Tag: Hindu rituals knowledge

Hindu rituals knowledge

  • Hindu Rituals: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

    Hindu Rituals: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতিতে সন্ধ্যা হলে গৃহস্থবাড়িতে তুলসী তলায় দেওয়া হয় প্রদীপ। অনেকে আবার মনে করেন যথাসময়ে প্রদীপ না জ্বালালে তা গৃহস্থের অমঙ্গলের কারণ হতে পারে। কিন্তু হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দু সংস্কৃতিতে প্রদীপ এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    আত্মা ও জ্ঞান

    অগ্নি হলো জ্ঞানের প্রতীক। স্বয়ং ঈশ্বর আমাদের মনের অন্ধকার দূর করার জন্য আলোর পথ দেখান। তেমনই প্রদীপের আলো সমস্ত অন্ধকারকে দূর করে। আবার পরম আত্মা হলেন প্রদীপের জ্যোতির মত। পরমাত্মাকে উপলব্ধি করতে গেলে প্রয়োজন দিব্যদৃষ্টির। তাই হিন্দু সংস্কৃতিতে প্রদীপকে তুলনা করা হয় পরমাত্মা এবং জ্ঞানের আধার রূপে।

    বৈদিক যুগ

    হিন্দু সংস্কৃতির অন্যতম একটি অঙ্গ প্রদীপ জ্বালানো হলেও, বৈদিক যুগে প্রদীপ জ্বালানোর প্রথা সেভাবে ছিল না। তখন প্রাধান্য দেওয়া হতো হোম ও যজ্ঞকে। তারপর ধীরে ধীরে পুজোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে নৈবেদ্য, বস্ত্র, ধুপ এবং প্রদীপ। এছাড়াও পুজোর সময় অন্ধকার দূর করার জন্য চারিদিকে প্রদীপ জ্বালানো হত।

    সন্ধ্যাপ্রদীপ

    অতীতে অনেকে সন্ধ্যা নামলে সদর দরজার সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতেন। উদ্দেশ্য একটাই, কোনও পথিকের প্রয়োজন হলে যেন তিনি আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানেও গ্রামাঞ্চলের দিকে কিছু কিছু স্থানে সদর দরজায় প্রদীপ জ্বালানোর নিয়ম রয়েছে।

    তুলসী গাছের নীচে প্রদীপ কেন?

    গৃহদেবতার পাশাপাশি সন্ধ্যাবেলায় তুলসী গাছের নীচে প্রদীপ রাখা হয়। কারণ তুলসী ছিলেন শ্রীকৃষ্ণের দূতী বৃন্দা। পুরাণে বৃন্দা দেবী ছিলেন অত্যন্ত পবিত্র এবং সমস্ত বিশ্বের মধ্যে কারোর সঙ্গেই তিনি তুলনীয় ছিলেন না। তাই তিনি পবিত্র তুলসী নামে সমধিক পরিচিতি লাভ করেন।

    সন্ধ্যায় প্রদীপের গুরুত্ব

    সন্ধ্যা বলতে বোঝায় দুটি সময়ের সন্ধিক্ষণ। দিনের শেষ মুহূর্ত এবং রাত্রির শুরু। যদিও সন্ধ্যা মূলত তিন প্রকার। প্রাতসন্ধ্যা, মধ্যাহ্নসন্ধ্যা এবং স্বায়ংসন্ধ্যা। এই তিন সন্ধ্যাতেই ব্রাহ্মণগণ গায়ত্রীকে আহ্বান করে আহ্নিক করতেন এবং সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ করতেন জপ ও ধ্যান। স্বায়ংসন্ধ্যার সময় প্রত্যেক গৃহস্থবাড়িতে মঙ্গল কামনায় জ্বালানো হয় প্রদীপ।

  • Hindu Rituals: ঘরের সামনে ঝুলছে লেবু লঙ্কা! আছে আশ্চর্য এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

    Hindu Rituals: ঘরের সামনে ঝুলছে লেবু লঙ্কা! আছে আশ্চর্য এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সমাজে লেবু-লঙ্কা ঝোলানো কে নিছক কুসংস্কার বলে চালিয়ে দেয় অনেকেই। কোনওদিন আমরা জানতে চাইনা যে, কেন এই রীতি ছিল বহু বছর আগে থেকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক—

    ভারতীয় সংস্কৃতির প্রচলিত বিশ্বাস যে বাড়িতে প্রবেশের পথে লেবু ও লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখলে ভাল হয়। দীর্ঘদিন ধরেই সারা দেশ জুড়ে এই প্রথা চলে আসছে। এগুলি আমাদের বাড়িতে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশে ও ইতিবাচক প্রভাবকে ত্বরান্বিত করতে প্রভাবশালী উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। 

    বলা হয় যে, অশুভ শক্তি, অন্যের কুদৃষ্টি দূরে রাখতে লেবু-লঙ্কার তুলনা হয় না। কিন্তু এর নেপথ্যেও যে বৈজ্ঞানিক ও বাস্তুশাস্ত্রসম্মত কারণ রয়েছে, যে কারণে এটি ঘর ও দোকানের বাইরে টাঙানো হয়, তা হয় তো অনেকেই জানেন না। 

    বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে স্বীকার করতেই হয় যে, লেবু-লঙ্কা অত্যন্ত উপকারী, কেন না লেবু স্বভাবগুণে টক এবং লঙ্কা খুবই তিক্ত, লেবুর টক এবং লঙ্কার তীব্রতার মিশ্রিত সুগন্ধ মাছি বা অন্যান্য কীটপতঙ্গ প্রতিরোধে সহায়তা করে। 

    আরও পড়ুন: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    তাই দরজার বাইরে লেবু-লঙ্কা টাঙিয়ে রাখলে তা মশা এবং অনেক পতঙ্গকেই আমাদের ঘরে প্রবেশ করতে না দিয়ে আমাদের অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে লেবু এবং লঙ্কা ঝুলিয়ে রাখলে তা মানুষকে খারাপ দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। 

    এও বিশ্বাস করা হয় যে লেবুর টক স্বাদ এবং লঙ্কার তীব্র স্বাদ দুষ্ট মানুষের দৃষ্টির ঘনত্বকে ব্যাহত করে। আসলে, আমরা যখন লঙ্কা, লেবুর মতো জিনিস দেখি, তখন এগুলি আমাদের মনের মধ্যে স্বাদ অনুভব করাতে শুরু করে, যার কারণে দুষ্ট মনোভাবসম্পন্ন মানুষ দীর্ঘক্ষণ এ জাতীয় কোনও বিষয়বস্তুর দিকে তীক্ষ্ণ নজর দিতে পারে না এবং সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাদের মনোযোগ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে যে বাড়িতে লেবু গাছ থাকে সেখানে নেতিবাচক শক্তি বিরাজ করতে পারে না। এর প্রভাবে আমাদের ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে। লেবু এবং লঙ্কার মধ্যে এমন কীটনাশক গুণ রয়েছে, যা আমাদের বাড়ির আশেপাশে ঝুলিয়ে রাখলে পরিবেশ বিশুদ্ধ রাখে। 

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী এমনটা মনে করা হয় যে, লেবু চারপাশে ছড়িয়ে থাকা নেতিবাচক শক্তিকে শোষণ করে এবং পরিবেশে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চারিত করতে সহায়তা করে। আমরা এখনও অনেক কিছু কুসংস্কার বলে মনে করি তা সঠিক ভাবে গণনা করলে হয়ত দেখা যাবে তার মধ্যে অনেক কিছু অজানা তথ্য, গুণ লুকিয়ে আছে।

  • Hindu Rituals: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    Hindu Rituals: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শঙ্খ প্রাচীন শিল্প। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সভ্যতা আবিষ্কারের সময় শঙ্খশিল্পের বিভিন্ন কারুকাজের নিদর্শন পাওয়া যায়।

    শাঁখ বা শঙ্খ শব্দটি এসেছে দুটি সংস্কৃত শব্দ ‘শম’ ও ‘খম’ থেকে। ‘শম’ শব্দের অর্থ শুভ এবং ‘খম’ শব্দের অর্থ জল। এই শব্দের মিলনে সৃষ্টি হয়েছে ‘শঙ্খম’ শব্দটি। হিন্দু ধর্মে যে কোনও পুজোয় শাঁখ বাজানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এছাড়া সব শুভ কাজেও শঙ্খধ্বনি অতি জরুরি। প্রতিদিন তুলসীতলায় সন্ধে দিয়ে শাঁখ বাজানোর রীতি রয়েছে।

    সাধারণত শঙ্খ পাওয়া যায় ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে। আরব সাগরেও কিছু প্রাপ্তি ঘটে। প্রাপ্তির ওপর ভিত্তি করে শঙ্খেরবিভিন্ন নামকরণ করা হয়। বিভিন্ন জাতের শঙ্খ রয়েছে। এদের মধ্যে উন্নতমানের হচ্ছে কন্যাকুমারী, রামেশ্বরী, কেপি, জাজি, পাটি, মতি সালামত, ওমেনি, দোয়ালি, সারভি কি, তিতকুটি, ধলা ইত্যাদি। ‘মতি সালামত’ সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ এর মধ্যে মুক্তা পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    শঙ্খের মুখ, লেজ ও পিঠ আছে। সাধারণত বাম দিকে শঙ্খের মুখ থাকে। যদি শঙ্খের মুখ ডান দিকে থাকে তবে তার মূল্য অনেক। এটাকে নারায়ণের হাতের শঙ্খের অনুরূপ মনে করা হয়। এ দক্ষিণমুখী শঙ্খকে সৌভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ শঙ্খ দিয়ে পূজা করলে ঘরে সৌভাগ্য আসে, বিপদ-আপদ দূর হয়।

    হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি। দুর্গাপূজার অন্যতম অনুষঙ্গ শঙ্খ। পুরোহিতের মন্ত্র, ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এই শব্দগুলো সনাতন পূজার পরিচিত অনুষঙ্গ। এগুলো ছাড়া পূজাই হয় না।

    শঙ্খ প্রতিটা হিন্দু বাঙালি বাড়িতে থাকে, প্রতিটা বাঙালি বাড়িতে সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো একটা রীতি।

    আরও পড়ুন: কেন হয় রটন্তী কালীপুজো? কী বা তার ইতিহাস?

  • Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি। দুর্গাপুজোর অন্যতম অনুষঙ্গ শঙ্খ। পুরোহিতের মন্ত্র, ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এই শব্দগুলো সনাতন পুজো মণ্ডপের পরিচিত অনুষঙ্গ। এগুলো ছাড়া পুজোই হয় না। শঙ্খ প্রতিটা হিন্দু বাঙালি বাড়িতে থাকে, প্রতিটা বাঙালি বাড়িতে সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো একটা রীতি।

    হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে, নিত্যপুজোর পরে যদি নিয়ম করে তিনবার শঙ্খ বাজানো যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে অশুভ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে এবং শুভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কোনও খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি ভাগ্যও ফিরে যায়। ফলে জীবন সুখ -শান্তিতে এবং আনন্দে ভরে উঠতে সময় লাগে না।

    আরও পড়ুন: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    শাস্ত্রে বলা হয় বাড়িতে শঙ্খ তিনবার বাজানো উচিত। তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজানো উচিত নয়। এর কারণ হিসেবে শাস্ত্রে বলা হয় যে, ৩ বার শঙ্খ বাজালে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ এই তিন দেবতার সঙ্গে সমস্ত দেবদেবীরা আমন্ত্রিত হন। কিন্তু তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে দেবের সঙ্গে দানব বা অসুরকে নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়।

    হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে বলা হচ্ছে যে, সমুদ্র মন্থনের সময় অসুররা চারবার শঙ্খধ্বনি করে “বলি অসুর”-কে নিমন্ত্রণ পাঠিয়ে জাগ্ৰত করেছিল। তাই, তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের দেবতা মহাদেব, বিষ্ণু, ব্রহ্মার পাশাপাশি আসুরি শক্তিও নিমন্ত্রণ পেয়ে আপনার গৃহে প্রবেশ করে। দেবতার পাশাপাশি অসুরকে নিমন্ত্রণের ফলস্বরূপ আপনার ও আপনার পরিবারের উপর নেমে আসতে পারে এইসব দেবতাদের অভিশাপ। তাই শাস্ত্রে তিনবার করেই শঙ্খ বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

     

  • Hindu Rituals: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    Hindu Rituals: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি।

    হিন্দু পুরাণ ও ধর্মমতে শঙ্খের স্থান

    পবিত্র সনাতন ধর্মে শঙ্খ ভগবান বিষ্ণুর প্রতীক। একে বিষ্ণুর অর্ধাঙ্গী হিসেবেও পুজো করা হয়। সৃষ্টির শুরুতে সমুদ্রগর্ভ হতে, পালনকর্তা ভগবান বিষ্ণু ও স্বর্গীয় দেবতাদের তৈরী ঘূর্ণাবর্তের মধ্য থেকে অস্ত্ররূপে শঙ্খকে হাতে ধরে আবির্ভাব হয় ভগবান বিষ্ণুর। অপরদিকে শঙ্খ ধন ও প্রতিপত্তির দেবী মা লক্ষীর আব্রু। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, শঙ্খ ভগবান বিষ্ণু এবং মা লক্ষ্মীর অধিষ্ঠানকারী মন্দির।

    আরও পড়ুন: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    পুজো-অর্চনায় শঙ্খের ব্যবহার

    আরতিতে দুই ধরণের শঙ্খ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি পুজোর পূর্বে শঙ্খনাদ ধ্বনি উচ্চারণে আর অন্যটি পুজোর সামগ্রী হিসেবে প্রয়োজন হয়। কিন্তু কখনওই পুজোর আগে বাজানোর জন্যে ব্যবহৃত শঙ্খ পুজোর কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়। “বরাহ পুরাণ” স্পষ্টভাবে বলেছে, কখনই মন্দিরের দ্বার শঙ্খধ্বনির উচ্চারণ ব্যতীত খোলা উচিত নয়। বামাবর্তী শঙ্খ বাজানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু শঙ্খনী জাতীয় শঙ্খ ব্যবহার নিষিদ্ধ, তাই এগুলো কালো জাদু, যাকে বলা হয় “অঘোরী বিদ্যা” কিম্বা অপদেবতার আরাধনায় কাজে লাগানো হয়।

    আরও পড়ুন: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    শঙ্খ ব্যবহারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    • যে শঙ্খ ব্যবহার করা হয়, সেটা কখনোই পুজোর শঙ্খ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
    • শঙ্খ বাজাবার পর সেটা ধুয়ে রাখা জল কখনওই দেব-দেবীকে অঞ্জলি দেওয়া চলবে না।
    • কখনওই পুজোর কাজ ছাড়া বাজানোর কাজে শঙ্খটি রাখা যাবে না।
    • কোনও ক্ষেত্রেই শিবপিণ্ডিকে নিত্যপুজো চলাকালীন শঙ্খ দিয়ে স্পর্শ করা যাবে না।
    • মহাদেব এবং সূর্যদেবের স্নানের কাজে কখনওই শঙ্খ ব্যবহার করা যাবে না।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

LinkedIn
Share