Tag: Heart attack

Heart attack

  • COVID19: করোনার নতুন প্রজাতি বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি? কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    COVID19: করোনার নতুন প্রজাতি বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি? কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    করোনার (COVID19) নতুন প্রজাতি নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই। করোনা সংক্রমণ যাতে দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য একাধিক সরকারি পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কিন্তু তারপরেও করোনার চোখ রাঙানি রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনার নতুন প্রজাতি হৃদযন্ত্রের বাড়তি বিপদ বাড়াচ্ছে।‌

    কেন হৃদযন্ত্র বিকলের আশঙ্কা? (COVID19)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনা ভাইরাস (COVID19) ত্বক, চোখ আর ফুসফুসের ওপর কড়া প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, হৃদযন্ত্রের ওপর এই ভাইরাসের প্রকোপ মারাত্মক। সম্প্রতি জার্নাল অফ আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে বেড়েছে হৃদরোগের দাপট। তরুণ প্রজন্মের হৃদযন্ত্র বিকলের ঘটনা বেশি ঘটছে। করোনা ভাইরাসের জেরেই হৃদযন্ত্রের শক্তি কমছে, এমন একাধিক উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে। 
    ভারতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করোনার নতুন প্রজাতি সবচেয়ে বেশি হৃদযন্ত্রের উপরেই প্রভাব ফেলছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই নতুন প্রজাতিতে যাঁরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের একাংশ আগেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বারবার আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। পাশপাশি করোনা আক্রান্তের ফুসফুসের সমস্যা বাড়ছে। ফলে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। আর তার জেরেই দেহের রক্তচাপ ওঠানামা করছে। ফলে, হৃদযন্ত্রের শক্তি কমছে। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে।‌

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (COVID19)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের বিষয়ে বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। না হলে যে কোনও বড় বিপদ ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, করোনা আক্রান্তের সুস্থ হয়ে ওঠার পরে খাদ্যাভ্যাস থেকে জীবনযায়, সব কিছুতেই বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। যেহেতু এই করোনার (COVID19) প্রজাতি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তাই সুস্থ হওয়ার পরেও নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। রক্তচাপ লাগাতার ওঠানামা করলে কিংবা ধারাবাহিক উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া, ওজনের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, স্থূলতা কোলেস্টেরল সহ একাধিক সমস্যা তৈরি করে। যা হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই করোনার পরে কম তেলমশলা যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কিন্তু পুষ্টির দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি‌‌। কারণ, করোনার পরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে যায়। তাই চোখ, ত্বক, লিভার সহ একাধিক অঙ্গে নানান সমস্যা দেখা দেয়। নিয়মিত সিদ্ধ ডিম, দুধ, খিচুড়ি, আপেল, লেবু খাওয়া দরকার। তবেই দেহে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান হবে। তবে, চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়ম মাফিক যোগাভ্যাস করতে হবে। রক্তচাপ ঠিক রাখতে, হৃদপিণ্ডের কার্যশক্তি বাড়াতে যোগাভ্যাস সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। তাই করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট যোগাভ্যাস করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: কাজের চাপে পরিবারকে সময় দিতে পারছেন না? কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    Heart Attack: কাজের চাপে পরিবারকে সময় দিতে পারছেন না? কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্তের সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। আর তার সঙ্গে উর্ধ্বমুখী উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। ব্যতিক্রম নয় ভারত। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও এই সমস্যা বাড়ছে। প্রতি বছর যতজন এ দেশে মারা যান, সেই মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া। যার নেপথ্যে থাকে উচ্চ রক্তচাপ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত পুরুষদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বাড়ছে। সাম্প্রতিক তথ্যে জানা গিয়েছে, জীবনের অতিরিক্ত ব্যস্ততা আর ভারসাম্য রাখতে না পারার জেরেই এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

    কী বলছে তথ্য? (Heart Attack)

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ১৯ কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। ১৫ বছরের উর্ধ্বে ছেলেদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ বছর বয়সের উর্ধ্বে ২৪ শতাংশ ছেলেদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি (Heart Attack) দেখা দিচ্ছে। তুলনায় মহিলাদের ঝুঁকি কম। 
    তবে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তার চেয়েও দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে অধিকাংশ আক্রান্ত জানেন না, তাঁদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। অর্থাৎ, আক্রান্ত যে আসলে কতজন, সেই হিসাব পাওয়া কঠিন। এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ৩৩ শতাংশ ভারতীয় রক্তচাপ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না।‌ যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কেন ভারতীয় পুরুষদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে? 

    সম্প্রতি কলকাতায় কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার এক সম্মেলনে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানালেন, জীবনে ঠিকমতো ভারসাম্য রাখতে না পারার জেরেই বিপদ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কাজের সময়ের পাশাপাশি পরিবারকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। এ নিয়ে নানান পারিবারিক সমস্যা বাড়ছে। আর তার জেরেই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।‌ তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন।‌ কাজের নির্দিষ্ট সময় থাকছে না। এর জেরে পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না। কিংবা পরিবারের সঙ্গে অবসর যাপনের সুযোগ কম হয়। আর এর ফলে তৈরি হয় নানান জটিলতা। ফলে, মানসিক চাপ ও অবসাদ দেখা দেয়। যার জেরেই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা (Heart Attack) তৈরি হয়‌। তাই হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ভারসাম্য তৈরি করতে না পারলে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণ কঠিন‌ হবে।

    কেন দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ? 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কারণ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে, তার সরাসরি প্রভাব হৃদপিণ্ডের উপরে পড়ে। বিশেষজ্ঞ মহল‌ জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে চটজলদি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তাই স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে কোলেস্টেরল, ডায়বেটিসের সমস্যা। এগুলো সব হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তার উপরে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে বিপদ (Heart Attack) আরও বাড়বে। তাই তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। 

    কীভাবে মোকাবিলা হবে‌ এই সমস্যার? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে। তবেই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যার মোকাবিলা করা যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ, বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরলেই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা জরুরি।‌ রক্তচাপ ওঠানামা করছে কিনা, তা জানা প্রয়োজন। রোগ নির্ণয় হলে তবেই মোকাবিলা সহজ‌ হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ঠিকমতো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ২০৪০ সালের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা (Heart Attack) অর্ধেক কমে যাবে। তাই নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা জরুরি।

    যে কোনও সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। বই পড়া, গান‌ শোনা, ছবি আঁকার মতো যে কোনও কাজ নিয়মিত করতে হবে। তাহলে মানসিক চাপ সহজেই কমবে। 

    পাশপাশি, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক কসরতের দিকে নজর দিতে হবে।‌ কারণ সহজপাচ্য হালকা খাবার নিয়মিত খেলে একাধিক রোগ এড়ানো‌ যাবে। নিয়মিত হাঁটা এবং যোগাভ্যাস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Disease: মহিলাদের বাড়ছে হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি! গর্ভাবস্থায় দেখভালের অভাবই কি‌ এর কারণ? 

    Heart Disease: মহিলাদের বাড়ছে হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি! গর্ভাবস্থায় দেখভালের অভাবই কি‌ এর কারণ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হৃদরোগের (Heart Disease) সমস্যা‌ বাড়ছে। বিশ্বের একাধিক দেশের পাশপাশি ভারতেও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। হার্ট অ্যাটাকের পাশপাশি হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমছে। ফলে, হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকিও‌ বাড়ছে।‌ কলকাতায় সম্প্রতি কার্ডিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল। সেখানেই একাধিক আলোচনায় উঠে আসছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও মহিলাদের হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি বাড়ছে। সতর্ক হতে না পারলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? (Heart Disease) 

    সম্প্রতি কলকাতায় কার্ডিওলজিক্যাল সোস্যাইটি অব ইন্ডিয়ার এক সম্মেলনে ‌হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের মধ্যে হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, হার্ট ফেলিওর অর্থাৎ হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমতে থাকছে।‌ ধীরে ধীরে হৃদপিণ্ড কাজ করতে পারছে না।‌ হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদ ছাড়াও হার্ট ফেলিওরের জেরে যে কোনও রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের ঝুঁকি বাড়বে। ফলে, রোগ মোকাবিলা কঠিন হয়ে উঠবে। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মহিলাদের হার্ট ফেলিওরের (Heart Disease) ঝুঁকি বাড়ছে। গর্ভাবস্থায় ঠিকমতো যত্নের অভাবেই এই ঝুঁকি বাড়ছে।

    কেন গর্ভাবস্থার জন্য ঝুঁকি বাড়ছে? 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, মহিলাদের শরীরের গঠন গর্ভাবস্থায় অনেকটাই বদলে যায়।‌ শুধু বাইরের গঠন নয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে নানান উপাদানের পরিবর্তন হয়। যার প্রভাব পরবর্তী পর্বেও থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় ঠিকমতো পর্যবেক্ষণ করতে না পারলে পরবর্তীতে বড় বিপদ ঘটতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গর্ভাবস্থায় মহিলাদের শরীরে হরমোনের নানান পরিবর্তন হয়। বিশেষত, প্লাজমা প্রোটিনকে ইস্ট্রোজেন হরমোন অনেকটাই প্রভাবিত করে। তাছাড়া, গর্ভাবস্থায় শরীরে জলের পরিমাণের অনেকটাই বদল হয়।‌ রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটে। হৃদপিণ্ড (Heart Disease) থেকে রক্ত শরীরে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও গতির পরিবর্তন হয়। তাছাড়া, গর্ভাবস্থায় শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে। যা শরীরে অনেকটাই পরিবর্তন আনে।‌ বিশেষত লিভারের কার্যক্ষমতায় পরিবর্তন আনে।‌ পাশপাশি, মল-মূত্রত্যাগের নালীতেও পরিবর্তন হয়। আর এই সব হৃদযন্ত্রে প্রভাব ফেলে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের এই একাধিক পরিবর্তনের প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডে। এর জেরেই হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতায় পরিবর্তন ঘটে। অনেকক্ষেত্রেই তৈরি হয় হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, গর্ভাবস্থায় মহিলাদের হৃদরোগ (Heart Disease) বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সাধারণ মানুষের পাশপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদেরও এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই গর্ভবতীর শুধুমাত্র রক্তচাপ পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি বোঝার জন্য শুধুমাত্র রক্তচাপের পরীক্ষা যথেষ্ট নয়। তাই প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করানো দরকার। হৃদযন্ত্র কাজ করতে সক্ষম কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলে পরবর্তীতেও বড় বিপদ ঘটতে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Blood Pressure: শীতে রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন কীভাবে সতর্ক হবেন

    Blood Pressure: শীতে রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন কীভাবে সতর্ক হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতকালে মানুষের শারীরিক সমস্যা সব থেকে বেশি বৃদ্ধি পায়। অনেক মানুষের শরীরে ব্যথা, বেশি ঠান্ডার ফলে সর্দি, হাঁচি ও কাশির মতো সমস্যা ও সব থেকে বেশি যে সমস্যা হয়, সেটি হল গ্যাস-অম্বলের সমস্যা। শীতকালে জল কম খাওয়া হয় বলে গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা সব থেকে বেশি বৃদ্ধি পায়। যাঁরা দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভোগেন, তাঁদের জন্য শীতকাল খুবই একটি খারাপ সময়। কারণ এই সময় সেই সব রোগ আরও বেশি বাড়তে পারে। আবার অপর দিকে হাঁপানির মতো সমস্যা এই সময় বৃদ্ধি পায়। আর এই সবের ঊর্ধ্বে সব থেকে বেশি যে সমস্যা হয়, তা হল উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা (Blood Pressure)। শীতকালে প্রায় বেশির ভাগ মানুষের এই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা যায়।

    কেন শীতকালে রক্তচাপ বেড়ে যায়?

    বিশেষ করে মাঝবয়সী মানুষদের এই শীতকালে উচ্চ রক্তচাপের (Blood Pressure) সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এর কিছু বিজ্ঞানসম্মত কারণ রয়েছে। শীতকালে বাইরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম থাকে। আর এর ফলে মানব দেহের যে শিরা-ধমনীগুলো রক্ত সরবরাহ করে, সেগুলো সাধারণত তুলনায় অনেক সংকুচিত হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে তাপমাত্রা বজায় রাখা, রক্ত সঞ্চালন প্রভৃতি সব ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে রক্ত সঞ্চালন করার জন্য শরীরকে অনেক বল প্রয়োগ করতে হয়। ঠিক এই কারণে শীতকালে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যা হার্টের রোগের মতো সমস্যা ডেকে আনে। কিন্তু কিছু জিনিস মেনে চললে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

    কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? (Blood Pressure)

    ১) শীতকালে অনেক মানুষই নিজের শরীর ঠিক রাখার জন্য মদ্যপান করেন। এই ভুল ধারণা ভেঙে মদ্যপান করা সম্পূর্ণ রূপে এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ মদ্যপান শরীরের তাপমাত্রা আচমকা বাড়িয়ে দেয় ও শরীরের বাহ্যিক তাপমাত্রা কম হয়ে যায়। ফলে রক্ত নালিগুলো সংকুচিত হয়ে রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতিকে বাধা দেয়।
    ২) শীতকালে অতিরিক্ত কফি পান করা ক্ষতিকর। তাই দিনে ২ থেকে ৩ বার কফি পান করলে এই সমস্যা (Blood Pressure) থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
    ৩) যাঁরা পরিশ্রম করেন তাঁদের খেয়াল রাখতে হবে এই সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম বা শরীরের উপর চাপ প্রয়োগ করা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার একটি মূল কারণ হতে পারে। শরীরচর্চা করার ফলে শরীরের বাইরের তাপমাত্রা ও ভেতরের তাপমাত্রার মধ্যে ভারসাম্য হারিয়ে যায়, যা হৃদরোগের মতো সমস্যা (Blood Pressure) ডেকে আনতে পারে।
    ৪) বেশি ঠান্ডা লাগানো চলবে না, প্রয়োজনে সোয়েটার, গ্লাভস, মোজা ব্যাবহার করতে হবে। বার বার জল খেতে হবে। বেশি চা না খেয়ে আদা, গোলমরিচ থেঁতো করে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে তরুণ প্রজন্মেরও! উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে তরুণ প্রজন্মেরও! উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তিরিশের চৌকাঠ পার করেনি। বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতার এক রেস্তোরাঁয় চলছিল খানাপিনা। হঠাৎ বুকে ব্যথা (Heart Attack) অনুভব করেন বছর আঠাশের যুবক। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে ওই তরুণ মারা গিয়েছেন। যদিও ওই তরুণের ডায়বেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা ছিল না।
    সদ্য মাস ছয়েক মা হয়েছিলেন বছর পঁচিশের তরুণী। গর্ভাবস্থায় একাধিক শারীরিক পরীক্ষায় কোনও ত্রুটি ধরা পরেনি। কিন্তু হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ওই তরুণী। 
    এই ঘটনাগুলি একেবারেই ব্যতিক্রম নয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগ বাড়ছে। তিরিশ বছর পেরনোর আগেই হৃদযন্ত্র হঠাৎ বিকল হওয়ার মতো ঘটনা বেড়েছে। বিশেষত করোনা পরবর্তীতে এই ধরনের ঘটনা‌ আরও বাড়ছে। আবার দেখা যাচ্ছে, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা বা কোমর্বিডিটি না থাকলেও হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।‌ তার জন্য উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। 
    সম্প্রতি কলকাতায় চলছে কার্ডিওলজিকাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার সম্মেলন। সেখানেই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার নতুন একাধিক কারণ দেখা দিচ্ছে। সতর্ক না হলে‌ আরও বিপদ বাড়বে।

    কোমর্বিডিটি না থাকলেও কেন হৃদরোগ বাড়ছে?(Heart Attack) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতার মতো‌ সমস্যা হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্ত সম্প্রতি একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দূষণ হৃদরোগের ঝুঁকি মারাত্মক বাড়াচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ছে, কারণ, দূষণ বাড়ছে। ধূমপান হৃদরোগের অন্যতম কারণ। কিন্তু যে হারে বায়ুদূষণ বাড়ছে, তাতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও একজন মানুষ ধূমপায়ীর মতোই ভুক্তভোগী হচ্ছেন।‌ 
    ওই সম্মেলনে চিকিৎসকদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্প্রতি কলকাতা ও‌ তার আশপাশের এলাকায় দীপাবলি উপলক্ষে যে‌ হারে আতস বাজি পোড়ানো হয়েছে, তাতে বায়ুদূষণ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। আর এর প্রভাব সরাসরি ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ডে পড়ছে। যার জেরে বাড়ছে হৃদরোগ।

    কী পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল? (Heart Attack)

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দূষণ নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।‌ বায়ুদূষণে‌ লাগাম টানতে না পারলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি বাড়বে। প্রশাসনকেও সক্রিয় হতে হবে। না হলে যে হারে তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তবে, প্রত্যেকের দিনের কিছুটা সময় খোলা‌ মাঠে কিংবা পার্কে‌ কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন‌ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খোলা মাঠে হাঁটা কিংবা পার্কে ‌শারীরিক কসরত করলে, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি নজরদারি জরুরি বলেই মত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের।‌ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগ বাড়ার অন্যতম কারণ মানসিক চাপ। তাই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা অত্যন্ত জরুরি। 
    পাশপাশি খাবারের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে মনে করছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, স্থূলতা এবং উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই তেল-মশলা যুক্ত খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। পাশপাশি সহজপাচ্য খাবার রোজদিনের মেনুতে রাখতে হবে। কারণ, তাতেই শরীর সুস্থ থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Exercise: ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীরচর্চা কি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ? কী বলছে নয়া গবেষণা?

    Exercise: ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীরচর্চা কি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ? কী বলছে নয়া গবেষণা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্থূলতার সমস্যা হোক কিংবা ডায়বেটিস, যে কোনও রোগের নিরাময়ের জন্য ওষুধের পাশপাশি শরীরচর্চায় (Exercise) বিশেষ নজরদারির পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ মহল। এমনকি মানসিক চাপ কমাতেও প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা। কিন্তু সেই শরীরচর্চাও ডেকে আনতে পারে বিপদ! শরীরচর্চার জেরেই শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ! এমনই কথা জানা গেল এক সাম্প্রতিক গবেষণায়। তাই বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, যে কোনও কাজেই লাগাম জরুরি। তা না হলেই বিপত্তি।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? 

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অতিরিক্ত শরীরচর্চা (Exercise) শরীরে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। গত কয়েক বছর ধরে ব্রিটেন এবং সুইজারল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী বিশ্বের পাঁচ হাজার মানুষের উপর গবেষণা চালিয়েছেন। আর তার পরে তাঁরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শরীরচর্চা আসলে বিপজ্জনক। ওই গবেষণাপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অতিরিক্ত জিম বা শরীরচর্চার জেরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমতে থাকে। আর তার ফলেই যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত শরীরচর্চা করলে সাধারণ ভাইরাসঘটিত রোগ হোক কিংবা করোনার মতো মহামারি, যে কোনও ভাইরাসঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি হয়।

    কেন বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি? 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর চর্চা (Exercise) প্রয়োজন অনুযায়ী করা উচিত। কিন্তু অনেকেই দিনের বেশির ভাগ সময় জিমে কাটাচ্ছেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ন করছেন। পেশিকে দুর্বল করে তুলছেন। আবার সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া হচ্ছে না। এর ফলে, শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। পেশি ক্লান্ত থাকছে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। আর এর জেরেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, জিমের প্রয়োজন আছে কিনা, তা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই করা উচিত। শুধুমাত্র সখের জন্য নয়। শারীরচর্চা কতখানি জরুরি, তা না জেনে করলে বিপদ বাড়বে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত হাঁটা শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারি। তাই নিয়ম করে ৪০ মিনিট হাঁটলে, স্থূলতা, ডায়বেটিস কিংবা হৃদরোগের মতো এড়ানো যাবে একাধিক সমস্যা। পাশপাশি যোগাভ্যাসে অভ্যস্থ হলেও একাধিক শারীরিক সমস্যা এড়ানো সম্ভব। তবে, নিয়মিত জিম করলেও উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া জিম করলে সমস্যা হতে পারে। তাই সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো শরীরচর্চা করা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে, শরীরচর্চার পাশপাশি পুষ্টিকর পরিমিত খাবার নিয়ম করে খেতে হবে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, একদিকে শরীর সুস্থ রাখতে যেমন শরীরচর্চা (Exercise) জরুরি, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন। তা না হলে শরীরচর্চায় বিপদ বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Firecrackers: হৃদরোগ থেকে ফুসফুসের সংক্রমণ, শব্দবাজি ডেকে আনে কোন পাঁচ বিপদ?

    Firecrackers: হৃদরোগ থেকে ফুসফুসের সংক্রমণ, শব্দবাজি ডেকে আনে কোন পাঁচ বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আলোর উৎসবে সেজে উঠছে শহর থেকে গ্রাম। কিন্তু বছরের এই সময় শুধু আলো নয়, সঙ্গী হয় বাজি। নানা রকমের বাজি পুড়িয়ে উদযাপন হয় দীপাবলি। আর সেই তালিকায় থাকে শব্দবাজিও (Firecrackers)। শব্দবাজির প্রকোপ নিয়ে প্রত্যেক বছর একাধিক অভিযোগ উঠলেও, প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রশাসনের এই ঢিলেঢালা আচরণের খেসারত দিতে হয় শিশু থেকে বয়স্ক সকলকেই। শব্দবাজির তীব্রতার জেরে গুরুতর স্বাস্থ্যসঙ্কট দেখা দিতে পারে, এমনই আশঙ্কার কথা জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন পাঁচ বিপদের আশঙ্কা বেশি? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রচণ্ড জোরে শব্দবাজি (Firecrackers) ফাটলে শরীরে একাধিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। ইএনটি চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে কানের। শব্দবাজির তীব্রতার জেরে শ্রবণশক্তি চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে। হঠাৎ খুব জোর আওয়াজে কানের পর্দায় চাপ পড়ে। লাগাতার সেই চাপ পড়লে শ্রবণশক্তি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষত শিশুদের ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা আরও বেশি।
    শব্দবাজির প্রভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ তীব্র আওয়াজে হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। হৃদযন্ত্রের কার্যশক্তি হঠাৎ কমে যায়। আর এর জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। 
    রক্তচাপের ক্ষেত্রেও মারাত্মক খারাপ প্রভাব ফেলে শব্দবাজি (Firecrackers)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ তীব্র আওয়াজের জেরে রক্তচাপ ওঠা-নামা করে। কারণ, হৃদপিণ্ড ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। শরীরের সর্বত্র রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হয় না। এর জেরেই রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হতে পারে। 
    মস্তিষ্কেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে শব্দবাজি। স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমতে পারে শব্দবাজির জেরে। তাই মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালনে এবং স্নায়ুর কার্যকারিতায় সমস্যা হয়। 
    মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে শব্দবাজি। শব্দবাজির জেরে একাগ্রতা নষ্ট হয়। ফলে, যে কোনও কাজ করার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য শব্দ খুবই ক্ষতিকারক।

    শব্দবাজিতে কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশুদের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক শব্দবাজি। এর ফলে, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই তাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। 
    বয়স্কদের জন্যও শব্দবাজি বাড়তি বিপদ তৈরি করে। কারণ, শ্রবণশক্তি হ্রাস সহ একাধিক সমস্যা তৈরি করে শব্দবাজি। 
    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে বাড়তি বিপদ শব্দবাজি (Firecrackers)। কারণ, শব্দবাজির জেরে হৃদরোগ, রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। তাই যাদের এই ধরনের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করে শব্দবাজি। 
    মানুষের পাশপাশি পোষ্যদের জন্যও শব্দবাজি সমস্যা তৈরি করে। পোষ্যদের অস্থির করে তোলে শব্দবাজির দাপট।

    কীভাবে মোকাবিলা সম্ভব? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই সময় কানে ইয়ার প্যাড পরে থাকা জরুরি। বিশেষত বয়স্ক ও শিশুদের কানে ইয়ার প্যাড অবশ্যই পরানো দরকার। পাশপাশি হৃদরোগের গুরুতর সমস্যা থাকলেও ইয়ার প্যাড পরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, এতে শব্দের (Firecrackers) তীব্রতা কিছুটা কম অনুভব হবে। 
    তবে, বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, একাংশের উদযাপনের জন্য অধিকাংশের ‘কানে তুলো’ গুঁজে থাকতে হয়, তা প্রশাসনের লজ্জা নয় কি?! এত বছরেও কেন শব্দবাজি নিয়ে সচেতনতা তৈরি হল না? কেন পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র শব্দবাজি প্রত্যেক বছর দাপট দেখায়, সে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে!

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: কাজের চাপ আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই কি বাড়াচ্ছে তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগ?

    Heart Attack: কাজের চাপ আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই কি বাড়াচ্ছে তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারত জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগ! হার্ট অ্যাটাকের পাশপাশি একাধিক হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হচ্ছেন তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের ধরনের জন্যই হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন ভারতীয়দের তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট? 

    ভারতে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হৃদরোগ (Heart Attack)। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নালে উল্লেখ করা হয়েছে, মোট ভারতীয়র ৫০ শতাংশ ৫৫ বছরের আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ৩০ বছরের উর্ধ্বে প্রায় ৪৭ শতাংশ ভারতীয় হৃদরোগে আক্রান্ত। মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি।

    তরুণ প্রজন্মের কেন বাড়ছে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের ধরনের জন্য হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি বাড়ছে তরুণ প্রজন্মের ভারতীয়দের। বিশেষত খাদ্যাভ্যাস এবং কাজের চাপ এই ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো রোগ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের কাজের ডেড লাইনের চাপ বড্ড বেশি থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে কর্মক্ষেত্রে নানা সমস্যা তৈরি হয়। আর অধিকাংশের এই নির্দিষ্ট সময় আসলে খুবই সীমিত হয়। এছাড়াও আধুনিক কর্মজীবনে অনিশ্চয়তা আর প্রতিযোগিতা বেশি। ফলে, অধিকাংশই মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। যা অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের অন্যতম কারণ। দীর্ঘদিন এই চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। 
    মানসিক চাপের পাশপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের অন্যতম কারণ বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ বিরিয়ানি, পিৎজার মতো অতিরিক্ত মশলাদার খাবারে অভ্যস্থ। অতিরিক্ত প্রোটিন আর ফ্যাট জাতীয় মশলাদার খাবার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। পাশপাশি ডায়াবেটিস ডেকে আনে। আর এগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

    কীভাবে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি কমানো যাবে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চল্লিশ কিংবা পঞ্চাশের চৌকাঠ পেরিয়ে নয়। হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি কমাতে কুড়ির শুরুতেই সতর্ক হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে হারে হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে, তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ঘরে ঘরে হৃদরোগ আক্রান্তদের দেখা যাবে। ফলে, হৃদরোগ কমবেশি সকলের পারিবারিক সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। আর যার জেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়বে। ফলে, কম বয়স থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। যাতে ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের সমস্যা না হয়। খাওয়ার দিকে তাই বিশেষ নজর দিতে হবে। খাবারে নুন, মশলা ও তেলের পরিমাণ কমাতে হবে। তেলে ভাজা একেবারেই বন্ধ করতে হবে। পাশপাশি, মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বিশেষত প্রিজারভেটিভ খাবার যেমন বার্গার, হটডগ, পিৎজা যেগুলোতে অতিরিক্ত নুন ও মশলা দিয়ে প্রাণীজ প্রোটিনের স্বাদ ধরে রাখা হয়, সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে। 
    পাশপাশি ভারতীয়দের মধ্যে যোগাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। তরুণ প্রজন্মের ভারতীয়দের নিয়মিত যোগভ্যাসে অভ্যস্থ হতে হবে। এতে শরীর ও মন, দুই ভালো থাকবে। নিয়মিত হাঁটা, যোগাসন করার অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে হচ্ছে যথেচ্ছ রেফার! ঝুঁকি বাড়ছে রোগীর!

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে হচ্ছে যথেচ্ছ রেফার! ঝুঁকি বাড়ছে রোগীর!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে! কম বয়সী থেকে প্রৌঢ়, দেশ জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগ (Heart Attack)! বাদ নেই এ রাজ্য। তবে, এ রাজ্যে হৃদরোগের জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলছে সরকারি হাসপাতালের রেফার রোগ। হার্ট অ্যাটাকের পরের চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যায়, বিপদ তত কমে! কিন্তু অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হতে অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই মৃত্যু আটকানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

    কী অভিযোগ উঠছে (Heart Attack)? 

    রাজ্যের অধিকাংশ জেলাস্তরের হাসপাতাল, এমনকি জেলার মেডিক্যাল কলেজগুলোর বিরুদ্ধেও একাধিক সময়ে অকারণ রেফার করার অভিযোগ ওঠে। রেফারের জেরে রোগীর চিকিৎসার সুযোগ কমে। রোগীর সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যার ক্ষেত্রেও এই রেফার রোগের ব্যতিক্রম হয় না। অভিযোগ, কালনা থেকে কৃষ্ণনগর কিংবা জলপাইগুড়ি থেকে ঝাড়গ্রাম, একাধিক জেলার হাসপাতালে রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা, হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) রোগী গেলেও হাসপাতালের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। আর এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নিয়ে যেতে গিয়েই চিকিৎসার সময় পাওয়া যায় না। যেমন দিন কয়েক আগে কালনার বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়ার হার্ট অ্যাটাক হয়। তাঁকে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে কল্যাণী জেএনএম মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। তাঁকে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যেতেই প্রয়োজনীয় সময় কেটে যায়। ফলে, কার্যত বিনা চিকিৎসাতেই মারা যান ওই প্রৌঢ়া। এমনই অভিযোগ রোগীর পরিবারের। 
    একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল বসিরহাটের বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির। তাঁর হার্ট অ্যাটাকের পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে চিকিৎসা শুরু না করলে মৃত্যু আটকানো কঠিন।

    গোল্ডেন আওয়ার (Heart Attack) কী? 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) পরের ৯০ মিনিট হল গোল্ডেন আওয়ার। তবে, প্রথম এক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগীর চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানো যায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নানান জটিলতার কারণে এই গোল্ডেন আওয়ারের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা যায় না। ফলে, হৃদরোগে আক্রান্তদের ঝুঁকি বাড়ে।

    এই সমস্যা (Heart Attack) রুখতে কী পদক্ষেপ নেবে স্বাস্থ্য ভবন? 

    সরকারি হাসপাতালের রেফার সমস্যা নিয়ে একাধিকবার স্বাস্থ্য ভবনে অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি বদল হয়নি। যদিও স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, রোগীর পরিজন হাসপাতালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করলে সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়। যদিও ভুক্তভোগীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তৎপরতা থাকলে অনেকেই সুস্থ জীবনে ফিরে যেতে পারতেন। কিন্তু রেফার রোগের জেরে অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছেন (Heart Attack)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Heart Attack: তাপমাত্রা বাড়লে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হয় দ্বিগুণ! কীভাবে এড়াবেন বিপদ?

    Heart Attack: তাপমাত্রা বাড়লে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হয় দ্বিগুণ! কীভাবে এড়াবেন বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমে তাপমাত্রার পারদ বাড়লে শুধু অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হয় না। বিপদ বাড়ায় হৃদরোগের। হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকি দ্বিগুণ করে তোলে পরিবেশের এই পরিবর্তন! সম্প্রতি এমনটাই জানাচ্ছে আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি-র গবেষণা। পৃথিবী জুড়ে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। তাই নানা শারীরিক সমস্যাও বাড়ছে। তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হৃদ সমস্যা।

    কী বলছে আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি-র সমীক্ষা (Heart Attack)? 

    ভারত, বাংলাদেশ কিংবা এশিয়ার একাধিক দেশ তো বটেই। আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড সহ একাধিক পশ্চিমের দেশেও গত কয়েক বছরে মারাত্মক তাপমাত্রা বেড়েছে। তাই এ নিয়ে সমীক্ষা ও গবেষণা করেন আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি-র একদল চিকিৎসক। আর সেখানেই জানা গিয়েছে, তাপমাত্রার পারদ বাড়লে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি বাড়ে দ্বিগুণ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার পারদ বাড়লে শরীরে রক্ত সঞ্চালনে প্রভাব পড়ে। হৃদস্পন্দন বাড়তে থাকে। পাশপাশি অতিরিক্ত ঘাম হয়। যার জেরে দেহে জলের অভাব তৈরি হয়। আর এই সবকিছুর জেরে হৃদযন্ত্র ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে মহিলাদের এক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে তাপমাত্রার পারদ বাড়লে মহিলাদের হৃদরোগে আক্রান্তের প্রবণতা বাড়ছে! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলা বাইরের কাজের পাশপাশি বাড়ির কাজেও অধিক দায়িত্ব পালন করেন। ফলে পরিশ্রম বেশি হয়। অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা আরও বাড়ে। তাই মহিলাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ে।

    ঝুঁকি (Heart Attack) এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল? 

    বিশ্ব জুড়ে গরম বাড়বে। দ্রুত এর সমাধান পাওয়া মুশকিল। কিন্তু সুস্থ থাকতে কয়েকটি বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা বাড়লে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপ আর কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে, তাদের বাড়তি সতর্ক থাকা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত রক্তচাপ মাপা জরুরি। গরমে রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হবে। তবে, রক্তচাপের সমস্যা না থাকলেও সচেতন হতে হবে। এমনকি কম বয়সীদের মধ্যেও গরমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। তাই তাপমাত্রা বাড়লে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সতর্ক হতে হবে। অতিরিক্ত তেলমশলা ও চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন হজম হতে দেরি হয়। গরমে হজমের সমস্যা রক্তচাপ বাড়াতে পারে। যা হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকি তৈরি করে। তাই তাপমাত্রা বাড়লে সহজ পাচ্য খাবার বিশেষত সব্জি, হালকা মাছের ঝোল আর ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    অতিরিক্ত নুন খাওয়া বাদ দিতে হবে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাবারে নুন থাকে, তাতেই প্রয়োজনীয় আয়োডিন শরীর পায়। কিন্তু অনেকের অভ্যাস থাকে, যে কোনও খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত নুন খাওয়া। এই অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। 
    তাছাড়া, তাপমাত্রা বাড়লে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। রোদে দীর্ঘ সময় একটানা কাজ করলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
LinkedIn
Share