Tag: health effects of lack of sleep

  • Insomnia Among Indians: ঘুমেই লুকিয়ে রয়েছে ভালো থাকার চাবিকাঠি! কেন ঘুম-সমস্যায় ভুগছেন মানুষ?

    Insomnia Among Indians: ঘুমেই লুকিয়ে রয়েছে ভালো থাকার চাবিকাঠি! কেন ঘুম-সমস্যায় ভুগছেন মানুষ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভালো থাকার চাবিকাঠি রয়েছে ঘুমেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। কিন্তু ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে ঘুম নিয়ে জটিলতা বাড়ছে। অর্থাৎ, অধিকাংশ মানুষের (Insomnia Among Indians) পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। শরীরে ঘুমের ঘাটতি দেখা যায়। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে অপর্যাপ্ত ঘুম। তাই বিশ্ব ঘুম দিবসে (World Sleep Day) চিকিৎসকদের পরামর্শ, ভালো থাকতে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি।

    ভারতে কি বাড়ছে অনিদ্রার সমস্যা? কারা বেশি এই সমস্যায় ভুগছেন?

    ভারতে অনিদ্রার সমস্যা (Sleep Crisis in India) বাড়ছে। একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত ঘুমের সমস্যায় ভোগেন (Insomnia Among Indians)। ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা বাড়ছে। করোনা পরবর্তী কালে অনিদ্রার সমস্যা দেশ জুড়ে বেড়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা। বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে।

    কেন ভারতীয়দের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে ষাটোর্ধ্ব মানুষদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা ছিল (Insomnia Among Indians)। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম চক্র বদলে যায়। অর্থাৎ শরীরে একাধিক হরমোনের পরিবর্তন হয়। যার ঘুমের উপরে সরাসরি প্রভাব পড়ে। তাছাড়া বয়স বাড়লে নানান অসুখের কারণেও গভীর ঘুম হয় না। তবে গত কয়েক বছরে কম বয়সীদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা বেড়েছে। ২০-৪০ বছর বয়সিদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা বেড়ে যাওয়ার (Sleep Crisis in India) অন্যতম কারণ অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই বয়সিদের রাত জেগে মোবাইল দেখার অভ্যাস বেড়েছে। যার জেরে মস্তিষ্কের স্নায়ু বাড়তি উত্তেজিত হয়ে থাকে। তাই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এছাড়া অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ পর্যাপ্ত ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। তাছাড়া বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই বয়সীদের অনেকেরই কাজের সময় গভীর রাত পর্যন্ত থাকে। তাই রাতে জেগে থাকার অভ্যাস তৈরি হয়ে যায়। যা শরীরের জন‌্য ক্ষতিকারক।

    কেন অনিদ্রার সমস্যাকে বাড়তি নজরদারি দেওয়া জরুরি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক, শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। নিয়মিত ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা শরীরের জন্য প্রয়োজন (Insomnia Among Indians)। নিয়মিত অপর্যাপ্ত ঘুম হলে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে, মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুম হলে তবেই শরীরের পর্যাপ্ত হরমোন ক্ষরণ হবে। মস্তিষ্কের প্রয়োজনীয় বিশ্রাম হলে, তবে সমস্ত স্নায়ু সক্রিয় থাকবে। কাজে মনোযোগ বাড়াতে এবং বিরক্তি কমাতে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি (Sleep Crisis in India)। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে মস্তিষ্কের ঠিকমতো বিশ্রাম হয় না। এর জেরেই মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। কাজে মনোযোগ হয় না। ফলে কর্মজীবনেও তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই ঘুম পর্যাপ্ত জরুরি। এছাড়াও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অপর্যাপ্ত ঘুমের জেরে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তবেই দীর্ঘ সুস্থ জীবন সম্ভব।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share