Tag: Hindenburg

Hindenburg

  • Mossad: বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী? দাবি মোসাদের

    Mossad: বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী? দাবি মোসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির জমানায় হাল ফিরেছে ভারতের অর্থনীতির। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের স্থান এখন পাঁচ নম্বরে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কীভাবে ভারতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন, তা ফাঁস করেছে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ (Mossad)। এই মোসাদ রাহুল এবং কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা স্যাম পিত্রোদার ওপর গোপনে নজরদারি অভিযান চালায় বলে অভিযোগ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে এই অভিযান শুরু হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় বিরোধী দলীয় নেতাদের বিতর্কিত আমেরিকান শর্ট-সেলার সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজে বের করা।

    স্পুটনিকের খবর (Mossad)

    রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কর্পোরেট জালিয়াতির অভিযোগ এনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই মোসাদ এই বিষয়ে জড়িয়ে পড়ে। এই প্রতিবেদনের প্রভাবে আদানি গ্রুপের বাজার মূল্য প্রায় ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কমে যায়। বড়সড় ধস নামে ভারতের শেয়ার বাজারে।

    হাইফা বন্দরের শেয়ার

    ওই সময় আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন (এপিএসইজেড) ইজরায়েলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাইফা বন্দরের অধিকাংশ শেয়ার কেনার জন্য ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল। ১৮ মাসের প্রতিযোগিতামূলক দরাদরির পর সম্পন্ন হয় চুক্তি। এই চুক্তিকে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইইসি) প্রকল্পের মূল স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছিল (Rahul Gandhi)।

    নেতানিয়াহুর প্রশ্ন

    হাইফা বন্দর অধিগ্রহণের সভায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানিকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “হিন্ডেনবার্গের এই প্রতিবেদনটি আপনার ব্যবসার জন্য একটি বড় হুমকি, তাই না?” আদানি সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে উত্তর দিয়েছিলেন, “একেবারেই না। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা (Mossad)।”
    তবে নেতানিয়াহুকে অপ্রতিভ দেখাচ্ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছিলেন, “আপনি যদি কোনও হুমকি না-ও দেখেন, আমাদের সতর্ক থাকতেই হবে। এটি আপনাকে দুর্বল করলে শুধু এই বন্দর চুক্তিই নয়, ভারতের সঙ্গে যে সম্পর্ক আমরা গড়ে তুলেছি, তা নষ্ট হতে পারে।” হিন্ডেনবার্গের অভিযোগগুলিকে ইজরায়েলের স্বার্থের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণ বলে উল্লেখ করে নেতানিয়াহু আদানিকে আশ্বস্ত করেন, “ইজরায়েল তার বন্ধুদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এটি খতিয়ে দেখব।” এর পরেই আদানির অজান্তেই নেতানিয়াহু মোসাদকে সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেন।

    অপারেশন জেপেলিন

    স্পুটনিকের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে চালু হয় অপারেশন জেপেলিন। এটি একটি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহমূলক উদ্যোগ, যা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট ও তার পরবর্তী প্রভাব পরিকল্পনা বা সমর্থনকারী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। মোসাদের দুটি এলিট ইউনিট – টজমেট এবং কেশেত তৎপরতা শুরু করে। তাদের মিশন ছিল প্রতিবেদনের উৎস ও পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করা, যাকে কেবল একটি কর্পোরেট আক্রমণ নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারত-ইসরায়েলি জোটের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে ভূ-অর্থনৈতিক আক্রমণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় (Mossad)।

    মোসাদের দাবি

    হিন্ডেনবার্গের প্রতিষ্ঠাতা নাথান অ্যান্ডারসন ও তাঁর নিউ ইয়র্ক-ভিত্তিক অফিসকে নজরদারির আওতায় আনা হয়। মোসাদের দাবি, এই ষড়যন্ত্রে অ্যাক্টিভিস্ট ল’ইয়ার, সিমপ্যাথেটিক মিডিয়া আউটলেট, হেজ ফান্ড এবং হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক নেতারা জড়িত রয়েছেন। তাদের আরও দাবি, এই ব্যক্তিদের একটি বড় অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসন, ডিপ স্টেট এবং জর্জ সরোসের সঙ্গে যুক্ত।মোসাদের তদন্তের অভিমুখ শীঘ্রই ঘুরে যায় ভারতের বিশিষ্ট বিরোধী নেতাদের দিকে, যার মধ্যে রয়েছেন রাহুল গান্ধী ও স্যাম পিত্রোদা। স্পুটনিকের দাবি, পিত্রোদার আমেরিকা-ভিত্তিক বাড়ির সার্ভার থেকে পাওয়া এনক্রিপ্টেড তথ্য থেকে গোপন যোগাযোগ ও ব্যাকচ্যানেল আলোচনার প্রমাণ মিলেছে, যা তাঁদের হিন্ডেনবার্গ ও এর গ্লোবাল সমর্থকদের সঙ্গে যুক্ত করছে।

    ‘বিটার ডাইনাস্ট’

    এই দাবি অনুযায়ী, মোসাদের অভ্যন্তরীণ নথিতে যাকে ‘বিটার ডাইনাস্ট’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই রাহুল গান্ধী আদানি গোষ্ঠী ও মোদি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে হিন্ডেনবার্গের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সমন্বয় সাধন করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে রাহুল ক্যালিফোর্নিয়ার প্যালো অল্টোয় ছিলেন, যেখানে তিনি হিন্ডেনবার্গ অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেন। অন্যদিকে, ব্লিৎসের তদন্ত রিপোর্ট বলছে, নিউ ইয়র্কে নাথান অ্যান্ডারসনের সঙ্গে রাহুলের গোপন বৈঠকও হয়েছে (Mossad)।

    যদিও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস হিন্ডেনবার্গ, সোরোস বা কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের সাফ কথা, এই অভিযোগগুলি হিন্ডেনবার্গ প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু থেকে মনোযোগ সরাতে একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিজের দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা যতই মহৎ হোক না কেন, কখনওই ন্যায্য হতে পারে না। মোসাদের ‘অপারেশন জেপেলিনে’ প্রকাশিত তথ্য যদি সত্যি হয়, তাহলে রাহুল গান্ধীর বিদেশি শক্তির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ – যার মধ্যে রয়েছেন ডিপ স্টেটের (Rahul Gandhi) এজেন্টরা, জর্জ সরোস এবং অন্যান্য ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্ক –রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে (Mossad)।

  • Rahul Gandhi: ৫ মাসে শেয়ার থেকে রাহুল গান্ধী নিজে লাভ করেছেন ৪৬ লক্ষ টাকা, তারপরেও বলছেন ঝুঁকিপুর্ণ!

    Rahul Gandhi: ৫ মাসে শেয়ার থেকে রাহুল গান্ধী নিজে লাভ করেছেন ৪৬ লক্ষ টাকা, তারপরেও বলছেন ঝুঁকিপুর্ণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৫ মাসের মধ্যে শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ৪৬ লক্ষ টাকা লাভ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তবু ভারতীয় স্টক মার্কেট (Indian Stock Market) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জনগণের মধ্যে মিথ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন বিরোধী নেতা, এমনই দাবি অর্থনৈতিক মহলে। সম্প্রতি রাহুল বলেছিলেন, “কোটি কোটি ভারতীয়ের কঠোর পরিশ্রমের সঞ্চয় ঝুঁকিতে রয়েছে।”

    বিনিয়োগ থেকে রাহুলের লাভ

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) তাঁর শেয়ার বিনিয়োগ থেকে ৪৬.৪৯ লক্ষ টাকা লাভ করেছেন। রাহুলের শেয়ার বাজারের পোর্টফোলিওর মূল্য ১৫ই মার্চ ২০২৪-এ ছিল প্রায় ৪.৩৩ কোটি টাকা। ১২ই অগাস্ট সেটা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪.৮০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তাঁর পোর্টফোলিওতে এশিয়ান পেইন্টস, বাজাজ ফিন্যান্স, ইনফোসিস, টিসিএস, টাইটান এবং টিউব ইনভেস্টমেন্টস অফ ইন্ডিয়া সহ বেশ কয়েকটি বড় সংস্থার শেয়ার রয়েছে। গান্ধীর ২৪টি শেয়ারের মধ্যে ২০টি লাভজনক, মাত্র ৪টি শেয়ার-এর ক্ষতি হয়েছে।

    কী বলেছিলেন রাহুল?

    ১১ই অগাস্ট এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ভারতীয় স্টক মার্কেটকে (Indian Stock Market) একটি ক্রিকেট ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করেন এবং বলেন, “যদি ম্যাচে আম্পায়ার সমঝোতাকারী হয়, তাহলে সেই ম্যাচ কেমন হবে?” তিনি সেবির চেয়ারপার্সন মাধাবী পুরী বুচের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজি এবং অবৈধ শেয়ার মালিকানার অভিযোগ আনেন। রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, একদিকে তিনি সাধারণ মানুষের সঞ্চয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে নিজে বিশাল লাভ করেছেন। 

    বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) এই ধরনের মন্তব্য দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সেনসেক্সের (Indian Stock Market) রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর সময়ে, তাঁর এ ধরনের মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। সেবি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছে যে, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে সেবির নিয়মকানুন মেনে চলার প্রশ্নে এক্ষেত্রে কোনও ধরনের সমস্যা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চকে শোকজ নোটিশ পাঠাল সেবি। আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত যে রিপোর্ট হিন্ডেনবার্গ প্রকাশ করেছিল সে বিষয়েই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে সংস্থা। এ বিষয়ে তাদের ব্লগে পোস্টও করা হয়েছে আজ অর্থাৎ ২ জুলাই। মোট ৪৬ পাতার ওই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে গত ২৭ জুন। এটাই জানিয়েছে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg)।

    নোটিশের সারমর্ম

    জানা গিয়েছে, ওই নোটিশের সারমর্ম হল, শর্ট-সেলার বিষয়ে ভারতের নিয়মবিধিকে লঙ্ঘন করা। ওই নোটিশে হিন্ডেনবার্গ সংস্থার সঙ্গে আদানি গ্রুপে বিনিয়োগকারী এক ব্যক্তির সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওই নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সেবির নিয়মবিধি লঙ্ঘন করেছে হিন্ডেনবার্গ। সেবির প্রতারণামূলক এবং অন্যায্য ব্যবসায়িক পন্থা অবলম্বন রোধ নিয়ন্ত্রণ আইনকে হিন্ডেনবার্গ লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ।

    সেবি (SEBI) কোনও অনিয়ম খুঁজে পায়নি

    হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg) আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারের দাম প্রভাবিত করা সহ অনেক গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। এরপর হিন্ডেনবার্গ বিতর্কের জল অনেক দূর গড়ায়। প্রভাব পড়ে আদানিদের একাধিক সংস্থাতেও। বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি তদন্ত করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ রিপোর্টে করা আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা অনিয়মের অভিযোগ সত্য নয়।

    এই হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ কারা? 

    এক কথায় বলতে গেলে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ একটি বিনিয়োগ গবেষণা সংস্থা। তাদের মূল লক্ষ্য হল শর্ট-সেলিংয়কে কাজে লাগিয়ে মুনাফা করা। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নাম নাথান অ্যান্ডারসন। সংস্থার সদর দফতর নিউ ইয়র্কে। ১৯৩৭ সালে মার্কিন বাজারে একটি আর্থিক কেলেঙ্কারি সংঘটিত হয়। তার নাম ছিল ‘হিন্ডেনবার্গ কাণ্ড’। জানা যায়, সেই ঘটনার সূত্রেই নিজের সংস্থার নাম দিয়েছেন নাথান। সংস্থার লক্ষ্য, এমন সব আর্থিক ফাঁক খুঁজে বের করা, যা ধরতে পারলে, আগে থেকেই বিপর্যয়ের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা যায়।

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সামনে আসে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকার শেয়ার লেনদেন এবং গবেষণাকারী সংস্থা হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ কৃত্রিম ভাবে শেয়ার দর বাড়িয়ে প্রতারণা এবং বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ তুলেছিল আদানি গোষ্ঠির সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই তদন্তে নামে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি। চলতি বছরের মে মাসে এই প্রেক্ষিতে গৌতম আদানির নথিভুক্ত ১০টি সংস্থার মধ্যে সাতটির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করে সেবি (SEBI)। ঠিক তার দুমাসের মাথায় হিন্ডেনবার্গকে নোটিশ ধরাল সেবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) কিছু লুকোনোর নেই আর ভয় পাওয়ারও কিছু নেই। মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। আদানি (Gautam Adani) বিতর্কে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধীরা। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ খোলেন শাহ।

    কংগ্রেসের অভিযোগ…

    কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি গৌতম আদানিকে সাহায্য করছে। তার জবাব দিতে গিয়েই শাহ বলেন, আড়াল করার বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তাঁর মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তিনি (Amit Shah) বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি দেখছে। একজন মন্ত্রী হিসেবে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না। কিন্তু এতে বিজেপির লুকোনোর কিছু নেই। এবং হওয়ার কিছু নেই।

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে আদানির। ২০১৪ সালের পর আদানি ৬০৯তম থেকে বিশ্বব্যাপী ধনীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে চলে আসেন। কংগ্রেস সাংসদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী মোদি আদানিকে বিভিন্ন সেক্টরে বিদেশি চুক্তিতে সহায়তা করেছিলেন। তিনি আরও জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আদানি গত ২০ বছরে নির্বাচনী বন্ড সহ বিজেপিকে কত টাকা দিয়েছে। বিজেপির তরফে এর আগে মুখ খুলেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। তিনি বলেন, ভারতের শেয়ার বাজার খুবই ভালভাবে নিয়ন্ত্রিত। একটি মাত্র ঘটনা, তা নিয়ে বিশ্বে যতই শোরগোল হোক না কেন, তা দিয়ে এই নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার বিচার করা যায় না। ওই ঘটনায় বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীর আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে বলেও আমি মনে করি না।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতির জের, চাকরি হারাচ্ছেন নবম-দশম শ্রেণির ৬১৮ জন শিক্ষক! বিজ্ঞপ্তি জারি এসএসসি-র

    প্রসঙ্গত, আদানিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদনের শুনানিতে শনিবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কি আমরা ব্যবস্থা নেব? আমরা নীতিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তা সরকারের কাজ। তবে তিনি এও বলেন, আমরা একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরির পরামর্শ দিয়েছি। সরকারেরও এ বিষয়ে আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতি বলেন, শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও ভারতীয় লগ্নিকারীদের স্বার্থরক্ষা সম্পর্কে আশঙ্কার কথা আমরা সলিসিটর জেনারেলকে জানিয়েছি।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিনডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদনে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারচুপি করে সম্পদ বৃদ্ধির গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এদিন সে প্রসঙ্গে শাহের পরামর্শ, বিরোধীরা অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share