Tag: Heat Wave

Heat Wave

  • Heat Wave: আবার চড়ছে তাপমাত্রা! গরমে কোন পাঁচটি বিপদ থেকে সাবধান থাকবেন?

    Heat Wave: আবার চড়ছে তাপমাত্রা! গরমে কোন পাঁচটি বিপদ থেকে সাবধান থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঝড়-বৃষ্টির সাময়িক স্বস্তি কাটিয়ে ফের চড়ছে তাপমাত্রার পারদ (Heat Wave)। তীব্র তেজ আর ঘাম বাড়াচ্ছে অস্বস্তি। তার মধ্যেই চলছে স্কুল, কলেজ, অফিস। অনেকেই কাজের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাইরে থাকছেন। 

    কোন পাঁচ বিপদ অপেক্ষা করছে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় (Heat Wave) বাইরে থাকলে পাঁচটি বিপদের ঝুঁকি তৈরি হয়। হিট স্ট্রোক, হিট এক্সশন, হিট ক্র্যাম্প, সান বার্ন আর হিট Rash। 

    হিট স্ট্রোকের উপসর্গ কী কী? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখেই বোঝা যাবে, গরমে (Heat Wave) হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে কিনা। উপসর্গগুলি হল শরীরের তাপমাত্রা মারাত্মক বেড়ে যাওয়া, জ্বর না থাকলেও আচমকা শরীরের তাপমাত্রা ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা এবং হাত-পায়ে ঝিমঝিম ভাব, পেশির শক্তি হঠাৎ কমে আসা, চোখ-নাক লাল হয়ে ওঠা, নাক দিয়ে হঠাৎ জল পড়তে থাকা, জ্ঞান হারানো বা চেতনা কমে যাওয়া। 

    কোনও ব্যক্তির হিট স্ট্রোক হলে কীভাবে সাহায্য করবেন? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরমে (Heat Wave) হঠাৎ কোনও ব্যক্তিকে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে দেখলে প্রথমেই নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কারণ, হিট স্ট্রোক একটি জরুরি চিকিৎসার তালিকায় থাকা বিষয়! তাই রোগীর দ্রুত চিকিৎসা জরুরি। তবে, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যাম্বুলেন্স আসার আগে কয়েকটি প্রাথমিক চিকিৎসা করলে রোগী উপকার পাবেন। যেমন আক্রান্তকে ঠান্ডা জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার। তার শরীর ঠান্ডা করা জরুরি। তাই ভিজে কাপড় বা ভিজে তোয়ালে দিয়ে তার শরীর মুছিয়ে দিতে পারলে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তবে, কখনই তাকে ঠান্ডা পানীয় দেওয়া চলবে না। আগে শরীরের উত্তাপ কমাতে হবে, তারপর পানীয় দিতে হবে। 

    হিট এক্সশনের উপসর্গ কী? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গরমে (Heat Wave) হিট এক্সশন হলে ঘাম মারাত্মক হবে। চোখ-মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যাবে। বমি ও মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা যাবে। দুর্বলতা ও ক্লান্তি বোধ হবে। 

    হিট এক্সশন থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, অতিরিক্ত ঘাম হলেই জল খেতে হবে। পরিমাণ মতো জল পান করলে হিট এক্সশন এড়ানো যেতে পারে। গরমে (Heat Wave) শরীরের ক্লান্তি দূর করতে বারবার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    হিট ক্র্যাম্পের উপসর্গ কী? 

    গরমে (Heat Wave) হিট ক্র্যাম্পের সমস্যাও দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি লক্ষণ হিট ক্র্যাম্প স্পষ্ট করে। যেমন, পেশিতে টান ও যন্ত্রণা। গরমে বারবার পেশিতে টান ও যন্ত্রণা অনুভব হলে বুঝতে হবে হিট ক্র্যাম্প হয়েছে। 

    কীভাবে সুস্থ থাকবেন? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত গরমে (Heat Wave) শারীরিক কসরৎ কিছুটা কমানো জরুরি। বিশেষত যাঁদের হিট ক্র্যাম্পের মতো সমস্যা হচ্ছে, তাঁরা কিছুটা সময় বিশ্রাম নিতে পারেন। তাতে শারীরিক অস্বস্তি কমবে। পাশপাশি ডাবের জল, ফলের সরবৎ খাওয়া দরকার। তাতে দূর্বলতা কমে এবং ঘামের ফলে যে ক্লান্তি বোধ হয়, তাও কমে যায়। 

    সান বার্ন ও হিট Rash এর উপসর্গ কী কী? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত সময় রোদে (Heat Wave) থাকলে সান বার্ন ও হিট Rash-এর মতো ত্বকের সমস্যা দেখা যায়। চামড়ায় লাল দাগ। ঘাড়, মুখ ও গলায় ব্রণোর মতো গুটি দেখা দেয়। চামড়া অনেক সময় গরম হয়ে যায়। 

    কীভাবে কমাবেন সান বার্ন ও হিট Rash? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, বাইরে থেকে (Heat Wave) ফিরে অবশ্যই ঠান্ডা জলে স্নান করতে হবে। যেসব জায়গা লাল হয়ে গিয়েছে, তাতে বারবার জল দিতে হবে। ময়েশ্চারাইজার লাগালে চামড়া নরম হয়, তাতে সান বার্ন কমে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water Crisis: কল আছে, জল নেই! অসহ্য কষ্টের মুখে গ্রামের গৃহবধূরা চলে যাচ্ছেন বাপেরবাড়ি!

    Drinking Water Crisis: কল আছে, জল নেই! অসহ্য কষ্টের মুখে গ্রামের গৃহবধূরা চলে যাচ্ছেন বাপেরবাড়ি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। বেলা বাড়লেই গনগনে রোদে অস্থির অবস্থা। এর মধ্যে যদি জল না মেলে? এমনই পরিস্থিতির শিকার হরিশ্চন্দ্রপুরের মানুষ। কল আছে, জল নেই! পানীয় জলের তীব্র কষ্টে (Drinking Water Crisis) ভুগছেন বাসিন্দারা। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাড়ির স্ত্রী ও পুত্রবধূরা। ফলে দূরদূরান্ত থেকে জল আনতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রামের পুরুষ মানুষরা। পানীয় জলের সংকটের এক ভয়াবহ দৃশ্য ফুটে উঠেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের মুড়াগাছি গ্রামে। জানা গেছে, গ্রীষ্মের শুরু থেকেই পানীয় জলের সংকটে ভুগছে ওই গ্রামের প্রায় ৪০০ টি পরিবার। নলকূপ থেকে জল উঠছে না। জলের জন্য হাহাকার করছে গোটা গ্রাম। পুকুরের নোংরা জল দিয়ে চলছে বাসন মাজা ও স্নান। কেউ কেউ আবার পুকুরের জল দিয়েই করছে ভাত রান্না। গ্ৰাম থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মাঠে সেচের কাজে ব্যবহৃত সাবমার্শিবল থেকে জল নিয়ে আসছেন গ্রামের পুরুষরা। সেই জল পান করছেন পরিবারের সকলে।

    কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই গ্রামে বছর চারেক আগে সরকার থেকে দুটো সাবমার্শিবল বসানো হলেও মাসখানেক যেতে না যেতেই সেগুলো বিকল হয়ে পড়েছে। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মোটর দুটি চুরি করে নিয়ে গেছে। এমনকি গ্রামে থাকা একটি সরকারি নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। প্রশাসনকে বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও কাজ হচ্ছে না (Drinking Water Crisis)। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মাস খানেক আগে একটি সাবমার্শিবল বসালেও তার জল পান করতে দিচ্ছেন না জমির মালিক বাবুল আক্তার বলে অভিযোগ। অপরদিকে পঞ্চায়েত সদস্য মজিবুর রহমান নিজের বাড়িতে সরকারি সাবমার্শিবল বসিয়ে একাই ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা। 

    ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে দাবি

    যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওই দুজনই। জমির মালিক বাবুল আক্তার বলেন, তাঁর জমিতে সাবমার্শিবলটি বসানো হলেও পাড়ার সবাই জল পান করছে। জল পান করতে কাউকে তিনি কখনও বাধা দেননি। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ তুলছেন বাসিন্দারা। অপরদিকে পঞ্চায়েত সদস্য মজিবুর রহমান জানান, তিনি নিজের টাকায় বাড়িতে সাবমার্শিবল বসিয়েছেন। না জেনেই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ (Drinking Water Crisis) করা হচ্ছে।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ?

    হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ কেরামুদ্দিন আহমেদ জানান, প্রায় দু মাস জল সংকটে (Drinking Water Crisis) ভুগছে মুড়াগাছি গ্রামের মানুষ। জলের অভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে রান্না পর্যন্ত হয় না। তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসুকে গ্ৰামের জলের সমস্যাটি লিখিত আকারে জানিয়েছেন। শীঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানীয় জলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Education: অকাল গরমের ছুটি শেষ, সোমবার থেকেই খুলে যাচ্ছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ?

    Education: অকাল গরমের ছুটি শেষ, সোমবার থেকেই খুলে যাচ্ছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের সেই তীব্রতা আর নেই। ফলে ছুটি বাড়ানোরও তেমন সুযোগ নেই। অন্যদিকে রাজ্য সরকার এক সপ্তাহের যে ছুটি ঘোষণা করেছিল, তা শেষ হচ্ছে রবিবার। সেই হিসেবে ২৪ শে এপ্রিল সোমবার থেকেই খুলে যাওয়ার কথা রাজ্যের শিক্ষা (Education) প্রতিষ্ঠানগুলির। যদিও বিষয়টি নিয়ে রবিবার দিনভর ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। কারণ সোমবার থেকে যে স্কুল খুলছে, তার কোনও নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে পর্ষদের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, কতদিন ছুটি থাকবে, তা আগের নির্দেশিকাতেই পরিষ্কার করা ছিল। নতুন করে কোনও নির্দেশিকা জারি করার দরকার পড়ে না। ছুটি শেষ মানেই স্কুল খুলবে, এটাই স্বাভাবিক।

    গরমের ছুটি পড়ার কথা ছিল ২ মে থেকে

    উল্লেখ্য এবার গরমের ছুটি পড়ার কথা ছিল ২ মে থেকে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে স্কুল শিক্ষা দফতর ১৭ই এপ্রিল থেকেই স্কুল বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে। যদিও এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে। মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় জানিয়েছিলেন, বাচ্চাদের সঙ্গে মেশার কারণেই তিনি জানতে পেরেছেন, প্রচণ্ড গরমে তাদের মাথার যন্ত্রণা হচ্ছে। তাঁর মতে, এ থেকেই হতে পারে হিট স্ট্রোক। সেই কারণেই তিনি সোম থেকে শনি পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে (Education) এক সপ্তাহের ছুটি ঘোষণা করার নির্দেশ দেন।

    কী অভিযোগ করেছিল বিজেপি?

    অন্যদিকে তড়িঘড়ি এই ধরনের ছুটি ঘোষণার পিছনে অন্য চক্রান্ত আছে বলে অভিযোগ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, মিড ডে মিলের চাল চুরি করার পথ প্রশস্ত করতেই এই ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, এদের টাকা কামানোর কোনও সীমা-পরিসীমা নেই। তাই ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পড়ার পরও এরা থামতে চায় না। তাঁর মতে, এইভাবে পড়াশোনা (Education) বন্ধ করে দেওয়ার কোনও অর্থই হয় না। বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতেই পারত। সকালে স্কুলে পঠন-পাঠন চালু রাখা যেতেই পারত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, ছুটি কোনও সমাধান নয়, ক্ষতিকারক সংস্কৃতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাস পড়তে না পড়তেই শুরু হয়েছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ (Heat Wave)। প্রখর রোদে পুড়ছে বঙ্গবাসী। তবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ কেবল মানবজীবনেই প্রভাব ফেলেছে তা নয়, নাজেহাল অবস্থা পশুপাখিদেরও। তাই এই আবহাওয়া থেকে কাঁকসার দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরদের রক্ষা করতে বন দফতর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে৷ সকাল থেকেই রোদের তেজ তীব্র গতিতে বাড়তে থাকার পাশাপাশি হরিণ ও ময়ূরদের ওআরএস ও গ্লুকোজ খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়াও তাদের শরীরের জলশূন্যতা রুখতে ও সুস্থ রাখতে খাওয়ানো হচ্ছে টাটকা শাকসবজি, আখের গুড়, ভেজানো ছোলা, বিটনুন ও ভূষি। পাশাপাশি তাদের ওপর সারাক্ষণ বনকর্মীদের দিয়ে চলছে বিশেষ নজরদারি। দুর্গাপুর বন দফতরের এমনই দাবি।

    ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে বন দফতর?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে গৌরাঙ্গপুর গ্রামের দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরের জন্য সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এটি শিবপুর বিট অফিসের আওতাধীন। সেখানকার বিট অফিসার অনুপকুমার মন্ডল সহ প্রায় ১৮ জন বনকর্মী হরিণ ও ময়ূরের দেখভাল করেন। বর্তমানে সেখানে মোট ৯৬ টি চিতল হরিণ রয়েছে। যার মধ্যে সদ্যোজাত প্রায় ৭ টি হরিণশাবকও রয়েছে। এছাড়াও ময়ূরের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। যদিও ময়ূরের বংশবিস্তার শুধুমাত্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে আর থেমে নেই। কাঁকসার জঙ্গলমহলের লোকালয়েও ময়ূর ছড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় ৮ মাস ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ওই সংরক্ষিত এলাকার শাল-পিয়ালের জঙ্গলের সবুজায়ন হারিয়েছে। বসন্তকালের শুরুতেই সমস্ত গাছের পাতা ঝরে গেলেও বৃষ্টিপাতের অভাবে নতুন করে পাতা এখনও তেমনভাবে গজিয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় ঘাস সহ ঝোপঝাড় গজিয়ে না ওঠায় হরিণের খাবারের অনেকটাই ঘাটতি দেখা গিয়েছে। চড়া রোদের তাপ (Heat Wave) ও লু থেকে হরিণ সহ ময়ূরের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বন দফতর তড়িঘড়ি তাদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিয়েছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওআরএস ও গ্লুকোজ তাদের খাবারের জলে মেশানো হচ্ছে। এছাড়াও ভেজানো ছোলা ও আখের গুড় খাওয়ানো হচ্ছে। গাজর সহ টাটকা শাকসবজি ও গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে দেওয়া হচ্ছে।

    কী জানাচ্ছেন বন দফতরের আধিকারিকরা?

    বন দফতরের দুর্গাপুর রেঞ্জ অফিসার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে হারে দাবদাহ (Heat Wave) বেড়ে চলেছে এপ্রিলের শুরু থেকেই, তাতে সংরক্ষিত হরিণ ও ময়ূরগুলিকে সুস্থ রাখতে আমরা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রতিদিন প্রায় ২০ প্যাকেট ওআরএস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্লুকোজ থেকে গুড়, ছোলা, শাকসবজিও দেওয়া হচ্ছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো আগামী মে ও জুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। যাতে এই তীব্র তাপপ্রবাহে তারা অসুস্থ না হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জঙ্গলে গাছের পাতা ও ঘাস তেমনভাবে এখনও গজিয়ে উঠতে পারেনি। আমরা গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে হরিণগুলিকে দিচ্ছি। পাশাপাশি ময়ূরকে গম দেওয়া হয় সারা বছর। এখনও পর্যন্ত কোনও হরিণ অসুস্থ হয়নি। তাদের ওপর সর্বক্ষণ বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ দিনে তাপমাত্রা ছিল ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস! কোথায় জানেন?

    Heat Wave: বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ দিনে তাপমাত্রা ছিল ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙছে। ৪২ এর মাত্রা ছাড়িয়েছে ইতিমধ্যেই। বঙ্গবাসীর নাজেহাল অবস্থা। এই পর্বে বৃষ্টির আশা থাকলেও ভবিষ্যতে ফের কতদিন এই গরম সহ্য করতে হবে, জানা নেই। এবার ৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বহু মানুষ, অশেষ দুর্ভোগের মধ্যেই অফিস ছুটতে হয়েছে চাকরিজীবীদের। স্কুল-কলেজে তো আগেই ছুটি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আপনার কি জানা আছে, এই ৪২ ডিগ্রির থেকেও মারাত্মক গরম (Heat Wave) সহ্য করেছে মানুষ? বিশ্বের ইতিহাসে আছে এমন এমন বছর, যেগুলি জনজীবনে অভিশাপ হয়ে উঠেছিল। তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়েছিল জীবন। 

    কবে, কোথায় এই মারাত্মক তাপপ্রবাহ থাবা বসিয়েছিল?

    যখন কোনও স্থানে তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় এবং সেই সঙ্গে আর্দ্রতা বেড়ে যায়, তখন সৃষ্টি হয় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। আর ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, বিশ্বে এরকম অনেক সময় আছে, যে বছরগুলিতে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) পরিমাণ ছিল মারাত্মক। পৃথিবীর সবথেকে উষ্ণ দিনটি রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯১৩ সালের জুলাই মাসে, ক্যালিফোর্নিয়াতে। তখন সেই জায়গায় তাপমাত্রা ছিল ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়, কীভাবে মানুষ এই মাত্রাতিরিক্ত গরম সহ্য করেছে। মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া। আরও অনেক জায়গায় এই দাবদাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। ইতিহাসে তার মধ্যে ৪ টি হল নিউইয়র্ক বিপর্যয় ১৮৯৬ সাল, দ্যা গ্রেট স্টিনক ১৮৫৮, ইউরোপের দাবদাহ ১৭৫৭ সালে, ইউরোপের খরা ১৫৪০ সালে। 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত প্রচণ্ড তাপের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে এবং তাঁরা আশঙ্কা করছেন, এই বছর সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে চলেছে। এপ্রিলের এই তাপপ্রবাহ উত্তর ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে বেশি আঘাত হেনেছে। 

    ভারতের ইতিহাসে কি এর থেকেও খারাপ পরিস্থিতি হয়েছে?

    শুধু সুদূর বিদেশের মাটিতে নয়, ভারতও এর থেকে মারাত্মক গরম (Heat Wave) সহ্য করেছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ১৯৭১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশে ৭০৬ টি তাপপ্রবাহের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৬ সালে ভারতের রাজস্থানে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১৯৫৬ সালে রেকর্ড করা হয়েছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ১৯৯৮ সালে মে-জুন মাসে তাপমাত্রা ছিল ৪৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রায় ২৫০০ জনের মৃত্যুও হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: নির্বিচারে গাছ কাটা ও অপরিকল্পিত সৌন্দর্যায়নই বাড়াচ্ছে তাপমাত্রা! মত পরিবেশবিদদের

    Heat Wave: নির্বিচারে গাছ কাটা ও অপরিকল্পিত সৌন্দর্যায়নই বাড়াচ্ছে তাপমাত্রা! মত পরিবেশবিদদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে। গর্জন শোনা যাচ্ছে স্পষ্ট। সাদা ফেনা আছড়ে পড়ার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে সারি দেওয়া ঝাউগাছ! সবুজের মাঝে সেই সীমাহীন সমুদ্র দেখাই ছিল দীঘার অন্যতম আকর্ষণ! যদিও সে আকর্ষণ এখন অতীত। কারণ, অধিকাংশ ঝাউবন কেটে ফেলেছে রাজ্য সরকার। তার জায়গায় হয়েছে সৌন্দর্যায়ন! গাছ কেটে বসানো হয়েছে পাথরের মূর্তি, পাথরের ফুটবল! সবুজ গাছের জায়গা নিয়েছে সিন্থেটিক ঘাস! 

    গাছ কাটা নির্বিচারে হয়েছে রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতনেও! শান্তিনিকেতন চত্বরের পাশাপাশি গোয়ালপাড়া, তপোবনেও বড় গাছ কেটে বসেছে ‘আই লাভ শান্তিনিকেতন’ ফলক! 
    বাদ যায়নি কলকাতাও! যাদবপুর-গল্ফ গ্রিন থেকে শোভাবাজার কিংবা হাওড়া, সর্বত্র পাথরের নানা মূর্তি আর বাগান সাজানোর জন্য গত কয়েক বছরে নির্বিচারে কাটা হয়েছে গাছ! আর বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এতেই বাড়ছে বিপদ (Heat Wave)! 

    রাজ্যে গাছ লাগানোর কোনও উদ্যোগই নেই

    গত কয়েক বছরে রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ বেড়েছে। কিন্তু সরকারের তরফে গাছ লাগানোর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং গাছ কাটা হয়েছে একাধিক জায়গায়! দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরুর মতো শহরের থেকেও এ বছরে কলকাতার তাপমাত্র বেশি। তার কারণ হিসাবে বনস্পতি নিধন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, যে কোনও বড় শহরে বর্তমানে উন্নয়ন পরিকল্পনায় গাছ লাগানো, বিশেষত বড় গাছ লাগানো আবশ্যক হয়ে উঠছে। সেই পথে হেঁটেছে দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো শহর। গত দশ বছরের প্রচেষ্টার ফল তারা এখন পাচ্ছে। কিন্তু গত দশ বছরে শুধুমাত্র কলকাতা শহরে যে পরিমাণ গাছ কাটা হয়েছে, তার এক শতাংশও লাগানো হয়নি। এ নিয়ে সরকারের বিশেষ উদ্যোগও নেই। 

    বাঙ্গুর, লেকটাউন থেকে শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক অথবা যাদবপুর, গল্ফ গ্রিনের মতো কলকাতার যেসব এলাকায় তুলনামূলকভাবে বেশি গাছ ছিল, সেখানে অধিকাংশ জায়গায় এখন নানারকম মূর্তি, ফোয়ারা লাগিয়ে সাজানো হচ্ছে! ফলে পরিস্থিতি (Heat Wave) আরও ভয়ানক হচ্ছে! পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, বড় গাছ শুধু ছায়ার আরাম দেয় না, বড় গাছ সূর্যের তেজকেও সরাসরি আসা থেকে আটকায়। ফলে সামগ্রিক তাপমাত্রা কম থাকে। সকাল থেকে যেভাবে রোদের তাপে (Heat Wave) মানুষ পুড়েছে, তা একমাত্র বড় গাছ আটকাতে পারে। রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর তেমন কোনও উদ্যোগ গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকার নেয়নি। এমনকী বেশ কিছু জায়গায় নির্বিচারে গাছ কাটা হলেও সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি। বন দফতরকে জানিয়েও বিশেষ ফল পাওয়া যায়নি। 

    সবটাই সরকারের অপরিকল্পিত নীতির ফল?

    গত কয়েক বছর ধরেই বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আবার কিছু জায়গায় অতি বৃষ্টিতে বন্যা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে সরকারের অপরিকল্পিত নীতির জন্য, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    বড় গাছের বিকল্প কখনই বাগান করা, বিশেষত সিন্থেটিক ঘাসের বাগান হতে পারে না বলেই স্পষ্ট মত বিশেষজ্ঞদের। রাজনৈতিক মহল অবশ্য মনে করছে, শহর থেকে জেলা- যত্রতত্র এই সৌন্দর্যায়নের পিছনেও রয়েছে দুর্নীতির আঁচ। এই সৌন্দর্যায়নের নামে যে মূর্তি কিংবা ফোয়ারা তৈরি হয়, কারা সেগুলো তৈরি করছেন, নিয়ম মাফিক টেন্ডারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থা কাজ পাচ্ছে কি না, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ! 

    বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী, নির্বিচারে গাছ কাটা এবং গাছ না লাগিয়ে শহরের উন্নয়নের নামে যা হচ্ছে, তার ফল ভুগতে হবে পরবর্তী প্রজন্মকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা এপ্রিল জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে (Weather update) জ্বলছে বাংলা। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবছর গরমের প্রকৃতি একটু আলাদাই। গরমের দাপটে নাজেহাল মানুষ এবং পশুপাখিরাও। এপ্রিল মাসেই যে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়াবে, তা কেউ ধারণাও করতে পারেননি।

    হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, ফাটছে ঠোঁট! 

    অন্যান্যবার গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি উঠলেও সেটা এবার এপ্রিলের শুরুতেই হওয়ায় মানুষ একে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন। শুধু তাই নয়, এই গরমেও মানুষের হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, এমনকি ঠোঁটও ফাটছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই গরম (Weather update) নিয়ে সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ। এমনকী অনেক জায়গায় গরমের জন্য মিনি টর্নেডোও দেখা গেছে। গত ১৬ এপ্রিল হলদিয়াতে এমনই একটি টর্নেডো দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও স্থানে প্রবল উত্তাপের কারণে উষ্ণ বাতাস হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। তখন ওই শূন্য জায়গা পূরণের জন্য চারদিকের শীতল বাতাস দ্রুত বেগে সেই এলাকায় ধাবিত হয়। তখনই টর্নেডো বা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

     এবছর এত গরমের কারণ কী? কী বলছে গবেষণা?
     
    গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এর কারণ একটাই “গ্লোবাল ওয়ার্মিং”। তাঁরা জানিয়েছেন, গত ১৫০ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা (Weather update) গড়ে ০.৮৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেড়েছে, যা অস্বাভাবিক। ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী। যেমন ছিল “আইস এজ”। ২.৪ বিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল এবং যা ১৫০০ বছর স্থায়ী ছিল। পৃথিবীর মহাদেশগুলির পারস্পরিক অবস্থান, সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর কক্ষপথ ও পৃথিবীর অক্ষরেখার দিক পরিবর্তন ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস এই আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য দায়ী। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণেই ধীরে ধীরে সেই উষ্ণ যুগের দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী, বাড়ছে দূষণ। ওজোন স্তরের ছিদ্র বাড়ছে। ফলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে। বাড়ছে সমু্দ্রের জলস্তর। উপকূলবর্তী এলাকাগুলি সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

    শুধুই কি প্রাকৃতিক কারণ? না মানুষও দায়ী?

    না, শুধু প্রাকৃতিক কারণ নয়। মানুষের সৃষ্ট কারণের ফলেও এই গরম (Weather update) বাড়ছে, এমনটাই বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়। শহরজুড়ে বড় বড় কংক্রিটের বিল্ডিং, অরণ্য ছেদন, বহুল পরিমাণে এসি-র ব্যবহার, আর বাড়ছে গরম হাওয়া যা “হিট আইল্যান্ড”-এর সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ শহরাঞ্চলে অনেক বেশি। কারখানা ও গাড়ি থেকে নির্গত দূষণের ফলে এই অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বন নিঃসৃত হয়। শহরের ‘হিট আইল্যান্ড’-এ জলীয় বাষ্পের সঙ্গে অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের সংযোগের ফলে বৃষ্টি হলেও মফস্বলে তাও হচ্ছে না। তাই কমেছে বৃষ্টি। বাড়ছে অস্বস্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat Heat wave: ৪১ ডিগ্রিতে জ্বলছে শহর, একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে তাপমাত্রার পারদ

    Balurghat Heat wave: ৪১ ডিগ্রিতে জ্বলছে শহর, একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে তাপমাত্রার পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকে দুপুর। বালুরঘাটের রাস্তাঘাট ফাঁকা। শহরে বিগত প্রায় দেড় মাস বৃষ্টির দেখা নেই। তীব্র তাপপ্রবাহে (Balurghat Heat wave) কার্যত ধুঁকছেন জেলাবাসী। বৃষ্টির অভাবে একদিকে যেমন চাষবাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে খুব প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরোচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। সমস্যায় শহরবাসী। সকাল থেকেই সূর্যের চোখরাঙানি। তাপমাত্রার পারদ দুপুরে গিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে চল্লিশের কাছাকাছি। 

    এমন আবহাওয়া কবে দেখেছেন, মনে করতে পারছেন না কেউ

    বালুরঘাটে সাধারণ মানুষের কাছে এইরকম আবহাওয়া স্মরণাতীত। ছোট থেকে যাঁরা বালুরঘাটে বড় হয়েছেন, তাঁরাও মনে করতে পারছেন না, এত দীর্ঘ সময় বৃষ্টিবিহীন বালুরঘাট কবে ছিল। এত গরম (Balurghat Heat wave) এর আগে কখনও হয়েছে বলে তাঁদের জানা নেই। সকাল থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। অফিসপাড়াতেও সেভাবে ব্যস্ততা চোখে পড়ছে না। জেলাবাসী তাকিয়ে রয়েছেন আকাশের দিকে এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য।

    কংক্রিটের বহুতলই কি এর কারণ?

    গত বছর এই মরশুমে বালুরঘাটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫° সেলসিয়াস, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১°। যা গরমের মরশুমের রেকর্ড তাপমাত্রা (Balurghat Heat wave)। বালুরঘাট শহরের এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ গাছ কেটে, জলাশয় ভরাট করে কংক্রিটের বহুতল গড়ে তোলা বলে জানান পরিবেশপ্রেমী তুহিনশুভ্র মন্ডল। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় পুরসভা, প্রশাসন সহ শহরের মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে।

    তিনি বলেন, আসলে বালুরঘাটের মতো আপাত দূষণহীন একটা শহরে, বালুরঘাটের মতো সবুজ একটা শহরে কেন হঠাৎ এত গরম বাড়ছে? আমরা একটা সমীক্ষা করে দেখেছি, প্রতি বছর শহরে গাছের সংখ্যা কমছে। প্রতি বছর ক্রমশ হাইরাইজের সংখ্যা বাড়ছে, জলাভূমিকে বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। এ নিয়ে আমরা অনেকবার পৌরসভা এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। সচেতনতার বার্তা নিয়ে আমরা মানুষের কাছে পৌঁছেছি। বিপদ আমাদের ঘরের দুয়ারে চলে এসেছে। পরিবেশকে বাঁচাতে না পারলে আমরা কেউ বাঁচবো না। এটা বোঝার সময় হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chicken: সানস্ট্রোকে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    Chicken: সানস্ট্রোকে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির, মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে পোলট্রি ফার্মে মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মুরগির (Chicken)৷ আর এই কারণে আগুন দাম হতে পারে মুরগির মাংসের, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কেজিপ্রতি ২৪০ টাকার আশপাশে দাম চলছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে এরকম চলতে থাকলে তা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সেটাই এখন চরম দুশ্চিন্তার বিষয়। বোলপুরের বেশ কয়েকটি ফার্মে কয়েকদিন ধরেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে মুরগি৷ স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের৷

    কোনও ব্যবস্থাই কাজে আসছে না

    কয়েকদিন ধরেই বীরভূমের তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে৷ কখনও কখনও ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহে নাজেহাল সাধারণ জনজীবন৷ অতিষ্ঠ পশু-পাখিরাও৷ শ্রীনিকেতন আবহাওয়া দফতরের তরফে দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বইছে লু৷ এই তাপপ্রবাহের কা্রণেই মৃত্যু হচ্ছে পোলট্রি মুরগির (Chicken)। বোলপুরের সিয়ান এলাকায় প্রচুর পোলট্রি মুরগির ফার্ম রয়েছে। এমনিতেই গরমে মাংসের বিক্রি কমে গিয়েছে। কমেছে ডিমের চাহিদাও। গরম থেকে মুরগিদের বাঁচাতে ফার্মের জলছাদ করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ফ্যান। তা সত্ত্বেও প্রতিদিন শয়ে শয়ে মুরগি মারা যাচ্ছে৷ দাবদাহ এতটাই বেশি যে কোনও কিছুতেই কাজ হচ্ছে না৷ 

    কী বলছেন ফার্ম মালিকরা?

    এক পোলট্রি ফার্ম মালিক মনির শেখ বলেন, “রোজ এসে দেখছি ৫০ থেকে ৬০ টি করে মুরগি মরে পড়ে আছে৷ এত গরম পড়েছে, সানস্ট্রোক হয়ে মারা যাচ্ছে মুরগি (Chicken)৷ ছাদে জল দিচ্ছি। ফ্যান লাগিয়ে দিচ্ছি। তাতেও কাজ হচ্ছে না৷ শুধু আমার ফার্মে নয়, আশপাশের ফার্মেও একই অবস্থা।”

    মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের

    উল্লেখ্য, পোলট্রির মুরগি এমনিতেই দুর্বল প্রাণী৷ অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না৷ এবছর তাপমাত্রার পারদ চড়তেই থাকছে৷ এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে তীব্র গরমে প্রতিটি ফার্মে রোজ শয়ে শয়ে মৃত মুরগি (Chicken) মিলছে৷ যাতে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের৷ প্রসঙ্গত, এই তীব্র দাবদাহ থেকে বল্লভপুর অভয়ারণ্যের হরিণদের রক্ষা করতে জলের সঙ্গে ওআরএস দেওয়া হচ্ছে৷ শরীর ঠান্ডা রাখতে ভূট্টো পাতা, সবুজ পাতা খাওয়ানো হচ্ছে। নিয়মিত নজর রাখছেন চিকিৎসকেরা কিন্তু মুরগি নিয়ে চিন্তায় ব্যবসায়ীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    District Weather Update: তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহজুড়ে চলা তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) অতিষ্ঠ বালুরঘাটের জনজীবন। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গিয়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। এক সপ্তাহের মধ্যে তাপমাত্রা কমারও কোনও সম্ভাবনা নেই, এমনটাই জানানো হয়েছে আবহাওয়া অফিসের তরফে। তীব্র গরমের অসহনীয় কষ্ট এখন জেলার মানুষের নিত্যসঙ্গী। পঞ্জিকার হিসেবে চলছে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ। এরপর বৈশাখ মাস অর্থাৎ বাংলা পঞ্জিকার ১৪৩০ বর্ষবরণ হবে আর কয়েকদিন পরে। অর্থাৎ গ্রীষ্মকে বিদায় জানাতে এখনও প্রায় ২ মাস বাকি।

    দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি

    গ্রীষ্মের গরম ঠিকই রয়েছে, কিন্তু বৈশাখের ঝড় বা বৃষ্টির দেখা নেই। দিনে মাথার উপর তপ্ত সূর্য আর রাতে ঘরের মধ্যে গরম বাতাসের ভ্যাপসা অনুভূতি। স্বস্তি নেই জেলার কোথাও। প্রত্যাশা শুধু একটু বৃষ্টির। গত এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় যেখানে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ২৮-২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাত আর দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য মাত্র ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি।

    বিপর্যস্ত সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা 

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যবাসীকে এই পরিস্থিতি সহ্য করতে হতে পারে আরও কিছুদিন। বৃষ্টির দেখা মেলার সম্ভাবনাও কম। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, গত বছরে একই সময়ে গড় যে তাপমাত্রা ছিল, এ বছর তা গড়ে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি। এদিকে, শুধু রাজ্য নয়, সারা দেশে দাবদাহের (District Weather Update) চিত্র একইরকম। কাঠফাটা রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা। দাবদাহ থেকে পরিত্রাণ পেতে বৃষ্টির জন্য ভগবানকে কাতর ও করুণভাবে ডাকছেন অনেকে।

    ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে পশুপাখিদের প্রাণও 

    গত কয়েকদিনের তাপপ্রবাহে (District Weather Update) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষের পাশাপাশি পশু পাখিদের প্রাণও হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সদর শহর বালুরঘাট, মহকুমা গঙ্গারামপুর, তপন, কুমারগঞ্জ, হিলি, হরিরামপুর, কুশমন্ডি ও বুনিয়াদপুরে প্রচণ্ড রোদ ও ভ্যাপসা গরমে একরকম স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের কর্মজীবন। চলতি বছর জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থায় গরম জনিত নানা রোগ থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের তরল খাবার এবং ঠান্ডা জায়গায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রখর রোদ ও তাপদাহ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করছেন সকলেই।

    বিপাকে পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ 

    তীব্র দাবদাহে (District Weather Update) বিপাকে পড়েছে জেলার পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষ। জরুরি কাজ না থাকলে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউই। অনেকেই রাস্তার পাশের শরবত ও আখের রস নামিদামি কোম্পানির ঠান্ডা পানীয় অথবা বরফ খেয়ে মেটাচ্ছেন তৃষ্ণা। তবে আপাতত জেলার সকলেই এই গরম থেকে রেহাই পেতে বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো যে অপেক্ষা করছেন, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share