Tag: Heatwaves

Heatwaves

  • Heatwaves: গরম পড়তেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন? জানেন‌ কী ধরনের বিপদ‌ হতে পারে? 

    Heatwaves: গরম পড়তেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন? জানেন‌ কী ধরনের বিপদ‌ হতে পারে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    এপ্রিল মাসের শুরুতেই তাপমাত্রার পারদ বাড়তে থাকছে (Heatwaves)। আবহাওয়ার এই অস্বস্তির জেরে অনেকেই ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাচ্ছেন। কিন্তু লাগাতার ফ্রিজের জল খাওয়ায় হতে পারে একাধিক বিপত্তি। এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশেষত রোদ থেকে ফিরে ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল খেলে সমস্যা বাড়বে। তাই নিয়মিত ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কিন্তু কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    ব্রেন ফ্রিজের সমস্যা হতে পারে! (Heatwaves)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল খেলে ব্রেন ফ্রিজের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা জল রক্ত সঞ্চালনের উপর সরাসরি আঘাত করে। এর ফলে মস্তিষ্কে এর প্রভাব পড়ে। মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। একেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ব্রেন ফ্রিজ বলা হয়। মাথায় যন্ত্রণা এবং কোনও বিষয়ে মনোনিবেশ করতেও সমস্যা হয়। তাই নিয়মিত ঠান্ডা জল খাওয়ার আগে এই দিকে নজর দেওয়া জরুরি। যদি মাথাব্যথার সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত ঠান্ডা জল না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    হজমের সমস্যা বাড়ে ঠান্ডা জলে!

    নিয়মিত ঠান্ডা জল বিশেষত ফ্রিজে রাখা জল খেলে হজমের সমস্যা বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরমে (Heatwaves) হজমের সমস্যা বাড়ে। তার উপরে ফ্রিজের জল বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা আরও বাড়ায়। কারণ, ফ্রিজের জল মাংসপেশিকে সঙ্কুচিত করে। এর জেরে পেশি‌ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এর জেরে হজম দেরিতে হয়। তাই নিয়মিত ফ্রিজের জল খেলে বিপদ বাড়ে।

    হাত ও পায়ের যন্ত্রণা (Heatwaves)

    নিয়মিত ফ্রিজের জল খেলে হাত ও পায়ের পেশিতে এবং পেটে যন্ত্রণা দেখা দিতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্রিজে রাখা জল দেহের রক্ত সঞ্চালন এবং পেশির উপরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। এর জেরে একদিকে ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয় না, আরেকদিকে পেশিও সঙ্কুচিত হতে থাকে। ফলে, পেটে ব্যথা এবং হাত ও পায়ের যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষত প্রবীণদের এই সমস্যা বেশি হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে তাপমাত্রার ওঠানামা প্রায় হয় (Heatwaves)। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে শ্বাসনালী ও ফুসফুসের একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। ফ্রিজের ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস, সেই বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডা জল খাওয়ার জেরে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাকে নানান সংক্রমণ দেখা দেয়। গলাব্যথার মতো উপসর্গ তা‌ জানান দেয়। আর তার জেরেই ফুসফুসের সংক্রমণ হতে পারে। তাই নিয়মিত ঠান্ডা জল খাওয়ার অভ্যাস ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwaves: তাপমাত্রার পারদ চড়ছে প্রতিদিন! জানেন কীভাবে সুস্থ রাখবেন আপনার সন্তানকে?

    Heatwaves: তাপমাত্রার পারদ চড়ছে প্রতিদিন! জানেন কীভাবে সুস্থ রাখবেন আপনার সন্তানকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  চৈত্র মাসে তাপমাত্রার পারদ রোজই এক-দুই ডিগ্রি বেড়ে চলেছে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ তো এখনও ঢের দেরি। দিন-দিন তাপমাত্রার পারদ এতটাই চড়ছে যে বাড়ির বাইরে পা রাখাই দুষ্কর হয়ে উঠছে। স্কুল তো বন্ধ করা যাবে না। সেশন সব স্কুলেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন পুরোদমে ক্লাস হচ্ছে। নতুন ক্লাস, নতুন বই। তবে এই তাপপ্রবাহে একদিকে যেমন বড়দের অসুস্থতার সম্ভাবনা রয়েছে তেমনই শিশুদেরও অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ রোদে গরমে হুড়োহুড়িতে সর্দিগরম খুব তাড়াতাড়ি ধরে যায়। আবার অনেকেই ডিহাইড্রেশনের শিকার হয়ে নেতিয়ে পড়ে। কারোর কারোর আবার ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা যায়। তাই গরমের তীব্রতা থেকে শিশুদের বাঁচাতে কী কী করণীয় তা এখনই জেনে নিন।

    অভিভাবকেরা কী করবেন

    ● বাচ্চার সঙ্গে জল নিয়ে ঘুরুন। পারলে ছোট ওআরএসের প্যাকেট বাচ্চার সঙ্গে রাখুন। প্রচণ্ড ঘাম হলে জলে মিশিয়ে অথবা গুঁড়ো মুখে ঢেলে জল দিয়ে খাইয়ে দেবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। আপনার বাচ্চার যদি জল তেষ্টা নাও পায়, তাহলেও সারা দিনে ২-৩ লিটার জল খাওয়া মাস্ট!

    ● বাচ্চাকে হালকা সুতির পোশাক পরান। গরমে সব সময় হালকা রঙের সুতির পোশাক পরানোই ভালো। এই ধরনের পোশাক কম তাপ শোষণ করে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া সুতির জামা পরলে গরমের কারণে ত্বকের সংক্রমণ হয় না।

    ● দুপুরবেলায় বাচ্চাকে বেরোতে দেওয়া চলবে না। বরং শিশুকে ঘরের মধ্যে খেলতে দিন। সূর্যের তাপ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময় বাচ্চা যেন বাড়ির বাইরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

    ● রুমাল বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে অনবরত মুখ, কপাল, গলা, ঘাড়ের ঘাম মুছে দিন। নইলে শরীরে ঘাম শরীরে বসে যেতে পারে।

    ● হালকা, তেল-ঝালমুক্ত, পাতলা ঝোলযুক্ত খাবার দিন আপনার খুদেকে। মশলাদার, অতিরিক্ত তেল আছে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে রোজ খাবারের সঙ্গে ঘরে পাতা দই, স্যালাড খাওয়ান।

    ● গরম বেশি পরলে রোজ অন্তত দুবেলা করে শিশুকে স্নান করান।

    আরও পড়ুন: কলকাতা-সহ সাত জেলায় জারি তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা! বৃষ্টি নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    ● বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় ব্যাগে টুপি, ছাতা দিয়ে দিন। টিফিনে শশা দিন। আলাদা বোতলে জলের সঙ্গে গ্লুকোজ মিশিয়ে দিন।

    ● বাইরের গরম থেকে এসেই ফ্রিজের জল দেবেন না। স্নান করাবেন না। এসি ঘরে ঢুকতে দেবেন না। ঘরের তাপমাত্রার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে সময় দিন।

    ● রাস্তার কাটা ফল, ঠান্ডা জল খাবেন না। বরং বাড়িতেই বেশি করে ফল খাওয়ানোর অভ্যাস তৈরি করে ফেলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share