Tag: Heat Stroke

Heat Stroke

  • Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে একাধিক রোগের ঝুঁকি। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সহজ বিষয় নজরে রাখলেই এই ব্যস্ত জীবনেও শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। আর তার মধ্যে অন্যতম হল জল খাওয়া। জল (Drinking Water) স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যা পর্যাপ্ত জল খেলে সহজেই এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে সুস্থ জীবনের পথ অনেকটাই সহজ হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক, কোন রোগ এড়িয়ে চলা সহজ করে পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস?

    হজম ক্ষমতা বাড়ায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। হজমের গোলমালের অন্যতম কারণ পাকস্থলী এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো না থাকা। জল ঠিকমতো খেলে অন্ত্র, পাকস্থলী সুস্থ থাকে। তাদের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে, হজম ক্ষমতাও বাড়ে, শরীর সুস্থ থাকে।

    স্থূলতা কমাতে জল জরুরি

    স্থূলতা এড়াতে এবং মেদ ঝরাতে জল খুবই উপকারী। কারণ, জল শরীরে পর্যাপ্ত থাকলে স্থূলতার ঝুঁকি কমে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ উপায়ে জল খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ভারী খাবার খাওয়ার আগে একটু বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। এতে খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছে কমবে। ফলে বাড়তি খাওয়া হবে না। এতে শরীরে মেদ কম জমবে। পাশপাশি সকালে খালি পেটে জলে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে সহজেই মেদ কমে। স্থূলতা কমাতে তাই জল (Drinking Water) অত্যন্ত উপকারী।

    লিভারের রোগের ঝুঁকি কমায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখার চাবিকাঠি জল। পরিশ্রুত জল না খেলে যেমন জন্ডিস, হেপাটাইটিস সহ একাধিক লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তেমনি পরিশ্রুত পর্যাপ্ত জল লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে হজমের অসুবিধা কমে। একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমে।

    হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় জল

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ভারত গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। তাই হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যায় এই দেশের অধিকাংশ মানুষ কমবেশি চিন্তিত। তবে পর্যাপ্ত জল খেলে এই বিপদ কাটবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশনের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই জল (Drinking Water) পর্যাপ্ত খেলে এই রোগের ঝুঁকি কমবে।

    ত্বক ভালো রাখে জল

    ত্বকের শুষ্কতা কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল এবং মসৃণ রাখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জল। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ত্বকের সমস্যার কারণ জল‌ কম খাওয়ার অভ্যাস। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খেলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়। ত্বকের রোগ কম হয়।

    পর্যাপ্ত জল বলতে কী বলা হয়? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত অন্তত ৪-৫ লিটার পরিশ্রুত জল (Drinking Water) খাওয়া জরুরি। একাধিক রোগ এড়াতে এই জল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতেই হবে। শিশুদের দিনে অন্তত ২-৩ লিটার জল খেতে হবে বলেই‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heat Stroke Deaths: বাড়ছে হিট স্ট্রোক থেকে মৃত্যু, নেপথ্যে জলবায়ু পরিবর্তন! বলছে গবেষণা

    Heat Stroke Deaths: বাড়ছে হিট স্ট্রোক থেকে মৃত্যু, নেপথ্যে জলবায়ু পরিবর্তন! বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সকলের। বিশেষ করে কলকাতা ও তার আশপাশের জেলাগুলিতেই গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির মাত্রা পার করেছে। আর এই তীব্র গরম সহ্য করতে না পেরে মৃত্যু হচ্ছে অনেকের। যদিও গরমের জেরে মৃত্যুর (Heat Stroke Deaths) ঘটনা নতুন নয়। ২০১৯ সালের এক জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখা গেছে হিট স্ট্রোক হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতি বছর বাড়তে বাড়তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ্য ২০ হাজারে। যা বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে ভয় ধরাচ্ছে ছোট থেকে বড় সকলের মনেই। 

    আবহাওয়ার পরিবর্তন (Heat Stroke Deaths)

    প্রতি বছর এই ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার প্রধান কারণ হল জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change)। আর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ হল বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming)। প্রতিনিয়ত যথেচ্ছ ভাবে গাছ কাটার ফল ভুগছে সারা বিশ্বের মানুষ। প্রকৃতি নিজের ভারসম্য হারাচ্ছে, আর তার ফলে প্রভাবিত হচ্ছে আবহাওয়া। আর আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে না পেরে মৃত্যু (Heat Stroke Deaths) হচ্ছে অনেকের। 

    ভারতের হিট স্ট্রোক হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা 

    গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান এই তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে দশ বছরের বেশি বয়সি লোকেরা। জানা গেছে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ভারতে হিট স্ট্রোক হয়ে মৃত্যুর (Heat Stroke Deaths) সংখ্যা ৩৩ হাজারে পৌঁছেছে। 

    আরও পড়ুন: “সংবিধান বদলের মতো পাপ করতে জন্মাইনি”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    চিকিৎসকদের পরামর্শ

    চিকিৎসকরা বলেছেন, এরকম তীব্র গরমের সময় সতর্ক না থাকলে শারীরিক নানা সমস্যার পাশাপাশি হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর (Heat Stroke Deaths) আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল খান। সম্ভব হলে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টে অব্দি টানা রোদে না বেরনোই চেষ্টা করুন। হালকা, তরল জাতীয় খাবার খান। বাইরে বের হলেও সাথে জল, ছাতা, সানগ্লাস রাখুন। পাতলা, হালকা রঙের  সুতির জামা পরে বের হন। রাস্তায় কেউ অসুস্থ হলে অবশ্যই তাকে সাহায্য করুন। অবস্থা খারাপ বুঝলে হসপিটালে ভর্তি করুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ প্রতিদিন বাড়ছে‌। রাজ্যের একাধিক জায়গায় তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করেছেন আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। এই তীব্র গরমে একাধিক শারীরিক সমস্যার মধ্যে দেখা দিয়েছে ত্বকের সমস্যাও। এই গরমে (Heatwave) ত্বকের শুষ্কতা আরও বেড়েছে। ত্বক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত এ দেশের আবহাওয়ায় ত্বকের শুষ্কতা শীতকালে বেশি দেখা যায়। গরমে অতিরিক্ত ঘামে ত্বকে র‍্যাশ জাতীয় সমস্যা কিংবা সান বার্নের মতো অসুবিধায় ভোগেন অধিকাংশ রোগী। কিন্তু এবছরে গরমে বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে ত্বকের শুষ্কতা। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরমে ত্বকের বাড়তি যত্ন জরুরি। পাশপাশি কয়েকটি জিনিস এড়িয়ে চললেই শুষ্কতা কমানো যাবে। তবেই এই গরমেও এড়ানো যাবে ত্বকের সমস্যা।

    কোন দিক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে, আরামের জন্য অধিকাংশই এসির মধ্যে থাকছেন। আর এই অতিরিক্ত এসিতে থাকাই বিপত্তি বাড়াচ্ছে। কারণ, অতিরিক্ত সময় এসিতে থাকলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শুষ্কতা বাড়ে। তাছাড়াও অনেকেই এই সময়ে ছুটির দিনে সুইমিং পুলে সময় কাটান। অতিরিক্ত সময় সুইমিং পুলে থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কারণ, সুইমিং পুলের জলে পিএইচ মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে। তাই ত্বকের শুষ্কতা বাড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে জলের ঘাটতিতে শুষ্কতার সমস্যা বাড়ছে। গরমে (Heatwave) অনেক সময়েই প্রয়োজন‌ মাফিক জল খাওয়া হয় না। যতখানি ঘাম হয়, শরীর থেকে জল বের হয়, ততটা জল খাওয়া হয় না। এর ফলেই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই এই তিনটি বিষয়ে নজর দিলে শুষ্কতার সমস্যা কিছুটা কমানো যাবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কি এই সমস্যার সমাধান রয়েছে? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া জিনিস এই গরমেও ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে, ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ‌ভাবে‌ সাহায্য করবে।

    তরমুজ, লেবু, ডাবের জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে (Heatwave) শরীর সুস্থ রাখতে কিছু ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার পাশপাশি তরমুজ, লেবুর মতো রসালো ফল নিয়মিত খেতে হবে। এগুলো শরীর ও ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না। এছাড়া, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। তাই লেবুর রস খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। এছাড়াও এই গরম মোকাবিলা করতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। ত্বক ভালো থাকে।

    সপ্তাহে অন্তত একবার মধু মাখলে কমবে সমস্যা (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সপ্তাহে অন্তত একবার মুখে মধু মাখলে উপকার পাওয়া যাবে। মধু ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। ত্বক‌ মসৃণ করে।

    নিয়মিত টক দই দেবে বাড়তি উপকার

    ত্ব‌ক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই লিভার ভালো রাখে। লিভার সুস্থ থাকলে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমে। তাই এই গরমে (Heatwave) ত্বক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া দরকার।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panta Bhat: এই গরমে হিট স্ট্রোক এড়ানোর চাবিকাঠি ‘পান্তা ভাত’

    Panta Bhat: এই গরমে হিট স্ট্রোক এড়ানোর চাবিকাঠি ‘পান্তা ভাত’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাস থেকেই নিজের তেজ দেখাতে শুরু করেছিল সূর্য দেব। আর বৈশাখ পড়তেই সূর্যের তেজে জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে বাংলা। ইতিমধ্যেই ৪৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলেছে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা। তাপপ্রবাহের (heat wave) সতর্কবার্তাও জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। আর এই গরমে শরীরকে সুস্থ রাখাই হল চ্যালেঞ্জের। প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়া নিয়েও সচেতন থাকতে হবে। আর এই নাজেহাল পরিস্থিতিতে পান্তা ভাতের (Panta Bhat) উপকারিতা ভীষণ। এই গরমে যদি নিয়ম করে পান্তা ভাত খান, হিট স্ট্রোকের (heat stroke) ঝুঁকি এড়াতে পারবেন। শরীরে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি একাধিক রোগের বিপদ কমায় এই ‘পান্তা ভাত’।

    আসুন আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা জেনেনি পান্তা ভাতের উপকারিতা

    পুষ্টিগুণের দিক থেকে পান্তাভাত একশোয় একশো

    রিহাইড্রেশন পান্তা ‘বডি রিহাইড্রেটিং ফুড’ হিসেবে পরিচিত। পান্তা ভাত শরীরকে ঠান্ডা করে। এই খাবারে যেহেতু তরলের পরিমাণ বেশি থাকে, তাই শরীরকে হাইড্রেটেডও রাখে।

    উপকারি ব্যাকটেরিয়া

    প্রোবায়োটিক্সে ভরপুর পান্তা ভাত। যা হজম শক্তি রক্ষায় সাহায্য করে। সেই সঙ্গে পান্তা সারাদিন কাজ করার জন্য শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

    অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি

    বিজ্ঞানীদের মতে পান্তাভাত পিএইচ ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে। গ্যাস-অম্বল, অ্যাসিডিটি, আলসারের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই খাবার।

    কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা

    ন্যাচারাল ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করে। ফলে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়তা করে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

    রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকরী। সাধারণ ভাতের তুলনায় এতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম। অন্যদিকে পটাশিয়ামের পরিমাণ যথেষ্ট বেশি। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এছাড়াও অনিদ্রার সমস্যা দূরেও বিশেষ সহায়ক এই পান্তা ভাত।

    আরও পড়ুনঃ নববর্ষের ঢালাও মিষ্টিমুখের জেরে ডায়াবেটিসের বিপদ বাড়িয়ে তুলছেন না তো!

    গবেষণা কী বলছে?

    পান্তাভাতের প্রশংসাতেই পঞ্চমুখ চিকিৎসকেরাও। গবেষণা বলছে যে আগের দিন রেঁধে রাখা ভাত জল দিয়ে রেখে দিলে নাকি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর। এছাড়াও পান্তা ভাত (Panta Bhat) খেলে শরীরের শক্তি বাড়ে। অসুখ-বিসুখ নাকি সহজে কাবু করতে পারে না। তাছাড়া খরচও কম আর খেতেও বেশ সুস্বাদু। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ফলের মতো পুষ্টিকর খাবার ফেলে পান্তা ভাত খেয়ে কারও গায়ের জোর হতে পারে এটা ভাবাই যায় না। তাই আর দেরি নয় এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে কাল থেকেই শুরু করুন পান্তা খাওয়া। রাত্রে খাওয়ার পর অতিরিক্ত ভাতে জল ঢেলে সারারাত রেখে দিন। অথবা সকালের তৈরি গরম ভাতে জল ঢেলে রাত্রে কাঁচা লঙ্কা, পেঁয়াজ, লেবু সহযোগে তৃপ্তি করে খান পান্তা ভাত।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি! কোন পাঁচ রোগের দাপট বাড়ছে? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    Heatwave: তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি! কোন পাঁচ রোগের দাপট বাড়ছে? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরম বাড়ছে! তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি। আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগামী কয়েক দিন এই অস্বস্তিকর গরম (Heatwave) থাকবে। রাজ্যের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আরও বাড়বে। কলকাতা, হাওড়া সহ একাধিক শহরে গরমে মানুষের নাজেহাল হওয়াও অব্যাহত থাকবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাড়বে একাধিক রোগের ঝুঁকি! তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। না হলে সমস্যা আরও বাড়বে‌। তাই স্বাস্থ্য নিয়ে আগাম সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলেই বিপদ কমবে। এই গরমেও শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন কোন রোগের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা? (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে বাড়ছে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। গরমে শরীরে জলের পরিমাণ কমবে। বিশেষত যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ আরও কমছে। এর ফলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশন হলে হাত-পায়ে খিঁচুনি হয়। মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছয় না। আর তার জেরে প্রাণনাশের আশঙ্কা তৈরি হয়। ডিহাইড্রেশনের পাশাপাশি এই গরমে বাড়ে পেটের সমস্যা। যা যথেষ্ট বিপজ্জনক। বিশেষ করে পেটের সমস্যা শিশুদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে, এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার পায়খানা হলে একদিকে যেমন শরীরে দুর্বলতা বাড়ে, ক্লান্তি আরও বাড়ে।

    তেমন আরেক দিকে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই গরমে পেটের গোলমাল যাতে না হয়, সেদিকে বাড়তি গুরুত্ব নেওয়া দরকার। গরমে হজমের গোলমাল এবং বমি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। শরীরে অস্বস্তি বাড়ে। তাই এই গরমে (Heatwave) অনেক সময়েই ঠিকমতো খাবার হজম হয় না। তার জেরেই বমি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে ত্বকে এক ধরনের চুলকানি আর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    তাঁরা জানাচ্ছেন, এই গরমে অনেক সময়ে কোনও ভাইরাস ঘটিত সমস্যা না থাকলেও, শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে‌। আবার ঘামের জেরে দেহের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানির সমস্যা হতে পারে। গরমের জেরে গায়ে লাল চাকা দাগও দেখা দিতে পারে‌।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন এইসব সমস্যার? (Heatwave)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি দিলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে‌। বড় বিপদের ঝুঁকিও কমানো যাবে। তাই তাঁদের পরামর্শ, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন অতিরিক্ত জল খাওয়া। সাধারণত পাঁচ-ছয় লিটার জল নিয়মিত খাওয়া উচিত। কিন্তু এই গরমে আরও অতিরিক্ত দেড় থেকে দু’লিটার জল খাওয়া দরকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে জলের পরিমাণ কমছে, সেই ঘাটতি পূরণ করতেই এই জল খাওয়ার দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। 
    পাশপাশি খাবারের মেনুতেও নজর দেওয়া দরকার। কারণ, এই গরমে (Heatwave) অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। বমি এবং পেটের গোলমালের ঝুঁকিও বাড়ে‌। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। পাশপাশি সবুজ সব্জি খাওয়া দরকার। পটল, পেঁপে, কাঁচকলা, লাউয়ের মতো সব্জি সহজপাচ্য।‌ তাই এই ধরনের সব্জি নিয়মিত খেলে পেট ভালো থাকবে। 
    গরমে ত্বকের সমস্যা কমাতে বারবার ঠান্ডা জলে শরীর পরিষ্কার করা জরুরি। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্তত দিনে দু’বার স্নান জরুরি। তাহলে গরম থেকে ত্বকে যে সংক্রমণ হয়, তা হওয়ার ঝুঁকি কমবে। তাই নিয়মিত সাবান দিয়ে দু’বার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশপাশি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব দরকার না হলে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: গরমে বাড়ছে ক্লান্তি? অতিরিক্ত ঘামে শরীর দুর্বল? কীভাবে এনার্জি ফিরে‌ পাবেন? 

    Heatwave: গরমে বাড়ছে ক্লান্তি? অতিরিক্ত ঘামে শরীর দুর্বল? কীভাবে এনার্জি ফিরে‌ পাবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ প্রত্যেক দিন বাড়ছে। এই আবহাওয়ায় একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত ঘামের জেরে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। বাড়ছে ক্লান্তি। আর তার জন্য কোনও কাজ ঠিকমতো করা হচ্ছে না। গরমের (Heatwave) জেরে নাজেহাল ছোট থেকে বড় সকলেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর দিলেই এই ক্লান্তি দূর করা সম্ভব। প্রয়োজনীয় কাজও ঠিকমতো করা যাবে‌। অতিরিক্ত ঘামের ক্লান্তি কীভাবে কাটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমের ক্লান্তি বাড়ায় ঘাম। ঘাম হলেই শরীরের প্রয়োজনীয় জল বেরিয়ে যায়। আর এর জেরেই ক্লান্তি বাড়ে। তাই শরীরে জলের চাহিদা পূরণ করতে পারলে এই ক্লান্তি সহজেই কাটানো সম্ভব। তাই এই গরমে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে জলের বোতল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। পাশপাশি নুন আর চিনি মেশানো জলের সরবত নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সরবত শরীরের ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে। ফলে গরমের (Heatwave) অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমবে।

    রুটিন মাফিক ঘুম দরকার (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে যেন ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে। সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত ঘুম না হলেই শরীর ক্লান্ত হবে। আরও বেশি সমস্যা দেখা দেবে। কাজে মনোসংযোগ নষ্ট হবে। তাই রুটিন মাফিক ঘুমোনো দরকার। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের অভ্যাস থাকলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। শরীর কম ক্লান্ত হবে।

    অতিরিক্ত মশলা‌ জাতীয় খাবার বাদ

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই গরমে (Heatwave)একেবারেই অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ, এই অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার সহজপাচ‌্য নয়। তাই এর জেরে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিপাক ক্রিয়া ঠিকমতো না হলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আরও বেশি অস্বস্তি বাড়ে। তাই ক্লান্তি দূর করতে হালকা খাবার খাওয়া জরুরি।

    মরশুমি ফল ও ডাব হোক নিত্যসঙ্গী

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমকে (Heatwave) কাবু করতে ডাবের জল এবং ফল হোক নিত্যসঙ্গী। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জল শরীরে এনার্জি জোগায়। ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। ফলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। পাশপাশি ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। পাশপাশি লেবু, তরমুজ, মাস্কমেলনের মতো ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন সি এবং শর্করার চাহিদা পূরণ হয়। যা ঘামের ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ সাহায্য করে।

    নিয়মিত হালকা শারীরিক কসরত জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খুব ভারী শারীরিক কসরত এই সময়ে এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ, গরমে ঘাম হচ্ছে। অনেকেই ক্লান্ত থাকছেন। তার উপরে অতিরিক্ত শারীরিক কসরত শরীরকে আরও ক্লান্ত করে দিতে পারে। তবে‌ একেবারেই শারীরিক কসরত ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এতে শরীরের পাশপাশি মানসিক চাপও বাড়ে। মানসিক চাপ দূর করতে না পারলে ক্লান্তি ভাব বাড়বে। তাই হালকা শারীরিক কসরত নিয়মিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Heatwave)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chicken: সানস্ট্রোকে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    Chicken: সানস্ট্রোকে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির (Chicken)৷ আর এই কারণে আগুন দাম হতে পারে মুরগির মাংসের, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কেজিপ্রতি ২৪০ টাকার আশপাশে দাম চলছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে এরকম চলতে থাকলে তা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সেটাই এখন চরম দুশ্চিন্তার বিষয়। বোলপুরের বেশ কয়েকটি ফার্মে কয়েকদিন ধরেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে মুরগি৷ স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের৷

    কোনও ব্যবস্থাই কাজে আসছে না

    কয়েকদিন ধরেই বীরভূমের তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে৷ কখনও কখনও ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহে নাজেহাল সাধারণ জনজীবন৷ অতিষ্ঠ পশু-পাখিরাও৷ শ্রীনিকেতন আবহাওয়া দফতরের তরফে দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বইছে লু৷ এই তাপপ্রবাহের কা্রণেই মৃত্যু হচ্ছে পোলট্রি মুরগির (Chicken)। বোলপুরের সিয়ান এলাকায় প্রচুর পোলট্রি মুরগির ফার্ম রয়েছে। এমনিতেই গরমে মাংসের বিক্রি কমে গিয়েছে। কমেছে ডিমের চাহিদাও। গরম থেকে মুরগিদের বাঁচাতে ফার্মের জলছাদ করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ফ্যান। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন শয়ে শয়ে মুরগি মারা যাচ্ছে৷ দাবদাহ এতটাই বেশি যে কোনও কিছুতেই কাজ হচ্ছে না৷ 

    কী বলছেন ফার্ম মালিকরা?

    এক পোলট্রি ফার্ম মালিক মনির শেখ বলেন, “রোজ এসে দেখছি ৫০ থেকে ৬০ টি করে মুরগি মরে পড়ে আছে৷ এত গরম পড়েছে, সানস্ট্রোক হয়ে মারা যাচ্ছে মুরগি (Chicken)৷ ছাদে জল দিচ্ছি। ফ্যান লাগিয়ে দিচ্ছি। তাতেও কাজ হচ্ছে না৷ শুধু আমার ফার্মে নয়, আশপাশের ফার্মেও একই অবস্থা।”

    মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    উল্লেখ্য, পোলট্রির মুরগি এমনিতেই দুর্বল প্রাণী৷ অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না৷ এবছর তাপমাত্রার পারদ চড়তেই থাকছে৷ এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে তীব্র গরমে প্রতিটি ফার্মে রোজ শয়ে শয়ে মৃত মুরগি (Chicken) মিলছে৷ যাতে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের৷ প্রসঙ্গত, এই তীব্র দাবদাহ থেকে বল্লভপুর অভয়ারণ্যের হরিণদের রক্ষা করতে জলের সঙ্গে ওআরএস দেওয়া হচ্ছে৷ শরীর ঠান্ডা রাখতে ভূট্টো পাতা, সবুজ পাতা খাওয়ানো হচ্ছে। নিয়মিত নজর রাখছেন চিকিৎসকেরা কিন্তু মুরগি নিয়ে চিন্তায় ব্যবসায়ীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহজুড়ে চলা তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) অতিষ্ঠ বালুরঘাটের জনজীবন। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। এক সপ্তাহের মধ্যে তাপমাত্রা কমারও কোনও সম্ভাবনা নেই, এমনটাই জানানো হয়েছে আবহাওয়া অফিসের তরফে। তীব্র গরমের অসহনীয় কষ্ট এখন জেলার মানুষের নিত্যসঙ্গী। পঞ্জিকার হিসেবে চলছে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ। এরপর বৈশাখ মাস অর্থাৎ বাংলা পঞ্জিকার ১৪৩০ বর্ষবরণ হবে আর কয়েকদিন পরে। অর্থাৎ গ্রীষ্মকে বিদায় জানাতে এখনও প্রায় ২ মাস বাকি।

    দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি

    গ্রীষ্মের গরম ঠিকই রয়েছে, কিন্তু বৈশাখের ঝড় বা বৃষ্টির দেখা নেই। দিনে মাথার উপর তপ্ত সূর্য আর রাতে ঘরের মধ্যে গরম বাতাসের ভ্যাপসা অনুভূতি। স্বস্তি নেই জেলার কোথাও। প্রত্যাশা শুধু একটু বৃষ্টির। গত এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় যেখানে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ২৮-২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাত আর দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য মাত্র ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি।

    বিপর্যস্ত সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা 

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যবাসীকে এই পরিস্থিতি সহ্য করতে হতে পারে আরও কিছুদিন। বৃষ্টির দেখা মেলার সম্ভাবনাও কম। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, গত বছরে একই সময়ে গড় যে তাপমাত্রা ছিল, এ বছর তা গড়ে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি। এদিকে, শুধু রাজ্য নয়, সারা দেশে দাবদাহের (District Weather Update) চিত্র একইরকম। কাঠফাটা রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা। দাবদাহ থেকে পরিত্রাণ পেতে বৃষ্টির জন্য ভগবানকে কাতর ও করুণভাবে ডাকছেন অনেকে।

    ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে পশুপাখিদের প্রাণও 

    গত কয়েকদিনের তাপপ্রবাহে (District Weather Update) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষের পাশাপাশি পশু পাখিদের প্রাণও হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট, মহকুমা গঙ্গারামপুর, তপন, কুমারগঞ্জ, হিলি, হরিরামপুর, কুশমন্ডি ও বুনিয়াদপুরে প্রচণ্ড রোদ ও ভ্যাপসা গরমে একরকম স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের কর্মজীবন। চলতি বছর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থায় গরম জনিত নানা রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের তরল খাবার এবং ঠান্ডা জায়গায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রখর রোদ ও তাপদাহ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করছেন সকলেই।

    বিপাকে পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ 

    তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) বিপাকে পড়েছে জেলার পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ। জরুরি কাজ না থাকলে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউই। অনেকেই রাস্তার পাশের শরবত ও আখের রস নামিদামি কোম্পানির ঠান্ডা পানীয় অথবা বরফ খেয়ে মেটাচ্ছেন তৃষ্ণা। তবে আপাতত জেলার সকলেই এই গরম থেকে রেহাই পেতে বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো যে অপেক্ষা করছেন, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share