Tag: healthy habits

healthy habits

  • Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    Liver Health: অভ্যাসেই ঝুঁকি বাড়ছে লিভারের! কোন চার অভ্যাসে রাশ টানলেই লিভার সুস্থ থাকবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে লিভারের অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক দশকে এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে। লিভারের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হারও উদ্বেগজনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে শিশুদের লিভারের সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের কয়েকটি অভ্যাস লিভারের সমস্যা তৈরি করছে। লিভারের অসুখ দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠছে।

    ভারতে কতখানি লিভারের রোগের দাপট বেড়েছে? কী বলছে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান?

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে লিভারের অসুখ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ১৯৯০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এদেশে লিভারের রোগের হার বেড়েছে ২৫ শতাংশ। বর্তমানে এ দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। প্রতি ৩ জনে ১ জন ভারতীয় লিভারের অসুখে ভুগছেন। ভারতীয়দের মধ্যে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFL) রোগ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। শিশুদের মধ্যেও এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এ দেশের প্রায় ৩৫ শতাংশ শিশু ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে লিভারের অসুখের দাপট বেশি। লিভারের অসুখে মৃত্যুর হারও এ দেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ভারতে যেসমস্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়, তার প্রথম সারিতেই রয়েছে লিভারের অসুখ। প্রতি বছর কয়েক লাখ ভারতীয় লিভারের অসুখে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    কোন চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের জীবন যাপনের চার অভ্যাস লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে‌। প্রথম থেকেই এই অভ্যাসে রাশ টানলে বড় বিপদ এড়ানো সহজ‌ হয়।

    অতিরিক্ত ওজনে নিয়ন্ত্রণ!

    অতিরিক্ত ওজন ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফ্যাট এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার জেরেই এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বাড়ছে। ভারতীয় শিশুদের লিভারের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ওজন বিশেষত পেটে জমা চর্বি লিভারের রোগের অন্যতম কারণ। তাই খাবার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার নয়। ওজন যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস লিভারের বিপদ বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বড়দের পাশাপাশি ভারতীয় শিশুরাও অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ায় অভ্যস্ত হয়। নানান রকমের মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি অনেকের নিয়মিত খাবারের তালিকায় থাকে। চিনি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খাওয়ার জেরে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়। অতিরিক্ত মিষ্টি শরীরের জন্য বিপজ্জনক। এই অভ্যাস ভারতীয়দের লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ডায়াবেটিসের দাপট লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারত ডায়াবেটিস রোগের রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। মহামারির মতো ডায়াবেটিস ছড়িয়ে পড়েছে। বাদ নেই শিশুরাও।‌ অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং জিনগত কারণে এদেশে ডায়াবেটিসের দাপট আরও বাড়ছে। আর এই রোগ একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। লিভারের অসুখের নেপথ্যেও থাকে ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে লিভারের ক্ষমতা কমতে থাকে। এ দেশে শিশুদের মধ্যেও টাইট টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। তাই শিশুরাও লিভারের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    মদ্যপানে না!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মদ্যপানের প্রবণতা বাড়ছে। যা সুস্থ জীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষত লিভারের অসুখের ঝুঁকি কমাতে মদ্যপান সম্পূর্ণ বর্জন জরুরি। বন্ধুদের জন্মদিন হোক কিংবা নতুন বছরের উদযাপন, যেকোনও উৎসবেই সঙ্গী হয় মদ্যপান। কিন্তু এই অভ্যাস বিপজ্জনক। লিভারের ক্যান্সার থেকে সিরোসিস, একাধিক রোগের কারণ মদ্যপানের অভ্যাস। তাই এই অভ্যাসে রাশ জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ দীর্ঘমেয়াদি জীবন যাপনের জন্য লিভারের সুস্থ থাকা জরুরি। লিভারের কার্যক্ষমতা ঠিক না থাকলে সুস্থ জীবন সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি। পাশপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করাও প্রয়োজন। শিশুদের খাবারে বিশেষ নজরদারিও জরুরি।

     

  • Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কমছে দৃষ্টিশক্তি! আট থেকে আশি, চোখের সমস্যায় কাবু! স্কুলের চৌকাঠে ঢোকার আগেই অনেক শিশুর চোখে চশমা! অনেকের দূরের জিনিস ঝাপসা দেখেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই চোখের সমস্যা বাড়ছে। কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে এক সাধারণ অভ্যাস রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কলেজ অফ অপ্টোমেট্রি-র গবেষকেরা এক পরীক্ষা চালিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক রিপোর্ট বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাবে। বিশেষত, দূরের জিনিস স্পষ্ট ভাবে দেখার ক্ষমতা কমবে। শিশুদের মধ্যেও এই সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়বে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা আর বয়সের সীমারেখায় আটকে থাকবে না। এই সমস্যার জেরে কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা চোখের দীর্ঘমেয়াদি জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    কোন অভ্যাসের জেরে এই সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হোক কিংবা অবসর যাপনের সঙ্গী হলো ল্যাপটপ, মোবাইলের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকার জেরে চোখের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, এর থেকেও বেশি বিপদ বাড়াচ্ছে এক সাধারণ অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অন্ধকার ঘরে কিংবা আবছা আলোয় ল্যাপটপ‌ কিংবা মোবাইল দেখেন। অনেকেই কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য ঘর অন্ধকার করে দেন। রাতে বিনোদনের জন্য মোবাইলে সময় কাটানোর সময় অন্ধকার ঘর বেশিরভাগ কম বয়সি ছেলেমেয়েদের পছন্দ। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ধকারে কোনও জিনিস দেখার সময় চোখের পেশিতে মারাত্মক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে চোখের পেশি সংকুচিত হয়। সেই সংকোচনের ফলেই প্রতিফলিত হয়ে, আমরা যে কোনও বস্তু দেখতে পাই। দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় চোখের পেশিতে বাড়তি চাপ পড়লে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দৃষ্টিশক্তি কমে। এর ফলে, চোখ ঝাপসা হয়। দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতাও কমে যায়।

    বিপদ এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখের শক্তি অক্ষুন্ন রাখতে কয়েকটি অভ্যাস বদল জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘর অন্ধকার করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস বদল জরুরি। ল্যাপটপে কাজ করা হোক কিংবা মোবাইলে সিনেমা দেখা, ঘরে আলো জ্বালানো জরুরি। তাহলে চোখের পেশির উপরে বাড়তি চাপ পড়বে না। স্ক্রিন টাইম নিয়ে সচেতনতা জরুরি। দিনের কতটা সময় একটানা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকব, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। আধ ঘণ্টার বেশি একনাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে থাকা চলবে না। চোখে বারবার জল দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা ল্যাপটপে বা মোবাইলের স্ক্রিনে সময় কাটালে, অন্তত আট ঘণ্টা বা চল্লিশ মিনিট বাগানে বা গাছে ঘেরা এলাকায় থাকতে হবে। তাছাড়া লেবু ও বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেতে হবে, এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাহলে চোখের স্নায়ু ও পেশির প্রয়োজনীয় বিশ্রাম হবে। চোখের ক্ষমতা বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Healthy Habits: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    Healthy Habits: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর ও সুস্থভাবে বাঁচতে বিশ্বের প্রায় সব মানুষই চান। অনেকে তো আবার ১০০ বছর পর্যন্তও বেঁচে থাকতেন চান। কিন্তু কতজনই বা বাঁচেন। খুব বেশি হলে ৯০, এর বেশি বয়সেও মানুষ বেঁচে আছেন এমনটা খুব কমই দেখা যায়। তবে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতে ২০২১ সালে সারা বিশ্ব থেকে ১০০ বছর বা তারও বেশি বয়সী ৫০০,০০০ এরও বেশি লোক ছিল।

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশ করে যে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৯৭,০০০ শতবর্ষী বাস করে,  সুতরাং এখানেই বেশি শতবর্ষী মানুষ বাস করে। এরপরে জাপানের স্থান। এখানে ৭৯০০০ শতবর্ষী বাস করেন। ১১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন জাপানের এক বসবাসকারী। যার নাম ছিল কেন তানাকা। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিলে তানাকার মৃত্যুর পর, লুসিল র‌্যান্ডন নামে এক সন্ন্যাসী যিনি সিস্টার আন্দ্রে নামেও পরিচিত ছিলেন, তিনি ১১৮ বছর পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। ফলে তাঁর নাম যা গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে লেখা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    সুতরাং বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০০ বছর বা তারও বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা যায়। তবে মেনে চলতে হবে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

    1. দীর্ঘ জীবন যাপনের চাবিকাঠি হল সুস্থ জীবনযাপন করা। অবশ্যই, একটি ফিট, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ডায়েট এবং ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সিস্টার আন্দ্রে থেকে কিছু অনুপ্রেরণা নিতে বলা হয়েছে। কারণ তিনি প্রতিদিন এক গ্লাস রেড ওয়াইন ও চকোলেট খেতেন। তাই মনে করা হয়েছে, তাঁর দীর্ঘায়ুর পেছনে চকোলেট ওরেড ওয়াইনের অবদান থাকতে পারে।
    2. একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে ব্যক্তিরা খুব হাঁটা-চলা করা যায় এমন এলাকায় বসবাস করেন তাদের বয়স ১০০-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুতরাং সামাজিক এবং পরিবেশগত কারণগুলিও দীর্ঘায়ুতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে।
    3. জীবনে সবসময় পজিটিভ বা ইতিবাচক থাকতে হয়, দীর্ঘ জীবনের পেছেনে এই পজিটিভিটিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    4. বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকার জন্য চিনাবাদামের গুরুত্ব অনেক। কারণ একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে চিনাবাদাম খেয়ে থাকেন, তাঁদের তাড়াতাড়ি মৃত্যুর সম্ভবনা কমে যায়।
    5. দীর্ঘায়ুর জন্য সবসময় ফিট থাকতে হবে। আর ফিট থাকার জন্য কোনও না কোনও অ্যাক্টিভিটির মধ্যে থাকা উচিত। বিভিন্ন খেলা টেনিস, ফুটবল, সুইমিং, দৌড়ানো ইত্যাদির মাধ্যমে অ্যাক্টিভ থাকা যায় ও বেশিদিন পর্যন্ত বাঁচার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
LinkedIn
Share