Tag: hindus in pakistan

hindus in pakistan

  • Mob Lynchings in Pakistan: ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা! গণপিটুনিতে হত্যা পাকিস্তানে, নিন্দায় মানবাধিকার সংগঠন

    Mob Lynchings in Pakistan: ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা! গণপিটুনিতে হত্যা পাকিস্তানে, নিন্দায় মানবাধিকার সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্র রক্ষা ও মানবাধিকারের ওপর কাজ করে ‘সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি, প্লুরালিজম এবং হিউম্যান রাইটস’ (সিডিপিএইচআর)। সারা বিশ্বে কোথাও মানবাধিকার আক্রান্ত হলে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই সংস্থা। সম্প্রতি এই সংগঠন পাকিস্তানের গণপিটুনির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে (Mob Lynchings in Pakistan)। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে ঘটেছে। সেখানে মহম্মদ ইসমাইল নামের একজনকে কোরান অপবিত্র করার অভিযোগে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। জানা গিয়েছে, ইসমাইল নামের ওই ব্যক্তি মাদিয়ান শহরের একটি হোটেলে ছিলেন। ওই হোটেলের কর্মীরা ও আশপাশের মানুষজন ইসমাইলের বিরুদ্ধে কোরান অবমাননার অভিযোগ আনেন। অভিযোগ আনামাত্রই পুলিশ তাঁকে আটক করে। থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতারের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরপরেই উগ্র মুসলিম মৌলবাদীদের একটি দল পুলিশ স্টেশনে আক্রমণ করে। পুলিশের হেফাজতে থাকা ইসমাইলকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত মুসলিম জনতা। এরপরে তাঁকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    নিন্দায় মানবাধিকার সংগঠন

    এই গণপিটুনির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন সিডিপিএইচআর এবং তাদের মতে, ‘‘ এই কাজ ধর্মনিরপেক্ষবিরোধী ও সংবিধানবিরোধী (Mob Lynchings in Pakistan)।’’ এর পাশাপাশি এই কাজে উগ্র মৌলবাদের চরমতম প্রতিফলন দেখা গিয়েছে জানিয়েছে ওই সংস্থা। সিডিপিএইচআর নামের এই মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যে পাকিস্তান সরকারকে উগ্র মৌলবাদী ধর্মগুরুদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছে। এর পাশাপাশি ওই সংগঠন ভারত সরকারকে আবেদন জানিয়েছে যে গণহত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মঞ্চে উত্থাপন করার জন্য।

    গত মাসে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের একজন বয়স্ক খ্রিস্টান মানুষকে একইভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়

    পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। সেখানকার হিন্দু, খ্রিস্টানদের ওপর হামলা তো চলেই। এর পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষ মুসলিম এবং শিয়া-আহমেদিয়া মুসলিমদের ওপরেও আক্রমণ চলে। গত মাসেই পাকিস্তানের পাঞ্জাবের একজন বয়স্ক খ্রিস্টান মানুষকে একইভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ভারতের সাতটি প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে সিডিপিএইচআর। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কা। এই দেশগুলির মধ্যে সবথেকে বেশি অত্যাচারের ঘটনা ঘটে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানে। বিশেষ করে সেখানে হিন্দু, শিখদের ওপর ভয়ঙ্কর অত্যার করা হয়। মৌলিক অধিকারকে হরণ করা, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ (Mob Lynchings in Pakistan) করা, মহিলাদের ওপর অত্যাচার চলতেই থাকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attack on Pak Hindu Temple: পাকিস্তানে পরপর ভাঙা হল দুই মন্দির! বুলডোজারের পর রকেট হামলা

    Attack on Pak Hindu Temple: পাকিস্তানে পরপর ভাঙা হল দুই মন্দির! বুলডোজারের পর রকেট হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ফের আক্রান্ত হিন্দু মন্দির (Attack on Pak Hindu Temple)। গত ২৪ ঘণ্টায় সিন্ধ প্রদেশে দু’টি হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর ও লুঠপাটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতেই পাকিস্তানের করাচিতে একরকম নিঃশব্দে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একটি হিন্দু মন্দির। মারি মাতার সেই ১৫০ বছর পুরনো মন্দিরটি ভেঙে শপিং কমপ্লেক্স উঠবে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার ফের পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের কাশমোড় এলাকায় ধ্বংস করা হল আরও একটি হিন্দু মন্দির! এবার রীতিমতো রকেট হামলা চালিয়ে ভাঙা হয়েছে মন্দিরটি (2 Hindu Temples)।

    মন্দিরে রকেট হামলা

    সিন্ধ প্রদেশের কাশমোড় অঞ্চলে রবিবার সকালে একদল দুষ্কৃতী রকেট লঞ্চার নিয়ে আক্রমণ শানায় একটি হিন্দু মন্দিরে (Attack on Pak Hindu Temple)। ওই  এলাকায় বহু সংখ্যক হিন্দু পরিবারের বাস। যে মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে বছরে একবার করে পুজো দেন স্থানীয়রা। অভিযোগ, রবিবার দুষ্কৃতীরা একেবারে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে মন্দির চত্বরে এবং রকেট হামলায় মন্দির ধ্বংস করে। ঘটনাচক্রে সে সময়ে মন্দিরটি বন্ধ ছিল বলে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গিয়েছে। মন্দির সংলগ্ন হিন্দু জনবসতির উপরও নির্মম অত্যাচার ও লুঠপাটের ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত-ফ্রান্স বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক’, মোদির সঙ্গে সেলফি পোস্ট আপ্লুত মাক্রঁর

    সিন্ধের ঘটনায় (Attack on Pak Hindu Temple) এখনও কাউকে ধরা যায়নি। মোট ৯ জন বন্দুকবাজ জড়িত ছিল বলে অনুমান করছে পুলিশ। স্থানীয় হিন্দুদের বাগরি সম্প্রদায়ের সদস্যরা জানিয়েছেন, কারও ক্ষতি না হলেও, এই হামলার জেরে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দুরা আতঙ্কিত। পুলিশের কাছে স্থানীয়দের সুরক্ষারও আবেদন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী তথা বাগরি সম্প্রদায়ের সদস্য ডাঃ সুরেশ জানান, ‘ডাকাত দলের প্রত্যেকের হাতে ছিল বন্দুক। রকেট লঞ্চারের মাধ্যমে মন্দির ধ্বংস করাই ছিল তাদের লক্ষ্য। কিন্তু তাতে ওই ডাকাতদল সফল হয়নি। কারণ, রকেট লঞ্চারটি কাজ করেনি। তার ফলে বড় কোনও বিপদ ঘটেনি।’

    করাচিতে ধ্বংস ১৫০ বছরের পুরনো মন্দির

    অন্যদিকে, করাচির সোলজার বাজারে অবস্থিত ১৫০ বছরের মারি মাতার মন্দিরের (Attack on Pak Hindu Temple) জমি শপিং প্লাজার এক প্রোমোটারকে চড়া দামে বেচে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাক সরকারের বিরুদ্ধে। সেই মতোই শুক্রবার মধ্যরাতে বুলডোজার এনে মন্দির ভাঙা শুরু হয়ে যায়। পুলিশ ছিল ঘটনাস্থলেই। তবে অভিযোগ, বাধা দেওয়া দূরের কথা, দাঁড়িয়ে দেখেছে তারা। এই মন্দিরে আগেও ঝামেলা হয়েছে। গত বছরের জুনেই এই মন্দিরে দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুরের খবর মিলেছিল। ওই মন্দিরের পুরোহিত রাম নাথ মিশ্র জানান, ‘প্রথমে স্থানীয় কর্তপক্ষ বলেছিল মন্দিরের মূল দ্বার ও একটি দেওয়াল ভাঙা হবে। কিন্তু লোডশেডিং করে পুরো মন্দির গুঁড়িয়ে দিল ওরা। ১৫০ বছর ধরে এই মন্দির রয়েছে। বহু ভক্ত সমাগম হয়। আসলে অনেকটা অংশ জুড়ে এই মন্দির। যা ভুয়ো কাগজ বের করে বানিজ্যিক সংস্থাকে বেচে দেওয়া হয়েছে। মন্দির পুরানো হয়ে গিয়েছে, বিপজ্জনক বলে এভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া অনুচিত। আশা করব প্রশাসন প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেবে।’ উল্লখ্য, পাকিস্তান হিন্দু কাউন্সিলের কাছে হিন্দু সংগঠনগুলি সুবিচারের দাবি জানিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share