Tag: Hindu refugee

Hindu refugee

  • PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হয়ে কেউ কথা বলে না।” কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের তেরাই অঞ্চলের বাঙালি উদ্বাস্তুরা। এখানকার (PM Modi) ২৩টি গ্রামে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার বাঙালি উদ্বাস্ত। যদিও সংখ্যাটা এক লাখের কাছাকাছি বলে দাবি সংবাদ মাধ্যমের।

    পিলভিটে আশ্রয়

    এঁদের অনেকেই পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে চলে এসেছেন ভারতে। এঁদের মধ্যে অনেকেই ফিরে গিয়েছেন। বাকিরা ছিলেন উদ্বাস্তু শিবিরে। এঁদের মধ্যে অনেকেই উধম সিংহ নগর ও পিলভিটে আশ্রয় নিয়েছিলেন। যদিও তাঁরা কেউই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। ২০১৩ সালে পিলভিট থেকে জয়ী হয়েছিলেন বরুণ গান্ধী। তিনি জানান, তাঁর ঠাকুমা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী অত্যাচারিত হিন্দুদের ইনস্ট্যান্ট নাগরিকত্ব দিয়ে ভারতে নিয়ে আসেন। তার পরেও পূর্ববঙ্গ থেকে অনেকেই অবৈধভাবে এসেছেন ভারতে।

    সিএএ

    সম্প্রতি দেশে সিএএ লাগু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই (PM Modi) আইন এঁদের অনেকের কাছেই আশীর্বাদ স্বরূপ। তাই এই শরণার্থীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা এবার ভোট দেবেন বিজেপিকে। পিলভিটের নেওরিয়া, গাবিয়া, রামনগর এবং রামপুরিয়াকে ‘মিনি বেঙ্গল’ বলে ডাকেন স্থানীয়রা। সিএএ লাগু হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এঁদের কাগজপত্র নিয়ে প্রস্তুত হতে বলেছে। উত্তরপ্রদেশের ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন এঁরা। এঁদের মধ্যে ৩৭ হাজারই থাকেন পিলভিটে।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    বিজেপির প্রতি সামান্য হলেও, ক্ষোভ রয়েছে এঁদের। কারণ পিলভিট থেকে পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়েছেন বরুণ ও তাঁর মা মানেকা। তাঁরা পিলভিটের প্রতি তেমন নজর দেননি বলে অভিযোগ। তবে তাতেও খুব একটা সমস্যা হবে না পদ্ম শিবিরের। কারণ এঁদের সিংহভাগই রয়েছেন বিজেপির সঙ্গে। তাঁরা জানান, মন্ত্রী থাকাকালীন ২০১২ সালে এখানে এসেছিলেন প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। তার পরেও পিলভিট থেকে গিয়েছে পিলভিটেই। এবার তাই হাত উপুড় করে বিজেপিকে ভোট দিতে চাইছেন এঁরা। কারণ সিএএ। স্থানীয় এক প্রবীণ বলেন, “তবুও আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপিকেই ভোটটা দেব। আমাদের প্রতিটি ভোটই পড়বে পদ্ম ঝুলিতে। কারণ কেউই আমাদের হয়ে কথা বলেননি। ইন্দিরা গান্ধী সাহায্য করার পরে আমরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কিংবা স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব আর আমাদের গুরুত্ব দেয়নি।”

    সিএএ চালু হওয়ায় খুশি এঁরা। তাঁরা বলেন, “আমরা এই ইস্যুটিকেই সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। বিভিন্ন দলের এই এলাকার অনেক নেতা আমাদের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন। তবে তাতে চিঁড়ে ভিজবে না। আমরা বিজেপিকেই ভোট দেব। আমরা মোদিজি ও যোগীবাবাকে সমর্থন করি। মোদিজিই আমাদের (PM Modi) রক্ষাকর্তা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা হয়েছে। এই ঘোষণা করছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য কয়েক দিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন খুব দ্রুত লোকসভা ভোটের আগে দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হবে। আর আজ আইন কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে উচ্ছ্বাস এবং আবেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। একে উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালি সমাজের কাছে গৌরবের দিন বলে উল্লেখ করেছেন মতুয়া সমাজের মানুষ। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ ঢাক-ঢোল, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে নেমে পড়েন। সকলে মিষ্টিমুখ করেন। পুরুষ-মহিলা সকলে এই আনন্দ উচ্ছ্বাসে যোগদান করেন।

    স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া (CAA)

    মতুয়া সমাজের ঠাকুরনগরের বাসিন্দা সুজিত বিশ্বাস সিএএ (CAA) কার্যকর হওয়ায় অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভীষণ খুশি, আমাদের দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাদের মতো শরণার্থীদের কথা ভেবেই আইন করেছেন এবং আজ তাকে বাস্তবায়িত করলেন। আমরা নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা এখন সম্মানের সঙ্গে বসবাস করব।”

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিকের বক্তব্য

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিক দিলীপকান্তি মণ্ডল সিএএ (CAA) কার্যকর করা প্রসঙ্গে বলেন, “জয় হরি বোল, আমরা যাঁরা ওপার বাংলা থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এই পশ্চিমবঙ্গের এসেছি তাঁদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার দেবে এই নাগরিকত্ব আইন। শরণার্থী উদ্বাস্তু হিন্দুদের অধিকারকে সুরক্ষা করতে এই আইন কার্যকর করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা ভীষণ খুশি। মতুয়া সমাজের অনেক দিনের দাবি ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হোক। ঠাকুরবাড়ির বড়মা বীণাপাণি দেবী, প্রমথরঞ্জন ঠাকুর এবং সর্বভারতীয় মতুয়া সংগঠনের পক্ষ থেকে বার বার দাবি তোলা হয়েছে, আন্দোলন করা হয়েছে। এমনকী ঠাকুরবাড়িতে দু-দু’বার অনশন করেছি আমরা। মোদিজি এবং আমিত শাহ যে কথা দিয়েছেন, তা আজ কার্যকর হয়েছে। আমরা আজ খুব খুশি। এই আইন সারা দেশে বাস্তবায়ন হবে। অধিকার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচব আমরা।”         

    কী আছে সিএএ আইনে?

    এই সিএএ আইন (CAA) অনুযায়ী বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে যদি কোনও হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পারসি এবং খ্রিষ্টান ধর্মের মানুষ যদি ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে ভারতে চলে আসেন তাহলে তাঁদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি রক্ষায় ভারত সরকার নাগরিকত্ব প্রদান করবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share