Tag: Helicopter

Helicopter

  • Toto: রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হেলিকপ্টার টোটো! কোথায় জানেন?

    Toto: রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হেলিকপ্টার টোটো! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও ঘুরপাক খায় বীরভূমের এক রাজমিস্ত্রির নিজের হাতে বানানো বাড়িটি। মনে আছে? একদম বাসের আদলে নিজের বসত বাড়ি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ওই রাজমিস্ত্রি। তার আগে কলকাতায় দেখা গিয়েছিল ট্রামের কামরার আদলে চায়ের দোকান। কেটলির আকারে ফুটপাতের চায়ের স্টল বা বাড়ির ছাদে ফুটবলের আকৃতির জলের ট্যাঙ্ক ইত্যাদি তো রাজ্যের অনেক গাঁ গঞ্জেও এখন দেখা যায়। কোন গ্রামের যুবকের তৈরি অভিনব সাইকেল, বাইক ইত্যাদিও মাঝে মাঝে সংবাদের শিরোনামে উঠে আসে। এবার সামনে এলো একেবারে হেলিকপ্টারের মতো দেখতে টোটো (Toto)। “চাকদা এক্সপ্রেস” ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর নিজের শহরে হেলিকপ্টার টোটো এখন এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নদিয়ার চাকদহের এক যুবক গৌতম মালাকার এমন অদ্ভুত টোটো (Toto) বানিয়ে নজর কাড়লেন।

    কেন এই অভিনব ভাবনা?

    গৌতম পেশায় মেকানিক। চাকদহ চৌরাস্তার কাছে সাইকেল, টোটো ইত্যাদি বিক্রি ও সারাইয়ের দোকান আছে তাঁর। দোকানে অন্য কর্মচারী থাকলেও মেরামতির মূল কাজটা নিজের হাতেই করেন। কারিগরী বুদ্ধি দিয়ে নিজের হাতে নতুন কিছু একটা তৈরি করার ব্যাপারটা তাড়া করে বেড়ায় গৌতমকে। সেই ভাবনা থেকেই একদম হেলিকপ্টারের মতো দেখতে একটা টোটো (Toto) বানিয়ে ফেলেছেন তিনি। রাস্তায় চলা হেলিকপ্টার তৈরির কাজ শেষ হওয়ার আগে থেকেই তার দোকানে ভিড় করছিলেন স্থানীয় লোকজন। এরপর সেই টোটোতে (Toto) কোন আরোহী আগে চাপবেন সেই আবদারও শুরু হয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে এই অদ্ভুত দর্শন টোটো (Toto) পথে নামাতে গিয়ে যাত্রী পিছু দশ টাকা করে নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু, বাস রাস্তায় বা শহরের অলি গলিতে হেলিকপ্টারের মতো দেখতে টোটো (Toto) চলছে দেখে তাতে চড়া এবং সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। পথে থাকা সাধারণ টোটো (Toto) ছেড়ে এই টোটোতে ওঠার আবদার বাড়তে থাকে। কিন্তু, এই টোটো (Toto) নিয়মিত পথে নামলে বন্ধু টোটো চালকদের ভাড়া কমে যাবে বলে মন কাঁদলো হেলিকপ্টার টোটোর (Toto) নির্মাতা গৌতমের। তাই মত বদলালেন তিনি। গৌতমবাবু বলেন, সব সময় নতুন কিছু করতে মন চাইত। নিজের বুদ্ধি দিয়ে এটা তৈরি করে ফেললাম। এই অল্প সময়ের মধ্যে এত জনপ্রিয় হয়ে যাবে তা ভাবতে পারিনি। তাই, অন্য টোটো (Toto) চালকদের ব্যবসার ক্ষতি হোক তা আমি চাই না। তাই, ঠিক করেছি, বিয়ে, অন্নপ্রাশন, জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠান বাড়িতে এই টোটো (Toto) ভাড়া দেব।

    হেলিকপ্টার টোটোর মধ্যে কী কী আছে?

    ভিতরে চারটে আসন। গদি আঁটা। লাইট অ্যান্ড সাউন্ডে ভিতরের পরিবেশ সাজাচ্ছেন এখনও। চালকের আসন, স্টিয়ারিং, বাইরের দিকের  জানালা, হেলিকপ্টারে ওঠার ধাপ, কিংবা বাইরের ছাদে ফ্যান ইত্যাদি হেলিকপ্টারের আদলেই জোড়া হয়েছে। দু লক্ষ টাকার বেশি খরচ হয়ে গিয়েছে বলে দাবি টোটোর (Toto) মালিকের। আসল হেলিকপ্টারে নিজে চড়ার সুযোগ পাননি গৌতম। তাতে কী ! নিজের সখ কিছুটা তো মিটলো। এখন অনেকের মুখে সেই দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে দিতে চান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াংয়ে কপ্টার দুর্ঘটনায় কপ্টারে থাকা সব জওয়ানেরই মৃত্যু হয়েছে। মৃত পাঁচ জওয়ানের দেহ উদ্ধার হওয়ার পর জানা গিয়েছে একথা। শুক্রবার সকালে রুটিন মহড়া চলছিল অরুণাচল প্রদেশে। আচমকাই আপার সিয়াংয়ের মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার (Airforce Helicopter)। ভেঙে যাওয়া কপ্টারটি অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার। সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল রওনা দেয় অকুস্থলের দিকে। তবে এলাকাটি দুর্গম। তাই ব্যাহত হয় উদ্ধার কাজ। পরে অবশ্য উদ্ধার হয় পাঁচ জওয়ানের দেহ।

    জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে আগেই কপ্টারটির চালকের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন পায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল। এও জানানো হয়, যান্ত্রিক কিংবা প্রযুক্তিগত কারণে কপ্টারে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সাহায্য চাই। সেনার দাবি, এদিন আবহাওয়া পরিষ্কার ছিল। চালকও ছিলেন অভিজ্ঞ। জারি করা বিবৃতিতে সেনার তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছিল, সেই জায়গায় পৌঁছানো ছিল চ্যালেঞ্জের। পাহাড়ে ঘেরা দুর্গম জায়গা, ঘন জঙ্গলে ঢাকা। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, কপ্টার পাইলটের টানা ৬০০ ঘণ্টার বেশি সম্মিলিত উড়ানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কপ্টারটি সার্ভিসিং করা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার যে কপ্টারটি ভেঙে পড়ে, সেটি হাল রুদ্র। কপ্টারটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি এই কপ্টারটি একটি অ্যাটাক কপ্টার। এটি তৈরি করেছিল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিস্ক লিমিটেড। ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ভ্যারিয়েন্ট এটি। কপ্টারটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত। এদিকে, সেনা সূত্রে খবর, গত পাঁচ বছরে কপ্টার ও এয়ারক্র্যাফ্ট দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। ২০১৭ সাল থেকে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে সশস্ত্র বাহিনীর ২০ চপার। এই দুর্ঘটনাগুলিতে সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। জখম হয়েছেন ২৫ জন। ৫ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশেই ভেঙে পড়েছিল একটি সেনা কপ্টার। সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন কপ্টারটির পাইলট। এবার প্রাণ হারালেন কপ্টার চালক সহ মোট পাঁচজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Airforce Helicopter: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    Airforce Helicopter: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের ব্যবধান মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। ফের দুর্ঘটনার কবলে কপ্টার। দু দিন আগেই কেদারনাথে পুণ্যার্থী বোঝাই হেলিকপ্টার ভেঙে মৃত্যু হয়েছিল ছ জনের। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের কপ্টার দুর্ঘটনা। শুক্রবার সকালে সেনা বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার (Airforce Helicopter) ভেঙে পড়ে অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh)। এদিন দুপুর পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।

    জানা গিয়েছে, এদিন রুটিন মহড়া চলছিল অরুণাচল প্রদেশে। আচমকাই আপার সিয়াংয়ের মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার (Airforce Helicopter)। ভেঙে যাওয়া কপ্টারটি অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকারী দল রওনা দিয়েছে অকুস্থলের দিকে। তবে এলাকাটি দুর্গম। তাই বিলম্বিত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশেই ভেঙে পড়েছিল একটি সেনা কপ্টার (Airforce Helicopter)। সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন কপ্টারটির পাইলট। গুয়াহাটির প্রতিরক্ষা পিআরওর তরফে জানানো হয়েছে, লিকাবলি এলাকা থেকে উড়ান শুরু করতেই মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে কপ্টারটি। তবে কপ্টারটিতে কতজন ছিলেন, তাঁরা কে কে, তা জানানো হয়নি। সিয়াং জেলার পুলিশ সুপার জুম্মার বাসার বলেন, যেখানে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়েছে, সেখানে গাড়ি করে যাওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। কপ্টার দুর্ঘটনার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ভারতীয় সেনার অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবরে আমি খুবই চিন্তিত। অরুণাচল প্রদেশের এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।

    জানা গিয়েছে, এদিন যে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছে, সেটি হাল রুদ্র। কপ্টারটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি এই কপ্টারটি একটি অ্যাটাক কপ্টার। এটি তৈরি করেছিল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিস্ক লিমিটেড। এটি ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ভ্যারিয়েন্ট। কপ্টারটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত। এহেন গুরুত্বপূর্ণ একটি কপ্টার কীভাবে ভেঙে পড়ল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

     

     

     

  • MH-60R Helicopter: শক্তি বাড়াল নৌসেনা! মার্কিন দেশ থেকে ভারতে এল দুটি এম এইচ -60R চপার

    MH-60R Helicopter: শক্তি বাড়াল নৌসেনা! মার্কিন দেশ থেকে ভারতে এল দুটি এম এইচ -60R চপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় নৌসেনা (Navy)। এবার সমুদ্রে চিন ও পাকিস্তানকে (China and Pakistan) টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা হাতে পেল নৌসেনা। প্রতিরক্ষা ক্ষত্রে আরও একধাপ এগিয়ে  সাবমেরিন ধ্বংসকারী MH-60R হেলিকপ্টার এসে গেল ভারতে। দুটি এমএইচ ৬০ আর মাল্টি রোল হেলিকপ্টার বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US) থেকে ভারতে এল। ভারতের নৌসেনায় যে ২৪ টি হেলিকপ্টার সংযোজনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এই হেলিকপ্টারগুলি তার মধ্যে অন্যতম। এই চপারগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সি সেভেন্টিন হেভিলিফ্ট এয়ারক্রাফ্ট থেকে উড়ে এসেছে।

    আরও পড়ুন: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিক্রান্ত হাতে পেল নৌসেনা! জানুন কবে থেকে কাজ করবে এই রণতরী

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২০ সালে ২৪ টি লকহিড মার্টিন (Lockheed Martin-Sikorsky) এমএইচ ৬০ আর হেলিকপ্টারের অর্ডার দিয়েছিল ভারত। দুই দেশের সরকারের মধ্যে ১৪ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতীয় নৌসেনায় অ্যান্টি সাবমেরিন ও অ্যান্টি সারফেস যুদ্ধে (anti-submarine/anti-surface warfare) এই বিশেষ চপার কার্যকরী ভূমিকা নিতে চলেছে। সমুদ্রের যত গভীরেই শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ঘাপটি মেরে থাকুক না কেন, সেগুলিকে খুঁজে বার করে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম এই হেলিকপ্টারগুলি। এই নয়া হেলিকপ্টারগুলি ব্যাবহার করে ভারত মহাসাগরে চিন ও পাকিস্তানের মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া প্রথম তিনটি এমএইচ ৬০ আর হেলিকপ্টার নৌসেনার কর্মীদের জন্য ব্যবহার করা হয়। জানা গিয়েছে, এরপর ৩ টি হেলিকপ্টার কোচিতে এসে পৌঁছনোর কথা। তারমধ্যে বৃহস্পতিবার দুটি হেলকপ্টার ভারতের মাটি ছুঁয়েছে। এরপর পরবর্তী হেলিকপ্টার ২২ অগাস্ট ভারতে আসার কথা। জানা গিয়েছে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ২৪ টি হেলিকপ্টারের মধ্যে আরও যে বাকি  হেলিকপ্টারগুলি রয়েছে সেগুলি ভারতে ২০২৫ সালের মধ্যে এসে পৌঁছবে। 

LinkedIn
Share