Tag: Hindu organizations

Hindu organizations

  • Mohan Bhagwat: কানাডায় হিন্দু বিশ্ববন্ধু সমাবেশে মোহন ভাগবত, বার্তা বন্ধুত্ব-সম্প্রীতির

    Mohan Bhagwat: কানাডায় হিন্দু বিশ্ববন্ধু সমাবেশে মোহন ভাগবত, বার্তা বন্ধুত্ব-সম্প্রীতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার টরন্টোয় আয়োজিত ‘হিন্দু বিশ্ববন্ধু’ শীর্ষক এক বিরাট সমাবেশে বক্তব্য রাখলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। ‘বন্ধুত্বের মাধ্যমে বিশ্বকে আপন করে নেওয়া’—এই ভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কানাডার দশটি প্রদেশ থেকে দু’হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেন। বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আলোচনা, আপনজনের মতো একাত্মতা এবং সমাজের প্রতি যৌথ দায়িত্ববোধকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান কানাডার হিন্দু সমাজের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মিলনমেলায় পরিণত হয় (Hindu Vishwa Bandhu)।

    উদ্যোক্তাদের বক্তব্য (Mohan Bhagwat)

    কানাডার হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিনিধিদের একত্রিত করে এই সমাবেশের আয়োজন করে কানাডিয়ান হিন্দুজ ফর আউটরিচ, রিলেশনস অ্যান্ড ডায়লগ। সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কানাডার ১৭৫টিরও বেশি সংগঠন সহযোগিতা করে। আয়োজকদের বক্তব্য, কানাডার বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করা, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা ছিল ভারতীয় হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন আদর্শ ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। অর্থাৎ, “সমস্ত পৃথিবীই এক পরিবার।” এই দর্শনকে ভিত্তি করে আয়োজিত সমাবেশে হিন্দু পরিচয়, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার উদ্‌যাপনের পাশাপাশি কানাডার বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল ও অর্থবহ অবদানের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ‘হিন্দু বিশ্ববন্ধু’

    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাগবত। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে হিন্দু সভ্যতা, সমাজ ও সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসা ভাগবতকে অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে সমাজগঠন ও সামাজিক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদ হিসেবে তুলে ধরা হয়। চরিত্রগঠন, সামাজিক ঐক্য, সেবা, সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা এবং সমাজকে আরও শক্তিশালী করার মতো বিষয় তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। কানাডার মতো বহুসাংস্কৃতিক দেশে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সহাবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপের গুরুত্ব রয়েছে। ‘হিন্দু বিশ্ববন্ধু’ সমাবেশে সেই বিষয়টিকেই বিশেষভাবে সামনে আনা হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ধরে রেখেও কীভাবে বৃহত্তর কানাডীয় সমাজের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়া যায়, সেই ভাবনা অনুষ্ঠানের আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে ওঠে (Mohan Bhagwat)।

    অনুষ্ঠান মঞ্চ আলোকিত করেছিলেন যাঁরা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন আলবার্টার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং কানাডার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য জেসন কেনি। কানাডার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের জনজীবনের যোগাযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে কানাডা ও ভারতের মধ্যের সম্পর্ক নিয়েও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিলেন (Hindu Vishwa Bandhu)। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানে কানাডার বহুত্ববাদী সমাজব্যবস্থার সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পর্কের বিষয়টিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী কাশ্মীর সিং ধালিওয়াল। তিনি খালসা দিওয়ান সোসাইটি এবং ঐতিহাসিক রস স্ট্রিট গুরুদ্বারের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁর উপস্থিতি কানাডায় হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়। আয়োজকদের মতে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই একটি সুস্থ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজের ভিত্তি।

    হিন্দু পরিচয়ের গুরুত্ব

    সমাবেশে হিন্দু পরিচয় ও ঐতিহ্যের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে এই পরিচয়কে কেবল নিজস্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়। সেবা, সামাজিক দায়িত্ব, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক অবদান রাখার আহ্বান জানানো হয়। আয়োজক সংগঠনটির লক্ষ্যও মূলত এই ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কানাডিয়ান হিন্দু সমাজের বৈচিত্র্য এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের অবদানকে দেশের মূলধারার আলোচনায় আরও দৃশ্যমান করে তোলাই সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়, ধর্মীয় গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠান এবং প্রজন্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কাজ করতে চায় সংগঠনটি (Mohan Bhagwat)। কানাডায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন ভাষা, অঞ্চল, সংস্কৃতি ও সামাজিক পরিচয়ের মানুষ রয়েছেন। তাঁদের এই বৈচিত্র্যকে একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক বন্ধনে যুক্ত করার পাশাপাশি কানাডার সমাজজীবনে তাঁদের অবদানকে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন আয়োজকরা। তাঁদের মতে, নিজস্ব শিকড় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় অটুট রেখেও যে বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব, ‘হিন্দু বিশ্ববন্ধু’ তারই একটি উদাহরণ (Hindu Vishwa Bandhu)।

    দু’হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সমাবেশ তাই শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি। হিন্দু সমাজের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং কানাডার সামগ্রিক সমাজব্যবস্থায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের বার্তাও উঠে এসেছে অনুষ্ঠানে (Mohan Bhagwat)।

    লক্ষ্য, সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা

    ‘বসুধৈব কুটুম্বকমে’র আদর্শকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সমাবেশের মূল সুর ছিল—নিজের পরিচয় ও ঐতিহ্যকে সম্মান করার পাশাপাশি অন্যের পরিচয় ও বিশ্বাসের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল থাকা। পারস্পরিক বন্ধুত্ব, আলাপ-আলোচনা, সহযোগিতা এবং সামাজিক দায়িত্বের মাধ্যমে একটি আরও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাই এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। কানাডার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ এবং ১৭৫টিরও বেশি সংগঠনের সহযোগিতা এই উদ্যোগের ব্যাপকতাকেও স্পষ্ট করেছে। আয়োজকদের আশা, এই ধরনের সমাবেশ ভবিষ্যতে কানাডার হিন্দু সম্প্রদায় এবং বৃহত্তর কানাডীয় সমাজের মধ্যে আরও বেশি যোগাযোগ ও সহযোগিতার পথ তৈরি করবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন (Hindu Vishwa Bandhu) ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে (Mohan Bhagwat)।

     

  • Varanasi: চার দশক বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে ২৫০ বছরের পুরনো বারাণসীর এই শিব মন্দিরের দ্বার

    Varanasi: চার দশক বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে ২৫০ বছরের পুরনো বারাণসীর এই শিব মন্দিরের দ্বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে বারাণসী (Varanasi) শহরে দীর্ঘ চার দশক ধরে বন্ধ ছিল ২৫০ বছরের পুরনো এক শিব মন্দির। এবার এই মন্দিরকে পুনরায় খোলার নেতৃত্ব দিচ্ছে হিন্দু সংগঠন (Hindu organizations)। এই কাজের কর্ণধার রাজ্যের সনাতন রক্ষা দলের সভাপতি অজয় শর্মা। তিনি বলেন, “মন্দিরকে পুনরায় খোলা নিয়ে কোনও বিরোধিতা থাকা উচিত নয়।”

    সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধারে উদ্যোগ (Varanasi)

    প্রায় চার দশক ধরে বারাণসীর (Varanasi) একটি শিব মন্দির বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। মদনপুরা এলাকায় এই মন্দিরের অবস্থান। সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর মন্দিরের দরজা খোলার জন্য বেশকিছু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের একটিই দাবি ছিল। তা হল, সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধার করতে হবে। সেখানে পুজো-অর্চনা শুরু করতে হবে। অবশ্য এই কাজের সম্পূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন অজয় শর্মা (Hindu organizations)। উল্লেখ্য সম্ভলের এক মুসলমান পাড়ার ভিতরে মাটির নিচ থেকে মন্দিরের অবশেষ এবং মূর্তি উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু বছর এলাকা দখল করে, হিন্দু বসতি উচ্ছেদ করে মুসলিম বসতি গড়া হয়েছিল। তাতেই ওই মন্দিরের অস্তিত্ব ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। এবার, জবর দখল উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় বেরিয়ে পড়ে মন্দিরের অস্তিত্ব।

    মুসলমানরা ধীরে ধীরে হিন্দু মালিকানাধীন জায়গা দখল করেছে

    বারাণসী (Varanasi) সনাতন রক্ষার (Hindu organizations) সভাপতি অজয় শর্মা বলেন, “মন্দিরটি বর্তমানে মুসলমান সম্প্রদায়ের এলাকায় অবস্থিত। বছরের পর বছর ধরে জবর দখল করে রাখা হয়েছিল। মন্দির প্রাঙ্গণের নানা জায়গা অবহেলিত হয়ে রয়েছে। এখানে সেখানে প্রচুর ময়লা জমে রয়েছে। ধ্বংসাবশেষের স্তূপ জমে রয়েছে। উল্লেখ্য এই এলাকাও একটা সময়ে হিন্দুদের বসতি ছিল। কিন্তু মুসলমানরা ধীরে ধীরে হিন্দু মালিকানাধীন জায়গা দখল করার পর থেকেই মন্দির পরিত্যক্ত হয়। পুনরায় মন্দির খোলাই এখন আমাদের উদ্দেশ্য।”

    স্থানীয় থানার বক্তব্য

    দশশ্বমেধ থানার (Varanasi) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রমোদ কুমার বলেন, “মন্দির পুনরায় চালু করতে মানুষের কোনও আপত্তি নেই। বেশ কিছু জনতা মন্দিরকে খুলতে বলেছেন। তবে কাছেই একটা মুসলিম এলাকা রয়েছে। হিন্দুরা যখন থেকে এখানে আসা বন্ধ করে দিয়েছে, তখন থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে কোনও বিরোধ নেই। মন্দির নিয়ে কোনও ব্যক্তির মতভেদ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গতকাল মুম্বইয়ের রাস্তায় জড়ো হয়েছিল হিন্দু জনতা। লভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ সহ হিন্দু রাষ্ট্র ইস্যুতে রবিবার মুম্বইয়ের রাজপথে হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। হিন্দু সংগঠনগুলি মহারাষ্ট্রের এক লক্ষেরও বেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। সকাল ১০ টায় মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে লোকেরা জড়ো হয়েছিল এবং তারপরে শিবাজি পার্ক থেকে পেরেলের কামগার ময়দান পর্যন্ত একটি পদযাত্রা বের করেছিল। বিজেপির কিছু নেতা, সাধু-সন্ন্যাসী এই মোর্চায় যোগ দিয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ধর্মান্তর বিরোধী আইন প্রণয়ন ও ধর্মের নামে জমি দখলের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার দাবি তোলেন।

    কারা অংশগ্রহণ করেছিলেন এই পদযাত্রায়?

    গত ২ মাসে মহারাষ্ট্রে ৪০ টিরও বেশি হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংঘটিত হয়েছে, তবে গতকালের মোর্চাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। লভ জিহাদ, ধর্মের নামে জমি দখল এবং ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবিতেই মুম্বইয়ে হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংগঠিত করেছে সকল হিন্দু সমাজ। এতে প্রায় এক লক্ষ হিন্দু অংশগ্রহণ করেছিল বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হিন্দু সংগঠন, উৎসব মন্ডল এবং নাগরিক ও হিন্দুদের কল্যাণে কাজ করে এমন এনজিও গতকালের মিছিলে অংশ নিয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস), বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) সহ হিন্দু সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক এবং শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীও সমাবেশে অংশ নেন। মুম্বই বিজেপির সভাপতি আশিস শেলার, বিধায়ক প্রবীণ দারেকার, বিধায়ক অতুল ভাটখালকর, বিধায়ক নীতেশ রানে প্রমুখ বিজেপি নেতারা সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। মিছিল উপলক্ষে পুরো পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় বাড়তি পুলিশ।

    অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন হায়দ্রাবাদের বিধায়ক টি রাজা সিং। তিনি আবেগঘন ভাষণ দেন এবং হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও ভিএইচপি মুখপাত্র এবং জেটি সেক্রেটারি, শ্রীরাজ নায়ার বলেছেন, “প্রায় এক লাখ হিন্দু মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন এবং লভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে তাঁদের আওয়াজ তুলেছিলেন। হিন্দুদের নৃশংসতার হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের উচিত ধর্মান্তর বিরোধী আইন আনা।” বিজেপি বিধায়ক নীতেশ রানে বলেছেন যে হিন্দুদের নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে, এবং হিন্দুদের একত্রিত হয়ে একটি বার্তা দিতে হবে।

    হিন্দু সংগঠনের তরফে কী কী দাবি তোলা হয়েছিল?

    তাঁরা গতকাল লভ জিহাদের বিরুদ্ধে আইন, ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি করেছেন। আবার ধর্মের নামে জমি দখল করা, মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে আওয়াজ ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের লভ জিহাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতেও দেখা যায়।                                  

LinkedIn
Share