Tag: Healthy Food

Healthy Food

  • Exam season: পরীক্ষার মরশুমে সন্তানের কোন দিকে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    Exam season: পরীক্ষার মরশুমে সন্তানের কোন দিকে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শুরু হয়ে গিয়েছে পরীক্ষার মরশুম (Exam season)! একদিকে আবহাওয়ার রকমফের, আরেকদিকে পরীক্ষা। তাই এই মরশুমে সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের একাংশ। অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগে, ভাইরাস ঘটিত অসুখে কাবু হয়ে পড়ে, আবার অনেকের ভোগান্তি বাড়ায় হজমের গোলমাল, পেটের সমস্যা। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সময়ে বাড়তি যত্ন ও নজরদারি জরুরি। সন্তানকে সুস্থ রাখার জন্য ঘরোয়া উপাদানেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন ঘরোয়া উপাদান সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করবে?

    সকাল শুরু হোক তুলসীপাতা, কাঠবাদামের সঙ্গে (Exam season)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়।‌ ঘনঘন বদলে যায় তাপমাত্রার পারদ। আর এর প্রভাবে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। গলাব্যথা, সর্দি-কাশি-জ্বরে নাজেহাল হতে হয়। তাই তাঁদের পরামর্শ, সকালে ঘুম থেকে উঠে কয়েকটা তুলসীপাতা ভেজানো এক গ্লাস জল খেয়ে নেওয়া জরুরি! তাঁরা জানাচ্ছেন, তুলসী পাতার একাধিক ঔষধিগুণ রয়েছে। তুলসী পাতা সর্দি-কাশি মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এই তুলসী পাতা ভেজানো জল খেলে সর্দি-কাশির মোকাবিলা সহজ হবে। যে কোনও ভাইরাস ঘটিত অসুখের বিরুদ্ধে দেহ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে পারবে। আরেকদিকে‌ খালি পেটে জল খেলে হজম শক্তি বাড়ে, পেটের গোলমাল কমে‌। তবে তার সঙ্গে গোটা পাঁচেক কাঠবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই খাবারের পুষ্টিগুণ প্রচুর। কাঠবাদামে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ খনিজ পদার্থ। তাই সকালে কাঠবাদাম খেলে সহজেই স্নায়ু সক্রিয় থাকে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

    নিয়মিত একটা লেবু

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় (Exam season) শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত একটা লেবু খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। তাই নিয়মিত যে কোনও একটা লেবু খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যে কোনও রোগের বিরুদ্ধে মোকাবিলা সহজ হয়। শরীর সুস্থ থাকে। বিশেষত সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমে।

    ভাতের সঙ্গে থাকুক টক দই (Exam season)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সময়ে অনেকেই পেটের সমস্যা এবং হজমের গোলমালে ভোগেন। তাই ভাতের সঙ্গে টক দই খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দই শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। যার ফলে অন্ত্র ভালো থাকে। হজম হয়। তাই নিয়মিত টক দই খেলে একাধিক পেটের সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি

    পরীক্ষার দুশ্চিন্তায় (Exam season) বিশ্রামে ঘাটতি হলে চলবে না। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমোলে তবেই শরীর সুস্থ থাকবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, মস্তিষ্কের বিশ্রাম হলে তবেই স্মৃতিশক্তি বজায় থাকবে। আবার দেহের হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। বিশ্রাম ঠিকমতো না হলে স্ট্রেস হরমোন অতিরিক্ত ক্ষরণ হবে, যা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক।

    নিয়মিত যোগাভ্যাসের জন্য সময় বরাদ্দ (Exam season)

    পরীক্ষার চাপ কমাতে এবং সুস্থ থাকতে নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছুটা সময় যোগাভ্যাসের জন্য বরাদ্দ করতে হবে। এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হবে। শরীরের সমস্ত পেশি ঠিকমতো কাজ করবে। মস্তিষ্কের স্নায়ু এবং কোষ সক্রিয় হবে। এর ফলে যে কোনও কাজে মনোযোগ বাড়বে। তাই সন্তান যাতে নিয়মিত যোগাভ্যাসের জন্য সময় বরাদ্দ করে, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • High Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিড কমাতে ডায়েটে রাখুন এই ৫ ধরনের খাবার

    High Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিড কমাতে ডায়েটে রাখুন এই ৫ ধরনের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরের মধ্যে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে (High Uric Acid) যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চিকিৎসকরা বলছেন, ‘‘শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের  স্বাভাবিক মাত্রা হল ৬.৮ mg/dl’’ এর থেকে যখন মাত্রা বেড়ে যায় তখন নানা রকমের রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। রয়েছে ক্যান্সারে ঝুঁকিও। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যায়। এছাড়া কিডনির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    আজকে আমরা আলোচনা করব এমন পাঁচটি খাবার নিয়ে যা আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা উচিত ইউরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য রক্ষায়

    ১) নিয়মিত কলা খেলে কমতে পারে ইউরিক অ্যাসিড (High Uric Acid) 

    প্রথমেই আসে কলা। চিকিৎসকদের মতে, কলা হল এক ধরনের কম পিউরাইন ফুড। এছাড়াও কলাতে ভরপুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন সি যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে কম করতে সাহায্য করে।

    ২) কম ফ্যাটের দুধ রাখুন ডায়েটে

    এরপরে আসে কম ফ্যাটের দুধ। যা ইউরিক অ্যাসিড কমানোর মোক্ষম ঔষধ, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। টক দইও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে ঠিকঠাক রাখে শরীরে।

    ৩) নিয়মিত কফি খান 

    কাজ করতে করতে কফির নেশা তো অনেকেরই আছে। সকালে তরতাজা থাকতেও কফি অনেকেই খান। চিকিৎসকরা বলছেন কফির মধ্যে এক ধরনের এনজাইম থাকে যা ইউরিক অ্যাসিডের (High Uric Acid) উৎপাদনকে শরীরে কম করে দেয়।

    ৪) সাইট্রাস জাতীয় ফল খান

    সাইট্রাস জাতীয় যেকোনও ফল যেমন, আমলা,পাতিলেবু, কমলালেবু এই ফলগুলি ভিটামিন সি এ ভরপুর। চিকিৎসকরা বলছেন, এই জাতীয় ফলগুলো খেলে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে শরীরে।

    ৫) ফাইবার জাতীয় খাবার খান

     ফাইবারে ভরপুর থাকে যেমন ওটস, চেরি, আপেল, স্ট্রবেরি ব্লুবেরী, শসা, বার্লি। এই জাতীয় খাবারগুলি শরীরের মধ্যে ইউরিক অ্যাসিডের (High Uric Acid) মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে, এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্টে এগুলো ভুলেও খাবেন না! নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Palak Paneer: জানেন কি? ‘পালং পনীর’ একসঙ্গে খেতে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা

    Palak Paneer: জানেন কি? ‘পালং পনীর’ একসঙ্গে খেতে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পালং পনীর (Palak Paneer),অনেকের কাছেই  শীতকালের অন্যতম ফেভারিট খাবার। পিঠেপুলির মতো আবার অনেকেই এই খাবারটির জন্য শীতকাল আসার অপেক্ষা করে থাকেন। নিয়মিত ডিনার থেকে রেস্টুরেন্টে গিয়ে বন্ধুর জন্মদিন পালন, পালং পনীর (Palak Paneer) নামের এই জনপ্রিয় রেসিপি প্রায় প্রতিটি মেনুতে স্থান পায়। পালং শাক আয়রন, পটাসিয়াম, প্রোটিন, ফাইবার এবং অন্যান্য বিভিন্ন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি একটি পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়, ডাক্তাররা প্রায়ই এই শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন। পনীরও প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামে ভরপুর। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব উপকারী খাবার। পালং শাক এবং পনীর আপনার হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য এবং সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির  জন্য সহায়ক। তবে কিছু পুষ্টিবিদদের মত অনুসারে, পালং শাক এবং পনীর একসঙ্গে (Palak Paneer) থাকলে একে অপরের উপকারিতাকে নষ্ট করে দিতে পারে। 
    জনৈক পুষ্টিবিদ নমামি আগরওয়াল তাঁর সাম্প্রতিক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পালং শাক এবং পনীর একসঙ্গে (Palak Paneer) না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আগরওয়াল বলেছেন যে কিছু খাবার এককভাবে স্বাস্থ্যকর, কিন্তু অন্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হলে তারা একে অন্যের পুষ্টির মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। পালং পনীরের ক্ষেত্রে, পালং এর আয়রন এবং পনিরের ক্যালসিয়াম আসলে একে অপরের পুষ্টিকে শোষণ করে নেয়।

    কেন পালং এবং পনীর (Palak Paneer) একসঙ্গে ভাল নয়?

    পালং পনীর (Palak Paneer) খেতে ভালোবাসেন? ঠিক আছে, কিন্তু জেনে রাখুন এটা সঠিক খাদ্য নয়। কারণ কিছু মিশ্রিত খাদ্য আছে যেগুলি একসঙ্গে থাকলে পুষ্টির ক্ষেত্রে ভাল নয়। এখন স্বাস্থ্যকর খাদ্য মানে শুধুমাত্র সঠিক খাবার খাওয়া নয়। এর মানে হল সঠিক অনুপাতে যেন পুষ্টির আইটেম গুলো থাকে। কিছু কিছু মিশ্রিত খাদ্য আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে একে অপরের পুষ্টি কমিয়ে দেয়। যেমন, আয়রন এবং ক্যালসিয়াম। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে এবং পনীরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। যখন এই দুটি খাবারের আইটেম একসঙ্গে খাওয়া হয়, তখন ক্যালসিয়াম আয়রনের পুষ্টির মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। তাই, শরীরে আয়রনের মাত্রা ঠিক রাখতে পালং আলু বা পালং কর্ন খাওয়া যেতে পারে, এটাই বর্তমানে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ।

    আয়ুর্বেদ কী বলছে?

    আয়ুর্বেদেও  একটি ধারণা রয়েছে যেখানে  কলা এবং দুধ মিশিয়ে খেতে নিষেধ করা হয়েছে।  কারণ এগুলি একসাথে থাকলে বিপাকা (আয়ুর্বেদের ভাষা) নামক শক্তি নির্গত হতে পারে এবং শরীরে সমস্যা হতে পারে। মাছ এবং দুধ, মধু এবং ঘি সমান অনুপাতে, দই এবং পনীরের মিশ্রণকেও আয়ুর্বেদে বিরুদ্ধ আহার বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Food and Moon Connection: শরীরকে সুস্থ রাখতে যে খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা উচিত 

    Food and Moon Connection: শরীরকে সুস্থ রাখতে যে খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা উচিত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনকে সুন্দর, সুখময় ও সার্থক করে তুলতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন সুস্থ, সবল ও সতেজ দেহ। সেই কারণেই শরীরে চাই যথাযথ পুষ্টির। বর্তমানে অনেকেই সুস্থ থাকতে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই কম খাবার খায়। অনেকের মনে ধারণা রয়েছে যে সুস্থ থাকার মানে রোগা হওয়া। কিন্তু প্রকৃত অর্থে শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে শরীরে যে যে উপাদান প্রয়োজন, সেই সব উপাদান গ্রহণ করা উচিত।

    এখানে প্রাথমিক ভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে কিছু টিপস দেওয়া হল…

    ১) সবুজ শাকসব্জি

    সবুজ শাক সব্জিতে প্রচুর পরিমানে উপকারী উপাদান থাকে। থাকে প্রচুর নিউট্রিশন। তবে এতে ক্যালোরির পরিমান খুবই কম থাকে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে শাক সব্জি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে, চোখ ভালো রাখতে, ডায়াবিটিসের সম্ভাবনা কমাতে শাক সব্জির জুড়ি মেলা ভার। তাই সুস্থ থাকতে প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক সব্জি খান। তবে অবশ্যই খাবার আগে ভালো করে সব্জি ধুয়ে তবে খাবেন।

    ২) যব বা ওটস

    উচ্চ ফাইবারযুক্ত ওটস শরীরের উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফাইবার সহজে হজম না হওয়ায় বারবার করে খিদে পায় না, ফলে ওজন বৃদ্ধি কম হয়।

    ৩) বীজ

    শরীরকে শক্তিশালী করতে বা শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে বীজ জাতীয় খাবারের তুলনা হয় না। যে কোনও বীজ জাতীয় খাবারই শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। ব্লাড সুগারের মতো রোগকে প্রতিরোধ করতে বীজ জাতীয় খাবার খুব উপকার দেয়।

    ৪) পেঁয়াজ

    মাটির নিচে যে সমস্ত সব্জিগুলি জন্মায় তা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। যেমন পেঁয়াজ, রসুন, আদা প্রভৃতি। এই সমস্ত খাবার যে শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায়, তা নয়। পেঁয়াজ রসুন খেলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। বিশেষ করে ক্যানসার এবং ডায়াবিটিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়ে এই সমস্ত সব্জি খেলে।

    ৫) মাশরুম

    মাশরুমকে সুপারফুড বলা হয়। এর কারণ, মাশরুমে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন ভিটামিন। চিকিৎসকেরাও মাশরুম খেতে বলেন। ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে মাশরুম খুবই উপকারী।

    ৬) বেরী জাতীয় ফল

    শরীরে এনার্জি বাড়ানোর জন্য বেরী সবথেকে উপযোগী ফল। স্ট্রবেরী, Blueberry এবং এছাড়া এই জাতীয় যে কোনও ফলই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। এর অনেক গুণাগুণ রয়েছে। ক্যানসার, ডায়াবিটিস, হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করে এই বেরী।

    ৭) বাদাম

    ফ্যাট, মিনারেল, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসে ভরা থাকে বাদাম। তাই বাদাম খেলে আমাদের শরীরের যাবতীয় সব চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। ওজন ঠিক রাখতে এবং ডায়াবিটিস প্রতিরোধ করতে বাদাম খুব কাজে দেয়।

    তবে পূর্বেই বলেছি, এই টিপস গুলি মানার পাশাপাশি ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
  • Diet Tips: রাতে ঘুমানোর আগে এড়িয়ে চলুন এই ছয়টি খাবার

    Diet Tips: রাতে ঘুমানোর আগে এড়িয়ে চলুন এই ছয়টি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুস্থ থাকার প্রধান চাবিকাঠি হলো ঘুম। ঘুম ঠিকমত না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। কিন্তু ঘুম খারাপ হওয়ার জন্য পেছনে রয়েছে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভাস। দৈনন্দিন যেই খাবার আমরা গ্রহন করি তার ভিতরেই লুকিয়ে রয়েছে ঘুমের ব্যাঘাতের কারণ।

    চলুন জেনে নিই, এই ডায়েট টিপসগুলি (Diet Tips)…

    ১) ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় 

    প্রকৃতপক্ষে ভালো ঘুমের প্রক্রিয়া শুরু হয় বিছানায় যাবার সময়ের অনেক আগে। তাই ঘুমাতে যাবার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে থেকেই ক্যাফেইন (Caffeine) যুক্ত পানীয় গ্রহণ বন্ধ করে দিন।  ক্যাফেইনের প্রভাব আপনার শরীরে ৯ ঘণ্টা অবধি থাকতে পারে । সেক্ষেত্রে ভালো করে ঘুমাতে চাইলে দুপুর ১২টার পর থেকেই চা, কফি এবং কোক-পেপসির মতো ‘ফিজি ড্রিংকস’ পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে  এবং এই ডায়েট টিপসটি  (Diet Tips) মেনে চলতে হবে।

    ২) অ্যালকোহল

    ঘুমের প্রধান শত্রুও বলা হয়ে থাকে অ্যালকোহলকে। অনেকেই মনে করেন অ্যালকোহল (Alcohol) বা মদ্যপান আপনাকে ঘুমের সাহায্য করে কিন্তু এ ধারণা সঠিক নয়। মদ্যপানে ঘুমের গভীরতা কমে যায়। যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট’ বা ‘আরইএম স্লিপ’ বলে। এছাড়াও মদ্যপানের পরে শরীরের অতিরিক্ত জল  রাতে টয়লেটের জন্য ঘুম ভেঙে যাবার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। ঘুমের আগে অ্যালকোহল পানে বিএমআর রেটও বেড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তাই খাদ্যাভাস (Diet Tips) থেকে অ্যলকোহলকে দূরে রাখতে বলেছেন।

    আরও পড়ুন: শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখার কিছু সহজ উপায় জেনে নিন 

    ৩) রেড মিট

    বিএমআর (বেসাল মেটাবলিক রেট) রেট বৃদ্ধি করে শরীরের তাপ বাড়িয়ে দেয় রেড মিট। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। বয়স্ক ব্যাক্তিরা এই ডায়েট টিপসটি (Diet Tips) না মানলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

    ৪) ভাজা এবং চর্বিযুক্ত খাবার

    ভাজা এবং চর্বিযুক্ত খাবার রাতের বেলা হজমে সমস্যা দেখা যায়, এই খাবার গুলি রাতে এড়িয়ে চলা উচিত। স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার যেমন বাদাম এবং বীজ বা অ্যাভোকাডো রাতে খাওয়া উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন আজকাল কমবয়সীদের মধ্যে ফাস্ট ফুড , ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এই সমস্ত খাবার গ্রহণের ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তাই বিশেষজ্ঞরা তাদের ডায়েট টিপসে (Diet Tips) সর্বদাই এই সমস্ত খাবার থেকে সকলকে দূরে থাকতে বলেন।

    ৫) ভারী খাবার

     ঘুমের অন্তত চার ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন এবং তাতে ভারী গুরুপাক খাবার বা চিনি-যুক্ত খাবার আপনার ডায়েট টিপস (Diet Tips) থেকে দূরে রাখতে হবে। এতে ঘুম না হওয়া বা রাতে অনিদ্রার সমস্যা কেটে যাবে।

    ৬) অ্যাসিডিক খাবার

     অ্যাসিড হয় এমন খাবার নিজের ডায়েট টিপস (Diet Tips) থেকে দূরে থাকতে হবে। শর্করা যুক্ত খাবার যেমন আইসক্রিম , ফ্যাট জাতীয় খাবার পাস্তা ও দুগ্ধজাত খাবার থেকে এড়িয়ে চললে রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে না।

    শোবার আগে কলা, ছোলা,বাদামের স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন। কিন্তু পেট ভরে খাবার খেলে চলবে না। কিছুটা পেট খালি রেখে রাত্রে শুতে গেলে ঘুম ভালো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
     
  • Healthy Food: খামখেয়ালি আবহাওয়া! শরীর সুস্থ রাখতে কোন পাঁচ ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করবেন? 

    Healthy Food: খামখেয়ালি আবহাওয়া! শরীর সুস্থ রাখতে কোন পাঁচ ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত ছুটি নিয়েছে। গরমের আমেজ ইতিমধ্যেই হাজির। কিন্তু তার মধ্যেই রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই নেমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে খামখেয়ালি আবহাওয়ায় জেরবার বঙ্গবাসী। আর আবহাওয়ার এই যখন-তখন পরিবর্তনের জেরে সবচেয়ে গভীর প্রভাব পড়ছে শরীরে। সর্দি-কাশি আর জ্বরে কাবু সকলেই। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু আর বয়স্কদের মধ্যে ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়ছে। বক্ষঃরোগের সমস্যায় জেরবার অনেকেই। পাশপাশি শ্বাসনালীতেও সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভাইরাস ঘটিত জ্বরে অনেকেই কাবু হচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া জিনিস (Healthy Food) নিয়মিত সঙ্গী করলেই ভোগান্তির ঝুঁকি কমবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন ঘরোয়া উপাদানের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    নিয়মিত সঙ্গী হোক মধু আর তুলসী পাতা

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালে দু’চামচ মধু আর তুলসী পাতা নিয়মিত খেলে এই পরিবেশে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। তুলসী পাতা এবং মধু শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। বিশেষত সর্দি-কাশি মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত মধু আর তুলসী পাতা খেলে শরীর সুস্থ থাকে। পাশপাশি, তুলসী পাতা ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। তাই ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতে নিয়মিত তুলসী পাতা (Healthy Food) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    প্রত্যেক দিন প্রাতঃরাশের পরে অন্তত একখানা লেবু থাকুক (Healthy Food)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়া খুবই শুষ্ক। শীতের শেষ আর গরমের শুরুর এই সময়ে প্রত্যেক বছর একাধিক ভাইরাসের দাপট বাড়ে। নানান রোগে মানুষ কাবু হন। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো জরুরি। তাই নিয়মিত লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবুতে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। যার জেরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি এই সময়ে সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ছে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা কমে। তবে খালি পেটে লেবু খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের জলখাবারের পরে নিয়মিত একটা করে লেবু (Healthy Food) খাওয়া দরকার। এর জেরে একদিকে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। আবার লেবুর রস শরীরে জলের জোগান দেবে। ফলে শুষ্ক আবহাওয়ায় ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে।

    ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে তরকারিতে থাকুক এলাচ
     
    তরকারিতে অনেকেই এলাচ দেন। এতে খাবারের স্বাদ বাড়ে। সুন্দর গন্ধ হয়। তবে শুধু স্বাদের জন্য নয়। এলাচ স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুবই উপকারী। তাই এই আবহাওয়ায় নিয়মিত তরকারিতে এলাচ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত এলাচ (Healthy Food) খেলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। এলাচ ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।

    নিয়মিত চারখানা খেজুর কমাতে পারে ভোগান্তি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে খনিজ পদার্থের জোগান‌ ঠিকমতো থাকলে আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন ঘটলেও শরীরে রোগের প্রকোপ কম হয়। আর খেজুর থেকে সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম সহ একাধিক খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ থাকে খেজুর (Healthy Food)। তাই ঋতু পরিবর্তনের এই মরশুমে শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে নিয়মিত চারখানা খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে এক চিমটি হলুদ (Healthy Food)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত এক গ্লাস দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুধ হল সুষম খাবার। অর্থাৎ, শরীরের প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদান দুধে থাকে। আবার হলুদ অ্যান্টিসেপটিক। তাই এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে এতে শরীরের একাধিক উপকার পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। রাতে এই খাবার খেলে ঘুম ভালো হয়। ফলে শরীরের হরমোন ভালোভাবে কাজ করতে পারে। তাই নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি থেকে মুক্তি পেতে এই খাবারগুলো খাওয়া উচিত

    Dengue: ডেঙ্গি থেকে মুক্তি পেতে এই খাবারগুলো খাওয়া উচিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি (Dengue) জ্বর এডিস ইজিপ্টাই নামক মশাবাহিত রোগ। এই জ্বর সাধারণত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় (Pacific ocean) দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় দেশগুলিতে দেখা যায়। মূলত বর্ষাকালে জমা জলে বংশ বিস্তার করে ডেঙ্গির জীবাণুবাহী মশা। ডেঙ্গি জীবাণুবাহী এডিস প্রজাতির স্ত্রী মশা কামড়ালে, আক্রান্ত ব্যক্তি ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হন। অনেক সময় ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তিকে এডিস মশা (Aedes Mosquito) কামড়ালে, সেই মশাটিও ডেঙ্গি জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ ব্যক্তির শরীরে সাধারণত ১.৫ লাখ থেকে ৪ লাখ পর্যন্ত প্লেটলেট থাকে। কিন্তু ডেঙ্গি আক্রান্ত ব্যক্তির প্লেটলেট নেমে যায় ৫০ হাজারের নীচে। তাই ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর জীবনে ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে। করোনার মতো মহামারির সময় ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ায় ডাক্তারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

    ডেঙ্গি থেকে মুক্তি পেতে নিম্নে এই খাবারগুলো খাওয়া উচিত।

    পেঁপে

    যারা ডেঙ্গি জ্বরে আক্রান্ত তাদের জন্য পেঁপে পাতা সবচেয়ে ভালো বিকল্প। পেঁপে পাতা গুঁড়ো করে ছেঁকে রস বের করে নিন। পেঁপে পাতার নির্যাস উল্লেখযোগ্যভাবে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ায়। এছাড়াও আপনি পেঁপে পাতা জলে সিদ্ধ করে এর ছেঁকে রস বের পান করতে পারেন। এটি সম্ভবত ডেঙ্গি জ্বরের চিকিৎসার সেরা ঘরোয়া প্রতিকার।

    ডাবের জল

    ডাবের জল প্লেটলেট সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এই পানীয়টি রিহাইড্রেটিং এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য, সিস্টেমের ডিটক্সিফিকেশন এবং শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমের বিকাশে সহায়তা করে।

    বেদানা/ডালিম

    এতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং খনিজ রয়েছে, যা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। বেদানা খেলে ক্লান্তির অনুভূতি দূর হয়। প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় এটি রক্তের জন্য বিশেষ উপকারী। এটি স্বাভাবিকভাবে রক্তের প্লেটলেট গণনা রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে, যা ডেঙ্গি থেকে দ্রুত নিরাময় করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • World Egg Day: বিশ্ব ডিম দিবসে জেনে নিন ডিমের দিয়ে তৈরী ৬টি রেসিপি

    World Egg Day: বিশ্ব ডিম দিবসে জেনে নিন ডিমের দিয়ে তৈরী ৬টি রেসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিম (Egg) ছোটো থেকে বড়ো সকলেরই প্রিয়। বর্তমানে কর্মব্যস্ত জীবনের দরুন ডিমের ব্যবহার বেড়েছে। আজ মায়েরাও চটজলদি ডিমের নানা পদ তৈরী করে বাচ্চাদের খেতে দেন। শুধুমাত্র ডিমের নানা পদ চটজলদি বানানো যায় বলেই যে ডিমের চাহিদা বেশি তা নয় ডিম একটি পুষ্টিকর খাদ্য। ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন ও কুসুমে রয়েছে আয়রন, ফ্যাট ও ভিটামিন। শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি, হাড় শক্ত করতে এবং বুদ্ধির বিকাশে ডিম খুবই কার্যকরী। ডিমে থাকা ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। প্রতিবছর ডিমের গুনগতমান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে  ১৪ অক্টোবর ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ (World Egg Day) পালন করা হয়।

    ডিমপ্রেমীদের জন্য ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ (World Egg Day) উপলক্ষ্যে আমরা কিছু চটজলদি রেসিপি নিয়ে এসেছি যা আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে।

    ১) ডিমের অমলেট

    ডিম ফাটিয়ে নিতে হবে। তারপর এতে একে একে পরিমাণ মতো নুন, কাঁচা লঙ্কা কুচি, টম্যাটো কুচি এবং সেদ্ধ আলুর স্লাইসগুলো দিয়ে একসঙ্গে মিক্স করে নিতে হবে। এরপর ওভেনে তাওয়া বসিয়ে গরম করে নিতে হবে। তাওয়া গরম গরম হয়ে এলে তাওয়াতে সর্ষের অথবা রিফাইন তেল দিয়ে তেলটা গরম করে নিতে হবে।

    ২) ডিমের পাতুরি

    ভেটকি বা চিংড়ি নয়, এই পাতুরি ডিমের। ডিম সিদ্ধ করে সরষে বাটা, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে কলাপাতায় মুড়ে হালকা আঁচে রান্না করতে হবে। ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ লাগবে। চাইলে রুটি দিয়েও খেতে পারেন।

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চাইলে আজ থেকে সঙ্গী করুন চকোলেট ও রেড ওয়াইন! 

    ৩) ডিমের দোসা

    দোসার সঙ্গে ডিমের মিশ্রণ। দোসার উপকরণ দিয়েই বানাতে হবে এই রেসিপি। দোসার ব্যাটারের উপর ছড়িয়ে দিতে হবে ডিমের ব্যাটার। এর পর ধনে পাতা কুচি, লঙ্কা কুচি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করন।

    ৪) ডিমের কিমা

    তড়কার মতো তৈরি করতে হবে। ডিমের মিশ্রণের সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা-মশলা দিয়ে কষিয়ে এর সঙ্গে সিদ্ধ গোটা ডিম দুভাগ করে দিয়ে দিন। চাইলে গ্রেভিতে মাংস বা সয়াবিন যোগ করতে পারেন।

    ৫) ডিমের বড়া

    প্রথমে সিদ্ধ ডিমের ভিতর থেকে কুসুম বার করে একটি পাত্রে নিন। এবার সাদা অংশ গুলি কে একটু লম্বা করে আলু ভাজার সাইজ করে নিন।পাত্রের কুসুম গুলি  হাতে করে ভেঙে দিন তবে খেয়াল রাখবেন একে বারে গুঁড়ো  গুঁড়ো  না হয়ে যায়। এখন ওই পাত্রে  পিয়াঁজ কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, আদা রসুন বাটা, পরিমাণ মতো নুন, হলুদ, দু’চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার অথবা ময়দা যে কোনও একটি মিশিয়ে দিন। মিশ্রণ টিকে ভালো করে হাতে করে মিশিয়ে নিন। এরপর কড়াইতে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হলে হাতে করে গোল পাকিয়ে তারপর আলতো চাপ দিতে চ্যাপটা করে ডুবো তেলে ভেজে তুলুন।

     

    ৬) নার্গিসি কোফতা

    নবাবি স্বাদের এই পদ। সিদ্ধ ডিমের পাশাপাশি আদা-রসুন-পেঁয়াজ মাংসের কিমা দিয়ে একটা পুর তৈরি করতে হবে। সেই পুর সিদ্ধ ডিমের সঙ্গে মুড়ে নিয়ে ব্যাটারে কোট করে কোফতার আকারে গড়ে ভেজে নিতে হবে। এরপর গ্রেভি তৈরি করলে রেডি হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Healthy Food: শিক্ষার্থীদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত এই ৫টি খাবার  

    Healthy Food: শিক্ষার্থীদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত এই ৫টি খাবার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্কে বুদ্ধির বিকাশের জন্য সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। মূলত পড়ুয়াদের জন্যই হেলদি ডায়েট ভীষণ প্রয়োজন। ছাত্র জীবনে জ্ঞান অর্জনের জন্য মানসিকভাবে সুস্থ থাকা দরকার। সুস্থ থাকতে এবং পড়াশোনার দিক ঠিক রাখতে বাজার চলতি ফাস্ট ফুড (Fast Food) এড়িয়ে চলাই ভাল। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এমন কিছু পুষ্টিকর খাবার রয়েছে, যা নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কে বুদ্ধির বিকাশ হয়। বজায় থাকে মানসিক স্থিতিও। আসুন, জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার বুদ্ধির বিকাশের জন্য প্রয়োজন—

    সব রকমের বাদাম: সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় বাদাম রাখার কথা প্রায় প্রত্যেক চিকিৎসক এবং ডায়েটিশিয়ানরা বলে থাকেন। কাঁচা বাদাম মাংসপেশি মজবুত রাখে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, ক্যান্সার প্রতিরোধ গড়ে তোলে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কাঁচা বাদামে প্রোটিন, ফ্যাটের পাশাপাশি ভিটামিন-ই সহ আরও অনেক উপকারি উপাদান রয়েছে। আখরোটেও (Walnut) রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। আখরোটে থাকা ওমেগা-থ্রি ফ্যাট মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের কোষের সজীবতা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

    ডিম: সিদ্ধ ডিম (Boil Egg) সবচেয়ে উপকারি। সিদ্ধ ডিম খাবার হজমে, হাড় সুদৃঢ় করতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকায় চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়। ডিমের সাদা অংশে থাকে প্রোটিন ও কুসুমে থাকে ফ্যাট। সিদ্ধ ডিম শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশে বিশেষ কার্যকরী।

    তৈলাক্ত  মাছ:  চর্বি যুক্ত মাছে (Fatty Fish) প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ওমেগা-থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড যা আর্থারাইটিস, হৃদরোগ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। প্রতিদিন মাছ খেলে মানসিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

    আরও পড়ুন:ত্বকে ট্যান পড়েছে? রইল কিছু ঘরোয়া উপায়

    বিট ও বেরি: বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও আয়রন। বিট ও বেরিতে জলের পরিমাণ বেশি থাকায় এগুলি ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিট ও বেরিতে (Berry) রয়েছে নাইট্রেট নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। যা শরীরে নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে। নাইট্রিক আসিড মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

    শাকসবজি: দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি যুক্ত করা উচিত। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, চোখের সমস্যা কমাতে প্রতিদিন খাবারের পাতে শাকসবজি অবশ্যই রাখতে হবে। পালং শাক রক্তে আয়রনের মাত্রা ঠিক রাখে। লাল শাক খেলে বজায় থাকে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা। ডাটা শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি (Vitamin C) ও ফলিক অ্যাসিড। এগুলি ত্বক ও চুলের (Skin & Hair) ক্ষয় রোধ করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • Sooji: নিয়মিত খেলে ভাল থাকবে হৃদযন্ত্র, সুজির আর কী কী গুণ জানেন?

    Sooji: নিয়মিত খেলে ভাল থাকবে হৃদযন্ত্র, সুজির আর কী কী গুণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুষ্টিগুণে ভরপুর সুস্বাদু সুজি (Sooji)। ভারতের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরেই দেখা মেলে এই খাবারের। সুজি ওজন এবং ডায়াবেটিস (Diabates) নিয়ন্ত্রণে রাখে।  পাচনতন্ত্র ও হার্টের জন্যও সুজি উপকারী। তাই খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখা উচিত সুজি। ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সুজিতে ক্যলোরি, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে। ৬০ গ্রাম সুজিতে ১৯৮ ক্যালোরি থাকে। থাকে ৪০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৭ গ্রাম প্রোটিন সহ আয়রন, ম্যাঙ্গানিজের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানও। 

    আরও পড়ুন: জানুন ডেঙ্গির লক্ষণ, প্রতিকারের উপায়ই বা কী?

    সুজির পুষ্টিগুণ

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুজি হল আদর্শ খাদ্য। সুজিতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium) এবং ফাইবার যা শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সহজে হজম হয়ে যাওয়ায় শরীরে কোনও ক্ষতি করে না।

    হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে: সুজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়। কোলেস্টেরল (Cholesterol) ও রক্তচাপ কমিয়ে হার্টের সুস্থতা বজায় রাখে সুজি। পাব মেড সেন্ট্রাল প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত সুজি খেলে হৃদরোগের সমস্যা কমে যায়।

    হজমে সাহায্য করে: ফাইবার (Fibre) সমৃদ্ধ সুজি হজম প্রক্রিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে। ন্যশানাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের মতে, পাচনতন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধির কাজে সাহায্য করে।কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের পাশাপাশি রক্তে পুষ্টির শোষক হিসেবেও ভাল কাজ করে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, দু সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন সুজি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাগুলি কমে। 

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে: ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুজি অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুজি থালামিন, ফোলেট এবং ভিটামিন বি-র ভালো উৎস। সুজিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন থাকে। ওজন কমানোর ডায়েটে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

    কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখে: সুজিতে থাকা পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শরীরের অতিরিক্ত ক্ষারকে শরীর থেকে নির্গত করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। পটাসিয়াম যুক্ত খাবার কিডনিকে সুস্থ রাখে।

    হাড় মজবুত করে: সুজিতে থাকা পটাসিয়াম হাড়কে মজবুত করে। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাসের (Phosphorus) মতো উপাদানগুলি পেশীকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

    রক্তাল্পতা কমায়: সুজিতে থাকা আয়রন শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। এর ফলে রক্তশূন্যতা, ক্লান্তি, ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যাগুলির সমাধান হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share