Tag: Heatwave

Heatwave

  • Heatwave: চৈত্র মাসেই পারদ ৪০ পার, এপ্রিল-জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপপ্রবাহ বাংলায়, জানাল মৌসম ভবন

    Heatwave: চৈত্র মাসেই পারদ ৪০ পার, এপ্রিল-জুনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপপ্রবাহ বাংলায়, জানাল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল-জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি দিন তাপপ্রবাহ চলতে পারে! গতকাল সোমবারই আইএমডি যে রিপোর্ট দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে এপ্রিল মাসেই পশ্চিমবঙ্গে ৬ দিন তাপপ্রবাহ চলতে পারে। একইসঙ্গে গরমের অস্বস্তিও তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকতে পারে। শুধু বাংলাতেই নয় প্রতিবেশী রাজ্য বিহার ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা দেখা যাবে।

    পশ্চিমবঙ্গে চৈত্র মাসেই ৪০ পার করল পারদ (Heatwave)

    প্রসঙ্গত, চৈত্র মাসেই পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পারদ (Heatwave) ছাপিয়ে গিয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। কোথাও আবার তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছুঁইছুঁই হয়ে গিয়েছে কয়েক দিন আগেই। যদিও চলতি সপ্তাহেই রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বুধবার থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া জেলাতে। অন্যদিকে শুক্রবার বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, হাওড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও।

    হিট আশঙ্কায় আগাম প্রস্তুতি নিতে বলল কেন্দ্র (Heatwave)

    এই আবহে হিট স্ট্রোকের আশঙ্কায় রাজ্যগুলিকে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলেছে কেন্দ্র সরকার। এজন্য রাজ্যগুলিকে নিজ নিজ এলাকার হাসপাতালগুলিতে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে ইতিমধ্যে। মৌসম ভবন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ বছরের এপ্রিল মাসে দেশে বৃষ্টিপাতের হার মোটের ওপর স্বাভাবিকই থাকতে পারে। গড়ে ৩৯.২ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী বলছেন মৌসম ভবনের প্রধান?

    সাধারণত এপ্রিল-জুন মাসে দেশে গড়ে ৪-৭ দিন প্রবল তাপপ্রবাহ দেখা যায়। তবে মৌসম ভবনের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব ভারত, মধ্য ভারত এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের বেশিরভাগ অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৪ দিন বেশি তাপপ্রবাহ থাকতে পারে। বাংলা ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলি ছাড়াও তাপপ্রবাহ (Heatwave) চলতে পারে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, গুজরাত, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানায়। পাশাপাশি কর্নাটক এবং তামিলনাড়ুর কিছু অংশেও বেশি দিন ধরে তাপপ্রবাহ চলতে পারে।

  • Death for Heatwave: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    Death for Heatwave: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রবেশ করেছে বর্ষা। তীব্র গরম কেটে সবে নিস্তার মিলতে শুরু করেছে। তবে বর্তমানে স্বস্তি মিললেও কিছুদিন আগেও গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল দেশবাসীর। একনাগাড়ে তাপপ্রবাহের জেরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু (Death for Heatwave) হয়েছে বহু মানুষের। কোথাও আবার জল-বিদ্যুতের জন্য হাহাকার। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার তাপপ্রবাহ গত ১৪ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। পরিসংখ্যান বলছে চলতি বছরে গোটা দেশজুড়ে (India) প্রায় ৪০ হাজার মানুষ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে না পেরে একশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। 

    কী জানালেন ডিরেক্টর জেনারেল?

    আবহাওয়া দফতরের পরিভাষা অনুযায়ী ‘হিটওয়েভ ডেজ’-এর একটি তুলনায় দেখা গেছে যে এবছর তাপপ্রবাহ সবচেয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, ‘গ্রীষ্মকালে মোট ৫৩৬ দিন তাপপ্রবাহের শিকার (Death for Heatwave) হয়েছেন দেশবাসী। ১৯০১ সালের পর থেকে দেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে সবথেকে উষ্ণতম মাস ছিল জুন। ২০১০ সালে মোট ৫৭৮ দিন তাপপ্রবাহের শিকার হতে হয়েছিল দেশবাসীকে। ২০২৪ সালের সেই সংখ্যা ৫৩৬ দিন। ২০১০ সালে জুন মাস থেকে একনাগারে ১৭৭ দিন তাপপ্রবাহ চলেছিল। আর ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮১ দিনে। 

    মাসজুড়ে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তালিকা (Death for Heatwave)  

    উত্তর পশ্চিম ভারতে (India) মাসজুড়ে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৯৬ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১.৩৫ ডিগ্রি বেশি। উত্তর-পশ্চিম ভারতে জুন মাসে গড় তাপমাত্রা ৩১.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ও ১৯০১ সালের পর সর্বাধিক।

    তাপপ্রবাহের কারণ

    আবহাওয়াবিদদের মতে, ১০ জুন থেকে ১৯ জুন সময়কালে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার অনুপস্থিতিও উত্তর পূর্ব ভারত ও মধ্য ভারতে তাপপ্রবাহ ও শুষ্ক আবহওয়ার অন্যতম কারণ। অন্যসময় যেখানে ৫ থেকে ১০ জুন-১৯ থেকে ২৫ জুন ও ২৬ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে চার পাঁচটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয় সেখানে এবার মাত্র তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: রথ উপলক্ষে বাংলা থেকে পুরী ৪টি স্পেশাল ট্রেন রেলের, কবে, কখন ছাড়বে?

    উল্লেখ্য, এ বছর রাজস্থানের তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে রাজধানীতে (Delhi) একটানা ৪০ দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। আবহাবিদদের মতে পরিবেশের উপর অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ, নির্বিচারে গাছ কাটা, জলবায়ু দূষণই এই তাপপ্রবাহের মূল কারণ। ফলে বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে উত্তরোত্তর আরও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই এখন থেকেই সংযত না হলে ভবিষ্যতে এর চেয়েও খারাপ দিন দেখতে হবে দেশবাসীকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: গরমের দাপটে দেশে মৃত ৮৭, উদ্বেগ প্রকাশ রাজস্থানের আদালতের

    Heat Wave: গরমের দাপটে দেশে মৃত ৮৭, উদ্বেগ প্রকাশ রাজস্থানের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলছে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব (Heat Wave)। ইতিমধ্যে ব্যাপক গরমের দাপটে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ জনের। সবথেকে আশ্চর্যজনক তথ্য, গত ৩৬ ঘণ্টায় তাপপ্রবাহের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৫-এ। এরমধ্যে পশ্চিম ওড়িশাতে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। উত্তরপ্রদেশে মৃতের সংখ্যা ১৬। বিহারে ৫, রাজস্থানের ৪ এবং পাঞ্জাবে তাপপ্রবাহে মারা গিয়েছেন একজন। তাপপ্রবাহের কারণে মৃত্যুর ইস্যু পৌঁছে গেল আদালতেও। রাজস্থানের আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘‘গরম থেকে মানুষকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। তাপপ্রবাহের আকারে আবহাওয়ার এই চূড়ান্ত পরিস্থিতির কারণে, এই মাসে প্রায় একশো মানুষ মারা গেছে। আমাদের কোনও প্ল্যানেট B নেই, যেখানে আমরা স্থানান্তর হতে পারি। এখনই আমরা কোনও কড়া ব্যবস্থা না নিলে, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ফুটে উঠতে দেখার সুযোগ হারাব।’’

    নাগপুরের পারদ গতকাল পৌঁছায় ৫৬ ডিগ্রিতে

    ইতিমধ্যে বর্ষা প্রবেশ করেছে কেরলে। তবুও অসহ্য গরমে ঝলসে যাচ্ছে দেশের অধিকাংশ রাজ্য। সম্প্রতি দিল্লিতে তাপমাত্রা পারদ চড়েছিল ৫২.৯ ডিগ্রিতে। সেই রেকর্ডকেও ভেঙে দেয় শুক্রবার নাগপুরের তাপমাত্রা। সেখানে গতকাল তাপমাত্রার পারদ পৌঁছায় ৫৬ ডিগ্রিতে। তবে গত বুধবার দিল্লির তাপমাত্রা ৫২ ডিগ্রির ওপরে (Heat Wave) পৌঁছানোর পরেই বিভিন্ন মহল থেকে সন্দেহ দেখা দেয়। সেই সময়ে আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এটা হতে পারে। কারণ অটোমেটিক ওয়েদার স্টেশনগুলি ৩৮ ডিগ্রি ওপরে তাপমাত্রা চলে গেলে ঠিকমতো কাজ করে না তাই তথ্য বিকৃতি হতেই পারে।

    কেন ভুল তথ্য দেখাতে পারে মেশিন

    এক্ষেত্রে হাওয়া অফিসের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, যে মেশিন ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ AWS sensor, তা ইউরোপীয় দেশগুলি থেকে আমদানি করা হয়। সেখানকার তাপমাত্রা এতটা ওপরে ওঠে না। তাই স্বাভাবিকভাবে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেই মেশিন ভুলভাল তথ্য দেখাতে (Heat Wave) থাকে।

    ১০ জুনের মধ্যে বাংলায় পা রাখতে চলেছে বর্ষা

    জুন মাসের প্রথম চারদিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে, এমন পূর্বাভাস আগেই মিলেছিল। সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার, কোথাও ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার হলুদ সতর্কতাও রয়েছে। আজ শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি, এই ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জানা গিয়েছে, ১০ জুনের মধ্যে বাংলায় পা রাখতে চলেছে বর্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি ঘরে! সাময়িক আরাম কি শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?

    Heatwave: গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এসি ঘরে! সাময়িক আরাম কি শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট অব্যাহত। তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ চড়ছে। বাইরে চরম অস্বস্তি। কিন্তু ঘরের ভিতরেও থাকা কষ্টকর হয়ে উঠছে। এর জেরে অনেকেই দিনভর ঘরের ভিতরে এসি চালিয়ে থাকছেন‌। আবার অনেকেই ঘরের তাপমাত্রা ১৭ কিংবা ১৮ ডিগ্রিতে নামিয়ে রাখছেন‌ (Heatwave)। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ছে। দিনভর এই তাপমাত্রায় থাকার জেরে বাড়ছে একাধিক সমস্যা। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এসি ঘরে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকলেই বড় শারীরিক সমস্যা এড়ানো যাবে। এসিতে থাকার কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    দিনভর নয়, দিনের নির্দিষ্ট সময় এসি ঘরে থাকতে হবে (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, এই আবহাওয়ায় কখনই দিনভর এসি ঘরে থাকা উচিত নয়। বরং দিনের কিছুটা সময় আরামের জন্য থাকা যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার তাপমাত্রার সঙ্গে শরীরের তাপমাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে‌। এই ক্ষমতা মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই পেয়েছে। কিন্তু এই চরম তাপমাত্রায় দিনভর এসি ঘরে থাকলে শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের তাপমাত্রার অনেকটাই পার্থক্য হবে। আর এর জেরে শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার (Heatwave) সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা হারাবে‌। এর জেরে কমবে রোগ প্রতিরোধ শক্তি। এর ফলে পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে। বাইরের কাজ করতেও কষ্ট হবে‌। তাই দিনভর এসি চালিয়ে থাকা একেবারেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়।

    ১৭-১৮ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা একেবারেই নয়, কমপক্ষে ২৬-২৭ ডিগ্রিতে রাখতেই হবে

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঘরে এসি চালালে কখনই তাপমাত্রা ১৭-১৮ ডিগ্রিতে রাখা যাবে না। কারণ বাইরের তাপমাত্রা ৪১- ৪২ ডিগ্রির উপরে‌। কোথাও আবার তাপমাত্রা ৪৬-৪৭ ডিগ্রির চৌকাঠ পেরিয়ে গিয়েছে। তাই ঘরের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম থাকলে সমস্যা বাড়বে। ঘরের বাইরে বেরলেই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন, ফুসফুসের সংক্রমণের মতো একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়বে। কারণ তাপমাত্রার বিরাট তারতম্যে (Heatwave) শরীরে একাধিক ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ভারসাম্য বজায় রাখতে ২৬-২৭ ডিগ্রিতে ঘরে এসি চালিয়ে কিছুক্ষণ থাকা যেতে পারে। এর ফলে শরীরে সাময়িক আরাম পাওয়া যেতে পারে। আবার রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

    সকালে কিছু সময় অবশ্যই ঘরের জানালা খুলে রাখতে হবে (Heatwave)

    সূর্যের তাপে নাজেহাল। কিন্তু তারপরেও ঘরে সূর্যের আলো ঢোকা আবশ্যিক। কারণ সূর্যের আলো না ঢুকলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ‌ তৈরি হয়। তাই দিনভর দরজা-জানালা বন্ধ রেখে এসি চলিয়ে রাখা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই ঘরের ভিতরে কিছুটা সময় আলো ঢোকার জন্য জানালা খুলে রাখা জরুরি। অনেক সময়েই সকাল দশটার পরে আর রোদের দাপট নেওয়া যাচ্ছে না। তাই ভোরে জানলা খুলে রাখতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এসি ঘরে দরজা-জানলা বন্ধ থাকার জন্য একাধিক ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষত ফুসফুসের জন্য যা ক্ষতিকারক। তাই ঘরের দরজা-জানালা খুলে রাখা জরুরি।

    শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি

    এই গরমেও এসি ঘরে থাকার জন্য শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পাশপাশি, ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই দীর্ঘ সময় এসি ঘরে থাকায় অভ্যস্ত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। আবার হাঁপানির মতো রোগে আক্রান্তদের ও এসি ঘরে দীর্ঘ‌সময় থাকা এড়িয়ে চলতে বলছেন চিকিৎসকেরা (Heatwave)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে (Heat Wave) জেরবার শহরবাসী। সকাল ৭টা থেকেই গনগনে রোদ। বৃহস্পতিবারেও অস্বস্তিকর (Weather Updat) গরম অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের ১৩টি জায়গায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। সেই তালিকায় আছে কলকাতাও। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। তবে বেলা বাড়লে শুষ্ক গরমের মুখোমুখি হতে হবে। 

    তাপপ্রবাহ জেলায় জেলায়

    বুধবারও তাপমাত্রায় (Weather Updat) রাজ্যের বাকি সব এলাকাকে টেক্কা দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা। সেখানেসর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যে সেটিই সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে মালদহ, বালুরঘাট, উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, ক্যানিং, হলদিয়া, মগরা, পানাগড়, আসানসোল এবং ঝাড়গ্রামে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার কৃষ্ণনগর, বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, বহরমপুর, সল্টলেক, কাঁথি, বর্ধমান, ব্যারাকপুর, বসিরহাট এবং দমদমে তাপপ্রবাহ হয়েছে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    বুধবার রাজ্যের ২৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি ছিল। দমদমে পারদ উঠেছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া, বসিরহাটে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডায়মন্ড হারবারে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুরে ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কৃষ্ণনগরে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুরে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেক ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হলদিয়ায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মগরায় ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোল ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুরে ৪৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Updat) অনুসারে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে শনিবারই উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় মিলতে পারে কালবৈশাখীর স্বস্তি। বুধবার কালবৈশাখীর বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছিল ওড়িশা উপকূলে। ক্রমশ তা পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দিঘা, মন্দারমণি, হলদিয়া, নামখানা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে দিঘা ও নামখানায় সন্ধ্যের দিকে স্বস্তির বৃষ্টি নামে। কলকাতার আাকাশেও মেঘের ঝলকানি চোখে পড়ে। গায়ে পড়ে দু-এক ফোঁটা বৃষ্টি। যদিও তাতে গা ভেজেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বাংলা নয়, তীব্র তাপপ্রবাহে কাহিল দেশের একাধিক রাজ্য। বুধবার ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতাও। সেই তালিকায় প্রথমেই আছে উত্তরপ্রদেশ। লখনউ, বারাণসীর মতো এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি।

    ভারতের কোথায় কোথায় গরম

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের পূর্বাংশ, গুজরাতের কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পুদুচেরী, কর্নাটকে তাপপ্রবাহ হতে পারে। তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ডেও। গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না দিল্লিবাসীরও। বুধবার থেকেই তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে সেখানে। তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি। আগামী তিন দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই রাজধানীতে।

    উষ্ণতম বছর

    ২০২৩ সাল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছরের তকমা পেয়েছিল। তবে মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সেই রেকর্ড হেসেখেলে ভেঙে ফেলবে। নয়া রেকর্ড তৈরি হতে পারে চলতি বছর। সমস্ত রেকর্ড চুরমার করে সর্বকালের সর্বাধিক উষ্ণ বছর হতে চলেছে এটি। এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০২৩ সালের থেকেও বেশি গরম পড়বে ২০২৪ সালে। গত বছর বিজ্ঞানীদের গণনা অনুযায়ী, ০.২ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল পৃথিবীতে। পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে এই ২০২৪ সালে। এর কারণ এল নিনো।

    দগ্ধ এপ্রিলের পর মে মাসেও গরমের লাল সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার বেশ কিছু অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কর্ণাটকের বেশ কিছু অঞ্চলে। আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতাও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Weather Update: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    Weather Update: বুধবারও তীব্র তাপপ্রবাহ দক্ষিণের ৮ জেলায়, জনশূন্য রাস্তাঘাট, ফুটিফাটা জমি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তপ্ত তাওয়ায় জ্বলছে কলকাতা, ৭০ বছর পর ফের রেকর্ড ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস! বুধবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় থাকছে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। তীব্র দাবদাহে নাজেহাল বাংলার জনজীবন। প্রবল গরমে সুনসান রাস্তাঘাট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নিরিখে বাংলা থেকেই রয়েছে দুই জায়গা। গরমে হাঁসফাঁস দক্ষিণ থেকে উত্তর।

    জ্বলছে শহর

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৭.৪ ডিগ্রি বেশি। এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৯ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহ এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে বুধবার। পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ— দক্ষিণের এই আট জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার চৃড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অসহনীয় গরমে মানুষ থেকে শুরু করে গবাদি পশু, বন্য পশু সকলেরই নাজেহাল অবস্থা। জমির অবস্থা ফুটিফাটা। যে সমস্ত সব্জি বা তৈলবীজ চাষ হয় তা-ও গরমে ঝলসে যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের কবলে একের পর এক জেলা, মঙ্গলবার রাজ্যের কোথায় তাপমাত্রা কত ছিল?

    কেন এই পরিস্থিতি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়েছিল তাপপ্রবাহের দাপট। সেই দাপট এখনও অব্যাহত। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও যে তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার মিলবে না, তা জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ৫ মে পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলতে পারে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসা গরম বাতাস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ মে শুক্রবার থেকে একটু একটু করে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। রবিবার থেকে অবশ্য রাজ্যের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলছে তাপপ্রবাহ! দিনভর গরমে (Heatwave) নাজেহাল অনেকেই। কিন্তু তার মধ্যেও অনেকেই বাইরে যাচ্ছেন। কাজের জন্য ভরদুপুরেও অনেককে বাইরে যেতে হচ্ছে‌‌। কিন্তু বেলা বাড়তেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। এর ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে‌। অনেকেই এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কয়েকটি জিনিসে বাড়তি সতর্কতা রাখলেই বড় শারীরিক সমস্যা এড়ানো যাবে। এবার দেখা যাক, কোন কোন জিনিস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং ওআরএস (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে জল এবং ওআরএস রাখতে হবে। কারণ, বাইরের গরমের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আর তার জেরেই ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এমনকী হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও দেখা দিচ্ছে। তাই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল রাখা জরুরি। কিছু সময় অন্তর জল খাওয়া দরকার। এর পাশপাশি ওআরএস রাখতে হবে। যাতে শরীরে শর্করার পরিমাণ ঠিক থাকে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া দরকার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁচা আমে থাকে পটাশিয়াম। তাই শরীরে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকলে, শরীর ঠান্ডা থাকবে‌। পাশপাশি ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে কাঁচা আম। তাই এই গরমে (Heatwave) নিয়মিত কাঁচা আম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। গরম প্রতিহত করতে নিয়মিত টক ডাল, আম পোড়া সরবত খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই বাইরে যাঁদের নিয়মিত যেতে হচ্ছে, তাঁরা অবশ্যই কাঁচা আম দিয়ে তৈরি অন্তত একরকম কোনও রান্না খেয়ে অবশ্যই বাইরে যাবেন।

    তরমুজ ও ডাবের জল খাওয়ার‌ দরকার (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, তরমুজের কয়েক টুকরো অবশ্যই সঙ্গে রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে বাইরের অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। কিন্তু শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার খাওয়া জরুরি। তাই তরমুজের মতো রসালো ফল সঙ্গে থাকা জরুরি। বাড়ি থেকে তরমুজের কয়েক টুকরো কেটে টিফিন কৌটোয় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এই ফলে শরীরে শর্করা এবং জলের চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজের পাশাপাশি এই গরমে যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন তাঁদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। এর জেরে এই গরমেও লিভার ও অন্ত্র ভালো থাকে‌। তাই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানোর পাশপাশি পেটের গোলমাল দূরে রাখতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখা জরুরি

    অনেককে এই গরমেও দীর্ঘ সময় রোদে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের সান স্ট্রোকের (Heatwave) ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ঝুঁকি কমাতে তাঁদের ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার জল দিয়ে চোখ-মুখ ধোয়া দরকার। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। আবার ভিজে তোয়ালে ঘাড় ও মাথায় রাখলে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এতে সান স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমবে‌।

    রঙিন ও প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা নিয়মিত বাইরে যাচ্ছেন, তাঁদের রঙিন সরবত এবং প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই ধরনের পানীয়তে শরীরে একাধিক খারাপ প্রভাব পড়ে‌। শরীরে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি রঙিন সরবত থেকে অনেক সময়েই পেটের গোলমাল হয়। যা এই গরমে বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করবে। তাই এই ধরনের সরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    Heatwave: প্রবল গরমেও ত্বক শুষ্ক, ফাটছে ঠোঁট! কীভাবে যত্ন নেবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ প্রতিদিন বাড়ছে‌। রাজ্যের একাধিক জায়গায় তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করেছেন আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। এই তীব্র গরমে একাধিক শারীরিক সমস্যার মধ্যে দেখা দিয়েছে ত্বকের সমস্যাও। এই গরমে (Heatwave) ত্বকের শুষ্কতা আরও বেড়েছে। ত্বক বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সাধারণত এ দেশের আবহাওয়ায় ত্বকের শুষ্কতা শীতকালে বেশি দেখা যায়। গরমে অতিরিক্ত ঘামে ত্বকে র‍্যাশ জাতীয় সমস্যা কিংবা সান বার্নের মতো অসুবিধায় ভোগেন অধিকাংশ রোগী। কিন্তু এবছরে গরমে বাড়তি সমস্যা তৈরি করছে ত্বকের শুষ্কতা। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরমে ত্বকের বাড়তি যত্ন জরুরি। পাশপাশি কয়েকটি জিনিস এড়িয়ে চললেই শুষ্কতা কমানো যাবে। তবেই এই গরমেও এড়ানো যাবে ত্বকের সমস্যা।

    কোন দিক এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে, আরামের জন্য অধিকাংশই এসির মধ্যে থাকছেন। আর এই অতিরিক্ত এসিতে থাকাই বিপত্তি বাড়াচ্ছে। কারণ, অতিরিক্ত সময় এসিতে থাকলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শুষ্কতা বাড়ে। তাছাড়াও অনেকেই এই সময়ে ছুটির দিনে সুইমিং পুলে সময় কাটান। অতিরিক্ত সময় সুইমিং পুলে থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কারণ, সুইমিং পুলের জলে পিএইচ মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে। তাই ত্বকের শুষ্কতা বাড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে জলের ঘাটতিতে শুষ্কতার সমস্যা বাড়ছে। গরমে (Heatwave) অনেক সময়েই প্রয়োজন‌ মাফিক জল খাওয়া হয় না। যতখানি ঘাম হয়, শরীর থেকে জল বের হয়, ততটা জল খাওয়া হয় না। এর ফলেই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তাই এই তিনটি বিষয়ে নজর দিলে শুষ্কতার সমস্যা কিছুটা কমানো যাবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ঘরোয়া পদ্ধতিতেই কি এই সমস্যার সমাধান রয়েছে? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া জিনিস এই গরমেও ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে, ত্বক ভালো রাখতে বিশেষ‌ভাবে‌ সাহায্য করবে।

    তরমুজ, লেবু, ডাবের জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে (Heatwave) শরীর সুস্থ রাখতে কিছু ফল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়ার পাশপাশি তরমুজ, লেবুর মতো রসালো ফল নিয়মিত খেতে হবে। এগুলো শরীর ও ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না। এছাড়া, লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। তাই লেবুর রস খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। এছাড়াও এই গরম মোকাবিলা করতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাবের জলে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। ত্বক ভালো থাকে।

    সপ্তাহে অন্তত একবার মধু মাখলে কমবে সমস্যা (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সপ্তাহে অন্তত একবার মুখে মধু মাখলে উপকার পাওয়া যাবে। মধু ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। ত্বক‌ মসৃণ করে।

    নিয়মিত টক দই দেবে বাড়তি উপকার

    ত্ব‌ক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই লিভার ভালো রাখে। লিভার সুস্থ থাকলে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমে। তাই এই গরমে (Heatwave) ত্বক ভালো রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া দরকার।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার গরম উত্তরেও

    Weather Update: দক্ষিণবঙ্গে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার গরম উত্তরেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দু’দিন গরম একটু কমলেও বুধ থেকে ফের তাপপ্রবাহের (Weather Update) শঙ্কা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ৷ স্বস্তি নেই উত্তরবঙ্গেও ৷ সেখানেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করল হাওয়া অফিস৷ বুধবার থেকেই তাপপ্রবাহ থাবা বসাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণের আরও কয়েকটি জেলায়। রবিবার পর্যন্ত কলকাতায় তাপপ্রবাহ বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব ক’টি জেলার তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে, এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের ২৩ টি জেলার মধ্যে ১৮ টিতেই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাও।

    চলবে তাপপ্রবাহ

    দক্ষিণের সমস্ত জেলায় রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের কারণে কমলা সতর্কতা (Weather Update) জারি করা হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের পাশাপাশি তীব্র গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ডিগ্রি বেশি। শুক্র ও শনিবার চরমে উঠবে আবহাওয়া ৷

    উত্তরেও গরম

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সতর্কতা (Weather Update) জারি করেছে হাওয়া অফিস ৷ পশ্চিমের জেলাগুলিতেও লু-এর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ৷ দক্ষিণের চরম গরমের রেশ এবার উত্তরবঙ্গেও পড়বে ৷ সেখানেও তাপপ্রবাহের প্রভাব পড়ছে ৷ নীচের দিকে দুই দিনাজপুর এবং মালদাতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া এবং উপরের দিকের পাঁচটি জেলায় ক্রমশ বৃষ্টি কমে যাবে, বাড়বে তাপমাত্রা ৷ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
      

LinkedIn
Share