Tag: Heart attack

Heart attack

  • Heart Attack: হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Heart Attack: হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে নানা রোগ। আর সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে হৃদসমস্যা। ব্যস্ত জীবনে কম ঘুম, ফাস্টফুডের অভ্যাস, মানসিক চাপ ইত্যাদি বাড়াচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকি (Heart Attack)! তাই হৃদসমস্যায় আক্রান্তের তালিকায় ভারত ক্রমশ বিশ্বের প্রথম সারির দেশ হয়ে উঠছে।

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    ভারতে হৃদরোগের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। আক্রান্তের তালিকায় ভারত প্রথম সারিতেই আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ৩৫ মিলিয়নের বেশি ভারতীয় হৃদরোগের সমস্যায় ভোগেন। হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) আশঙ্কাও বাড়ছে। গোটা দেশের মধ্যে আবার কেরল আর পশ্চিমবঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ-এর পরিসংখ্যান বলছে, এ রাজ্যে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২০ জনের হৃদসমস্যা রয়েছে। বিশেষত শহুরে বাঙালির ২০ শতাংশ হৃদরোগের সমস্যায় ভোগেন।

    কাদের ঝুঁকি বেশি? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হৃদরোগের সমস্যা যে কোনও বয়সেই হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) হতে পারে যে কোনও সময়েই। তবে, কয়েক দশক আগেও পঞ্চাশোর্ধ্বদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি ধরা হত। কিন্তু গত দশ বছরে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ৩০ বছরের চৌকাঠ পেরলেই বাড়তি সতর্ক হতে হবে। বিশেষত, যাঁদের পরিবারে উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো রোগ আছে, তাঁরা বাড়তি সতর্ক হন। যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ জরুরি। তাছাড়া, পরিবারের কেউ বিশেষত বাবা-মা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে, ৩০ পেরিয়ে অবশ্যই চেক-আপ জরুরি।

    কোন পাঁচটি উপসর্গ জানান দেয় হৃদরোগের? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বড় বিপদ হওয়ার আগে শরীর ইঙ্গিত দেয়। তাই আগে থেকে উপসর্গ টের পেলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। বিশেষত হৃদরোগের সমস্যার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। যে পাঁচ ইঙ্গিতের কথা চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তার প্রথমেই হল বুকে ব্যথা বা চিনচিন করা (Heart Attack)। যদি, বুকের বাঁদিকে চিন চিনে ব্যথা অনুভব হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, কোনও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সময় নষ্ট না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। 
    দ্বিতীয়ত, মাথার ভিতরে কষ্ট ও বমি হওয়া। অনেক সময়েই হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) মতো সমস্যা দেখা দেওয়ার আগে বমি হয়। যদি হঠাৎ বমি হয় ও মাথার ভিতরে কোনও রকম কষ্ট অনুভব হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। 
    তৃতীয়ত, শুধু বুকে নয়, লাগাতার পেট ও পিঠে যন্ত্রণা অনুভব হলেও সতর্ক হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশেষত, মহিলাদের হৃদরোগ দেখা দিলে এই উপসর্গ বেশি দেখা যায়। পেটের যন্ত্রণা অথবা পিঠের দিকে একটা খিচ ভাব অনুভব হয়। সেটা হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ইঙ্গিত হতে পারে। 
    এসি রুম বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় বসে থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হৃদরোগের আরেক উপসর্গ হতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যেহেতু হৃদরোগের অন্যতম কারণ রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হওয়া, তাই অনেক সময়ই আক্রান্তের অতিরিক্ত ঘাম হতে থাকে। 
    দেখার সমস্যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আরেকটি লক্ষণ বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, দেখার ক্ষমতা কমে যাওয়া বা বারবার ভুল দেখা ইঙ্গিত দেয় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার।

    কীভাবে হৃদরোগ এড়িয়ে সুস্থ থাকবেন? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত চেক আপ জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ আছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার। যদি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে। রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে। 
    ডায়বেটিস থাকলেও বাড়তি সতর্কতা জরুরি। ডায়বেটিস যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সে দিকে সতর্ক থাকতে হবে। ডায়বেটিস হৃদরোগের ঝুঁকি (Heart Attack) বাড়ায়। খাবারের দিকে নজরদারি জরুরি। কী খাচ্ছি, কতখানি খাচ্ছি, সে বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার। অতিরিক্ত প্রোটিন, ফ্যাট জাতীয় খাবার, যাতে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তা একেবারেই এড়িয়ে যেতে হবে। অতিরিক্ত তেলমশলা থাকে, যেমন বিরিয়ানি, মোগলাই পরোটার মতো খাবার খুব কম পরিমাণে খেলেই ভালো। কারণ, এগুলো হজম হতে অনেক সময় লাগে। তাছাড়া এগুলোতে তেল ও মশলা অনেক বেশি থাকে। 
    নিয়মিত আপেল, কমলালেবু, শশা, কলার মতো ফল খেতে হবে। 
    সবুজ সবজি ও কম চর্বিযুক্ত মাছ নিয়মিত খাওয়া দরকার। 
    মানসিক চাপ কমাতে হবে। নিয়মিত গান শোনা, ছবি আঁকার মতো সৃজনশীল কাজে কিছুটা সময় দিতে হবে। তাহলে মানসিক চাপ কমবে। মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। 
    নিয়মিত কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে। হাঁটাচলা করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Omega-3 In Fish: ‘মাছ খান, হৃদরোগের ঝুঁকি কমান’! দাবি গবেষকদের

    Omega-3 In Fish: ‘মাছ খান, হৃদরোগের ঝুঁকি কমান’! দাবি গবেষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথাতেই আছে মাছে-ভাতে বাঙলি। বাঙালি হেঁশেলে মাছ-ভাত নিত্যদিনের খাবার। তবে বর্তমান প্রজন্ম কর্মব্যস্ততায় মাছের চেয়ে চিকেন বা ডিমেই স্বচ্ছন্দ। তবে জানেন মাছে রয়েছে প্রভুত পুষ্টিগুণ। প্রতিদিন মাছ খেলে ত্বক ভাল থাকে, চুল পড়া বন্ধ হয়, চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ে, কমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। প্রতিদিন মাছ খেলে পাঁচ বছর আয়ু বেড়ে যাবে দাবি গবেষকদের।

    গবেষণায় দাবি

    আমেরিকার ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ’-এর এক গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, মাছের মধ্যে যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়, তা মস্তিষ্ক-সহ শরীরের বিভিন্ন কোষের প্রাচীর গঠনে সাহায্য করে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও মাছের মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ফসফরাস-সহ নানা পুষ্টি পাওয়া যায়। এগুলো মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এগুলো সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতেও সাহায্য করে। 

    হার্ট ভাল রাখে

    হার্ট ভাল রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার উপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। মাছ স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। মাছের মধ্যে বেশ ভাল পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটি হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। হার্টের যে কোনও রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। অন্যদিকে, মস্তিষ্কের রক্ত জমাট বাঁধাকে প্রতিরোধ করে। মাছের তেল হার্টের জন্য খুব ভাল বলে মনে করা হয়। এটা রক্ত ​​জমাট বাঁধার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারে ৮ শতাংশ বা তার বেশি ওমেগা-৩ থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। এর সূচকের মাত্রা চারের নিচে হওয়া উচিত নয়।

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমে

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা সপ্তাহে এক দিন মাছ খান, তাঁদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় ১৫% কম। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। সপ্তাহে ৭০-৭৫ গ্রাম মাছ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি বাড়বে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং উন্নত হবে স্মৃতিশক্তি। কারণ, মাছের মধ্যে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মস্তিষ্কে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এতে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও কমে।

    আরও পড়ুন: কোলেস্টেরল কমায়, রক্ত চলাচল বাড়ায়! আর কী কী গুণ রয়েছে রসুনের?

    ক্যান্সারের প্রবণতা কমে

    যাঁরা নিয়মিত মাছ খান, তাঁদের ক্যান্সারের প্রবণতা কম। মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়, যা ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। এটি খেলে স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ হয়। আপনি যদি নন-ভেজ খেতে পছন্দ করেন, তাহলে আপনার খাদ্যতালিকায় মাছ ব্যবহার করা আপনার জন্য খুবই উপকারী হবে। 

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এখনই অন্যান্য আমিষ খাবার ত্যাগ করে মাছ খাওয়া শুরু করুন। মাছে চর্বি কম থাকে, যার কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ে না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cholesterol: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    Cholesterol: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) পর বছর পঁয়তাল্লিশের রোগীকে যখন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়, তখন তাঁকে বাঁচাতে স্টেন্টিং করা হয়েছিল। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওই রোগী অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তাঁর শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ছিল ২০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের থেকেও কম। কিন্তু আসল সত্যটা হল কোলেস্টেরলের মাত্রা সব সময় হার্টের বাস্তব অবস্থাকে তুলে ধরে না। কারণ রক্তে প্রবাহিত কোলেস্টেরল যে কোনও সময়ই জমাট বেঁধে যেতে পারে ধমনীতে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরলের মাত্রার হার কোনও ক্ষেত্রেই নিরাপদ, তা বলা যাবে না। সাধারণ মানুষ মূলত যে ভুলটি করে, তা হল কোলেস্টেরলের (cholesterol) মাত্রা দিয়ে হার্টের ভালো বা মন্দ বিচার করে। কিন্তু হার্টের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জানতে রোগীকে অন্যান্য লক্ষণগুলির ওপরও নজর রাখতে হবে। বিশেষ করে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL), ভাল কোলেস্টেরল (HDL) এর অনুপাতের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ভারতীয়দের শরীরে এইচডিএল যেহেতু কম, সেহেতু ৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার ক্ষতিকর কোলেস্টেরলও (LDL) এদেশের মানুষের জন্য নিরাপদ নয়। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই মাত্রা কখনওই ৪৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার  অতিক্রম করা উচিত নয়। এজন্য আমাদের শুধুমাত্র ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। 

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চাইলে আজ থেকে সঙ্গী করুন চকোলেট ও রেড ওয়াইন!

    আন্তর্জাতিক (International) মাপকাঠি অনুযায়ী, মানুষের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার থাকা উচিত। কিন্তু ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নীচে থাকা প্রয়োজন। এমন অনেক রোগীর আছেন যাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক, অথচ তাঁদেরও হৃদরোগে (Heart Disease) আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ ভারতীয়দের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা বেশি। এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে কাজের চাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস এবং জিনগত কারণও হার্টের সমস্যার জন্য দায়ী। যদি রোগী মনে করেন যে তাঁর শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রা স্বাভাবিক থাকায় তাঁর হৃদরোগের ঝুঁকি নেই, তাহলে ভুল ভাববেন। যাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ কিন্তু অত্যধিক ধূমপান (Smoking) ও মদ্যপান করেন, তাঁদের প্রতি ছ মাস পর পর হৃদযন্ত্র পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যাঁরা স্থুলকায়, তাঁদের দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত। কারণ তাঁদেরও হৃদরোগের আশঙ্কা প্রবল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cholesterol: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    Cholesterol: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) পর বছর পঁয়তাল্লিশের রোগীকে যখন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়, তখন তাঁকে বাঁচাতে স্টেন্টিং করা হয়েছিল। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওই রোগী অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তাঁর শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ছিল ২০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের থেকেও কম। কিন্তু আসল সত্যটা হল কোলেস্টেরলের মাত্রা সব সময় হার্টের বাস্তব অবস্থাকে তুলে ধরে না। কারণ রক্তে প্রবাহিত কোলেস্টেরল যে কোনও সময়ই জমাট বেঁধে যেতে পারে ধমনীতে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরলের মাত্রার হার কোনও ক্ষেত্রেই নিরাপদ, তা বলা যাবে না। সাধারণ মানুষ মূলত যে ভুলটি করে, তা হল কোলেস্টেরলের (cholesterol) মাত্রা দিয়ে হার্টের ভালো বা মন্দ বিচার করে। কিন্তু হার্টের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জানতে রোগীকে অন্যান্য লক্ষণগুলির ওপরও নজর রাখতে হবে। বিশেষ করে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL), ভাল কোলেস্টেরল (HDL) এর অনুপাতের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ভারতীয়দের শরীরে এইচডিএল যেহেতু কম, সেহেতু ৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার ক্ষতিকর কোলেস্টেরলও (LDL) এদেশের মানুষের জন্য নিরাপদ নয়। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই মাত্রা কখনওই ৪৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার  অতিক্রম করা উচিত নয়। এজন্য আমাদের শুধুমাত্র ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। 

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চাইলে আজ থেকে সঙ্গী করুন চকোলেট ও রেড ওয়াইন!

    আন্তর্জাতিক (International) মাপকাঠি অনুযায়ী, মানুষের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা ৭০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার থাকা উচিত। কিন্তু ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ৫০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নীচে থাকা প্রয়োজন। এমন অনেক রোগীর আছেন যাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক, অথচ তাঁদেরও হৃদরোগে (Heart Disease) আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ ভারতীয়দের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা বেশি। এছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে কাজের চাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস এবং জিনগত কারণও হার্টের সমস্যার জন্য দায়ী। যদি রোগী মনে করেন যে তাঁর শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রা স্বাভাবিক থাকায় তাঁর হৃদরোগের ঝুঁকি নেই, তাহলে ভুল ভাববেন। যাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ কিন্তু অত্যধিক ধূমপান (Smoking) ও মদ্যপান করেন, তাঁদের প্রতি ছ মাস পর পর হৃদযন্ত্র পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যাঁরা স্থুলকায়, তাঁদের দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত। কারণ তাঁদেরও হৃদরোগের আশঙ্কা প্রবল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cholesterol: কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে চান? এই ৫ পানীয়তে লুকিয়ে সমাধান

    Cholesterol: কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে চান? এই ৫ পানীয়তে লুকিয়ে সমাধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোলেস্টেরলের (Cholesterol) মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্য প্রধান ভূমিকা পালন করে। হৃদরোগ (Heart Problem), ডায়াবেটিস (Diabetes) এবং পারকিন্সনের (Parkinson’s) মতো রোগ থেকে দূরে থাকতে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর খাদ্য রাখা প্রয়োজন। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখতে সুষম খাদ্য (Healthy Diet) গ্রহণ করা থেকে শুরু করে যোগব্যায়াম (Physical Exercise) করার পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় (Health Drinks) গ্রহণ করা উচিত।

    আরও পড়ুন: বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সুস্থ থাকতে খান এই উচ্চ প্রোটিন যুক্ত খাবারগুলো

    টম্যাটো জুস (Tomato Juice)— টম্যাটো জুসে থাকা লাইকোপেন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। টম্যাটোতে থাকা নিয়াসিন ও ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। টম্যাটোর রস (Tomato Juice) সপ্তাহে দু থেকে তিনবার খাওয়া যেতে পারে।

    গ্রিন টি (Green Tea)— শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে গ্রিন টি। যাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তাঁদের দৈনিক গ্রিন টি খাওয়া প্রয়োজন। শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না গ্রিন টি। ফলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। এতে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) সম্ভাবনাও অনেকটাই কমে যায়।

    আরও পড়ুন: সামনে পুজো ! ওজন কমাত চান? খাবার থালায় রাখুন এই সাত সবজি

     

    কোকো পানীয় (Cocoa Drinks)— কোকোতে ফ্ল্যাভোনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কোলেস্টেরল কমাতে পারে। এই পানীয় মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

    সয়া দুধ (Soya Milk)— গরুর দুধের পরিবর্তে সয়া দুধ খাওয়া উচিত। উচ্চ প্রোটিন এবং আইসোফ্লাভোনে সমৃদ্ধ সয়া দুধে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম থাকে। হার্টের রোগীদের জন্য এই দুধ ভালো বিকল্প হতে পারে।

    যবের দুধ (Barley Milk)—  প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ এই দুধে গরুর দুধের তুলনায় দ্বিগুণ মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে যবের দুধে। এই মিল্কে উপস্থিত উচ্চমাত্রার বিটা গ্লুকন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এই দুধে ফ্যাট না থাকায় হৃদরোগীরা অনায়াসেই তা খেতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sonali Phogat: সোনালির মৃত্যুতে রহস্য! কেন সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপি নেত্রীর পরিবারের জানেন?

    Sonali Phogat: সোনালির মৃত্যুতে রহস্য! কেন সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপি নেত্রীর পরিবারের জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার বিজেপি (BJP) নেত্রী সোনালি ফোগাটের (Sonali Phogat) মৃত্যুতে দানা বাঁধছে রহস্য। মৃতের পরিবারের দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত (Heart Attack) হয়ে মৃত্যু হতে পারে না সোনালির। সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিও জানিয়েছে তারা। সোনালির বোন রামণ বলেন, আমার দিদির হার্ট অ্যাটাক হতে পারে না। তিনি খুবই ফিট ছিলেন। আমরা সিবিআই তদন্ত চাই। দিদি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, এটা আমাদের পরিবার মানতে রাজি নয়। তাঁর কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল না।

    কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে সোনালি গিয়েছিলেন গোয়ায়, বেড়াতে। সোমবার রাতে সেখানে আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। অনুভব করেন শারীরিক কষ্টও। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাঁকে। জানা গিয়েছে, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও-ও পোস্ট করেছিলেন সোনালি। সেদিনই বদলেছিলেন প্রোফাইল পিকচারও। প্রাথমিকভাবে সোনালির মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক বলে মনে করা হলেও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    সোনালির আর এক বোন রূপেশ বলেন, মৃত্যুর আগের সন্ধেয় আমি ফোনে দিদির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছিলেন, হোয়াটস অ্যাপে কথা বলতে চান। রহস্য চলছে…পরে ফোন কেটে দেন। তারপর আর ফোন তোলেননি। এদিকে, সোনালির মৃত্যুর ময়না তদন্তের সময় যাতে চিকিৎসকদের প্যানেল বসানো হয়, সে ব্যাপারে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগকে চিঠি দিল গোয়া পুলিশ। যদিও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট জিভা দলভি (Jivba Dalvi) বলেন, আঞ্জুনা পুলিশ গোয়া মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগকে ময়না তদন্তের সময়ে চিকিৎসকদের প্যানেল বসানোর জন্য চিঠি দিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে অভিনয় জগতে পা রাখেন সোনালি। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে আদমপুর কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন সোনালি। যদিও কংগ্রেস প্রার্থী কুলদীপ বিষ্ণোইয়ের কাছে হেরে যান। পরে অবশ্য কুলদীপ যোগ দেন বিজেপিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sonali Phogat: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    Sonali Phogat: প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রয়াত প্রাক্তন বিগবস প্রতিযোগী এবং বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat Death)। টিকটক স্টার হিসেবেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। ২০১৯ সালে  হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন সোনালি। সেই সময় তাঁর টিকটিক ভিডিও আলোচনায় এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, গ্রেফতার তেলঙ্গানার বিধায়ক       
     
    সোমবার রাতে গোয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন সোনালি। সেখানেই মারা যান। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে গোয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি  ভিডিও পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। সেদিনই বদলেছিলেন প্রোফাইল পিকচার। প্রাথমিকভাবে সোনালির মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) বলে মনে করা হলেও পুলিশ এর তদন্ত শুরু শুরু করেছে। 

    বিগ বস ১৪ তে অংশ নিয়েছিলেন সোনালি। সেই  শো চলাকালীন তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনেক তথ্য সামনে এসেছিল। বেশ বিতর্কও হয়েছিল। স্বামীর মৃত্যুর পর জড়িয়েছেন একাধিক সম্পর্কে। বিগবসেও এক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। তা নিয়ে জোর চর্চাও হয়। 

    আরও পড়ুন: দুই রাজ্যে পরিকাঠামোয় জোর, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন মোদি

    সোনালি ফোগাট ১৯৭৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর হরিয়ানার ফতেহাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে দূরদর্শনে অ্যাঙ্করিংয়ের মাধ্যমে সোনালি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৮ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। তিনি লাইমলাইটে আসেন যখন তাঁর স্বামী সঞ্জয় মারা যান।  

    ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আদমপুর থেকে সোনালিকে টিকিট দেয় বিজেপি। নির্বাচনে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০২০ সালে সোনালী ফোগাটের একটি ভিডিও খুব ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে সোনালীকে এক অফিসারকে চপ্পল দিয়ে মারধর করতে দেখা যায়। সেই বছরই বিগ বস-১৪-এ সুযোগ পান তিনি। 

    সোনালি শুধুমাত্র টিকটিক স্টারই ছিলেন না। একাধিক মিউজিক অ্যালবামে কাজ করেছেন তিনি।     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Heart Attack: অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট কী হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়াচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Heart Attack: অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট কী হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়াচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ১০ অগাস্ট জিমে ওয়ার্ক আউট করার সময় হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হন কমেডিয়ান রাজু শ্রীবাস্তব (Raju Srivastava)। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর তিনি ট্রেডমিলে দৌড়নোর সময় অসহ্য ব্যথা অনুভব করেন। তারপরেই পড়ে যান। এরপরেই তাঁকে এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে ৫৮ বছর বয়সী কমেডিয়ানের অবস্থা এখন খানিকটা স্থিতিশীল।  

    শুধু এটাই নয়। কলকাতার ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীও ওয়ার্ক আউট (Workout)করার সময় হঠাতই পড়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর হৃদরোগ সংক্রান্ত কোনও সমস্যার ইতিহাস ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    একের পর এক এইরকম অনভিপ্রেত ঘটনায় বেশ চিন্তিত স্বাস্থ্য মহল। তাহলে কী গোড়াতেই গলদ? আমরা বুঝতেই পারছি না আমাদের শরীরের চাহিদা কী?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, টেকনোলজির অত্যাধিক ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবন ভয়ঙ্করভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। সবার শরীর ভিন্ন। এক একজনের শরীরের এক একরকমের ব্যায়ামের প্রয়োজন। 

    আজকাল আমরা ফিট থাকার জন্যে স্মার্ট ওয়াচ এবং স্মার্ট ফোনের ওপর খুব নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। আমরা যদি আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া মাপ ১০ কিলোমিটার হাঁটতে না পারি, তাহলে শরীরের ওপর চাপ দিতে শুরু করি। এমনকি সেটা আমাদের শরীর না চাইলেও। আমাদের সবার শরীরের গঠন আলাদা। তাই আমাদের ক্ষেত্রে ব্যায়ামও আলাদাই হবে। 

    আরও পড়ুন: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    চিকিৎসকদের মতে, এখন ১৮-২০ বছর বয়সীরাও হৃদরোগের শিকার হচ্ছেন। কার্ডিওলজি সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদেশে ৩৫-৫০ বয়সীদের মধ্যে প্রতি মিনিটে ৪ জনের মৃত্যু হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে তাঁদের মধ্যে ২৫% – এর বয়সই ৩৫ বছরের নীচে। 

    আগে মনে করা হত এই রোগ শুধু বয়স্কদেরই হয়। যারা একদমই ওয়ার্ক আউট করেন না, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। কিন্তু যারা অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট করেন, তাঁদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা প্রবল। স্টেরয়েডের ব্যবহারও অত্যন্ত ক্ষতিকারক। অ্যাসোসিয়েটেড এশিয়া রিসার্চ ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে যারা জিমে যান, তাঁদের মধ্যে ৩০ লক্ষ মানুষই স্টেরয়েড নেন। এদের মধ্যে ৭৩% – এর বয়স ১৬-৩৫ – এর মধ্যে। এরা পরিশ্রম করে নয়, কম সময়ে ইনজেকশন নিয়ে সুঠাম শরীর তৈরি করতে চান। 

     

     

     

  • Heart Attack Symptoms: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

    Heart Attack Symptoms: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যখন হৃদপিণ্ডের কোনও শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বিভিন্ন কারণ যেমন- উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলির ফলেই মূলত হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। তবে অনেক সময় কোনও রকম ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে বা কোনও লক্ষণ ছাড়াই হার্টের বিভিন্ন রোগ বা হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবুও যেসব লক্ষণ হার্টের পক্ষে ক্ষতিকারক বা যেসব কারণের জন্য হার্ট অ্যাটাক হতে পারে সেই লক্ষণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

    • অ্যাঞ্জিনা বা বুকে ব্যথা: বুকে ব্যথা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রধান লক্ষণ। বুকে ব্যথা হওয়ার সময় কোনওরকম অস্বস্তি, চাপ অনুভূত হলেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
    • বদহজম, বুকজ্বালা, পেট ব্যথা: অনেকেরই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সময় এই লক্ষণগুলো দেখা যায়। বিশেষ করে পুরুষদের থেকে মহিলাদের হার্ট অ্যাটাক হলে এই লক্ষণগুলি দেখা যায়।
    • ব্যায়াম না করলে: পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যায়াম না করলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
    • মানসিক চাপ: মানসিক চাপ থাকলেই তা হার্টের ওপরে প্রভাব ফেলে। এই চাপ দীর্ঘকালীন হলে পরে তা রক্তে কোলেস্টেরল, শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ও উচ্চ রক্তচাপও দেখা যায়। এইসব কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
    • ডায়াবেটিস: যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা, শর্করার মাত্রা বেশি থাকে, ফলে হার্টের শিরা ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হতে পারে। ফলে এর থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: হার্টের রোগের ঝুঁকি রয়েছে কাদের, বলে দেবে ব্লাড গ্রুপ!

    • অতিরিক্ত মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ খাওয়ার ফলেও হার্টের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।
    • ওবেসিটি: ওবেসিটিকে ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’ বলা হয়। ওবেসিটি রোগীদের দেহে বেশি পরিমাণে রক্তের প্রয়োজন হয় ফলে সেই রক্তের পরিমাণ নিয়ন্ত্রন করতে রক্তচাপ বেড়ে যায় আর রক্তচাপ বাড়লেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
    • কাশি: আপনার যদি দীর্ঘ দিন কাশির সমস্যা থাকে, তবে বুঝতে হবে আপনার হার্ট ঠিক মতো কাজ করছে না। ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তবে হ্যাঁ, কাশি সব সময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ নাও হতে পারে।

    তাই এইসব সমস্যা থাকলে বা এইসব লক্ষণ দেখা দিলে আগে থেকেই সতর্ক হয়ে যান ও ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

     

  • Reduce salt intake:নুন নৈব নৈব চ! ভাল থাকবে শরীর

    Reduce salt intake:নুন নৈব নৈব চ! ভাল থাকবে শরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মশলা ছাড়া রান্না হয় কিন্তু নুন ছাড়া নয়। নুন হল সেই উপাদান যেটি ছাড়া কোনও খাবারই সুস্বাদু হয়ে ওঠে না। লবণ ছাড়া খাবার অসম্পূর্ণ। তবে রান্নায় নুন কম হলে যেমন খাওয়া যায় না, তেমনই বেশি হলেও মুখে তোলা দায়। কম বা বেশি লবণ খাবারের স্বাদ একেবারেই নষ্ট করে দেয়। আবার পরিমাণমতো লবণ সেই খাবারকেই সুস্বাদু করে তোলে। নুনের মূল উপাদান সোডিয়াম ক্লোরাইডও আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের শরীরে ঠিক কতটা নুনের প্রয়োজন। অনেক সময়ই আমরা না বুঝে দৈনিক খাদ্যতালিকায় বেশি লবণ গ্রহণ করে ফেলি, যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)এর মতে, অত্যধিক নুন শরীরে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা তৈরি করে। হু-এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আমরা দৈনিক প্রয়োজনের চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণে নুন খাচ্ছি। যা আমাদের ক্রমশ মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা,  দৈনিক মাত্র পাঁচ গ্রাম নুন গ্রহণ করার কথা বলছে।
    হু-এর অভিমত, অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ, মূলত লবণের মাধ্যমে এবং অপর্যাপ্ত পটাশিয়াম গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক পাঁচ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা, করোনারি হার্ট অ্যাটাক, প্রভৃতির ঝুঁকি কম করে। WHO-এর মতে, বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন গড়ে ৯-১২ গ্রাম লবণ গ্রহণ করে। যদি বিশ্বব্যাপী লবণ গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়, তাহলে বছরে আনুমানিক ২৫ লক্ষ মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হতে পারে।

    কখন নুন খাবেন না 
    বিশ্বজুড়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারের ব্যবহার প্রতিদিনের সোডিয়াম গ্রহণের পরিমাণ দ্রুত বাড়াচ্ছে।

    হাই ব্লাড প্রেসার থাকলে: হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রোগীদের রক্তচাপ কমাতে চিকিৎসকেরা প্রথমেই নুন খাওয়া কমানোর পরামর্শ দেন। কারণ কি জানেন? নুন শরীরে প্রবেশ করা মাত্র শরীরে জলের পরিমাণ বাড়তে শুরু করে। ফলে শরীরের ভিতরে প্রেসার বেড়ে যায়। যা উচ্চ রক্তচাপে (high pressure)ভোগা রোগীদের পক্ষে একেবারেই ভালো নয়। তাই তো রক্তচাপ বাড়লেই নুনকে টাটা-বাইবাই করতেই।

    শরীরে জলের পরিমাণ বেড়ে গেলে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মাত্রাতিরিক্ত নুন খেলে কিছু বিশেষ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, ফলে শরীরের ভিতরে জল জমতে শুরু করে। এই ধরনের সমস্য়া হলেই তাই নুন খাওয়া ছাড়তে হবে। নচেৎ কিন্তু বিপদ!

    মুখের ভিতর শুকিয়ে যাওয়া: এমন কিছু খাবার আছে যেগুলি খেলে মুখের ভিতর খুব শুকিয়ে যায়, সেই সঙ্গে জল তেষ্টাও বেড়ে যায়। এমনটা কেন হয় জানা আছে? আসলে যেসব খাবারে নুনের পরিমাণ বেশি থাকে সেই সব খাবার খেলেই সাধারণত এমন ধরনের লক্ষণগুলি প্রকাশ পেতে শুরু করে। এই সময় অনেক পরিমাণে জল খান। দেখবেন সমস্য়া কমে যাবে।

    কিডনির সমস্যা: অতিরিক্ত নুন গ্রহণ করলে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। আসলে শরীরে নুনের পরিমাণ বেড়ে গেলে সেই অতিরিক্ত নুনকে শরীর থেকে বের করে দিতে কিডনি মাত্রাতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে বার বার প্রস্রাব পেতে থাকে। তাই সমস্যা দেখা যায়।

    কোন খাবারে নুন বেশি থাকে
    চিপস জাতীয় খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবারে নুনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এই ধরনের খাবার নিয়মিত গ্রহণ করা অনুচিত। 

    আমরা সকলেই জানি যে, লবণ আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের একটি অপরিহার্য অংশ। লবণ ছাড়া প্রায় প্রতিটি খাবারই অসম্পূর্ণ। লবণ যে শরীরকে শুধুমাত্র হাইড্রেট রাখে তা নয়, থাইরয়েড গ্রন্থি যাতে সঠিকভাবে কাজ করে তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয় ব্লাড প্রেসার কম থাকলে বা শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে, লবণ বিশেষভাবে সাহায্য করে। এমনকি লবণের মাধ্যমেই শরীরে আয়োডিনের চাহিদা পূরণ হয়। কিন্তু যদি লবণ অতিরিক্ত গ্রহণ করা হয়, তাহলে তা স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি সমস্যার মতো রোগ, বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে। অতএব নুন খান কিন্তু পরিমাণ মেপে।

LinkedIn
Share