Tag: hindu festivals

hindu festivals

  • Trishul Utsav: পৌষ পূর্ণিমায় ত্রিশূল উৎসব হয়ে গেল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে, জানেন এর মাহাত্ম্য?

    Trishul Utsav: পৌষ পূর্ণিমায় ত্রিশূল উৎসব হয়ে গেল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে, জানেন এর মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাপুণ্যময় পৌষ পূর্ণিমা। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য্য স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ মহাসংযমের মাধ্যমে বর্তমান বাংলাদেশের বাজিতপুর ধামে সিদ্ধ ত্রিশূল মাটিতে পুঁতে দীর্ঘ একমাসব্যাপী তপস্যা করেছিলেন। তারপর মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। জগতের কল্যাণে বর্তমান সময়কে মহাজাগরণ, মহাসমন্বয়, মহামিলন ও মহামুক্তির যুগ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন৷ সেই থেকেই পুণ্য পৌষ পূর্ণিমা তিথিতে অতি সংযমের সঙ্গে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সমস্ত সন্ন্যাসী, গুরু ভাই-বোন, ভক্ত, শিষ্যগণ ত্রিশূল পুজোর মাধ্যমে ত্রিশূল উৎসব (Trishul Utsav) পালন করেন।

    কীভাবে হয় এই পুজো? (Trishul Utsav)

    কলকাতার বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্যালয় সহ অন্যান্য শাখা কেন্দ্রে এবং সঙ্ঘের সেবা কেন্দ্র উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালী ব্লকের হাটগাছি অঞ্চলের কানমারী বাজারে মহাসাড়ম্বরে পালিত হল ত্রিশূল উৎসব ৷ কানমারী বিদ্যাধরী নদীতে ত্রিশূল স্নান করিয়ে (Trishul Utsav) ভক্ত ও বিশিষ্ট মানুষরা ত্রিশুল নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে মূল মন্দিরে উপস্থিত হন। সেখানেই অনুষ্ঠিত হয় ত্রিশূল পুজো ও আরতি।

    পরিবারের সুরক্ষা কবজ এই ত্রিশূল? (Trishul Utsav)

    সঙ্ঘের সন্নাসী ও ভক্তরা মনে করেন, জাগতিক বিশ্বাসী মানুষের অন্তরের আধিভৌতিক, আধিদৈবিক ও আধ্যাত্মিক ত্রিতাপ ত্রিশূল পুজোয় দূরীভূত হয়। সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ের দিব্য প্রকাশ, পজেটিভ শক্তির বিকাশ, কু-চক্র ও দৃষ্টির প্রভাব মুক্তির পথ এই ত্রিশূল (Trishul Utsav)। পরিবারের সুরক্ষা কবজ ও সমস্যা সমাধানের প্রতীক এবং সত্ব, রজ, তমোগুণের বহিঃপ্রকাশ ভগবান শিব সর্বশক্তিমানের হাতে থাকা মহাশক্তি এই ত্রিশূল। সঙ্ঘ ভক্তকুল মনে করেন, এই ত্রিশূল পুজোর মাধ্যমে ভগবৎ কৃপালাভের পথ নির্দেশিকা ও সংকল্প পালনের দিশা নিদিষ্ট হয়৷ সেই কারণে দেবাদিদেব মহাদেব অবতার রূপে আচার্য্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ লীলারত অবস্থায় বিশ্বের কল্যাণে ও যুগের প্রয়োজনে প্রবর্তন করেন সনাতন হিন্দুর সদাচারী বিধান হিসাবে এই ত্রিশূল পুজো। সূচনা করেন সঙ্ঘের সৎ সংকল্প ধারণ দিবসের ৷ এই দিনটি সঙ্ঘের প্রতিটি শাখায় পালিত হয় শুভ ত্রিশূল উৎসব এবং সংকল্প মাসের শুভসূচনা হিসেবে৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: রাস উৎসবে নবদ্বীপে হাজার হাজার দর্শনার্থী, হয়ে গেল কুমারী পুজোও!

    Rash Yatra 2023: রাস উৎসবে নবদ্বীপে হাজার হাজার দর্শনার্থী, হয়ে গেল কুমারী পুজোও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে চৈতন্যভূমি নবদ্বীপের রাসযাত্রা উৎসব (Rash Yatra 2023)। এখানকার ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা মাতা পুজো কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও করা হল কুমারী পুজো। শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলাকে কেন্দ্র করে পালন করা হলেও মন্দিরনগরী নবদ্বীপে এই রাসযাত্রা উৎসব উপলক্ষ্যে করা হয় একাধিক দেবতার পুজো। তবে শুধু দেব-দেবতাই নয়, দুর্গাপুজোয় বেলুড় মঠ এবং অন্যান্য কিছু জায়গায় যেমন কুমারীকে দেবী সাজিয়ে পুজো করা হয়, ঠিক তেমনি নবদ্বীপের বুড়োশিবতলা রোডের অন্তর্গত ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা মাতা পুজো কমিটির পক্ষ থেকেও করা হয় কুমারী পুজো। প্রত্যেক বছরই এই কুমারী পুজো করা হয় বলে পুজো কমিটি সূত্রে জানা যায়।

    ১২৭ তম বর্ষে পদার্পণ (Rash Yatra 2023)

    কমিটির কর্মকর্তারা জানান, এই পুজোটি এ বছর ১২৭ তম বর্ষে পদার্পণ করল। ষষ্ঠীতলা অন্নপূর্ণা বারোয়ারি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে এত বছর ধরে পুজো (Rash Yatra 2023) করে আসছে। এখানকার বিশেষ বৈশিষ্ট্যই হল কুমারী পুজো। পুজোর অঞ্জলি দেওয়ার পরে করা হয় এই কুমারী পুজো। এটি চলে আসছে বহু কাল ধরে। সেই কারণে এখনকার প্রজন্মও সেই পরম্পরাকে বজায় রাখার চেষ্টা করে চলেছেন। কুমারী পুজো এই কারণেই করা হয়, অন্নপূর্ণা যেমন অন্নের মা, ঠিক সেই রকম নারী জাতিকে মা রূপে পুজো করার লক্ষ্যেই এই কুমারী পুজো এবং সব থেকে বড় বৈশিষ্ট্য এটাই বলে মনে করেন কমিটির কর্মকর্তারা।

    হাজার হাজার দর্শনার্থী নবদ্বীপে (Rash Yatra 2023)

    উল্লেখ্য সোমবার থেকে সারা নবদ্বীপ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাস উৎসব। দেশ এবং বিদেশ মিলিয়ে হাজার হাজার দর্শনার্থী নবদ্বীপে এসে মিলিত হয়েছেন রাস (Rash Yatra 2023) উৎসবে শামিল হওয়ার জন্য। প্রশাসনের ভূমিকাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সিসিটিভি থেকে শুরু করে শহরের অলিতে গলিতে পুলিশ কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছে গোটা নবদ্বীপ শহর। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সতর্ক রয়েছেন তাঁরা সর্বত্রই। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্প। সুতরাং বলাই বাহুল্য, রাস উৎসবে শামিল হতে আগত দর্শনার্থীরা সুন্দর ও সাবলীলভাবেই উপভোগ করতে পারছেন এই দিনগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: বেলজিয়াম কাচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত শান্তিপুরের রাসমণ্ডপ

    Rash Yatra 2023: বেলজিয়াম কাচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত শান্তিপুরের রাসমণ্ডপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের মঠবাড়ি হোক কিংবা দীনদয়াল ঠাকুরবাড়ি। প্রায় প্রতিটি বিগ্রহ বাড়িতে ব্যবহৃত বেলজিয়াম কাচের ফানুসগুলির একেকটির বয়স প্রায় ২০০ থেকে ৩৫০ বছর।উচ্চতা প্রায় দু’ ফুটের মতো। ঢেউ খেলানো বিভিন্ন আকৃতির রংবাহারি কাচের উপর আঁকা থাকে বিভিন্ন নকশা। বেলজিয়াম কাচের ফানুসের প্রতিটির দাম ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কেন এত দাম? কারণ অবশ্যই তার সূক্ষ্ম কাজের কেরামতির জন্য। সারা বছর বাড়ির অন্দরমহলে সযত্নে রক্ষিত থাকে সেগুলি। রাস উৎসবের (Rash Yatra 2023) সন্ধ্যায় এই বেলজিয়াম ফানুস দিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি বাড়ির মূল প্রাঙ্গণ। ভিতরে টিমটিম করে জ্বলতে থাকে মোমবাতির আলো। বাজারের সাধারণ মোম নয়, ফানুসের ভিতর বসানো হয় প্যারাসিন দিয়ে তৈরি সলতে পাকানো বিশেষ ধরনের মোম।

    উপচে পড়ে ভিড় (Rash Yatra 2023)

    এখনও বংশ-পরম্পরায় এই মোম তৈরি করেন শান্তিপুরের কয়েক ঘর মোমশিল্পী। ভাঙা রাসের দিন নগর পরিক্রমা দেখতে শহরের রাজপথে যে ভিড় উপচে পড়ে, আলো আঁধারির খেলা দেখতে বিগ্রহ বাড়ির রাস উৎসবে সেই ভিড়ের অন্তত তিনগুণ দর্শনার্থী থাকেন। নামে বেলজিয়াম ফানুস হলেও এগুলি এক সময় নিয়ে আসা হয়েছিল ফ্রান্স এবং ভেনিস থেকে। এখনও সেখানে এই ফানুস তৈরি হয়। বিগ্রহবাড়ির সদস্যদের কথায়, এখন আর ইউরোপ থেকে বেলজিয়াম ফানুস নিয়ে আসা হয় না। পরিবর্তে জায়গা নিয়েছে শহর কলকাতায় তৈরি কাচের অন্যান্য ফানুস। দামে কম হলেও আভিজাত্যে ধারেকাছেও যায় না।

    তিনদিন সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন (Rash Yatra 2023)

    রাসের তিনদিন সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে রাখা হয় শহরের মঠবাড়ি ও দীনদয়াল বাড়িকে। রাসের সময় অন্তত শতাধিক বেলজিয়াম কাচের ফানুসে আলোয় আলো হয়ে ওঠে এই বাড়ি। পরিবারের সদস্য সুশান্ত মঠ বলেন, দেখতে অতীব সুন্দর। কিন্তু ফানুসের ভিতর মোমবাতি বসানোর ধরন একেবারেই সহজ নয়। অসাবধানতা কিংবা ভিতরের জ্বলন্ত মোমবাতি প্রায় এক ইঞ্চি ছোট হয়ে এলেই তাপের কারণে ভেঙে যেতে পারে সেগুলি। এভাবেই ৩০০ বছরের বহু পুরনো ফানুস ভেঙে গিয়েছে এই বাড়িতে। এক সময় মঠবাড়িতে রাসের প্রাঙ্গণে নাকি অন্তত দেড়শোখানা বেলজিয়াম কাচের ফানুস ঝোলানো হত। আজ শুধুই যত্নের ওপর টিকে রয়েছে এই প্রথা (Rash Yatra 2023)।

    জ্বালানো-নেভানোর কায়দা

    জানা গিয়েছে, ফানুসগুলিতে মোমবাতি জ্বালানোর ধরন যেমন আলাদা, তেমনিই মোমবাতি নেভানোর কায়দা। সরু আকৃতির একটি লাঠির মাথায় ন্যাকড়া বেঁধে স্পিরিটে চোবানো হয়। এরপর তাতে আগুন ধরিয়ে ঝুলন্ত ফানুসের ভিতরে থাকা মোমবাতি জ্বালানো হয়। স্থানীয় ভাষায় একে বলে ‘হুঁশ’। ঠিক একইভাবে লাঠির মাথায় ধাতব পাত্র ঝুলিয়ে কাচের ফানুসের উপরে আলতো চেপে ধরলে নিভে যায় মোমবাতি। এই পদ্ধতিকে স্থানীয়রা বলেন ফোঁস। শান্তিপুরের বাসিন্দারা বলছেন, এই শহরে রাসের (Rash Yatra 2023) মাহাত্ম্যের সঙ্গে যেন ওতপ্রোত সম্পৃক্ত হয়ে রয়েছে অভিজাত আলোকধারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: কোচবিহারে মদনমোহনকে ১০৮ ঘটি জল ও দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়

    Rash Yatra 2023: কোচবিহারে মদনমোহনকে ১০৮ ঘটি জল ও দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ঐতিহ্যবাহী মেলাগুলির মধ্যে অন্যতম হল কোচবিহারের মদনমোহন রাসপূর্ণিমার মেলা। যাকে রাসমেলা (Rash Yatra 2023) বলা হয়ে থাকে। এই মেলা আনুমানিক ২০০ বছরের পুরনো। দেশ বিভাগের আগে পুর্ববঙ্গ থেকে প্রচুর মানুষ এই রাসমেলায় অংশগ্রহণ করতেন। এখনও দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর মানুষ এই রাসমেলা দেখতে এসে থাকেন। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো এবং কালীপুজোর পর রাসমেলার অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। শান্তিপুর, নবদ্বীপ রাসের মতো এই রাসও বৈষ্ণবদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মন্দিরে পূজিত হন ছোট মদনমোহন। আজ ২৭ নভেম্বর থেকে এই মেলা শুরু হবে এবং প্রায় ২০ দিন চলবে। তারপর ভাঙা রাসের মেলা বেশ কিছুদিন চলে।

    পূজিত হন ছোট মদনমোহন (Rash Yatra 2023)

    কোচবিহারে রথের মেলার মতো রাসমেলাও খুব ঐতিহ্যবাহী। চারমাসের নিদ্রা ত্যাগ করে রাসমেলার (Rash Yatra 2023) সময় জেগে ওঠেন ছোট মদনমোহন। মদনমোহন ঠাকুরকে ১০৮ ঘটি জল, দুধ, ঘি, মাখন দিয়ে স্নান করানো হয়। জানা যায়, উল্টো রথের পর যখন বড় মদনমোহন মাসির বাড়িতে আসেন, সেই সময় ছোট মদনমোহন নিদ্রায় চলে যান। তারপর চারমাস পরে ঘুম ভাঙে এবং এই রাসের সময় জেগে ওঠেন। এরপর চলে পুজোর প্রস্তুতি। যে কোনও শুভ কাজের আগে মদনমোহনকে পুজো করা হয়। ছোট এবং বড় মদনমোহনকে মন্দিরে নিত্যপুজো প্রত্যকে দিন করা হয়। রাসের সময় ছোট মদনমোহন মন্দিরের বাইরে স্থাপনা করা হয় আর ছোট মদনমোহন মন্দিরে পূজিত হন।

    কীভাবে এই রাসমেলার সূচনা?

    কোচবিহারের মদনমোহন রাসমেলার (Rash Yatra 2023) ইতিহাস আনুমানিক ২০০ বছরের পুরাতন। ১৮৯০ সালে কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলে মদনমোহন মন্দিরের স্থাপনা করা হয়। এই মেলায় প্রচুর বৈষ্ণব ভক্ত এবং পর্যটকদের আগমন ঘটে থাকে। কোচবিহারের রাজাদের আরাধ্য দেবতা মদনমোহন। তিনি পরম বৈষ্ণব। এই মেলার প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র রাসচক্র। এই রাসচক্রে থাকে মানব কল্যাণ এবং সর্বধর্মের সমন্বয়। প্রতি বছর এই রাসচক্র নির্মাণ করে থাকেন এক স্থানীয় মুসলমান পরিবার। এই বছর তৈরি করছেন আলতাফ মিয়া। তবে রাসের চক্র নির্মাণ করতে গেলে বৈষ্ণব মতে নিরামিষ খেয়ে শুদ্ধ হতে হয়। রাসচক্রের মধে নানান দেবদেবী এবং বৌদ্ধ স্থাপত্যের কারুকার্য করা থাকে।

    মেলায় নানা পসরা

    কোচবিহারের রাসমেলায় (Rash Yatra 2023) নানান পসরার দোকান বসে। মাটির জিনিস থেকে শুরু করে বাঁশ, বেত, লোহা, ঘরের আসবাব ইত্যাদি পাওয়া যায়। এছাড়াও কাপড়, কাঠের জিনিস, নানান মিষ্টি, বেলুন, খেলনা ইত্যাদি এখানে পাওয়া যায়। প্রচুর খাবারের দোকান লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও বাংলাদেশেরও অনেক জিনিস মেলায় পাওয়া যায়। যেমন-জামদানি শাড়ি, ইলিশ মাছ, নলেন গুড় ইত্যাদি। কোচবিহারে এই বছর ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ভূটান থেকেও প্রচুর ব্যবসায়ীরা যোগদান করবেন। এই মেলায়  কয়েকশো কোটি টাকার বেচাকেনা হয় বলে ব্যবসায়ীরা মতামত দিয়েছেন। সরকার, প্রশাসন এবং পর্যটন দফতর থেকে মেলাকে ঢেলে সাজানো হয় প্রত্যেকবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rash Yatra 2023: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    Rash Yatra 2023: শান্তিপুর রাসযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলনের পর হয় বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুমানিক ৫০০ বছর আগে অদ্বৈত আচার্যের হাত ধরে প্রথম শুরু হয়েছিল শান্তিপুরের রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023)। এখনও প্রাচীন রীতি মেনে ধুমধাম করেই পালিত হয় ঐতিহ্যবাহী রাধাকৃষ্ণের রাস। এবছরও শান্তিপুরের বিভিন্ন বারোয়ারিতে শুরু হয়েছে মণ্ডপ সজ্জার কাজ। এখানকার রাসযাত্রা দেখার জন্য ভিড় জমান দূর দূরান্তের মানুষও। রেলের পক্ষ থেকে যাত্রীদের সুবিধার্থে চালানো হয় বিশেষ ট্রেন।

    কী এর ইতিহাস? (Rash Yatra 2023)

    কথিত আছে, অদ্বৈত আচার্য প্রথম কলিযুগে নারায়ণ রূপে রাসযাত্রা শুরু করেন। দ্বাপরে বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর গোপিনীদের সঙ্গে নিয়ে রাসলীলা করতেন। সেখানে কোনও পুরুষের প্রবেশ নিষেধ ছিল। কিন্তু মহাদেবের মনে প্রশ্ন জেগেছিল, কেন সেখানে পুরুষ প্রবেশ করতে পারবে না? তিনি গোপনে সেই রাসযাত্রা দেখার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এই কারণে তিনি রাসলীলা দর্শনের জন্য নিজেকে নারী রূপে সাজিয়ে ঘোমটা টেনে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ সেটি বুঝতে পেরে রাসলীলা সমাপ্ত না করেই ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। শ্রীকৃষ্ণ চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে গোপিনীরা বুঝতে পারেন, কোনও কিছু সমস্যা রয়েছে। মহাদেবের স্ত্রী যোগমায়ার সন্দেহ হয় এবং তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর স্বামী নারী রূপে প্রবেশ করেছেন। এরপরই খোঁজাখুঁজি করতে দেখা যায় একটি কোণে এক নারী ঘোমটা টেনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তখন কাছে গিয়ে যোগমায়া তাঁর স্বামীকে চিহ্নিত করেন। পাশাপাশি স্বামী মহাদেবকে ভৎসনা করেন। মহাদেব ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেলে তিনি বলে যান, দ্বাপরের এই রাসলীলা আমি কলিযুগে শুরু করব। প্রভু অদ্বৈত আচার্যকে সে সময় মহাদেবের অবতার হিসেবে ধরা হত। সেই কারণে অদ্বৈত আচার্য প্রথম নারায়ণ পুজোর মধ্যে দিয়ে রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023) শুরু করেন।

    রাধাকৃষ্ণের যুগল মিলন (Rash Yatra 2023)

    জানা যায়, গোস্বামী বাড়ির যে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহ ছিল, হঠাৎ করে সেখান থেকে রাধা উধাও হয়ে যায়। বিভিন্ন খোঁজাখুঁজির পর শান্তিপুরের পার্শ্ববর্তী এলাকা দিগনগরে রাধার বিগ্রহ খুঁজে পাওয়া যায়। এরপরেই গোস্বামী বাড়ি তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাধাকৃষ্ণকে এক জায়গায় বসিয়ে তাঁদের যুগল মিলন করা হবে।। মূলত রাস পূর্ণিমা তিথিতেই তাঁদের এই যুগলের মিলন ঘটানো হয়। এর পরে শুরু হয় শান্তিপুরের রাধাকৃষ্ণের রাসযাত্রা। রাধাকৃষ্ণের যুগল ঘটানোর একদিন পর বৌভাতের মতো করেই যুগল বিগ্রহ নিয়ে করা হয় নগর পরিক্রমা। এখনও পর্যন্ত সেই রীতি মেনেই চলছে শান্তিপুরের রাসযাত্রা (Rash Yatra 2023)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: একটি গ্রামেই ২৭টি জগদ্ধাত্রী পুজো! ভোররাত পর্যন্ত চলে বিসর্জন

    Jagadhatri Puja 2023: একটি গ্রামেই ২৭টি জগদ্ধাত্রী পুজো! ভোররাত পর্যন্ত চলে বিসর্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্ধাত্রী পুজোর কথা শুনলেই আমাদের সবার মনে আসে কৃষ্ণনগর এবং চন্দননগরের নাম। কিন্তু জানেন কি, মুর্শিদাবাদ জেলার কাগ্রামে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব এই জগদ্ধাত্রী পুজো (Jagadhatri Puja 2023)? কাগ্রাম কান্দি মহকুমার সালার থানায় অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাচীন গ্রাম। এই গ্রামে বসবাস করেন ব্রাহ্মণ, শাক্ত এবং বৈষ্ণব পরিবার। শোনা যায়, গ্রাম্য দেবী কংকচণ্ডীর নাম অনুসারে এই গ্রামের নাম কাগ্রাম। এই গ্রামে দুর্গাপুজো এবং কালীপুজো হলেও শ্রেষ্ঠ উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। ২২ টি পাড়ায় এই পুজো হচ্ছে। গত বছর পুজোর সংখ্যা ছিল ২৬ টি। এবার একটি বেড়ে হয়েছে ২৭ টি। তার মধ্যে নটি পারিবারিক পুজো এবং ১৮টি সর্বজনীন। মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে শুরু হয় পুজো। পুজোর ভোগে থাকে বৈচিত্র। সপ্তমীতে ভাত, শাক ভাজা, মাছ, তরকারি, চাটনি। অষ্টমীতে খিচুড়ি, পোলাও, ভাজা, তরকারি। আর নবমীতে লুচি ও সুজি। আগে পশু বলি হলেও এখন চালকুমড়ো বলি হয় বলে জানান উদ্যোক্তারা।

    পারিবারিক থেকে সর্বজনীন (Jagadhatri Puja 2023)

    জানা যায়, এখানকার রায়পাড়ার জগদ্ধাত্রী পুজো প্রাচীন পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম। এটা পারিবারিক পুজো হলেও পরবর্তীতে কিছু ঘটনা ঘটায় তা সর্বজনীন হয়ে ওঠে। এই পুজোকে কেন্দ্র করে এক কাহিনী শোনা যায়। এখানকার পুজো শুরু করেন শম্ভুনাথ রায়। সেই পরিবারের এক সদস্য বলেন, রায়বাড়িতে আগে দুর্গাপুজো, কালীপুজোর সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু হয়। কিন্তু এই পুজো শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর কোনও না কোনও দুর্ঘটনা ঘটত। সেই সময় পুজোর উদ্যোক্তারা নবদ্বীপের পণ্ডিত সমাজের কাছে গিয়ে এই ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, একই বাড়িতে তিনটে শক্তির পুজো করা উচিত নয়। যদি করতে হয়, তাহলে চাঁদা তুলে করতে হবে। সেই থেকে এই পুজো সর্বজনীন (Jagadhatri Puja 2023) হয়ে থাকে।

    ভোররাত পর্যন্ত বিসর্জন (Jagadhatri Puja 2023)

    এই পুজোর সংকল্প হয় মহিলাদের নামে। প্রহর ভাগ করে সকালেই ষষ্ঠী পুজো করা হয় এবং সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমী- এই চারটি তিথিতে ভাগ করে পুজো করা হয় বলে জানান উদ্যোক্তারা। আজ বুধবার গ্রামের সমস্ত প্রতিমা ভোররাত পর্যন্ত বিসর্জন চলবে বলে জানা যায়। এখানকার সমস্ত প্রতিমা সাবেকি। পুজোর প্রধান আকর্ষণ হল বিভিন্ন ধরনের বাজনা। পুজোমণ্ডপে ঢাকের বাদ্যি বাজলেও অনেকে ব্যান্ডের দল, সানাই সহ বহু ধরনের বাজনার আয়োজন করে। বেশ কিছু পুজো কমিটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। এর সঙ্গে বাউল গানও থাকে বলে জানান পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা (Jagadhatri Puja 2023)। পুজোর দিন প্রচুর দর্শনার্থী আসেন। সেই জন্য পুজো কমিটি দর্শনার্থীদের বিশ্রাম নেওয়ারও ব্যবস্থা করেন। কিছু পুজো কমিটি আহারেরও ব্যবস্থা রাখেন। এই পুজোকে কেন্দ্র করে গ্রামে বসেছে বিরাট মেলা। সেখানে নাগরদোলা থেকে আরম্ভ করে নানা ধরনের জিনিস এবং খাবারের দোকান বসেছে। এছাড়া গ্রামে পুলিশ ও একাধিক মেডিকেল ক্যাম্প বসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: মা জগদ্ধাত্রীর পুজোয় ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে যান জল ভরতে!

    Krishnanagar: মা জগদ্ধাত্রীর পুজোয় ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে যান জল ভরতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাড়ার ছেলেরাই শাড়ি আর কপালে টিপ পরে ঢাক-ঢোল সহকারে বাজনা বাজিয়ে যান জল ভরতে। মালোপাড়া বারোয়ারির জগদ্ধাত্রী পুজোয় এই বিশেষ নিয়ম চলে আসছে বহু যুগ ধরে। পুজোর আগের দিন মাঝ রাতে মেয়েরাই পাড়ার ছেলেদের পরিয়ে দেন শাড়ি। এরপর ঢাকের বাজনা সহযোগে সেই শাড়ি পরিহিত ছেলেরাই মা জলেশ্বরীর পুজোর জন্য যান জল ভরতে। জল ভরার সময় রাস্তায় তিন দেবতার মন্দিরে এসে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়ে যান এবং সেই আমন্ত্রণের মধ্যে দিয়েই করা হয় জগদ্ধাত্রী (মা জলেশ্বরী) পুজোর সূচনা। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে যাবতীয় নিয়ম মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে হয়ে আসছে মা জলেশ্বরীর পুজো (Krishnanagar)।

    বিশেষ আকর্ষণ ধুনো পোড়ানো (Krishnanagar)

    রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজবাড়ির পুজোর পর কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) সব থেকে পুরনো পুজো হল এই মালোপাড়া বারোয়ারির মা জলেশ্বরীর পুজো। এই পুজোর বিশেষত্ব অনেক। রাজার থেকে অনুদান পেয়ে শুরু হয় এই পুজো এবং এখনও অনুদান আসে। মা জলেশ্বরী মালোপাড়ার দেবী। এখানে একটা বিশেষ আকর্ষণ হল, ধুনো পোড়ানো। একজন মানুষের মাথায় ও দুই হাতে ধুনো পোড়ানো হয়। লেলিহান শিখা ছুঁয়ে যায় মন্দিরের ছাদ। মালোপাড়ার মা জলেশ্বরীর বিসর্জন কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যশালী সাঙ-এর দ্বারা হয় না। অর্থাৎ, কাঁধে হয় না, গাড়িতে হয় এবং একমাত্র ওনার সামনে এখনও জ্বলে কার্বাইট গ্যাসের বাতি।

    ভক্তদের মনে পাকাপাকি জায়গা (Krishnanagar)

    উল্লেখ্য, বঙ্গের তখতে তখন নবাব আলিবর্দি খাঁ। তাঁর রাজত্বকালে নদীয়ার রাজার কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা নজরানা দাবি করা হয়। কৃষ্ণচন্দ্র রায় তা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদে। ছাড়া পেয়ে রাজা যখন নদীপথে কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) ফিরছেন, শুনতে পেলেন মা দুর্গার বিসর্জনের বাজনা। সেই বছর দুর্গাপুজো করতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ পান তিনি এবং তার পরেই দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শুরু করেন জগদ্ধাত্রী পুজো। এই গল্প বহু প্রচলিত। কিন্তু তার মাঝে পুরনো পুজো হিসেবে অনেকের মনেই পাকাপাকি জায়গা করে নিয়েছে মা জলেশ্বরীর পুজো। কারণ, রাজবাড়ির প্রতিমা বিসর্জন করে আসছেন এই মালোপাড়ার লোকজন। তাই মহারাজা বিশেষ অনুদান দিয়ে এখানে পুজোটি চালু করেছিলেন। অনেকে আবার বলেন, মহারাজ নয়, আসলে এটি রানির পুজো। ফলে রাজ পরিবারের সঙ্গে এই পুজোর একটা যোগসূত্র রয়েইছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: ফি বছর মা কালীর ভিন্ন ভিন্ন রূপ সামনে এনে আকর্ষণের কেন্দ্রে সিউড়ির ক্লাব

    Kali Puja 2023: ফি বছর মা কালীর ভিন্ন ভিন্ন রূপ সামনে এনে আকর্ষণের কেন্দ্রে সিউড়ির ক্লাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আমেজ শেষ হতে না হতেই সামনে দীপান্বিতা অমাবস্যা আর বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের মধ্যে একটি কালীপুজো (Kali Puja 2023)। এই সময় কয়েকটা দিন গোটা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষ রঙিন আলোয় সেজে ওঠে। সাধারণ মানুষের কাছে এটি যেমন একটি আনন্দোৎসব, পাশাপাশি সাধকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে একটি অন্য রকম কালীপুজোর কথা জানব, যেটি বীরভূম জেলার সিউড়ি শহরে অবস্থিত মালঞ্চ ক্লাব নামে পরিচিত।

    কেন এই মালঞ্চ ক্লাবের পুজো আলাদা?

    প্রত্যেক বছর চিরাচরিত কালীমূর্তির পরিবর্তে এখানে দেখা যায় হিন্দু পুরাণের কোণে লুকিয়ে থাকা অজানা ও ভিন্ন দেবীদের। এখানে থাকে না কোনও চিরাচরিত কালী মূর্তি। আর এই বিষয়টিই সব ক্লাবের পুজোর থেকে এটিকে আলাদা ও আকর্ষণীয় করে তোলে। এর সঙ্গে প্রত্যেক বছর যে মূর্তি পুজো হয় (Kali Puja 2023), সেই মূর্তির সম্বন্ধে মানুষকে অবগত করার জন্য থাকে সেই দেবীর পরিচয় পত্রিকা। এই বিষয়টির পিছনে আছে এক ইতিহাস।

    প্রত্যেক বছর ভিন্ন ভিন্ন মূর্তি

    সিউড়ি শহরের মালঞ্চ ক্লাবের নিকটবর্তী বাসিন্দাদের কাছে থেকে জানা যায়, সম্ভবত ৭০ এর দশকের শুরু থেকে এই ধরনের পরীক্ষামূলক কাজের সূচনা ঘটে, কালীমাতার বিভিন্ন রূপ নিয়ে প্রত্যেক বছর ভিন্ন ভিন্ন মূর্তি স্থাপন করা হত (Kali Puja 2023)। যা দেখতে বহু দূর দূরান্তের মানুষ ভিড় করত। আর এই  ধরনের মূর্তি স্থাপনের পিছনে যাঁর উদ্যোগ ছিল, তিনি অর্ণব মজুমদার। কোনও বার কালীর দশ মাথা ও দশ হাত যুক্ত মূর্তি, আবার কোনও বার ভয়ংকর উগ্রচণ্ডী মূর্তি স্থাপন করে পুজো শুরু হয়। এছাড়াও আর কিছু রূপ যেমন মধুকৈটভবধ, ব্রহ্মসরস্বতী, কামেশ্বরী, উগ্রতারা ইত্যাদির মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে।

    কিন্তু কেন এমন রীতি?

    ১৯৬০ সালে এই মালঞ্চ ক্লাবের পুজো শুরু হয়। সিউড়ির ইতিহাস গবেষক অর্ণব মজুমদার নানা পৌরাণিক বই, নথি, বৌদ্ধতন্ত্র চর্চা করে কালীর বিভিন্ন রূপ সবার সামনে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর পর পুরাণের বিভিন্ন শ্লোক থেকে কল্পনা করে দেবীর বিভিন্ন রকম কাল্পনিক রূপের মূর্তির ছবি কাগজে অঙ্কন করে সেটি মৃতশিল্পীর কাছে পাঠাতেন। পরে সেই মূর্তি তৈরি করে পুজো শুরু হত। প্রায় ৩০ বছর তিনি আলাদা আলাদা মূর্তি সামনে নিয়ে এসে মানুষকে অবাক করে দিয়েছিলেন (Kali Puja 2023)। এখনও একই রীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এই মালঞ্চ ক্লাবে ভিড় করতেন। প্রত্যেক বছর যে মূর্তি স্থাপন করা হয়, সেই মূর্তিটি সম্পর্কে মানুষকে জানানোর জন্য একটি লিফলেটে সেই দেবীর সম্বন্ধে সমস্ত নথি ছাপানো হয়ে থাকে। এই বছর দেবীর যে রূপটি পূজিত হবে, সেটি কৌমরী মাতা নামে পরিচিত। ক্লাবের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, এক সময় রেডিওতে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এই মালঞ্চ ক্লাবের পুজো প্রচার করা হত। প্রত্যেক বছর মানুষ অপেক্ষা করে থাকতেন দেবীর নতুন রূপের দর্শন পাওয়ার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhai Phonta: ভাইফোঁটার ভুরিভোজের সময় স্বাস্থ্যের দিকটি খেয়াল রাখছেন? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Bhai Phonta: ভাইফোঁটার ভুরিভোজের সময় স্বাস্থ্যের দিকটি খেয়াল রাখছেন? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছরের বিশেষ দিন ভাইফোঁটা (Bhai Phonta)! ভাই-বোনের সম্পর্ক উদযাপনের এই বিশেষ দিন। তাই এই দিনে খাওয়ার পর্বও হয় বিশেষ! দাদা-ভাইদের জন্য ভুরিভোজের আয়োজন হয় বিস্তর। কিন্তু স্বাদের সঙ্গে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখাও জরুরি। তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন পদ খাবারে রাখা জরুরি, যাতে স্বাস্থ্যের সমস্যা না হয়।

    কোন ধরনের খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভাইফোঁটায় (Bhai Phonta) দেদার মিষ্টি খাওয়ার চল রয়েছে। কিন্তু নানান রকম মিষ্টি একসঙ্গে খেলে একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে পারে। বিশেষত ডায়বেটিস রোগীদের কিংবা যাদের রক্তে সর্করার মাত্রা বেশি থাকার ঝুঁকি রয়েছে, তাদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করে। তাই নানান মিষ্টির পরিবর্তে ভাইফোঁটায় থাকুক নানা রকমের ফল। কমলালেবু, আপেল, কলা, নাশপাতি, বেদানা, কিউই, বেরির মতো ফল থাকুক পাতে। পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, এতে, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফাইবারের মতো উপাদান শরীর পাবে। আবার নানান রকমের সম্ভার ও হবে। 
    লুচির মতো তেলেভাজাকে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। জলখাবারের মেনুতে লুচির বদলে থাকুক সব্জির পুর দেওয়া পরোটা। কম তেলে আটা কিংবা ময়দার ভিতরে ফুলকপি, আলু, গাজর, ব্রকোলি, ক্যাপসিকামের মতো সব্জি ভরে পরোটা তৈরি করার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে হজমের সমস্যা দূর হবে। পাশপাশি খেতেও ভালো লাগবে। তাছাড়া, ডুবো তেলে ভাজা লুচি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ভাইফোঁটায় সুস্থ থাকতে কম তেলে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    দুপুরের খাবারে নিয়ন্ত্রণ

    দুপুরের খাবারেও তেল-মশলায় নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। মটন, ইলিশের মতো প্রচুর ফ্যাট জাতীয় খাবার একেবারেই কম পরিমাণে খাওয়া উচিত বলে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। ঘী দিয়ে তৈরি পোলাওয়ের মতো খাবারের পরিবর্তে ভাইফোঁটায় (Bhai Phonta) পাতে থাকুক হার্ব রাইসের মতো স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, চিকেন কিংবা মটন, দু’পিসের বেশি একসঙ্গে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। পাশপাশি, এই ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন রান্নার সময় খেয়াল রাখা জরুরি, তেল ও মশলার ব্যবহারে। অতিরিক্ত তেল ও মশলার ব্যবহার বিপজ্জনক। এতে একদিকে স্থুলতার সমস্যা তৈরি করে। আবার কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

    কোন ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি? (Bhai Phonta)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, ভাইফোঁটায় খাওয়ার পরেও সুস্থ থাকার জন্য নজরে থাকুক খাদ্যতালিকা। তাই ফাস্টফুড এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তারা জানাচ্ছেন, বিরিয়ানি, মোগলাইয়ের মতো অতিরিক্ত মশলাদার খাবার একসঙ্গে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এতে হজমের সমস্যা হতে পারে। পেটের সমস্যা ও দেখা দিতে পারে। আবার পিৎজা, বার্গারের মতো খাবারেও রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, এগুলোতে ব্যবহৃত একাধিক রাসায়নিক শরীরে সমস্যা তৈরি করে। তাই বাড়ির তৈরি কম তেল-মশলার খাবারেই হোক ভাইফোঁটার ভুরিভোজ (Bhai Phonta)। এমনি পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে উঠেছিল বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ!

    Kali Puja 2023: আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে উঠেছিল বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শতাব্দীপ্রাচীন ও জাগ্রত কালীপুজোর (Kali Puja 2023) মধ্যে অন্যতম হল বালুরঘাট তহবাজার এলাকার বুড়া কালীমাতার পুজো। এখনও সেই পুরনো রীতি-রেওয়াজ মেনেই হয় বালুরঘাট বুড়া কালীমাতার পুজো। তবে কালের স্রোত ও সময়ের সঙ্গে বর্তমানে পুজোর কিছু নিয়ম পরিবর্তিত হয়েছে। শতাব্দীপ্রাচীন হলেও এই পুজোকে কেন্দ্র করে জেলাবাসীর মনে অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। কালীপুজোর দিন এই পুজোকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ঢল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার বুড়া কালীবাড়িতে পুজো দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে ভক্তদের।

    সারা গায়ে সোনা থেকে রুপোর অলঙ্কার (Kali Puja 2023)

    লোকমুখে শোনা যায়, কয়েকশো বছর আগে বর্তমান বালুরঘাট বুড়া কালীমাতার মন্দিরের পাশ দিয়ে নাকি আত্রেয়ী নদী বইতো। এমনকি লোক মুখে শোনা যায়, মন্দির ও বাজারের জায়গায় ছিল ঘন জঙ্গল। শতাব্দীপ্রাচীন পুজো হলেও এই পুজোর সঠিক বয়স কত, তা কেউ বলতে পারে না। এক সময় আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে ওঠে বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ বা শিলাখণ্ড। এক তান্ত্রিক সেই সময় নাকি ওই বিগ্রহকে তুলে নিয়ে এসে পুজো দেন। তার পর থেকেই নাকি এই পুজো শুরু হয়। টিনের ঘেরা দিয়ে বুড়া কালীমাতার পুজো শুরু হয়। বর্তমানে বিশাল আকারের মন্দিরে পূজিতা হন বুড়া কালীমাতা। পুজোর দিন মায়ের মূর্তির (Kali Puja 2023) সারা গা সোনা থেকে রূপার অলঙ্কারে সুসজ্জিত থাকে। পুজোকে ঘিরে দিন কয়েক হাজার ভক্তদের সমাগম হয় পুজো প্রাঙ্গনে। পুজোতে এখন পাঁঠা বলি, শোল মাছ বলি হয়। তবে জনশ্রুতি আছে, আগে নাকি ২০ কিলো ওজনের শোল মাছ বলি দেওয়া হত। এই পুজোকে ঘিরে শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুরবাসীর নয়, পাশের জেলা উত্তর দিনাজপুর ও মালদা, শিলিগুড়ি থেকেও প্রচুর ভক্ত বা দর্শনার্থী আসে। বর্তমানে বুড়া কালী মন্দির থেকে অনেকটা পশ্চিমে সরে গেছে আত্রেয়ী নদী।

    রানি রাসমণি এই মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন? (Kali Puja 2023)

    জনশ্রুতি আছে, একটা সময় নাকি কলকাতার রানি রাসমণি এই মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন। বজরায় করে এসে তিনি আত্রেয়ী নদী থেকে জল নিয়ে এসে মায়ের পুজো দিয়ে আবার ফিরে যেতেন কলকাতায়। তবে এর সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি। এই বিষয়ে পুজা কমিটির সম্পাদক গোপাল পোদ্দার বলেন, আমরা শুনেছি আত্রেয়ী নদীর ধারে নিজে থেকেই নাকি ভেসে ওঠে বুড়া কালীমাতার শিলাখণ্ড। সেই সময় ওই শিলাখণ্ড তুলে নিয়ে এসে পুজো দেন এক তান্ত্রিক। তার পর থেকেই শুরু হয় মায়ের পুজো (Kali Puja 2023)। প্রতি বছর দীপান্বিতা অমাবস্যায় মায়ের পুজো হয়। পুজোর দিন বহু ভক্ত আসেন পুজো দিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share