Tag: Healthy life

Healthy life

  • Diet For Thyroid: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    Diet For Thyroid: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাইরয়েডের সমস্যা বা থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এখানে থাইরয়েডের জন্য বিশেষজ্ঞদের তৈরি এক দিনের বিশেষ ডায়েট চার্ট বা গোটা একটি দিনের খাদ্য তালিকা দেওয়া হল যা আপনার শরীরে থাইরয়েড এর মাত্রা ঠিক রাখতে অনুসরণ করতে পারেন। 

    মর্নিং ড্রিঙ্ক- সকালে এক বড় চামচ কাঁচা হলুদের রস, এক চিমটি গোলমরিচ এবং এক ছোট চামচ নারকেল তেল নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। এটি প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া আপনার জন্য উপকারী হতে পারে। এই পানীয়ের সমস্ত উপাদানই আপনার জন্য উপকারী, কারণ হলুদ রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। গোলমরিচ হলুদ এর উপকারিতাকে বাড়াতে সাহায্য করে এবং নারকেল তেলে ভালো ফ্যাট থাকে যা থাইরয়েডের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    সকালের পুষ্টিকর  খাবার- ১০০ গ্রাম সবুজ মুগডাল নিয়ে এটি সারারাত ভিজিয়ে রাখুন, ঘুম থেকে উঠে এর থেকে জল ঝরিয়ে নিন এবং একটি প্যানে জল, লবণ ও হলুদ দিয়ে এটি রান্না করুন কিন্তু এটি যেন সম্পূর্ণ রান্না করা না হয়। প্রায় ৮০% রান্না করতে হবে। একটি পৃথক প্যানে কাটা পেঁয়াজ, মাত্র ১ চা চামচ ঘি বা তেলে ভাজুন। এরপর আদা রসুনের পেস্ট, ধনেগুঁড়ো, দারচিনি গুঁড়ো, জিরা, গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিন। এই তরকারি রান্না করা মুগডাল ভালো করে মেশান, মিশ্রণটি আরও একটু ভাজুন। এরপর এতে তাজা ধনেপাতার সঙ্গে ছোট চামচ কুমড়োর বীজ যোগ করুন। মুগ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন তো রয়েছেই তবে এটি সহজে হজম হয় এবং এতে কোনও ফ্যাট নেই এবং মুগ থাইরয়েড গ্রন্থির জন্য খুবই উপকারী।

    ডিটক্স চা- এটি বানাতে ১ চা চামচ জিরা, ধনে বীজ, মৌরি বীজ, এবং আধা চা চামচ শুকনো আদা গুঁড়ো মিশিয়ে এই বিশেষ চা তৈরি করুন। সব উপকরণ দেওয়া হয়ে গেলে পাঁচ কাপ জলে ফুটোতে দিন এটা আপনি দিনে একাধিকবার পান করতে পারেন।

    দুপুরের খাবার- এক কাপ হলুদ মুগ ডালের ময়দা অথবা আধ কাপ ভেজানো মুগডাল ব্যবহার করতে পারেন। এতে আধা কাপ ময়দা যোগ করুন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল যোগ করে একটি প্যান কেক তৈরি করে ফেলুন এবং এতে আরও স্বাদ আনার জন্য এই মিশ্রণটিতে অর্ধেক চা চামচ মৌরি এবং জিরার বীজের সঙ্গে স্বাদমতো লবণ দিয়ে দিন এবং আপনার প্যানকেক তৈরি হয়ে যাবে। সবজির মধ্যে আপনি যেগুলি বেছে নিতে পারেন সেগুলো হল- করলা, গাজর, কুমড়ো, পালং শাক, লেটুস, শালগম ইত্যাদি। রান্না করার সময় খুব অল্প পরিমাণে তেল বা ঘি দিয়ে একটি পেঁয়াজ ব্যবহার করুন। এবার এতে আদা-রসুন বাটা, জিরা ও ধনের গুঁড়ো, ১ চিমটি হিং, কালো মরিচ, স্বাদ অনুযায়ী লবণ দিন। কেটে রাখা সবজি গুলো দিয়ে দিন, সবজি যাতে ওভারকুকড না হয়ে যায় তার দিকে বিশেষ নজর রাখুন। এই সবজি রান্না করার সময় জল যোগ করার প্রয়োজন হবে না। এই সবজিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই সহজেই হজম হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে আপনার বিপাক প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের পরেও আপনি আবার ডিটক্স চা খেতে পারেন এবং পরে ভেজানো বাদাম খেতে পারেন।

    রাতের খাবার- আপনাকে সব সময় রাত্রি আটটার মধ্যেই রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে। রাতের জন্য একটি সুপ তৈরি করে ফেলুন। এটি তৈরি করতে এক কাপ ভেজানো সবুজ মুগ ডাল বা হলুদ মুগ ডাল নিন, ২ কাপ সবজি যোগ করুন। এবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল দিয়ে লবণ, হলুদ, কাঁচা মরিচ যোগ করুন। ফোঁড়নের জন্য একটি প্যানে ১ চা চামচ জিরা, ১ চিমটি হিং নিন। এবার এতে অল্প কাঁচা পেঁয়াজ, আদা রসুনের পেস্ট যোগ করে ভালোভাবে ভাজুন। এবার এতে রান্না করা মুগ ও সবজির মিশ্রণটি দিয়ে দিন। এভাবে তৈরি হয়ে যাবে একটি ফাইবার সমৃদ্ধ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ মাস ধরে প্রতিদিন এই খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে এর ফলাফল দেখতে পাবেন। এটি থাইরয়েড হরমোনের উন্নত করতে সাহায্য করে, অপরদিকে আপনার শরীরের ওজন কমাতেও সাহায্য করে। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আবার মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মত আবেগকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, থাইরয়েডের রোগীকে অবশ্যই পরিশোধিত ময়দা, গম, মিষ্টি, দই, দুগ্ধজাত খাবার, জাঙ্কফুড এবং টক খাবার খাওয়া কমাতে হবে। কারণ এই জাতীয় খাবারগুলি থাইরয়েডের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। আমিষভোজীদের জন্য তিনি বিশেষ পরামর্শ— দুপুরে সপ্তাহে দুবার মাছের তরকারি, ডিমের তরকারি বা চিকেন কারিও খেতে পারেন।

  • Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    Thyroid Problem: থাইরয়েডের সমস্যা? জানুন কী কী রোগ দেখা দিতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকের দিনে থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) একটি সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। থাইরয়েডে (Thyroid) আক্রান্তদের প্রায় ৬৬ শতাংশই জানেন না যে তাঁদের এটি আছে এবং এটি খুবই চিন্তার বিষয়।

    কিন্তু যদি আপনি জানেন যে আপনার থাইরয়েড আছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই থাইরয়েডের মাত্রা ঠিক রাখতে আপনার খাদ্য তালিকাতেও  কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। থাইরয়েড সম্পর্কে আপনার কিছু জেনে নেওয়া দরকার।

    থাইরয়েড হল গলার সামনে অবস্থিত প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি। এটি খাবার থেকে আয়োডিন নিয়ে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদন করে। থাইরয়েড হরমোন শরীরের প্রায় সকল কার্যক্রমে সহযোগিতা করে যেমন- হার্ট রেট, লিভার ফাংশন, সার্কুলেশন, মেটাবলিজম ও ইন্টার্নাল ক্লক।

    থাইরয়েড এমন একটি সমস্যা যা কোনও রোগ নয় বরং পুরো জীবনের জন্য একটি ব্যাধিও। তবে হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism) এবং হাইপোথাইরয়েডিজমের (Hypothyroidism) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হাইপারথাইরয়েডিজম হল এমন একটি সমস্যা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড হরমোন বেশি পরিমাণে উৎপাদন করে।

    আরও পড়ুন: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    অন্যদিকে হাইপোথাইরয়েডিজমে থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়। হাইপারথাইরয়েডিজম আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন বাড়তে থাকে, যখন হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তির ওজন অনেক বেশি কমে যায়। থাইরয়েডের সমস্যার ফলে কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে তা হল—

    • থাইরয়েড নডুলাস- থাইরয়েড গ্রন্থির অনিয়ম।
    • থাইরয়েডাইটিস- থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়।
    • হাইপোথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না।
    • হাইপারথাইরয়েডিজম- যখন থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনের বেশি হরমোন তৈরি করে।
    • গলগন্ড- থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধি।
    • থাইরয়েড ক্যান্সার। 

    আয়ুর্বেদ অনুসারে, অত্যাধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আপনার মেটাবলিজম কে নষ্ট করে দিতে পারে, যার ফলে থাইরয়েড হতে পারে। টক্সিন যখন থাইরয়েডে জমা হতে থাকে তখন সেলুলার গঠনে পরিবর্তন দেখা যায়। এটি থাইরয়েডের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করে ফলে দেহে ইমিউনিটি সিস্টেম নষ্ট হতে থাকে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

    ফলে থাইরয়েডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকার। কারণ প্রথমদিকে অত বেশি সমস্যা না দেখা দিলেও ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন আপনি। তাই সময়মত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত দরকার।

  • Summer Health Tips: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    Summer Health Tips: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালে সবারই কোনও না কোনও সমস্যা দেখা যায়। একদিকে যেমন শারীরিক ক্লান্তি থেকে শুরু করে শক্তির অভাব, মাথা ব্যথা, স্ফীতভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় তেমনি অ্যাসিডিটি বা বদহজম প্রায়ই অস্বস্তি তৈরি করে। গরমকালে খাবার হজম করা খুবই কঠিন, ফলে হজমের গোলমাল বেশিই দেখা যায়।

    ছোটবেলায় আপনার যখন হজমের সমস্যা দেখা যেত, মনে করে দেখুন তো, আপনার মা দ্রুত স্বস্তির জন্য কী কী করতেন। সাধারণত খাবারে দই-ভাত, খিচুড়ি খেতে দিতেন। আপেল, কলা কেন স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল, তা নিয়ে বলতেন। সম্ভবত ঠাকুরমা কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ দিতেন। সেইসঙ্গে বাবাও ফাস্টফুড না খাওয়ার পরামর্শ দিতেন।

    এবারে জেনে নেওয়া যাক আপনার খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার থাকলে বদহজম থেকে আপনি মুক্তি পাবেন। এখানে কিছু টিপস দেওয়া হচ্ছে যা আপনার গ্যাসের সমস্যা, স্ফীতভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অ্য়াসিডিটি, বদহজম ইত্যাদি সবরকমের সমস্যা দূর করে সুস্বাস্থ্য গঠনে সাহায্য করবে।

    ১) যেসব ফলে কম পরিমাণ ফ্রুক্টোজ রয়েছে সেসব ফল খাওয়া উচিত। যেমন- আঙুর, আপেল, ব্ল্যাকবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি। কারণ কম ফ্রুক্টোজ যুক্ত ফল গ্যাস, স্ফীতভাবের সমস্যার প্রবণতাকে কম করে। বেশি ফ্রুক্টোজ যুক্ত ফলগুলি হল- আম, তরমুজ, চেরি, কলা ইত্যাদি।

    ২) উপযুক্ত পরিমাণে শস্য জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে- দিনে তিনবার শস্যজাতীয় খাবার খেলে অল্প বয়সে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। 

    ৩) বেশি করে সবুজ শাকসবজি যেমন- পালং শাক,বাঁধাকপি খাওয়া উচিত। এই ধরণের শাকে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম ভালো রাখতে উপকারি ব্যাকটেরিয়াকে সাহায্য করে। সুতরাং ব্যাকটেরিয়াগুলি কীভাবে কাজ করবে তা আমাদের খাবারের উপর নির্ভর করে।

    ৪) খাদ্যে প্রোবায়োটিক যা কার্যকরী খাদ্য নামে পরিচিত সেগুলি বৃহদান্ত্রের জন্য উপকারী। প্রোবায়োটিক খাবার যেমন- দই, চিজ ইত্যাদি। 

    দই- বাড়িতে তৈরি দই, বাটারমিল্ক খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

    কেফির – কেফিরে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি,অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল আছে যা স্বাস্থ্যের জন্যে উপকারী।
     
    চিজ-খাদ্যতালিকায় চিজ রাখা উচিত কারণ এর প্রোবায়োটিক শুধুমাত্র অন্ত্রের জন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

    ৫) শেষে যার কথা না বললেই নয়, তা হল জল। জল ছাড়া সুস্বাস্থ্য গড়ে তোলা কখনই সম্ভব নয়। জল শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন বের করে দিতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রবণতাকে কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।  তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন প্রায় ৬-৮ গ্লাস জল খাওয়া উচিত।

    এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমনো উচিত। পুষ্টিকর খাদ্য় খাওয়া উচিত। সঙ্গে ব্যায়ামও করা উচিত। আবার সময়মত ডাক্তারের পরামর্শও নেওয়া উচিত।

     

  • Fish for Brain Health: মস্তিষ্কের ভালোর জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন এই মাছটি..

    Fish for Brain Health: মস্তিষ্কের ভালোর জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন এই মাছটি..

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মস্তিষ্ক হল শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি শরীরের সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং মস্তিষ্ককে ভালো রাখার জন্য আমাদের বিশেষ নজর রাখা উচিত। আপনার লাইফস্টাইলের অনেকটাই মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে ভূমিকা পালন করে থাকে।

    ঘুম, শারীরিক ব্যায়াম এবং পুষ্টি হল কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখতে পারে। যখন পুষ্টির কথা আসে, তখন কিছু খাবার আছে যা আমরা জানি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যগঠনে সাহায্য করতে পারে, যেমন— ওমেগা-৩, ফল, শাকসবজি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার।

    আরও পড়ুন: বদহজমের সমস্যা? জেনে নিন ৫টি ঘরোয়া টোটকা

    তবে ডায়টেশিয়ানদের মতে, মস্তিষ্কের ভালোর জন্য সবচেয়ে উপকারি হল মাছ। সামুদ্রিক মাছ পুরো স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারি, তবে মস্তিষ্কের জন্য বেশি উপকারি। সামুদ্রিক মাছ প্রোটিন, পুষ্টিকর ফ্যাট, ভিটামিন-বি, বিভিন্ন মিনারেলস যেমন— জিঙ্ক, আয়রন, আয়োডিন ইত্যাদি সমৃদ্ধ খাবার। তবে মস্তিষ্কের জন্য স্যামন মাছ বেশি পুষ্টিকর।

    পুষ্টিবিদদের মতে, আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় অর্ধেক অংশই ফ্যাট, ওমেগা-৩ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (omega-3 polyunsaturated fatty acids) দিয়ে তৈরী। আর এই ফ্যাটের ৯০ শতাংশই docosahexaenoic acid (DHA)-এ পরিণত হয়ে থাকে। এই DHA-ই মস্তিষ্কের আকার তৈরীতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুন: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    স্যামন মাছ ডিএইচএ (DHA) ,ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ইপিএ (Eicosapentaenoic acid)-তে সমৃদ্ধ। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ স্যামন মাছ মস্তিষ্কে brain-derived neurotrophic factor (BDNF) নামক প্রোটিন তৈরীতে সাহায্য করে যেটি মস্তিষ্কের কোষ বৃদ্ধিতে ও নতুন কোষ তৈরীতে সহায়তা করে থাকে।সুতরাং স্যামন মাছ আপনার মস্তিষ্কের জন্য একেবারে উপযুক্ত খাবার।

    স্যামন মাছ আদতেও মস্তিষ্কের জন্য উপকারি কি না তা বুঝতে আপনাকে অবশ্যই সপ্তাহে দুবার এই মাছ খেয়ে দেখা উচিত। সপ্তাহে সেটি তিনবার খেলে আরও ভালো হয়। স্যামন মাছ ওভেনে সবজির সঙ্গে রোস্ট করে অথবা কারি বানিয়েও খেতে পারেন।

     

LinkedIn
Share