Tag: home

home

  • Vastu Dosh: কী করে বুঝবেন বাড়িতে বাস্তুদোষ আছে কি না? রইল সমাধানের টিপস

    Vastu Dosh: কী করে বুঝবেন বাড়িতে বাস্তুদোষ আছে কি না? রইল সমাধানের টিপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে বাস্তু (Vastu Dosh) ব্যবহার করলে পরিবারের সদস্যদের উন্নতি হয় এবং মানসিক শান্তি পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে বাড়িতে বাস্ত দোষ থাকলে পরিবারের সদস্যদের জীবনে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই, হিন্দু ধর্মে বাস্তুশাস্ত্রের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বাস্তুশাস্ত্র হল একটি প্রাচীন ভারতীয় স্থাপত্য এবং নকশা প্রণালী, যার লক্ষ্য বাসস্থান এবং কাজের স্থানগুলির মধ্যে শক্তি প্রবাহকে সামঞ্জস্য এবং ভারসাম্য করা। আসুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক আপনার বাড়িতে বাস্ত দোষ আছে কি না। আর দোষ থাকলে কী করলে সেখান থেকে মুক্তি পাবেন।

    বাস্তু দোষের লক্ষণ (Vastu Dosh)

    বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Dosh) অনুসারে যে বাড়িতে মানুষ বারবার যদি আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হন বা আপনি না চাইলেও হঠাৎ করে অপ্রয়োজনীয় খরচ দেখা দেয়, তাহলে এর মানে হল আপনার বাড়িতে (Home) বাস্ত ত্রুটি রয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়ির কোনও সদস্য যদি ক্রমাগত অসুস্থ থাকে এবং চিকিৎসা করেও সেরে না ওঠে, তাহলে এগুলো বাস্ত দোষের লক্ষণ। এমনকী, যে বাড়িতে বাস্ত দোষ আছে, সেখানে মানুষকে মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়। যদি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসার অবসান ঘটে এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া বা তর্ক চলতে থাকে, তাহলে এর অর্থ হল বাড়িতে বাস্তু দোষ রয়েছে। সর্বদা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তা করা এবং এর কারণে ঘুমাতে না পারা বাস্ত ত্রুটি নির্দেশ করে। এছাড়া পরিবারের সদস্যরা সারাক্ষণ অলস বোধ করে। সারাদিন ফোন বা টিভিতে ব্যস্ত থাকে। আপনার মনে যদি বারবার নেতিবাচক চিন্তা আসে বা জীবন শেষ করার কথা ভাবছেন, তাহলে বাড়ির বাস্তু ঠিক নয়।

    বাস্তু দোষ সংশোধনের উপায়

    বাড়ির মূল দরজার দিকে নজর দিন। অনেক সময় বাড়ির মূল দরজা সঠিক দিকে না থাকার কারণে বাড়ির বাস্তু (Vastu Dosh) নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিদিন বাড়ির প্রধান গেটে হলুদ এবং কুমকুম দিয়ে একটি স্বস্তিক চিহ্ন তৈরি করুন। এতে নেতিবাচক শক্তি চলে যায় এবং বাস্তু দোষও দূর হয়। যদি পরিবারের লোকেদের মধ্যে ঝগড়া হয়, তবে ঘর মোছার সময়, জলে সামান্য নুন মিশিয়ে তারপর মুছুন। রান্নাঘরের অগ্নিকোণে একটি লাল বাল্ব রাখুন, এটি করলে সমস্ত অকল্যাণ দূর হয় এবং ঘরে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে। যখন কোনও ব্যক্তির গ্রহের অবস্থানের অবনতি ঘটে, তখন নেতিবাচক শক্তির প্রবাহ শুরু হয়, এমন পরিস্থিতিতেও অনেক ধরণের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই, ঘর থেকে বাস্তু দোষ দূর করতে সময়ে সময়ে রামচরিতমানস বা সুন্দরকাণ্ড পাঠ করতে থাকুন। যদি বাড়ির কোনও জায়গায় বাস্তু দোষ তৈরি হয়, তবে প্রথমে একটি কপূরের পুরিয়া রাখুন। সেই কপূর শেষ হলে আরেকটি পুরিয়া রাখুন। এভাবে কপূরের পুরিয়া বদলাতে থাকলে বাস্তু দোষ থাকবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: ট্রেনের ফ্যান থেকে ঝুলছে লাশ! ভাবলে এখনও শিউরে উঠছেন রীতিশঙ্কর

    Train Accident: ট্রেনের ফ্যান থেকে ঝুলছে লাশ! ভাবলে এখনও শিউরে উঠছেন রীতিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতল ভেঙে পাঁজরে ঢুকে যাওয়া যাত্রীর আর্তনাদের মাঝে বেঁচে থাকার জন্য হাহাকার। কোনওক্রমে রক্ষা পাওয়া তাঁদের এসি কামরা ভেঙেচুরে তছনছ। সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত তিনটে পর্যন্ত রেল লাইনের ধারে গাছ তলায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। সে সময় ট্রেনের টিটিই, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লোকজন, উদ্ধারকারী দল অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে জল, শুকনো খাবার, ওষুধ দিয়ে তাঁদের মনোবল ধরে রেখেছিলেন। স্থানীয় মানুষজন সব সময় তাঁদের সাহস দিয়েছেন, নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সকলের চেষ্টায় ৩ জুন দুপুরে তাঁরা হাওড়া পৌঁছান। তারপর রূপনারায়ণপুরের ফ্ল্যাটে রীতিশঙ্কর রায় এবং চিত্তরঞ্জনের রেল কোয়ার্টার্সে মণীশ কুমার, রাকেশকুমার রঞ্জন এবং সঞ্জয় পাল ফিরে আসেন। মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার সেই অভিজ্ঞতার (Train Accident) কথা বলতে গিয়ে এখনও কেঁপে উঠছেন, বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তাঁরা।

    কী অভিজ্ঞতার (Train Accident) কথা তাঁরা শোনালেন তাঁরা?

    এই চারজনেরই একজন হলেন রীতিশঙ্কর রায়। তিনি বলেন, আমরা চারজন মিলে গিয়েছিলাম চিকিৎসার জন্য। যখন ঘটনাটা (Train Accident) ঘটল, তখন যে আমরা গাড়ি থেকে নামব, পাদানিতে পা দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না। ভয়ে আমাদের হাত-পা কাঁপছিল। ধোঁয়ায় চারদিক ভরে গিয়েছিল। শ্বাস প্রশ্বাসেও কষ্ট হচ্ছিল। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রেলের আধিকারিকরা এসে আমাদের নিচে নামিয়েছে। তারপর আমাদের খাবার-দাবার জল এইসব দিয়েছে। আমাদের মনের মধ্যে এমনই ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে, যে বলার নয়। আমরা মিথিলা এক্সপ্রেস-এ ফিরেছি। কিন্তু সব সময়ই মনে হচ্ছে, এই বুঝি কোনও ট্রেন এসে মেরে দিল। আগামী দিনে কি ট্রেনে আর চাপবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ট্রেনে তো যেতেই হবে। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা (Train Accident) যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা দরকার। কারণ, এ এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। এমনও দেখেছি, ট্রেনের যে ফ্যান, তাতে লাশ ঝুলছে। চট করে স্মৃতি থেকে এসব সরবে না।

    অন্যদিকে, বুধবার সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রীতিশঙ্কর রায়ের আবাসনে গিয়ে ফুলের তোড়া ও মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আরমান সহ অন্যান্যরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Home: আবাসিককে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও, হোম পরিদর্শনে প্রশাসনের আধিকারিকরা, কোথায় জানেন?

    Home: আবাসিককে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও, হোম পরিদর্শনে প্রশাসনের আধিকারিকরা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হোমের (Home) এক আবাসিকের ওপর চলছে শারীরিক নির্যাতন। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর থানা এলাকার ইস্পাত নগরীর এ জোন হর্ষবর্ধনে “দুর্গাপুর হ্যান্ডিকাপ্ড হ্যাপি হোম” নামে একটি হোম (Home)  নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হতেই দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায় সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিকদের তদন্ত করতে পাঠান।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? Home

    এই হোমে অনেক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চা রয়েছে। হোমের (Home) বারান্দায়, উঠানের চারিদিকে সকলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে রয়েছে। কেউ আবার শুয়ে রয়েছে। উঠানের পাশে এক আবাসিক গেঞ্জি পড়ে বসে রয়েছে। তার পরনে প্যান্ট নেই। একজন পরিচারিকা তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।  হোমের (Home)  ভিতরেই একজন সেই ছবি মোবাইল বন্দি করছেন। আর এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা নড়েচড়ে বসেন। শুরু হয় তদন্ত।

    হোম পরিদর্শন করে কী বললেন সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক? Home

     হোমের (Home) আবাসিককে মারধর করার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনের বিষয়টি নজর আসে। এদিন সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক দেব দুর্লভ ঘোষাল হোম (Home)  পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনের পর দেব দুর্লভ বাবু জানান, এই ভিডিও সম্ভবতঃ পুরানো। তাছাড়া হোমে (Home)  সব আবাসিকের সঙ্গে কথা বলেছি। কেউ মারধর করার কথা বলেনি।  তবুও, বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

    কী বলল হোম কর্তৃপক্ষ? Home

    এই হোমে ৪১ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চা রয়েছে। হোমের (Home) সম্পাদক পাপিয়া মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ভিডিও ফুটেজটি ২০১৭ সালের। এই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। যার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছিল, সেই আবাসিকও নেই। তবে, এই হোমের সুপারভাইজার আমির হাসান বলেন, এই হোমের (Home)  অনেক রকম দুর্নীতি আছে। এমনকি বাইরে কিছু ফাঁস করলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: ঘরে বসেই করুন বালক রামের দর্শন, আরতির সরাসরি সম্প্রচার দেখাবে দূরদর্শন

    Ayodhya Ram Temple: ঘরে বসেই করুন বালক রামের দর্শন, আরতির সরাসরি সম্প্রচার দেখাবে দূরদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামভক্তদের জন্য আরও একটা সুখবর। এবার থেকে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) আরতির সরাসরি সম্প্রচার করবে দূরদর্শন। দেশের সরকারি টেলিভিশন সংস্থা এই কাজের গুরুদায়িত্ব পালন করবে। কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রকের মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। অগণিত ভক্তদের ভিড়ে লোকে লোকারণ্য রামমন্দির। দ্বারোদ্ঘোটন হওয়া ইস্তক প্রায় কোটির কাছাকাছি সংখ্যক মানুষ বালক রামের বিগ্রহ দর্শন করেছেন। তা সত্ত্বেও বয়স, সময়, স্থান-দূরত্ব এবং শারীরিক প্রতিবন্ধকতার জন্য অনেকেই এখনও অনেক ভক্ত অযোধ্যায় যেতে পারেননি। কিন্তু দর্শন করার ইচ্ছে তো সব রামভক্তের মধ্যেই থাকে। এবার থেকেই এই ইচ্ছা পূর্ণ হবে লাইভ আরতি দর্শনে।

    দূরদর্শন সূত্রে খবর (Ayodhya Ram Temple)

    দূরদর্শন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ছটা থেকে আধ ঘণ্টা আরতি দৃশ্য লাইভ দেখানো হবে। রাম মন্দির (Ayodhya Ram Temple) গত ২২ জানুয়ারিতে উদ্বোধন হয়েছে। প্রভু রামলালার বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম লক্ষ্য করা গিয়েছে। ব্যাপক ভিড়ের কারণে অনেকে মন্দিরস্থলে এখনও পৌঁছাতে পারেননি, তাই এবার থেকে ঘরে বসে প্রভুর আরতি দেখাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দূরদর্শন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ এপ্রিল রাম নবমীর দিন থেকে এই লাইভ আরতি সম্প্রচার শুরু হবে। যেহেতু দূরদর্শন ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে থাকে তাই এই রামলালার আরতি প্রচারও করা হবে।

    কত ভক্ত মন্দির দর্শন করেছেন?

    শ্রী রামলালার (Ayodhya Ram Temple) বিশ্রামের জন্য দিনে মাত্র ১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে গর্ভগৃহের দরজা। সকাল ৬টা থেকে রাত্রি ১০টা পর্যন্ত রামলালার দর্শনের সময় স্থির করা হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে প্রভুকে দর্শনের জন্য দু’ঘণ্টা করে সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ৭৫ লক্ষ মানুষ মন্দির দর্শন করেছেন।

    কবে নির্মাণ শেষ হবে

    মন্দির (Ayodhya Ram Temple) ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্র জানিয়েছেন, “এই চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই মন্দিরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।” তিন তলা মন্দিরের কাজের মধ্যে বাকি দু’তলার কাজ করতে সাড়ে তিন হাজারের বেশি কর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে। মন্দিরের মধ্যে মোট পাঁচটি চূড়া থাকবে। মূল চূড়ার উঁচু হবে ১৬১ ফুট। মন্দিরের চূড়ায় সোনার প্রলেপ দেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share