Tag: hijab row

hijab row

  • Supreme Court: হিজাব মামলায় আবেদনকারীদের ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, সরকারকে নোটিস

    Supreme Court: হিজাব মামলায় আবেদনকারীদের ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, সরকারকে নোটিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্ক (Hijab Row) নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল কর্নাটক (Karnataka Hijab Row) তথা গোটা দেশ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবের নিষেধাজ্ঞার পক্ষেই রায় দিয়েছিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka HC)। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন দায়ের করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে কিছু মামলা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছে। আর কিছু মামলা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে করা হয়েছে। সোমবার ছিল সেই মামলার শুনানি। এই মামলায় কর্নাটক সরকারকে জবাব চেয়ে নোটিস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অপরদিকে, মামলাকারীদের মামলায় স্থগিতাদেশের আর্জিতে কড়া বার্তা দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ আবেদনকারীদের দাবি মেনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করতে রাজি হয়নি। আদালত স্থগিতাদেশ জারির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, আদালত ‘ফোরাম শপিং’ (মঞ্চ কেনাকাটা)- এর জায়গা নয়। ৫ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩০ ঘণ্টার অভিযানে হারিয়ে যাওয়া হাঙ্গেরি ট্রেকারকে উদ্ধার ভারতীয় সেনার       

    কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটি আবেদন দাখিল হয়েছে। কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। কেবল অপরিহার্য ধর্মীয় আচরণই সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই কর্নাটক হাইকোর্ট সেই রাজ্যের মুসলিম পড়ুয়াদের ক্লাসে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করে দেয়।    

    কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা কর্নাটক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মুসলিম পড়ুয়ারা। সেই অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এমনকী দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। পুলিশের সঙ্গেও অশান্তিতে জড়িয়ে পড়েন বহু পড়ুয়া। বিক্ষোভ ঠেকাতে বহু ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়। এই বিক্ষোভের মাঝেই ১৫ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব পড়ায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে বহাল রেখেই রায় দেয় হাইকোর্ট। 

    আরও পড়ুন: ফের বিনোদন জগতে শোকের ছায়া, প্রয়াত সত্যজিত রায়ের ‘সোমনাথ’
     
    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষিত বলে দাবি করেন সংখ্যালঘু পড়ুয়ারা। যা নিয়ে আদালতে দীর্ঘদিন মামলা চলে। সেই মামলাতেই শেষ পর্যন্ত কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। প্রসঙ্গত, এই বছরের জানুয়ারিতে উদুপির সরকারি পিইউ কলেজে হিজাব পরা ছয়জন মেয়েকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় বিতর্ক দানা বাধে। এর পরেই কলেজের বাইরে ছাত্রীরা বিক্ষোভে বসেন। আর সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Hijab Row: হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, পড়াশোনায় মন দাও

    Hijab Row: হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, পড়াশোনায় মন দাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হিজাব (Hijab row) বিতর্ক! সরকারি নির্দেশিকা উপেক্ষা করে হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার ফিরিয়ে দেওয়া হল কয়েকজন ছাত্রীকে। কর্নাটকের ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Mangalore University) সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই আসরে সংখ্যালঘু বিভিন্ন সংগঠন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই (Basavaraj Bommai) সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ ও সরকারি নিয়ম মানতে হবে সবাইকে। তাই বিতর্কে না জড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের উচিত পড়াশোনায় মন দেওয়া।

    সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেটের বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে গেলে সবাইকেই পোশাকবিধি মানতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হিজাব নিয়ে ফের বিতর্ক তৈরি করার প্রয়োজন নেই। আদালত রায় দিয়েছে। সবাইকেই আদালত ও সরকারের নির্দেশ মানতে হবে। প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ পড়ুয়া এটি অনুসরণ করছে। সিন্ডিকেটের রেজোলিউশনও হল যে আদালতের রায় অনুসরণ করতে হবে। আমার মতে, শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনাই গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুন : গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক পি সুব্রহ্মণ্য ইয়াদাপাদিথায় বলেন, যেসব মুসলিম ছাত্রী ক্লাসরুমের ভিতরে  হিজাব পরার জন্য চাপ দেয়, তাদের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের তাদের মাথার স্কার্ফ ছাড়াই ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার জন্য পরামর্শও দেওয়া হয়।

    দিন দুয়েক আগে নির্দেশিকা জারি করে ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হলে সকলকে পোশাকবিধি মানতেই হবে। সেই নির্দেশিকা উপেক্ষা করেই শনিবার বেশ কয়েকজন পড়ুয়া হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসে। তাদের ঢুকতে দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যেও। অভিযোগ, পোশাকবিধির আড়ালে শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মুসলিম মেয়েদের। এই প্রেক্ষিতেই উপাচার্য জানিয়ে দেন, নতুন করে হিজাব নিয়ে বিতর্ক তৈরির কোনও মানে হয় না।

    আরও পড়ুন : “গত ৮ বছরে এমন কিছুতে লিপ্ত হইনি যাতে লজ্জায় মাথা নোয়াতে হয়”, গুজরাতে মোদি

    প্রসঙ্গত চলতি বছর ১৫ মার্চ কর্নাটক হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, ইসলাম (Islam) ধর্মাচরণে হিজাব (Hijab) অপরিহার্য নয়। শিক্ষাঙ্গনে হিজাব নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে যে সব আবেদনপত্র জমা পড়েছিল, সেগুলিও খারিজ করে দেয় আদালত। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme court) আবেদন করেও লাভ হয়নি। যার অর্থ, আইনতই হিজাব পরে আর শিক্ষাঙ্গনে যেতে পারেন না ছাত্রীরা।

     

  • Karnataka Hijab Row: হিজাব পরে ক্লাসে! কর্নাটকে সাসপেন্ড ছয় ছাত্রী

    Karnataka Hijab Row: হিজাব পরে ক্লাসে! কর্নাটকে সাসপেন্ড ছয় ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে (Karnataka) ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে হিজাব-বিতর্ক (Hijab Row)। একাধিকবার হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও নিয়ম লঙ্ঘন করায় ৬ ছাত্রীকে দু’দিনের জন্যে সাসপেন্ড করল কর্নাটকের প্রথম সারির একটি সরকারি কলেজ। উপ্পিনাংগাদির এক কলেজে নিয়ম ভেঙে ‘কলেজ ইউনিফর্ম’-এর বদলে হিজাব (Hijab) পরে আসায় সাসপেন্ড করা হল ওই ছাত্রীদের। এর আগে বেশ কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল তাঁদের বলে দাবি কলেজ কর্তৃপক্ষের। 

    মাঙ্গালুরু বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধীনস্থ ওই কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত নেন। এর আগেই কলেজ চত্বরে ‘ইউনিফর্ম’ পরাকে আবশ্যিক বলে নির্দেশিকা জারি করে মাঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয়। নির্দেশিকায় বলা হয়, হিজাব খুলে ক্লাসে প্রবেশ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, পড়াশোনায় মন দাও

    ছাত্রীরা হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানালেও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল থাকে। তারা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশিকা মেনেই ক্লাস করতে হবে। কিন্তু এরপরেও হিজাব পরেই ক্লাস করতে থাকেন ওই ছয় ছাত্রী। 

    আরও পড়ুন: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    ওই কলেজেরই এক শিক্ষকের বক্তব্য, “হিজাব পরে ওই ছাত্রীরা ক্লাস করছিল। কিছু ছেলে এবিষয়ে অভিযোগ জানায়। অধ্যক্ষ, শিক্ষকদের সঙ্গে পরামর্শ করে ওই ছাত্রীদের ২ দিনের জন্যে সাসপেন্ড করেন, যাতে সমস্যা আরও বেড়ে না যায়। সোমবার থেকে ক্লাস করতে পারবে ওই ছাত্রীরা। আমরা ওই ছাত্রীদের জন্যে পুনর্পঠনের এর ব্যবস্থা করব।”

    কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে (Hijab row) কেঁপে উঠেছিল কর্নাটক। হিজাব পরে স্কুল-কলেজে ক্লাস করার অনুমতির দাবিতে আন্দোলন শুরু করে মুসলিম শিক্ষার্থীরা। এই আন্দোলনের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে আন্দোলন শুরু করে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। এভাবে হিজাবের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনে বেশ কয়েকটি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের সব স্কুল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয় বলে আদেশ দেয় কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka HC)। যেকোনও রকম অশান্তিকে এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

     

  • Jahangirpuri: হনুমান জয়ন্তীর মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত PFI,  দাবি অভিযুক্তের

    Jahangirpuri: হনুমান জয়ন্তীর মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত PFI,  দাবি অভিযুক্তের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: জাহাঙ্গিরপুরী সংঘর্ষের (Jahangirpuri violence) ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মূল চক্রী মহম্মদ আনসার (Mohammad Ansar) সহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনের দাবি, ওই ঘটনায় মদত দিয়েছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া বা পিএফআই (PFI)। 

    ওই ব্যক্তির অভিযোগ, এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত আনসার অত্যন্ত চতুর এবং সে নিজের সুবিধা ও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যদের ব্যবহার করে। আটক হওয়া ব্যক্তির আরও দাবি, PFI ও তাদের রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে আসনারের। ওই ব্যক্তি আরও জানান, PFI-এর নেতাদের আমন্ত্রণ জানায় আসনার। তাদের সঙ্গে ছবি তোলে, অর্থের বিনিময়ে সংগঠনের হয়ে প্রচার করে।

    গত ১৭ তারিখ, আনসারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের মতে, জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনায় মূল চক্রী হল এই আনসার। বর্তমানে আনসার ও আরও ২ জন — গুলাম রসুল ওরফে গুল্লি এবং সলিম শেখ ওরফে সলিম চিখনার পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে আনসারের নামে একাধিক ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ ব্যবসা ও জুয়াচক্র চালানোর অভিযোগ অতীতে আসনারকে একাধিকবার প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। 

    অতীতে, একের পর এক বিবাদে জড়িয়েছে এই সংগঠনটি। PFI কর্মীদের বিরুদ্ধে খুন থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যোগসাজেশের অভিযোগ পর্যন্ত রয়েছে।  ২০১২ সালে, কেরল সরকার হাইকোর্টে বলেছিল যে PFI নিষিদ্ধ সংগঠন স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (SIMI) এর একটি নতুন রূপ ছাড়া কিছুই নয়। এমনকী, PFI কর্মীদের আল-কায়দা (Al Qaeda) এবং তালিবানের (Taliban) মতো সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগও উঠেছে।

    ২ বছর আগে, সিএএ-এনআরসি (CAA-NRC)-র বিরুদ্ধে দিল্লির শাহিনবাগে (Shaheenbagh) দীর্ঘদিন ধরে চলা অবস্থান-বিক্ষোভ হোক বা হনুমান জয়ন্তী (hanuman jayanti) উপলক্ষে জাহাঙ্গীরপুরীতে (jahangirpuri) সাম্প্রতিক ঘটনাবলী, প্রত্যেকটি ঘটনার নেপথ্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) সর্বদা শিরোনামে চলে আসে। এর আগে কর্নাটকে (karnataka) হিজাব বিতর্কের (hijab row) সময়ে বিজেপি (BJP) এবং বেশ কিছু সংগঠন PFI-এর বিরুদ্ধে মুসলিম ছাত্রীদের (muslim students) উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ করেছিল। 

    PFI-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ইতিমধ্য়েই ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের হাতে বেশ কিছু নথি এসেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে যে PFI বেশ কয়েকটি শহরে রামনবমী (Ram Navami) মিছিলের সময় পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িত ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Union Home ministry) বেশ কয়েকটি রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনের একটি ডসিয়ার তৈরি করেছে এবং PFI-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। PFI-কে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কেন্দ্রকে সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সবন্ত। 

     

     

  • Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) একটি কলেজের বাইরে কয়েকজন হিজাব (Hijab Row) পরিহিতা ছাত্রীর প্রতিবাদ করার একটি ভিডিও ভাইরাল (viral video) হয়েছে। ভিডিওটি মোদিনগরের গিন্নি দেবী কলেজের। কলেজটিতে ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। অভিযোগ, কিছু ছাত্রী হিজাব পরে আসায় তাদের হাতে ট্যাবলেট তুলে দিতে অস্বীকার করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই এই অশান্তির সূত্রপাত।

    গাজিয়াবাদ পুলিশের বক্তব্য, খবর পাওয়ার পরেই তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ছাত্রীদের বাড়ি পাঠানো হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানিয়েছে, কলেজ চত্বরের বাইরে কী হচ্ছে তা দেখা তাদের দায়িত্ব নয়। তাদের কথায়, “ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। ৬৯ টি ট্যাবলেট দেওয়া বাকি ছিল। কিছু ছাত্রী কলেজের পোশাক পরে আসেনি। তাদের কলেজের নিয়ম মেনে চলতে বলাতেই তারা ক্ষেপে ওঠে। কলেজ থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর তারা কলেজ চত্বরের বাইরে কী করেছে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।”

     

  • Karnataka Bible: ক্লাসে আনতেই হবে বাইবেল! বেঙ্গালুরুতে নির্দেশ স্কুলের, আদালতে যাচ্ছে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    Karnataka Bible: ক্লাসে আনতেই হবে বাইবেল! বেঙ্গালুরুতে নির্দেশ স্কুলের, আদালতে যাচ্ছে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ  ডেস্ক: শিক্ষাপ্রাঙ্গণে হিজাব পরে প্রবেশ নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাইবেল নিয়ে বিতর্ক কর্নাটকে। রাজধানী বেঙ্গালুরুর একটি স্কুলে সম্প্রতি পড়ুয়াদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ক্লাসে বাইবেল নিয়ে আসতেই হবে। পড়ুয়া যে ধর্মেরই হোক না কেন, এই নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক। এই মর্মে অভিভাবকদের থেকে মুচলেকাও আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ। 

    স্কুলের ওই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্কুলটি পড়ুয়াদের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে, এই দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন অভিভাবকদের একাংশ। এমনকী, বিশেষ এক রাজনৈতিক দলের সাহায্যে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের কাছে এবিষয়ে নালিশ জানানোর পাশাপাশি আদালতে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

    বেঙ্গালুরুর ওই স্কুলটির নাম ক্ল্যারেন্স স্কুল। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্কুলটি খ্রিস্টান মূল্যবোধে বিশ্বাসী। পড়ুয়াদেরও সেই মূল্যবোধ তারা শেখাতে আগ্রহী। তারা চায়, পড়ুয়ারা সেই আবহে বেড়ে উঠুক। সেই লক্ষ্যে বাইবেল আনতে বলার সিদ্ধান্ত। যদিও বেঙ্গালুরুর একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রতিনিধির দাবি, বিষয়টি অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকারভঙ্গের একটি ষড়যন্ত্র। তাই তাঁরা স্কুলটির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতরে অভিযোগ জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আদালতেও যাবে সংগঠনটি। ওই সংগঠনের প্রধান জানান, এই বিষয়টি নিয়ে কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশের কাছে যাবেন তাঁরা। যদি রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আদালতে যাবেন তাঁরা।  

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই কর্নাটকের একটি কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের হিজাব পরে আসায় আপত্তি জানিয়েছিল। দীর্ঘ বিতর্কের পর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মের কোনও জায়গা নেই। 

     

LinkedIn
Share