Tag: Health Department

Health Department

  • Dengue: হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, জনগণকে দুষছে প্রশাসন

    Dengue: হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, জনগণকে দুষছে প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মাঝেই ভয় বাড়াচ্ছে রাজ্যের ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি। লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। সংক্রমিতের সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার। আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি ২৪ পরগনায়। কলকাতার পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক।  

    রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডেঙ্গি সংক্রমণের নিরিখে গত ছয় বছরের মধ্যে ২০২২-এর সংক্রমণ সর্বাধিক। এবারের ডেঙ্গি সংক্রমণ ইতিমধ্যে ২০১৯-এর রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। প্রায় প্রত্যেক দিনই ডেঙ্গিতে মৃত্যুর খবর আসছে।

    ২০১৯-এ রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩১,৭৪৩ জন। এবছর এখনই সেই সংখ্যা ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া  পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বছর এখনও পর্যন্ত গত সপ্তাহে সর্বাধিক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৭, ২০১৮ সালে রাজ্যে ডেঙ্গি  আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল যথাক্রমে ১৪,৬৮৬ এবং ১৪,৬৪৭। ২০২০ ও ২০২১-এ আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল যথাক্রমে ২০১৮ এবং ২১৭৬ জন। এই দুবছরে করোনার কারণে ডেঙ্গির সংক্রমণ কম ছিল।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর সফর, সরকারি টাকায় সাজছে তৃণমূল নেতার রিসর্ট! সত্য ফাঁস শুভেন্দুর 

    আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়। গত সপ্তাহে উত্তরবঙ্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৫৩ জন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত  এবছরে আক্রান্ত প্রায় ৬ হাজার। হাওড়ায় গত সপ্তাহের আক্রান্তের  সংখ্যা ছিল ৬৩৬। আর এই বছরে এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৬৬। কলকাতায় গত সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬০০। এই  বছরে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত প্রায় ৩ হাজার। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে ১০ জেলার ১২ টি ব্লককে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়াও ৯ জেলার যে ১২ টি পুরসভাকে সতর্ক করা হয়েছে। তার মধ্যে কলকাতা ও দক্ষিণ দমদম ছাড়াও রয়েছে ব্যারাকপুর, হাওড়া, শিলিগুড়ি, বালি, বহরমপুর, কালিম্পং, কামারহাটি, বাঁকুড়া এবং উত্তরপাড়া।   

    কয়েক দিনের ব্যবধানে ২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুতে উদ্বেগ ছড়িয়েছে দক্ষিণ দমদম পুর এলাকায়। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন সাময়িক তৎপরতা দেখালেও বিভিন্ন জায়গায় জল জমে থাকতে দেখা যায়। যদিও স্থানীয় প্রশাসন দায় চাপিয়েছে বাসিন্দাদের কাঁধে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue Update: সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে পাঁচ হাজার, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ প্রশাসন, অভিমত স্বাস্থ্য অধিকর্তার

    Dengue Update: সপ্তাহে আক্রান্ত সাড়ে পাঁচ হাজার, ডেঙ্গি মোকাবিলায় ব্যর্থ প্রশাসন, অভিমত স্বাস্থ্য অধিকর্তার

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল :  ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়ানক। পুজোর মরশুমে প্রশাসন কোনও কাজ করেনি। এমনকি ডেঙ্গি আক্রান্তের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টও আসতে দেরি হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের থেকে অনেক পরে পাওয়া যাচ্ছে ডেঙ্গি রিপোর্ট। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্তের জন্য আলাদা বেড নির্ধারিত নেই। প্রয়োজনীয় পরিকল্পনার অভাব রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতিকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা কার্যত মেনে নিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী।

    স্বাস্থ্য দফতর (Health Department) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার স্বাস্থ্য ভবনের প্রশাসনিক বৈঠকে স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান, হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গি রোগীর দিনে দু’বার প্লেটলেট কাউন্ট হচ্ছে না। তাই অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ে রক্ত দেওয়া হচ্ছে না। এতে পরিস্থিতি আরও সঙ্কটজনক হচ্ছে। তাছাড়া, ডেঙ্গি রোগীর জন্য হাসপাতালে আলাদা বেড নেই। তাই রোগী ভর্তি নিয়েও টালবাহানা হচ্ছে। সূত্রের খবর, তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ডেঙ্গি পজিটিভ হলেই রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। রিপোর্ট দেরিতে পেলে বিপদ বাড়বে। ডেঙ্গি মোকাবিলা হবে না। কেন রিপোর্ট দেরিতে পাওয়া যাচ্ছে, সেটাও খতিয়ে দেখা জরুরি বলে তিনি এ দিনের বৈঠকে জানান।

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি এখন ভয়ঙ্কর। পুজোর পরে ডেঙ্গি পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাড়িয়েছে ১২ শতাংশ। এক সপ্তাহে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে পাঁচ হাজার। পুজোর মুখেই কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ডেঙ্গি চোখ রাঙাচ্ছিলো। স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানিয়েছিলেন, ঠিকমতো পরিকল্পনা মাফিক কাজ না করলে পুজোয় মানুষের হয়রানি আরও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য দফতরের পুজো পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়ল, শারদোৎসবে ডেঙ্গি আক্রান্তরা হয়রানির শিকার

    দুর্গা পুজোর শুরুতেই অবশ্য স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছিল, পুজোর সময় স্বাস্থ্য ভবনে আলাদা ডেঙ্গি কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। চব্বিশ ঘণ্টা কাজ হবে। সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্তের ভর্তি, রক্তের প্রয়োজন, কোথাও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে সেই এলাকার দিকে বিশেষ নজরদারির মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করবে এই বিশেষ কন্ট্রোল রুম। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ, স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনও সুবিধা পাওয়া যায়নি। এমনকি কোন ব্লাড ব্যাঙ্কে গেলে রক্ত পাওয়া যাবে, সেই তথ্যও পাওয়া যায়নি। পজিটিভ গ্রুপের রক্ত পেতেও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে রোগীর পরিজনদের।

    পুজোর আগে স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা ফি-বছরের হয়রানি মেনে নিয়ে বলেছিলেন, পুজোর সময় সরকারি হাসপাতালগুলোর পরিষেবা নিয়ে সমস্যা হয়। চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী, নার্স ছুটি নেন। সরকারি হাসপাতাল পরিষেবা থমকে যায়। কিন্তু যে হারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক না থাকলে, পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হবে। তাই সরকারি হাসপাতালগুলোতেও উৎসব স্পেশাল ডিউটি রোস্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্লাড ব্যাঙ্কে যাতে রক্তের জোগান ঠিক থাকে, সেদিকেও বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ডেঙ্গি চিকিৎসায় প্লেটলেট খুব জরুরি। কিন্তু অন্য বছরের মতো এ বছরেও পুজোর দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হলেন।

    শুক্রবার এই সমস্ত অভিযোগকে কার্যত মেনে নিলেন খোদ স্বাস্থ্য অধিকর্তা। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে তিনি জানান, ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য ডেঙ্গি তথ্য গোপন কিংবা পজিটিভ রিপোর্ট দেরিতে দিলে বিপদ আটকানো যাবে না। বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তাই আলাদাভাবে ডেঙ্গি মোকাবিলায় গুরুত্ব দিতে হবে। না হলে মশাবাহিত এই রোগ আরও ভয়ানক আকার নেবে।

  • Dengue: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    Dengue: পুজোর আগে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আক্রান্ত ৪০১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রোগী এই রোগের শিকার হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তরফে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪০১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩১৫ জনের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। যে সব জেলায় ডেঙ্গির প্রকোপ সবথেকে বেশি, সেগুলি হল, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, দার্জিলিং। 

    আরও পড়ুন: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়
     
    জেলা প্রশাসনকে বিষয়টিতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ডেঙ্গির বলি হয়েছেন কলকাতার এক বাসিন্দা। কালীঘাট, হরিদেবপুরের পর হালতু। ফের কলকাতায় ডেঙ্গিতে মৃত্যু। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গি শক সিনড্রোমের উল্লেখ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর আগে কালীঘাটের বাসিন্দা এক বালক ও হরিদেবপুরের বাসিন্দা এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গিতে। এবার ডেঙ্গির শিকার হালতুর এক মহিলা। হালতুর কায়স্থপাড়া মেন রোডের বাসিন্দা ৪০ বছরের মৌমিতা মুখোপাধ্যায়। পরিবার সূত্রে খবর, ৫ সেপ্টেম্বর যাদবপুর এলাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন। তার আগে তাঁর তিন-চারদিন জ্বর ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে আইসিইউ- তে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে মৃত্যু হয় তাঁর। মহিলার ৮ বছরের ছেলেও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এবং হাসপাতালে ভর্তি।       

    ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হাওড়ার বালিতে ডেঙ্গিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার। রাতে বালির ভোটবাগানের বাসিন্দা এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ডেথ সার্টিফিকেটে সিভিয়ার ডেঙ্গি সিনড্রোমের উল্লেখ করা হয়। 

    আরও পড়ুন: মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে নয়া পদ্ধতি আবিষ্কার আইসিএমআর-এর

    প্রতি বছরই বর্ষার আগে পরে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেয় বাংলায়। পুজো পর্যন্ত প্রকোপ চলে। পাশাপাশি অন্যান্য ভাইরাল রোগও যাতে না হয় তা নিয়ে চিন্তা ব্যক্ত রয়েছে প্রশাসনে। গত মাসেই ডেঙ্গি নিয়ে নবান্নতে বৈঠক হয়। সেখান থেকেই জেলা প্রশাসন এবং জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যসচিব। ডেঙ্গি যে চিন্তা বাড়াচ্ছে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে বলেন তিনি। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, জলপাইগুড়ির মতো জেলাগুলিকে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যের সমস্ত যোগ্য প্রাপককে  কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। নবান্নে (Nabanna) আজ রাজ্যের সাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিক,সব জেলাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ছ কোটির বেশি মানুষ কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বাকি ৫ কোটির বেশি মানুষের এখনও পর্যন্ত এই বুস্টার ডোজ বকেয়া রয়েছে। তাঁরা যাতে পুজোর আগেই বুস্টার ডোজ পান তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের দেওয়া টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট খাতে খরচ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আশাকর্মী নিয়োগের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,২৭২ জন। গতকাল যে সংখ্যাটা ছাপিয়েছিল ১৫ হাজারের গণ্ডি। সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় খানিকটা কমেছে অ্যাকটিভ কেস। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬৬ জন। গোটা দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৮৯।

    আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    এই পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই পুজোর উৎসবে, জমায়েতের কারণে যাতে কোনওভাবেই রোগের বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখতেই তড়িঘড়ি এই ব্যবস্থা।  

LinkedIn
Share