী করেছে। তাঁর কেন্দ্রের ফলাফলের দিকেও আলাদা করে নজর থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ভূ-ভারতে কংগ্রেসের মতো কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত দল নেই’’, হরিয়ানায় তোপ মোদির

    PM Modi: ‘‘ভূ-ভারতে কংগ্রেসের মতো কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত দল নেই’’, হরিয়ানায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি ইস্যুতে ফের একবার কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সম্প্রতি সামনে এসেছে কর্নাটকের কংগ্রেস (Congress) সরকারের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। মহীশূর আরবান ডেভলপমেন্ট অথরিটিতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গেই কংগ্রেসকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বুধবার নরেন্দ্র মোদি হাজির ছিলেন হরিয়ানার সোনপথে। ভোটমুখী হরিয়ানাতে প্রধানমন্ত্রী মোদি কংগ্রেসের ব্যর্থতা এবং দুর্নীতির যাবতীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরেন এবং এ প্রসঙ্গেই তিনি উত্থাপন করেন কর্নাটকের মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির দুর্নীতি। তখনই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ভূ-ভারতে কংগ্রেসের মতো কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত দল নেই।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দু বছরও হয়নি কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় এসেছে কর্নাটকে, কিন্তু আপনারা দেখুন! এখন থেকে কীভাবে তারা দুর্নীতি করছে! খোদ কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী জমি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। নিজেকে বাঁচাতে হাইকোর্টের রক্ষাকবচও চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে এই দুর্নীতির তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’’

    কংগ্রেস সরকার কৃষকদের জমি লুট করত

    তিনি হরিয়ানার মানুষদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘‘১০ বছর আগে যখন এখানে কংগ্রেসের সরকার ছিল, তখন কৃষকদের জমি লুট করত তারা। কংগ্রেস (Congress) হরিয়ানা জমিগুলিকে দালালদের হাতে সঁপে দিয়েছিল। এমন কোনও সরকারি চাকরির পরীক্ষা ছিল না যেখানে দুর্নীতি হয়নি। সরকারের কোনও সংস্থাই দুর্নীতির বাইরে ছিল না।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস সরকার সর্বদাই তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি এবং ওবিসি সমাজকে সক্রিয়ভাবে সামাজিক বা সরকারি কাজে অংশগ্রহণ থেকে দূরে রেখেছে। তাই বর্তমান দিনে দলিত সমাজও কংগ্রেসের পরাজয়ের জন্য অপেক্ষা করছে।’’

    দুর্নীতিকে লালন পালন করে কংগ্রেস, তোপ মোদির (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন বলেন, ‘‘আপনারা অবশ্যই লক্ষ্য করে দেখবেন কংগ্রেস যেখানেই সুযোগ পায় সেখানেই তারা দুর্নীতি এবং পরিবারতন্ত্রকে প্রাধান্য দেয়। কংগ্রেস হল এমন একমাত্র দল যারা দুর্নীতিকে ভারতের শাসনব্যবস্থায় লালন পালন করেছে দীর্ঘদিন ধরে এবং আজও করে চলেছে।’’ এনডিএ সরকারের সাফল্যগাথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজকে সারা বিশ্বের বড় বড় কোম্পানিরা তাকিয়ে রয়েছে ভারতের দিকে এবং তারা উদগ্রীব ভারতে বিনিয়োগ করতে। এই বড় কোম্পানিগুলি ভারতবর্ষে যখন বিনিয়োগ করবে তখন হরিয়ানার যুবসমাজ ও কৃষকরাও উপকৃত হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে কার্নাল কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁর নিকটবর্তী কংগ্রেস প্রার্থী দিব্যাংশু বুধিরাজাকে প্রায় দু লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারান এই প্রবীণ বিজেপি নেতা। গেরুয়া শিবিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত খট্টর, ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে নিজের কাজ শুরু করলেন। দেশের আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে।

    সঙ্ঘ-এর একনিষ্ঠ কর্মী (Manohar Lal Khattar)

    হরিয়ানার রোহতকের ভূমিপুত্র মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। মনোহর লাল খট্টর জন্ম ৫ মে, ১৯৫৪ সালে নিন্দানা গ্রামে। আরএসএস এর স্থায়ী সদস্য খট্টর ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘে (RSS Pracharak) যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে বিজেপির সদস্য হওয়ার আগে ১৭ বছর সক্রিয়ভাবে সংগঠনের সেবা করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ২০০০-২০১৪  পর্যন্ত খট্টর হরিয়ানায় বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Manohar Lal Khattar)

    ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার্নাল থেকে জয়লাভ করেন খট্টর। ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪-এ, ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে হরিয়ানার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। মনোহর লাল খট্টর কর্নাল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ৬৩ হাজার ৭৭৭ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক সফরের এক উল্লেখযোগ্য পর্ব ছিল রামরহিমকাণ্ড। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিমের গ্রেফতারির সময় হরিয়ানা জুড়ে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয়েছিল তা কড়া হাতে সামলান বিজেপির এই নির্ভরযোগ্য নেতা। তাঁকে সেবার পদ থেকে সরানোর পক্ষে সায় দেয়নি পার্টি।  

    আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    মোদি-ঘনিষ্ঠ (Manohar Lal Khattar)

    জাতীয় রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলে পরিচিত মনোহর লাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁরা একসঙ্গে দীর্ঘ সময় সংগঠনের কাজ করেছেন। প্রায় ৪০ বছর আরএসএস প্রচারক (RSS Pracharak)হিসেবে কাজ করেছেন খট্টর। ১৯৯৬ সালে যখন হরিয়ানা বিজেপির দায়িত্ব নেন মোদি, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন খট্টর। এবার তৃতীয় মোদদি সরকারের মন্ত্রী তিনি। নতুন পথ চলা শুরু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Haryana Congress: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    Haryana Congress: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে জোর ধাক্কা হরিয়ানা কংগ্রেসে (Haryana Congress)। মঙ্গলবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিধায়ক কিরণ চৌধুরী। জানিয়েছিলেন বুধবার মেয়ে শ্রুতিকে নিয়ে তিনি যোগ দেবেন বিজেপিতে। সেই মতো এদিন শিবির বদলালেন কিরণ ও শ্রুতি। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দল বদলান কিরণ-শ্রুতি। উপস্থিত ছিলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিংহ সাইনি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুং।

    কী বললেন কিরণ? (Haryana Congress)

    হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে (Haryana Congress) নিয়ে কিরণ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্যই আজ আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়বেন। আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে যে ভারত বিশ্বে উজ্জ্বলভাবে কিরণ দেবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেসব জনকল্যাণমূলক কাজ করছেন, তার জেরেই কেন্দ্রে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।” তিনি বলেন, “আমি খট্টরজির সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। আমাদের মধ্যে অনেকবার তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তিনি যেভাবে কাজ করেছেন, তা আমার কাছে প্রেরণার উৎস।”

    কিরণের হাতে গেরুয়া ঝান্ডা

    তোশাম কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন কিরণের শ্বশুর প্রয়াত বংশীলাল। কংগ্রেসের টিকিটে জেতা বংশীলাল একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন হরিয়ানার। তাঁর স্বামী প্রয়াত সুরেন্দ্র সিংহও হরিয়ানা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৫ সালে সুরেন্দ্রর অকাল প্রয়াণের পরে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন কিরণ। কিরণের মেয়ে শ্রুতি ভিওয়ানি মহেন্দ্রগড় লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন ২০০৯ সালে, কংগ্রেসের টিকিটে। এহেন ‘কংগ্রেসি’ কিরণ এবং শ্রুতি হাতে তুলে নিলেন গৈরিক ঝান্ডা।

    মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে চিঠি লিখে দল ছাড়ার কথা জানিয়ে কিরণ লিখেছিলেন, “সব চেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল যে হরিয়ানায় কংগ্রেস পার্টি আমার মতো আন্তরিক কণ্ঠস্বরগুলির জন্য কোনও পরিসর না রেখে কয়েকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।”

    আর পড়ুন: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশ্বাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    বুধবার কিরণ বলেন, “তিনি (খট্টর) যে সততার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেছেন, তা অতুলনীয়। আজ আমরা বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নেব। হরিয়ানায় বিজেপি সরকার গড়বে তৃতীয়বারের জন্য।” শ্রুতি বলেন, “দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর জন্যই বিশ্বের দরবারে ভারতের গুরুত্ব বেড়েছে। খট্টরজিকে দেখে প্রেরণা পেয়েই আমি এখানে এসেছি। দেশ এবং রাজ্যে বিজেপিকে শক্তিশালী করতেই আমরা পদ্ম শিবিরে (Haryana Congress) যোগ দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2024: আস্তিন গুটিয়ে তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, ঘোষণা ইনচার্জদের নাম

    Assembly Elections 2024: আস্তিন গুটিয়ে তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, ঘোষণা ইনচার্জদের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে সাফল্যের পর এবার তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2024) প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। সোমবার গেরুয়া পার্টির তরফে ঘোষণা করা হয় মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনের ইনচার্জদের নাম। তিন রাজ্যে তিন প্রবীণকেই দেওয়া হয়েছে এই দায়িত্ব। যে তিনজনের ওপর এই দায়িত্ব বর্তেছে তাঁরা হলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

    তিন ইনচার্জ (Assembly Elections 2024)

    ভূপেন্দরকে দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রের দায়িত্ব, হরিয়ানার দায়িত্ব বর্তেছে ধর্মেন্দ্রর ওপর এবং ঝাড়খণ্ডের দায়িত্ব সামলাবেন শিবরাজ (Assembly Elections 2024)। সেপ্টেম্বরের তিরিশ তারিখের মধ্যেই নির্বাচন হবে জম্মু-কাশ্মীরে। সেখানকার ইনচার্জ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডিকে। 

    রয়েছেন কো-ইনচার্জও

    ইনচার্জদের পাশাপাশি কো-ইনচার্জও করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের কো-ইনচার্জ অশ্বিনী বৈষ্ণব, হরিয়ানার কো-ইনচার্জ বিপ্লব কুমার দেব এবং ঝাড়খণ্ডের কো-ইনচার্জ হিমন্ত বিশ্বশর্মা। চলতি বছরই বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা এবং ঝাড়খণ্ডে।

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভালো ফল করেনি বিজেপি। মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস জিতেছে ১৩টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৯টি। রাজ্যের মোট ৪৮টি আসনের মধ্যে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ১৭টি আসন। মহারাষ্ট্র বিজেপির সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বলেন, “এমভিএ (মহা বিকাশ আগাড়ি) এবং এনডিএ-র প্রাপ্ত ভোটের হারের পার্থক্য মাত্র ০.৩ শতাংশ। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এবং তার জোটসঙ্গীকেই ভোট দেবেন মহারাষ্ট্রবাসী।”

    আর পড়ুন: “মমতা ও তাঁর দলের জন্মগত স্বভাব হল ভোটপরবর্তী হিংসা”, মন্তব্য বিজেপি কেন্দ্রীয় টিমের

    হরিয়ানায় লোকসভা আসন রয়েছে ১০টি। এর মধ্যে পাঁচটিতে জিততে পেরেছিল বিজেপি। অথচ উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যের সবকটি আসনেই পদ্ম ফুটেছিল। গেরুয়া পার্টির হাত থেকে হরিয়ানার রাশ কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রত্যয়ী কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা ভূপিন্দর সিং হুডা বলেন, “এটা কেবল শুরু। আসল লড়াই অদূরেই। আমাদের থেমে যাওয়া উচিত নয়, আমরা মাথা নতও করব না। যতক্ষণ না লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, ততক্ষণ আমাদের যাত্রা চালিয়ে যাওয়া উচিত।” গত দশ বছরে বিজেপি সরকারের ত্রুটির দিকগুলিও জনগণের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি (Assembly Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির স্থান-কাল জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আপাতত এই শংসাপত্র বিলি হবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে সিএএ আইন অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু করেছে সিএএ সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে প্রথমবার তিনশো জন আবেদনকারীকে সিএএ-র শংসাপত্র বিলি করেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিল্লিতে ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে এই শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা স্বয়ং।

    সিএএ শংসাপত্র বিলি শুরু (CAA)

    বুধ-সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA), ২০২৪ এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব শংসাপত্র মঞ্জুরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দফার আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে পশ্চিমবঙ্গের এমপাওয়ার্ড কমিটি। একইভাবে হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডেও বুধবার থেকে প্রথম দফার আবেদনপত্রগুলির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এমপাওয়ার্ড কমিটি।

    সিএএ

    গত ১১ মার্চ, দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ। যদিও ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। বিলটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সব অ-মুসলিম মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ বছর ভারতে বাস করছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে সিএএতে আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    সিএএ আইনের ব্যাখ্যায় যাঁরা পাঁচ নম্বরের অন্তর্ভুক্ত, তাঁদেরও আবেদনের কথা ভাবতে হতে পারে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কিংবা তার পরে যাঁদের ভারতে জন্ম, তাঁদের বাবা-মা দুজনেই ভারতীয় হলে, তিনিও এ দেশের নাগরিক। কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন ভারতীয় নাগরিক না হলে প্রশ্নের মুখে পড়বে তাঁদের সন্তানের নাগরিকত্ব (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share