Tag: Heavy Rain

Heavy Rain

  • Delhi Rain: জলের তলায় রাজধানী! বৃষ্টির জমা জলে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা

    Delhi Rain: জলের তলায় রাজধানী! বৃষ্টির জমা জলে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেও তাপপ্রবাহে পুড়ে যাচ্ছিল দিল্লি (Delhi rain)। আর শুক্রবার রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় চলে গেল গোটা শহর। প্রবল বৃষ্টিতে থমকে গিয়েছে রাজধানীর জীবনযাত্রা। বৃষ্টি বিপর্যস্ত রাজধানীতে গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তাঁদের মধ্যে ছজনের মৃত্যু হয়েছে বৃষ্টির জমা জলে ডুবে। মৃতদের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে। এছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট চত্বর সহ দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশনে জল জমেছে। আন্ডাপাসে জলে ডুবেছে গিয়েছে একাধিক গাড়ি। গত দুদিনে ছজনের মধ্যে দুজনের প্রাণ কেড়েছে আন্ডারপাসের নীচের জমা জল। এ ছাড়া রাস্তায় খেলতে খেলতে জলে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

    বৃষ্টির জমা জলে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা (Delhi rain)

    দিল্লির ওখলার আন্ডারপাসে শনিবার সকালে জমা জলে (Heavy Rain in Delhi) ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৬০ বছরের এক প্রৌঢ়ের। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, স্কুটার চালাচ্ছিলেন ওই প্রৌঢ়। আন্ডারপাসের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময়ে তিনি জলে ডুবে যান স্কুটার নিয়েই। তারপর আর বেরিয়ে আসতে পারেননি। যদিও খবর পেয়েই পুলিশ পৌঁছে দিগ্বিজয় কুমার চৌধুরি নামের ওই প্রৌঢ়কে জলের মধ্যে থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। 
    অন্যদিকে, শনিবার দুপুরে দিল্লির সিরসপুর আন্ডারপাসের নীচে মেট্রো স্টেশনের কাছে জমা জলে (Delhi rain) পড়ে মৃত্যু হয় দুজন বালকের। পুলিশ সূত্রে খবর, আন্ডারপাসের নীচে আড়াই থেকে তিন ফুট উচ্চতার জল জমে ছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। বেশ কিছু ক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর জল থেকে দুজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, ওই দুই বালক আন্ডারপাসের কাছেই স্নান করছিল। সে সময়ে জমা জলে পড়ে যায় তারা। 
    শনিবার আরও এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে দিল্লির শালিমার বাগ এলাকায়।  সেখানকার একটি আন্ডারপাসের নীচে জমা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে যুবকের। তাঁর বয়স ২৭ থেকে ২৮ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজাদপুর মান্ডি এলাকায় আংশিক সময়ের শ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তিনি।
    এছাড়া দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবারও উত্তর-পূর্ব দিল্লির নিউ উসমানপুর এলাকায় জমা জলে ডুবে মৃত্যু হয় দুই বালকের। তাদের এক জনের বয়স ৮ বছর এবং অন্য জনের বয়স ১০ বছর। বৃষ্টির জলে (Delhi rain) ভর্তি একটি পাঁচ ফুট গভীর গর্তের পাশে খেলা করছিল তারা। অসাবধানতায় সেখানেই পড়ে যায়। পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘এই জয় ৩-৪ বছরের পরিশ্রমের ফল’’! টি-২০ থেকে অবসর ঘোষণা রোহিতেরও

    ব্যাহত যান চলাচল (Heavy Rain in Delhi) 

    দিল্লিতে শুক্রবার যা বৃষ্টি (Delhi rain) হয়েছে, তা ৮৮ বছরের নজির ভেঙে দিয়েছে। জুন মাসের স্বাভাবিক বৃষ্টির চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি বৃষ্টি হয়েছে এক দিনেই। ফলে রাজধানীর রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। একাধিক জায়গায় গাড়ির ছাঁদ পর্যন্ত জল চলে গিয়েছে, ভেসে বেড়াচ্ছে বাইক। ভিড়ের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে রয়েছে অ্যাম্বুলেন্স। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির (Heavy Rain in Delhi) কারণে ভেঙে পড়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের (Delhi Airport) টার্মিনাল ১-এর ছাঁদ, ব্যাহত মেট্রো চলাচলও। সবমিলিয়ে মরসুমের প্রথম বৃষ্টিতেই জলের তলায় দিল্লির একাংশ।  
    উল্লেখ্য, আগামী দিন বৃষ্টি (Delhi rain) আরও বাড়বে। চার দিন ধরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। সঙ্গে জারি করেছে সতর্কতাও। রাজধানীর বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। ফলে আরও ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain in Delhi) পূর্বাভাসে ত্রস্ত দিল্লিবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain in Delhi: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    Heavy Rain in Delhi: রেকর্ড বৃষ্টিতে ভাসল দিল্লি! আন্ডারপাসে আটকে বাস, স্তব্ধ জনজীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাসছে দিল্লি। ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain in Delhi) জেরে থমকে গিয়েছে রাজধানী। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে , বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। এর ফলে কার্যত জলের নীচে ডুবে গিয়েছে দিল্লির অধিকাংশ এলাকা। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে দিল্লিতে। 

    রেকর্ড বৃষ্টি

    ১৯৩৬ সালের পর এই প্রথম দিল্লিতে (Heavy Rain in Delhi) টানা ২৪ ঘণ্টায় এত পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। ১৯৩৬ সালে পরিমাণ ছিল ২৩৫.৫ মিলিমিটার। সাধারণত জুন মাসে দিল্লিতে গড়ে ৮০.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এবার সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টি হচ্ছে দিল্লিতে। শুক্রবার সকালে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে। জলমগ্ন দিল্লিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    আন্ডারপাসে আটকে বাস

    বৃহস্পতিবার অফিস ফেরত যাত্রীরা প্রায় পথেই আটকে গিয়েছেন। দিল্লির  কাইজজারগঞ্জে কোদিয়া সেতুর আন্ডারপাসে আটকে যায় একটি যাত্রীবোঝাই বাস। প্রায় ৮ ফুট সমান জলে যাত্রীদের নিয়ে আটকে পড়ে বাসটি। আন্ডারপাসের মাঝ বরাবর বাসটি জলের মধ্যে আটকে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে বাসটি আটকে ছিল। আন্ডারপাসের নীচে বাস আটকে পড়ার খবর পুলিশের কাছে পৌঁছয়। তার পরই সেখানে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল আসে। পুলিশ সূত্রে খবর, আটকে পড়া যাত্রীদের বাস থেকে এক এক করে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকাজের জন্য দড়ি এবং লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা হয়েছিল।  পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

    জলমগ্ন বহু রাস্তা

    প্রশাসনের তরফে খবর,  দিল্লি-মেরাঠ হাইওয়ে, নারাইনা-মোতি বাগ রোড, ধৌলা কুঁয়া উড়ালপুল, বীর বান্দা বৈরাগী মার্গ, আজাদ মার্কেট আন্ডারপাস, তিলক সেতু, অরবিন্দ মার্গ, অনুব্রত মার্গ, আইটিও এবং এমস যাওয়ার বহু রাস্তা মথুরা রোড, মুলচাঁদ, মিন্টো রোড, মেহরৌলি, বদরপুর রোড, মান্ডাওয়ালি, ভিখাজি কামা প্লেস, মধু বিহার, তিন মূর্তি মার্গ, প্রগতি ময়দান, মুনিরকা, ধৌলা কুঁয়া, মোতি বাগ, আইটিও এবং নয়ডার বহু রাস্তা প্লাবিত। নীচু এলাকাগুলিতে বাড়ির মধ্যে জল ঢুকে গিয়েছে।

    বিপর্যস্ত বিমানবন্দর

    ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ দিল্লিতে (Heavy Rain in Delhi) তুমুল বৃষ্টির জেরে ভেঙে পড়ে দিল্লি বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১-এর একাংশ। পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি এবং ট্যাক্সি চাপা পড়ে যায় ভেঙে পড়া অংশের নীচে। ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টার্মিনাল ১-এর পরিষেবা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা? 

    Weather Update: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ যখন ভাসছে, তখন জ্বলে খাক দক্ষিণবঙ্গ। টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম। উত্তরের পাহাড় ও ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টি চলছে অনবরত (Heavy Rain in North Bengal)। নদী ছাপিয়ে ভাসতে পারে সমতল। ঘুম উড়েছে তিস্তাপাড়ের। আর ঠিক সেই সময়েই জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। ঘর্মাক্ত রাত কাটছে দিনের পর দিন। বৃষ্টির আশায় দিন গুনছেন মানুষ। তবু তার দেখা নেই। শুক্রবার সকাল থেকেও ভ্যাপসা গরমে সেদ্ধ হচ্ছে শহরবাসী। পশ্চিমের জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ। তবে, শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় টানা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Update)। এদিন বিকেলের পর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার গতিবেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। 

    শহরে বৃষ্টি কবে

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গেছে, কলকাতায় এখনই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী ১৬ এবং ১৭ তারিখ কলকাতায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।  বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৩ ডিগ্রি বেড়ে ৩০.১ ডিগ্রি হয়। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেড়ে ৩৫ ডিগ্রি হতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সকালে ৬৬ শতাংশ। বেলা বাড়লে ৪৭ শতাংশ। বিকেলের দিকে তা ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    তাপপ্রবাহের শঙ্কা

    পশ্চিমের ৩ জেলায় আজ, শুক্রবারও তাপপ্রবাহের সতর্কতা (Weather Update) জারি রয়েছে। শনিবার বিকেল পর্যন্ত তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি এবং তাপপ্রবাহের সতর্কতা পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে। মৃদু তাপপ্রবাহ বা তার অনুরূপ অর্থাৎ ফিল লাইক পরিস্থিতি থাকবে ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়া জেলাতে। চূড়ান্ত অস্বস্তিকর ঘর্মাক্ত আবহাওয়া থাকবে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলাতে। বাকি জেলাতেও গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। ১৫ তারিখের পর আপাতত রাজ্যে কোথাও তাপপ্রবাহ নেই। কয়েকটি জেলায় শুরু হবে বৃষ্টি। এখনই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা না প্রবেশ করলেও দুটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা সক্রিয় হয়েছে। তাঁর প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ১৪ জুন থেকে টানা দু-তিনদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী সপ্তাহে বর্ষা মঙ্গল

    গত ৩১ মে থেকে উত্তরবঙ্গে একই জায়গায় আটকে রয়েছে মৌসুমী বায়ু। উত্তরবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও দক্ষিণবঙ্গে বরুণদেবের কৃপা এখনও পড়েনি। দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে তবেই দক্ষিণে বর্ষা প্রবেশের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, আগামী ২০ জুন মৌসুমী অক্ষরেখা কিছুটা হলেও দক্ষিণবঙ্গের দিকে সরতে পারে। 

    আরও পড়ুন: বৃষ্টি-ধসে বিপর্যস্ত সিকিম, বিপর্যস্ত লাচুং-লাচেন, আটকে ১৫০০ পর্যটক, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

    উত্তরে বন্যার সম্ভাবনা

    উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain in North Bengal) সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ-সিকিমে আরও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আরও ৩-৪ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update)। কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার- শুক্রবার উত্তরের তিন জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহবিদদের শঙ্কা, সিকিম-ভুটানের বৃষ্টিতে ডুবতে পারে উত্তরের সমতল।  বৃহস্পতিবার রাত থেকে উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ধূপগুড়ি শহর-সহ গোটা ডুয়ার্স জুড়ে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। যে কারণে ডুয়ার্সের বিভিন্ন নদীতে  জল বাড়তে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসের শুরুতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। এবার ধীরে ধীরে বঙ্গে (West Bengal) প্রবেশ করবে বর্ষা। জুন মাসের প্রথম চারদিন দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Weather Update) হবে। সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার, কোথাও ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার হলুদ সতর্কতা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরের পাঁচ জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। 

    উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে এই বৃষ্টি। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরের এই ৫ জেলার পাশাপাশি আগামী ১ এবং ২ জুন উত্তর দিনাজপুর ও মালদা জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)  রয়েছে। ভারী বৃষ্টির প্রভাবে নদীগুলিতে জলস্তর বাড়তে পারে। পাশাপাশি ভূমিধস নিয়েও উত্তরের জেলাগুলিকে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া (Weather Update) 

    উত্তরবঙ্গের মত দক্ষিণে অবশ্য ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। তবে আগামী শনিবার এবং রবিবার দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতে ওই দুদিনই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবারের আগে পর্যন্ত বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে বহাল থাকবে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। ফলে বৃষ্টিতে না ভিজলেও ঘামে নাকাল হতে হবে সাধারণ মানুষকে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে ভারত-পাক ম্যাচে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা! কড়া নিরাপত্তা নিউ ইয়র্কে

    রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করছে কবে? 

    রাজ্যে (West Bengal) বর্ষা প্রবেশ নিয়েও এদিন আশার কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরলে মৌসুমী বায়ু প্রবেশের অনুকূল পরিবেশ। আর সেই অনুযায়ী জুন মাসের ১০ তারিখের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা (Weather Update) প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সবটাই নির্ভর করছে কেরলে কবে বর্ষা ঢুকবে তার উপর।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal Update: রেমাল আতঙ্কে ২১ ঘণ্টা বন্ধ বিমান, বন্ধ ফেরি, বাতিল বহু লোকাল

    Cyclone Remal Update: রেমাল আতঙ্কে ২১ ঘণ্টা বন্ধ বিমান, বন্ধ ফেরি, বাতিল বহু লোকাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার মধ্যরাতেই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal Update)। ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেই মতো প্রস্তুতি পর্ব চলছে। এরই মধ্যে ঝড়ের আবহে বিপদ ঠেকাতে তৎপর হয়েছে রেল-বিমান ও ফেরি কর্তৃপক্ষ। সোমবার পর্যন্ত বাতিল থাকছে বহু লোকাল ট্রেন। ২১ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে উড়ান পরিষেবা। রাজ্যের একাধিক স্থানে ফেরি পরিষেবাও বন্ধ থাকবে।

    হাওড়া শাখার কোন কোন ট্রেন পরিষেবা বন্ধ

    জানা গিয়েছে, রেমালের কারণে পূর্ব রেলের (Cyclone Remal Update) একাধিক লোকাল ট্রেনকে বাতিল করা হয়েছে। ২৬ মে হাওড়া-ব্যান্ডেল ও সিঙ্গুর শাখায় একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল থাকছে। ইতিমধ্যে যাত্রীদের সুবিধার্থে কোন কোন ট্রেন বাতিল থাকছে তার তালিকাও দিয়েছে পূর্ব রেল। ২৬ তারিখ হাওড়া-ব্যান্ডেল হাওড়া শাখায় বাতিল থাকছে- 37211, 37213, 37215, 37221, 37229, 37235, 37239, 37241, 37247 লোকাল। অন্যদিকে ডাউন শাখায় বাতিল থাকছে 37212, 37214, 37218, 37222, 37226, 37228, 37232, 37236, 37240 লোকাল। অন্যদিকে হাওড়া সিঙ্গুর শাখায় বাতিল থাকছে- আপ 37303, ডাউন 37304 লোকাল।

    শিয়ালদা শাখার কোন কোন ট্রেন বন্ধ

    হাওড়া শাখার পাশাপাশি শিয়ালদা শাখাতেও লক্ষীকান্তপুর, বজবজ, ক্যানিং, ডায়মন্ডহারবারে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিল করেছে পুর্ব রেল। সোমবার বাতিল থাকছে এই ট্রেনগুলি (Cyclone Remal Update)। শিয়ালদা শাখায় যে সমস্ত ট্রেন বাতিল থাকছে সেগুলি হল-

    ২৬ তারিখ রবিবার বাতিল খাতায় থাকছে 

    লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানা: 34914 ডাউন/34935 আপ

    শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর 34754 ডাউন/34757 আপ

    শিয়ালদা-বজবজ শাখায়: 34166 ডাউন/34165 আপ

    শিয়ালদা-ক্যানিং শাখায়: 34554 ডাউন/34557 আপ

    শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার শাখায় : 34860 ডাউন/34859 আপ

    ২৭ তারিখ সোমবার বাতিল খাতায় থাকছে 

    লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানা: 34914 ডাউন/34935 আপ, 34916 ডাউন/34937 আপ, 34981 আপ

    শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর: 34712 ডাউন/34711 আপ, 34714 ডাউন/34713 আপ, 34716 ডাউন/34715 আপ, 34717 আপ

    শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার: 34812 ডাউন/34811 আপ, 34814 ডাউন/34813 আপ, 34816 ডাউন/34815 আপ

    শিয়ালদা-ক্যানিং: 34352 ডাউন/34511 আপ, 34354 ডাউন/34513 আপ

    শিয়ালদা-সোনারপুর: 34412 ডাউন/34411 আপ

    শিয়ালদা-বজবজ: 34112 ডাউন/34111 আপ, 34114 ডাউন/34113 আপ

    শিয়ালদা-বারুইপুর: 34612 ডাউন/34611 আপ, 34614 ডাউন/34613 আপ

    শিয়ালদা/বারাসাত-হাসনাবাদ: 33511 আপ/33512 ডাউন, 33311 আপ/33514 ডাউন, 33313 আপ/33312 ডাউন

    বন্ধ ফেরি সার্ভিস

    ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ইতিমধ্যে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে। যেমন, গঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং চলছে। নদী তীরবর্তী বাঁধের পাশে যে সমস্ত বসতি গড়ে উঠেছে, সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আবেদন করা হচ্ছে। গঙ্গায় যাঁরা মাছ ধরতে যান, নৌকা করে, তাঁদেরও নদীতে (Cyclone Remal Update) যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ২৫ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত হুগলি জেলার সমস্ত ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। একই চিত্র দেখা গেছে হাওড়াতেও। সেখানেও রবিবার সোমবার সম্পূর্ণভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে গেলে ফেরি চলাচল পুনরায় চালু হবে।

    ২১ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে বিমান পরিষেবা 

    অন্যদিকে, বিমান পরিষেবাও বন্ধ থাকবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে। ইতিমধ্যে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার দুপুর বারোটা থেকে ২১ ঘন্টা অর্থাৎ সোমবার সকাল ন’টা পর্যন্ত সমস্ত বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকবে কলকাতা বিমানবন্দরে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal Update: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    Cyclone Remal Update: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটবঙ্গে প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে রেমাল (Cyclone Remal Update)। শনিবার রাতেই বঙ্গোপসাগরের ওপরে জন্ম নিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। ধীরে ধীরে তা এগিয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলার দিকে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান সাগরদ্বীপ থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দূরে। অন্যদিকে ক্যানিং থেকে এই দূরত্ব ৩৬০ কিলোমিটার বলে জানা গিয়েছে। ২৬ মে রবিবারে মধ্য রাত্রিতে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মাঝে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

    রবিবার ভোর থেকেই শুরু বৃষ্টি

    রবিবার ভোর থেকেই সুন্দরবন সহ কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা সহ একাধিক জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, বেলা বাড়তেই দুর্যোগও বাড়তে থাকবে। সন্ধ্যা থেকে দুর্যোগের পরিমাণ প্রবল হবে। তখন থেকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব টের পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন হাওয়া অফিসের কর্তারা। ইতিমধ্যে এ নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বিকাল পাঁচটার পর অতি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Remal Update) আসার আগে সকাল থেকে দুর্যোগের কালো মেঘে ঢেকেছে সুন্দরবনের আকাশ। সেখানে শুরু হয়েছে ঝড়-বৃষ্টি। এর মধ্যেই চলছে ফেরি সার্ভিস। কারণ প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য ফেরিই সুন্দরবনের একমাত্র ভরসা। তবে রাত থেকেই তা বন্ধ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে সুন্দরবনের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এদিক-ওদিক যেতে শুরু করেছেন।

    ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    অন্যদিকে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত (Cyclone Remal Update) হতে পারে। এর সঙ্গে ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় চরমভাবে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এই জেলাগুলিতে ঘন্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। এর পাশাপাশি নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রেমালের প্রভাবে সোমবারও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান ও বীরভূমে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেখানে জারি করা হয়েছে কমলা সর্তকতা। এর পাশাপাশি ঘন্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝড়ও বইতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: পুজোর আগে অতি বর্ষণে উত্তরবঙ্গে বন্যার ভ্রুকুটি! দুশ্চিন্তায় পর্যটকরা

    North Bengal: পুজোর আগে অতি বর্ষণে উত্তরবঙ্গে বন্যার ভ্রুকুটি! দুশ্চিন্তায় পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি। দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু এর মধ্যে নিম্নচাপের কারণে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণে বিপর্যয়ের মুখে উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষের জীবন। পুজোর প্যান্ডেল থেকে শুরু করে পুজোর কেনাকাটাকে ঘিরে ব্যবসায় মন্দার প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি উৎসবের সময়ে ধাক্কা খেতে পারে পর্যটন শিল্পও। টানা বৃষ্টির ফলে উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উত্তরবঙ্গে (North Bengal) তিস্তা-তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক, সঙ্কোশের মতো পাহাড়ি নদীগুলিতে জলের স্তর বেড়েছে। ফুঁসছে নদীগুলি। বৃষ্টির পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে, তিস্তায় সম্ভব হচ্ছে না জল ধরে রাখা।

    জলপাইগুড়িতে বন্যা সতর্কতা (North Bengal)

    জলপাইগুড়ি জেলা (North Bengal) প্রশাসন ইতিমধ্যেই নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে মানুষকে সরাতে শুরু করেছে। সিকিম পাহাড়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ড্যাম ভেঙে যাওয়ায় জলপাইগুড়ির তিস্তায় দু-কূল ছাপিয়ে বন্যার আশঙ্কা। নদীর পাড়ের এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। নদীর চর এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিস্তায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে সেচ দফতর।  তিস্তা নদীতে পাহাড় থেকে নেমে আসা জলে এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। 

    গাজলডোবা ব্যারাজ থেকে ছাড়া হচ্ছে জল

    তিস্তার (North Bengal) গতিপথের দু পাশে পড়ছে গাজলডোবা ব্যারাজ, দোমহনি, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি শহর। তিস্তার বৃদ্ধি পাওয়া জলস্তরের জেরে ওই সব এলাকাই প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশেরও বিস্তীর্ণ এলাকাও। সকাল সাতটা নাগাদ গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে ৭ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। যা এখনও পর্যন্ত এ বছরে পরিমাণের অঙ্কে সর্বোচ্চ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

    অপর দিকে গজলডোবা ব্যারেজে ভেসে আসছে মৃতদেহ। এখন পর্যন্ত ২টি মৃতদেহ দেখা গিয়েছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।তিস্তার জলে গজলডোবা ব্যারেজে ভেসে আসছে জীবজন্তু, গাড়ি, সিন্দুক, গ্যাস সিলিন্ডার। সেইসব জিনিস উদ্ধার করতে ব্যস্ত এলকার মানুষ। গজোলডোবা ব্যারেজে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছে। 

    জলমগ্ন দার্জিলিং

    শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং এবং দার্জিলিং (North Bengal) যাওয়ার বিকল্প রাস্তার উপর থেকেই বইছে জল। প্রাথমিক ভাবে জানতে পারা গিয়েছে, রাতে হু হু করে জল ঢুকে পড়ে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দা জানাচ্ছেন যে, আচমকাই জলস্তর দোতলা বাড়ির সমান বেড়ে গিয়েছে। এলাকার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জল ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সেই কারণেই জল ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের (North Bengal) জেলাগুলির মধ্যে বুধবার কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। ওই তিনটি জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাছাড়া দার্জিলিং, কোচবিহার, মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টি হবে। ওই জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে।

     প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন রাজু বিস্তা

    সিকিমের বিপর্যয় নিয়ে দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা৷ চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রীকে। চিঠিতে বলেন, “সিকিমের হড়পা বানের প্রভাব উত্তরবঙ্গেও পড়বে। উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির ফলে তিস্তার জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এর প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং, সিকিম ও কালিম্পং জেলায়৷” তিনি আরও বলেন, “সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনকে আরও জানিয়েছি বুধবার সকাল ছ’টা থেকেই বিপদসীমার ৩ মিটার উপরে বইছে জল৷ কালিম্পং জেলার ডিএম-এর সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি, এ ছাড়া ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর তৈরি আছে বিশেষ বিপর্যয় মোকাবিলা দল৷ এই তিন পার্বত্য এলাকার বেশ কিছু অংশ হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে৷ শিলিগুড়িতেও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল অপেক্ষা করছে, যদি কোনও বড় প্রয়োজন হয়, তা হলে অবশ্যই দল দ্রুত পৌঁছে যাবে৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh: হড়পা বান, ভূমিধসের কারণে হিমাচলে মৃত্যু বেড়ে ৫০, বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডও

    Himachal Pradesh: হড়পা বান, ভূমিধসের কারণে হিমাচলে মৃত্যু বেড়ে ৫০, বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ ছুঁয়েছে। কোথাও হড়পা বান, কোথাও প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, প্রকৃতির এই প্রলয়ে হিমাচলের (Himachal Pradesh) জীবন সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের সিমলা-কালকা রেলপথের একাংশ ভেসে যেতে দেখা গিয়েছে জলের তোড়ে। পাশের রাজ্য উত্তরাখণ্ডেরও অনেকটাই একই অবস্থা। প্রবল ভূমিধসের কারণে সেখানে আপাতত স্থগিত রয়েছে চারধাম যাত্রা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, হিমাচলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ। 

    রবিবার রাতেই সোলান জেলায় মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ১১ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে সিমলা শহরের একটি শিব মন্দির ধসে পড়েছে অতি বৃষ্টির কারণে। মৃত্যুর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ মনে করা হচ্ছে যে কংক্রিটের নিচে এখনও চাপা পড়ে রয়েছেন অনেকজন। এর পাশাপাশি হিমাচল (Himachal Pradesh) এর মান্ডি জেলায় সম্বল গ্রামে হড়পা বানে সোমবার ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

    কী বলছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী?

    হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু জানিয়েছেন, দুর্যোগের মোকাবিলায় সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিগত কয়েকদিন ধরে হিমাচলে (Himachal Pradesh) একনাগাড়ে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে সমস্ত নদীর। খরস্রোতা বিপাশা নদীর জল বিপদ সীমার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিনই নামছে ধস। যার জেরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সড়ক। জানা গিয়েছে হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ড মিলিয়ে প্রায় ৭০০ রাস্তা আপাতত বন্ধ রয়েছে। চলছে মেরামতির কাজ। তবে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের থেকে রেহাই এখনই মিলবে না বলে জানা যাচ্ছে।

    মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে মৃত ১১ 

    রবিবার রাতে সোলান জেলার একটি গ্রামের বাসিন্দারা প্রচণ্ড গর্জন শুনতে পান। কিছু বুঝে ওঠার আগে এই মেঘভাঙা বৃষ্টির প্রবল জলস্রোত আছড়ে পড়ে। ভাসিয়ে নিয়ে যায় বেশ কিছু বাড়িঘর। মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। তার মধ্যে জানা গিয়েছে একটি পরিবারের সাত সদস্যই মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে মারা গিয়েছেন। 

    টানা বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ড

    অন্যদিকে একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ডও। সেখানকার একাধিক জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বেশ কয়েকটি জাতীয় সড়কের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত ভারী বৃষ্টির জেরে চলছে ভূমিধস। এখনও পর্যন্ত বিপর্যয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬০ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১৭ জন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ১,১৭৯ টি বাড়ি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: ফের সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত, বুধবার থেকেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে

    West Bengal Weather: ফের সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত, বুধবার থেকেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার ও উত্তর প্রদেশের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে শনি ও রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত (West Bengal Weather) হয় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে। হাওয়া অফিসের মতে, ফের নতুন করে তৈরি হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত, আর এর জেরে বুধবার থেকেই ফের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে। জানা গিয়েছে, মৌসুমী অক্ষরেখার বর্তমান অবস্থান হল উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর, বিহারের ভাগলপুর হয়ে মালদা এবং সেখান থেকে মণিপুর পর্যন্ত। অন্যদিকে সিকিম থেকে একটি অক্ষরেখা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের উপর দিয়ে সরাসরি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর (West Bengal Weather) পর্যন্ত গিয়েছে।

    উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া  (West Bengal Weather)

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এছাড়া বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ। অন্যদিকে ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধ-বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে ১৫ অগাস্ট থেকে উত্তরবঙ্গে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে চলবে ভারী বৃষ্টিপাত (West Bengal Weather)। অন্যদিকে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর রয়েছে হালকা বৃষ্টি সম্ভাবনা

    উত্তরবঙ্গে হড়পা বানের সতর্কতা

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতে থাকলেও উত্তরবঙ্গে এ বছরের বর্ষাকালে বেশ ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর জেরে লাল সতর্কতা জারি করা হল তিস্তা, জলঢাকার মতো একাধিক উত্তরবঙ্গের নদীতে (West Bengal Weather)। প্রায় প্রতিটি নদীরই জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে তিস্তা ব্যারেজ থেকে ৩৫০৬ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। ভুটানেও লাগাতার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার জেরে জলঢাকা নদীতে লাল সর্তকতা জারি করা হয়েছে এবং কিছু জায়গায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এই পাঁচ জেলা হড়পাবানের (West Bengal Weather) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবারই সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করে চেল নদীতে নেমেছিল একটি ট্রাক্টর এবং নদীর জলস্রোত ওই ট্রাক্টরকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। পরবর্তীকালে ক্রেনের সাহায্যে তা তোলা হয়। জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা প্রায় ১০০ বাড়ি জলবন্দী হয়ে পড়ার খবর মিলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিকাশি ব্যবস্থার ঠিক না থাকার কারণে এই জল জমার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ করতে দেখা গেছে সেখানকার বাসিন্দাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: অতিভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল! তেলেঙ্গানায় মৃত ১১, দিল্লিতে ফের শুরু বৃষ্টি

    Heavy Rain: অতিভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল! তেলেঙ্গানায় মৃত ১১, দিল্লিতে ফের শুরু বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা নামার (Heavy Rain) পর থেকেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে উত্তরাখণ্ডের জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। একই অবস্থা হিমালয়ের কোলে অবস্থিত অপর রাজ্য হিমাচলেরও। বিগত একমাস ধরে দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম একাধিক রাজ্য বন্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘরের বদলে দিন কাটছে ত্রাণ শিবিরে। রাজ্যে রাজ্যে বেড়েই চলেছে বন্যায় মৃতের সংখ্যা। শুক্রবারও দক্ষিণের রাজ্য তেলেঙ্গানায় বন্যার কারণে ১১টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর। নতুন করে আবার ভারী বর্ষণ (Heavy Rain) শুরু হয়েছে দিল্লিতে। যার জেরে রীতিমতো উদ্ধিগ্ন রাজধানীর বাসিন্দারা। মহারাষ্ট্র, গুজরাট, উত্তর পূর্বে অসম রাজ্যেও বন্যা পরিস্থিতি তেরি হয়েছে।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল

    ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) কারণে ধসের খবর প্রতিদিনই মিলছে দেবভূমিতে। শুক্রবার জলের প্রবল দাপটে ভেসে গেল বদ্রীনাথ জাতীয় সড়কের একাংশ। যার জেরে ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। শুক্রবার রাত থেকে আবারও অতি ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে চামোলি জেলায়।  শুক্রবার সকালেও উত্তরাখণ্ডের বেশ কয়েকটি এলাকায় ধস নামার খবর আসতে থাকে। গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে যায় ধসের জেরে। অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে হিমাচলেও। সূত্রের খবর, ভারী বৃষ্টির কারণে ধস নেমেই চলেছে এই রাজ্যে। শুক্রবার সিমলার ৫ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ধসের কারণে। পাশাপাশি চলছে মেঘভাঙা বৃষ্টি। গত মঙ্গলবার কুলুতে মেঘভাঙা বৃষ্টি (Heavy Rain) হয়। যার জেরে দুটো সেতু ভেঙে পড়ে। পাঁচটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    রাজধানীতে ভারী বৃষ্টি! দিল্লিবাসীর উদ্বেগ বাড়ছে

    শনিবাকর সকাল থেকেই দিল্লিতে চলছে অতিভারী বর্ষণ (Heavy Rain)। যার জেরে রাজধানীর একাধিক এলাকায় জল জমার খবর মিলেছে। আগামী কয়েক দিন এমন বৃষ্টিপাত চলবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। অন্য দিকে এখনও বিপদসীমার উপরেই বইছে যমুনা। তবে নদীর জলস্তর ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় জল কমিশন বলছে, শনিবার সকাল ৬টায় যমুনার জলস্তর ছিল ২০৫.৩৬ মিটার। যমুনার বিপদসীমা ২০৫.৩৩ মিটার। ফলে বিপদসীমার উপরেই বইছে যমুনা। 

    তেলেঙ্গানাতে শুক্রবার বন্যার কারণে ১১ জনের মৃত্যু

    উত্তর ভারতের মতোই এখন বন্যা পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত তেলেঙ্গানা। জেলায় জেলায় একাধিক এলাকায় জল ঢুকেছে (Heavy Rain) বাড়িতে। এরমাঝে আবার বিপদ বাড়িয়েছে হড়পা বান। এর আগে ৯ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। শুক্রবারে আরও ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা (NDRF)। জানা গিয়েছে, আচমকা হড়পা বান চলে আসে বেশ কিছু এলাকায়। আর তাতেই জলের তোড়ে ভেসে যান একাধিক গ্রামের মানুষজন। এরমধ্যে ৩ জন নিঁখোজ ব্যক্তির সন্ধান চালাচ্ছে প্রশাসন। তেলঙ্গানার একটি গ্রাম ফুট জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে বলে খবর। প্রাণ বাঁচাতে গাছের ডালেও আশ্রয় নিচ্ছেন মানুষজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share