Tag: Hindus

Hindus

  • Pakistan 2023 Census: পাকিস্তানে বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা, জানেন কত? 

    Pakistan 2023 Census: পাকিস্তানে বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা, জানেন কত? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন পর পাকিস্তানে (Pakistan 2023 Census) বাড়ল হিন্দু জনসংখ্যা। এছাড়াও শিখ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যাও বেড়েছে প্রতিবেশী দেশে। পাকিস্তান প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে গত ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল  এই ছয় বছরে পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ৩৫ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ লাখ হয়েছে। হিন্দুরা (Hindus) সংখ্যায় বৃদ্ধি পেলেও শতাংশের হিসাবে ২০১৭-র তুলনায় ২০২৩-এ সামান্য হলেও কমেছে। ২০১৭-তে পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১.৭৩ শতাংশ ছিল হিন্দুরা। গত বছর তা কমে হয়েছে, ১.৬১ শতাংশ।

    বাড়ছে জনসংখ্যা (Pakistan 2023 Census)

    পাকিস্তানের জনসংখ্যা (Pakistan 2023 Census) এখন বেড়ে হয়েছে ২৪ কোটির সামান্য বেশি। পরিসংখ্যানবিদেরা বলেছেন, পড়শি এই দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখন ২.৫৫ শতাংশ, যা ভারত ও বাংলাদেশের থেকে অনেকটাই বেশি। পাকিস্তান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে হ্রাস টানতে না পারলে ২০৫০ সালে দেশটির জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে, অভিমত বিশেষজ্ঞদের। শতাংশের হারে জনসংখ্যা সামান্য কমেছে সংখ্যাগুরু মুসলিমরা। ২০১৭ সালে মুসলিমরা ছিল জনসংখ্যার ৯৬.৪৭ শতাংশ যা ২০২৩-এ কমে হয়েছে ৯৬.৩৫ শতাংশ। ওই দেশে হিন্দু ও খ্রিস্টান জনসংখ্যায় খুব ফারাক নেই। ২৬ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হয়েছে ৩৩ লাখ। তুলনায় শিখরা সংখ্যায় খুবই কম। মাত্র ১৫ হাজার ৯৯৮জন।

    আরও পড়ুন: বালিকা বধূ রূপা এখন ডাক্তার! মাত্র ৮ বছরে বিয়ে, দুই সন্তানের মা অবশেষে স্বপ্নপূরণ

    অভিযোগ খণ্ডনের চেষ্টা (Pakistan 2023 Census)

    দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানে (Pakistan 2023 Census) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে ভারত। বিশেষ করে হিন্দুদের (Hindus) ওপর সেদেশে অত্যাচার নিয়ে আন্তর্জাতিকস্তরে সরব হয়েছে নয়াদিল্লি। একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবেশী দেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর অপহরণ ও ধর্মান্তকরণের একাধিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এই নতুন পরিসংখ্যান সামনে আসায় সেদেশে মানবাধিকার ক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাঁদের অনুমান, হিন্দুদের সংখ্যাবৃদ্ধির পরিসংখ্যান হাজির করে পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিপীড়নের অভিযোগ খণ্ডন করার চেষ্টা করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi in Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    Ghar Wapsi in Madhya Pradesh: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh) ৩০ জন মুসলিম ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতনে ফিরে এলেন। ইন্দোরের সামাজিক সংগঠন ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চ’- এর সভাপতি শ্যাম পাওয়ারি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘৩০ জন মানুষ ‘ঘর ওয়াপসি’ করেছেন স্বেচ্ছায়। সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। ইসলামকে ত্যাগ করেছেন। তাঁদের সনাতন ধর্মে ফিরে আসাটা সম্পূর্ণ আইনিভাবে বৈধ এবং তা ‘মধ্যপ্রদেশ রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যাক্ট-২০২১’ অনুসারে হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ৩০ জনের মধ্যে ১৪ জন মহিলা রয়েছেন।

    অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় ইন্দোরের বিখ্যাত খরজানা গণেশ মন্দিরে

    ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চে’র সভাপতি পাওয়ারি আরও জানিয়েছেন, যাঁরা ‘ঘর ওয়াপসি’ করেছেন, তাঁদের পূর্বপুরুষরা ইন্দোরে থাকতেন। কিছু জনের পূর্বপুরুষ পশ্চিম মধ্যপ্রদেশে (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh) বাস করতেন। তাঁরা সকলেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। প্রসঙ্গত, সনাতন ধর্মে ফিরে আসার এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় ইন্দোরের বিখ্যাত খরজানা গণেশ মন্দিরে।

    অনুষ্ঠানটিতে হাজির ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারাও

    ইন্দোরের ওই গণেশ মন্দিরে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়। রীতি মেনে প্রত্যেকে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী নিলফার যিনি পরিচিত হলেন নিকিতা নামে। অন্যদিকে, ৩৪ বছর বয়সী আকসার তিনি পরিচিত হলেন আকাঙ্ক্ষা নামে। গোটা অনুষ্ঠানটিতে হাজির ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারাও। তাঁরা বলেন, ‘‘যাঁরা ইসলামকে পরিত্যাগ করে সনাতন ধর্মকে গ্রহণ করলেন, তাঁদের মধ্যে একটি বালক ছিল যার নাম রোহিত। কয়েক বছর আগেও সে হিন্দু ছিল। কিন্তু তাকে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তকরণ করা হয়। পুনরায় সে সনাতন ধর্মে ফিরে এল।’’ তবে এটাই নতুন বা প্রথম নয়। চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল ওই একই মন্দিরে ৯ জন মুসলিম ইসলামকে পরিত্যাগ করে সনাতন ধর্মে ফিরে আসেন।

    কী বলছে প্রশাসন? (Ghar Wapsi in Madhya Pradesh)

    ‘সাঝা সংস্কৃত মঞ্চে’র সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রত্যেকেরই সনাতন ধর্মে ফিরে আসাটা আইনিভাবে বৈধ। তাঁরা কোর্টে এফিডেফিট জমা করেছেন। ৩০ জন মুসলিমের সনাতন ধর্মে ফিরে আসার কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় প্রশাসনও। এর পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন (Madhya Pradesh) আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি যেখানে বলা হচ্ছে, কোনও রকম চাপের কাছে নতিস্বীকার করে ওই মুসলিমরা হিন্দু হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Sarma: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    Himanta Sarma: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, শনিবার এমনই দাবি করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma)। তাঁর আরও দাবি, বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যারা ঘাঁটি গেড়েছে অসমে তারা লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে বিপুল ভোট দিয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকারের একাধিক সুবিধা নেওয়ার পরেও তারা এই কাজ করেছে বলে তোপ দাগেন হিমন্ত।

    বিজেপি জোট অসমের মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ পেয়েছে 

    প্রসঙ্গত, শনিবার অসমের দলের রাজ্য দফতরে বিজেপি এবং জোট সঙ্গী বিজয়ী সাংসদদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি জোট অসমের মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ পেয়েছে। যেখানে কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা মাত্র ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।’’ প্রসঙ্গত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৪টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১১টিতেই জিতেছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি। অন্যদিকে, মাত্র তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে কংগ্রেস। এ দিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma) আরও বলেন, ‘‘যদি আমরা কংগ্রেসের ৩৯ শতাংশ ভোটকে বিশ্লেষণ করে তবে দেখব যে সারা রাজ্য জুড়ে তারা এই ভোট পায়নি। মাত্র ৫০ শতাংশ সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ২১টি বিধানসভাতেই এই ভোট তারা পেয়েছে। এই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে বিজেপি মাত্র ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে।’’

    কেন্দ্রের সুবিধা নিয়ে কংগ্রেসকে ভোট

    এরপরই তিনি তোপ দেগে বলেন, ‘‘করিমগঞ্জ ছাড়া বাকি বাংলাদেশী মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলিকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে সেখানে ৯৯ শতাংশ ভোটই কংগ্রেসের কাছে গিয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে ওই মানুষগুলি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বাড়িতে বসবাস করছেন, মোদিজীর দেওয়া বিদ্যুৎ এবং শৌচাগারের সুবিধা নিচ্ছেন। কিন্তু যখন তাঁরা ভোট দিতে যাচ্ছেন তখন কংগ্রেসকেই দিয়ে দিচ্ছেন।’’

    ১২৬টি বিধানসভার মধ্যে ৯২টিতে জিতে রয়েছে বিজেপি জোট

    তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ‘‘রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা লক্ষ্মীপুরের একটি থানায় আক্রমণ করেছিল। কোকরাঝোড়ে জমি দখলেরও চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি ঠিক তখনই ঘটে যখন রাজ্যে আদর্শ নির্বাচনবিধি লাগু হয়ে যায়।’’ এরপরই তিনি বলেন, ‘‘যখন বিজেপি সরকার থাকবে না অসমে, তখন এমন কত হামলা হবে তা কল্পনা করা যায় না।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, লোকসভা ভিত্তিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে অসমে ১২৬টি বিধানসভার মধ্যে ৯২টিতে জিতে রয়েছে বিজেপি জোট। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পাওয়ার কথাও বলেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Sarma)।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shankaracharya: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের”, বললেন শঙ্করাচার্য

    Shankaracharya: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের”, বললেন শঙ্করাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা বেড়েছে হিন্দুদের।” রবিবার কথাগুলি বললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি যে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নন, বরং তাঁর একজন ভক্ত, তাও জানিয়ে দেন এই শঙ্করাচার্য। স্বাধীনতার পর থেকে দেশে এ পর্যন্ত যত জন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাঁর মধ্যে একমাত্র মোদিই হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

    কী বলছেন শঙ্করাচার্য

    অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, “সত্যটা হল এই যে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আত্মমর্যাদা জাগরিত হয়েছে হিন্দুদের। এটা ছোটখাট কোনও একটি বিষয় নয়। আমরা সব সময় বলেছি, আমার মোদির বিরুদ্ধে নই, বরং তাঁর ভক্ত।” তিনি (Shankaracharya) বলেন, “আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা করি কারণ, স্বাধীনতার পর থেকে আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এত সাহস দেখাননি। এর আগে হিন্দুদের পাশে কে দাঁড়িয়েছে? আমরা কারও সমালোচনা করছি না। তবে এটা ঠিক যে তিনিই (মোদি) প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি হিন্দুদের আবেগকে সমর্থন করেন।”

    ৩৭০ ধারাকেও স্বাগত

    সম্প্রতি রাম মন্দির নিয়ে শঙ্করাচার্যদের বক্তব্যকে বিকৃত করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ বলেন, “আপনারা, যাঁরা সংবাদমাধ্যম, তাঁদের একমাত্র কাজই হল আমাদের মোদি-বিরোধী বলে প্রতিপন্ন করা। আমায় বলুন, যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করেছিলেন, তখন আমরা তাকে স্বাগত জানাইনি? আমরা স্বচ্ছ ভারত অভিযানকেও স্বাগত জানিয়েছি। প্রকাশ্যে তাঁর প্রশংসা করেছি। আমরা তাঁর কাজে খুশি হয়েছি। হিন্দুদের বিশ্বাস বিকশিত হতে সাহায্য করছেন তিনি। মোদির কাজকর্মের অভিমুখ সেই দিকেই।”

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    ২২ জানুয়ারি সোমবার অযোধ্যায় শুরু হয়েছে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। এদিনই শুভক্ষণে গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার প্রস্তরমূর্তির। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনিই এই অনুষ্ঠানের যজমান। সেজন্য গত ১১ দিন ধরে কঠোর সংযম পালন করছেন তিনি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার কাজ করছেন পুরোহিত লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিতের নেতৃত্বে একটি দল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন দেশ-বিদেশের হাজার আটেক আমন্ত্রিত অতিথি (Shankaracharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Teen Pregnancies: হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলিমদের গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি!

    Teen Pregnancies: হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলিমদের গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত কৈশোরে গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা। গর্ভনিরোধক কোনও কিছু ব্যবহার না করার কারণে কৈশোরে মা হচ্ছেন বহু কিশোরী। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, হিন্দুদের (Hindus) চেয়ে কৈশোরে মা হচ্ছেন বেশি মুসলিম (Muslim) কিশোরী। শরীর পুরোপুরি গঠন হওয়ার আগেই মা হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ্য হচ্ছেন কিশোরী মা। যা ভবিষ্যতে তাঁর নিজের শরীরের পক্ষেই ভীষণ ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সম্প্রতি ডেটা প্রকাশ করে ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS) ৫। তাতেই উঠে এসেছে চোখ কপালে তোলার মতো সব তথ্য। জানা গিয়েছে, ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যেই মা হচ্ছেন ৭ শতাংশ ভারতীয় মহিলা। এঁদের মধ্যে আবার মুসলমানদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। শতাংশের হিসেবে ৮.৪। এর পরে রয়েছে খ্রিস্টান। শতাংশের হিসেবে তাঁরা ৬.৮। সব শেষে রয়েছেন হিন্দু। তাঁদের হার ৬.৫ শতাংশ। এ থেকে স্পষ্ট যে হিন্দুদের তুলনায় কৈশোরে মুসলমানদের গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ বেশি। এই তথ্য থেকে এও স্পষ্ট গর্ভনিরোধক ব্যবহারে তাঁদের ঘোর অনীহা।

    আরও পড়ুন: জানেন হৃদরোগীর থেকেও করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি কাদের?

    প্রসঙ্গত, বাল্য বিবাহের কারণে হিন্দুদের শাস্তি দেওয়া যায়। কিন্তু মুসলমানদের তা দেওয়া যায় না। কারণ তাঁদের পার্সোলান ল’ রয়েছে। সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, কৈশোরে গর্ভবতী (Teen Pregnancies) হওয়ার প্রবণতা শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামাঞ্চলেই বেশি। শিক্ষা এবং সম্পদ যাঁদের কম, তাঁদের পরিবারের ক্ষেত্রেই সচরাচর এটা দেখা যায়। বিবাহিত মহিলাদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ মহিলা ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে মা হন। কৈশোরে গর্ভবতী হওয়ার হার সব চেয়ে বেশি ত্রিপুরায়। শতাংশের হিসেবে ২২। এর পরেই রয়েছে বাংলা। সেখানে এই হার ১৬ শতাংশ। এর পরে রয়েছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ, আসাম, বিহার এবং ঝাড়খণ্ড।

    সমাজকর্মীদের মতে, নাবালিকা বিবাহের কারণে দ্রুত বাড়ছে জনসংখ্যা। সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুসলমানদের মধ্যে এই বয়সে সন্তান জন্মদানের হার ২.৪ শতাংশ। সেখানে হিন্দু এবং খ্রিস্টানদের মধ্যে এই হার মাত্র ১.৯ শতাংশ। আরও জানা গিয়েছে, ভারতে গত পাঁচ বছরে নাবালিকা বিয়ের হার ২২২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Population Growth Row: দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা, বদলে যাচ্ছে ভারতের ধর্মীয় মানচিত্র?

    Population Growth Row: দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা, বদলে যাচ্ছে ভারতের ধর্মীয় মানচিত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে দ্রুত বাড়ছে মুসলিম (Muslims) জনসংখ্যা। ২০১১ সালের জনগণনা থেকেই এই তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের (Religious Group) চেয়ে দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা। সেই তুলনায় জন্মহার কম হিন্দু (Hindus), শিখ (Sikhs), জৈন (Jains) এবং বৌদ্ধদের (Buddhists)।  সম্প্রতি এনিয়ে সমীক্ষা করেন জেকে বাজাজ নামে এক ব্যক্তি। ‘সেন্টার ফর পলিসি স্টাডিজ’-এর পক্ষে সমীক্ষাটি করেন তিনি। তাতেই দেখা যায়, ভারতে দ্রুত বদলে যাচ্ছে ধর্মীয় মানচিত্র। মুসলিমদের বাড়বাড়ন্তের পাশাপাশি কমছে শিখ, জৈন এবং বৌদ্ধদের জন্মহার। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাজাজ জানান, এটা একটা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক পরিণতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

    আরও পড়ুন : হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে সহনশীল, জানুন জুবের-জামিনকালে কী বলল আদালত

    সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে বাজাজ দেখিয়েছেন, মুসলিম এবং ভারতের বাকি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্মহারের ফারাক বিস্তর। ১৯৫১ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত সময়ে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ০.২৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত সেটা বেড়ে হয়েছে ০.৮০ শতাংশ। ১৯৫১ সালে ভারতে ৩.৪৭ কোটি মুসলিম ছিলেন। ২০১১ সালে সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭.১১ কোটিতে। অর্থাৎ, সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে বৃদ্ধি হয়েছে ৪.৬ গুণ। তুলনায় অন্যান্য ধর্ম বেড়েছে ৩.২ গুণ। যা থেকে প্রমাণ হয় ভারতে ধর্মীয় ভারসাম্যহীনতা ক্রমশ বাড়বে। তিনি জানান, মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্মহারের ফারাক ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত খানিকটা কমলেও পরের দশকে ফের বেড়েছে এক লপ্তে অনেকটাই।

    সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলির জনসংখ্যা ২০০১ সালে ছিল ৮৪.২১ শতাংশ। পরের দশকে সেটাই কমে হয়েছে ৮৩.৪৮ শতাংশ। অথচ মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সমীক্ষার ফলেই স্পষ্ট, ভবিষ্যতে এর প্রভাব হবে মারাত্মক। সমীক্ষায় এটাও স্পষ্ট হয়েছে যে, যেসব মায়েরা কম সন্তান ধারণ করেন, তাঁরা সুশিক্ষিত। অন্যদিকে, যাঁরা বেশিবার গর্ভধারণ করেন, তাঁদের মধ্যে শিক্ষার হার কম। তাঁরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারীও নন। সীমান্ত এলাকায় যে নিরন্তর ধর্মান্তকরণ চলছে, তারও প্রমাণ মিলেছে ওই সমীক্ষায়। দেখা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় তফশিলি উপজাতির মানুষ দ্রুত খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত হচ্ছেন। ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ওই রাজ্যে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা ১৯ শতাংশের কম থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি।

  • Hindus Helpline Numbers: পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    Hindus Helpline Numbers: পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে (Amaravati Murder) উমেশ কোলহে এবং রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur killing) কানহাইয়া লালকে (Kanhaiya Lal) নৃশংসভাবে খুন করেছে উগ্র মৌলবাদীরা। এই হত্যাকাণ্ডের পর, হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Viswa Hindu Parishad) এবং বজরং দল (Bajrang Dal)। এক ট্যুইট বার্তায় ভিএইচপি-র (VHP) তরফে জানানো হয়েছে, ভিএইচপি এবং বজরং দলের কর্মীরা ইসলামিক মৌলবাদীদের (Islamic fundamentalism) বিরুদ্ধে হিন্দু (Hindu) সম্প্রদায়কে সাহায্য করার জন্য উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট এবং অন্যান্য অনেক রাজ্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে।

    ট্যুইটবার্তায় জানানো হয়, হিন্দুরা যদি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ভিত্তিতে কোনও ‘হুমকিমূলক’ বার্তা বা কল পায় তবে তাঁদের পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর বিষয়ে সহায়তা করার জন্য ট্যুইটারে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হল। হিন্দু সংগঠনগুলি কর্নাটক, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, বিহার, ওড়িশা এবং অন্যান্য রাজ্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। ভিএইচপি হেল্পলাইন নম্বরের তালিকাও ট্যুইট করে। যদিও পরে ট্যুইটটি মুছে দেওয়া হয়।

    উত্তরপ্রদেশের কাশীপ্রান্তের ১৮ টি জেলার হিন্দুদের সহায়তার জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর (9198942004) জারি করা হয়েছে এই দুই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে। ভিএইচপির কাশী (Kashi) প্রদেশের নেতা অশ্বনী কুমার (Ashwani Kumar) বলেছেন, ‘ভিএইচপি এবং বজরং দলের কর্মীরা কাশী লাগোয়া জেলাগুলিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে৷ যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের পোস্টের জন্য “ইসলামী মৌলবাদীদের” কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন, তাঁরা দেরি না করে স্থানীয় থানায় বা জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাঁদের অভিযোগ নথিভুক্ত করুন।’ তিনি বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের অমরাবতী এবং রাজস্থানের উদয়পুরে হত্যাকাণ্ডগুলি হিংসা ছড়ানোর জন্য এবং দেশে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার জন্য করা হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়কে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি ভিএইচপি বা বজরং দলের কাছ থেকে কোনও ধরনের সহায়তা চায় তবে আমরা তাদের সর্বাত্মক সাহায্য করব।’

     

  • Supreme Court: কোন কোন রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু? ‘নির্দিষ্ট’ উদাহরণ চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: কোন কোন রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু? ‘নির্দিষ্ট’ উদাহরণ চাইল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে সব রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু (Hindu Minority), অথচ তাঁদের সেই মর্যাদা দেওয়া হয়নি, তার ‘পোক্ত’ উদাহরণ চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ভারতের (India) যেসব রাজ্যে হিন্দুদের জনসংখ্যা (Hindu population) কম, সেখানে সংখ্যালঘু মর্যাদার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। সেই মামলায় এবার ‘কংক্রিট’ উদাহরণ চাইল দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতি ইউইউ ললিত, এস রবীন্দ্র ভাট এবং শুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ সাফ জানাল, কোন কোন রাজ্যে হিন্দুরা (Hindu) সংখ্যালঘু, এবং সেখানে তাঁরা উপেক্ষিত কি না, তা আমাদের জানান।

    মাসকয়েক আগে সুপ্রিম কোর্টে এ ব্যাপারে জনস্বার্থ মামলা দয়ের করেছিলেন মথুরার এক ধর্মীয় নেতা দেবকীনন্দন ঠাকুর। তিনি ১৯৯২ সালের ন্যাশনাল কমিশন অফ মাইনরিটিজ অ্যাক্ট এবং ন্যাশনাল কমিশন অফ মাইনরিটিজ এডুকেশনাল ইন্সটিটিউশন অ্যাক্ট ২০০৪ কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দ্বারস্থ হন আদালতের। এতদিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তকমা পেয়ে আসছেন এ দেশের পাঁচ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ। এঁরা হলেন— মুসলমান, শিখ, বৌদ্ধ, পার্সি এবং জৈন। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন দেশের শীর্ষ আদালত জানান, আদালতের সামনে কংক্রিট উদাহরণ থাকলে তবেই এ ব্যাপারে বিবেচনা করা যাবে।

    আরও পড়ুন : নূপুরকে ভর্ৎসনা! সুপ্রিম পর্যবেক্ষণের সমালোচনায় আদালত অবমাননা হয়নি, মত অ্যাটর্নি জেনারেলের

    সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের চেয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে জন্মহার এদেশে অনেক বেশি। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা আগের আদমসুমারির চেয়ে এক লপ্তে বেড়ে গিয়েছে বেশ খানিকটা। সমীক্ষকদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে দ্রুত বদলে যাবে ভারতবর্ষের ধর্মীয় মানচিত্র। আবেদনকারীদেরও দাবি, দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে হিন্দুরাই সংখ্যালঘু। তাই ওই রাজ্যগুলিতে তাদের সংখ্যালঘুর জন্য সংবিধানকৃত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রাপ্য।  সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট উদাহরণ চাই। এদিন আবেদনকারীর পক্ষে বর্ষীয়ান আইনজীবী অরবিন্দ দাতার এ ব্যাপারে আদালতের কাছে সময় চান। তিনি বলেন, সমস্যাটা হিন্দুদের সংখ্যালঘু বলা যাবে কিনা, তা নিয়ে। দাতার বলেন, বুঝতে পারছি আদালত কী জানতে চায়। এ ব্যাপারে প্রামাণ্য উদাহরণ থাকতে হবে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যালঘু মর্যাদার বৈধ দাবি অস্বীকার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : জামিন নিয়ে নয়া আইন! জানুন কী বলল সুপ্রিম কোর্ট

    এদিন বেঞ্চ দাতারকে বলে, আসলে আমরা বলতে চাইছি ভাষাগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুর ব্যাপারে। এ দেশের যে কোনও ব্যক্তিই সংখ্যালঘু হতে পারেন। মহারাষ্ট্রের বাইরে মারাঠারা সংখ্যালঘু। একই রকমভাবে প্রতিটি রাজ্যে ভাষাগত মাইনরিটিও রয়েছে। আইন করে একে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

LinkedIn
Share