Tag: HIV

HIV

  • Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবি মতো পণের (Dowry) টাকা ও গাড়ি না পেয়ে এক মহিলাকে এইচআইভি (এডস রোগ) (HIV) ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সাহারানপুরে। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। মামলা দায়ের করা হয়েছে গাঙ্গোহ থানায়। জেলা পুলিশ সুপার সাগর জৈন জানান, আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    মোটা অঙ্কের পণের দাবি (Dowry)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হরিদ্বারের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন গাঙ্গোহ এলাকার এক ব্যক্তি। পণ বাবদ দিয়েছিলেন একটি গাড়ি, নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং বেশ কয়েক লাখ টাকার গয়না। এতে অবশ্য সন্তুষ্ট হয়নি ওই ব্যক্তির মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা একটি স্করপিও গাড়ি এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন

    পণ বাবদ এত দাবি আর মেটাতে পারবেন না বলে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই তরুণীর বাবা। অভিযোগ, এর পরেই শুরু হয় ওই তরুণীর ওপর নিত্য অত্যাচার। প্রতিদিন মারধর করার পাশাপাশি একদিন ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয়। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, স্থানীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামের লোকজন বসে সমস্যা মিটিয়ে দেন। বিষয়টি তখনকার মতো ধামাচাপা পড়ে যায়। অভিযোগ, এর পরেই ওই তরুণীকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন এইচআইভি ইনজেকশন দিয়ে দেয়। নির্যাতিতাকে জোর করে কিছু ওষুধও খাওয়ানো হয়। ওষুধ এবং ইনজেকশনের চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বধূ।

    ঘটনাটি জানতে পেরে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন ওই তরুণীর পরিবার (Dowry)। সেখানেই ধরা পড়ে নির্যাতিতার এইচআইভি সংক্রমণ। পরীক্ষা করা হয় ওই তরুণীর স্বামীকেও। রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতার পরিবার। আদালতের নির্দেশে, গাঙ্গোহ থানা (Uttar Pradesh) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু করেছে তদন্ত (Dowry)।

  • West Bengal Health: তিন রোগের সংক্রমণে দুশ্চিন্তা, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশ কি মানছে রাজ্য?

    West Bengal Health: তিন রোগের সংক্রমণে দুশ্চিন্তা, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশ কি মানছে রাজ্য?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তিনটি রোগের সংক্রমণ (West Bengal Health) বাড়াচ্ছে দুশ্চিন্তা। পশ্চিমবঙ্গের গর্ভবতীদের স্বাস্থ্য নিয়ে তাই বাড়তি উদ্বিগ্ন দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। রাজ্যকে সে বিষয়ে জানানোও হয়েছে। রোগ যাতে মায়ের শরীর থেকে নবজাতকের দেহে না পৌঁছায়, সে বিষয়ে বাড়তি নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে মন্ত্রক। এরপরেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য প্রশাসন।

    কোন তিন রোগ নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র? 

    কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, সিফিলিস, হেপাটাইটিস বি এবং এইচআইভি-এই তিন রোগ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এই তিনটি রোগ রক্ত ও দেহরসের দ্বারা সংক্রমণ ছড়াতে পারে। একজনের দেহ থেকে আরেক জনের দেহে বাসা বাঁধতে পারে। আর শিশুদের পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মায়ের থেকেই তাদের দেহে এই রোগ সংক্রমিত হয়েছে।
    সূত্রের খবর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই এই তিন রোগ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। দেশের সমস্ত রাজ্যেই তাই রোগ নির্ণয় করার পরামর্শ দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে, এ রাজ্যের পরিস্থিতি (West Bengal Health) বেশ উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে মন্ত্রক। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে গর্ভবতীদের এই তিন রোগের স্ক্রিনিংয়ের হার কম। অর্থাৎ, হবু মায়ের এই তিন রোগ আছে কিনা, অধিকাংশ সময় তা গর্ভস্থ অবস্থায় পরীক্ষা করা হয় না। ফলে, মায়ের থেকে অজান্তেই শিশুর শরীরে এই তিন রোগ ছড়িয়ে পড়ে। ভুগতে হয় পরবর্তী প্রজন্মকে।

    কী পরামর্শ (West Bengal Health) দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? 

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরামর্শ, গর্ভবতী মায়ের শারীরিক পরীক্ষা বাড়াতে হবে। সরকারি নজরদারিতে প্রসূতির সিফিলিস, হেপাটাইটিস বি এবং এইচআইভি পরীক্ষা করতে হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হলে সিফিলিসের মতো রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। তাই প্রথমেই এই রোগ নির্মূলকে গুরুত্ব দিতে হবে। গর্ভবতীর এই রোগ থাকলে, তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুনিশ্চিত করতে হবে। সরকারের তরফ থেকে ওষুধ দেওয়া হবে। গর্ভস্থ শিশুর মধ্যে যাতে রোগ না ছড়ায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। 
    তবে, এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস বি নির্মূল সম্ভব নয়। কিন্তু গর্ভবতীর রোগ নির্ণয় হলে, মায়ের থেকে শিশুর শরীরে রোগ সংক্রমণ আটকানো সম্ভব। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মা হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত জানতে পারলে, শিশু জন্মানোর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে শিশুর শরীরে হেপাটাইটিস বি টিকা দিতে হবে। তারপরে টিকার আরও দুটো ডোজ নির্দিষ্ট সময় অন্তর সদ্যোজাতকে দিতে হয়। তাহলে সংক্রমণের ঝুঁকি নির্মূল করা যেতে পারে। তবে, এইচআইভি সংক্রমিত হলে, মায়ের বাড়তি চিকিৎসা জরুরি। কারণ, শিশু গর্ভস্থ অবস্থায় চিকিৎসা শুরু না করলে, এইডস আক্রান্ত শিশু জন্মানোর ভয় থাকে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মায়ের থেকে শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে ৪০ শতাংশের বেশি। তাই গর্ভবতীর অ্যান্টি-রেস্ট্রাভাইরাল থেরাপি শুরু করা জরুরি। এই থেরাপি করলে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি ১ শতাংশের কম হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরামর্শ, এই দুই রোগে গর্ভবতী আক্রান্ত কিনা, তা পরীক্ষা করে জানতে হবে। পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলে পরিবারকে বিষয়টি জানাতে হবে। এই রোগের চিকিৎসার গুরুত্ব বোঝাতে হবে। রোগ নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সর্বোপরি, রোগ যাতে সদ্যোজাতের শরীরে বাসা না বাঁধে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মতো ট্রিপলট্রিগার ক্যাম্পেন (West Bengal Health) চালাতে হবে। অর্থাৎ, এই তিন রোগের উপরে বাড়তি নজরদারি জরুরি।

    কী পদক্ষেপ করবে রাজ্য (West Bengal Health) ? 

    স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা জানাচ্ছেন, গর্ভবতীদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই তিন রোগের দাপট রুখতে স্ক্রিনিংয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোচবিহার, উত্তর চব্বিশ পরগনা, বীরভূমের মতো জেলাগুলোকে বাড়তি নজর (West Bengal Health) দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ১২ সদস্যের টাস্ক ফোর্স গড়ে তোলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HIV: এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা তলানিতে, স্কুলের কর্মশালা বন্ধ! প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা! 

    HIV: এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা তলানিতে, স্কুলের কর্মশালা বন্ধ! প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালি পুরুষদের মধ্যে এইচআইভি (HIV) নিয়ে সচেতনতা কমছে। বিশেষত, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা কিশোরদের মধ্যে এই নিয়ে সচেতনতা তলানিতে। আর এর জেরে বাড়ছে বিপদ। প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকারের ভূমিকা!

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট? 

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এইচআইভি (HIV) নিয়ে সচেতনতা কমছে। বিশেষত ছেলেদের মধ্যে এই প্রসঙ্গে সচেতনতার হার বেশ কম। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫-২৫ বছর বয়সি ৫৪ শতাংশ ছেলের এইচআইভি সংক্রমণ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। কীভাবে এই রোগ সংক্রমিত হয়, এই রোগের জেরে কী ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে, সে সম্পর্কে বিশেষ ধারণা নেই।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মতো কী নির্দেশ (HIV) দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, স্কুল স্তর থেকেই সমস্ত পড়ুয়াদের এইচআইভি সংক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক করতে হবে। বয়ঃসন্ধিকালে থাকা পড়ুয়াদের পাঠ্যসূচিতেও রাখতে হবে। কীভাবে এই রোগ ছড়াতে পারে, এই ভাইরাস সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ভাবনাচিন্তা তৈরি করতে হবে, যাতে সমাজে কোনও রকম ভ্রান্ত ধারণা তৈরি না হয়। প্রয়োজনীয় কর্মশালার আয়োজন করতে হবে। 
    কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের পাঠ্যপুস্তকেই আটকে থাকলে চলবে না। পড়ুয়াদের সচেতন করতে একাধিক কর্মশালার আয়োজন জরুরি। এই রোগে আক্রান্ত মানেই সে অস্পৃশ্য নয়, কিংবা এই রোগ গোপন রাখার প্রয়োজন নেই, সে সম্পর্কে বোঝাতে হবে। প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ (HIV) নির্ণয় ও তার চিকিৎসা কতখানি জরুরি সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল স্তর থেকেই নানান কর্মসূচি করতে হবে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে, সংক্রমণ আটকানো সম্পর্কে সতর্ক করার বিষয়ে। কোন ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করলে এই রোগ সংক্রমণ আটকানো সম্ভব, সে সম্পর্কেও স্কুল স্তর থেকেই সচেতনতা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    রাজ্য সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন কেন? 

    কিন্তু রাজ্যে এইচআইভি নিয়ে সচেতনতার হার কমার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকারের ভূমিকা। স্কুল স্তরে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্য বইতে এইচআইভি (HIV) ভাইরাস সম্পর্কে উল্লেখ থাকলেও, এই নিয়ে কর্মশালা বা প্রয়োজনীয় আলোচনা স্কুলে হয় না বলেই অভিযোগ। স্বাস্থ্য ভবনে এই বিষয়ে দায়িত্বে থাকা এক কর্তা জানান, গত দেড় বছর ধরে রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কর্মসূচি চূড়ান্ত করা যায়নি। কীভাবে বিভিন্ন জেলার স্কুল পড়ুয়াদের একসঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি করা যায়, তা নিয়ে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। যদিও রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, গত আড়াই বছর করোনা মহামারির জেরে ঠিকমতো নিয়মিত স্কুল চালু হয়নি। অনিয়মিত স্কুলের জেরেই নানান কর্মসূচি আটকে রয়েছে। তাই সচেতনতা কর্মসূচি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। তাই ঘাটতি পূরণ দ্রুত হবে।

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    কিন্তু রাজ্য সরকারের এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা প্রসারের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিশেষজ্ঞ মহল। সম্প্রতি রাজ্যের এক সরকারি হাসপাতাল জে এন এম মেডিক্যাল কলেজে ডায়লিসিস করাতে গিয়ে এইচআইভি সংক্রমণের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগকারীদের সম্পর্কে কটূক্তি করেছিলেন রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা। বিশেষজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, এই ভাইরাস ঘটিত রোগ (HIV) সম্পর্কে মানুষের একাধিক ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তারপরেও যাঁরা এগিয়ে এসে এই রোগ সম্পর্কে মুখ খুলেছেন, যখন তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়, তখন এই রোগ সম্পর্কে আদৌ সচেতনতা তৈরি করতে চায় কি রাজ্য? সে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত ধারণা গড়তে না পারলে, ভবিষ্যতে এইচআইভিও কিন্তু আরেক মহামারির রূপ ধারণ করতে পারে। এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: হাসপাতালে ডায়ালিসিস করাতে এসে এইচআইভি আক্রান্ত পাঁচজন! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Kalyani: হাসপাতালে ডায়ালিসিস করাতে এসে এইচআইভি আক্রান্ত পাঁচজন! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে চিকিত্সা করাতে এসে এইচআইভি রোগে আক্রান্ত হলেন রোগী। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে।  হাসপাতালের ডায়ালিসিস ইউনিট থেকে এইচআইভি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। হাসপাতালে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিতে এসে পাঁচজন রোগী এইচআইভি সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। এমনই অভিযোগ করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে লিখিত অভিযোগ করেন এক রোগী। আর এই ধরনের গুরুতর অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই অনেক রোগীর পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকে ডায়ালিসিস করাতে আসছে না বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম হাসপাতালে ডায়ালিসিস নিতে আসা এক রোগী এর আগে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করেছিলেন। মূলত ডায়ালিসিস বিভাগে অব্যবস্থা নিয়ে তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগের পর পরই স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশে ডায়ালিসিস ইউনিট খতিয়ে দেখা হয়। এরপরই ওই রোগী ফের স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, ডায়ালিসিস ইউনিটে একজনের সিরিঞ্জ অন্য রোগীকে চিকিত্সার কাজে ব্যবহার করা হয়। আর তারজন্যই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। পরে, শারীরীক পরীক্ষা করে জানা যায়, গত কয়েকমাসের মধ্যে এই হাসপাতালে ডায়ালিসিস নিতে আসা ৮ জনের মধ্যে ৫ জন এইচআইভিতে আক্রান্ত। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই তাঁরা সকলেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি উপযুক্ত তদন্তের তিনি দাবি জানান।

    কী বললেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ?

    স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানোর পরই মঙ্গলবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকে। বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কল্যাণী (Kalyani) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অভিজিত্ মুখোপাধ্যায় বলেন,  আমাদের হাসপাতালে ১০টি ডায়ালিসিস বেড রয়েছে। তারমধ্যে একটি বেড এইচআইভি রোগীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে। আর একজনের সিরিঞ্জ অন্য রোগীকে দেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। তবু, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। সুপারের নেতৃত্ব ৮ সদস্যের হাইপাওয়ার কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে কমিটি বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাইপাওয়ার কমিটি তদন্তের প্রয়োজনে যে পাঁচজন এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের পরীক্ষা করবেন। আর হাসপাতালের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dialysis: ৯ মাস পরেও মিলল না সুরাহা, এইচআইভি আক্রান্তদের পাল্টা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ!

    Dialysis: ৯ মাস পরেও মিলল না সুরাহা, এইচআইভি আক্রান্তদের পাল্টা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ জানানোর পর কেটে গিয়েছে ন’মাস! বারবার ই-মেল ও চিঠি পাঠানোর পরেও সরকারের তরফে তেমন কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বরং শাসকদলের নেতারা হুমকি দিচ্ছেন! এমনই অভিযোগ আক্রান্তদের পরিবারের। তারা জানাচ্ছে, শাসকদলের এক চিকিৎসক নেতা হুমকি দিয়েছেন, কোথায় কোথায় গিয়ে, কী করার জন্য (Dialysis) এইচআইভি হয়েছে, তা প্রকাশ করা হবে! অভিযোগের সুরাহা তো হচ্ছে না, বরং সামাজিক হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। এমনই সংকটে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় ওই আক্রান্তরা।

    কী ঘটেছিল? 

    গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে অভিযোগ ওঠে, কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে পিপিপি মডেলে তৈরি ডায়লিসিস (Dialysis) সেন্টারে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে গিয়ে পাঁচজন রোগী এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, এইচআইভি রোগীর জন্য ব্যবহৃত সিরিঞ্জ অন্য রোগীর জন্য ব্যবহার করার জেরেই এই বিপত্তি! রোগীর পরিজন ই-মেল মারফত হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট বেসরকারি কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছিল। কিন্তু তারপরেও কোনও সুরাহা হয়নি। 

    অভিযোগকারীদের কীভাবে হয়রানি করা হচ্ছে? 

    সরকারি হাসপাতালের ডায়ালিসিস সেন্টার থেকে ডায়ালিসিস (Dialysis) করাতে গিয়ে এইচআইভি সংক্রমণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শাসকদলের আক্রমণ শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছেন। এমনকী প্রকাশ্যে সামাজিক হেনস্থাও করা হচ্ছে। যেহেতু এইচআইভি সংক্রমণ অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের জেরে হতে পারে, তাই তৃণমূল নেতাদের একাংশ তাদের নানান কুৎসিত ইঙ্গিত করছেন। এমনকী তৃণমূলের এক চিকিৎসক নেতা সংবাদ মাধ্যমে জানান, “ডায়ালিসিস করানোর পরে কোথায় গিয়ে কী করেছে আর কীভাবে এইচআইভি হয়েছে, সবটাই প্রকাশ্যে আসা দরকার! ” অভিযোগকারীদের বক্তব্য, অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে না, কিন্তু হেনস্থা হতে হচ্ছে! রোগীর পরিজনদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওই ডায়ালিসিস সেন্টার অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন! বিছানায় রক্তের দাগ লেগে থাকে। এমনকী একজন রোগীকে সিরিঞ্জ ব্যবহারের পরে অনেক সময়েই তা পরিবর্তন করা হয় না। অধিকাংশ সময়েই নেফ্রোলজিস্ট উপস্থিত থাকেন না। তাই কোনও সমস্যা হলেও সমাধান পাওয়া যায় না। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতর?

    অভিযোগ জানানোর পরে ন’মাস কেটে গেলেও এখনও সবকিছু খতিয়ে দেখা শেষ হয়নি। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে! তবে, ওই মেডিক্যাল কলেজের স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য দফতরের নজরদারি রয়েছে। ওই হাসপাতালের ডায়ালিসিস (Dialysis) সেন্টার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে নয়। পিপিপি মডেলে তা তৈরি। ফলে, পরিষেবার দায়িত্ব অনেকটাই ওই সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থার। তবে, ওই হাসপাতালে এইচআইভি রোগীদের জন্য আলাদা ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা রয়েছে। তারপরেও কীভাবে সাধারণ রোগীর মধ্যে রোগ সংক্রমণ হল, তা খতিয়ে দেখা হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানান, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি কাজ করছে। তবে, সম্পূর্ণ সত্য জানতে সময় লাগবে। 

    দায় এড়াতে চায় সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থা? 

    অভিযোগকারী পরিবারের তরফে জানানো হচ্ছে, ওই হাসপাতালের ডায়ালিসিস (Dialysis) সেন্টারের সঙ্গে যে বেসরকারি সংস্থা জড়িত আছে, তারা জানিয়েছে, এই ঘটনায় তাদের কোনও দায়িত্ব নেই। সরকার থেকে যেমন সিরিঞ্জ দেওয়া হয়, সেগুলিই তারা ব্যবহার করে।

    কী বলছেন চিকিৎসকেরা? 

    সরকারি হাসপাতালে ডায়ালিসিস (Dialysis) করাতে গিয়ে একসঙ্গে পাঁচজন রোগী এইচআইভি সংক্রমণের শিকার হলেন, এই ঘটনায় বিস্মিত চিকিৎসক মহল। বিশেষত আক্রান্ত ও তাদের পরিবারকে যেভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে, তাতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ চিকিৎসক মহল। তারা জানাচ্ছে, শুধুমাত্র অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক থেকেই এইচআইভি সংক্রমণ হতে পারে, এই ধারণা ভ্রান্ত। এই ধরনের ঘটনার জেরে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও কমবে। রক্তের মাধ্যমেও এই রোগ সংক্রমিত হয়। এরকম করলে ভবিষ্যতে এইচআইভি রোগীরা নিজেদের সমস্যা জানাতে ভয় পাবেন। তারা জানাচ্ছে, ডায়ালিসিস করার আগে রোগীর একাধিক রক্ত পরীক্ষা হয়, যেখানে স্পষ্ট করা থাকে, ওই রোগীর হেপাটাইটিস কিংবা এইচআইভি সংক্রমণের মতো সমস্যা রয়েছে কিনা। হাসপাতালে কি সেই নিয়ম মেনে পরীক্ষা করা হয় না? যদি করা হয়ে থাকে, তাহলে অভিযোগকারী রোগীদের সেই রিপোর্ট কেন স্বাস্থ্য দফতর প্রকাশ করে ঘটনার সুরাহা করছে না? সেই প্রশ্নও তুলছেন রাজ্যের চিকিৎসক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড (Covid), মাঙ্কিপক্স (Monkey Pox) নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। ফের নতুন করে ভয় ধরাতে শুরু করেছে এইচআইভি (HIV)। নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এরই মধ্যে এক বিরলতম ঘটনার সাক্ষী হল পৃথিবী। ইতালির এক যুবকের দেহে একই সঙ্গে ধরা পড়ল করোনা, মাঙ্কিপক্স এবং এইচআইভি। বিজ্ঞানীদের মতে বিশ্বে প্রথম এমন ঘটনা ঘটল। স্পেনে (Spain) ঘুরতে গিয়েছিলেন ইতালির এই ৩৬ বছর বয়সী যুবক। তারপরই এসে তিনি একই সঙ্গে তিনটে রোগে আক্রান্ত হন বলেই জানিয়েছে সিসিলির ক্যাটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুন: করোনা, মাঙ্কি পক্সের পরে এবারে নতুন আতঙ্ক টোম্যাটো ফ্লু, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র
     
    উপসর্গ হিসেবে এই ভদ্রলোকের জ্বর ছিল সঙ্গে গলা ধরা, মাথা ব্যথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। জুনের ১৬ থেকে ২০ তারিখ অবধি তিনি স্পেনে ছিলেন। আর সেইসময় তিনি অন্য এক পুরুষের সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌনতায় লিপ্ত হন। এরপর জুলাইয়ের ২ তারিখ তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তার তিন দিন আগে থেকেই উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। যেদিন তাঁর কোভিড ধরা পড়ে সেদিনই তাঁর সারা গায়ে র‍্যাশ বেরোতে শুরু করে। কোমরে, মুখে, হাতে বড় বড় ফোস্কা দেখা যায়। এরপর ৫ জুলাই তাঁকে স্যান মার্কো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছোঁয়াচে রোগের বিভাগে রাখা হয়। সেখানেই তাঁর মাঙ্কিপক্স টেস্ট করা হলে পজিটিভ আসে রিপোর্ট। একইসঙ্গে অন্যান্য আরও পরীক্ষা করা হয়, যেখানে ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি ১ পজিটিভ। তাঁর এই প্রতিটা সংক্রমণ খুব সম্প্রতি হয়েছে বলেই দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর আগে তিনি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যখন এইচআইভি টেস্ট করিয়েছিলেন তখন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল।

      আরও পড়ুন: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    এর পরই বিজ্ঞানীরা জানান, কোভিড এবং মাঙ্কিপক্স এক সঙ্গে হতেই পারে। এছাড়াও যাঁদের মাঙ্কিপক্স হচ্ছে তাঁদের সতর্ক থাকা উচিত। কারণ ২০ দিন পরেও অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। সবকটি রোগ একসঙ্গে হলে প্রাণহানির কোনও আশঙ্কা বাড়ে কিনা সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।    

    হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি ভর্তি ছিলেন ওই ইতালীয় যুবক। কোভিড-১৯ এবং মাঙ্কিপক্স থেকে সেরে উঠেছেন তিনি। এইচআইভি সংক্রমণের চিকিৎসাও শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গবেষকরা বলেছেন, “এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে কোভিড এবং মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ কী ভাবে মিশে গিয়েছে। ২টি সংক্রমণ এক সঙ্গে হলে কী ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি (HIV) সংক্রমণ। সম্প্রতি স্থানীয় পার্লার থেকে ট্যাটু করার পরে ১৪ জনের শরীরে এইচআইভির হদিশ মিলেছে। উত্তরপ্রদেশের বারানসীতে ঘটেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী খরচ বাঁচানোর জন্যে একই সূচ ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই ট্যাটু করার আগে সবাইকে খেয়াল করতে হবে যে নতুন সূচ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    এইচআইভি এক অন্যতম মারণ ভাইরাস। এর পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস। এই ভাইরাস থেকেই জন্ম দেয় এইডস (AIDS) রোগ। এইচআইভি মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর আঘাত করে। সময়মত চিকিৎসা না হলে এই ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের টি সেল কমে যায়। এই টি সেলই রোগের সঙ্গে শরীরকে লড়াই করতে সাহায্য করে। ফলে বিভিন্ন ধরনের রোগ নিশ্চিন্তে বাসা বাঁধে শরীরের আনাচে কানাচে। 

    পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রোগগুলির মধ্যে এটি একটি। এবং এই রোগের এখনও অবধি কোনও চিকিৎসা নেই। তাই এই রোগ থেকে কী করে নিজেকে দূরে রাখা যায়, সেদিকে নজর রাখাই সব থেকে জরুরী। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    কী ভাবে দূরে থাকবেন এইচআইভি থেকে?  

    ১। শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ছড়ায় এই রোগ। তাই শারীরিক সম্পর্কের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। শারীরিক সম্পর্কের আগে নিজের এবং সঙ্গীর ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে নিন। কন্ডোমের ব্যবহার সেক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন। 

    ২। রক্তের মাধ্যমেও দ্রুত ছড়ায় এই রোগ। যদি রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে সেক্ষেত্রে দাতা এবং গ্রহীতা দুজনকেই অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা না করে রক্ত নেওয়া যাবে না। এছাড়া একই সূচের ব্যবহারেও এই রোগ ছড়ায়। সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সূচ, ব্লেড একাধিক ব্যক্তির শরীরে ঠেকানো যাবে না। নতুন সূচ বা ব্লেড ব্যবহার করতে হবে। 

    ৩। মায়ের থেকে সন্তানের শরীরেও ছড়ায় এইচআইভি। তাই যে মায়েরা এই রোগে আক্রান্ত তাঁরা শিশুকে স্তন্যপান করাবেন না। গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

    ৪। বডিলি ফ্লুইডের মাধ্যমেও ছড়ায় এই রোগ। তাই সতর্ক থাকুন। মাঝে মাঝেই এই রোগের পরীক্ষা করান। তাহলেই রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। 

LinkedIn
Share