Tag: High Court

High Court

  • Gujarat High Court: গোধরাকাণ্ডে ৯ রেলপুলিশ কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট

    Gujarat High Court: গোধরাকাণ্ডে ৯ রেলপুলিশ কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগের (Godhra Carnage) ঘটনায় রেল পুলিশের ন’জন কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। সম্প্রতি এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নানাবতীর নেতৃত্বাধীন কমিশনের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সহমত পোষণ করে এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

    কমিশনের পর্যবেক্ষণ (Gujarat High Court)

    ২০০২ সালের ওই ঘটনার দিন সবরমতী এক্সপ্রেসে ডিউটি ছিল ন’জন পুলিশ কনস্টেবলের। ট্রেনটি ছ’ঘণ্টা দেরিতে চলায় তাঁরা সবরমতী এক্সপ্রেসে না উঠে অন্য একটি ট্রেনে করে আহমেদাবাদে ফিরে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর উষ্মা গোপন করেনি নানাবতী কমিশন। কমিশন তার পর্যবেক্ষণে বলেছিল, “ওই পুলিশকর্মীরা যদি সেই দিন তাঁদের কর্তব্য পালন করতেন, তা হলে এত বড় ঘটনা (সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগ) এড়ানো সম্ভব হত।” নানাবতী কমিশনের ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বরখাস্ত করা হয় অভিযুক্ত ৯ পুলিশ কনস্টেবলকে।

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    আদালত জানিয়েছে, বরখাস্ত হওয়া পুলিশকর্মীরা যদি তাঁদের কর্তব্যে অবহেলা ও অসাবধান না হতেন, তাহলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি এড়ানো যেত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “রেলওয়ে পুলিশ বাহিনীর ওই ন’জন কর্মীর সেই দুর্ভাগ্যজনক দিনে দাহোদ থেকে সবরমতী এক্সপ্রেসের ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা তা করেননি। ট্রেনটি ছ’ঘণ্টা দেরিতে চলায় তাঁরা সেটির পরিবর্তে রাজিস্টারে মিথ্যা এন্ট্রি করে শান্তি এক্সপ্রেসে করে আমেদাবাদে ফিরে আসেন।”

    করসেবকদের পুড়িয়ে মারার ঘটনা

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে করসেবকদের পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটে। ওই ট্রেনটির এস-৬ কোচে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ৫৯ জনের। এঁদের অধিকাংশই ছিলেন করসেবক, ফিরছিলেন অযোধ্যা থেকে। ওই ঘটনার পরেই গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সেই হিংসার বলি হন হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। গুজরাট সরকারের (Gujarat High Court) তরফেও গঠন করা হয় একাধিক কমিশন। তার মধ্যে ছিল নানাবতী কমিশনও। যে কমিশন জানিয়েছিল, ওই পুলিশকর্মীরা যদি সেই দিন তাঁদের কর্তব্য পালন করতেন, তা হলে এত বড় ঘটনা (সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগ) এড়ানো সম্ভব হত। কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে বরখাস্ত করা হয় ওই ৯ অভিযুক্তকে।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবলরা

    এর বিরুদ্ধে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবলরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “যদি আবেদনকারীরা আমেদাবাদে পৌঁছনোর জন্য সবরমতী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই রওনা দিতেন, তাহলে গোধরায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ঘটত না। ঘটনাটি রোধ করা যেত। আবেদনকারীরা তাঁদের কর্তব্য অবহেলা ও অসাবধানতা প্রদর্শন করেছেন (Godhra Carnage)। উল্লিখিত অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়েছে।” আদালত রায় দিয়েছে, ২০০৫ সালে ওই পুলিশ কর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা ন্যায্য ছিল। রায়ে আরও বলা হয়েছে, “সবরমতী এক্সপ্রেসে তাঁদের উপস্থিতি ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি যা ঘটেছিল, তাতে পরিবর্তন আনতে পারত।”

    নানাবতী-মেহতা কমিশন গঠন

    গোধরাকাণ্ডের (Gujarat High Court) তদন্তে গুজরাট সরকার গঠন করে নানাবতী-মেহতা কমিশন। কমিশনের বক্তব্য ছিল, ট্রেনটির ওই কোচে আগুন লাগার ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে ছিল ষড়যন্ত্র। ২০০২ সালে গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসের ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২০১১ সালের ১ মার্চ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। তাদের মধ্যে ১১ জনের ফাঁসির সাজা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় ২০ জনের। মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ৬৩ জন অভিযুক্তকে। শাস্তির রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিরা একাধিক মামলা দায়ের করে গুজরাট হাইকোর্টে (Godhra Carnage)। ২০১৭ সালের অক্টোবরে গুজরাট হাইকোর্ট ১১ জনের ফাঁসির সাজা রদ করে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দিয়েছিল। ২০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল।

    গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা

    সবরমতীকাণ্ডের পরে পরে গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সেই সময় মেহসানার বিজাপুর তহসিলের সর্দারপুরা গ্রামে সংখ্যালঘুদের ওপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীদের একটি দল। ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে পাড়ারই একটি পাকাবাড়িতে আশ্রয় নেন অসহায় কিছু মানুষ। সেই বাড়িটিরই চারপাশে পেট্রল ঢেলে বাড়িটিকেই জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মৃত্যু হয় ২২ জন মহিলা-সহ মোট ৩৩ জনের (Gujarat High Court)। ওই ঘটনায় মোট ৭৬জনকে গ্রেফতার করেছিল বিশেষ তদন্তকারী দল। ২০০৯ সালের জুনে তাঁদের মধ্যে থেকে ৭৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। ২০১২ সালে তাঁদের মধ্যে থেকে ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। তার চার বছর পর ওই ৩১ জনের মধ্যে ১৪ জনকে বেকসুর খালাস (Godhra Carnage) করে দেয় গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)।

  • High Court: কী কারণে গ্রেফতার? পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তপোব্রত, প্রতীকী অনশনে পুর-চিকিৎসকরা

    High Court: কী কারণে গ্রেফতার? পুলিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তপোব্রত, প্রতীকী অনশনে পুর-চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেড রোডে পুজো কার্নিভালের দিন কলকাতা পুলিশ (Kolkata police) গ্রেফতার করছিল পুরসভার মেডিক্যাল টিমের প্রতিনিধি তপোব্রত রায়কে। তাঁর অপরাধ ছিল, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে বুকে ব্যাজ পরে ডিউটি করছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওই ডাক্তার। ইতিমধ্যেই গ্রেফতারির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (High court) দ্বারস্থ হলেন প্রতিবাদী ওই ডাক্তার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (High court)

    ১৫ অক্টোবর পুজো কার্নিভালের দিন অনশনকারী চিকিৎসকদের সমর্থনে ব্যাজ পরে কলকাতা পুরসভার মেডিক্যাল টিমের (High court) হয়ে এমারজেন্সি ডিউটি করছিলেন তপোব্রত রায়। এর জেরে কর্তব্যরত অবস্থায় থাকাকালীনই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। ময়দান থানায় তাঁকে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাইরে প্রতিবাদী চিকিৎসকদের সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর সাধারণ মানুষও জড়ো হয়ে যান। পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে অনুমান করে গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টা বাদেই বাধ্য হয়ে তপোব্রত রায়কে ছেড়ে দেয় কলকাতা পুলিশ। কিন্তু, তারপর থেকে সাধারণ মানুষ বিষয়টির প্রতিবাদ করলেও কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে কোনও দুঃখপ্রকাশ করা হয়নি। পদক্ষেপ নেয়নি কলকাতা পুরসভাও। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হল পুরসভার চিকিৎসক তপোব্রত রায়কে। ওই ঘটনার বিচার এখন করবে আদালতই।

    আরও পড়ুন: সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা মমতাকে, না মানলে মঙ্গলে সর্বাত্মক ধর্মঘট, ঘোষণা ডাক্তারদের

    ‘প্রতীকী অনশন’ শুরু

    তপোব্রতবাবুর মামলার (High court) আবেদন গ্রহণ করে আগামী ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার বিচারপতি কৌশিক চন্দের অবকাশকালীন বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা জানানো হয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট সূত্রে। অন্যদিকে, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও অন্যায় ছাড়াই তপোব্রত রায়কে গ্রেফতার করার জন্য কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন পুরসভার চিকিৎসকরা। তপোব্রত রায়ের সঙ্গে হওয়া ঘটনার নিন্দা কেন করা হয়নি? কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কোনও পদক্ষেপ কেন নেওয়া হয়নি? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডেডলাইন দিয়েছিলেন। শুক্রবার সেই সময়সীমা পেরিয়ে যেতেই ঘটনার প্রতিবাদে ‘প্রতীকী অনশন’ শুরু হয়। আর কলকাতা পুরসভার চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তোলা হয়। এক, চিকিৎসক তপোব্রত রায়কে পুলিশের আটক করার ঘটনায় কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে তাঁদের নির্দিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দা করতে হবে। দুই, পুলিশকে তপোব্রত রায়ের কাছে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে। তিন, কলকাতা পুরসভার চিকিৎসককে অপমান করা হয়েছে। তাই কলকাতা পুরসভাকেই আইনি সহায়তা দিতে হবে। এই তিন দাবি এখনও মানা হয়নি। মুখে কুলুপ এঁটেছেন পুরকর্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির অভিযোগ ছিল, শাসকদল তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে পুলিশ-প্রশাসন বিজেপির সভা করতে বাধা দিচ্ছে। তাই সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবশেষে উলুবেড়িয়ায় (Uluberia) তাঁকে সভা করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, সভা হবে ২১ অক্টোবর তরুণ সঙ্ঘ ক্লাবের মাঠে। ফলে ফের একবার আদালতে মুখ পুড়ল মমতার পুলিশ-প্রশাসনের। উল্লেখ্য, দশমীতে হাওড়ার শ্যামপুরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। দুষ্কৃতীদের আক্রমণে মূর্তি ভাঙা নিয়ে শুভেন্দু কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। এবার হবে এই জেলায় বিজেপির রাজনৈতিক সভা।

    দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক আগামী সোমবার, হাওড়ায় শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে এই সভা করার জন্য একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “আগামী ২১ অক্টোবর দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে জনসভার জন্য যেন পার্কিং ও রাস্তায় কোনও প্রভাব না পড়ে। জনসভায় দু’হাজার লোকের বেশি জমায়েত হওয়া চলবে না।”
    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    আগে রাজাপুর থানা অনুমতি দিয়েছিল!

    কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী বলেন, “উলুবেড়িয়ার নেতাজি ক্লাব প্রথমে জনসভা করার অনুমতি দিয়েছিল। পরে চাপের মুখে তা প্রত্যাহার করে। এরপর তরুণ সঙ্ঘের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাঠটি ক্লাবের নয়। পিডবলুডি-র মাঠ। অথচ এর আগে রাজাপুর থানার অধীনে ওই মাঠে সভার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।” পাল্টা সরকার পক্ষের আইনজীবী স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যে কোনও ব্যক্তির সভা করার অনুমতি রয়েছে। ক্লাবের কোনও অধিকার নেই অনুমতি দেওয়ার। ন্যাশনাল হাইওয়ে ১৬ রয়েছে ক্লাবের (Uluberia) পাশেই। মামলাকারীর নিরাপত্তা এবং ট্রাফিককের অসুবিধা হবে।”

    বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, তৃণমূলের আমলে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই রাজ্যে। শাসকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করলে কোনও রকম সভার অনুমতি দেওয়া হয় না বিজেপিকে। আরজি কর-কাণ্ডে শ্যামবাজার, হাজরা মোড়ে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। একই ভাবে সন্দেশখালি-সহ একাধিক জায়গায় সভা করতে গেলে কোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। ফলে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে মমতার প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Protest: ত্রিধারা পুজোমণ্ডপে উঠল ন্যায় বিচারের স্লোগান, গ্রেফতার ৯, হাইকোর্টে জরুরি জামিনের আবেদন

    Protest: ত্রিধারা পুজোমণ্ডপে উঠল ন্যায় বিচারের স্লোগান, গ্রেফতার ৯, হাইকোর্টে জরুরি জামিনের আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, দুর্গাপুজোর সপ্তমীতেও আরজি কর-কাণ্ডের ন্যায় বিচারের আন্দোলনের (Protest) উত্তাপ দেখা গেল কলকাতার ত্রিধারা সম্মিলনী পুজো মণ্ডপের (Tridhara pujomandap) সামনে। অভয়ার জন্য সুবিচার এবং দোষীদের কড়া শাস্তির দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন করে স্লোগান দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের মধ্যে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের আলিপুর আদালতে তুললে, বিচারপতি ৭ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। শুক্রবার, পাল্টা আন্দোলনকারীরা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুজো মণ্ডপে স্লোগানকে ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তিন পুলিশ এবং এক ব্যক্তি ঘটনায় আহত (Protest)

    রাজ্যে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো চলছে। মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড়। ঠিক এই সময়ে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কলকাতার ত্রিধারা সম্মিলনীতে (Tridhara pujomandap) জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে (Protest) সমর্থন করে স্লোগান দেওয়া হয়। সকাল ৭টা নাগাদ পুলিশ বাধা দেয় এবং সাড়ে ১১ টায় এফআইআর দায়ের করা হয়। ঘটনায় পুজোর পরিবেশে বেঘ্যাত ঘটানোর দায়ে পুলিশ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের নাম হল, আসানসোলের কুলটির বাসিন্দা সুজয় মণ্ডল, কলকাতার দমদমের বাসিন্দা উত্তরণ সাহা রায়, ট্যাংরার বাসিন্দা কুশল কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা জহর সরকার এবং সাগ্নিক মুখোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা নাদিম হাজারি, হাসনাবাদের বাসিন্দা ঋতব্রত মল্লিক, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাসিন্দা চন্দ্রচূড় চৌধুরী এবং রহড়ার বাসিন্দা দৃপ্তমান ঘোষ। পুলিশের অবশ্য দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মণ্ডপে গিয়ে স্লোগান দেওয়ার কর্মসূচির তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। ইতিমধ্যে তিন পুলিশ এবং এক ব্যক্তি ঘটনায় আহত হয়েছেন। ধৃতরা কেউ চিকিৎসক নন, পুলিশের দাবি।

    আরও পড়ুনঃ অনিকেতের শারীরিক অবস্থা এখনও স্থিতিশীল নয়! সঙ্কট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ডাক্তার সংগঠনের

    স্লোগান দেওয়ার জন্য গ্রেফতারি কেন?

    ধৃত পক্ষের আইনজীবীর দাবি, পুজো মণ্ডপে স্লোগান দেওয়া কোনও অপরাধের বিষয় নয়। স্লোগান দেওয়ার জন্য গ্রেফতারি কেন? অপরদিকে রাজ্যের আইনজীবীদের দাবি, এটা স্বতঃপ্রণদিত ভাবে মামলা নয়। একজন সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছেন, তাই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুজোর প্যান্ডেল কি প্রতিবাদের (Protest) জায়গা? যদি কোনও রকম দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে তার দায় কে নেবে? সুপ্রিম কোর্ট কি ওই রকম জায়গায় প্রতিবাদের কথা বলেছে? অপর দিকে নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ধৃতদের পরিবার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: মঙ্গলেই মিছিল ডাক্তারদের, রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মঙ্গলেই মিছিল ডাক্তারদের, রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের। আবারও কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ভর্ৎসিত হল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। সোমবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যকে বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন।” পরে অবশ্য তিনি শর্তসাপেক্ষে মিছিলের (Doctors Rally) অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের শর্ত হল, নির্দিষ্ট রুটেই মিছিল হবে। নামাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও।

    রাজ্যকে ভর্ৎসনা আদালতের

    আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে ১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্রসদন পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসকদের বেশ কয়েকটি সংগঠন। পুলিশের অনুমতি না মেলায় উদ্যোক্তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানেই মেলে মিছিলের অনুমতি। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন। তাহলে কোনও আন্দোলন, মিটিং-মিছিল হবে না। দুর্গাপুজো হবে না। অথচ এই শহরে আমি ৪০-৫০ বছরের কাটানো জীবনে দেখেছি, মিটিং-মিছিল হয়। পুলিশ তা নিজের মতো করে সামালও দেয়।”

    মিছিলের অনুমতি দিল আদালত

    তিনি বলেন (Calcutta High Court), “কোনও মানুষ বাড়ি থেকে বেরিয়ে মিছিলে হাঁটলে তাঁকে কে নিষেধ করবে? পুলিশ নাকি ডাক্তাররা? নাকি বাইরের লোক ঢুকেছে দেখে ডাক্তাররা মিছিল বন্ধ করে দেবেন? বাস্তবটা দেখার চেষ্টা করুন।” বিচারপতি বলেন, “শহরের মানুষ যদি পথে নেমে আসে, তখন কি পুলিশ বলতে পারে রাস্তায় যানজট হয়ে গিয়েছে, আপনারা বন্ধ করুন?” তিনি মনে করিয়ে দেন, “সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের কাজ।” এর পরেই শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ অক্টোবর মিছিল হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। পথে নামবে ৫৫টি সংগঠন। চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। পুলিশের অনুমতি না মেলায় সৃষ্টি হয়েছিল জটিলতা। আদালতের হস্তক্ষেপে (Doctors Rally) শেষমেশ কাটে জট (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন”, রাজ্যকে কটাক্ষ আদালতের

    Calcutta High Court: “পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন”, রাজ্যকে কটাক্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৮৫ হাজার টাকায় কী হয়? রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন (West Bengal Govt)।” সোমবার এমনই তীর্যক মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এদিন প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতি বিভাস পট্টানায়কের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেই সময় এমন মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

    টাকা দেওয়ার ‘সংস্কৃতি’ (Calcutta High Court)

    রাজ্যের পুজো বিভিন্ন পুজো কমিটিকে অনুদান বাবদ কয়েক হাজার করে টাকা দেওয়ার ‘সংস্কৃতি’ চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের সময় এরই প্রতিদান দেয় ক্লাবের ছেলেরা। তৃণমূল কর্মীদের পাশাপাশি তারাও ‘ঋণ’ শোধ করতে ‘ভোট করাতে’ আসরে নেমে পড়ে। যে টাকায় উন্নয়নমূলক নানা কাজ সরকার করতে পারত, সেই টাকা কেন খয়রাতিতে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা সময়। গত বছর পুজো কমিটিগুলিকে রাজ্য সরকার দিয়েছিল ৭০ হাজার করে টাকা। এবার সেটাই বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮৫ হাজার টাকা।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    অনুদানের এই টাকার উৎস কী, তা জানতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সৌরভ দত্ত নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই টাকার উৎস কী? ক্লাবগুলি এই টাকা গাইডলাইন মেনে খরচ করছে কিনা। প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) বলেন, “গত দুবছর ধরে আমি পুজো প্যান্ডেলে গিয়েছি। যা দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে ৮৫ হাজার টাকায় কিছু হয় না। ওই টাকা সম্ভবত ক্লাবের সদস্যদের জন্য কাজে লাগতে পারে।” তিনি বলেন, “অনুদানের টাকা কমপক্ষে ১০ গুণ বাড়ানো হলে সেটা পুজোর কাজে লাগতে পারে।”

    আরও পড়ুন: বন্যায় ভেঙেছে বাড়ি, বেতন থেকে দুর্গতকে ৫ লক্ষ টাকা তুলে দিলেন শুভেন্দু

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুর্গাপুজো রাজ্যের ঐতিহ্য। সেই কারণে পুজো কমিটিগুলিকে উৎসাহিত করার জন্য হয়তো এই টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত নয়।” অন্য একটি মামলায় তিনি বলেন, “দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য সরকার এক হাজার টাকা দেয়। তাদের আরও বেশি প্রয়োজন। সেটা সরকার বিবেচনা করে (West Bengal Govt) দেখলে ভালো হয় (Calcutta High Court)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (High Court)। ইতিমধ্যে পুলিশের ভূমিকায় চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। মামলার কেস ডায়েরি খতিয়ে বলেন, “রাজ্যের হাতে থাকা সব তথ্য এবং নথি সিবিআইকে দিতে হবে। সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ অবিলম্বে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং সেই দিন তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা করতে হবে।” এদিকে আদালতের নির্দেশের পরই তদন্তভার নিতে সিবিআই পৌঁছে যায় টালা থানায়। বুধবার সকালে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। ফলে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল (RG Kar Rape-Murder)?

    মঙ্গলবারের শুনানিতে মৃতার পরিবারের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের কাছে প্রথমে কেউ ফোন করে বলেছিল আপনার মেয়ে অসুস্থ। তারপর আবার আরেকজন ফোন করে বলে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পাল্টা সরকারি আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের বক্তব্য সঠিক। দু’বার ফোন করা হয়েছিল। তবে হাসপাতালের সহকারী সুপারই ফোনে সংবাদ দিয়েছিলেন। তবে কেউ অভিযোগ না করায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর (RG Kar Rape-Murder) মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “এটা আশা করা যায় না। মৃতদেহ কি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয়েছে? কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল। হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষ রয়েছেন। প্রিন্সিপালকে পুরস্কৃত করলেন। কেন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হল না? এই যুক্তি একদম দেখানো উচিত নয়।” উল্লেখ্য মামলাকারীদের অবশ্য দাবি ছিল রাজ্যের প্রভাব থাকবে না এমন কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। হাসপাতালের প্রত্যকে তলার প্রবেশ পথে যেন সিসিটিভি লাগানো হয় সেই দাবিও তোলা হয়।

    কোর্টের গুঁতো

    আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে অন্য কোনও মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাক্ষের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। আজ হাইকোর্টের (High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সন্দীপের ভূমিকায় আদালত ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। কটাক্ষ করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “সারানোর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পুরস্কৃত করা হল অধ্যক্ষকে। পুরস্কৃত অধ্যক্ষকে ছুটিতে যেতে বলুন। তা না হলে আমরা নির্দেশ দেব।” কিন্তু আদালতের নির্দেশের কিছু সময়ের পর জানা যায় সন্দীপ ছুটির আর্জি করেছেন। ঘটনা ঘটার পর কেন হাসপাতালের সুপার এবং অধ্যক্ষ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেননি, এই প্রশ্ন উঠেছে আদালতে। সন্দীপ ছুটির আর্জি করলে নাকচ করে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    চাপে রাজ্য সরকার

    সন্দীপের সময়কালে কেন একজন মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের শিকার হয়ে খুন (RG Kar Rape-Murder) হতে হল, এই নিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। আন্দোলনের চাপে পড়ে রাজ্য সরকার সোমবার অধ্যক্ষ পদ থেকে সরালেও আবার সঙ্গে বদলি করা হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করে। এরপর সেখানেও বিক্ষোভ শুরু হয়। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন সেখানকার পড়ুয়ারা। অবশেষে লাগাতার আন্দোলনের চাপে কলেজের দায়িত্ব সন্দীপকে না দিয়ে অজয় রায়ের হাতেই রেখেছে রাজ্য সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বৃহস্পতিবারই পেশ করা হয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী বিল। কিন্তু এরই মধ্যে ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) বিরুদ্ধে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। ওই ভিডিওতে বিচারপতি এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীকে কটাক্ষ করে বলছেন, ”পুরে ভারত কো ওয়াকফ সম্পত্তি বানা দো” অর্থাৎ ”গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন।” একইসঙ্গে ওই আইনজীবীকে বিচারপতি এদিন প্রশ্ন করেছিলেন যে, কীভাবে একটি বিজ্ঞপ্তি সরকারের সংরক্ষিত সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারে? এছাড়াও ভাইরাল ওই ভিডিওতে বিরক্ত বিচারককে বলতে শোনা যায়, ”তাজ মহলকেও ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করুন, আপনাকে কে বাধা দিচ্ছে!” 

    আগে কী ঘটেছিল? 

    উল্লেখ্য, ১১ বছর আগে ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) ২০১৩ সালের জুলাই মাসে মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরে শাহ সুজা এবং নাদির শাহের সমাধির মালিকানা দাবি করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সে সময় ওয়াকফ বোর্ডের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সেই মামলারই শুনানির সময়, বিচারপতি আইনজীবীকে প্রশ্ন করেছিলেন, কিসের ভিত্তিতে সরকারের প্রাচীন সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে দাবি করা হচ্ছে? যার জবাবে আইনজীবী বলেন, ”এটি একটি বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে।”   

    আরও পড়ুন: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য 

    আইনজীবীর এই উত্তর শুনেই বিচারপতি ক্ষুব্ধ হয়ে পাল্টা বলেন, ”আমার শুধু একটা প্রশ্ন আছে… আগামিকাল যদি আগরওয়ালজির (যে কোনও একজন ব্যক্তি) সম্পত্তির ওপর বিজ্ঞপ্তি বের হয়, তাহলে সেটাও কি ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করা হবে? তাহলে তো এবার ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) যে কোনও সরকারি অফিসকে তার সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করতে পারে!..”  

    এরপর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট বুরহানপরের ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভগুলির উপর ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) সমস্ত দাবিকে বাতিল করেছে এবং ১৯০৪ সালে তৈরি প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে আইনের অধীনে সুরক্ষিত সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করেছে৷ এছাড়াও আদালতের (Madhya Pradesh High Court) তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮৯ সালে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি, আইনি অনুমতি ছাড়াই কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারবে না৷ 
       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    High Court: “বিচারক নিয়োগও কি চুক্তিতে হবে?” রাজ্যের আচরণে বিস্মিত হাইকোর্টের বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই ২৪ পরগনার জেলা আদালতে বহু পদ শূন্য। সেখানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (High Court) মামলা করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। দুই জেলা আদালতে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা (Kolkata) হাইকোর্ট। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। কেন জেলা আদালতে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্যও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মামলার শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য, “এমন চলতে থাকলে, এর পরে কি জেলা বিচারকও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হবে?”

    জেলা আদালতে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ (High Court)

    জানা গিয়েছে, দুই জেলা মিলিয়েই রয়েছে পাঁচশোর বেশি শূন্যপদ। উত্তর ২৪ পরগনায় ২৬৭ শূন্যপদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৫৭ শূন্যপদ। সম্প্রতি, এই দুই জেলা আদালতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল কোর্ট এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। আদালতে কেন অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ হবে? সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা করে আদালত কর্মীদের সংগঠন। বুধবার সেই মামলায় অস্থায়ী নিয়োগের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    ১০ বছরে আদালতে কর্মী নিয়োগ হয়নি

    বুধবার মামলাকারী সংগঠনের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম কলকাতা (Kolkata) আদালতে (High Court) সওয়াল করে বলেন, “সরকারের বিশেষ কিছু দফতর বা বিভাগ রয়েছে, যেখানে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা যায় না। সেই তালিকায় রয়েছে আদালতের কর্মী নিয়োগও।” এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অতীতের নির্দেশের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সাল থেকে রাজ্যের জেলা আদালতগুলিতে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রায় ২৫ শতাংশেরও বেশি শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। আমার প্রশ্ন, ১০ বছর পরেও কেন জেলা আদালতে স্থায়ী নিয়োগ করতে চাইছে না রাজ্য সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Tet Scam) মামলায় এবার নতুন মোড়। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট নিয়ে জটিলতার মাঝে ২০১৭ সালের প্রাথমিক টেটের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটের সমস্ত ডিজিটাইজড কপি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ আগস্ট। সেদিন পর্ষদকে ওএমআর শিটের কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

    ওএমআর শিট নষ্টের রহস্য (Tet Scam)

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের টেটে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। টিনা মুখোপাধ্যায় নামে এক মামলাকারীর অভিযোগ, ২০১৭ সালের টেটে অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি পর্ষদের কাছে ওএমআর শিটের কপি চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু তাঁকে আসল ওএমআর শিটের বদলে একটি ফটোকপি দেওয়া হয়। অন্যদিকে (Tet Scam) মামলার আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওএমআর শিটের যে কপি দেওয়া হয়েছিল। সেটি আদৌ তাঁর ছিল না বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত এই মামলায় আগে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওএমআর শিটের সমস্ত আসল কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল রেজুলেশনের ভিত্তিতে।

    প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে (High Court)

    অন্যদিকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, “চলতি শিক্ষাবর্ষে ওই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিকের দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেকেই ডিএলএড কোর্স না করেই চাকরি পেয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এতদিনেও সেই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পর্ষদ আগ্রহ দেখায়নি।

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    পরে (Tet Scam) এ নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যে কয়েক হাজার এমন প্রশিক্ষণ চাকরি প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক চাকরি করছেন। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি ও ব্যবস্থা ব্যবস্থা করতে হবে পর্ষদকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share