Tag: Hindu Rituals

Hindu Rituals

  • Bipodtarini Puja 2022: বিপদ এড়াতে বিপত্তারিণী পুজো! জানুন এই ব্রতর মাহাত্ম্য

    Bipodtarini Puja 2022: বিপদ এড়াতে বিপত্তারিণী পুজো! জানুন এই ব্রতর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আর মাত্র কয়েকদিন। তারপর-ই দেবী বিপত্তারিণীর (Bipodtarini Puja) ব্রত। আষাঢ় মাসে রথ (Rath Yatra) এবং উল্টোরথের মাঝে যে শনি এবং মঙ্গলবার পড়ে সেই দুই দিনেই বিপত্তারিণী ব্রত পালিত হয়। কথিত আছে, এই ব্রত পালন করার সময় দেবীর চরণে উৎসর্গকৃত ‘লাল তাগা’ হাতে বাঁধা হলে বিপদ ধারকাছেও ঘেঁষতে পারবে না।

    দেবী দুর্গা (Goddess Durga) হিন্দুধর্মের দেবী। দেবাদিদেব মহাদেবের (Lord Shiva) অর্ধাঙ্গিনী আদি শক্তি। অন্যান্য দেবী তাঁরই অবতার বা ভিন্ন রূপ। সঠিক অর্থে বিশ্লেষণ করলে ‘বিপত্তারিণী’ বা ‘বিপদনাশিনী’ দেবীর নাম নয়, উপাধি। বিপদ যিনি তারন করেন, তিনিই বিপত্তারিণী। আসলে, মহামায়ার আলাদা করে কোনও নাম হয় কি? ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ ইনিই। আবার ‘দশমহাবিদ্যা’ও তাঁরই রূপের প্রকাশ। 

    আরও পড়ুন: বিপদ এড়াতে বিপত্তারিণী পুজোয় ভুলেও করবেন না এই কাজগুলি

    বাংলায় ঘরে ঘরে বিবাহিত মহিলারা স্বামী-সন্তান-পরিবারের মঙ্গল কামনায় মা বিপত্তারিণীর পুজো করেন। কিন্তু জানেন কি এই পুজোর মাহাত্ম্য? দেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে একাধিক বৃত্তান্ত রয়েছে। দেবীর বিপত্তারিণী রূপ নিয়ে ‘মার্কণ্ডেয় পুরাণে’ কাহিনীটি বেশ জনপ্রিয়—

    কথিত আছে, শুম্ভ-নিশুম্ভ, অসুর ভ্রাতৃদ্বয়ের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে দেবগণ একবার মহামায়ার স্তব করছেন, এমন সময় শিবজায়া পার্বতী সেখানে হাজির হয়ে শুধালেন, “তোমরা কার স্তব করছ গো?” যাঁর স্তব, তিনি স্বয়ংই এ প্রশ্ন করছেন। কিন্তু দেবতারা তাঁকে চিনতে পারলেন না। তখন পার্বতী নিজের স্বরূপ দেখিয়ে বললেন, “তোমরা আমারই স্তব করছ।” এর পরবর্তীতে দেবী শুম্ভ-নিশুম্ভকে বধ করেন। দেবতাদের বিপদ থেকে উদ্ধার করলেন। সেই থেকে বিপত্তারিণী পুজোর উৎস।

    আরও পড়ুন: অম্বুবাচীর দিনগুলিতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি, অন্যথায় অমঙ্গল

    বিপত্তারিণীকে (Bipodtarini Puja) সঙ্কটতারিণী বলেও পুজো করা হয়। এই পুজোর একটি কাহিনি রয়েছে। ব্রতকথা অনুযায়ী, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজবংশের এক রানির এক নিম্নবর্ণের সখী ছিলেন। তিনি জাতে মুচি। এই মহিলা নিয়মিত গোমাংস খেতেন। রানিও একদিন কৌতূহলী হয়ে গোমাংস খাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি নিমরাজি হন। পরে তিনি রানির আদেশ রক্ষার্থ গোমাংস আনেন। অন্তঃপুরে গোমাংস প্রবেশ করেছে— এই খবর রাজার কাছে পৌঁছে যায়। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে রানিকে শাস্তি দিতে উদ্যত হন। রানি গোমাংস তাঁর বস্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে রেখে বিপত্তারিণী মা দুর্গাকে স্মরণ করতে থাকেন। রানিকে তল্লাশি করে রাজা দেখতে পান তাঁর বস্ত্র আড়ালে গোমাংস নয়, রয়েছে একটি লাল জবা ফুল। লাল জবা কালী পুজোর অন্যতম উপকরণ। মায়ের এই পুষ্প দেখে রাজা তাঁর ভুল বুঝতে পারেন। রানিকে ক্ষমা করে দেন। মা বিপত্তারিণী দুর্গার কৃপায় রানির বিপদ কেটে গেল। এরপর থেকে রানি নিষ্ঠা-সহকারে বিপত্তারিণীর ব্রত করতে থাকলেন। সেই থেকেই বিপত্তরিণীর পুজো প্রচলিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

  • Yogini Ekadashi 2022: যোগিনী একাদশী কবে জেনে নিন, ব্রত পালনের নিয়মবিধি জানেন তো?

    Yogini Ekadashi 2022: যোগিনী একাদশী কবে জেনে নিন, ব্রত পালনের নিয়মবিধি জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে বিষ্ণুর উদ্দেশে যোগিনী একাদশী (Yogini Ekadashi) ব্রত রাখা হয়। এবছর, আগামী ২৪ জুন, শুক্রবার এই ব্রত পালিত হবে। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, একাদশী তিথি ২৩ জুন বৃহস্পতিবার রাত ০৯:৪১ মিনিটে শুরু হচ্ছে। একাদশী তিথি শেষ হবে ২৪ জুন শুক্রবার রাত ১১.১২টায়।

    যোগিনী একাদশীর শুভক্ষণ—

    একাদশী তিথি শুরু- ২৩ জুন, রাত ৯টা ৪১ মিনিট।
    একাদশী তিথি সমাপ্ত- ২৪ জুন, রাত ১১টা ১২ মিনিটে।

    আরও পড়ুন: এবছর অম্বুবাচী শুরু কবে? জেনে নিন এই বিশেষ উৎসবের মাহাত্ম্য

    পদ্মপুরাণ অনুযায়ী সমস্ত পাতকের নাশ করে যোগিনী একাদশী। এটি শরীরের সমস্ত আধি-ব্যাধি নষ্ট করে সুন্দর রূপ, গুণ ও যশ প্রদান করে। ৮৮ হাজার ব্রাহ্মণদের ভোজন করালে যে ফল পাওয়া যায়, তার সমান ফল লাভ সম্ভব এই একাদশী ব্রত করলে। এই একাদশী বড়সড় পাপ নাশ করে দেয় এবং মহান পুণ্য দেয়। এই একাদশীর কাহিনী পড়লে ও শুনলে ব্যক্তি সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়ে যায়।

    এদিন বিষ্ণুর আরাধনা করা উচিত। হলুদ বস্ত্র ধারণ করে বিষ্ণুর পুজো করা উচিত। হলুদ ফুল, পঞ্চামৃত, তুলসী এবং চন্দন অর্পণ করা উচিত নারায়ণকে। এর পর বিষ্ণু সহস্ত্রনামাবলী পাঠ করতে পারেন। এ ছাড়াও ১০৮ বার “ওম নমো ভগবতে বাসুদেবায় নমঃ” মন্ত্র জপ করলে সুফল পতে পারেন।

    এই দিনের পালনীয় কর্তব্য—

    যাঁরা একাদশী ব্রত পালন করেন, এদিন উপবাস করেন তাঁরা। যাঁরা পুরনো পাপ থেকে মুক্তি পেতে চান, তাঁদের জন্য এই একাদশী পালন করা জরুরী, এর ফলে স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। এদিন বিষ্ণু মন্ত্র বা বিষ্ণু সহস্রনাম জপ করতে হয়। বলা হয়, যোগিনী একাদশী পালন করলে ৮৮ জন ব্রাহ্মণভোজন করানোর পুণ্যলাভ হয়। হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এই মহাপাপবিনাশকারী ও পুন্যফলপ্রদায়ী যোগিনী একাদশীর কথাপাঠ এবং শ্রবণ করে সে অচিরেই সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে তুলসী মঞ্চ সঠিক নিয়মে রেখেছেন তো? নয়তো হতে পারে অমঙ্গল!

    এই তিথির গুরুত্ব—

    ১. বাড়িতেই এই তিথি পালন করে লাভ করুন ১০ বছরের পূণ্য লাভ। এই একাদশীতে ভগবান বিষ্ণুর পাশাপাশি মহাদেবী লক্ষ্মীরও পুজো করতে পারেন।
    ২. এই পুজোয়, দক্ষিণমুখী শঙ্খগুলিতে জাফরান মিশ্রিত দুধ রাখুন এবং সেই দিয়েই আরাধ্য ঈশ্বরের অভিষেক করুন। এই অভিষেক গোপালও খুব পছন্দ করেন।
    ৩. বাড়িতে গোপাল থাকলে এদিনে গোপালকেও মাখন ও মিছরি দিয়ে পুজো দিতে পারেন।
    ৪. বিশেষ এই একাদশী তিথিতে শিবলিঙ্গ তামার পাত্র দিয়ে জল অর্পণ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
    ৫. সেই সঙ্গে শিব লিঙ্গে জল ঢালার সময় ওম নম: শিবায় মন্ত্র জপ করুন। এই মন্ত্র কমপক্ষে ১০৮ বার উচ্চারণ করা প্রয়োজন।
    ৬. পাশাপাশি শিবলিঙ্গে বিল্বপত্র এবং ধুতরা ফুল অর্পণ করুন। প্রদীপ এবং কর্পূর জ্বালিয়ে আরতি করুন।
    ৭. এই একাদশীর তিথিতে বজরঙ্গবলীর সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে হনুমান চালিশা পাঠ করুন।
    ৮. পুজোর পরে দুঃস্থদের অর্থ ও খাদ্যশস্য দান করা উচিত। এই তিথিতে সকাল বেলায় স্নান সেরে তুলসী গাছে জল অর্পণ করুন।
    ৯. পাশাপাশি সূর্যাস্তের সময় তুলসীর গাছে প্রদীপ জ্বালান এবং তুলসী মঞ্চ তিন বা পাঁচ বার প্রদক্ষিণ করুন।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    উপবাস ও পুজো বিধি—

    ১) যোগিনী একাদশীর উপবাস একাদশীর ব্রাহ্মমুহূর্ত যেদিন থাকে সেদিন থেকে শুরু হয় অথবা দশমীর রাত থেকে শুরু হয়।
    ২) দশমীর রাতে উপবাসের শুরু ফলে ব্রহ্মচর্য পালন করা উচিত। সম্ভব হলে মাটিতে ঘুমনো উচিত।
    ৩) খুব সকালে উঠে স্নান সারার পর শুদ্ধ মনে ব্রত পালন শুরু করুন।
    ৪) ঘট প্রতিষ্ঠা করুন এবং এতে ভগবান বিষ্ণুর পুজো করুন।
    ৫) প্রয়োজনে নারায়ণের প্রতিমা অর্পণ করে তাতে ফুল, ধূপ, প্রদীপ ইত্যাদি দিয়ে আরতি করুন।
    ৬) যোগিনী একাদশীর ব্রত কথা দিনের বেলা শুনতে হবে।
    ৭) ঘরে নারায়ণের মূর্তি না থাকায় অনেকে বট গাছেও পুজো করেন।
    ৮) রাতে জাগরণও পালন করা উচিত। এইভাবে এই ব্রত পালনের ফলে আপনার জীবনের বিভ্রান্তি দূর হবে এবং সাত্ত্বিক জীবন যাপন করতে সক্ষম হবেন।

     

  • Hindu Rituals: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

    Hindu Rituals: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতিতে সন্ধ্যা হলে গৃহস্থবাড়িতে তুলসী তলায় দেওয়া হয় প্রদীপ। অনেকে আবার মনে করেন যথাসময়ে প্রদীপ না জ্বালালে তা গৃহস্থের অমঙ্গলের কারণ হতে পারে। কিন্তু হাজার হাজার বছর ধরে হিন্দু সংস্কৃতিতে প্রদীপ এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    আত্মা ও জ্ঞান

    অগ্নি হলো জ্ঞানের প্রতীক। স্বয়ং ঈশ্বর আমাদের মনের অন্ধকার দূর করার জন্য আলোর পথ দেখান। তেমনই প্রদীপের আলো সমস্ত অন্ধকারকে দূর করে। আবার পরম আত্মা হলেন প্রদীপের জ্যোতির মত। পরমাত্মাকে উপলব্ধি করতে গেলে প্রয়োজন দিব্যদৃষ্টির। তাই হিন্দু সংস্কৃতিতে প্রদীপকে তুলনা করা হয় পরমাত্মা এবং জ্ঞানের আধার রূপে।

    বৈদিক যুগ

    হিন্দু সংস্কৃতির অন্যতম একটি অঙ্গ প্রদীপ জ্বালানো হলেও, বৈদিক যুগে প্রদীপ জ্বালানোর প্রথা সেভাবে ছিল না। তখন প্রাধান্য দেওয়া হতো হোম ও যজ্ঞকে। তারপর ধীরে ধীরে পুজোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে নৈবেদ্য, বস্ত্র, ধুপ এবং প্রদীপ। এছাড়াও পুজোর সময় অন্ধকার দূর করার জন্য চারিদিকে প্রদীপ জ্বালানো হত।

    সন্ধ্যাপ্রদীপ

    অতীতে অনেকে সন্ধ্যা নামলে সদর দরজার সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতেন। উদ্দেশ্য একটাই, কোনও পথিকের প্রয়োজন হলে যেন তিনি আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানেও গ্রামাঞ্চলের দিকে কিছু কিছু স্থানে সদর দরজায় প্রদীপ জ্বালানোর নিয়ম রয়েছে।

    তুলসী গাছের নীচে প্রদীপ কেন?

    গৃহদেবতার পাশাপাশি সন্ধ্যাবেলায় তুলসী গাছের নীচে প্রদীপ রাখা হয়। কারণ তুলসী ছিলেন শ্রীকৃষ্ণের দূতী বৃন্দা। পুরাণে বৃন্দা দেবী ছিলেন অত্যন্ত পবিত্র এবং সমস্ত বিশ্বের মধ্যে কারোর সঙ্গেই তিনি তুলনীয় ছিলেন না। তাই তিনি পবিত্র তুলসী নামে সমধিক পরিচিতি লাভ করেন।

    সন্ধ্যায় প্রদীপের গুরুত্ব

    সন্ধ্যা বলতে বোঝায় দুটি সময়ের সন্ধিক্ষণ। দিনের শেষ মুহূর্ত এবং রাত্রির শুরু। যদিও সন্ধ্যা মূলত তিন প্রকার। প্রাতসন্ধ্যা, মধ্যাহ্নসন্ধ্যা এবং স্বায়ংসন্ধ্যা। এই তিন সন্ধ্যাতেই ব্রাহ্মণগণ গায়ত্রীকে আহ্বান করে আহ্নিক করতেন এবং সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ করতেন জপ ও ধ্যান। স্বায়ংসন্ধ্যার সময় প্রত্যেক গৃহস্থবাড়িতে মঙ্গল কামনায় জ্বালানো হয় প্রদীপ।

  • Hindu Rituals: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    Hindu Rituals: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতিতে সন্ধ্যা হলে গৃহস্থবাড়িতে তুলসী তলায় দেওয়া হয় সন্ধে, প্রদীপ। পুজোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে নৈবেদ্য, বস্ত্র, ধূপ এবং প্রদীপ। এছাড়াও পুজোর সময় অন্ধকার দূর করার জন্য চারিদিকে প্রদীপ জ্বালানো হতো। সদর দরজার সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখা হতো। কোন পথিকের প্রয়োজন হলে যেন তিনি আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানেও গ্রামাঞ্চলের দিকে কিছু কিছু স্থানে সদর দরজায় প্রদীপ জ্বালানোর নিয়ম রয়েছে এখনও।

    সন্ধ্যা কথাটা এসেছে সন্ধি থেকে। একটি দিনকে কয়েক ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যখন দুই কাল এর সন্ধি হয় তাই সন্ধ্যা। এটি দুই সময়ই প্রযোজ্য। যখন দিন থেকে রাত হয় আর যখন রাত থেকে দিন। এই সময়গুলিকে মানুষের জন্য গুরত্বপূর্ণ মানা হয়, কারণ তখন শক্তির পরিবর্তন ঘটে। আমাদের উপর শক্তির প্রভাব থাকেই। হিন্দু মতে ব্রহ্মাণ্ড পাঁচটি তত্ত্ব দিয়ে তৈরি, আর পাঁচটি তত্ত্বের সমন্বয়ে সবকিছু সুচারু রূপে চলে। তাই নিত্য পদ্ধতিতে কিছু উপাদান ব্যবহার হয় যা দিয়ে এই তত্ত্বগুলিকে সঞ্চারিত করা হয়। 

    ধূপকাঠি দিয়ে বায়ু তত্ত্বকে সঞ্চারিত করা হয়। প্রদীপ দিয়ে অগ্নি তত্ত্ব, জল দিয়ে জলতত্ত্ব, ফল ও ফুল দিয়ে পৃথিবী তত্ত্বকে সঞ্চারিত করা হয়। একাগ্রচিত্তে মন্ত্র উচ্চারণে বা জপ করে আকাশ তত্ত্ব সঞ্চারিত হয়। শঙ্খ ও কাঁসর বাজানো হয় কারণ এই শব্দে পরিবেশে, বাতাসে বিদ্যমান অনেক রকম জীবাণুর অবসান হয়। এই সবকিছুর সমন্বয়ে আরাধনা করতে হয়, সেই নিরাকার পরম ব্রহ্মের।

    সন্ধে দেবার সময় হচ্ছে সূর্যাস্তের ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরে গোধূলির সময় রাতের ঠিক আগে। ‘সন্ধ্যা’কে সময় জ্ঞানে মানা হয় অর্থাৎ দুটো সময়ের সন্ধিক্ষণকে বোঝানো হয় — রাতের শেষ ও দিনের শুরুতে ‘প্রাত সন্ধ্যা’ , মধ্যাহ্নের শেষ ও অপরাহ্নের শুরুতে ‘মধ্যাহ্ন সন্ধ্যা’, দিনের শেষ ও রাতের শুরুতে ‘স্বায়ংসন্ধ‍্যা’। এই তিন সময়ে উপবিত ধারী ব্রাহ্মণগণ গায়ত্রীকে আহ্বাহন করে সন্ধ্যা আহ্নিক ক্রিয়া করে থাকেন। সনাতন পন্থীরাও এই তিন সময়ে যার যার ইষ্ট মন্ত্র জপ-ধ্যান করেন। অনেকে মন্ত্র জপ করে সন্ধ্যা দেয়।বহু দিন আগের প্রথা। এখন বর্তমান সমাজে সন্ধ্যা দেওয়ার প্রথা উঠেই গেছে।কিন্তু আমাদের ও উচিত আগের সকল প্রথাকে মেনে চলা।

     

  • Hindu Rituals: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    Hindu Rituals: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শঙ্খ প্রাচীন শিল্প। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সভ্যতা আবিষ্কারের সময় শঙ্খশিল্পের বিভিন্ন কারুকাজের নিদর্শন পাওয়া যায়।

    শাঁখ বা শঙ্খ শব্দটি এসেছে দুটি সংস্কৃত শব্দ ‘শম’ ও ‘খম’ থেকে। ‘শম’ শব্দের অর্থ শুভ এবং ‘খম’ শব্দের অর্থ জল। এই শব্দের মিলনে সৃষ্টি হয়েছে ‘শঙ্খম’ শব্দটি। হিন্দু ধর্মে যে কোনও পুজোয় শাঁখ বাজানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এছাড়া সব শুভ কাজেও শঙ্খধ্বনি অতি জরুরি। প্রতিদিন তুলসীতলায় সন্ধে দিয়ে শাঁখ বাজানোর রীতি রয়েছে।

    সাধারণত শঙ্খ পাওয়া যায় ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরে। আরব সাগরেও কিছু প্রাপ্তি ঘটে। প্রাপ্তির ওপর ভিত্তি করে শঙ্খেরবিভিন্ন নামকরণ করা হয়। বিভিন্ন জাতের শঙ্খ রয়েছে। এদের মধ্যে উন্নতমানের হচ্ছে কন্যাকুমারী, রামেশ্বরী, কেপি, জাজি, পাটি, মতি সালামত, ওমেনি, দোয়ালি, সারভি কি, তিতকুটি, ধলা ইত্যাদি। ‘মতি সালামত’ সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ এর মধ্যে মুক্তা পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    শঙ্খের মুখ, লেজ ও পিঠ আছে। সাধারণত বাম দিকে শঙ্খের মুখ থাকে। যদি শঙ্খের মুখ ডান দিকে থাকে তবে তার মূল্য অনেক। এটাকে নারায়ণের হাতের শঙ্খের অনুরূপ মনে করা হয়। এ দক্ষিণমুখী শঙ্খকে সৌভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ শঙ্খ দিয়ে পূজা করলে ঘরে সৌভাগ্য আসে, বিপদ-আপদ দূর হয়।

    হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি। দুর্গাপূজার অন্যতম অনুষঙ্গ শঙ্খ। পুরোহিতের মন্ত্র, ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এই শব্দগুলো সনাতন পূজার পরিচিত অনুষঙ্গ। এগুলো ছাড়া পূজাই হয় না।

    শঙ্খ প্রতিটা হিন্দু বাঙালি বাড়িতে থাকে, প্রতিটা বাঙালি বাড়িতে সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো একটা রীতি।

    আরও পড়ুন: কেন হয় রটন্তী কালীপুজো? কী বা তার ইতিহাস?

  • Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    Hindu Rituals: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি। দুর্গাপুজোর অন্যতম অনুষঙ্গ শঙ্খ। পুরোহিতের মন্ত্র, ঢাকের আওয়াজ, শঙ্খধ্বনি এই শব্দগুলো সনাতন পুজো মণ্ডপের পরিচিত অনুষঙ্গ। এগুলো ছাড়া পুজোই হয় না। শঙ্খ প্রতিটা হিন্দু বাঙালি বাড়িতে থাকে, প্রতিটা বাঙালি বাড়িতে সকাল ও সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানো একটা রীতি।

    হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে, নিত্যপুজোর পরে যদি নিয়ম করে তিনবার শঙ্খ বাজানো যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে অশুভ শক্তির প্রভাব কমতে থাকে এবং শুভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কোনও খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি ভাগ্যও ফিরে যায়। ফলে জীবন সুখ -শান্তিতে এবং আনন্দে ভরে উঠতে সময় লাগে না।

    আরও পড়ুন: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    শাস্ত্রে বলা হয় বাড়িতে শঙ্খ তিনবার বাজানো উচিত। তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজানো উচিত নয়। এর কারণ হিসেবে শাস্ত্রে বলা হয় যে, ৩ বার শঙ্খ বাজালে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ এই তিন দেবতার সঙ্গে সমস্ত দেবদেবীরা আমন্ত্রিত হন। কিন্তু তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে দেবের সঙ্গে দানব বা অসুরকে নিমন্ত্রণ পাঠানো হয়।

    হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে বলা হচ্ছে যে, সমুদ্র মন্থনের সময় অসুররা চারবার শঙ্খধ্বনি করে “বলি অসুর”-কে নিমন্ত্রণ পাঠিয়ে জাগ্ৰত করেছিল। তাই, তিনবারের বেশি শঙ্খ বাজালে সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের দেবতা মহাদেব, বিষ্ণু, ব্রহ্মার পাশাপাশি আসুরি শক্তিও নিমন্ত্রণ পেয়ে আপনার গৃহে প্রবেশ করে। দেবতার পাশাপাশি অসুরকে নিমন্ত্রণের ফলস্বরূপ আপনার ও আপনার পরিবারের উপর নেমে আসতে পারে এইসব দেবতাদের অভিশাপ। তাই শাস্ত্রে তিনবার করেই শঙ্খ বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

     

  • Hindu Rituals: বাড়িতে তুলসী মঞ্চ সঠিক নিয়মে রেখেছেন তো? নয়তো হতে পারে অমঙ্গল!

    Hindu Rituals: বাড়িতে তুলসী মঞ্চ সঠিক নিয়মে রেখেছেন তো? নয়তো হতে পারে অমঙ্গল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শাস্ত্র মতে তুলসি পাতা ও তুলসি গাছ খুবই পবিত্র। দেব-দেবীর পুজোয় তুলসি পাতা ব্যবহার করা হয়। তুলসি গাছের যেমন অলৌকিক গুণ আছে তেমনই ভেষজ বিদ্যায় তুলসী গাছ ও পাতার গুরুত্ব অপরিসীম।

    হিন্দুধর্মে তুলসী গাছকে দেবী হিসেবে পুজো করা হয়। তুলসীকে লক্ষীর অবতার বলে মনে করা হয়। পুরাণে বলা আছে, যে বাড়িতে তুলসী গাছ রয়েছে এবং নিয়মিত তার পুজো করা হয়, সেই বাড়িতে কখনও হঠাৎ শোকের ছায়া নামে না। সেই সংসার সব সময় সুখ শান্তি থাকে। 

    বাড়িতে তুলসী মঞ্চ রাখার বা তুলসী গাছে জল ঢালার সঠিক কিছু নিয়ম বা মন্ত্র আছে। যদি সেই সঠিক নিয়মে মেনে চলা যায়, তা হলে বাড়িতে কোনও বিপদ সহজে আসতে পারবে না। অন্যথায় হতে পারে অমঙ্গল।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    বাড়িতে তুলসী গাছ ও তুলসী মঞ্চ রাখার সঠিক নিয়ম যা মানতেই হবে—

    • বাড়িতে বেশ কিছুটা উঁচু স্থানে তুলসী গাছ রাকা দরকার। চলার পথের থেকে কিছুটা উঁচুতে। কোনও মঞ্চের উপর থাকলে তা আরও ভাল।
    • তুলসী গাছ বাড়িতে রাখলে তবে তার প্রতিদিন পুজো করতে হবে, তাতে জল ঢালতে হবে। প্রতি সন্ধ্যেবেলায় তুলসী মঞ্চে প্রদীপ জ্বালতে হবে।
    • তুলসী মঞ্চ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। অন্য কোনও গাছ তুলসী মঞ্চে রাখা চলবে না। 
    • তুলসী গাছ সব সময় বিজোড় সংখ্যায় রাখতে হবে। যেমন-তিনটি, পাঁচটি। এই গাছের পাশে কোনও কাঁটা জাতীয় গাছ রাখা যাবে না।
    • সন্ধ্যের পর তুলসী গাছ স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি, সন্ধ্যা বাতি দেওয়ার পর আর তুলসী গাছ স্পর্শই করা যাবে না।
    • এছাড়া বিশেষ কিছু তিথিতে তুলসী পাতা তোলা যাবে না। একাদশী, সূর্যগ্রহণ এই দিনগুলিতে কোনও ভাবেই তুলসী পাতা ছেঁড়া চলবে না।
    • তুলসী গাছ সব সময় উত্তর-পূর্ব দিকে রাখতে হবে। একইসঙ্গে তুলসি গাছের নীচে একটি শালগ্রাম শিলা পাথর রাখুন।
    • শালগ্রাম শিলাকে ভগবান বিষ্ণুর স্বরূপ বলে মনে করা হয়। তাই যে বাড়িতে তুলসির সঙ্গে শালগ্রাম শিলা থাকে সেই বাড়িতে কখনও টাকার অভাব হয় না।
    • তুলসী গাছ শুকিয়ে গেলে বা মরে গেলে যেখানে সেখানে না ফেলে কোনও জলাশয়ে ফেলতে হবে।
    • বাস্তুতে কখনোই মরা তুলসী গাছ রাখা চলবে তা। তা খুবই অমঙ্গলজনক বা অশুভ।
    • ভাইরাস বা যে কোনও সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২টি করে তুলসী পাতা খান। 
    • এই কয়েকটি নিয়ম মেনে যদি বাড়িতে তুলসী গাছ রাখতে পারেন, তবে সহজেই সংসারে ফিরে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি।

    আরও পড়ুন: ঘরের সামনে ঝুলছে লেবু লঙ্কা! আছে আশ্চর্য এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

  • Hindu Rituals: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    Hindu Rituals: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে শঙ্খের যোগ আজকের নয়। সেই কোন প্রাচীন কাল থেকে পুজো-অর্চনার কাজে লেগে আসছে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি।

    হিন্দু পুরাণ ও ধর্মমতে শঙ্খের স্থান

    পবিত্র সনাতন ধর্মে শঙ্খ ভগবান বিষ্ণুর প্রতীক। একে বিষ্ণুর অর্ধাঙ্গী হিসেবেও পুজো করা হয়। সৃষ্টির শুরুতে সমুদ্রগর্ভ হতে, পালনকর্তা ভগবান বিষ্ণু ও স্বর্গীয় দেবতাদের তৈরী ঘূর্ণাবর্তের মধ্য থেকে অস্ত্ররূপে শঙ্খকে হাতে ধরে আবির্ভাব হয় ভগবান বিষ্ণুর। অপরদিকে শঙ্খ ধন ও প্রতিপত্তির দেবী মা লক্ষীর আব্রু। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, শঙ্খ ভগবান বিষ্ণু এবং মা লক্ষ্মীর অধিষ্ঠানকারী মন্দির।

    আরও পড়ুন: শঙ্খের উৎপত্তি কোথায়? কোন শঙ্খের মূল্য সবচেয়ে বেশি?

    পুজো-অর্চনায় শঙ্খের ব্যবহার

    আরতিতে দুই ধরণের শঙ্খ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি পুজোর পূর্বে শঙ্খনাদ ধ্বনি উচ্চারণে আর অন্যটি পুজোর সামগ্রী হিসেবে প্রয়োজন হয়। কিন্তু কখনওই পুজোর আগে বাজানোর জন্যে ব্যবহৃত শঙ্খ পুজোর কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়। “বরাহ পুরাণ” স্পষ্টভাবে বলেছে, কখনই মন্দিরের দ্বার শঙ্খধ্বনির উচ্চারণ ব্যতীত খোলা উচিত নয়। বামাবর্তী শঙ্খ বাজানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু শঙ্খনী জাতীয় শঙ্খ ব্যবহার নিষিদ্ধ, তাই এগুলো কালো জাদু, যাকে বলা হয় “অঘোরী বিদ্যা” কিম্বা অপদেবতার আরাধনায় কাজে লাগানো হয়।

    আরও পড়ুন: শঙ্খ তিনবার বাজানো হয়, কেন জানেন? কী বলা হয়েছে শাস্ত্রে?

    শঙ্খ ব্যবহারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    • যে শঙ্খ ব্যবহার করা হয়, সেটা কখনোই পুজোর শঙ্খ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
    • শঙ্খ বাজাবার পর সেটা ধুয়ে রাখা জল কখনওই দেব-দেবীকে অঞ্জলি দেওয়া চলবে না।
    • কখনওই পুজোর কাজ ছাড়া বাজানোর কাজে শঙ্খটি রাখা যাবে না।
    • কোনও ক্ষেত্রেই শিবপিণ্ডিকে নিত্যপুজো চলাকালীন শঙ্খ দিয়ে স্পর্শ করা যাবে না।
    • মহাদেব এবং সূর্যদেবের স্নানের কাজে কখনওই শঙ্খ ব্যবহার করা যাবে না।

    আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান! এই সনাতন রীতির গুরুত্ব জানেন কি?

LinkedIn
Share