Tag: heart problem

heart problem

  • Chia seeds: নিয়মিত এক চামচ চিয়া বীজ! কেমন করে খাবেন, কী কী উপকার মেলে?

    Chia seeds: নিয়মিত এক চামচ চিয়া বীজ! কেমন করে খাবেন, কী কী উপকার মেলে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়তি ওজনের ঝামেলা কিংবা কোলেস্টেরলের বাড়বাড়ন্তে দুশ্চিন্তা! সব মুশকিল সহজেই মেটাতে পারে এক চামচ চিয়া বীজ। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে নানান রোগের প্রকোপ বাড়ছে। কম বয়সিদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, মাত্রাতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিসের মতো নানান রোগ দেখা দিচ্ছে। যার ফলে খুব‌ কম বয়স থেকেই শারীরিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সুস্থ স্বাভাবিক জীবন‌ যাপন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। চল্লিশের চৌকাঠে যাওয়ার আগেই হার্ট অ্যাটাকের মতো ঘটনা বাড়ছে। পাশপাশি মহিলাদের হাড়ের সমস্যা মারাত্মক ভাবে বেড়েছে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতির জেরে তিরিশের আগেই মহিলারা হাঁটু ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন। তবে এই ধরনের নানান রোগের মোকাবিলা করতে পারে চিয়া (Chia seeds)! এখন দেখা যাক, নিয়মিত এক চামচ চিয়া বীজ কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিয়া বীজ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ সাহায্য করে। চিয়া বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। চিয়ার বীজ খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ একটি খাবার। তাই এই খাবার নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই এই উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। পাশপাশি চিয়া বীজে থাকে ওমেগা থ্রি। এই উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতাও স্বাভাবিক রাখে।

    হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী (Chia seeds)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিয়া বীজে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান খনিজ পদার্থ থাকে। এর ফলে নিয়মিত চিয়া বীজ খেলে হাড় মজবুত হয়। হাড়ের ক্ষয়রোগ কমে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে বিশেষত মহিলারা হাড়ের ক্ষয় রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই চিয়া‌ বীজ তাদের জন্য বিশেষ উপকারী।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে

    স্থূলতা ভারতের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্থূলতা একটা বড় সমস্যা। এই স্বাস্থ‌্য সমস্যা একাধিক রোগের জন্ম দিচ্ছে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি ক্যান্সারের কারণ হিসেবেও স্থূলতাকে দায়ী করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ জরুরি। আর এই কাজে সাহায্য করে চিয়া (Chia seeds)। ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ তৈরি করে না। বরং ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে।

    হজম শক্তি বাড়ায় চিয়া বীজ

    অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে এবং লিভার, পাকস্থলীকে সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে চিয়া বীজ। খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ এই খাবার হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই নিয়মিত চিয়া বীজ খেলে হজমের গোলমাল কমে যায়। লিভার এবং পাকস্থলীও সুস্থ থাকে‌।

    কীভাবে খাবেন চিয়া বীজ (Chia seeds)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত এক চামচ চিয়া বীজ খেলেই শরীরে একাধিক উপকার হয়। তাঁদের পরামর্শ, সারারাত এক চামচ চিয়া বীজ জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেই শরীরে উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া, যে কোনও খাবার, যেমন দুধ কিংবা ফলের রসের সঙ্গেও ভেজানো চিয়া বীজ খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই জলখাবারে দুধ কর্নফ্লেক্স খান। তাঁরা কাজু, কিসমিস জাতীয় নানান ড্রাই ফ্রুটস মিশিয়ে সেটা খান। সেই খাবারেও চিয়া‌ বীজ ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। তাছাড়া যে কোনও রকম স্যালাডের সঙ্গে চিয়া বীজ ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। শশা, গাজর, টমেটোর উপরেও এক চামচ চিয়া বীজ ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। আবার স্যান্ডুইচের ভিতরেও চিয়া‌ বীজ ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও ধরনের খাবারের সঙ্গে প্রতিদিন এক চামচ চিয়া বীজ খেলেই শরীরে উপকার পাওয়া যাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা কাটাতে, কিংবা কোনও দুর্ঘটনার পরে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে বাড়তি সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy)। এমনকী একাধিক হাড়ের রোগের মুশকিল আসান হল ফিজিওথেরাপি। ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি ডে উপলক্ষে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি। কারণ, একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের পরে ফিজিওথেরাপি আবশ্যিক। এই থেরাপি ঠিকমতো না হলে রোগীর পক্ষে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব হয় না। আবার এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যেগুলি ফিজিওথেরাপির মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    কোন কোন রোগের মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, হাড় এবং পেশির সমস্যায় আক্রান্তদের মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত মস্তিষ্কের পিছনে এবং ঘাড়ে অনেক সময়েই একনাগাড়ে তীব্র যন্ত্রণা হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময়েই এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। হাড়ের সমস্যায় আক্রান্তেরা, বিশেষত যাঁরা আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত, তাঁদের জন্য ফিজিওথেরাপি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, আর্থরাইটিসের মতো রোগে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়। কিন্তু যন্ত্রণাকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন জরুরি। আর সেই জন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    স্নায়ুর জটিল রোগ (Nerve Surgery), বিশেষত পারকিনসনের মতো রোগে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy) খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন অংশের স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে এই থেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বয়স বাড়লে অনেকেই অন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। আবার অন্ত্র এবং মূত্রাশয়ের একাধিক পেশি ও শিরা সংযুক্ত থাকে। তাই মূত্রাশয় ও নানান রোগে আক্রান্ত হন। তাই প্রবীণ মানুষদের এই ধরনের রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। ফুসফুস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ফিজিওথেরাপি। আবার হৃদরোগে আক্রান্তদের হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও ফিজিওথেরাপি সাহায্য করে।

    কীভাবে সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে, বিশেষত পেশিতে আঘাতের কারণে অনেক সময়েই কার্যক্ষমতা কমে যায়। আবার আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলেও রোগীর হাড়ের ক্ষমতা কমে। পেশি শক্তি কমে। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। পেশি ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই যে কোনও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী জটিলতা কাটাতে কিংবা আর্থরাইটিসের মতো রোগের মোকাবিলায় ফিজিওথেরাপি বিশেষ কার্যকর। হৃদরোগ কিংবা স্নায়ুর সমস্যা শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে। এর জেরে রোগী হাঁটাচলা করতে চান না।‌ যে কোনও কাজে অনীহা তৈথি হয়। ফিজিওথেরাপি পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় করে এই ক্লান্তি ভাব সহজেই দূর করে। তাই রোগীর সক্রিয় হয়ে ওঠার ইচ্ছাও তৈরি হয়। এর ফলে যে কোনও রোগ মোকাবিলা করে আবার স্বাভাবিক জীবন যাপন করার পথ সহজ হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্তসঞ্চালন ভালোভাবে হয়। এর জেরেই হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। হৃদরোগীদের জন্য বাড়তি উপকার হয়। 
    ফিজিওথেরাপি স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, স্নায়ুর কাজ একাধিকবার করার জেরে স্নায়ুর গতিশীলতা বাড়ে। তাই ফিজিওথেরাপি পারকিনসন আক্রান্তদের জন্য বিশেষ কার্যকর।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sound Pollution: বছরের শেষ থেকে শুরু, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে নাজেহাল আমজনতা

    Sound Pollution: বছরের শেষ থেকে শুরু, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে নাজেহাল আমজনতা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছরের শেষ দিন হোক, কিংবা নতুন বছরের শুরুর দিন, উৎসব উদযাপনে শব্দের দাপটে (Sound Pollution) নাজেহাল সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় অভিযোগ, সাধারণ মানুষ বারবার জানানোর পরেও স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে, ভোগান্তি বেড়েছে।

    কী সমস্যার অভিযোগ উঠছে? (Sound Pollution)

    ইংরেজি বর্ষবরণ উপলক্ষে কলকাতা থেকে জেলা, সর্বত্র উৎসবের আমেজ। আর উদযাপনের তীব্রতায় ভোগান্তি বাড়ছে সাধারণ মানুষের।‌ অভিযোগ, একাধিক এলাকায় রাত বারোটার পরেও তীব্র জোরে চলেছে ডিজে বক্স। তার সঙ্গে বর্ষবরণ উপলক্ষে লাগাতার বাজির আওয়াজ। শব্দ আর আলোর বাজির দাপটে জেরবার শহর থেকে শহরতলি।‌ শিশু ও বয়স্কদের সমস্যা বেড়েছে। সল্টলেক, দমদম, এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে খোদ কলকাতার শোভাবাজার থেকে টালিগঞ্জ, যাদবপুর সর্বত্র রাতভর শব্দের দাপটের অভিযোগ। বাদ যায়নি জেলাও। একাধিক জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাত বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আওয়াজের দাপট (Sound Pollution)। রাত বারোটার পরে লাগাতার শব্দবাজির দাপটে নাজেহাল। তার সঙ্গে জোরে মাইক বাজিয়ে অনুষ্ঠান চলেছে। ফলে, পরিস্থিতি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনও ফল‌ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় থানার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে বেশ কিছু জায়গায় সেটাও সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের একাংশের।

    শব্দের এই দাপট কতখানি ক্ষতিকর? (Sound Pollution)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শব্দের এই দাপট স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। শিশুদের শ্রবণশক্তির জন্য বিপদ তৈরি করতে পারে এই শব্দের দাপট। নাক-কান-গলার (ইএনটি) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শব্দবাজির হঠাৎ তীব্র আওয়াজ কানের পর্দায় ক্ষত তৈরি করে। শিশুদের এই ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পাশপাশি লাগাতার ডিজের মতো তীব্র আওয়াজ কানে শুনলে শ্রবণ ক্ষমতা কমতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশপাশি শিশুদের মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে এই শব্দের দাপট। রাতে লাগাতার এই তীব্র আওয়াজের শিশুদের মস্তিষ্কে একাধিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তার জেরেই তাদের মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। 
    শিশুদের পাশপাশি প্রৌঢ়দের জন্য এই শব্দের দাপট সমস্যা তৈরি করে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যাদের হৃদরোগ আছে, শব্দের তীব্রতা তাদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক। হঠাৎ তীব্র আওয়াজ হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়। আবার একটানা তীব্র আওয়াজ (Sound Pollution) রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এই দুটোই হৃদরোগের জন্য বিপজ্জনক। তাই এই পরিস্থিতি সব বয়সীদের জন্য ক্ষতিকর।

    কী বলছে রাজ্য প্রশাসন?

    কলকাতা থেকে জেলা, একাধিক জায়গায় বর্ষবরণ উপলক্ষে শব্দের দাপট প্রসঙ্গে নবান্ন অবশ্য অভিযোগ (Sound Pollution) মানতে নারাজ। নবান্নের এক শীর্ষ কর্তা জানান, প্রত্যেকটি রাস্তায় পুলিশ পাহারা দিয়েছে। কোথাও আইন ভাঙা হয়নি। এলাকায় এলাকায় পুলিশ টহল দিয়েছে। এরপরেও কোনও অভিযোগ থাকলে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্ষবরণের রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে তরুণ প্রজন্মেরও! উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ছে তরুণ প্রজন্মেরও! উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তিরিশের চৌকাঠ পার করেনি। বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতার এক রেস্তোরাঁয় চলছিল খানাপিনা। হঠাৎ বুকে ব্যথা (Heart Attack) অনুভব করেন বছর আঠাশের যুবক। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানান, হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে ওই তরুণ মারা গিয়েছেন। যদিও ওই তরুণের ডায়বেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা ছিল না।
    সদ্য মাস ছয়েক মা হয়েছিলেন বছর পঁচিশের তরুণী। গর্ভাবস্থায় একাধিক শারীরিক পরীক্ষায় কোনও ত্রুটি ধরা পরেনি। কিন্তু হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ওই তরুণী। 
    এই ঘটনাগুলি একেবারেই ব্যতিক্রম নয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগ বাড়ছে। তিরিশ বছর পেরনোর আগেই হৃদযন্ত্র হঠাৎ বিকল হওয়ার মতো ঘটনা বেড়েছে। বিশেষত করোনা পরবর্তীতে এই ধরনের ঘটনা‌ আরও বাড়ছে। আবার দেখা যাচ্ছে, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা অন্য কোনও শারীরিক জটিলতা বা কোমর্বিডিটি না থাকলেও হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।‌ তার জন্য উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। 
    সম্প্রতি কলকাতায় চলছে কার্ডিওলজিকাল সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার সম্মেলন। সেখানেই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার নতুন একাধিক কারণ দেখা দিচ্ছে। সতর্ক না হলে‌ আরও বিপদ বাড়বে।

    কোমর্বিডিটি না থাকলেও কেন হৃদরোগ বাড়ছে?(Heart Attack) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতার মতো‌ সমস্যা হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্ত সম্প্রতি একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দূষণ হৃদরোগের ঝুঁকি মারাত্মক বাড়াচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ছে, কারণ, দূষণ বাড়ছে। ধূমপান হৃদরোগের অন্যতম কারণ। কিন্তু যে হারে বায়ুদূষণ বাড়ছে, তাতে অনিচ্ছা সত্ত্বেও একজন মানুষ ধূমপায়ীর মতোই ভুক্তভোগী হচ্ছেন।‌ 
    ওই সম্মেলনে চিকিৎসকদের একাংশ জানিয়েছেন, সম্প্রতি কলকাতা ও‌ তার আশপাশের এলাকায় দীপাবলি উপলক্ষে যে‌ হারে আতস বাজি পোড়ানো হয়েছে, তাতে বায়ুদূষণ কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। আর এর প্রভাব সরাসরি ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ডে পড়ছে। যার জেরে বাড়ছে হৃদরোগ।

    কী পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল? (Heart Attack)

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দূষণ নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।‌ বায়ুদূষণে‌ লাগাম টানতে না পারলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি বাড়বে। প্রশাসনকেও সক্রিয় হতে হবে। না হলে যে হারে তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ছে, তাতে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    তবে, প্রত্যেকের দিনের কিছুটা সময় খোলা‌ মাঠে কিংবা পার্কে‌ কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন‌ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খোলা মাঠে হাঁটা কিংবা পার্কে ‌শারীরিক কসরত করলে, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়তি নজরদারি জরুরি বলেই মত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের।‌ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগ বাড়ার অন্যতম কারণ মানসিক চাপ। তাই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা অত্যন্ত জরুরি। 
    পাশপাশি খাবারের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে মনে করছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, স্থূলতা এবং উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই তেল-মশলা যুক্ত খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। পাশপাশি সহজপাচ্য খাবার রোজদিনের মেনুতে রাখতে হবে। কারণ, তাতেই শরীর সুস্থ থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share