Tag: Health News

Health News

  • Self Medication Side Effects: জ্বর-কাশিতে নিজের মতো ওষুধ খাচ্ছেন? হতে পারে কিডনি-লিভারের মারাত্মক ক্ষতি! বড় সতর্কবার্তা চিকিৎসকদের

    Self Medication Side Effects: জ্বর-কাশিতে নিজের মতো ওষুধ খাচ্ছেন? হতে পারে কিডনি-লিভারের মারাত্মক ক্ষতি! বড় সতর্কবার্তা চিকিৎসকদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জ্বর-কাশির মতো সাধারণ সমস্যা হোক কিংবা বৃষ্টিতে ভেজার জেরে মাথা ধরা, যেকোনো সামান্য ভোগান্তিতে অনেকেই নিজেই নিজের চিকিৎসক হয়ে ওঠেন। কেউ হঠাৎ একখানা ব্যথা কমার ওষুধ খেয়ে নেন, আবার কেউ ইচ্ছে মতো দোকান থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে নেন। আর এগুলোই বড় জটিলতা তৈরি করে। আগামী দিনে সমস্যা তৈরি হয়। যথেচ্ছ ওষুধ খাওয়া এবং তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, ভারতে অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় হতে চলেছে।

    কোন ওষুধে বিপদ বাড়াতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনো ওষুধ ইচ্ছে মতো, যখন তখন খেলে শরীরে প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। অনেক সময়েই দ্রুত প্রতিক্রিয়া বোঝা যায় না। কিন্তু পরে শরীরের উপরে গভীর প্রভাব পড়ে। তাই যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ জরুরি। বিশেষত অ্যান্টিবায়োটিক, পেইন কিলার কিংবা অ্যান্টি অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ার আগে, উপযুক্ত পরামর্শ প্রয়োজন। কতদিন ওষুধ খাওয়া প্রয়োজন, কতটা মাপের ওষুধ খেতে হবে, এগুলো একমাত্র বিশেষজ্ঞরা ঠিকমতো পরামর্শ দিতে পারে। তা না হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাবে।

    কোন দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যথেচ্ছ ওষুধ খাওয়ার ফলে শরীরে একাধিক দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই সামান্য মাথা ব্যথা, হাত-পায়ে ব্যথা হলে খুব শক্তিশালী পেইন কিলার বা ব্যথা কমানোর ওষুধ খাচ্ছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই এই ওষুধ খাওয়া হয়। এর ফলে ডোজ সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা থাকে না। রোগীর ব্যথা কমার জন্য কতখানি মাপের ব্যথা কমার ওষুধ প্রয়োজন, সেটা জানা জরুরি। নিয়মিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্চমাত্রার ব্যথা কমার ওষুধ খেলে, কিডনিতে গভীর ক্ষত তৈরি হয়। রক্তচাপের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাছাড়া, স্নায়ুর উপরেও গভীর প্রভাব ফেলে। স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে। তাই যথেচ্ছ পেইন কিলার খাওয়ার প্রবণতা বিপজ্জনক।

    অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে ভারতে

    ভারতে মারাত্মক হারে বেড়েছে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সামান্য জ্বর, সর্দি-কাশি কিংবা সাধারণ পেটের গোলমাল হলেও ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এর ফল মারাত্মক। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। যেকোনো বড় অপারেশন কিংবা সংক্রামক রোগে চিকিৎসা করাই কঠিন হয়ে উঠছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোগী যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ফলে, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী শক্তি শরীরে সক্রিয় হয়ে উঠছে। এর ফলে কোনো বড় অসুখ হলে, সংক্রমণ রুখতে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। এর ফলে নিউমোনিয়া, লিভারের অসুখ কিংবা বড় কোনো অপারেশনের পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। সুস্থ হতে সময় লাগছে।

    অ্যালার্জির সমস্যা ভারতে বাড়ছে

    অ্যালার্জির সমস্যা ভারতে বাড়ছে। দূষণ ও নানান অভ্যাস পরিবর্তনের জেরে ভারতীয়দের মধ্যে নানান অ্যালার্জি দেখা দিচ্ছে। অনেকেই অ্যালার্জি কমাতে ইচ্ছেমতো অ্যান্টি অ্যালার্জির ওষুধ খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে অন্যান্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরির ঝুঁকি বাড়ছে। আদৌও অ্যান্টি অ্যালার্জির প্রয়োজন রয়েছে কিনা, উপসর্গগুলো অ্যালার্জির কিনা, সেটা ঠিকমতো যাচাই হচ্ছে না। তার আগেই ওষুধ খাওয়া হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি ওষুধে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। এর ফলে শরীরে গভীর ক্ষত তৈরি হচ্ছে। যা পরবর্তীতে নানান রোগের কারণ হয়ে ওঠে।

    কেন যথেচ্ছ ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয়ের কাছেই এখন নানান তথ্য সংগ্রহ খুবই সহজ। কারণ, ইন্টারনেটের ব্যবহার সুলভ। এর ফলে অনেকেই কোনো শারীরিক সমস্যা হলে, ইন্টারনেটে উপসর্গ দেখেন।‌ সেখানে থাকা ওষুধের নাম দেখেই নিজের মতো সেগুলো খেয়ে নেন। কিন্তু এক উপসর্গে নানান রোগের হতে পারে। তথ্য কখনোই রোগ নির্ণয় করতে পারে না। বরং, রোগ সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে পারে। এই সচেতনতার অভাবের জেরেই ভারতে বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয় হতে পারে। যথেচ্ছ ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমাবে। আবার অন্যান্য বড় অসুখে ভোগার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ওষুধ খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ জরুরি।

  • Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। তবে মশাবাহিত এই রোগে শুধু সংক্রমণের দাপটের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে না। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগের বদলে যাওয়া প্রকৃতি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে, রোগের চরিত্র বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ম্যালেরিয়ার দাপটকে কাবু করতে আরো সক্রিয় ওষুধ তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। খোদ কলকাতাতেই পরীক্ষা চলছে। আক্রান্তের কাছে একটা ডোজ পৌঁছে গেলেই, ম্যালেরিয়ার দাপট কমবে। গবেষকেরা এমনটাই আশা করছেন।

    কেন ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার বদল হচ্ছে। পৃথিবী জুড়েই জলবায়ুর পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির মতো ইউরোপের দেশগুলোর পাশপাশি ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে জলবায়ুর পরিবর্তনের বিশাল প্রভাব পড়ছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্যে। একাধিক রোগের প্রকৃতি বদল হচ্ছে। নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র ও বদলে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের জেরে বদলে গিয়েছে ম্যালেরিয়ার চরিত্র। মশাবাহিত এই রোগ আগের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

    বদলে যাওয়া রূপে কতখানি বিপদ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার ওষুধ রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে তাই ম্যালেরিয়া তুলনামূলক কম বিপজ্জনক বলেই মনে হয়। কিন্তু চরিত্র বদল করে ম্যালেরিয়া ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সাধারণত দুই তিন দিন জ্বরের পরে পরীক্ষা করিয়ে আক্রান্ত সংক্রমণের বিষয়ে জানতে পারেন। তারপরে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু নতুন চরিত্রের এই ম্যালেরিয়া মাত্র দুই-তিন দিনের মধ্যেই শরীরে গভীর প্রভাব ফেলছে। বিশেষত অন্ত্র, লিভার, মস্তিষ্কের উপরে গভীর ক্ষত তৈরি করছে। একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিচ্ছে। ফলে, শরীরের সক্রিয়তা কমছে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বাজার চলতি ওষুধে রোগ প্রতিরোধ করতে যে সময় নিচ্ছে, তাতে আক্রান্তের অবস্থা আরও সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে। ফলে, মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ম্যালেরিয়া সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

    নয়া দাওয়াইয়ে কেন বাড়তি ভরসা?

    কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে ম্যালেরিয়া নিয়ে নতুন ওষুধের পরীক্ষা চলছে। প্রস্তুতি পর্ব প্রায় শেষের দিকে। কর্তৃপক্ষের একাংশ জানাচ্ছেন, নতুন ওষুধ ম্যালেরিয়ার বাড়তি সঙ্কটের বোঝা কমাতে পারবে। তাঁরা আশাবাদী, ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হয়ে যাওয়ায়, যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় নতুন ওষুধ বাড়তি সাহায্য করবে। নতুন ওষুধের চতুর্থ পর্বের ট্রায়াল চলছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন ওষুধ মাত্র একটা ডোজেই কাজ করবে। যে কোনও রকমের ম্যালেরিয়া মোকাবিলা করতে এক ডোজেই সাহায্য হবে। বাজার চলতি ম্যালেরিয়ার ওষুধ একাধিকবার খেতে হয়। ম্যালেরিয়া এখন আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে দ্রুত নিরাময় জরুরি। না হলেই লিভার, অন্ত্র ও মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই ম্যালেরিয়া দ্রুত নিরাময় করতে সাহায্য করবে, এমন ওষুধ প্রয়োজন। নতুন ওষুধ সেই কাজে সক্ষম হবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কলকাতা ও তার আশপাশে কেন বাড়ছে ম্যালেরিয়ার দাপট?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক বছরেই ম্যালেরিয়ার দাপট উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে একদিকে ম্যালেরিয়া আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আবার আরেকদিকে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জনসচেতনতার অভাব। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া সহ একাধিক জেলায় দাপট বাড়াচ্ছে। গত বছরেও জুন মাস থেকে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছিল। চলতি বছরেও এই সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় অধিকাংশ জায়গায় নিকাশি ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় মারাত্মক জল জমে। একদিন বৃষ্টি হলেই কয়েক দিন ধরে জমা জলের ভোগান্তি থাকে। এগুলো মশার বংশবিস্তার করে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন বাগান, বাড়ির আশপাশের এলাকায় জল জমলেও মশাবাহিত রোগের দাপট বাড়তে থাকে। তাই ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ে।
    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, প্রচন্ড জ্বর, তীব্র মাথার যন্ত্রণা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো শারীরিক পরীক্ষা করানো জরুরি। রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে ম্যালেরিয়া মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

  • Heart Attack: হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রাশ টানা দরকার কোন চার খাবারে? কতখানি কার্যকরী এই পথ?

    Heart Attack: হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রাশ টানা দরকার কোন চার খাবারে? কতখানি কার্যকরী এই পথ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি (Heart Attack)। বয়স মাত্র কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই দেখা দিচ্ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। অনেকেই খুব কম বয়স থেকেই ডায়াবেটিসেও আক্রান্ত হচ্ছেন। আর তার সঙ্গেই দেখা দিচ্ছে হৃদপিণ্ডের নানান সমস্যা (Health Problems)। এমনকি হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদও বাড়ছে। ভারতেও কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে (Foods To Avoid)। গত কয়েক বছরে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষত, কমবয়সি ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই হৃদরোগের জেরে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন না। তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগের জেরে কর্ম জীবনেও ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। তাই প্রথম থেকেই জীবন‌ যাপনে, বিশেষত খাদ্যাভাসে রাশ টানার পরামর্শ (Health Tips) দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। হৃদরোগ নিয়ে আয়োজিত এক সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এমনটা জানালেন চিকিৎসকদের একাংশ। কোন চার খাবারে রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ফ্যাট জাতীয় খাবারে রাশ…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাট জাতীয় খাবারে রাশ টানা জরুরি (Foods To Avoid)। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশের নিয়মিত খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ মারাত্মক বেশি থাকে। অনেকেই নিয়মিত বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবার খান। এই ধরনের খাবারে পুষ্টিগুণ একেবারেই থাকে না। বরং থাকে ক্ষতিকারক ফ্যাট। যার জেরে শরীরে চর্বি জমতে থাকে। প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডে। বিশেষত রক্তসঞ্চালনের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে যাওয়ার জেরে হৃদপিণ্ডে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছতে পারে না। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়ে (Heart Attack)।

    পেস্ট্রি হোক বা রসগোল্লা, মিষ্টিতে থাকুক নিয়ন্ত্রণ…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মিষ্টি বিশেষত চিনি শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। মিষ্টি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই তাঁদের পরামর্শ, পেস্ট্রি, কেক বা রসগোল্লা, যে কোনও মিষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Foods To Avoid)। নিয়মিত রান্নায় চিনির ব্যবহারেও লাগাম দেওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, মিষ্টি একদিকে শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। আরেকদিকে মিষ্টি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বয়স চল্লিশ পেরোলে (Diet After 40), আরও বেশি খাবার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। বিশেষত মিষ্টি জাতীয় খাবারে রাশ জরুরি।

    অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন নয়…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিনে অভ্যস্থ। অনেক সময়েই তরুণ প্রজন্মের খাবারের মেনুতে ভিটামিন কিংবা কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল একেবারেই থাকছে না। শুধুই প্রাণীজ প্রোটিন থাকছে। এর ফলে নানান শারীরিক সমস্যা (Health Problems) হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে হৃদপিণ্ডে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই প্রাণীজ প্রোটিন নির্ভর খাবার খাওয়ার জেরে হজমের সমস্যা দেখা দিচ্ছে (Foods To Avoid)। এর ফলে রক্তচাপ ওঠানামা করছে। আবার অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার জেরে কোলেস্টেরলের পরিমাণও বাড়ছে। এর ফলে হৃদপিণ্ডে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে না। রক্তে চাপ বাড়ছে। তার ফলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই নিয়মিত খাবারে পরিমিত পরিমাণে প্রাণীজ প্রোটিন জরুরি। তার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল জাতীয় খাবার দরকার (Health Tips)। অর্থাৎ, সবুজ সব্জি, বাদাম জাতীয় খাবার এবং দানাশস্য নিয়মিত জরুরি। তবেই হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিকমতো থাকে।

    মদ্যপান এবং ধূমপানে না…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মদ‌্যপান এবং ধূমপানের প্রবণতা মারাত্মক ভাবে বেড়েছে। এই প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ। ওই সম্মেলনে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত মদ্যপানে অভ্যস্ত। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক (Foods To Avoid)। পাশপাশি অনেকেই বয়ঃসন্ধিকাল থেকে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। হৃদপিণ্ডের উপরে এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান এবং মদ্যপানে না বলা জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের (Health Tips)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Eggs: ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    Eggs: ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবারে নরম তুলতুলে ডিমের পোচ কিংবা ফ্রায়েড এগ অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। আবার অনেকে‌ই স্কুল-কলেজ যাওয়ার আগে ঘি-আলু সিদ্ধ ভাতের সঙ্গে ডিম সিদ্ধ নিয়মিত খান। একদিকে পুষ্টি আরেকদিকে স্বাদ! ডিমের (Eggs) এই যুগলবন্দিতে শিশু থেকে বয়স্ক বেশিরভাগ মানুষের কাছেই এই খাবার নিত্যসঙ্গী! তবে, ডিমের সঙ্গে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শরীরের ভোগান্তি বাড়তে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমের সঙ্গে কিছু খাবার এড়িয়ে চলাই উচিত। তাহলে স্বাস্থ্য সমস্যা হবে না। দেখা যাক, কোন কোন খাবার ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চা কিংবা কফি খাওয়া উচিত নয় (Eggs)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবারে অনেকেই নিয়মিত ডিম খান। কখনও ফ্রায়েড, কখনও পোচ আবার কখনও সিদ্ধ। তবে তার সঙ্গে অনেকেই চা কিংবা কফি জাতীয় গরম পানীয় খেতে পছন্দ করেন। আর এতেই বিপদ বাড়ে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, কফি কিংবা চা জাতীয় পানীয়তে ক্যাফিনের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি থাকে। এই উপাদান শরীরে অন্যান্য খাবারের পুষ্টিগুণ সহজে পৌঁছতে দেয় না। ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এতে নানান ভিটামিন, প্রোটিন থাকে। এর সঙ্গে কফি বা চা খেলে সেই পুষ্টি শরীরে পৌঁছতে পারে না।

    দই খেলে বাড়বে বিপদ

    শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত টক দই এবং ডিম-এই দুই খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এই দুই পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত একসঙ্গে খেলে বিপদ বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দই এবং ডিম (Eggs) এই দুই খাবারেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। তাই এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁদের পরামর্শ, সকালে ব্রেকফাস্টে ডিম খেলে, দুপুরের খাবারের পরে টক দই খাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ এই দুই খাবার খাওয়ার সময়ের মধ্যে একটা ব্যবধান জরুরি।

    প্রাণীজ প্রোটিন এড়িয়ে চলা জরুরি (Eggs)

    যে কোনও প্রাণীজ প্রোটিন বিশেষত সসেজ কিংবা হ্যাম জাতীয় খাবার ডিমের সঙ্গে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন থাকে। সসেজ কিংবা হ্যাম হল নানান রকমের মাংসের পদ। এগুলোতেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। একসঙ্গে এত বেশি পরিমাণ প্রোটিন হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ইংলিশ ব্রেকফাস্ট পছন্দের হলেও হজমের গোলমাল রুখতে, গ্রীষ্মপ্রধান দেশে সসেজ সহ ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ফ্রেঞ্চ ফ্রাই একেবারেই নয়

    ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবার একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ডিমে (Eggs) থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এই প্রোটিন ও ফ্যাট একসাথে শরীরে প্রবেশ করলে, পেট ব্যথা, হজমের গোলমাল হতে পারে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ডিম খাওয়া দরকার। এড়িয়ে চলতে হবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো পদ।

    চিনি এবং কলা একেবারেই এড়িয়ে চলা জরুরি (Eggs)

    ডিম সিদ্ধ, পাউরুটি এবং কলা, জলখাবারের এই পদ প্রায় প্রত্যেকের খুবই পরিচিতি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম সিদ্ধ এবং কলা একসঙ্গে খেলে বিপদ বাড়তে পারে। কলায় রয়েছে‌ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট একসঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে অনেক সময়েই বিষক্রিয়া হতে পারে। অর্থাৎ পেটের গোলমাল, পেট ব্যথা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই কারণে ডিমের সাদা চিনি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবার একসঙ্গে খাওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

    চিজ এড়িয়ে চলা জরুরি

    চিজ অমলেট অনেকেই খুব পছন্দ করেন। কিন্তু নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ চিজ দেওয়া অমলেট একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, চিজ অমলেট নিয়মিত খেলে ক্লান্তিবোধ বাড়ে। শরীরে এনার্জির ঘাটতিও‌ দেখা দেয়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Tooth decay: দিনে দু’বার দাঁত মাজলেই কি বিপদ এড়ানো যাবে? দাঁতের ক্ষয়রোগ রুখতে কী করবেন?

    Tooth decay: দিনে দু’বার দাঁত মাজলেই কি বিপদ এড়ানো যাবে? দাঁতের ক্ষয়রোগ রুখতে কী করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চকলেট, আইসক্রিম বা ঘরের তৈরি ডাল-ভাত, যে কোনও খাবারেই হতে পারে দাঁতের ক্ষয়রোগ। তবে আধুনিক খাদ্যাভ্যাসে এমন নানান জিনিস খাবারের তালিকায় যোগ হচ্ছে, যাতে দাঁতের ক্ষয়রোগের (Tooth decay) ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে এক-দুবার দাঁত ব্রাশ করলেই সেই ঝুঁকি কমবে না। বরং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে দাঁত পরিষ্কার না করলে, বিপদ বাড়তে পারে। শিশুদের প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি মেনে দাঁত ও মুখের ভিতর পরিষ্কার করার অভ্যাস রপ্ত করানো জরুরি। তাহলে তাদের দাঁতের ক্ষয়রোগের ঝুঁকি কমবে। মুখের ভিতরে যে কোনও সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা পাবে। কিন্তু দাঁত পরিষ্কারের কোন পদ্ধতি মেনে চলা জরুরি?

    কখন দাঁত ব্রাশ করতে হবে? (Tooth decay)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই কিংবা রাতে খাবার খাওয়ার ঠিক পরেই ব্রাশ করা উচিত নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ব্রাশ করার সময় অত্যন্ত জরুরি। রাতে খাবার খাওয়ার পরেই ব্রাশ করলে অনেক সময়েই তা ক্ষতি হতে পারে। কারণ, খাবার খাওয়ার পরে প্রায় এক ঘণ্টা মুখের ভিতরে নানান ব্যাকটেরিয়া এবং অ্যাসিড সক্রিয় থাকে। সেই সময়ে দাঁতে ব্রাশ ঘষলে কার্যত ব্যাকটেরিয়া ঘষা হয়। তাছাড়া ওই অ্যাসিড আর টুথপেস্ট একসঙ্গে দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে। আর কিছুই উপকার হয় না। তাই খাওয়ার অন্তত একঘণ্টা পরে ব্রাশ করা জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠে মিনিট পনেরো পরেই ব্রাশ করা যেতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    শুধু ব্রাশ করলেই জীবাণুমুক্ত হয় না!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু ব্রাশ করলেই মুখ জীবাণুমুক্ত হয় না‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, মুখের ভিতরে এমন নানান জায়গা থাকে, যেখানে ব্রাশ করলেও জীবাণু থেকে যায়। মুখের ভিতরের সব জায়গায় ব্রাশ পৌঁছতে পারে না। তাই ব্রাশ করার পাশপাশি মাউথওয়াশ ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল পরিষ্কার জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু দাঁত ব্রাশ যথেষ্ট নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্লাগ বা ক্ষতিকারক উপাদান জমে থাকে দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে। তাই ব্রাশ করার সময়ে সেই জায়গা পরিষ্কার করা জরুরি। না হলে মুখের ভিতর জীবাণুমুক্ত হবে না।‌ দাঁতের নানান সমস্যাও (Tooth decay) দেখা দিতে পারে।

    কতক্ষণ ব্রাশ করা উচিত? (Tooth decay)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দাঁত ব্রাশ করতে কত সময় লাগবে, এই নিয়ে নানান সংশয় রয়েছে‌। দাঁত ব্রাশ করতে মিনিট তিনেক সময় লাগে। তবে দাঁত ব্রাশ করার নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি রয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই জোরে জোরে উপর-নীচে ব্রাশ চালিয়ে দাঁত পরিষ্কার করেন। এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভুল। দাঁত ব্রাশ করতে হবে গোল গোল করে। অর্থাৎ, একসঙ্গে দুই বা তিনটি দাঁতের উপরে ব্রাশ রেখে, গোল গোল করে দাঁত ঘষতে হবে। তাহলেই দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থল পরিষ্কার হবে। দাঁতও ভালো থাকবে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দাঁত ব্রাশ করার পাশপাশি মুখ ধোয়ার অভ্যাস জরুরি। বিশেষত শিশুরা অনেক সময়েই দিনে একাধিকবার মিষ্টিজাতীয় খাবার খায়। বারবার তাদের ব্রাশ করা হয় না। কিন্তু মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার পরেই মুখের ভিতরে ভালো করে জল দিয়ে ধোওয়া জরুরি। এতে দাঁতের ক্ষয়রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো‌ যায়।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Muscle cramps: হঠাৎ পায়ে-কোমরে খিঁচ! কেন হচ্ছে এই সমস্যা? কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    Muscle cramps: হঠাৎ পায়ে-কোমরে খিঁচ! কেন হচ্ছে এই সমস্যা? কীভাবে মোকাবিলা করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘুম থেকে উঠে‌ কিংবা নিত্যদিনের ঘরোয়া কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ পা কিংবা কোমরে যন্ত্রণা অনুভব হয়। অনেকেই হঠাৎ এই পা, ঘাড় কিংবা কোমরের পেশিতে খিঁচ (Muscle cramps) অনুভব করেন। যার ফলে দিন কয়েক ধরে ভোগান্তি চলে। স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়। এমনকী মারাত্মক ব্যথার জন্য অনেক সময় হাঁটাচলা করতেও সমস্যা হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকের ঘন ঘন এই ধরনের পেশিতে টানের মতো সমস্যা দেখা দেয়। আর তখন বাড়তি সতর্কতা জরুরি। বারবার দেহের বিভিন্ন পেশিতে টান, জানান দেয় শরীরে একধিক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। সতর্ক না হলে বড় বিপদ হতে পারে।

    কেন‌ বারবার পেশিতে খিঁচ ধরে? (Muscle cramps)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পেশিতে খিঁচ বা টান অনুভব হয় মূলত দূর্বলতার কারণে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের ক্ষমতার বাইরে একটানা পরিশ্রম করলে, পেশি দুর্বল হয়ে যায়। আর তখন পেশিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমা হয়। আর তার জেরেই পেশিতে টান বা খিঁচের মতো সমস্যা দেখা দিতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়ে খেলোয়াড়দের প্র্যাক্টিসের সময় পেশিতে টান ধরে। লাগাতার অক্লান্ত পরিশ্রমের জেরেই এই সমস্যা হয়। দুর্বলতার পাশপাশি শরীরে জলের অভাব পেশিতে খিঁচের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানুষের শরীরের ৭০ শতাংশ জল থাকে। সেই জলের সাহায্যেই মানুষের শরীরের একাধিক অঙ্গ সক্রিয় থাকে। পেশির সচলতা বাড়াতেও শরীরের ভিতরের জল সাহায্য করে। শরীরে এই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল না থাকলেই পেশিতে নানান সমস্যা দেখা যায়। তার জেরেই কোমর, ঘাড় কিংবা হাতে-পায়ে খিঁচের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    তবে, এর পাশপাশি শরীরে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিনের ঘাটতি হচ্ছে কিনা সেদিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে এই উপাদানের ঘাটতি হলেই দুর্বলতা দেখা দেয়। পেশি শক্তি কমে এবং খিঁচ হতে পারে (Muscle cramps)।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব?

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, লাগাতার কাজ করবেন না। দিনে যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন, কাজের ফাঁকে অন্তত আধ ঘণ্টা অন্তর কিছুটা সময় বিশ্রাম জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কাজ শুরুর আগে কিছুটা সময় শারীরিক কসরত জরুরি। তবেই পেশি সচল থাকবে। পেশিতে টান ধরার (Muscle cramps) সমস্যাও কমবে।
    নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে জলের ঘাটতি না হলে পেশিতে টান ধরার ঝুঁকিও কমে।
    জল খাওয়ার পাশপাশি ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ১২ জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবুর রস, ডিম খাওয়া দরকার। এই ধরনের খাবারে শরীরে এনার্জির জোগান পাওয়া যায়। দুর্বলতা কম হয়‌। ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি ১২ চাহিদা পূরণ হয়। ফলে, পেশিতে টান ধরার সমস্যাও কমে।
    নিয়মিত যে কোনও ধরনের বাদাম, কাঠবাদাম, পেস্তা জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের খাবার থেকে শরীর সহজেই পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ করে‌। এর ফলে শরীরের পেশি মজবুত হয়। খিঁচের ঝুঁকিও কমে (Muscle cramps)।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Hypertension: নাক থেকে রক্তপাত, ঝাপসা দৃষ্টি! কোন রোগের লক্ষণ? কোন দিকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    Hypertension: নাক থেকে রক্তপাত, ঝাপসা দৃষ্টি! কোন রোগের লক্ষণ? কোন দিকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়লে হানা দেয় নানা রোগ। বিশেষত জীবন যাপন সংক্রান্ত নানা রোগ যেমন ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের সমস্যা কিংবা উচ্চ রক্তচাপ সংক্রান্ত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কম বয়সে অনেকেই এই রোগ নিয়ে বিশেষ নজর দেন না। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। দেশের তরুণ প্রজন্মের একাংশ ডায়াবেটিসের মতোই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। বয়সের সীমারেখায় আর রোগ আটকে থাকছে না। খুব কম বয়স থেকেই অনেকে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় (Hypertension) ভুগছেন। কিন্তু উপসর্গ সম্পর্কে সতর্ক না থাকার জেরে নানান বিপদের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

    কেন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি? (Hypertension)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ একাধিক জটিল রোগের কারণ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ১২০/৮০ হল যে কোনও প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ। ১৪০/৯০ রক্তচাপ ছাড়ালেই তাঁর উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে বলা যেতে পারে।
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ভারতে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ভারতে স্ট্রোক এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা মারাত্মক ভাবে বাড়ছে‌। আর তার কারণ উচ্চ রক্তচাপ। বিশেষত কম বয়সীদের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে সচেতনতা একেবারেই তলানিতে। তাই অনেক সময়েই স্ট্রোক কিংবা হার্ট অ্যাটাকের মতো বড় বিপদ এড়ানো কঠিন হয়ে যায়। কম বয়স থেকেই অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতিকারক। এর ফলে অবসাদ এবং মানসিক চাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগলে ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাচ্ছে। এদেশে ডিমেনশিয়া একটি মহামারির আকার ধারণ করছে। দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ব্যহত হচ্ছে বলেও মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কীভাবে বুঝবেন উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় (Hypertension) আক্রান্ত হলে ক্লান্তিবোধ, বমি ভাবের মতো নানান উপসর্গ দেখা দেয়। তবে এছাড়াও আরও কিছু লক্ষণ জানান দেয় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা।

    নাক থেকে রক্তক্ষরণ

    লাগাতার সর্দি-কাশি কিংবা সাইনাসের মতো সমস্যা না থাকলেও হঠাৎ নাক থেকে রক্তপাত (Nosebleeds) হলে সতর্কতা জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নাক থেকে রক্তপাত উচ্চ রক্তচাপের (Hypertension) লক্ষণ। মাঝেমধ্যে নাক থেকে ফোঁটা ফোঁটা রক্তপাত হলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়।

    তীব্র মাথার যন্ত্রণা

    নানান কাজের চাপে অনেকের প্রায় মাথার যন্ত্রণা হয়। বিশেষত যারা দিনের দীর্ঘ সময় ল্যাপটপের সামনে বসে কাজ করেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মাথার যন্ত্রণায় ভোগেন। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই মাথা যন্ত্রণার কারণ উচ্চ রক্তচাপ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে বারবার মাথা যন্ত্রণার মতো লক্ষণ দেখা যায়। তীব্র মাথার যন্ত্রণা হলে, বিশেষত মাথার পিছনের অংশে যন্ত্রণা অনুভব হলে সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

    ঝাপসা দৃষ্টিতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি (Hypertension)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখেন। হয়তো চোখে জল দিয়ে ধুয়ে সাময়িক সমস্যা মেটান। কিন্তু বারবার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হলে রেটিনা ও তার আশপাশের রক্তনালীতে চাপ বাড়ে। এর ফলেই দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।

    শ্বাসকষ্টের সমস্যা

    শরীরে রক্তচাপ ওঠানামা করলে ফুসফুসের উপরে মারাত্মক চাপ পড়ে। তাই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ দেখা দিলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো জীবন যাপন জরুরি। ধুমপান কিংবা মদ্যপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি। কারণ এগুলো এদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। সময় মতো পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা (Hypertension) নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Suicide: বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা! পরিবারের কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত নয় তো? কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

    Suicide: বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা! পরিবারের কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত নয় তো? কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিঃশব্দে হানা দিচ্ছে আরেকটি মহামারি, যার নাম আত্মহত্যা (Suicide)! বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও ক্রমেই বাড়ছে এই সমস্যা। অধিকাংশ সময়েই অসাবধানতার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সতর্কতা বাড়ালেই সমস্যা কমতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিপদ ঘটার আগে অসচেতনতার কারণে কিছুই টের পাওয়া যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা এখনও তলানিতে। পরিবারের পাশে থাকা মানসিক রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক সমস্যা হলে পরিবারকেই আগে চিহ্নিত করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবার আক্রান্তের সমস্যা বুঝতেই পারে না। তাই ভয়ঙ্কর পরিণতি হয়। তাই আত্মহত্যা আরেকটি মহামারির আকার ধারণ করছে।

    ভারতের পরিস্থিতি কতখানি উদ্বেগজনক? (Suicide)

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশ জুড়ে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষত করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ২৭ শতাংশ আত্মহত্যা বেড়েছে। অন্যান্য দেশের মতোই মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা বেশি।‌ সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে প্রতি আট মিনিটে একজন পুরুষ আত্মহত্যা করছেন। পাশপাশি, উদ্বেগজনকভাবে কিশোর-কিশোরী অর্থাৎ বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তি উদ্বেগের বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন ভারতে আত্মহত্যা বেড়েছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ার অন্যতম কারণ খারাপ ব্যবহার এবং একাকিত্ব। কর্মক্ষেত্রে কিংবা পরিবারের কাছের মানুষের লাগাতার খারাপ ব্যবহারের জেরেই আত্মহত্যার (Suicide) প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। নিয়মিত হেনস্থার জেরেই সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে। মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অবসাদগ্রস্ত হলেও তাঁরা অধিকাংশ সময়, তাঁদের সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকছেন না। এর ফলে তাঁরা কোনও রকম সাহায্য পাচ্ছেন না। বরং, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

    কীভাবে চিহ্নিত করবেন? (Suicide)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্যান্য শারীরিক সমস্যার মতোই আত্মহত্যার প্রবণতারও কিছু উপসর্গ রয়েছে। সে সম্পর্কে সতর্ক আর সচেতন থাকলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই অভ্যাস বদলে যাওয়া, এর প্রথম লক্ষণ! বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের কোনও সদস্য হঠাৎ খুব চুপচাপ হয়ে গেল। নিজের মতোই সময় কাটাচ্ছেন, পরিবারের সঙ্গে কোনও বিষয়েই কথা বলা বা আলোচনা করছেন না। তাহলে বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই ধরনের আচরণ দেখা দিলে, তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই ১২-১৫ বছরের ছেলেমেয়েরা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘর বন্ধ করে নিজেদের মতো থাকে। অভিভাবকদের অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি, নিজের মতো থাকার অভ্যাসে একাকিত্ব গ্রাস করছে কিনা (Suffering)!

    নানান ওষুধে অভ্যস্ত?

    পরিবারের কেউ হঠাৎ করেই নানান ওষুধে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে‌ বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া, হঠাৎ নানা রকমের ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করলে, তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বুঝতে হবে, তাঁর মধ্যে নানা রকম অ্যাংজাইটি কাজ করছে। তাই সতর্কতা জরুরি। ভীষণ রকমের উদ্বেগ থেকেই আত্মহত্যার (Suicide) প্রবণতা তৈরি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

    আলোচনা করা জরুরি

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েরা বলে, ‘আমাকে নিয়ে বেশি দিন‌ সমস্যা থাকবে না!’ কিংবা ‘এই রকম সমস্যায় তোমাদের আর পড়তে হবে না’, এই ধরনের কথা! এগুলোও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বুঝতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অভিভাবকদের অনেকেই এই ধরনের মন্তব্যে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু সন্তান এই রকম কথা বললে, তার সঙ্গে আলোচনা করা জরুরি। সময় দেওয়া দরকার। তার নানান কাজ সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকা দরকার। তবেই বড় বিপদ আটকানো সম্ভব হবে‌।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Fatty Liver: ফ্যাটি লিভারের জেরে কার্যক্ষমতা কমছে কোন অঙ্গের? কীভাবে অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে?

    Fatty Liver: ফ্যাটি লিভারের জেরে কার্যক্ষমতা কমছে কোন অঙ্গের? কীভাবে অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    লিভারে বাড়তি মেদ জমার জেরেই বাড়ছে বিপদ! কম বয়সি ছেলেমেয়ে থেকে বয়স্ক-অনেকেই এখন ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভারে অতিরিক্ত মেদ জমার সমস্যা মূলত দুটি কারণে হচ্ছে, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং অতিরিক্ত পরিমাণে তেলমশলা যুক্ত চটজলদি খাবার খাওয়া। তবে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, নন অ্যালকোলহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় আক্রান্তদের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপান না করলেও অনেকের শরীরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যা তৈরি করছে। তবে এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে শুধুই লিভার নয়, শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে। যার ফলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন‌যাপন কঠিন হয়ে যায়। জানেন কি, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হলে কোন কোন অঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে?

    পেটের সমস্যা বাড়ে (Fatty Liver) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত হলে পেটে ব্যথা হয়। এটি ফ্যাটি লিভারের অন্যতম উপসর্গ। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে হজমের গোলমাল হয়। অনেক সময়েই বমি ভাবের সমস্যাও দেখা যায়। অনেক সময়েই আক্রান্ত লাগাতার পেটের অসুখে কাবু হন।‌

    কিডনির কার্যকারিতা কমে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভারের এই সমস্যার জেরে (Fatty Liver) কিডনির উপরে চাপ পড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তদের হাত-পা অনেক সময়েই ফুলে যায়। শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে। যার ফলেই হাত কিংবা পা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। কিন্তু কিডনি শরীরের এই অতিরিক্ত তরল নির্গত করতে সক্ষম হয় না। এর ফলে কিডনির কার্যকারিতা বাধা পায়।

    বুকের পেশি ফুলে যায়, যন্ত্রণা অনুভব হয়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হলে শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই অনেক সময়েই পেশির সক্রিয়তা নিয়েও নানান সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময়েই দেখা যায়, ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় আক্রান্তদের হৃদপিণ্ডের আশপাশের পেশির সংকোচন-প্রসারন স্বাভাবিকভাবে হচ্ছে না। এর ফলে বুকে মাঝেমধ্যেই যন্ত্রণা অনুভব হয়।

    ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাবে কোন ‘সুপারফুড’? (Fatty Liver) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নন অ্যালকোলহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে ভারতীয় খাবার। নিয়মিত কয়েকটি ভারতীয় খাবার খেলেই ‘ম্যাজিকের’ মতো শরীরে কাজ করবে। কমবে রোগের ঝুঁকি।

    আপেল লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি আপেল খেলে লিভারের একাধিক রোগের ঝুঁকি কমবে। বিশেষত ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমবে। তাঁরা জানাচ্ছেন , আপেলে থাকে পটাশিয়াম, ভিটামিন কে, কপারের মতো উপাদান। এই উপাদানগুলো লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

    বাজরার রুটি শর্করা নিয়ন্ত্রণ করবে

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাজরার রুটি শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখতে, শরীরে অতিরিক্ত মেদ কমাতে এবং লিভারে মেদ না জমতে দেওয়ার জন্য বাজরার রুটি বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাজরা শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। তাই নিয়মিত বাজরা কিংবা রাগীর মতো দানাশস্যের তৈরি রুটি খেলে লিভারে ফ্যাট জমার ঝুঁকিও (Fatty Liver) কমে।

    নিয়মিত ছোলা খেলে রোগের ঝুঁকি কমবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোলা লিভারের জন্য বিশেষ উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোলা নিয়মিত খেলে লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ে। ছোলা হজম শক্তি বাড়াতেও বিশেষ সাহায্য করে। ফলে ছোলা নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমে।

    রামধনু সবজি বাড়তি সাহায্য করবে

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত রামধনু সবজি খাওয়া জরুরি। অর্থাৎ, নিয়মিত পাতে বিট, গাজর, পটল, কুমরো, পালং শাকের মতো নানান রঙের সবজি থাকুক। এতে শরীর পর্যাপ্ত ভিটামিন, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো সব ধরনের উপাদান সহজেই পাবে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। হজমের সমস্যা কমবে। আবার লিভারে বাড়তি ফ্যাট জমার আশঙ্কাও কমবে (Fatty Liver) ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Vitamin deficiency: শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে বমি বমি ভাব! কোন ভিটামিনের অভাবে বাড়ছে শারীরিক জটিলতা? 

    Vitamin deficiency: শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে বমি বমি ভাব! কোন ভিটামিনের অভাবে বাড়ছে শারীরিক জটিলতা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ করেই বুকের মাঝে চিনচিনে ব্যথা। তার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট! কিংবা ঘরের ভিতরে কাজ করতে করতে হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করল। দিনভর বমি বমি ভাব! এমন নানান শারীরিক সমস্যায় অনেকেই ভোগেন‌। এই ধরনের সমস্যায় স্বাভাবিক জীবন যাপনও ব্যাহত হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিনের অভাবেই এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি (Vitamin deficiency) দেখা দিলে এই ধরনের নানান উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই ভিটামিনের অভাবে সমস্যা হচ্ছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তাহলে জানা দরকার, ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে কোন ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়?

    শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ভিটামিন বি ১২ ঘাটতি দেখা দিলে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হতে পারে। কারণ, ভিটামিন বি ১২ ঘাটতি হলে রক্তে লোহিত কণিকার মাত্রা কমে যায়। এর ফলে রক্তকোষে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিকমতো হয় না। এর জেরেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা যায়।

    হৃদস্পন্দন ওঠানামা করে (Vitamin deficiency)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকের হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে! শরীরে অস্বস্তি অনুভব হয়। এই ধরনের সমস্যার অন্যতম কারণ হৃদস্পন্দনের অনিয়মিত ওঠানামা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন বি ১২ এর অভাবে শরীরে লোহিত কণিকার ঘাটতি হয়। এর ফলে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে যায়।

    স্নায়ুর সমস্যা দেখা দেয়

    অনেক সময়েই ভিটামিন বি ১২ এর অভাবের জেরে (Vitamin deficiency) হাঁটাচলা এবং পেশির সক্রিয়তা কমে যায়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ভিটামিনের অভাবে স্নায়ুর সক্রিয়তা কমতে থাকে। এর ফলেই স্বাভাবিক হাঁটাচলায় সমস্যা দেখা যায়। পেশির শক্তিও কমতে থাকে।

    দিনভর বমি ভাব

    ভিটামিন বি ১২ অভাবে বমি ভাব দেখা যায়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ভিটামিন বি ১২ ঘাটতি হলে পাচনতন্ত্রের উপরে তার প্রভাব পড়ে। তার ফলে হজম সংক্রান্ত নানান সমস্যা তৈরি হতে থাকে। এর ফলে বমি ভাব দেখা যায়। তাছাড়া খাবারের প্রতি অনিহা তৈরি হয়। যা শরীরকে আরও দূর্বল করে দেয়।

    মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হয় (Vitamin deficiency)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিন বি ১২ অভাব শরীরের পাশপাশি মনের স্বাস্থ্যের পক্ষেও জোরালো প্রভাব ফেলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ভিটামিনের অভাবে দিনভর ক্লান্তি বোধ থাকে। শরীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। তাই যে কোনও কাজেই আগ্রহ কমে। মেজাজ খিটখিটে থাকে। সবমিলিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে‌।

    কীভাবে সহজেই ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি মেটানো সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিছু ঘরোয়া খাবার থেকে শরীর সহজেই ভিটামিন বি ১২ চাহিদা (Vitamin deficiency) পূরণ করতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ডিম বিশেষত ডিমের কুসুম খেলে সহজেই ভিটামিন বি ১২ চাহিদা পূরণ হয়। ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ১২ থাকে। তাই নিয়মিত ডিমের কুসুম খেলে সহজেই ভিটামিন বি ১২ জোগান পাওয়া যাবে।
    দুধ, পনীর এবং দই এই তিনটি খাবার থেকে শরীর সহজেই ভিটামিন বি ১২ চাহিদা পূরণ করতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার খেলে ভিটামিন বি ১২ চাহিদা পূরণ হয়‌।
    আপেল এবং বেরি জাতীয় ফলেও থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ১২। তাই নিয়মিত এই জাতীয় ফল খেলেও শরীরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ১২ জোগান বজায় থাকে।
    এছাড়াও মাশরুম এবং মাংস ভিটামিন বি ১২ জোগান বজায় রাখে। সপ্তাহে অন্তত একদিন মাংস কিংবা মাশরুমের পদ খাদ্যতালিকায় রাখলে ভিটামিন বি ১২ জোগান সহজ হয়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share