Tag: Hindu Calender

Hindu Calender

  • Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পয়লা বৈশাখ (bengali new year), ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন বছর শুরু হলেও হিন্দু ধর্মে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার আলাদা হয়। বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় হিন্দু নববর্ষ। এ বছর ৮ এপ্রিল থেকে হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) শুরু হচ্ছে। প্রতিপদ তিথি শুরু হচ্ছে সোমবার, ৮ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।  উল্লেখ্য এই হিন্দু নববর্ষ গুড়ি পাড়োয়া, উগাদি, বৈশাখাদি, বৈশাখী, নভরোজের মতো নামেও পরিচিত।

    সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন

    হিন্দু ক্যালেন্ডারে (hindu calender) রয়েছে ১২টি মাস, যার মধ্যে প্রথম মাস হল চৈত্র। এরপর বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, পৌষ, মাঘ এবং শেষ মাস হল ফাল্গুন। ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু এবং শিখরা যেই ক্যালেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করে তাকে বলা হয় বিক্রম সংবত। ‘সংবত’ অর্থাৎ বছর। সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন। হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) আসার সাথে সাথেই প্রকৃতিও সেজে ওঠে। এই মুহূর্তে পাতাঝরার মরশুম চলছে। পাতা ঝরার মরশুম শেষ হলেই প্রকৃতি আবার নিজেকে নতুন রূপে সাজাতে শুরু করে। এই সময় প্রকৃতি নিজের জীর্ণ রূপ ত্যাগ করে ধীরে ধীরে সবুজ হতে থাকে। 

    হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব –

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব অনেক। বিক্রম সংবত ২০৮১ সালের অধিপতি মঙ্গল ও শনি, তাই এই বছরে থাকবে অশান্তির ছায়া। ভারতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হলেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নতুন বছরে। 
    এ প্রসঙ্গে বালিয়ার বিখ্যাত হনুমান মন্দিরের পুরোহিত আচার্য পণ্ডিত বিজয় নারায়ণ শরণ আমাদের জানিয়েছেন যে, এই পাতাঝরার মরশুম হিন্দু নববর্ষের আগমন বার্তা বয়ে আনে। শুধু তাই নয়, এই সময় গ্রহের অবস্থানও পরিবর্তন হয়। হিন্দুদের নতুন বছর অর্থাৎ চৈত্র শুক্ল প্রতিপদে, হিন্দু ক্যালেন্ডারও (hindu calender) পরিবর্তিত হয় এবং নবরাত্রির পূজার মাধ্যমে প্রকিতির এই নতুন রূপের উদযাপন হয়। এই নবরাত্রিতে (navaratri) প্রতিটি বাড়িতে মহাসমারোহে পুজো করা হয় দেবীর।

    ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে (nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে

    অন্যদিকে এই বছরের হিন্দু নববর্ষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে- কারণ জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুসারে, প্রায় ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে(nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে। অমৃত সিদ্ধি যোগ, সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ এবং শশ রাজযোগ ৯ এপ্রিল গঠিত হবে। এই বছর জুড়েই শনি ও মঙ্গল গ্রহের প্রভাব দেখা যাবে। হিন্দু নববর্ষে (hindu nababarsa)গঠিত এই শুভ যোগগুলি বৃষ রাশির জাতকদের ভাগ্যকে উজ্জ্বল করতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • R Madhavan: পাঁজি দেখে মঙ্গলে রকেট পাঠায় ইসরো, মন্তব্যে ট্রোলড মাধবন

    R Madhavan: পাঁজি দেখে মঙ্গলে রকেট পাঠায় ইসরো, মন্তব্যে ট্রোলড মাধবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথের দিনই মুক্তি পেতে চলেছে ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’ (Rocketry : The Nambi Effect) সিনেমা। তার আগেই শিরোনামে ছবির পরিচালক তথা সিনেমার অন্যতম অভিনেতা আর মাধবন (R Madhavan)।  তাঁকে নিয়ে হইচই পড়ে গেছে অনুরাগীদের মধ্যে। ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণের (Nambi Narayana) জীবনকাহিনী নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’। আর এই সিনেমার মধ্যে দিয়েই পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন মাধবন। ছবি মুক্তির আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।  মুভির প্রোমোশনে গিয়ে সাক্ষাৎকারে এমন এক মন্তব্য করেন, যা নিয়ে তাঁকে ট্রোল করা শুরু হয়।  কিন্তু কী এমন বললেন যার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার শিরোনামে এই অভিনেতা?

    আরও পড়ুন: চরিত্রের প্রয়োজনে ভেঙেছিলেন নিজের চোয়াল! খোলসা করলেন আর মাধবন

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ইসরো ও মঙ্গল অভিযান নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “হিন্দু পঞ্জিকা (Panchang) দেখেই মঙ্গলগ্রহে রকেট পাঠিয়েছিল ইসরো।” তাঁর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। ধেয়ে আসতে থাকে একের পর এক কটূক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হন মাধবন।

    মাধবনের ভিডিও শেয়ার করে একজন ট্যুইটারে লেখেন, “বিজ্ঞান সকলের বোঝার বিষয় নয়। তা না জানাও কোনও অপরাধ নয়। কিন্তু কীভাবে এই কাজগুলি হয়, সে বিষয়ে জানা না থাকলে মুখ বন্ধ রাখাই উচিত।”

    [tw]


    [/tw]

    একজন বলেছেন “কয়েক মিনিট ধরে এমন ভয়ঙ্কর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাধবন যা বলে গেলেন ইসরোর মঙ্গল অভিযান নিয়ে, তা অত্যন্ত বোকামি বললেও ভুল হবে।”

    [tw]


    [/tw]

    কেউ বললেন,  ‘মাধবনকে ততক্ষণই ভাল লাগে, যতক্ষণ তিনি মুখ না খোলেন।”

    [tw]


    [/tw]

LinkedIn
Share