Tag: Heat Wave

Heat Wave

  • Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কলকাতা, বাঁকুড়া, বর্ধমান থেকে মেদিনীপুর। তাপপ্রবাহ (Heat Wave) অব্যাহত! প্রত্যেকদিন বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। তার সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি! শিশু, বয়স্কদের পাশাপাশি সকলেই এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় অসুস্থ বোধ করছেন। এই গরমে কীভাবে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন? হিট স্ট্রোক কিংবা মাশল ক্র্যাম্পের মতো বিপদ এড়াতে কী করবেন আর কোন দিক থেকে বাড়তে পারে বিপদ? কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন খাবার তালিকায় রাখতে হবে? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই মারাত্মক গরমে (Heat Wave) সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় অবশ্যই বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার সম্পর্ক ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে থাকে। তাছাড়া, এই গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যায়। অর্থাৎ শরীরে জলের পরিমাণ কমে যায়। যা মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়িয়ে তোলে। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। 
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফল খেতে হবে। বিশেষত, তরমুজ, পেঁপে, লেবু মেনুতে রাখতে হবে। তরমুজ, পেঁপের মতো ফলের মধ্যে জল থাকে, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখে। শরীরে বাড়তি জলের জোগান দেয়। লেবুতে থাকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি, যা যে কোনও রোগের মোকাবিলায় সাহায্য করে। তাই এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে তরমুজ, পেঁপের মতো ফল জলখাবারে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পাশপাশি, ডাবের জল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ, ডাবের জলের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তা শরীরে লবণ ও জলের ভারসাম্যকে বজায় রাখে, তাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। তাছাড়া ডাবের জলে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এই গরমে ডাবের জল বিশেষ উপকারী। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখতেও ডাবের জল সাহায্য করে। তাই নিয়মিত একটা করে ডাব খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    দুপুর কিংবা রাতের খাবারের তালিকাতেও হাল্কা ও সহজপাচ্য খাবার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, এই গরমে যদি বদহজম হয়, তাহলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের জন্য বিপদ আরও বেশি। তাই কম তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভাত, সব্জি, হালকা সহজপাচ্য মাছের ঝোল খাবারের মেনুতে থাক, মত চিকিৎসকদের। 
    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল অবশ্যই খেতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়ির বাইরে থাকলে জলের পাশপাশি নুন-চিনির সরবত সঙ্গে রাখতে হবে। এটি ওআরএসের মতো কাজ করবে। পরিমাণমতো জল না খেলে, শারীরিক সমস্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। অতিরিক্ত ঘাম হলে একাধিকবার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাতে শরীর ঠান্ডা হবে, নানান শারীরিক অস্বস্তি এড়ানো যাবে। 

    কোন কোন দিক অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে?

    খাবারের মেনুতে অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই রাখা যাবে না। বিরিয়ানি, মোগলাই পরোটার মতো খাবার এই গরমে খেলে হজমের সমস্যা আরও বাড়বে, যা নানান শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই গরমে মদ্যপানেও রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষত, অতিরিক্ত বিয়ার সেবন বিপদ ডাকতে পারে বলেও স্পষ্ট মত তাঁদের। অনেকেই চিলড বিয়ার পান করে গরম (Heat Wave) থেকে সাময়িক আরাম পেতে চাইছেন। কিন্তু এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল। কারণ, বিয়ার পান করলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। আর্দ্রতা বেশি থাকায় এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গে গরমে ঘাম হয়। তার উপরে আরও বেশি ঘাম হলে, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই মদ্যপানে রাশ টানা জরুরি। সফট ড্রিংকস, আইসক্রিমের ক্ষেত্রেও রাশ টানার পরামর্শ চিকিৎসকদের। বিশেষত রাস্তার রঙিন পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই মত তাঁদের। 
    এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। অনেকক্ষণ ঘরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কম করে রাখার পর হঠাৎ ঘর থেকে বাইরে গেলে সর্দি-কাশি-জ্বর দেখা দিতে পারে। দ্রুত তাপমাত্রার তারতম্য বিপদ বাড়াবে। তাই এসি ঘর থেকে বেরনোর আগে কিছুক্ষণ এসি বন্ধ করে ধাতস্থ হয়ে বাইরে যাওয়া জরুরি। 
    ট্যালকম পাউডার ব্যবহার একেবারেই নয়। কারণ, এতে লোমকূপ ঢেকে যায়। ঘাম দেহ থেকে বেরতে পারে না। ফলে, শরীরের উত্তাপ বাড়ে, আবার নানান চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপের (Europe) বিস্তীর্ণ অংশ। সম্প্রতি আবহাওয়া নিয়ে প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) এক রিপোর্ট বলছে, গত পাঁচশো বছরে এরকম ভয়াবহ খরা দেখেনি গোটা ইউরোপ। মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির দেখা নেই। কোথাও নদী শুকিয়ে মাঠ হয়ে গিয়েছে, কোথাও দাবানলে পুড়ছে বনাঞ্চল আর তার সংলগ্ন বসতি।

    পরিবেশবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা আগামী কয়েক বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টার-এর তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে,মহাদেশের অন্তত ৪৭ শতাংশ এলাকা এখন সতর্কতার আওতায় রয়েছে। মাটিতে আদ্রতার পরিমাণ  কমছে। ১৭ শতাংশ এলাকার অবস্থা খুব খারাপ। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    ইউরোপীয় ইনোভেশন কমিশনার মারিয়া গ্যাব্রিয়েল (Mariya Gabriel) জানান, ‘প্রবল খরা পরিস্থিতি ও তাপপ্রবাহের সম্মিলিত কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলির নদীতে জলস্তর ভয়ানক ভাবে নেমে গিয়েছে। এখন আমরা ঘনঘন দাবানল দেখতে পাচ্ছি। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে’।  অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া চাষাবাদের উপরে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলেছে। সয়াবিন, সূর্যমুখী ও ভুট্টার উৎপাদন ইতিমধ্যেই যথাক্রমে ১৫, ১২ ও ১৬ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জাগুয়ার ও কুমিরের ভয়ঙ্কর লড়াই! জিতল কে?

    খরার ফলে দাবানলের প্রকোপ বাড়ছে। কম বৃষ্টিপাতের জন্য ব্যাহত হচ্ছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। দাবদাহের ফলে মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। মূলত ফ্রান্স (France), বেলজিয়াম (Belgium), জার্মানি (Germany), হাঙ্গেরি (Hungery), ইটালি (Italy), লুক্সেমবুর্গ (Luxemburg), মলডোভা, নেদারল্যান্ডস (Netherlands), সার্বিয়া (Serbia), পর্তুগাল (Portugal), ব্রিটেন(Britain) , স্পেন (Spain), রোমানিয়া (Romania), ইউক্রেনে (Ukraine) খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    আবহবিদদের কথায়, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় খরা ও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে রাতের দিকেও তেমন ঠান্ডা হচ্ছে না, বলে জানান পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Summer Holidays: হয় ছুটি নয় অনলাইন, রাজ্যের চাপ বেসরকারি স্কুলগুলিকে, কটাক্ষ বিজেপির

    Summer Holidays: হয় ছুটি নয় অনলাইন, রাজ্যের চাপ বেসরকারি স্কুলগুলিকে, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ছুটিইই’ বলে হাল্লা রাজার দৌড় মনে আছে? যুদ্ধ থেকে ছুটি চেয়েছিলেন হাল্লার রাজা। তবে, ইতিহাসের দীর্ঘতম গরমের ছুটির ঘোষণার পরও ওই ছুট আর একরাশ ছুটির আনন্দ দেখে যাচ্ছে না বাংলার স্কুল পড়ুয়াদের মুখে। বরং উল্টো ছবি ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার, আরেক ঘোষণা রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরের। সরকারি নির্দেশিকা মেনে এবার ছুটি দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকেও। বিতর্ক বেঁধেছে তা নিয়েও।

    সরকারি স্কুলের গরমের ছুটি বাড়ানোর পর এবার, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের নজর বেসরকারি স্কুলে। বৃহস্পতিবারই বিকাশভবনে এক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হল, সরকারি নির্দেশিকা মেনে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিতেও বাড়তি গরমের ছুটি দিতে হবে। নয়তো চালু করতে হবে অনলাইন ক্লাস।

    বিকাশভবনে রাজ্যের শিক্ষাসচিবের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টার বৈঠকে হাজির ছিলেন ৩০টি বেসরকারি স্কুলের অধ্যক্ষরা। জানতে চাওয়া হল, ২৭ এপ্রিলের সরকারি নির্দেশ, বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ জানেন কিনা? জানলে কেন তাঁরা এখনও চালু রেখেছেন স্কুল? রাজ্যের শিক্ষা দফতরের (West Bengal Education Department) নির্দেশ, সরকারি স্কুলগুলোর মত রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকেও গরমের জন্য বাড়তি ছুটি দিতে হবে। স্কুল পরিচালকরা বাড়তি ছুটি দিতে রাজি না হওয়ায়, সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে ফের শুরু করতে হবে অনলাইন ক্লাস। মোদ্দা কথা, গরমের কারণে স্কুলে এসে পড়া চলবে না ছাত্রছাত্রীদের।  

    করোনার কাঁটায় দু’বছর পর, সবে স্কুল খুলেছে। তারপরই তাপপ্রবাহের কারণে বাড়তি গরমের ছুটিতে মোটেই খুশি নয় ছাত্রছাত্রীরা। বিরক্ত অভিভাবকরাও। সরকারি ছুটি ঘোষণার দু’দিনের মধ্যে বৃষ্টি নেমেছে। পরিবেশ কিছুটা হলেও ঠান্ডা। অনায়াসে স্কুলে যেতে পারেন ছাত্রছাত্রীরা। অভিভাবকরাও তাই চাইছেন। শিক্ষা দফতরের দাবি, একবার সরকারি নোটিফিকেশন বার হয়ে যাওয়ার পর তার আর বদল হয় না। সেকারণে সকলকেই সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে।  

    ২ মে থেকে ১৫ জুন। প্রায় দেড় মাসের গরমের ছুটি ইতিহাসে বিরল। এই দেড় মাসের মধ্যে যেকোনও সময়ে আবহাওয়ার যে কোনও রকম বদল আসতে পারে। বলছেন মৌসম-বিশেষজ্ঞরা। ছুটির কারণ অত্যাধিক গরম হলে আবহাওয়া বদলের সঙ্গে সরকারি সিদ্ধান্তেরও বদল হওয়া উচিত। কিন্তু গরমের কারণে দেড়মাসের ছুটির ঘটনা বিরল।

    অতিরিক্ত ছুটির কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী (Mamata) চাইছেন, বাংলার সবাই অশিক্ষিত হোক। ‌উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) শিক্ষাব্যবস্থা চালাতে পারছেন না। যাঁরা চালাচ্ছেন উনি তাঁদেরও চালাতে দিচ্ছেন না। যাঁদের সামর্থ আছে তাঁরা বেসরকারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের পড়ান। যাঁরা দু’বছর বেতন দিয়েছেন স্কুলে, সেখানে বন্ধ করার কোনও কারণই নেই।”

     

     

      

  • Beat-Heat: রাস্তায় ফ্রিজ,খুললেই মিলছে ঠান্ডা জল, গরমে মানবিকতার ছবি শহরে

    Beat-Heat: রাস্তায় ফ্রিজ,খুললেই মিলছে ঠান্ডা জল, গরমে মানবিকতার ছবি শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠফাটা রোদে রাস্তায় বেরিয়ে জলের জন্য হাহাকার করছেন অনেকে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জলের সংকট দেখা গিয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে বাড়ির ফ্রিজ রাস্তায় রেখে পথচারীদের সেবা করছেন কলকাতার তরুণ তুর্কি মোহাম্মদ তৌসিফ রহমান আর মুদর পাথারেয়া।

    আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ২৯ বছরের তৌসিফ প্রায় এক মাস ধরে নিজের বাড়ির ফ্রিজ রাস্তায় রেখে দিয়েছেন। প্রতিদিন ফ্রিজে ৩০টির বেশি জলের বোতল রেখে দিচ্ছেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন মুদর। তবে এই ভাবনা কিন্তু মুদরের মেয়ের। যিনি ভিন দেশ থেকে তাঁর বাবাকে জানিয়েছেন, কাতারে নাকি একরকম চিন্তা ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে। মজার ব্যাপার হল,সারা দিন যখন জল শেষ হচ্ছে,তখন সাধারণ মানুষ নিজেরাই গিয়ে জল ভরে দিচ্ছেন। যে কোনও পথচারী নিজের পিপাসা মেটানোর তাগিদে এখানে এসে ঠান্ডা জল পান করতে পারেন। তার জন্য অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    [fb]https://www.facebook.com/La.Kolkata.Tales/photos/a.103020028208928/524916896019237/?type=3[/fb]

    এই গরমে ঠান্ডা জলের হাহাকার সর্বত্র। জুস, লস্যি থেকে নরম পানীয়,বিক্র হচ্ছে সব জায়গায়। ঠান্ডা জলের বোতলেরও বিক্রি বেড়েছে বেশ কিছুটা। সেখান থেকে সাধারণের জন্য এরকম অসাধারণ ভাবনা তৌসিফকে সবার কাছে প্রিয় করে দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, শহরের প্রতি,  ভালবাসা, মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদেই তাঁর এই প্রয়াস।

  • Heat wave: অস্বস্তিকর গরমে নাজেহাল শহরবাসী,বৃষ্টির আশায় কলকাতা

    Heat wave: অস্বস্তিকর গরমে নাজেহাল শহরবাসী,বৃষ্টির আশায় কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে জ্বলছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ (Heat wave in Bengal)৷ দক্ষিণবঙ্গের  সাত জেলায় বুধবারও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল আলিপুর হাওয়া অফিস। কলকাতায় তাপপ্রবাহ না হলেও, গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার জন্য তাপপ্রবাহের মতোই অনুভব হবে বলে মত আবহবিদদের।

    সোমবারের মতো মঙ্গলবারও কলকাতায় গরমে নাজেহাল অবস্থা। চাঁদিফাটা রোদ্দুরে কাহিল শহরবাসী। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, এদিন শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। গতকাল কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। শহরে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৮৯ শতাংশ, ন্যূনতম ৩৪ শতাংশ। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েকদিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমে তাপপ্রবাহ পরিস্থতি বজায় থাকবে। 

    কবে বৃষ্টি: বৈশাখ মাসের ১০ তারিখ হয়ে গেলেও কালবৈশাখীর দেখা নেই। আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির কোনও সম্ভবনাও নেই, বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে সামনের সপ্তাহের শুরুতে সোমবার অর্থাৎ মে মাসের ২ তারিখ থেকে বৃষ্টি হতে পারে।

    গরমে স্কুল: গরমে পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর (Advisory for schools due to heat wave)৷ ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে নিয়ে এসে মর্নিং স্কুল করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার ৷ হাসফাঁস করা গরমে নাজেহাল অবস্থা মানুষের (Bengal Govt advisory for schools)৷ চাঁদিফাটা রোদ্দুরে রাস্তায় বেরনোই দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে ৷ তীব্র দাবদাহে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই ৷ এই অবস্থায় স্কুলপড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর ৷ বিকাশ ভবনের সেই জরুরি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, তাপপ্রবাহ থেকে পড়ুয়াদের বাঁচাতে প্রাথমিক, এসএসকে, এমএসকে থেকে শুরু করে উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ক্লাস গুলির পড়ুয়াদের জন্য মর্নিং স্কুল করতে হবে । অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুলের সময় এগিয়ে নিয়ে এসে সকালে করতে হবে । সূর্য যখন মধ্যগগনে থাকবে, তার আগেই যাতে বাড়ি ফিরে পড়তে পারে পড়ুয়ারা ৷ তাদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে ৷ যে সব স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষে তা করা সম্ভব হবে না, তাদেরকে গরম থেকে পড়ুয়াদের রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে ৷ এ ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বাস্থ্য আধিকারিকদের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে ৷

    গরমে অনলাইন: এই পরিস্থিতিতে খুদে পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে অফলাইন ক্লাস বন্ধ করলvসাউথ পয়েন্ট স্কুল। মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী তিনদিনের জন্য বন্ধ থাকবে অফলাইন ক্লাস। পঠন-পাঠন সচল রাখতে ক্লাস চলবে অনলাইনে। আগামী সপ্তাহে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেইমত আগামী সোমবার থেকে ফের অফলাইন ক্লাস শুরু করা হবে।

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও গরম বজায় থাকবে। গত কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হয়েছে, যার জেরে সেখানে মনোরম পরিবেশ বজায় ছিল। কিন্তু, আগামী কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই সেখানেও তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

LinkedIn
Share