Tag: hilsa

hilsa

  • South 24 Parganas: কাকদ্বীপের ইলিশ বোঝাই ট্রলার ডুবে গেল গভীর সমুদ্রে

    South 24 Parganas: কাকদ্বীপের ইলিশ বোঝাই ট্রলার ডুবে গেল গভীর সমুদ্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার সময় বাঘেরচড়, বকখালি (South 24 Parganas) থেকে ৪০ কিমি দূরে গভীর সমুদ্রে অক্ষয়সনগর কাকদ্বীপের এফবি অনিক ফিশিং ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে ডুবে যায়। ১৭ জন মৎস্যজীবীকে পার্শ্ববর্তী অপরাজিতা ফিশিং ট্রলার উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। আপাতত ট্রলারটিকে উদ্ধার করার জন্য ৫টি বোট চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে ইলিশ মাছ বোঝাই ছিল। ট্রলারের সমস্ত মৎস্যজীবী সুস্থ আছেন। এলাকায় বিষণ্ণার ছায়া।

    কীভাবে ঘটল এই বিপত্তি (South 24 Parganas)?

    অনিক নামে ওই ট্রলারটি ইলিশ মাছ নিয়ে নামখানার দিকে আসছিল। কিন্তু সমুদ্রে (South 24 Parganas) প্রচণ্ড রোলিং হওয়ার কারণে ইলিশ বোঝাই ট্রলারের তলা ফেটে গেলে হু হু করে জল ঢুকতে থাকে। জল বেশি পরিমাণে ঢুকে পড়ায় বেগতিক পরিস্থিতি হয়। জলের গতি প্রবল হওয়ায় মাঝিও সামাল দিতে পারছিলেন না। এরপর সমুদ্রে অন্যান্য মৎস্যজীবীরা লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচান। এক মৎস্যজীবী বলেন, দূরে দেখি একটি ট্রলার। এরপর আমরা বাঁশি বাজিয়ে বার্তা দিলে অপরাজিতা ফিশিং ট্রলারের মাঝি আমাদের উদ্ধার করেন। ট্রলারের মধ্যে প্রচুর ইলিশ মাছ ভর্তি ছিল। মাছ সমেত ট্রলারটি সমুদ্রে পুরোপুরি ডুবে যায় বলে জানা যায়। ট্রলারে যা মাছ ছিল তাতে কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মৎস্যজীবীরা।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য

    ফ্রেজারগঞ্জেরের (South 24 Parganas) অপরাজিতা ট্রলারের মালিক নিতাই মাইতি বলেন, আমি দেখি দূর থেকে হুইসেল দিচ্ছে। এরপর দেখি ওই ট্রলারটি ক্রমেই বসে যাচ্ছে। আর এরপর আমি আমার ট্রলারের জাল ফেলে দিয়ে দ্রুত অনিক ট্রলারকে লক্ষ্য করে দড়ি ফেলতে শুরু করি। এরপর অনিক ট্রলারের মৎস্যজীবীদের একে একে দড়ি দিয়ে আমার ট্রলারে তুলে নিই। তিনি আরও বলেন, বড় বিপত্তি ঘটল। কিন্তু সম্পত্তির ক্ষতি হলেও প্রাণ বেঁচে গেল এই যা।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বর্ষার মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ

    South 24 Parganas: বর্ষার মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গেছে। বর্ষার এই মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের (South 24 Parganas) মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ। ইলিশ মাছ ধরা পড়ায় মুখে চওড়া হাসি মৎস্যজীবী থেকে আড়ৎদারদের।

    কেমন ধরা পড়ল ইলিশ (South 24 Parganas)?

    গত দুদিনে ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) নগেন্দ্র বাজারে প্রায় ৮০ টন ইলিশ ঢুকেছে বলে জানা যায়। মৎস্যজীবীরা জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এই প্রথম বড় সাইজের ইলিশ মাছ ধরা পড়ল মৎস্যজীবীদের জালে। দুমাস গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর, গত এক মাস ধরে মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে পাড়ি দিলেও সেভাবে জালে ইলিশের দেখা মেলেনি। ফলে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছিল মৎস্যজীবীদের। মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে যাওয়ার খরচ তোলা নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন এই এলাকার মৎসজীবীরা। তার প্রভাব আড়ৎদারদের মধ্যেও পড়েছিল। এবার জালে ইলিশ পড়ায় অনেকটাই আশার আলো দেখছেন মৎসজীবীরা।

    মৎসজীবীদের বক্তব্য

    এক ট্রলারের মালিক বিপ্লব দাস বলেন, নামখানা, ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) মিলে প্রায় পাঁচ হাজার টনের কাছাকাছি ইলিশ এসেছে। প্রথমে কম ধরা পড়লেও এখন অনেকটাই বৃদ্ধি হয়েছে। এক একটা ট্রলারে প্রায় ১৬ থকে ১৮ জন মানুষ মাছ ধরতে যান। ট্রলার পিছু প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা খরচ হয়। এবারে ট্রলার পিছু দেড় থেকে দুই টনের কাছাকাছি ইলিশ ধরা পড়েছে বলে জানান তিনি। এখন সারা শ্রাবণ মাস জুড়েই ইলিশের মরশুম চলবে। এই বছরে আমরা খুব আশাবাদী বলে জানিয়েছেন বিপ্লব দাস।

    ইলিশের দাম কেমন হবে?

    তবে জালে ইলিশ ধরা পড়লেও বর্তমানে দাম খুব একটা যে কমবে না, তাও জানান আড়ৎদারেরা। ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) নগেন্দ্র বাজারে ইলিশের পাইকারি দর চলছে কেজি প্রতি ৭০০ টাকা, যা সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাহিরে। তবে আড়ৎদারেরা জানান, এভাবে যদি ইলিশ জালে ধরা পড়ে তাহলে ইলিশের দাম কমতে পারে বলে আশা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দেখা নেই ইলিশের! ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েও নিরাশ মৎস্যজীবীরা

    South 24 Parganas: দেখা নেই ইলিশের! ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েও নিরাশ মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরশুমের প্রথম ইলিশের ট্রলার কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) ঘাটে ফিরলেও সেভাবে দেখা মিলল না ইলিশের। গত দুমাস বন্ধ থাকার পর ১৪ জুন উঠে গিয়েছিল বিধিনিষেধ। এরপরই ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা। কিন্তু আশা নিরাশায় পরিণত হল।

    কেন কম মিলেছে ইলিশ?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৎস্যজীবীদের (South 24 Parganas) জালে সেভাবে উঠে এল না ইলিশ। হাতে গোনা দু-একটি উঠল জালে, তাও আবার ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের মধ্যে। আর বেশিরভাগই দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের মাছ। এফ বি দুর্গা, এফ বি মহামায়া সহ যে সমস্ত ট্রলার পাড়ি দিয়েছিল, তারা কিছু পরিমাণ ইলিশ নিয়েই ফিরে এসেছে ঘাটে। তবে মৎস্যজীবীদের দাবি, যথাযথ বৃষ্টির পরিবেশ না থাকার কারণেই মরশুমের প্রথম ইলিশ সেভাবে মিলল না। তাঁদের মতে, পরবর্তী সময়ে আদর্শ পরিবেশ হলে অবশ্যই জালে উঠবে রূপালি শস্য ইলিশ। বঙ্গে বর্ষা কিছুটা দেরিতে প্রবেশ করার কারণেই মরশুমের প্রথম ইলিশের দেখা মিলল না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাঙালির পাতে চিংড়ি, ভোলার মাঝে ইলিশ এখন দিশাহীন।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য

    বনদুর্গা ট্রলারের (South 24 Parganas) মৎস্যজীবী কেশব দাস বলেন, এই বছর ইলিশের খবর ভালো নয়! কোনও রকমে খরচের টাকা হয়তো উঠবে। রাজেশ ১ ট্রলারের আরেক মৎস্যজীবী রঞ্জিত সর্দার বলেন, মাত্র এক ক্যারেট ইলিশ মাছ নিয়ে নিজের খরচায় ট্রলার নিয়ে এসেছি। বৃষ্টি না হলে আমদের আর্থিক সঙ্কটে পড়তে হবে।

    কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) ফিশার ওয়েলফেয়ার সোসাইটির এক মৎস্য ব্যবসায়ী বিজন মাইতি বলেন, এই বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় এখনও সেভাবে ইলিশ পড়েনি। চিংড়ি, ভোলা, পমফ্রেট, ম্যাগনেট, বোমলা মাছ বেশি এসেছে। ইলিশ তুলনামূলক অনেক কম। একটা ট্রলার তৈরি করতে প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়। কিন্তু যদি ট্রলারে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কেজি মাছ আসে, তাতে খরচই উঠে আসবে না। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া দফতর বলছে, মৌসুমি বায়ু বঙ্গের সাগরে আরেকটু প্রবল হলে বৃষ্টিপাত বাড়বে। আরও বৃষ্টি হলে ইলিশ বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hilsa Import: আজ রাজ্যে আসছে প্রায় ৪ হাজার টন পদ্মার ইলিশ! বাজারে মিলবে কবে থেকে?

    Hilsa Import: আজ রাজ্যে আসছে প্রায় ৪ হাজার টন পদ্মার ইলিশ! বাজারে মিলবে কবে থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গে ৩,৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির (Hilsa Import) ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এগ্রিমেন্ট সই সাবুদের পর এবার পাতে বাংলাদেশের ইলিশ পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। ৭০ জন ভারতীয় আমদানিকারকের হাত ধরে ২১ থেকে ২৫টি কনসাইনমেন্টে রাজ্যে আসছে পদ্মা-মেঘনার ইলিশ (Bangladeshi Hilsa)। 

    পুজোর আগেই পাতে ইলিশ

    ২০২২ সালে ৩৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির (Hilsa Import) অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়েছিল অক্টোবরে। ফলে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবে এই দেশের আমদানিকারীরা শেষ পর্যন্ত ঘরে তুলতে পেরেছিলেন মাত্র ৩০০০ মেট্রিক টন। এবার জুলাই থেকেই তাই আমদানিকারীদের চেষ্টা ছিল বেশি সময় ধরে বা সময় এগিয়ে এনে ধাপে ধাপে গোটা কনসাইমেন্ট ঘরে তোলার। দু’দিন দেরি হলেও, সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ার আশা ষোলো আনা রয়েছে। পাঁচ দিনের ব্যবধানে ধাপে ধাপে মোট ২১ থেকে ২৫টি আলাদা কনসাইনমেন্টে  প্রায় ৭০ জন আমদানকারির হাত ধরে মোট ৩৫০০ থেকে ৪০০০ মেট্রিক টন বাংলাদেশি ইলিশ (Bangladeshi Hilsa) এই রাজ্যে ঢুকবে ভাইফোঁটা পর্যন্ত। 

    ইলিশের চাহিদা বাংলায় বেশি

    বাংলাদেশের ইলিশের (Bangladeshi Hilsa)চাহিদা এ রাজ্যেই সবথেকে বেশি। যদিও ইলিশ রফতানিতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সেই কারণে এবার অনেক আগে থেকে মৎস্য ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ওপারের ইলিশ আনার (Hilsa Import) প্রচেষ্টায় ছিলেন। ভারতে এবার ৫০০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির ছাড়পত্র দিয়েছে হাসিনা সরকার। এর মধ্যে দেশের অন্যান্য প্রান্তে যাচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ মেট্রিক টন ইলিশ। বাকি পুরোটাই এই রাজ্যের বাঙালির পাতে।

    আরও পড়ুুন: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে চলে এলেন প্রধানমন্ত্রী, ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়াল ১০ লাখ 

    দাম মধ্যবিত্তের নাগালে

    সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারই পেট্রাপোলে সীমান্তে চলে আসছে অনুমোদিত কয়েক টন ইলিশ (Hilsa Import)। এ নিয়ে ‘ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর সম্পাদক আনোয়ার মাকসুদ বলেন, ‘‘আমরা বাংলাদেশ সরকারের তরফে ৩,৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি পেয়েছি। আগামিকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকবে বাংলাদেশের ইলিশ (Bangladeshi Hilsa)। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে রফতানিকৃত ইলিশ চলে আসবে এ রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গের বাজারে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বাংলাদেশি ইলিশ পাওয়া যাবে।’’ তিনি জানান, শনিবার থেকে পাইকারি বাজারে ঢুকে পড়তে পারে বাংলাদেশি ইলিশ। শুরুর দিকে দাম হয়তো একটু বেশি থাকবে। ১ কেজি ইলিশ পাইকারি বাজারে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে। ৭০০ গ্রামের ইলিশগুলো ৭০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হবে,বলে জানান তিনি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share