Tag: Heat Wave

Heat Wave

  • Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election) চলাকালীন তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। যে সময় দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ,তখনই রয়েছে নির্বাচন। তাই ভোটকর্মী, ভোটার ও ভোটের প্রচারের সময় প্রার্থী বা কোনও রাজনৈতিক কর্মী যাতে অসুস্থ না হয়ে পড়ে তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকার কথা বলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এজন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    কোনও ভোটারের বাড়ি থেকে তাঁর ভোটকেন্দ্র ২ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে হবে না। পাশাপাশি ভোট (Lok Sabha Election) কেন্দ্রে রাখতে হবে প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্র যেকোনও ভবনের নীচের তলায় করতে হবে। সেখানে পোলিং এজেন্টদের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতিটি বুথে প্রবেশ ও বাহির দ্বার আলাদা রাখতে হবে ৷ যাতে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে হাওয়া চলাচল স্বাভাবিক থাকে ৷ ভোটারদের মাথার উপর ছাউনির ব্যবস্থা করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে টেবিল, চেয়ার এবং বেঞ্চ রাখতে হবে। প্রতিবন্ধী, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, প্রবীণদের বসার ব্যবস্থাও করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে একজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে। কারও যদি সান স্ট্রোক হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত চড়া রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা, চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

    আরও পড়ুন: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    সেক্টর অফিসারদের নির্দেশ

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, মার্চ-জুন দেশের প্রায় অধিকাংশ রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হবে৷ আর এই সময় দেশজুড়ে চলবে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)৷ আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা ভোট। সাত দফায় নির্বাচন চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ৪ জুন ফলঘোষণা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “কমিশন সিইও বা ডিইওদের নির্দেশ দিয়েছে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধাগুলি যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে ৷ পাকাপাকিভাবে সেগুলি ব্যবস্থা ভোট কেন্দ্রে রাখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে ৷ এমনকী ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটদান করতে পারে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখতে হবে ৷ প্রত্যেক সেক্টর অফিসারদের নিজ নিজ আওতাধীন সবক’টি ভোট কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণে যেতে হবে ৷ আর কোনও পরিষেবার অভাব থাকলে, তার ব্যবস্থা করতে হবে ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    Heat Wave: অসহ্য গরমে বাড়ছে সান স্ট্রোকের আশঙ্কা! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের দাপট অব্যাহত! তাপমাত্রার পারদ চড়ছে (Heat Wave)। আর তার জেরেই বাড়ছে অস্বস্তি! সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ছে। দিন কয়েক আগে হলদিয়ায় চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজের এক চিকিৎসক পড়ুয়া সান স্ট্রোকে মারা যান। বহু মানুষ প্রতিদিন বাইরে সান স্ট্রোকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বাড়তি সতর্কতা জরুরি। না হলে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। 

    কীভাবে বুঝবেন সান স্ট্রোকের (Heat Wave) ঝুঁকি বাড়ছে? 

    তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই যে সব দিন তাপমাত্রার পারদ ৪০-এর চৌকাঠ পার করবে (Heat Wave), সেদিন বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। হঠাৎ জ্ঞান হারানো সান স্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গরমে অনেকের রক্তচাপ ওঠা-নামা করে। তাদের সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। তাই রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বাইরে বেরনোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত ঘামের জেরে ডিহাইড্রেশন হয়। তাই সান স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। মানসিক অস্থিরতা, কথা জড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ হঠাৎ দেখা দিলে, তা সান স্ট্রোকের ইঙ্গিত বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বার বার বমি হওয়া কিংবা শরীরের উত্তাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়াও সান স্ট্রোকের উপসর্গ।

    গরমে কীভাবে মোকাবিলা করবেন সান স্ট্রোক? 

    গরমে সান স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকদের পরামর্শ, বেশি পরিমাণ জল ও ফলের রস খাওয়া দরকার। বাজারের প্যাকেটজাত পানীয় নয়। তরমুজ, ডাবের সরবত নিয়ম করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া জলের সঙ্গে নুন-চিনি মিশিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতির ওআরএস-ও ভালো।
    রক্তচাপ ওঠা-নামা করলে বেলা ১১ থেকে ৩ টের মধ্যে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তাদের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা বা বন্ধ গাড়িতে না থাকাই ভালো। কারণ, বন্ধ গাড়িতে গরম বেশি হয়। শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেক সময় তৈরি হয়। আবার, গাড়ির ভিতরে অসুস্থ হয়ে পড়লে, তা টের পাওয়া যায় না। মদ্যপান গরমে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।  তাঁদের মতে, অতিরিক্ত ব্যায়াম না করাই ভালো। কারণ, তাতে ঘাম বেশি হয় (Heat Wave)। আর বেশি ঘাম হলেই সান স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। 
    তবে, সবচেয়ে জরুরি, বাইরে কোনও রকম শারীরিক অসুবিধা মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। আর কেউ হঠাৎ জ্ঞান হারালে সরাসরি জল না দিয়ে ভিজে কাপড় দিয়ে চোখ-মুখ পরিষ্কার করা। আশপাশ ফাঁকা রাখা, যাতে অক্সিজেনের অভাব না হয়। এসবই খেয়াল রাখা দরকার বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গরমে দেদার আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয়! বাড়ছে ভাইরাস ঘটিত জ্বর, কাশি

    Heat Wave: গরমে দেদার আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয়! বাড়ছে ভাইরাস ঘটিত জ্বর, কাশি

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমে (Heat Wave) নাজেহাল আট থেকে আশি! তাপমাত্রার পারদ চড়ছে! তা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই খাচ্ছেন আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয়! দিনের বেশির ভাগ সময় থাকছেন এসি ঘরে! আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ। বিশেষত, ভোগান্তি বাড়ছে শিশুদের।

    কোন ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা (Heat Wave)?

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দিনে একাধিক আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার জেরে সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ছে। এই গরমে অনেকেই কাশির সমস্যায় ভুগছে। বিশেষত শিশুদের কাশি হলে, তা দীর্ঘদিন ধরে ভোগাচ্ছে। তাছাড়া গরম (Heat Wave) থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই এসি ঘরে থাকছেন। তার ফলে, ভাইরাস ঘটিত জ্বর হচ্ছে। সর্দি হলে তা ভোগাচ্ছে বেশি। ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তা আরও জটিল হয়ে উঠছে। কয়েক মাস আগে রাজ্যে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপটে লাখ লাখ শিশু নাজেহাল হয়ে গিয়েছিল। এই আবহাওয়া তাদের জন্য বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, যে সব শিশু অ্যাডিনোতে আক্রান্ত হয়েছিল, তারা অতিরিক্ত সময় এসিতে থাকলে, একাধিক আইসক্রিম খেলে, ফের ফুসফুসের সংক্রমণের শিকার হওয়ার বাড়তি ঝুঁকি থাকছে। 

    কীভাবে সুস্থ রাখবেন বাচ্চাদের (Heat Wave)? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই গরমে (Heat Wave) যেমন শরীর ঠান্ডা রাখার দিকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে, তেমনি নজর দিতে হবে সাময়িক স্বস্তি পাওয়ার জন্য যেন ভাইরাস ঘটিত সমস্যায় জর্জরিত হতে না হয়। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, একাধিক আইসক্রিম একেবারেই খাওয়া চলবে না। কারণ, তাতে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাইরে মারাত্মক গরমে অতিরিক্ত ঠান্ডা খাবার, এই বৈপরীত্য শরীর মানিয়ে নিতে পারে না। তাই সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বিশেষত, শিশুদের জন্য তাই বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। 
    তাছাড়া ঠান্ডা পানীয় সম্পূর্ণ এড়িয় চললেই ভালো, জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডা পানীয় যে সব উপাদানে তৈরি, তাতে শুধু সর্দি-কাশির সমস্যা নয়, স্থূলতার সমস্যাও দেখা যায়। সর্দি-কাশির সাময়িক সমস্যার পাশাপাশি স্থূলতার মতো দীর্ঘকালীন সমস্যা তৈরি করে ঠান্ডা পানীয়। তাই শিশুদের সুস্থ রাখতে ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল।
    এসি ঘরে থাকার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। শিশুরা থাকলে, সেই ঘরের তাপমাত্রা কখনই ২৫-২৬ ডিগ্রির বেশি কমানো যাবে না বলে তাঁরা জানাচ্ছেন। তাছাড়া, অবশ্যই চাদর ব্যবহার করতে হবে। বিশেষত রাতে ঘুমনোর সময় এসি চললে, যাতে বাচ্চা চাদর ঢেকে ঘুমোয়, সে দিকে নজর দিতে হবে। তাছাড়া, একটানা এসি ঘরে না থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    গরমে (Heat Wave) সুস্থ থাকতে পরিমাণমতো জল ও ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয়ের পরিবর্তে শিশুদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ানো দরকার। তাতে একদিকে গরমে ডিহাইড্রেশন, সান বার্নের মতো রোগের ঝুঁকি কমবে, তেমনি তাদের আরাম হবে। পাশপাশি নিয়মিত তরমুজ, আমের মতো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। আর সর্দি-কাশি হলে একেবারেই অবহেলা করা যাবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেতে হবে। যাতে সংক্রমণ ফুসফুসের জটিলতা তৈরি করতে না পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: রাজ্য জুড়ে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বর্ষা ঢুকছে কবে?

    Heat Wave: রাজ্য জুড়ে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বর্ষা ঢুকছে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্বস্তির গরমে (Heat Wave) নাজেহাল বঙ্গবাসী। চাতক পাখির মতোই বৃষ্টির অপেক্ষা করছে সারা রাজ্য। বর্ষা আসার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস। তবে এখনই রেহাই মিলবে না গরম থেকে, তাও জানিয়ে রেখেছেন আলিপুর আবহাওয়া অফিসের কর্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, রবিবার পর্যন্ত রাজ্যে জারি থাকছে তাপপ্রবাহ। তবে গরম শুষ্ক হবে না। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাতাসে বেশি হওয়ায় আর্দ্রতাজনিত গরম বাড়বে। এক কথায় ঘাম বেশি হবে। প্রসঙ্গত, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই বর্ষা ঢোকে কেরলে। তারপর দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু জলীয় বাষ্প নিয়ে বাংলায় প্রবেশ করে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে কেরলে।

    কেরলে কবে ঢুকবে বর্ষা?

    আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরল হয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডে বর্ষা ঢুকবে। প্রসঙ্গত, আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’-এর কারণে বর্ষা ঢুকতে দেরি হয় কেরলে। কারণ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর জলীয় বাষ্প টেনে নিচ্ছিল এই ঘূর্ণাবর্ত। বর্ষার অনুকূল পরিবেশ তাই তৈরি হচ্ছিল না। তবে ইতিমধ্যেই প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের কিছু রাজ্যে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয় ও অসমে। কেরলে বর্ষা ঢোকার পরে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু উত্তর পূর্ব দিকে ধাবিত হয়, তা ধাক্কা খায় হিমালয়ে। এই কারণে রাজ্যে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয় উত্তরবঙ্গ থেকে। তবে বর্ষা আসতে বেশ খানিকটা দেরি রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন হাওয়া অফিসের অধিকর্তা। 

    বঙ্গে আপাতত চলবে তাপপ্রবাহ (Heat Wave)

    দক্ষিণবঙ্গে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া এবং হুগলিতে রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠবে এই জেলাগুলিতে। রবিবারেও দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে তাপপ্রবাহ থাকবে। উত্তরবঙ্গের মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা থাকবে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার মামলায় আজ ইডি দফতরে রুজিরার হাজিরা! যাচ্ছেন কি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গরমে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা, সান বার্ন থেকে বাঁচবেন কীভাবে?

    Heat Wave: গরমে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা, সান বার্ন থেকে বাঁচবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ চড়ছে (Heat Wave)! গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। আর তার জেরেই বাড়ছে সান বার্নের মতো একাধিক সমস্যা। বিশেষত শিশুদের ত্বকের নানা সমস্যা অনেক সময়ই চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে।

    গরমে (Heat Wave) কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এই গরমে (Heat Wave) সান বার্নের সমস্যা সব চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। শরীরের অনাবৃত অংশে সূর্যের তাপে লাল দাগ হয়ে যাচ্ছে। গোল আকারের লাল দাগের সঙ্গে চুলকানি ও জ্বালা অনুভব করছেন অনেকেই। Rash থেকেই তৈরি হচ্ছে ত্বকের নানান সমস্যা। তবে অতিরিক্ত ঘামের জেরে শিশুদের নানান ত্বকের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। চুলকানি, জ্বালা, Rash এর মতো একধিক ত্বকের সমস্যা হচ্ছে।

    গরমে (Heat Wave) কীভাবে সুস্থ রাখবেন ত্বক? 

    গরমে যেমন শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি যত্ন নিতে হয়, সেইভাবে ত্বকের জন্যও আলাদা যত্নের প্রয়োজন। এমনই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই সান স্ক্রিন মাখতে হবে। রোদ থেকে ত্বককে সুরক্ষিত করতে সান স্ক্রিন সাহায্য করবে। গরমে বাইরে থেকে ফেরার পরে অবশ্যই স্নান করা আবশ্যক। কারণ, বাইরে ঘামের জেরে নানান ব্যাকটেরিয়া ত্বকে বাসা বাঁধে। স্নান করলে সেই ব্যাকটেরিয়া শরীর থেকে দূর হয়। ত্বক ঠান্ডা থাকে। সান বার্নের মতো সমস্যা দূর হয়। পাশপাশি Rash এর ঝুঁকি ও কমে। তবে, শুধু বাইরে থেকে ফিরে নয়। বরং, বাড়িতে থেকেও যদি অতিরিক্ত ঘাম (Heat Wave) হয়, তাহলে একাধিকবার স্নান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্য বারবার স্নান করানো সম্ভব না হলে, অতিরিক্ত ঘাম হলে পোশাক পরিবর্তন করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যাতে কোনও ভাবেই ঘাম থেকে ব্যাকটেরিয়া ত্বকে বাসা বাঁধতে না পারে, সে দিকে নজর রাখতে হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    খাবারে কীভাবে নজর দেবেন?

    স্নানের পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখতে আরও কয়েকটি জিনিসে বিশেষ নজর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। যেমন, শশা ও টক দই-এই দুই ঘরোয়া খাবারের উপর তাঁরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিয়মিত শশা ও টক দই খেলে যেমন লিভার সুস্থ থাকবে, তেমনি ভালো থাকবে ত্বক। শশায় জলীয় উপাদান রয়েছে। ফলে, দেহে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে শশা খুব উপকরী। আর শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় থাকলে ত্বক ভালো থাকে। এই গরমে (Heat Wave) রোদের জন্য অতিরিক্ত সান ট্যান পড়ে গেলে টমেটোর ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, টমেটো পেস্ট করে মাখলে ত্বকের সান ট্যান খুব সহজেই উঠে যায়। তবে, ত্বক পরিষ্কার রাখাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ত্বক পরিষ্কার থাকলে Rashহওয়ার ঝুঁকি কমবে। তাই নিয়মিত মুখ ও ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। গরমে একাধিকবার তা করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dehydration: গরমে বাড়ছে ডিহাইড্রেশন! কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে? কীভাবে রুখবেন এই সমস্যা? 

    Dehydration: গরমে বাড়ছে ডিহাইড্রেশন! কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে? কীভাবে রুখবেন এই সমস্যা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ চড়ছে! বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানাচ্ছে না আবহাওয়া দফতর! কিন্তু অফিস কিংবা অন্যান্য কাজে বাইরে যেতেই হচ্ছে। বাড়িতে থাকলেও এই গরম থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। ঘামে ভিজে যাচ্ছে শরীর। আর তাতেই তৈরি হচ্ছে ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) ঝুঁকি! যা মারাত্মক বিপদ ঘটাতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    ডিহাইড্রেশন (Dehydration) কী? 

    অতিরিক্ত ঘাম কিংবা পর্যাপ্ত জলের অভাবে শরীর থেকে প্রয়োজনের বেশি তরল পদার্থ বেরিয়ে যাওয়াকেই বলা হয় ডিহাইড্রেশন (Dehydration)।

    ডিহাইড্রেশন (Dehydration) কী ঝুঁকি তৈরি করে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বেরিয়ে গেলে প্রাণ সংশয়ও হতে পারে। ডিহাইড্রেশন (Dehydration) হলে কিডনির কার্যক্ষমতা হারিয়ে যায়। ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো সমস্যা হতে পারে। মস্তিষ্কে অক্সিজেন যায় না। ফলে মস্তিষ্কের শক্তি কমে। কিডনিতে হতে পারে স্টোন। এমনকী মস্তিষ্ক বিকল পর্যন্ত হতে পারে।

    কীভাবে বুঝবেন ডিহাইড্রেশন (Dehydration) হতে পারে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলেই ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ঘামের সঙ্গে সঙ্গে বমি, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বুঝতে হবে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। তাছাড়া, গলা ও মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কাশি এবং ক্লান্তি বোধ ডিহাইড্রেশনের উপসর্গ।

    কীভাবে রুখবেন ডিহাইড্রেশন (Dehydration)? 

    এই গরমে ডিহাইড্রেশন (Dehydration) রুখতে বাড়তি সজাগ থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজন না থাকলে বেলা বারোটা থেকে চারটে পর্যন্ত রাস্তায় না থাকাই ভালো। সরাসরি সূর্যের তাপ এই সময় ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে, বাইরে থাকলে অবশ্যই সঙ্গে জলের বোতল রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিমাণ মতো জল খেতে হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শুধু বাইরে নয়, যাঁরা বাড়িতে থাকছেন, এই গরমে তাঁরাও কতটা পরিমাণ জল খাচ্ছেন, সেদিকে নজর দিতে হবে। প্রয়োজনে নুন-চিনি দেওয়া সরবত বারবার খাওয়া দরকার। তাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি অনেক কমে। ওআরএস খেলে আরও ভালো। তবে, ওআরএস কেনার আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত পরিমাপে ওআরএস তৈরি হয়েছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ প্যাকেটজাত পানীয় ওআরএস বলে বিক্রি করা হয়, যা ডিহাইড্রেশন রুখতে কোনও কাজ দেয় না। 
    এছাড়াও, প্রয়োজন নিয়মিত ডাব, তরমুজ, পেঁপের মতো ফল খাওয়া। ডাবের জলের একাধিক উপাদান ডিহাইড্রেশন রুখতে সাহায্য করে। তাছাড়া তরমুজও শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীর ঠান্ডা রাখে। তাই নিয়ম করে এই ফল খেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা! তাপপ্রবাহ চলবে ১০ জুন পর্যন্ত, কবে আসবে বর্ষা?

    Weather Report: নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা! তাপপ্রবাহ চলবে ১০ জুন পর্যন্ত, কবে আসবে বর্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়েই চলছে তাপপ্রবাহ। হাওয়া অফিস (Weather Report) জানিয়েছে, এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে ১০ জুন অবধি। আগামী চার দিনে তাপপ্রবাহের কারণে রাজ্যের ১৪ টি জেলায় ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলা। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই বর্ষা ঢোকার কথা কেরলে। কিন্তু ৬দিন পেরিয়ে গেলেও বর্ষা আসেনি দক্ষিণের উপকূলে। মৌসম ভবন বলছে, বর্ষার অনুকূল অবস্থা তৈরির জন্য এখনও এক-দুদিন লেগে যেতে পারে।

    বাংলাতেও দেরিতে বর্ষা? 

    বাংলায় বর্ষা ঢোকে ৭ জুন। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার যাত্রা শুরু হয় ১০ জুন থেকে, কলকাতায় ১২ জুন। এসবই হাওয়া অফিসের হিসাব। কিন্তু কেরলে দেরি হলে বাংলাতেও বর্ষা ঢুকতে দেরি হবে, এটাই স্বাভাবিক। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে কেরলে বর্ষা পৌঁছায় ৮ জুন। সেবার কলকাতায় বর্ষা ঢোকে ১৬ জুন, গোটা বাংলাতে বর্ষা ঢুকতে সময় লেগেছিল ২২ জুন। অর্থাৎ কেরলে বর্ষা পিছলে স্বাভাবিক নিয়মে বাংলাতেও তা পিছিয়ে যাবে। কারণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিমালয়ে ধাক্কা খেয়ে ফিরে যখন পশ্চিমবঙ্গে আসে, তখনই বাংলায় বর্ষা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-পরীক্ষায় বাইরের সংস্থাকে দিয়ে মূল্যায়ন? বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    রাজস্থানকে টেক্কা দিল কলকাতা

    অস্বস্তিকর আবহাওয়া এখনই যাচ্ছে না। তা ১০ জুন পর্যন্ত চলবে এবং প্রতিদিনই এক থেকে দুই ডিগ্রি করে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, গরমের নিরিখে রাজস্থানের মরু শহরকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে কলকাতা।

    কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও (Weather Report) মিলেছে

    মঙ্গলবার সকালে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ৭ জুন বুধবার সকালের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোনও কোনও জায়গায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে চলবে তাপপ্রবাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা পেরিয়ে যাচ্ছে ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ। গরমে অস্বস্তি প্রত্যেক দিন বাড়ছে! শুধুই অস্বস্তি নয়, আট থেকে আশি প্রবল গরমে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন! প্রত্যেক বছর তাপমাত্রার পারদ যেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, তেমনই কমছে কলকাতার সবুজায়ন! বিশ্ব পরিবেশ দিবসে (World Environment Day) এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা!

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)! আর সেই উপলক্ষে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, দিল্লি, মুম্বই, হায়দরাবাদের তুলনায় অনেকটাই সবুজ কম কলকাতায়। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতায় ২০১১ সালে সবুজে ঢাকা অংশ ছিল ২.৫ বর্গ কিলোমিটার। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১.৮ বর্গ কিলোমিটার। দিল্লি কিংবা মুম্বইয়ের মতো শহরের থেকে যা কয়েক গুণ কম। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লিতে ২০১১ সালে ১৭৪.৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে বর্গ কিলোমিটার। একই ভাবে সবুজায়ন বেড়েছে মুম্বইয়েও। ২০১১ সালে মুম্বাইয়ে ১০১.৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা সবুজে ঢাকা ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ১১০.৮ বর্গ কিলোমিটার। হায়দরাবাদে ২০১১ সালে ৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বড় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৮১.৮ বর্গ কিলোমিটার। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, যেখানে দিল্লিতে ১১ শতাংশ, মুম্বইয়ে ৯ শতাংশ এবং হায়দরাবাদে ১৪৭ শতাংশ সবুজায়ন বেড়েছে, সেখানে কলকাতায় গত এক দশকে ৩০ শতাংশ গাছ কমেছে।

    কী বলছেন পরিবেশবিদরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই পরিসংখ্যান দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে হারে কলকাতায় গাছ কমেছে, তাতে কলকাতার আবহাওয়া আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা। পাশপাশি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির মতো সমস্যাও বাড়বে। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছর ধরেই কলকাতার তাপমাত্রা যেমন বাড়ছে, তেমনি কলকাতার বৃষ্টির ধরন বদলে যাচ্ছে। অসময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু কালবৈশাখীর দেখা মিলছে না। তাছাড়া ঝড়-বৃষ্টি হলেই বাজ পড়ছে। বজ্রপাত বেড়েছে। আর এই সব কিছুর জন্য গাছ কাটাই (World Environment Day) সবচেয়ে বড় কারণ বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। 
    মুম্বই, দিল্লি বা হায়দরাবাদের মতো বড় শহরে গত এক দশক ধরেই পরিকল্পনা করে গাছ লাগানো হয়েছে। বছর দশেক আগেও মুম্বই কিংবা দিল্লিতে মে-জুন মাসের আবহাওয়া অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল। তখন থেকেই সতর্ক হয়েছিল সরকার। একাধিক রাস্তার ধারে গাছ লাগানো শুরু হয়। এর ফল দশ বছর পরে পাওয়া যাচ্ছে। গাছ লাগানো ও তার নিয়মিত যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে গত এক দশকে দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো শহরে প্রশাসন যথেষ্ট নজর দিয়েছে। 
    এবছর কলকাতার তাপমাত্রার পারদ দিল্লি কিংবা মুম্বইকে এপ্রিলেই ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতার গল্ফ গ্রিন থেকে যাদবপুর, গিরিশ পার্ক থেকে লেকটাউন, যেসব এলাকায় তুলনায় বেশি বড় গাছ ছিল, গত এক দশকে সেগুলো দেদার কাটা হয়েছে। রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর কোনও পরিকল্পনা গত এক দশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করেনি। কলকাতা পুরসভার তরফেও বড় গাছ লাগানো ও তার যত্ন নিয়ে বিশেষ কোনও সক্রিয়তা দেখা যায়নি। বরং গাছ কাটার ছবি যত্রতত্র দেখা গিয়েছে। ফলে, এক দশকে বদলে গিয়েছে কলকাতার আবহাওয়া!

    কী বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই গরম কলকাতাবাসীর জন্য আরও বিপজ্জনক হতে চলেছে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, গরম তো শুধুই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে না, গরমের জেরে নানান শারীরিক অসুবিধার আশঙ্কাও দেখা যায়। যেমন ডিহাইড্রেশন, ত্বকের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া। এছাড়াও গরমের জেরে নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ হতে পারে। বিশেষত উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে, এই গরমে তাদের শারীরিক অসুস্থতার বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই সব মহলেরই সচেতনতা (World Environment Day) জরুরি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার দোসর আর্দ্রতা! কবে থেকে বৃষ্টি?

    Weather Report: রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার দোসর আর্দ্রতা! কবে থেকে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়েই বেড়ে চলেছে গরম। চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝির সেই হাঁসফাঁস গরম যেন ফের ফিরে এসেছে। সপ্তাহ শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও শোনাচ্ছে না হাওয়া অফিস (Weather Report)। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। কাঠফাটা রোদে বেলা দশটার পরে বাইরে পা রাখাই কঠিন হয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যে আরও কয়েকদিন স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার।

    হাওয়া অফিস (Weather Report) জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের মতে, ২ জুন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ রয়েছে ৪৫ শতাংশ। সাধারণভাবে জুন মাসের ৪ তারিখে দেশে ঢোকে বর্ষা এবং ৮ অথবা ৯ জুন রাজ্যে ঢোকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। তবে প্রতি বছর এই হিসাব মেলে না। কোনও বছর আগে, কোনও বছর পরে বর্ষা ঢুকতে দেখা যায়। সেই মতো রাজ্যে বর্ষা কবে আসবে, তা নিয়েই উৎসুক হয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজসাক্ষী কারা? আদালতে কী জানাল সিবিআই?

    কতদিন চলবে তাপপ্রবাহ

    হাওয়া অফিস (Weather Report) জানাচ্ছে, বুধবার পর্যন্ত গরম এবং এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে লু বওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের সতর্কতা, আর্দ্রতাজনিত এই অস্বস্তি আগামী কয়েকদিন চরমে উঠবে।

    দক্ষিণবঙ্গ

    শুক্র ও শনিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনি ও রবিবার বিকেলের পরে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে উপকূলের জেলাগুলিতে। অর্থাৎ পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গের গরম আপাতত কমবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাপমাত্রা বাড়বে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ। এছাড়া তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার আলিপুরদুয়ারে অস্বস্তিজনক আবহাওয়া (Weather Report) বজায় থাকবে।

    কলকাতার তাপমাত্রা

    কলকাতাতেও সারা রাজ্যের মতোই বাড়বে গরম এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা শোনাননি হাওয়া অফিসের কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় তিন ডিগ্রি বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Forecast: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    Weather Forecast: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তাপপ্রবাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়েছিল। দিন কয়েক আগেও সকাল ৮টা-৯টা থেকেই চাঁদিফাটা রোদে বাড়ি থেকে বেরনো দায় হয়ে উঠছিল। শনিবার থেকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টি নামায় তাও কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু ফের আশঙ্কার কথা শোনাল হাওয়া অফিস। শোনা যাচ্ছে, মে মাসে আবারও ভয়ঙ্কর গরম পড়তে চলেছে। ভেঙে যেতে পারে অতীতের সব রেকর্ড। তাপমাত্রাও ৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে পূর্ব থেকে মধ্য ভারতের একাধিক রাজ্যে। হাওয়া অফিসের ব্যাখ্যা (Weather Forecast), পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে রাজস্থান, পাঞ্জাবের তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়বে না। পারদ চড়লেও তা নেমে যাবে কিন্তু গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তেই থাকবে। বাংলা, বিহার, ঝাড়খন্ডে চলবে ব্যাপক তাপপ্রবাহ। অর্থাৎ গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকেও।

     কবে থেকে আবার তাপপ্রবাহ?

    এখন তাপমাত্রা কিছুটা কম হয়েছে। আপাতত মনোরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস। নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে চলতি সপ্তাহে ঝড়-বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Forecast)। উত্তরবঙ্গে আবার বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। অন্তত ৩ মে পর্যন্ত এই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। ১১-১২ মে পর্যন্ত বাংলায় তাপপ্রবাহের কোনও আশঙ্কা দেখছে না মৌসম ভবন। হাওয়া ঘুরতে পারে তার পর থেকেই। হয় বৈশাখের একেবারে শেষ লগ্নে, অথবা জ্যৈষ্ঠে। মে-র তৃতীয় ও চতুর্থ, দুই সপ্তাহেই দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় স্বাভাবিকের উপরে থাকারই ইঙ্গিত। মৌসম ভবনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মে-র প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গরমের বিশেষ বালাই থাকবে না। এক-দু’দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেও নেমে যেতে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য় ও পূর্বাঞ্চলে আগামী এক মাস তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলও এবার স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম আবহাওয়া পাবে বলেই জানানো হয়েছে। ফের একবার তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে উত্তর-পশ্চিম ও মধ্য়-পশ্চিম ভারতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকই (Weather Forecast) থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    তাপপ্রবাহের প্রভাব দেশের অর্থনীতিতেও

    পরিবেশ ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপমাত্রার ওঠানামার সঙ্গে দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ে। তাপপ্রবাহ এড়াতে সর্বক্ষণ ফ্য়ান, এসি চালানোর জন্য হঠাৎ করেই বাড়তে থাকে বিদ্যুতের চাহিদা। এরফলে ব্য়াপক চাপ পড়ে পাওয়ার গ্রিডগুলির উপরে এবং ব্ল্য়াকআউটের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। বহু মানুষকেই এই তীব্র গরমেও বাড়ি থেকে বের হতে হয় বলে, হিটস্ট্রোকে তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনাও তৈরি হয়। শুধুমাত্র তাপমাত্রাই নয়, বাতাসে আর্দ্রতাও তাপপ্রবাহকে প্রাণঘাতী করে তোলে। আবার রাস্তাঘাটে লোকজন কমে যাওয়ায়, খুচরো ব্যবসায়ীদের বিক্রিতেও ভাটা পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share