Tag: Health Benefit

Health Benefit

  • Tuberculosis: এক মিনিটেই সনাক্ত হবে টিবি, পোর্টেবল এক্সরে ডিভাইস বাজারে আনছে ভারতীয় সংস্থা

    Tuberculosis: এক মিনিটেই সনাক্ত হবে টিবি, পোর্টেবল এক্সরে ডিভাইস বাজারে আনছে ভারতীয় সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মধ্যে ভারত থেকে যক্ষ্মা (Tuberculosis) নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোল ভারত। একটি শীর্ষস্থানীয় বায়োটেক কোম্পানি ভারতের প্রথম পোর্টেবল এক্স-রে ডিভাইস চালু করতে প্রস্তুত। এই ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে প্রাথমিক পর্যায়ে এক মিনিটেই সংক্রামক রোগ নির্ণয় করা যাবে।    

    পুনে ভিত্তিক সংস্থা মাইল্যাব ডিসকভারি (Tuberculosis) সলিউশন, ১৪ ফেব্রুয়ারি Qure.ai-এর সঙ্গে যৌথভাবে ঘোষণা করেছে , মেডিকেল ইমেজিংয়ের সাহায্যে এআই সফ্টওয়্যারের একটি এক্সরে প্রযুক্তি নিয়ে আসা হবে। এর ফলে যক্ষ্মা প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরণ এবং ফুসফুসের সার্বিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: নতুন ফিচার আনতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ, এখন থেকে ফটো কোয়ালিটি পছন্দ করতে পারবেন ডেস্কটপ ব্যবহারকারীরা

    মাইল্যাব এবং Qure.ai শীঘ্রই লঞ্চ করতে চলেছে হ্যান্ডহেল্ড এক্স-রে ডিভাইস (Tuberculosis)। এর ফলে টিবি রোগ নির্ণয় অনেক বেশি নির্ভুল এবং দ্রুত হবে। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহের অপেক্ষা। শেষ পর্যায়ের পরীক্ষা- নিরীক্ষার পরই বাজারে উপলব্ধ হবে এই ডিভাইস। এর খরচ সাধারণ এক্স-রে পরীক্ষার মতোই হবে বলে জানা গিয়েছে৷

    ভারতের যক্ষ্মা পরিস্থিতি 

    সংস্থা দুটি জানিয়েছে, পালমোনারি টিবি রোগীদের খুব দ্রুত সনাক্ত (Tuberculosis) করা যাবে। এর ফলে ২০২৫- এর মধ্যে ভারত যক্ষ্মামুক্ত দেশে পরিণত হবে। এনটিইপি এর অধীনে কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য হল তিনটি। এক, ২০২৫ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ রোগীর মৃত্যুহার কমানো, দুই, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে নতুন করে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দূর করা এবং তিন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে টিবি চিকিৎসায় রোগীর খরচ শূন্য করা। এই প্রকল্প ধাক্কা খায় ২০২১ সালে। কোভিডের কারণে যক্ষ্মা রোগীর রোগনির্ণয় প্রক্রিয়া খানিক বাধাপ্রাপ্ত হয়। তার নেতিবাচক ফলাফলও নজরে আসে।

    ২০১৯ সালে সারা দেশে রোগীর সংখ্যা ছিল ১৬ লক্ষের আশপাশে। টিবি ইন্ডিয়া রিপোর্ট ২০২২–এর তথ্য অনুসারে ২০২১ সালে টিউবারক্যুলোসিস রোগীর সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১৯ লক্ষ ৩৩ হাজারেরও বেশি। অর্থাৎ রোগীর সংখ্যায় প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে। এছাড়া প্রাণহানির হারও বাড়ে। তবে লড়াই থেমে ছিল না। তারই ফলে যক্ষ্মা নির্মূলকরণের উদ্যোগে কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Methi: শীতকালে মেথি শাক খান আর চিরতরুণ থাকুন

    Methi: শীতকালে মেথি শাক খান আর চিরতরুণ থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতকাল মানেই খাওয়ার পাতে সবুজের সমাহার। মেথিতে (Methi) থাকা প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। যারা হতাশায় ভুগছেন কিংবা ডায়াবেটিসের রোগী, তারা নিয়মিত ডায়েটে রাখতে পারেন মেথিশাক।  

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০০ গ্রাম মেথি শাকে ৫০ ক্যালরি শক্তি থাকে। এ ছাড়াও প্রতি ১০০ গ্রাম মেথি শাকে ১.৫ গ্রাম (৭%) স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ৬৭ মিলিগ্রাম (২%) সোডিয়াম, ৭৭০ মিলিগ্রাম (২২%) পটাশিয়াম, ৫৮ গ্রাম (১৯%) কার্বোহাইড্রেট এবং ২৩ গ্রাম (৪৬%) প্রোটিন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর যৌনালাপের অডিও প্রকাশ্যে, ভুয়ো বলে দাবি দলের

    ঠিক কী কী কারণে খাওয়া উচিৎ মেথি শাক?     

    ওজন কমায়

    মেথি শাকে হাই ফাইবার থাকে। মেথি (Methi) শাক খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকে। ফলে অনেকক্ষণ খিদে পায় না। ওজন  কমে।

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ

    রক্তের লিপিড লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে মেথি শাক। এটি কোলেস্টেরলের এলডিএল এবং এইচডিএল-এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

    মেথি শরীরের গ্লুকোজ মেটাবলিজমকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তে চিনির মাত্রাও বাড়তে দেয় না মেথিশাক। তাই যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তারা এই শাক খেলে উপকৃত হবেন।

    হার্টকে সুস্থ রাখে

    মেথি শাক প্লেটলেট বৃদ্ধির গতিকে কমায়। ফলে হৃৎপিণ্ডে (Methi) রক্ত জমে যাওয়ার বিপদ কমে। তাই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস এবং ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মেথিশাক খেতে পারেন।  

    লিভারের সুরক্ষা

    লিভারের সমস্যার ক্ষেত্রে মেথিশাক খুবই কার্যকরী। গ্যাসের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, ডায়রিয়া ও অন্ত্রের নানা সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করতে পারেন মেথিশাক।

    ত্বক ও চুলের জন্যে উপকারী

    ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে খেতে পারেন মেথি শাক। নিয়মিত এই শাক (Methi) খেলে অল্প বয়সে মুখে বলিরেখা কখনোই পড়বে না। সেই সঙ্গে মুখে ব্রণ, কালো বা ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে জুড়ি নেই মেথি শাকের। এছাড়াও মেথিশাকে থাকা আয়রন ও ভিটামিন চুলের সব সমস্যার সমাধান করে। মাথায় খুশকি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে অকালে চুল পেকে যাওয়ার মতো সমস্যাও কমায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Nutritionist: রান্না করা খাবার নাকি কাঁচা খাবার কোনটা বেশি পুষ্টিকর, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Nutritionist: রান্না করা খাবার নাকি কাঁচা খাবার কোনটা বেশি পুষ্টিকর, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবার আর বাঙালি যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বাঙালির রান্নার প্রশংসাও জগতজোড়া। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই রসিয়ে কষিয়ে রান্না করা খাবার কি সত্যিই স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো? তাতে কি পুষ্টিগুণ থাকে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা (Nutritionist)? 

    কাঁচা খাবার বনাম রান্না করা খাবারের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকবে কাঁচা খাবারই (Nutritionist)। রান্না করার সময় খাবারের বেশ কিছু পুষ্টিগুণ চলে যায়। এছাড়া খাবার রান্না করার প্রক্রিয়াতেও অর্থাৎ কাটার সময় এবং ধোয়ার মাধ্যমে অনেক পুষ্টি বেরিয়ে যায়। তবে রান্না করলে যেমন খাবারের মধ্যে থেকে কিছু ভিটামিন চলে যায়, ঠিক তেমনি রান্না করা খাবারের মধ্যেও কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা দেখা যায়।

    যেখানে কাঁচা খাবার এগিয়ে 

    র’ ফুড ডায়েট বলতে মূলত খাবারের মধ্যে খাবার অন্তত ৭০ শতাংশ কাঁচা রাখাকেই (Nutritionist) বোঝায়। কাঁচা খাবার বলতে একেবারে কাঁচা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া, রান্না না করা খাবারকেই বোঝায়। শাকসবজি, বাদাম, শস্য, ফল ইত্যাদিকেই বিশেষ করে র’ ফুড ডায়েটের মধ্যে ফেলা হয়। র’ ফুড ডায়েট বলতে অনেকে ভাবেন পুরোপুরিভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারের উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়া। কিন্তু আসলে বিষয়টা অন্যরকম। খানিকটা দুধ, মাছ এবং মাংস এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে আপনিও খেতে পারেন।

    আরও পড়ুন: কাউকে ভুল করে মেসেজ পাঠিয়েছেন? চিন্তা নেই, ‘আনডু’ ফিচার হোয়াটসঅ্যাপে 
     
    রান্না করা খাবারে এনজাইম থাকে না। সাধারণত, এনজাইম আমাদের শরীরে খাবারকে (Nutritionist) ভাঙতে সাহায্য করে। আপনি যে খাবারগুলো খাচ্ছেন প্রতিদিন, সেগুলোতেও এনজাইম থাকে। এই এনজাইম হজমে সাহায্য করে। এনজাইম সাধারণত উষ্ণতা পেলে একটু একটু করে কমে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১১৭ ডিগ্রী ফারেনহাইটে এনজাইম একেবারের মতো চলে যায় খাবার থেকে। 

    কাঁচা খাবারের চাইতে রান্না করা খাবারে ভিটামিনের পরিমাণ কমে যায়। আর এর মূল কারণ হল ভিটামিনের প্রকৃতি। রান্না করার সময় কিছু ভিটামিন এমনিতেই উষ্ণতার ফলে চলে যায়। ভিটামিন ‘বি’ এবং ভিটামিন ‘সি’ এর মতো ভিটামিন জলে দ্রবণীয়। ফলে, রান্না করলে এই ভিটামিনগুলোও নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, শাকসবজি জলে সেদ্ধ করা হলেও খাবারের ৫০-৬০ শতাংশ ভিটামিন চলে যায়। ভিটামিন ‘এ’ এর মতো ভিটামিনগুলো রান্না করার ফলে প্রভাবিত হলেও পুরোপুরি লুপ্ত হয় না। অন্যদিকে সবচাইতে বেশি প্রভাবিত হয় এক্ষেত্রে ভিটামিন ‘ডি’, ‘কে’, ‘ই’ এর মতো ভিটামিনগুলো।   

    রান্না করা খাবার যেখানে এগিয়ে 

    রান্না করা খাবার খেতে বেশ সহজ এবং হজম করাটাও (Nutritionist) সহজ হয়। অন্যদিকে কাঁচা খাবার, রান্না না করা খাবার এনজাইমপূর্ণ থাকলেও সেটা হজম করা কষ্টকর। কিছু খাবারে রান্না করার পর পুষ্টির পরিমাণ বেড়ে যায়। খাবারের গন্ধ আর স্বাদ বৃদ্ধিও হয় রান্নার পরেই। খাবার রান্না করে খেলে খাবারের অনেক জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়। 

    দুধ এবং মাংসের ক্ষেত্রে গরম করে খেলে জীবাণু নষ্ট হয়। খাবার রান্না করলে অনেক সময় এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যেমন- বিটা ক্যারোটিন এবং ল্যুটিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। এক গবেষণায় দেখা যায় যে, টমেটো রান্না করায় এর ভিটামিন ‘সি’ এর পরিমাণ কমে গেলেও লাইকোপেন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর রান্না করে খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর নাকি নয়, এটা অনেকটা কোন খাবার রান্না করা হচ্ছে তার উপরেও নির্ভর করে। ব্রোকলি, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ কিংবা রসুনের মতো খাবারগুলো কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া ভালো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Curd: সত্যিই কি শীতকালে দই খেলে অসুখ হয়? কিছু ভুল ধারণা ভাঙলেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

    Curd: সত্যিই কি শীতকালে দই খেলে অসুখ হয়? কিছু ভুল ধারণা ভাঙলেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা অনেকেই শীতকালে দই (Curd) খাওয়া এড়িয়ে চলি। মনে করি দই খেলে সর্দি-কাশি হয়। সত্যিই কি শীতে দই খেলে শরীর খারাপ হয়? কী বললেন বিশেষজ্ঞরা?

    টক দইয়ে রয়েছে প্রো-বায়োটিক উপাদান, উপকারী ব্যাক্টেরিয়া। যেগুলি শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়াকে মেরে ফেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এ ছাড়াও ভিটামিন এ, বি ৬, বি ফ্যাট, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস সহ নানা পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর টক দই। টক দই শরীরে ক্ষতিকর বর্জ্য জমতে দেয় না। টক দই শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হজম শক্তিও উন্নত করে। টক দই (Curd) খেলে বাড়তি ওজন কমার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এহেন উপকারী দইকে আমরা শীতকালে দূরেই সরিয়ে রাখি। 

    জেনে নিন দই নিয়ে এই ধারণাগুলি সম্পর্কে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা। 

    ধারণা: শীতকালে দই খেলে সর্দি-কাশি হয়?

    সত্যতা: শীতকালেও দই (Curd) দিয়ে মিষ্টি মুখ করতে পারেন নির্দ্বিধায়। দইয়ে প্রো-বায়োটিক উপাদান, ভিটামিন সি রয়েছে। এই দুই-ই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তবে ঘরোয়া তাপমাত্রায় এনে তবেই খাবেন। ঠাণ্ডা দই খাবেন না। 

    ধারণা: রাতে দই খাওয়া ঠিক নয়। 

    সত্যতা: এটা ভুল ধারণা। রাতে সাইড ডিশ হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে দই। এটি বিশেষ ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্ষরণে সাহায্য করে। যা মস্তিষ্ককে শান্ত করে। এবং মস্তিষ্ক শান্ত হলে কিছু ভাবতে সাহায্য হবে। 

    ধারণা: সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে যে মায়েরা তাদের দই খাওয়া উচিত না। মা-বাচ্চা দুজনের শরীর খারাপ হতে পারে। 

    সত্যতা: এটিও একটি ভুল ধারণা। বুকের দুধের মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে শুধু পুষ্টিই পায় সন্তানরা। বুকের দুধে ইমিউনোগ্লোবিউলিন্স থাকে, তাই ঠাণ্ডা লাগার সম্ভাবনা নেই। দই- এ (Curd) ভিটামিন এবং প্রোটিন রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দই মায়ের শরীরের ক্যালশিয়ামের ঘাটতিও পূরণ করে।

    আরও পড়ুন: ২০২৩-এ রুপোলী জগতে পা রাখবেন এই তারকা সন্তানরা!

    ধারণা: বাচ্চাদের শীতে দই খাওয়া উচিত নয়।

    সত্যতা: দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রক্তে শ্বেত রক্ত কনিকা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। ঘরোয়া তাপমাত্রায় দই খেলে শিশুদের ঠাণ্ডা লাগার ভয় নেই। 

    ধারণা: ওজন কমাতে চাইলে দই এড়িয়ে চলুন।

    সত্যতা: এই ধারণাটিও সত্যি নয়। ওজন কমানোর জন্যে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড খাওয়াও জরুরি। লো ফ্যাট দুধ থেকে তৈরি দই ওজন কমাতে সাহায্য করে। দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, পটাশিয়াম এবং প্রোটিন রয়েছে। যা স্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Benefits of Drinking Water: সকালে উঠে কখন জল খাবেন? জানালেন বিশেষজ্ঞ

    Benefits of Drinking Water: সকালে উঠে কখন জল খাবেন? জানালেন বিশেষজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা অনেকেই সকালে উঠেই বেড টি বা কফিতে অভ্যস্ত। আবার অনেকেই সকালে উঠে দাঁত মেজে, তবেই জলস্পর্শ করেন। কোনও অভ্যেস আপনার শরীরে জন্যে বেশি উপযোগী? সার্টিফায়েড যোগ ইনস্ট্রাক্টর ডাঃ নুপূর রোহতাগী (Dr Noopor Rohatgi) সম্প্রতি জানিয়েছেন, ঘুম থেকে উঠে সবার আগে যে কাজটি করা উচিত, তা হল খালি পেটে জল খাওয়া। তিনি বলেন, “সকালে উঠে দাঁত মাজারও আগে খালি পেটে জল পান করুন।”  

    আরও পড়ুন: মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে নয়া পদ্ধতি আবিষ্কার আইসিএমআর-এর

    সারাদিনে বারে বারে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত। জল খাওয়ার কোনও বিকল্প নেই। শুধুমাত্র শরীরের আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে জল তা নয়, জল শরীরের অপ্রজনীয়, ক্ষতিকারক পদার্থগুলিকেও কিডনি থেকে বের করতে সাহায্য করে। এছাড়া স্যালাইভা তৈরিতে এবং খাবারের পুষ্টিগুণকে শরীরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। 

    আরও পড়ুন: ভাবাচ্ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা, সতর্ক করলেন হু প্রধান

    [insta]

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by DrNoopur Rohatgi|Yoga&Wellness (@yogabydrnoopur)


    [/insta]

    খালি পেটে জল খাওয়ার উপকারিতা কী? 

    • সারা রাতে মুখে যে ব্যাক্টেরিয়াগুলি তৈরি হয়, তা সকালে উঠে খালিপেটে জল খেলে পেটে চলে যায়। এতে ইমিউন সিস্টেমের উপকার হয়। বিশেষ করে যারা ঠান্ডা ও সাধারণ জ্বরে বেশি ভোগেন তাদের জন্যে উপকারি। 
    • হজমে সাহায্য করে। 
    • খালি পেটে জল খেলে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া যাবে। 
    • কোষ্ঠকাঠিন্য , মুখের ঘা বা হজমের সমস্যায় ভোগেন যারা, তাদের জন্য খালি পেটে জল খাওয়া খুবই উপকারী। 
    • ওজন বাড়ার সমস্যাতেও খালি পেটে জল খাওয়া অত্যন্ত উপকারি।  
    • উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগীরা প্রতিদিন সকালে জল খেলে উপকার পাবেন। 
    • মুখের ভিতের নানান রকম সংক্রমণের প্রবনতা হ্রাস পায়।  
    • মুখের গন্ধ, স্যালাইভা না তৈরি হওয়ার মত সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

    [insta]

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by DtF @ Sonia Bakshi (@_dancetofitness_)


    [/insta]

    কেমন জল খাওয়া উচিত?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে উষ্ণ গরম জল খাওয়া উচিত। ডাঃ রোহতাগী বলেন, “ঘুম থেকে উঠে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দু গ্লাস উষ্ণ গরম জল খাওয়া উচিত। সবসময় বসে জল খান।” 

     

     

LinkedIn
Share