Tag: Hindu Man Killed

  • Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    Delhi: দিল্লির উত্তম নগরে হোলির দিনে তরুণ কুমার হত্যাকাণ্ডে আরও ৪ জন গ্রেফতার, মোট ৮জন ধৃত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) উত্তম নগর এলাকায় হোলির দিন ২৬ বছর বয়সি তরুণ কুমারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার (৬ মার্চ) আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ৮ । যার মধ্যে একজন নাবালকও রয়েছে। এদিকে এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার মাঝে দুটি গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটেছে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে উত্তম নগরের জে.জে. কলোনিতে একটি গাড়ি ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন লাগার খবর পায় তারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলের ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    তরুণ কুমারের পরিবার তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৪ মার্চ) হোলি উৎসবের দিন। পুলিশ ও পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, তরুণের পরিবারের এক ১১ বছর বয়সি মেয়ে ছাদে দাঁড়িয়ে হোলি খেলছিল। সে একটি জলের বেলুন ছুড়েছিল, যা তার বাবার দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও রাস্তায় পড়ে যায় এবং পাশ দিয়ে যাওয়া এক প্রতিবেশী মহিলার গায়ে জল পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সামান্য তর্কাতর্কি হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়ার পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়ে যায়। তবে সন্ধ্যায় বন্ধুর সঙ্গে হোলি উদযাপন করে বাইকে বাড়ি ফেরার সময় তরুণকে পথেই আটকায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল। অভিযোগ, ওই দলটি লোহার রড, ইট, পাথরসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে তরুণকে বেধড়ক মারধর করে। তাকে বাঁচাতে গেলে তার পরিবারের সদস্যদেরও মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বৃহস্পতিবার তিনি মারা যান।

    পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন

    নিহত তরুণের কাকা রমেশ বলেন, ‘১১ বছর বয়সি মেয়েটি ছাদ থেকে সবার ওপর জল বেলুন ফেলছিল। এই ঘটনায় বোরখা পরিহিত এক মহিলার ওপরেও বেলুন ফেলে দেয় ও। তাতে আমি নিজে গিয়ে ক্ষমা চাই। এমনকী ছোট মেয়েকে দিয়েও ক্ষমা চাওয়াই। এর থেকে বেশি কী করতে পারতাম আমরা। তারা আমাদের মারল। আমার মাথায় ডাক্তার ৮টি সেলাই দিয়েছে। ঘটনার আধঘণ্টা পরে তরুণ আসে। ও বাইক পার্ক করতে পারেনি, তার ওপর চড়াও হয় ওরা।’ এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তরুণ নির্দোষ ছিলেন। ছোটখাটো বিরোধের জেরে অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁকে লাঠি ও ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। তরুণ হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এদিকে এই ঘটনা যাতে সাম্প্রদায়িক হিংসার আকার ধারণ না করে, তার জন্য পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। থানায় স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশ। বৈঠকে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করা হয় যে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশের (Bangladesh) দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দুকে (Hindu Man Killed)। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হিন্দু নিধন পদ্মাপারের দেশে। নিহত ব্যক্তির নাম বজেন্দ্র বিশ্বাস। বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার একটি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মেহরাবাড়ি এলাকার সুলতানা সুইটার্স লিমিটেড কারখানার ভেতরেই সহকর্মীর গুলিতে গুরুতর জখম হন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে।

    আনসার বাহিনীর সদস্য খুন (Hindu Man Killed)

    জানা গিয়েছে, বজেন্দ্র বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন আধাসামরিক বাহিনী আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা এই বাহিনীরই আর এক সদস্য নোমান মিঞা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় কারখানায় মোট প্রায় ২০ জন আনসার সদস্য কর্মরত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বজেন্দ্র ও নোমান পাশাপাশি বসেছিলেন। হঠাৎই নোমান একটি শটগান বের করে বজেন্দ্রর বাঁ দিকের উরুতে গুলি চালায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ব্রজেন্দ্র। সহকর্মীরা (Bangladesh)দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Hindu Man Killed)।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনসার সদস্য এপিসি আজহার আলি বলেন, “ঘটনার সময় নোমান মিঞা ও বজেন্দ্র বিশ্বাস আমার ঘরেই বসেছিলেন। হঠাৎ নোমান বজেন্দ্রের দিকে বন্দুক তাক করে বলে, ‘গুলি করব?’ কথাটা শেষ করেই সে গুলি চালায়। তার পরেই গা ঢাকা দেয় নোমান।” প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ঘটনার আগে দু’জনের মধ্যে কোনও ধরনের ঝগড়া বা তর্কাতর্কি হয়নি। ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নোমান মিঞাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত (Bangladesh)। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    প্রসঙ্গত, শুধু ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনও সদস্যকে হত্যার এটি তৃতীয় ঘটনা। একই সঙ্গে এটি ময়মনসিংহ জেলায় রিপোর্ট হওয়া দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড (Hindu Man Killed)। গত ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কালিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙা এলাকায় বছর ঊনত্রিশের অমৃত মণ্ডলকে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তার আগে, ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় একটি কারখানায় মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বছর পঁচিশের দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগ, কারখানার এক মুসলমান সহকর্মী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলে। পিটিয়ে খুনের পর উন্মত্ত জনতা তাঁর দেহ একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীর, বিশেষ করে হিন্দুদের, ওপর হিংসার ঘটনা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। এ নিয়ে দেশটির নাগরিক সমাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Hindu Man Killed)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারত সরকার বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চলতে থাকা (Bangladesh) নিরবচ্ছিন্ন শত্রুতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি এও জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিবেশী দেশটির পরিস্থিতির ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছে।

LinkedIn
Share