Tag: hawala

hawala

  • ED: বীণা বিজয়নের বিরুদ্ধে হাওলা-তদন্তে নয়া মোড়, বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়ুন পিনারাই, দাবি বিজেপির

    ED: বীণা বিজয়নের বিরুদ্ধে হাওলা-তদন্তে নয়া মোড়, বিরোধী দলনেতার পদ ছাড়ুন পিনারাই, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের মেয়ে বীণা বিজয়নের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের তদন্ত আরও জোরদার করেছে ইডি(ED)। তদন্তে হাতে লেখা খাতা ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিন নথি থেকে বিপুল পরিমাণ হিসাব-বহির্ভূত অর্থ লেনদেন এবং সম্ভাব্য হাওলা কারবারের সূত্র মিলেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার। একই সঙ্গে বিদেশি মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে (FEMA Violations)।

    বড় দাবি ইডির (ED)

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সম্প্রতি বাজেয়াপ্ত করা হাতে লেখা খাতা এবং বৈদ্যুতিন নথিতে দেশের বাইরে অর্থ পাঠানোর পাশাপাশি বৈধ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বাইরে একটি অভ্যন্তরীণ আর্থিক নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। নথিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাইয়ে ৩ লাখ ৪৯ হাজার দিরহাম, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৫ লাখ টাকা, পাঠানোর উল্লেখ রয়েছে। এই অর্থের প্রকৃত উৎস কী এবং শেষ পর্যন্ত কোথায় তা গিয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাবি, বাজেয়াপ্ত নথিতে মোট ২০ কোটি ৫ লাখ টাকার দেশীয় আর্থিক লেনদেনের তথ্য রয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, বীণার জানা ও বৈধ আয়ের উৎসের তুলনায় এই লেনদেনের পরিমাণ অনেক বেশি। বীণার কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতিতে একটি ইন্টারনেট সংযোগের যন্ত্র এবং ভুয়ো পরিচয়ে নথিভুক্ত একটি সিম কার্ডের ছবি পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, হাওলা লেনদেনের সমন্বয় করতে অনুসরণ করা কঠিন এমন ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনালাপের জন্য এগুলি ব্যবহার করা হতে পারে।

    সিম কার্ডের মালিকের পরিচয়

    তদন্তে ওই সিম কার্ডের মালিকের পরিচয়ও সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে ইডি। কার্ডটি কোঝিকোড়ের ডিওয়াইএফআই নেতা নন্দুলালের নামে নথিভুক্ত ছিল। নন্দুলালের দাবি, বীণা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মহম্মদ রিয়াসের অনুরোধেই তিনি সিমটি সংগ্রহ করেছিলেন। দু’জনের সঙ্গেই তাঁর পরিচয় রয়েছে বলে স্বীকার করলেও, সিম কার্ডটি ঠিক কী কাজে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০২৪ সাল থেকে বীণা ওই সিম কার্ড ব্যবহার করছিলেন। হাওলা লেনদেন সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্যই এটি ব্যবহার করা হতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। তাঁদের মতে, সিমটি একটি বেতার ইন্টারনেট সংযোগের যন্ত্রে ঢুকিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোন করা হত।

    বিদেশি মুদ্রা ও অর্থপাচার তদন্তের সূত্রপাত

    আরও একটি বিষয় তদন্তকারীদের নজরে এসেছে। মহম্মদ রিয়াস কেরলের পর্যটনমন্ত্রী থাকাকালীন নন্দুলাল কোঝিকোড় জেলা পর্যটন উন্নয়ন পরিষদের গন্তব্য ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সম্প্রতি নন্দুলালের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সিম কার্ডটি সংগ্রহের সময় ব্যবহার করা পরিচয়পত্রের প্রতিলিপি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। বীণার মালিকানাধীন এবং বর্তমানে বন্ধ তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শদাতা সংস্থা এক্সালজিক সলিউশন্সকে ঘিরে ওঠা একটি কর্পোরেট জালিয়াতির মামলাকে কেন্দ্র করেই মূলত এই বিদেশি মুদ্রা ও অর্থপাচার তদন্তের সূত্রপাত। গুরুতর জালিয়াতি তদন্ত দফতরের প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ ওঠে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেডের কাছ থেকে এক্সালজিক সলিউশন্স প্রতি মাসে ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা করে বেআইনি অর্থ পেয়েছিল। অভিযোগ, বিনিময়ে সংস্থাটি কোনও প্রকৃত পরিষেবা দেয়নি।

    বীণার পরিবারের দাবি

    বীণার হাতে লেখা নথিতে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের কয়েকজনকে লক্ষ্য করে কোঝিকোড়ে সাম্প্রতিক তল্লাশি চালানোর পর তদন্ত আরও বিস্তৃত করেছে ইডি। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন এবং বিদেশি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও খবর। তদন্তের স্বার্থে বীণাকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হতে পারে বলেও সূত্রের খবর (ED)। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই অভিযোগ ও তদন্তের ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন সিপিআই(এম)-এর নেতারা এবং বীণার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে এই অভিযান চালানো হচ্ছে (FEMA Violations)। এদিকে বীণাকে ঘিরে কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেডের অর্থপাচার তদন্তে ইডির নয়া তথ্য সামনে আসার পর পিনারাই বিজয়ন কেরল বিধানসভার বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দিন – এমন দাবি তুলেছে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    পদ্ম শিবিরের রাজ্য সহ-সভাপতি শোন জর্জ বলেন, পিনারাই বিজয়নের উচিত তাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়ানো—এটাই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান। তাঁর দাবি, ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পিনারাই বিজয়ন যে ভাষায় তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন, তিনি সেই একই যুক্তি এবার বিজয়নের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করছেন। শোন জর্জ বলেন, “যদি তাঁর মধ্যে সামান্যও লজ্জাবোধ অবশিষ্ট থাকে, তাহলে পিনারাই বিজয়নের উচিত অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানো।” তিনি আরও বলেন, “যদি কোনও লজ্জা অবশিষ্ট থাকে… যদি কোনও লজ্জা অবশিষ্ট থাকে (FEMA Violations), তাহলে পিনারাই বিজয়নের উচিত বিরোধী দলনেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত থাকা (ED)।”

     

  • Digital hawala of JeM: এফএটিএফ-এর নজর এড়াতে ডিজিটাল ওয়ালেট! ৩১৩টি নতুন ক্যাম্প, ৩৯০ কোটি টাকা সংগ্রহের ছক জৈশ-ই-মহম্মদের

    Digital hawala of JeM: এফএটিএফ-এর নজর এড়াতে ডিজিটাল ওয়ালেট! ৩১৩টি নতুন ক্যাম্প, ৩৯০ কোটি টাকা সংগ্রহের ছক জৈশ-ই-মহম্মদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদ চুপিসারে বিশাল চাঁদা সংগ্রহ অভিযানে নেমেছে। অপারেশন সিঁদুরে তাদের সংগঠন একেবারে ভেঙে গিয়েছে। তাই ফের নতুনভাবে (Digital hawala of JeM) পাকিস্তানে কোমর সোজা করে দাঁড়ানোর পন্থায় আছে জৈশ। গোয়েন্দা সূত্র জানাচ্ছে, জৈশ গোষ্ঠী পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ৩১৩টি নতুন মারকাজ বা তালিম শিবির ও নিরাপদ ঘাঁটি তৈরির লক্ষ্য নিয়েছে। এই কাজে তারা প্রায় ৩৯০ কোটি পাকিস্তানি টাকা সংগ্রহ করতে চাইছে। জৈশ-ই প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার (Masood Azhar in Pakistan) ও তাঁর ভাই তালহা আল সইফ এই প্রচার চালাচ্ছে।

    নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা

    অপারেশন সিঁদুরে ভারত একাধিক জঙ্গিঘাঁটিতে আঘাত হানার পর, পাকিস্তানে ফের সন্ত্রাসের ডানা মেলাতে সক্রিয় হয়েছে জৈশ-ই-মহম্মদ। গোষ্ঠীর প্রধান মাসুদ আজহার আইএসআই-এর সহযোগিতায় নতুন করে সন্ত্রাসমূলক পরিকাঠামো তৈরির ছক কষছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র। সমর্থকদের কাছে দরাজ হাতে চাঁদা দেওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। এর জন্য ‘ইজিপয়সা’ এবং ‘সদাপে’-র মতো ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ, তাতে আন্তর্জাতিক জঙ্গি কার্যকলাপ ও তহবিল সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএটিএফ বা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের নজর বাঁচিয়ে চলা যাবে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এই ডিজিটাল ওয়ালেটগুলি মাসুদ আজহারের পরিবারের ফোন নম্বরের সঙ্গে নথিভুক্ত রয়েছে। যাঁর মধ্যে রয়েছেন তাঁর ভাই ও ছেলে আবদুল্লা আজহার। এছাড়াও, প্রতি শুক্রবার পাকিস্তানের বিভিন্ন মসজিদে গাজাবাসীদের ত্রাণের নাম করে নগদে চাঁদা সংগ্রহ চলছে। কিন্তু, আদতে সেই টাকা যাচ্ছে জৈশের ভাঁড়ারে।

    ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ

    জৈশ এখন ডিজিটাল ওয়ালেটের (Digital hawala of JeM) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করছে, যাতে কোনওরকম আন্তর্জাতিক নজরদারির আওতায় না আসে। এর মাধ্যমে তারা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজর এড়াতে চায়। পাকিস্তান ২০২২ সালে ফতাফ-এর ধূসর তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলেও, ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে—জৈশের কার্যকলাপ এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং পাকিস্তান তাদের মদত দিচ্ছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, মাসুদ আজহারের (Masood Azhar in Pakistan) পরিবারের সদস্যদের নামে ৫টি ডিজিটাল ওয়ালেট শনাক্ত হয়েছে। যেমন, সদাপে-র একটি অ্যাকাউন্ট তার ভাই তালহা আল সাইফ (তালহা গুলজার)-এর নামে রেজিস্টার করা হয়েছে, যা ব্যবহার করছে হারিপুরের জৈশ কমান্ডার আফতাব আহমেদ। অপরদিকে, ইজিপয়সার একটি ওয়ালেট চালাচ্ছে মাসুদ আজহারের ছেলে আবদুল্লাহ আজহার। একটি অন্য ওয়ালেট ছিল গাজা-র জন্য সহায়তা প্রদানের ছদ্মবেশে তৈরি, যার নম্বরের মালিক কাগজে ছিল খালিদ আহমেদ, তবে এটি পরিচালনা করতেন মাসুদের আরেক ছেলে হাম্মাদ আজহার। জৈশের সঙ্গে সংযুক্ত একটি সংগঠন আল রহমত ট্রাস্ট বাহাওয়ালপুরে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহ করছে। এই ট্রাস্টের নেপথ্য মালিক খোদ মাসুদ আজহার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা।

    ৩১৩টি নতুন ‘মারকাজ’ তৈরির পরিকল্পনা

    চাঁদা সংগ্রহের পাশাপাশি জৈশ নেতারা নতুন মারকাজ নির্মাণের কথাও ভেবেছেন। এগুলিকে মাসুদ আজহার সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের গোপন ডেরা হিসেবে সংরক্ষিত করা হবে। তবে বেশিরভাগ জায়গাতেই নতুন জঙ্গি তালিম শিবির খোলা হবে বলে গোয়েন্দারা জেনেছেন। সূত্র এও জানিয়েছে যে, চাঁদা সংগ্রহের অর্থে সংগঠন বিদেশি অস্ত্র কিনতে শুরু করেছে। যেমন মেশিন গান, রকেট লঞ্চার ও মর্টার। এসবের মাধ্যমে জৈশ নতুন পরিকল্পনা করেছে। এই সব কাজে জৈশকে সক্রিয় সহায়তা দিচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। জৈশ-আইএসআই মিলে ৩১৩টি নতুন মারকাজ বা জঙ্গি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প তৈরি করতে চাইছে। এসব ক্যাম্প গড়ার আড়ালে মসজিদ নির্মাণের ছুতো দিচ্ছে তারা। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি নিশ্চিত যে এই পরিকাঠামো মূলত সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর উদ্দেশ্যে। প্রতিটি মারকাজ তৈরির খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১২.৫ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি।

    বিদেশে থাকা পাকিস্তানিদের কাছে অর্থ সংগ্রহ

    শুক্রবারের নামাজের সময় পাকিস্তানের মসজিদে গাজা-র সহায়তা নাম করে অনুদান তোলা হচ্ছে। পরে এই অর্থ জৈশ-এর কার্যকলাপে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদেশে থাকা পাকিস্তানিদের কাছ থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া—বিশেষ করে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে টাকা তোলা হচ্ছে। মাসুদ আজহারের লেখা পোস্টার, ভিডিও, বার্তা বিভিন্ন প্রোফাইল থেকে ছড়ানো হচ্ছে যাতে সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডে অর্থ সাহায্য মেলে। জৈশ একসঙ্গে ৭-৮টি ওয়ালেট চালায় এবং প্রতি ৪ মাস অন্তর সেগুলো বদলে দেয়। একটি ওয়ালেটে মোটা অঙ্ক জমলে সেটি ছোট ছোট অঙ্কে ভাগ করে টাকা তুলে নেওয়া হয়। প্রায় ৩০টি নতুন ওয়ালেট তৈরি হচ্ছে প্রতি মাসে। সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক অমিত দুবে জানিয়েছেন, এসব ডিজিটাল ওয়ালেট আসলে ‘ডিজিটাল হাওয়ালা’-র মতো কাজ করছে—যেখানে কোনও প্রথাগত ব্যাংক ব্যবস্থার প্রয়োজন হয় না, ফলে আন্তর্জাতিক নজরদারি এড়ানো যায়।

    ৮০-৯০ কোটি টাকার সন্ত্রাসী লেনদেন

    বর্তমানে জৈশ-এর এই ডিজিটাল ওয়ালেট (Digital hawala of JeM) চক্রের মাধ্যমে প্রায় ৮০-৯০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে খবর। এই অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে অস্ত্র কেনা, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা, মাসুদের পরিবার চালানো এবং বিলাসবহুল গাড়ি কিনতে। এই অর্থের বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির বার্তা স্পষ্ট — পাকিস্তান যতই ফতাফ-কে মিথ্যা আশ্বাস দিক, বাস্তবে জৈশ-ই-মহম্মদের মতো সংগঠন পাকিস্তান মাটিতে আগের মতোই সক্রিয় রয়েছে, আর এবার তারা ডিজিটাল প্রযুক্তিকে অস্ত্র করে তুলেছে।

  • Money Laundering: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা পাচার! অভিযুক্ত ‘বাংলার প্রভাবশালী’

    Money Laundering: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা পাচার! অভিযুক্ত ‘বাংলার প্রভাবশালী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা (Money Laundering) পাচার করেছেন রাজ্যের এক প্রভাবশালী। গরু, কয়লা পাচার থেকে শুরু করে স্কুলে নিয়োগ— বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির যে অভিযোগে রাজ্য সরগরম, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির সূত্রে খবর, সেই দুর্নীতির টাকাই হাওয়ালা মারফত পৌঁছেছে ‘প্রভাবশালীর বান্ধবীর’ অ্যাকাউন্টে। সেই সংক্রান্ত নথিপত্র তাদের হাতে রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে দাবি।

    কী বলছেন তদন্তকারীরা

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার খবর অনুযায়ী, এই বিদেশিনী পেশায় ‘মডেল’। লন্ডনের বাসিন্দা। রাজ্যের ওই প্রভাবশালীর এখন তিনি ‘বিশ্বস্ত বান্ধবী’। প্রাথমিক ভাবে ইডির হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, দুর্নীতির টাকা (Money Laundering) হাওয়ালা মারফত প্রথমে পাঠানো হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার এক দেশে। সেখানে কয়েকটি ভুয়ো সংস্থা বানিয়ে তাতেই বিনিয়োগ করা হয়েছে ওই টাকা। এ জন্য ওই দেশে খোলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সেই অ্যাকাউন্ট ঘেঁটেই ইডি সূত্রে দাবি, ভুয়ো সংস্থার টাকার একাংশ গিয়েছে রুশ মডেলের অ্যাকাউন্টেও। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু ওই মহিলা নন, তাঁর সহযোগী কয়েক জনের কাছেও দুর্নীতির টাকা পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে যার আনুমানিক অঙ্ক ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের ধারণা।

    দুবাই থেকে পরিচয়

    তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই প্রভাবশালী নেতা, এক হিসাবরক্ষক এবং কয়লা পাচারের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ও পলাতক বিনয় মিশ্রের দুবাই, লন্ডন এবং আমেরিকায় প্রায়শই যাতায়াত ছিল। ইডি-র দাবি, তখনই ওই মহিলার সঙ্গে তাঁদের পরিচয়। সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙে তৈরি হওয়া বিভিন্ন দেশের অনেক যুবতীই রোজগারের টানে ছড়িয়ে রয়েছেন বহু শহরে। দুবাইয়ে এমন যুবতীর সংখ্যা কম নয়। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, ওই রুশ মহিলাকে নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের বিষয়ে বিশদে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ‘প্রভাবশালী’র সঙ্গে ওই মহিলার এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহে ৬৭৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত! আজ উত্তাল হতে পারে বিধানসভা

    নজরে বিদেশ ভ্রমণের নানা তথ্য

    ইডি সূত্রে সরাসরি কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গিয়েছে, এক সাংসদ, তাঁর হিসাবরক্ষক ও তাঁদের দু’জনের পরিবারের সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রভাবশালীদের বিদেশ যাত্রার অধিকাংশ টিকিট কাটা হয়েছে মধ্য কলকাতার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে। সেই সংস্থার অফিসে সম্প্রতি অভিযান চালিয়েছে ইডি। সেখান থেকে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে সেই ভ্রমণ সংস্থার দুই অংশীদারকে দিল্লিতে তলব করে জেরা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারের তদন্তে নেমে ইডি দাবি করেছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছিল। বিদেশের সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে সেই টাকা। আবার ঘুর পথে তা দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসে কেনা হয়েছে সম্পত্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share