Tag: hindu rashtra

hindu rashtra

  • Samrajya Diwas: শিবাজির আদর্শেই আধুনিক ভারত গঠনের আহ্বান, সনাতন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার রূপরেখা মিলল প্রবন্ধে

    Samrajya Diwas: শিবাজির আদর্শেই আধুনিক ভারত গঠনের আহ্বান, সনাতন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার রূপরেখা মিলল প্রবন্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্রপতি শিবাজি মহারাজকে (Shivaji Maharaj) শুধু একজন ঐতিহাসিক যোদ্ধা বা মারাঠা সাম্রাজ্যের (Samrajya Diwas) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নয়, বরং ভারতীয় সভ্যতার পুনর্জাগরণের অন্যতম প্রধান প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এক প্রবন্ধে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত তিনশো বছরে ভারত যে কয়েকজন অনন্য সাধারণ শাসক দেখেছে, তাঁদের মধ্যে শিবাজি মহারাজ অন্যতম। লেখাটিতে তাঁর জীবন, প্রশাসন, সামরিক কৌশল, সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং সনাতন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তাকে বর্তমান সমাজের জন্য অনুসরণীয় মডেল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ‘হিন্দবী স্বরাজ্যে’র ধারণা প্রতিষ্ঠা (Samrajya Diwas)

    প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, শিবাজির আবির্ভাবের বহু আগেই মহারাষ্ট্রের বহু সাধু-সন্ত তাঁর আগমনের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। লেখকের দাবি, মুঘল শাসনের সময় হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শিবাজি হিন্দু সমাজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনেন এবং ‘হিন্দবী স্বরাজ্যে’র ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শিবাজির সবচেয়ে বড় অবদান ছিল মানুষের মানসিক দাসত্ব ভেঙে দেওয়া। বহু স্থানীয় হিন্দু শাসক বিদেশি সুলতানদের অধীনে ক্ষমতার লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকলেও, শিবাজি স্বাধীন ও স্বশাসিত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখান। তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল শাসক পরিবর্তনের আন্দোলন ছিল না, বরং নিজস্ব সংস্কৃতি, ধর্ম ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

    শিবাজি এক দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক

    ওই প্রবন্ধে আরও দাবি করা হয়েছে, মুঘল আমলে নারী নির্যাতন, প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন এবং একের পর এক হিন্দু মন্দির ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছিল। এই প্রেক্ষাপটে শিবাজির সংগ্রামকে সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই হিসেবেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে ওই প্রবন্ধে। সেখানে (Samrajya Diwas) শিবাজিকে একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি ভৌগোলিক বাস্তবতা অনুযায়ী নতুন সামরিক কৌশল প্রয়োগ করেন, দুর্গকেন্দ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলেন এবং ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির সম্ভাব্য সামুদ্রিক হুমকি উপলব্ধি করে শক্তিশালী নৌবাহিনী তৈরি করেন। লেখকের মতে, ভারতীয় নৌবাহিনীর ভিত্তি নির্মাণেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। লেখায় বলা হয়েছে, তিনি প্রশাসনে ফার্সির পরিবর্তে সংস্কৃত ব্যবহারের উদ্যোগ নেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, এবং ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান এবং রাজধর্ম পালনের নীতিকেও আদর্শ শাসনের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ

    সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রসঙ্গে প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শিবাজির কাছে ভূমি কেবল কর আদায়ের ক্ষেত্র ছিল না, বরং তা ছিল পবিত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। তিনি বিভিন্ন মন্দির সংস্কার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্যোগী হয়েছিলেন। গোয়ার সপ্তকোটেশ্বর, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীশৈলম এবং তামিলনাড়ুর সমুদ্রতীরবর্তী কয়েকটি মন্দির পুনর্নির্মাণে তাঁর ভূমিকা ছিল (Samrajya Diwas) গুরুত্বপূর্ণ। প্রবন্ধে বাবরের সময় অযোধ্যার রামজন্মভূমি, আওরঙ্গজেবের আমলে কাশী বিশ্বনাথ ও মথুরার মন্দির ধ্বংসের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, শিবাজি সাংস্কৃতিক পুনর্গঠনকে রাষ্ট্ররক্ষার অংশ হিসেবে দেখতেন। এই অংশে বিভিন্ন ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উদ্ধৃতিরও উল্লেখ রয়েছে (Shivaji Maharaj)।

    জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা

    লেখাটিতে সমকালীন সমাজের জন্যও একাধিক সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নিজস্ব ইতিহাস পুনর্লিখন ও গবেষণার প্রসার, শিক্ষা ব্যবস্থায় ভারতীয় সভ্যতার অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া, মন্দির ও ঐতিহ্যবাহী কাঠামো সংরক্ষণ, সামাজিক ঐক্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং যুবসমাজকে রাজনৈতিক, আইনি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, শিবাজির শাসনব্যবস্থা জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্রিত (Samrajya Diwas) করেছিল। বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন। লেখকের মতে, বর্তমান সমাজেও অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য দূর করে সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

    সনাতন ধর্মের আদর্শে দীক্ষিত শিবাজি

    সবশেষে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, শিবাজির জীবন ও আদর্শ কেবল ইতিহাসের অংশ নয়, বরং আধুনিক রাষ্ট্র গঠন, সুশাসন, নৈতিক নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় এবং সামাজিক সংহতির ক্ষেত্রেও একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রবন্ধের উপসংহারে শিবাজিকে সনাতন ধর্মের আদর্শে পরিচালিত এক দূরদর্শী শাসক হিসেবে (Shivaji Maharaj) উল্লেখ করে তাঁর চিন্তাধারাকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাসঙ্গিক বলে (Samrajya Diwas) অভিহিত করা হয়েছে।

     

  • Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা এবং ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়। হিন্দু রাষ্ট্র হল ধর্মের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ধারণা।” এমন কথাই বলেছেন আরএসএসের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। মঙ্গলবার সংঘ পরিবারের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে কেরলের তিরুবন্তপুরমের  রাজীব গান্ধী সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিতে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ভারত: ইয়ং ইন্টেলেকচুয়াল মিট’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রাচীন রাষ্ট্র ভারতবর্ষ (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতবর্ষ আমাদের একটি প্রাচীন রাষ্ট্র। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই এটি একটি জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাষ্ট্রের ধারণাটি পশ্চিমাদের জাতির ধারণার মতো ছিল না। কর্নাটকে জন্মগ্রহণকারীদের কাছে কেরল একটি প্রতিবেশী রাজ্য ছিল। তবুও, দুর্ভাগ্যজনক যে কেরলের দর্শকদের সামনে রাষ্ট্রের ধারণাটি একটি বিদেশি ভাষায় উপস্থাপন করতে হয়েছিল। কোনও বিদেশি ভাষাই একটি জাতির ধারণা, তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দর্শনের সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।”

    সংস্কৃত হল জাতির ভিত্তি

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “সংস্কৃতি হল জাতির ভিত্তি। সরকারের খসড়া বিদ্যুৎ নীতি, সাবারি সোনার খসড়া, ভিঝিনজাম বন্দর চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু হিন্দু নামটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়ও এটি একটি হিন্দু জাতি ছিল। এর আত্মা আধ্যাত্মিক। যদিও প্রকাশভঙ্গিতে পার্থক্য থাকতে পারে, সংস্কৃতি এক। সঙ্গীত কন্নড় হোক বা হিন্দুস্তানি হোক বা অন্য কোনও রূপ, ভিত্তি হল সাতটি স্বর। রাধা, কৃষ্ণ, শিব এবং পার্বতী ছাড়া কোন নৃত্যধারা বিদ্যমান? ভারতের ঐক্যকে বোঝাতে, সমাজতান্ত্রিক নেতা রাম মনোহর লোহিয়াকে স্মরণ করতে পারি। যিনি উত্তর ও দক্ষিণকে সংযুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণ, যিনি পূর্ব ও পশ্চিমকে সংযুক্ত করেছিলেন। এবং শিব, যিনি সমগ্র জাতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।”

    ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ দেশের সংস্কৃতির প্রতীক

    দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “চিনা আক্রমণের সময়, ডিএমকে নেতা আন্নাদুরাই রাজ্যসভায় চিনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রেখেছিলেন যে হিমালয় হল শিবের আবাসস্থল। মাদুরাইতে এক বক্তৃতায়, পণ্ডিত নেহরু বলেছিলেন যে, তিনি তীর্থযাত্রার মাধ্যমে ভারতকে ঐক্যবদ্ধকারী পূর্বপুরুষদের প্রণাম করেন। ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ এবং শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চারটি মঠ ভারতের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বন্দে মাতরম রচনাকারী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভারতকে সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং দুর্গা হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন, যা জ্ঞান, সম্পদ এবং শক্তির প্রতীক। এর কোনওটিই ধর্মীয় নয়। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মহম্মদ করিম চাগলা এই কারণে নিজেকে একজন সাংস্কৃতিক হিন্দু বলে ঘোষণা করেছিলেন। ইন্দোনেশিয়া তার ধর্ম পরিবর্তন করেছে কিন্তু তার পূর্বপুরুষদের নয়। তারা রামায়ণকে লালন করে এবং হিন্দুধর্ম হল নীতি ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের একটি ব্যবস্থা।

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাকের (NAAC) ডিরেক্টর গণেশান কান্নানবীরেন, কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মোহনন কুন্নুম্মল, এপিজে আবদুল কালাম টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভিসি সিজা থমাস এবং আরএসএস দক্ষিণ কেরালার আঞ্চলিক সংঘচালক এমএস রমেশান।

  • Chandra Babu Naidu: অন্ধ্রপ্রদেশে ক্ষমতায় ফিরছে তেলুগু দেশম, চন্দ্রবাবুকে অভিনন্দন মোদি-শাহের

    Chandra Babu Naidu: অন্ধ্রপ্রদেশে ক্ষমতায় ফিরছে তেলুগু দেশম, চন্দ্রবাবুকে অভিনন্দন মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ বছরে ফের চমকে দিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandra Babu Naidu) । ফিরে এলেন অন্ধ্রপ্রদেশে। রাজনীতি যে চমকের খেলা তা প্রমাণ করে দিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। এখন অবধি যা ট্রেন্ড তাতে ১৭৫ আসনের মধ্যে ১৫৫ টি আসনে টিডিপি, বিজেপি এবং জনসেনা পার্টির জোট এগিয়ে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফের মুখ্যমন্ত্রী আসনে বসতে চলেছেন তেলুগু দেশম পার্টির (TDP) প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু। এমনকি জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তিনি। 

    জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন চন্দ্রবাবু (Chandra Babu Naidu)

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের (YSRCP) প্রধান জগন্মোহন রেড্ডি (Jagan Reddy) বিকেলে রাজভবনে যেতে পারেন এবং সম্ভবত এদিনই পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন তিনি। তবে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের যে কজন প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম জগন। তিনি এবার পুলিভেন্ডালা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই টিডিপি প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। সকলেই নিজেদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। গণনা শেষের আগেই বিজয়ওয়াড়ায় টিডিপি প্রধান কার্যালয়ের বাইরে দেখা গিয়েছে উৎসবের মেজাজ।

    কেন হারলেন জগন রেড্ডি

    এদিন সকাল থেকেই ভোট বাক্স খুলতেই একের পর এক কেন্দ্র থেকে টিডিপি (TDP) প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবর আসতে শুরু করে। বেলা যতই গড়িয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন। ওয়াইএসআর কংগ্রেস সূত্রের খবর যে সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের উপরে তাঁরা ভরসা করেছিলেন তা ভোট বাক্সে পরিণত করা সম্ভব হয়নি।

    আরও পড়ুন: পদ্মময় জগন্নাথের রাজ্য, ভেঙে চুরমার নবীনের স্বপ্ন?

    মনে করা হচ্ছে টিডিপি প্রধানের গ্রেফতারি, উন্নয়নের ধীরগতি, রাজ্যে বিনিয়োগ না আসা এবং প্রার্থী বাছাইয়ের গণ্ডগোলের ভরাডুবি হয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের। তাঁর দল যে সমস্যায় পড়তে পারে তা আঁচ করতে পেরেছিলেন জগন রেড্ডি। একাধিক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী বদল করেছিলেন বটে, তবে মানুষের ক্ষোভ তিনি সামলাতে পারেননি। বেকারত্বের মত ইস্যুতে নজর না দিয়ে স্রেফ সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উপরে জোর দিতে গিয়ে ভরাডুবি হয়েছে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে টিডিপি (TDP), বিজেপি (BJP) ও জনসেনা (Janasena Party) পার্টি জোট করায় সরকার বিরোধী ভোট পড়েছে এক জায়গায়। যার সুফল পেয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandra Babu Naidu) ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: তৃতীয়বার মোদি ক্ষমতায় ফিরলে ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে, চিন্তায় ভুগছে পাকিস্তান

    PM Modi: তৃতীয়বার মোদি ক্ষমতায় ফিরলে ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে, চিন্তায় ভুগছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪০০ পার হয় নি। কিন্তু ক্ষমতা ধরে রাখার ব্যাপারে আশাবাদী গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরছেন মোদি (PM Modi), এক্সিট পোলের (Exit Poll 2024) সেই ফলাফল না মিললেও ফিরছে না ইন্ডিয়া জোট(Indi Alliance)। এ কথা কার্যত পরিষ্কার। ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই মাঝে এক্সিট পোলের ফলাফল নিয়ে পাকিস্তানের (Pakistan) জোর চর্চা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন বিদেশ সচিব এজাজ আহমেদ চৌধুরী সেদেশের একটি সংবাদ মাধ্যমে ইন্টারভিউতে বলেছেন, “যদি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফেরেন তাহলে তিনি দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করবেন।

    ভারত হিন্দু রাষ্ট্র হবে মত পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞদের  

    প্রসঙ্গত ভারতে লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৫৪৩ টি সিটের মধ্যে ২৭২ টি সিটের প্রয়োজন হয়। এনডিএ জোট ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে রয়েছে। এজাজ আহমেদ চৌধুরী আরও বলেন বিজেপি (BJP) নেতারা যা বলে, ক্ষমতায় এলে তা করে দেখায়। ২০১৯ এর নির্বাচনে তিনি ৩৭০ ধারা তুলে দেবেন বলে তাঁর নির্বাচনী প্রচারে বলেছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেল তিনি সে কাজ করে দেখালেন। আমার মনে হয় এবার তাঁদের প্রাথমিকতা ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্রে (Hindu Rashtra) পরিণত করা। এর জন্য তাঁরা আগে থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হলে পাকিস্তানে কারও সমস্যা হবে না। কারণ ভারতে হিন্দুরা এমনিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ফলে তাঁরা হিন্দু রাষ্ট্র তৈরি করলে আমাদের উপর কোনও প্রভাব পড়বে না। হ্যাঁ ভারত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত হলে সেখানকার অন্য ধর্মের মানুষরা এটাকে কীভাবে নিচ্ছেন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমি মনে করি না মোদি ভোটে জেতার জন্য হিন্দু রাষ্ট্রের কথা শুধু বলেছেন। তিনি জিতে গেলে সেটা করেও দেখাতে পারেন।

    পাকিস্তান মেনে নিয়েছে মোদিই ফিরছেন (PM Modi)

    প্রসঙ্গত পাকিস্তানের ওই নেতা বিজেপির (BJP) ক্ষমতায় আশা নিয়ে কোনও সন্দেহ প্রকাশ করেননি। পাশাপাশি বিজেপি ক্ষমতায় এলে পাকিস্তানের মাথাব্যথার কারণ হবে, এ কথাও পরিষ্কার করে দেন। তিনি বলেন বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে পাকিস্তানের প্রতি তাঁর মনোভাব যা আগে ছিল তেমনই থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের আগেভাগে তৈরি থাকা উচিত। কারণ এবারও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এটা নতুন ভারত। ঘরে ঢুকে মারবে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি ফিরে এলে পাকিস্তানের জন্য এটা চিন্তার বিষয়।

    আরও পড়ুন: তিন মামলায় বেকসুর খালাস ইমরান খান, তবে ঘুচছে না বন্দিদশা

    এর আগেও তাঁরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছেন। আগামী দিনেও তাঁরা আগ্রাসী মনোভাব বজায় রাখতে পারে।” অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমর চিমার কথা বলার বলার সময় সে দেশের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুজিব আফজল পিএম মোদি  (PM Modi) সম্পর্কে বলেন, “৯০ এর দশকের পর কেউ ভাবেনি এরকম কোনও ব্যক্তি আসবে এবং খুব সহজেই হার্ড হিন্দুত্ব দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেবে। মোদি খুব সহজভাবেই ৩৭০ ধারা, তিন তালাক প্রথা,  তুলে দিয়েছে। দেশজুড়ে হার্ড হিন্দুত্ব ছড়িয়ে দিয়ে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছে। আগে এসব ভাবাও যেত না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র”, নাগপুরের অনুষ্ঠানে আবারও দাবি মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র”, নাগপুরের অনুষ্ঠানে আবারও দাবি মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত হিন্দু রাষ্ট্র।” ফের একবার দাবি করলেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, সমস্ত ভারতীয় হিন্দু ও ভারত হিন্দুত্বের প্রতিনিধিত্ব করে। শুক্রবার নাগপুরে ‘তরুণ ভারত’ নামে একটি দৈনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মত পোষণ করেন ভাগবত।

    হিন্দুস্তানের অর্থ

    সরসংঘচালক বলেন, “হিন্দুস্তান মানে হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্র। আর এটা ধ্রুব সত্য। সেই কারণে বর্তমানে যাঁরা দেশে বসবাস করেন, তাঁদের আমি হিন্দু বলে মনে করি। এঁরা সকলেই হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত। এঁদের পূর্বসূরিরাও হিন্দু ছিলেন। বিশ্বজুড়ে হিন্দুত্বের কদর বেড়েছে।” ভাগবত বলেন, “কিছু মানুষ এটা বুঝতে পেরেছেন। অনেকে আবার বুঝেও না বোঝার ভান করছেন। এর কারণ তাঁদের অভ্যাস এবং স্বার্থপরতা। আবার কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা বুঝতে পারছেন না কিংবা ভুলে গিয়েছেন।” স্বদেশি, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং শৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন ভাগবত।

    হিন্দুত্বের কদর বাড়ছে

    সরসংঘচালক (Mohan Bhagwat) বলেন, “আমাদের নিজস্ব আদর্শ অক্ষুণ্ণ রেখে ন্যায্যভাবে এবং সত্যের ভিত্তিতে কোনও কাজ করা উচিত। আমাদের আদর্শের মতো সারা বিশ্বে আর কিছু নেই। এর বিকল্পও নেই। সবাই এটা বুঝতে পেরেছে। কেউ এটা স্বীকার করে, কেউ করে না।” আরএসএস প্রধান বলেন, “আমরা সেই ১৯২৫ সাল থেকেই বলে আসছি যে ভারতে বসবাসকারী প্রত্যেকেই হিন্দু। যারা ভারতকে তাদের মাতৃভূমি বলে মনে করে এবং বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচতে চায় এবং ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, খাদ্যাভাস এবং আদর্শ যাই হোক না কেন, এই পথে এগোনোর চেষ্টা করে, তারা সকলেই হিন্দু।”

    আরও পড়ুুন: “দেদার ছাপ্পা চললেও, প্রাণভয়ে কিছু করতে পারিনি”! হাইকোর্টে স্বীকারোক্তি প্রিসাইডিং অফিসারের

    প্রসঙ্গত, হিন্দুত্ব নিয়ে ভাগবতের (Mohan Bhagwat) এই দাবি এই প্রথম নয়। গত বছর নভেম্বর মাসেও ছত্তিশগড়ে গিয়ে হিন্দুত্বের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। সংঘের একটি অনুষ্ঠানেও ভারতে বসবাসকারী সবাই হিন্দু বলেও দাবি করেছিলেন আরএসএস প্রধান। ভারতে বসবাসকারী সকলের ডিএনএ এক বলেও মন্তব্য করেছিলেন ভাগবত। হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে কোনও পার্থক্যই নেই বলেও দাবি করেছিলেন সংঘপ্রধান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share