Tag: Himanta Biswa Sarma

Himanta Biswa Sarma

  • BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    BJP: অসমে প্রথম দফায় ৮৮ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পর এবার অসমেও প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। অসম বিধানসভার নির্বাচনও হওয়ার কথা এপ্রিলে। সেই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই প্রকাশ হয়েছে প্রার্থী তালিকা (Assam Assembly Polls 2026)।

    ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির (BJP)

    বৃহস্পতিবার মোট ৮৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। তালিকায় বর্তমান মন্ত্রিসভার একাধিক প্রবীণ সদস্যকে রাখা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ফের প্রার্থী হচ্ছেন জলুকবাড়ি থেকে। অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগকে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে গোলাঘাট কেন্দ্রে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন দেমাজি কেন্দ্রের রানোজ পেগু, জাগিরোড কেন্দ্রের পীযূষ হাজারিকা এবং ঢেকিয়াজুলি কেন্দ্রের অশোক সিংহল। প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা বর্তমান নগাঁও কেন্দ্রের সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদলৈকে প্রার্থী করা হয়েছে দিসপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। কংগ্রেস থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরও এক নেতা ভূপেন কুমার বোড়কে। ভিপুরা কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে লড়বেন তিনি।

    শহরের আসনে বিশেষ জোর

    বিজেপি শহরের বিভিন্ন আসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। কামরূপ মেট্রোপলিটন ডিস্ট্রিক্টের সব প্রধান আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে জলুকবাড়ি, দিসপুর, গুয়াহাটি সেন্ট্রাল এবং নিউ গুয়াহাটি। এর মাধ্যমে শহুরে ভোটব্যাঙ্ককে শক্তিশালী করার কৌশল স্পষ্ট। উত্তর আসামের উচ্চ অসম অঞ্চলের দুলিয়াজান, তিনশুকিয়া, ডিগবয় এবং ডিব্রুগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মনোনীত করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। বরাক উপত্যকা অঞ্চলে শিলচর, করিমগঞ্জ উত্তর এবং হাইলাকান্দি আসনে সুপরিচিত স্থানীয় মুখকে প্রার্থী করা হয়েছে (BJP)।

    মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি

    প্রথম দফার এই তালিকায় মহিলা প্রার্থীদের উপস্থিতি সীমিত হলেও, উল্লেখযোগ্য। প্রথম তালিকায় ৬ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। একুশের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ৭ জন পদ্ম- মহিলা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন মাধবী দাস, জ্যোৎস্না কলিতা, নিলীমা দেবী, অজন্তা নেগো, নিশো তেরাংপি এবং রূপালি লাংথাশা। তালিকায় (Assam Assembly Polls 2026) উপজাতীয় এবং সংরক্ষিত আসনগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বোকো-ছায়গাঁও, তামুলপুর, ধেমাজি, মাজুলি, কার্বিআংলং এবং ডিমা হাসাও জেলাগুলিও। প্রথম দফার এই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতা। অসম বিজেপির সভাপতি দিলীপ শইকিয়াও ছিলেন ওই বৈঠকে (BJP)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের সূচনা করে দিল। এ রাজ্যে তারা ক্ষমতায় রয়েছে। সংগঠনগত শক্তি বাড়িয়ে এবং কৌশলগত অন্তর্ভুক্তির ওপর ভর করে রাজ্যে ক্ষমতার রশি ধরে রাখতে চায় পদ্মশিবির।

     

  • Assam Assembly Elections 2026: অসম বিধানসভায় বিজেপি একাই লড়বে ৮৯ আসনে, বাকি কেন্দ্রে এনডিএ শরিকরা

    Assam Assembly Elections 2026: অসম বিধানসভায় বিজেপি একাই লড়বে ৮৯ আসনে, বাকি কেন্দ্রে এনডিএ শরিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এনডিএর আসন-বণ্টন সূত্র প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। মঙ্গলবার তিনি জানান, বিজেপি ৮৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, তাদের জোট সঙ্গী এজিপি লড়বে ২৬টি আসনে এবং বিপিএফ লড়বে ১১টি আসনে।

    কী বললেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Assam Assembly Elections 2026) 

    নয়াদিল্লিতে বিজেপির একটি প্রাথমিক বৈঠকে অংশগ্রহণের পর এই ঘোষণা করেন হিমন্ত। তিনি জানান, চূড়ান্ত চুক্তি স্থির করতে বুধবার সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক হবে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জানান, অসম বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপি তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বুধবার গভীর রাতে বা বৃহস্পতিবার সকালে। তিনি বলেন, “আজ আমরা আমাদের দলের তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছি। বুধবার সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক আছে। আমার ধারণা, তালিকা হয় বুধবার গভীর রাতে, নয়তো পরদিন সকালে প্রকাশ করা হবে।”

    একুশের নির্বাচনের ফল

    নগাঁও থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সাংসদ প্রত্যুৎ বরদলৈ বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট পেতে পারেন, এমন জল্পনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কোনও যোগাযোগ নেই। তবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তিনি বলেন, “প্রদ্যুৎ বরদলৈয়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। যদি তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতেন, আমি জানতাম। আমার মনে হয় এখনও তিনি বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে কথা বলেননি। তবে ভবিষ্যতে যোগাযোগ হতে পারে।” ২০২১ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৯৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। জয়ী হয়েছিল ৬০টি আসনে।
    এজিপিকে ২৫টি আসন দেওয়া হলেও,  তারা লড়ে ২৯টি আসনে। জয়ী হয় ৯টি আসনে।

    এনডিএর আর এক শরিক ইউপিপিএল ৮টি আসন পেয়েও প্রার্থী দিয়েছিল ১১টি আসনে। ৬টি আসনে জয়ী হয় তারা। সব মিলিয়ে এনডিএ সেবার ১২৬ সদস্যের অসম বিধানসভায় ৭৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে জোটসঙ্গীদের মধ্যে কয়েকটি আসনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই’ দেখা গিয়েছিল। বিজেপি এবং এজিপি পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়েছিল লখিমপুর,  নাহারকাটিয়া, পাঠারকান্দি এবং আলগাপুর কেন্দ্রে। বিজেপি এবং ইউপিপিএল মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল বিজনি, কালাইগাঁও এবং মাজবাট আসনে।

     

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

  • Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গগৈয়ের পাকিস্তানের সঙ্গে কথিত যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আক্রমণ (Attari Border)। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিমন্ত বলেন, “অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুতর এবং সেগুলির তদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে হওয়া উচিত।” তাঁর দাবি, রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে গৌরব গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন। গৌরব গগৈ এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ”।

    গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)

    এই মামলাটি মূলত গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্ন পাকিস্তানের সঙ্গে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামাবাদে কাজ করার সময় তিনি পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা তৌকির শেখের অধীনে কাজ করতেন। সরকার এই অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে সিট (SIT) গঠন করে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি মামলাও রুজু করা হয়। সিট রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয়টির সংবেদনশীলতা ও ব্যাপক প্রভাবের কারণে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন। হিমন্ত জানান, তাঁর সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে (MHA) এই তদন্তের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সম্মতি মিললেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Attari Border)।”

    কী বললেন হিমন্ত

    কেন্দ্রীয় তদন্তের পক্ষে সওয়াল করে শর্মা বলেন, “অসম সরকারের তদন্তের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে।” তাঁর দাবি, “এলিজাবেথ, গৌরব গগৈ এবং পাকিস্তানের মধ্যে আরও গভীর যোগাযোগ রয়েছে, যা তদন্ত করা প্রয়োজন (Himanta Biswa Sarma)।” তিনি এও বলেন, “৪৪ পাতার সিট রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে গগৈয়ের স্ত্রী তৌকির শেখের সঙ্গে গোপন নথি ভাগ করে নিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানের একটি সংস্থা ‘লিড পাকিস্তানে’র মাধ্যমে বেতন লেনদেনের মাধ্যমে তাঁকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। অতীতে এলিজাবেথ কোলবার্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনেটর টম উডাল এবং বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী জর্জ সোরোসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। হিমন্তর অভিযোগ, কম নজরে থাকার জন্য গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্তারি সীমান্ত ব্যবহার করতেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, গৌরবকে বিয়ে করার পর তিনি মোট ন’বার পাকিস্তানে গিয়েছেন (Attari Border)। তিনি আরও দাবি করেন, গগৈ পরিবারের কেউ কেউ সময় সময় পাকিস্তানি ওই সংস্থাকে পরামর্শ ও তথ্য সরবরাহ করতেন (Himanta Biswa Sarma)।

    লাহোরে যাওয়ার অনুমতি

    শর্মার অভিযোগ, ২০১৩ সালে পাকিস্তান সফরের সময় প্রথমে গগৈ ও তাঁর স্ত্রীকে শুধু লাহোরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে ইসলামাবাদ ও করাচি সফরের অনুমতিও দেওয়া হয়। এই বিষয়ে তিনি গগৈয়ের কাছে ব্যাখ্যাও চান। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ২০২২ সালে গৌরব গগৈ তাঁর নাবালক ছেলের ভারতীয় পাসপোর্ট দিল্লির পাসপোর্ট অফিসে জমা দেন, যাতে সে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতীয় পাসপোর্টে শিশুটির ধর্ম হিন্দু লেখা ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ পাসপোর্টে ধর্মের ঘর ফাঁকা রাখা হয়েছে।” এই বিষয়ে গগৈকে ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেন তিনি। কংগ্রেস নেতৃত্ব বিষয়টি জেনেও গগৈকে রক্ষা করছে কি না, এই প্রশ্নে হিমন্ত বলেন, “গগৈ গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া উচিত (Himanta Biswa Sarma)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব অনলাইন পোস্টে এই সাংবাদিক সম্মেলনকে “সুপার ফ্লপ” বলে কটাক্ষ করেন (Attari Border)।

    গগৈয়ের বক্তব্য

    লোকসভায় কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গগৈ লেখেন, “দিল্লি ও অসমের সাংবাদিকদের জন্য আমার সহানুভূতি। তাঁদের শতাব্দীর সবচেয়ে ফ্লপ সাংবাদিক সম্মেলন সহ্য করতে হয়েছে। এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ। তথাকথিত রাজনৈতিকভাবে চতুর মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে ভিত্তিহীন ও অর্থহীন বক্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “এই #সুপারফ্লপ আমাদের #এক্সোমি পরিবর্তন যাত্রার সম্পূর্ণ বিপরীত, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের দখলে থাকা ১২,০০০ বিঘা জমির বিষয়টি সামনে এসেছে।” সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্তর দাবি, কংগ্রেস আমলে তৌকির শেখ ১৩ বার ভারতে এসেছিলেন এবং গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তান থেকে বেতন পেতেন। তিনি বলেন, “গোয়েন্দা ব্যুরো (IB) গগৈয়ের পাকিস্তান সফর নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারে, কারণ দিল্লির সহায়তা ছাড়া তা সম্ভব নয়।” হিমন্ত বলেন, “আমরা গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। গগৈ যদি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে আমি ভুল, তাহলে আমি সবচেয়ে খুশি হব। আমি চাই না কোনও সাংসদ আপসকামী অবস্থায় থাকুন (Himanta Biswa Sarma)।”

    পাল্টা জবাবে গৌরব বলেন, “জাতীয় স্তরে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। তিনি বলেন, “দেড়-দুই ঘণ্টার সাংবাদিক সম্মেলনের পরেও তিনি সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি। প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল অপ্রতুল। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন অসমের মানুষের বুদ্ধি নেই। তিনি মিথ্যাবাদী। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারকে হাস্যকর করে তুলেছেন (Attari Border)। সিট রিপোর্ট দেখাচ্ছে তিনিই আসলে আতঙ্কিত (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Himanta Biswa Sarma: “জুবিন গর্গের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি খুন”, অসম বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: “জুবিন গর্গের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি খুন”, অসম বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গায়ক জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি খুন।” মঙ্গলবার বিধানসভায় এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে ইয়ট ভ্রমণের সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে মৃত্যু হয় বছর বাহান্নর গায়ক-সুরকার জুবিনের। প্রথমে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে বলা হয়েছিল রহস্যজনক দুর্ঘটনা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে আরও গুরুতর তথ্য।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ (Himanta Biswa Sarma)

    বিরোধী দলের আনা স্থগিতাদেশ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালীন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসম পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে এটি ছিল একেবারে সোজাসাপ্টা খুন।” তাঁর দাবি, একজন ব্যক্তি সরাসরি জুবিন গর্গকে হত্যা করেছে এবং আরও কয়েকজন এ কাজে তাকে সহায়তা করেছে। তাঁর মতে, এখন চার থেকে পাঁচজনকে এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

    সিট গড়ল রাজ্য সরকার

    উত্তর-পূর্ব ভারত উৎসবে অংশ নিতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন গর্গ । তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই অসমজুড়ে ৬০টিরও বেশি অভিযোগ দায়ের হয়। দাবি জানানো হয়, পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার সিট গঠন করে। এর পাশাপাশি, কী ঘটেছিল তা যাচাই করতে গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমিত্র শইকিয়ার নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশনও গঠন করা হয় (Himanta Biswa Sarma)। সিট তদন্ত শুরু করার কয়েক দিনের মধ্যেই জুবিনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন, এনইআইএফ সংগঠক শ্যামকানু মহন্ত, গায়কের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, তাঁর দুই ব্যান্ড সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী ও অমিত প্রভ মহন্ত, এবং তাঁর এক আত্মীয় সন্দীপন গর্গ, যিনি অসম পুলিশের একজন প্রবীণ আধিকারিক (Zubeen Garg)। গ্রেফতার করা হয় তাঁর দুই ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী – নন্দেশ্বর বরা এবং প্রবীন বৈশ্যকেও। কারণ তদন্তকারীরা তাদের ব্যাঙ্কের হিসেব থেকে ১.১ কোটি টাকারও বেশি লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিট খুব শীঘ্রই একটি চার্জশিট জমা দেবে। গর্গকে হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য রাজ্যবাসীকে হতবাক করবে (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৯ নভেম্বর। এদিন থেকেই ফের শুরু হবে অসমের (Assam) বনভূমিতে বাংলাদেশি মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান (Eviction Drives)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বয়ং। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুর আবেগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অসমে নেপালের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। তাদের ধারণা ছিল, এভাবে সরকারকে চাপের মুখে ফেলে উচ্ছেদ অভিযান থামানো যাবে। কিন্তু দুঃখিত, আমি আপনাদের সেই আশা পূরণ করতে পারিনি। ৯ নভেম্বর থেকে গোয়ালপাড়া জেলার দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ফের শুরু হবে উচ্ছেদ অভিযান।”

    দখলদার উচ্ছেদ অভিযান (Assam)

    জানা গিয়েছে, বনবিভাগ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ১ হাজার ১৪৩ বিঘে বনভূমি থেকে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে। ৯ নভেম্বরের আগেই বনভূমি খালি করার নির্দেশ দিয়ে ৩০০-রও বেশি বাংলাদেশি মুসলিম পরিবারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর বহু অবৈধ দখলদার বনভূমি ছেড়ে চলে গিয়েছে। দোহিকোটা সংরক্ষিত বনাঞ্চলটি হাতির বাসস্থান হলেও, অবৈধ দখলদারির জেরে ব্যাঘাত ঘটছে হাতির জীবনযাত্রার। তাই গোয়ালপাড়া জেলায় মানুষ–হাতি সংঘাত বাড়ছে দ্রুত।

    অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা

    প্রসঙ্গত, গায়ক জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর অসমে একদল মানুষ অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। গায়কের অকাল প্রয়াণের বিচার দাবি করার নামে ওই গোষ্ঠী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। ১৫ অক্টোবর বকসা জেলা জেলের সামনে পুলিশ ও সংবাদ মাধ্যমের ওপর ব্যাপক হামলা হয় (Assam)। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় যানবাহনে (Eviction Drives)। ওই ঘটনায় ২৫ জনেরও বেশি মানুষ জখম হন। পরে জানা যায়, এই হিংসার উসকানি দেওয়া হয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকে পরিচালিত একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। ঘটনার পর পুলিশ ১১ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে ৯ জনই মুসলমান, বাকিরাও স্থানীয় নয় (Assam)।

  • Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়” অর্থাৎ রাহুল গান্ধী পাগল। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে পাগল বলে ঘোষণা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ইতিমধ্যেই অসম মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। উল্লেখ্য, রাহুল (Rahul Gandhi) দেশে এবং দেশের বাইরে একাধিকবার ভারত সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করে সব মহলেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এক একবার তো মামলা গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত।

    সেনা বাহিনীতে সংরক্ষণ (Himanta Biswa Sarma)!

    বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) রাহুলের করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। দেশের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে রাহুল পরিণত নন। তাঁর বাস্তব জ্ঞানের অভাব বলে মন্তব্য করেন হিমন্ত। সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিদের কাজ করা উচিত। রাহুল কথিত শতাংশের হারে ব্যক্তি নিয়োগের সিদ্ধান্ত কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    হিমন্ত সাংবাদিকদের বলেন, “রাহুল (Rahul Gandhi) পাগল। তাঁর সম্পর্কে কথা বলাই উচিত নয়। তিনি মুখে যা আসে তা-ই বলেন। এখন যদি ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা হয় তাহলে কি সেনাবাহিনীতে ১০-২০ শতাংশ ডিভিশন করবেন। সেনাবাহিনীতে কে থাকা উচিত? যে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী যে সেই তো পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করতে পারেবেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী আলাদা কথা বলছেন। সেনাবাহিনীতে যদি ১০-২০ শতাংশ বিভাজন হয় তাহলে তো সেনাবাহিনীকে দুর্বলই করা হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে রাহুলকে পাগল ঘোষণা করা উচিত।”

    সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগকে টার্গেট

    ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। তাঁর দাবি ভারতীয় সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগ এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে দলিত, মহাদলিত, অনগ্রসর, মুসলিম এবং নানা প্রকারের সংরক্ষণ রাখা উচিত। তবে লোকসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের নানা সমালোচনা করতে করতে বিভিন্ন সময়ে সাংবিধানিক নানা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। আর তাতেই শাসকদলের নেতারা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে পিছিয়ে থাকেননি। বিশেষ করে প্রতিরক্ষায় সংরক্ষণ করে পুনর্মূল্যায়ণ করা উচিত-এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই তোপ দাগেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)।

  • Himanta Biswa Sarma: “কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ পাকিস্তানের এজেন্ট”, বিস্ফোরক অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: “কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ পাকিস্তানের এজেন্ট”, বিস্ফোরক অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার ডেপুটি বিরোধী দলনেতা গৌরব গগৈ (Gaurav Gogoi) পাকিস্তানের এজেন্ট।” অন্তত এমনই গুরুতর অভিযোগ তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গৌরব গগৈ একজন পাকিস্তানি এজেন্ট। তিনি সম্পূর্ণরূপে পাকিস্তানের এজেন্ট। তাঁর সাহস থাকলে আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করুন। গৌরব গগৈ পাকিস্তান ও আইএসআইয়ের নিযুক্ত চর। হ্যাঁ, আমি এ কথা বলছি একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই।”

    অভিযোগের প্রমাণও রয়েছে (Himanta Biswa Sarma)

    তিনি জানান, তাঁর কাছে এই অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রমাণও রয়েছে। এটি যে কোনও নির্বাচনী ইস্যু নয়, তাও জানিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার মন্তব্যের পক্ষে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। যেদিন আমি তা প্রকাশ করব, সেদিন মানুষ বুঝতে পারবেন যে তিনি পাকিস্তানের এজেন্ট। বিদেশি শক্তি তাঁকে ভারতে নিয়োগ করেছে। আমি সব কথা প্রমাণ-সহই বলছি।” হিমন্ত বলেন, “২০২৬ সালে নির্বাচন রয়েছে। তা না হলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতাম। কিন্তু এখন এমন ব্যবস্থা নিলে বিরোধীরা বলবেন, এটি নির্বাচনী ইস্যু। নইলে ওই সব প্রমাণের ভিত্তিতে তিনি এখন জেলেই থাকতেন।”

    রিপোর্ট জমা দিয়েছে

    প্রসঙ্গত, (Himanta Biswa Sarma) কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ ও তাঁর ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্নের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই-ঘনিষ্ঠ এক নাগরিকের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছিল অসম সরকার, তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সিটের রিপোর্টে পাক নাগরিক আলি তওকির শেখ ও তার সহযোগীদের ভারত–বিরোধী কার্যকলাপ সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য উন্মোচন করা হয়েছে। তিনি (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি অসম মন্ত্রিসভা পাক নাগরিক আলি তওকির শেখ ও তার সহযোগীদের ভারত–বিরোধী কার্যকলাপ তদন্তের জন্য সিট গঠন করেছিল (Gaurav Gogoi)। এই তদন্তেই সিট এমন চমকপ্রদ তথ্য উদ্ঘাটন করেছে, যা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে।”

  • Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের দলীয় বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) ‘আমার সোনার বাংলা’। ঘটনায় তোলপাড় অসমের (Assam) রাজনীতি। এবার এই ঘটনায় জড়িত শ্রীভূমি জেলার কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্য (Assam)

    সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনা ভারতের প্রতি এবং ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি এক প্রকাশ্য অসম্মান। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে কংগ্রেস আসলে বাংলাদেশে কিছু মানুষের সেই ধারণাকেই সমর্থন করছে, যে ভারতের সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল নাকি তাদের দেশের অংশ।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি পুলিশকে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রীভূমি শহরে কংগ্রেসের সেবা দলের বৈঠক হয় মঙ্গলবার। বৈঠকের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায় বছর পঁচাশির এক ব্যক্তি গানটির দু’টি লাইন গাইছেন। ভিডিওতে এও দেখা গিয়েছে, গায়ক দাঁড়িয়ে গান করলেও, অন্যান্যরা সবাই বসে ছিলেন। গানটি রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতাও তিনিই।

    কী বলল কংগ্রেস

    কংগ্রেসের (Assam) অভিযোগ, বিজেপি মানুষকে ভুল পথে চালিত করতে অযথা বিতর্কের সৃষ্টি করছে। শ্রীভূমি জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তাপস পুরকায়স্থ বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না। আমাদের পঁচাশি বছর বয়সী কবি বিধুভূষণ দাস গানটির মাত্র দু’টি লাইন গেয়েছেন।” তাঁর দাবি, গানটিকে অপমান করা মানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করা। অসমের কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ বলেন, “বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে এবং গানটির পেছনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করছে।” তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলা সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দাবি করলেও তাদের আচরণ বারবার বাংলা ভাষা ও বাঙালি জনগণের প্রতি অপমানজনক হয়ে উঠেছে।”

    গৌরবের (Assam) বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সভাপতির উচিত ছিল দলীয় নেতাদের পক্ষ নেওয়ার বদলে তাঁদের তৎক্ষণাৎ বহিষ্কার করা। কারণ তাঁরা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন।” তিনি বলেন, “এটি পাকিস্তান সরকারের একটি পরিকল্পনা। কয়েক দিন আগে (National Anthem) পাকিস্তান মহম্মদ ইউনূসকে একটি উপহার দিয়েছে, যেখানে ত্রিপুরা ও অসমকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।” তিনি বলেন, “এই কংগ্রেস পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ‘ডট ডট’ দল। খারাপ শব্দটি আমি বলতে চাই না।”

  • Tiwari Commission Repot: প্রকাশ্যে আসতে চলেছে নেল্লি গণহত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    Tiwari Commission Repot: প্রকাশ্যে আসতে চলেছে নেল্লি গণহত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৮৩ সালে ঘটেছিল নেল্লি  গণহত্যাকাণ্ড। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গঠিত হয় তিওয়ারি কমিশন। ১৯৮৫ সালে রিপোর্টও (Tiwari Commission Repot) দেয় কমিশন। তার পর থেকে প্রায় চার দশক পার হয়ে গেলেও, প্রকাশ্যে আসেনি ওই রিপোর্ট। বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে এই রিপোর্ট পেশ করার কথা ঘোষণা করল অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার। অসমবাসী জানতে পারবেন বর্তমান নগাঁও জেলার এই নৃশংস গণহত্যার প্রকৃত সত্য।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা (Tiwari Commission Repot)

    সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “১৯৮৩ সালে নেল্লিতে একটি ভয়াবহ গণহত্যা ঘটেছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার একটি কমিশন গঠন করেছিল, নাম ছিল তিওয়ারি কমিশন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই কমিশনের রিপোর্ট কখনও রাজ্য বিধানসভায় উপস্থাপন করা হয়নি। আসন্ন ২৫ নভেম্বরের বিধানসভার অধিবেশনে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৯৮৩ সালের নেল্লি গণহত্যার প্রেক্ষিতে গঠিত তিওয়ারি কমিশনের রিপোর্ট পেশ করব।” তিনি বলেন, “এটি অসমের ইতিহাসের একটি অংশ, যা পরে বিভিন্নভাবে বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানীরা স্টাডি এবং বিশ্লেষণ করেছেন। তাই এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে অন্তত মানুষ সেই সময়ে কী ঘটেছিল, তার সঠিক তথ্য জানতে পারবেন।”

    নেল্লি হত্যাকাণ্ড

    ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অসমের মধ্যাঞ্চলের নেল্লি এলাকায় এবং তার আশপাশে ঘটেছিল নেল্লি হত্যাকাণ্ড। এই সময় অসম আন্দোলন বা বিদেশি বিরোধী আন্দোলন ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মানুষ। সেই সময় এলাকার শয়ে শয়ে আদিবাসী বাঙালি মুসলমানদের বসতিতে আক্রমণ চালিয়েছিল। দা, বর্শা ও লাঠি হাতে নিয়ে উন্মত্ত জনতা তাদের ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল, অবরোধ করেছিল রাস্তা, যারা প্রাণ বাঁচাতে পালানোর চেষ্টা করেছিল, তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন নারী ও শিশু। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩২৭ জন নারী এবং ২৫৩ জন শিশু। যদিও মানবাধিকার সংগঠন এবং গবেষকদের মতে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা এই হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি। অভিযোগ, পুলিশ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে সিআরপিএফ পৌঁছনোর পর (Tiwari Commission Repot)।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    অসমের ১৪টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১২টিই শূন্য ছিল ১৯৮০ সাল থেকে। বিদেশি-বিরোধী আন্দোলনের জেরে ১৯৮২ সালে ভেঙে দেওয়া হয় বিধানসভাও। পরের বছর ৬ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয় চার দফায় হবে বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন বয়কট করেন অসম আন্দোলনের সমর্থকরা। তা সত্ত্বেও হিংসা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট হয়। জয়ী হয় কংগ্রেস। হিতেশ্বর সইকিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে সোনিয়া গান্ধীর দল। অসম আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন সংক্ষেপে, আসু। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও বহিষ্কার করা হোক। তাদের নাম মুছে ফেলা হোক ভোটার তালিকা থেকে। আন্দোলনকারীদের আশঙ্কা ছিল, বাংলাদেশের মানুষের অবাধ অনুপ্রবেশের জেরে বদলে যাবে অসমের জনসংখ্যাগত কাঠামো (Tiwari Commission Repot)।

    কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    নেল্লি হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করতে হিতেশ্বর সইকিয়ার নেতৃত্বাধীন অসমের কংগ্রেস সরকার তৎকালীন আইএএস কর্তা ত্রিভুবন প্রসাদ তিওয়ারির নেতৃত্বে তিওয়ারি কমিশন গঠন করে। এই কমিশন ১৯৮৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী হিতেশ্বর সইকিয়ার কাছে ৬০০ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট পেশ করে। যদিও কোনও এক অজ্ঞাত কারণে আজও এই রিপোর্ট পেশ করা হয়নি বিধানসভায়। রিপোর্টে বলা হয়, সরকারের নথিপত্রে মাত্র তিনটি শ্রেণিবদ্ধ (classified) কপি সংরক্ষিত রয়েছে (Tiwari Commission Repot)। গত চার দশকে রিপোর্টটি কেন প্রকাশ করা হয়নি, তা অজানাই রয়ে গিয়েছে। অনেকে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছেন ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ায়।

    কেন প্রকাশ করা হয়নি রিপোর্ট

    যদিও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, রিপোর্টটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, “অসম সরকারের কাছে থাকা ৬০০ পৃষ্ঠার তিওয়ারি কমিশন রিপোর্টের কপিগুলিতে কমিশনের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত আইএএস কর্মকর্তা ত্রিভুবন প্রসাদ তিওয়ারির সই ছিল না। তাই প্রতিবেদনটি আসল কি না, এ নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা তখনকার বিভিন্ন কেরানির সাক্ষাৎকার নিয়েছি, ফরেনসিক পরীক্ষাও করেছি এবং রিপোর্টটি সত্য বলে জানতে পেরেছি। আগের বিভিন্ন সরকার রিপোর্ট প্রকাশ করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু কোনও না কোনও সরকারকে এটি প্রকাশ করতেই হত। কারণ এটি আমাদের ইতিহাসের একটি অধ্যায় (Tiwari Commission Repot)।”

LinkedIn
Share