Tag: health center

health center

  • South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মগরাহাট প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় ১০ শয্যার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনী ফলক পড়ে রয়েছে মাঠে। ভাঙা জানালা, ভেতরে নেই কোনও সরঞ্জাম, দেওয়াল জুড়ে আগাছা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে বাড়িতে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সরকারি কোয়ার্টারগুলি পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মুরগির খামারে। এমনই বেহাল অবস্থা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের। চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    দীর্ঘদিন বেহাল স্বাস্থ্য কেন্দ্র (South 24 Parganas)

    জানা যায়, প্রায় পাঁচ বিঘা জমির উপর অবস্থিত মোহনপুর (South 24 Parganas) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এলাকার মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য ২০১১ সালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি হয়। এলাকার বাসিন্দা ভীম হালদার বলেন, “নামেই উদ্বোধন হয়েছিল স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির। কিন্তু কখনও পরিষেবা চালু হয়নি। মোহনপুর এলাকাসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোনও হাসপাতাল নেই। ইমারজেন্সি রোগীদের নিয়ে যেতে হয় ২০ কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে। এনিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বেশি শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করার জন্য প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দরবার করা হলেও দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

    ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা

    বর্তমানে শুধুমাত্র আউটডোর পরিষেবা পাওয়া যায় মোহনপুর (South 24 Parganas) সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। তাও সপ্তাহে মাত্র দুদিন চিকিৎসক আসেন, আর বাকি দিনগুলো ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা পরিষেবা। তাতেও অনিয়মিত পরিষেবা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকার বাসিন্দারা। এবিষয়ে মোহনপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট দেবাশীষ রাউত বলেন, “মগরাহাট দু নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, তাই সপ্তাহে দুদিন চিকিৎসক আসেন। এমনকী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল অবস্থার কথাও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু আজও একই অবস্থাতে রয়েছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (South 24 Parganas) বেহাল অবস্থা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রচ্ছন্ন ভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা চালু করতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টারগুলি তৃণমূলের লোকজন দখল করে রয়েছে।

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার (South 24 Parganas) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার জয়ন্ত সুকুল বলেন, “মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রতে খুব শীঘ্রই পরিষেবা চালু করা হবে। তবে মগরাহাট দু’নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের ঘাটতি থাকায় সপ্তাহে দুদিন আউটডোর পরিষেবাতে চিকিৎসক যান।” অবশ্য স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান জুলফিকার আলি মণ্ডল জানান, “এলাকার বেশ কিছু মানুষ সরকারি কোয়ার্টার দখল করে রয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি সবকিছু ঠিক করার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: রোগী পড়ে আছে, ওষুধ-পরিষেবা নেই! কাঠগড়ায় গলসির স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    Purba Bardhaman: রোগী পড়ে আছে, ওষুধ-পরিষেবা নেই! কাঠগড়ায় গলসির স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে সরবরাহ নেই ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইন। এই জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে। জীবনদায়ী ওষুধ ও সেলাইনের সরবরাহ নেই এবং এরপর উপরে নেই নজর কারও। অভিযোগ রোগীর আত্মীয় এবং এলাকাবাসীর। ঠিক এই কারণেই বেশ কিছুদিন ধরে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসির পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা কার্যত শিকেয় উঠেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে নিঃস্ব হচ্ছেন গ্রামগঞ্জের গরিব দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা। স্বাভাবিকভাবেই  স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

    মূল সমস্যা কী  (Purba Bardhaman)?

    জানাগেছে, হাসপাতালে (Purba Bardhaman) রোগী ভর্তি হলেই ডাক্তার বাবুরা চিকিৎসার জন্য ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইনের প্রেসক্রিপশন করে দিচ্ছেন। তবে সেই ওষুধের বেশিরভাগই যোগান নেই হাসপাতালে। এমন অবস্থায় প্রয়োজনীয় ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইন বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হচ্ছে রোগীদের। এমনকি জ্বর ও ডায়েরিয়া চিকিৎসাতে মিলছে না সাধারণ সেলাইন। এদিকে রোগী ভর্তি করলেই প্রতিদিন পাঁচ-সাতশো টাকার ওষুধ। ইনজেকশন ও সেলাইন কিনে আনতে হচ্ছে হাসপাতালে আসা গরিব রোগীর পরিজনদের। ঘটনার জেরে কিছুদিন ধরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃ‌ষ্টি হয়েছে হাসপাতাল চত্বর জুড়ে। ক্ষোভের আঁচ ভোগ করতে হচ্ছে হাসপাতালের আউটডোর ও ইনডোরে কর্মরত চিকিৎসক-স্বাস্থ্য কর্মীদের। এই কঠিন অবস্থার কথা স্বীকার করেছেন হাসপাতালের ডাক্তারবাবুরা। বেশিরভাগ গরিব রোগী পরিবারের পক্ষে বাইরে বহুমূল্যের চিকিৎসা নেবার ক্ষমতা নেই। এমন অবস্থায় এই হাসপাতাল বন্ধ রাখার দাবি করছেন স্থানীয়রা।

    রোগীর আত্মীয়ের বক্তব্য

    পরিষেবা না পেয়ে অসহায় রোগীর পরিজনেরা ক্ষিপ্ত। ক্যামেরার সামনে উগরে দিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষোভ; যন্ত্রণার কথা। রোগীর আত্মীয়া জাহানারা খাতুন আনসারি বলেন, ‘এর মধ্যে ওষুধ আর টেস্ট বাবদ ৭০০ টাকা খরচ হয়ে গেছে।’ নার্সিংহোমে (Purba Bardhaman) যাওয়া তাঁদের সাধ্যের বাইরে। মিলছেনা প্রয়োজনীয় ওষুধ। আরেক রোগীর আত্মীয় হাদিয়া বিবি শেখ, তিনি বলেন, ‘কিছু ফ্রিতে হচ্ছে না। সব পয়সা লাগছে। এত পয়সা থাকলে তো বাইরে চিকিৎসা করাতাম।’ রোগীর আত্মীয় ইনামুল হক, তিনিও ক্ষুব্ধ, বললেন, ‘আগে সব পাওয়া যেত। এখন কিছুই নেই। শুধু একরকম সেলাইন ছাড়া।’ তাঁরা কোথায় যাবেন?’ রোগীর পরিজন সুভাষ আকুড়ে জানালেন, ‘রোগী পড়ে আছেন, ওষুধ নেই, পরিষেবা নেই। বাইরে নিয়ে যাবার মত আমাদের ক্ষমতা নেই।’ প্রশাসন কবে সুব্যাবস্থা করবে কে জানে! এইভাবে রোগীদের পরিজনদের ক্ষোভ চরমে উঠেছে। রোগীর আত্মীয় আসগর আলি মল্লিক জানান, ‘আগে আমরা সব পেতাম। এখন কিছু নেই। কর্মীরা বলছেন তাঁদের কিছু করার নেই। তবে হাসপাতাল গুটিয়ে দেওয়া হোক। 

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    একইরকম ভাবে অসহায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (Purba Bardhaman) চিকিৎসকরা। মেনে নিলেন সরঞ্জামের অভাবে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে ভীষণভাবে। ডাঃ সায়ন জোয়ারদার বলেন, রোগীর পরিজনেরা রেগে যাচ্ছেন। তাঁদের ধৈর্য  রাখতে হচ্ছে। ২/৩ সপ্তাহ ধরে এমনটা হচ্ছে। যদিও ওষুধ সরবরাহ করার বিষয়টি তাঁদের নয়। তবু মানুষ হাসপাতালেই প্রথমে আসেন। তাঁরা জবাব চাইছেন। ডাঃ পায়েল মল্লিক, তিনি নতুন বিএমও এইচ। তিনি জানান, ‘সব বিষয়টি শুনেছি। আমি জেলায় সব জানিয়েছি। সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশাকরি সমাধান হয়ে যাবে।’ এই সমাধানের অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share